Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সেতুর ওপরে

    উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প8 Mins Read0

    সেতুর ওপরে

    গড়বন্দীপুরের ছেলেরা আমাকে একটা সাইকেল দিতে চেয়েছিল। কিন্তু রাস্তায় যা জল কাদা। সাইকেল আনলেই বরং বিপদ হত, সে সাইকেল ঘাড়ে করে বয়ে নিয়ে যেতে হত। তারচেয়ে নিজের দুটো পায়ের ওপর ভরসা করাই অনেক বেশি নিরাপদ।

    কাদার রাস্তায় হাঁটার অভ্যেস আমার কাছে। সুন্দরবনের চেয়ে বেশি কাদা তো আর কোথাও নেই। সে একেবারে এঁটেল মাটি, কোথাও কোথাও হাঁটু ডুবে যায়। সেই তুলনায় এই রাস্তা এমন কিন্তু ভয়ের নেয়।

    পাজামা গুটিয়ে নিয়েছি ঊরু পর্যন্ত, পাঞ্জাবিটি কোমরের কাছে গিঁট দিয়ে নিয়েছি। হাতে একটা লাঠি থাকলে ভালো হত তাল সামলানো যেত, অন্ততপক্ষে একটি ছাতা। বৃষ্টি এখনও পড়ে চলেছে ঝিরিঝিরি সকাল-সন্ধে নেমে আসছে।

    বৃষ্টির মধ্যেই পথে মানুষজন প্রায় নেই। তা ছাড়া আজ হাটবার নয়। সন্ধের সময় হাঁটাহাঁটি করার কারই বা গরজ পড়েছে! গড়বন্দীপুরে ওরা আমাকে রাতটা থেকে যাওয়ার জন্য খুব অনুরোধ করছিল। কিন্তু আমার আজ রাতের মধ্যেই মুক্তিপুরে পৌঁছোতে হবে। সেখান থেকে ট্রেন ধরতে হবে খুব ভোরে।

    মাঝখানে আছে দ্বৈধা নদী। এমনিতে এলেবেলে ছোট্ট একটা শাখা নদী। জেলার ম্যাপে সুতোর মতন একটা দাগ আছে, দেশের ম্যাপে নামগন্ধও নেই। অন্য সময় হেঁটেই পার হওয়া যায়, কিন্তু বর্ষার কয়েকটা মাস বড় জ্বালাতন করে। এতটুকু নদী, তবু কোনও-কোনও বছরে জল উপছে। বন্যায় দু-দশখানা গ্রাম ভাসায়। নদীটার ভালো নাম ছিল দ্বিধা। সবাই সেটা ভুলে গেছে। এখন দ্বৈধা বলেই ডাকে।

    বেলাবেলি ওই দ্বৈধার ব্রিজটা পেরিয়ে যেতে হবে। পুরোনো আমলের কাঠের ব্রিজ, নড়বড় করে, কোথাও-কোথাও তক্তা খুলে গেছে, আচমকা সেখানে পা পড়লে আর রক্ষে নেই। অনেকদিন থেকেই ব্রিজটার এই দশা দেখে আসছি।

    আকাশে এখনও একটু-একটু আলোর ইশারা আছে, তার মধ্যে ব্রিজটা পার হয়ে যেতে পারলে হয়। একটু পরেই তো চরাচর একেবারে মিশমিশে অন্ধকারে ডুবে যাবে।

    দূর থেকে দেখা যাচ্ছে ব্রিজটা। একবার পেছন ফিরে দেখলুম গড়বন্দীপুরের দিকে আকাশ আবার ঘন কালো, আবার নতুন উৎসাহে ঝড়বৃষ্টি তেড়ে আসবে। লম্বা-লম্বা গাছগুলোর মাথা নুয়ে-নুয়ে পড়ছে।

    আমার পাশে-পাশে টোকা মাথায় একজন লোক হাঁটছিল, সে হঠাৎ ডান দিকের মাঠে নেমে গেল। এবারে সামনের দিকে আমাকে একাই যেতে হবে। কাদার মধ্যে যতটা সম্ভব জোরে পা চালালুম।

    বৃষ্টির মধ্যে সিগারেট ধরানো যায় না এই একটা অসুবিধে। সিগারেটের বদলে গুনগুন করে গান ধরলে সময়টা তাড়াতাড়ি কেটে যায়।

    ব্রিজের কাছাকাছি এসে একটা খ্যাস-খ্যাস শব্দ শুনতে পেলুম যেন। এদিকে কোথাও কাঠ চেরাই কল আছে নাকি? মনে তো পড়ে না। চোখ দুটোকে এবারে সতর্ক করে নিলুম। এবারে সাবধানে মেপে-মেপে পা ফেলতে হবে। এই সন্ধেবেলা আমি পা ফস্কে নদীতে পড়ে সাঁতার দিতে চাই না। দ্বৈধা নদী বেশ ফুলে ফেঁপে উঠেছে।

    ব্রিজের মাঝামাঝি জায়গা উঁচু হয়ে বসে আছে একটা লোক। খ্যাস-খ্যাস শব্দটা আসছে ওখান থেকেই। কী করছে লোকটা?

    কাছে এসে দেখি সে একটা করাত নিয়ে ব্রিজের তক্তা কাটছে মন দিয়ে। আমি যে পাশে এসে দাঁড়িয়েছি তাতে তার হৃক্ষেপ নেই।

    প্রথমে আমার মনে হল, ও বুঝি পি ডবলু ডি-র লোক। সেতু সারাই করতে এসেছে।

    ওকে পার হয়ে একটুখানি যাওয়ার পর আমার খটকা লাগল। গভর্নমেন্টের লোকের কাজে এত দরদ? এই দুর্যোগের দিনে সন্ধেবেলা একা-একা কাজ করে যাচ্ছে? কাছাকাছি দেখবার কেউ নেই তবুও? এই সময় তো ওর নিশ্চিন্তে বাড়িতে বসে তেলেভাজা আর মুড়ি খাবার কথা!

    তাহলে লোকটা নিশ্চয়ই চোর। কাঠ চুরি করছে। এই সন্ধেবেলা কেউ দেখবার নেই এই তো সুযোগ!

    ঝপাং করে একটা শব্দ হল। একটা বড় কাঠের টুকরো পড়ল নদীর জলে; আর কোনও সন্দেহ নেই। লোকটা কাঠ কেটে-কেটে নদীতে ফেলে দিচ্ছে। কাছাকাছি নিশ্চয়ই ওর কোনও স্যাঙাৎ লুকিয়ে আছে, সে ভাসমান কাঠগুলো তুলে নেবে।

    আমার মনে এক ধরনের বাষ্প ছড়িয়ে গেল, সেটা তিক্ততা আর বিষণ্ণতার মাঝামাঝি। এরা কি নিজেদের ভালো মন্দ কোনওদিন বুঝবে না? দ্বৈধা নদীর মধ্যে এই একখানি মাত্র সেতু, সামান্য কাঠের লোভে সেটা ওরা নিজেরাই ধ্বংস করছে? এই সরু রাস্তায় শহরের লোক আর কটা আসে, গ্রামের মানুষই তো এটা ব্যবহার করে।

    একবার মনে হল, আমার কী দরকার, যা হয় হোক। আমি তো আর এখানকার বাসিন্দা নই! এরা নিজেরাই ফল ভোগ করবে।

    তবু থমকে দাঁড়ালুম, আমরা অনেক কিছু দেখে যাই, মনে-মনে সমালোচনা করি, কিন্তু প্রতিবাদ বা সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দিই না। এখানে যদি তিন-চারটে চোর এক সঙ্গে থাকত, তাহলে আমার পালানো ছাড়া পথ ছিল না। কিন্তু ওই লোকটা একা, আমিও একা, সুতরাং ওকে আমার ভয় পাওয়ার কী আছে?

    ফিরে এসে বললুম, ওহে, তুমি এ কী করছ? আজকাল চোরেরা অনেক বেশি দুঃসাহসী। বাবু শ্রেণির মানুষদের গ্রাহ্যই করে না।

    লোকটি মাঝবয়সি, মোটামুটি স্বাস্থ্যবান, মুখ ভরতি দাড়ি। পরনে একটা লুঙ্গি আর খালি গা। আমার কথা শুনে মুখ না তুলে অবহেলার সঙ্গে বলল, দেখতেই তো পাচ্ছ, কাঠ কাটছি?

    আমি বললুম, কিন্তু এটা কি কাঠ কাটবার জায়গা? কাঠ কাটতে চাও তো জঙ্গলে যাওনি কেন, এটা ব্রিজ!

    লোকটি বলল, তোমার যেমন চক্ষু আছে, আমারও তেমন চক্ষু আছে। আমি জানি এটা একখানা সেতু। একটা বট গাছ নয়কো!

    —তা জেনেও তুমি এটাকে কাটছ? এটা ভেঙে পড়বে যে?

    —তা জেনেই তো কাটছি, আর দু-খানা খুঁটির জোড় সরাতে পারলেই এটা ভেঙে পড়বে! প্রায় হয়ে এসেছে!

    অ্যাঁ, জেনে শুনে তুমি এটার সর্বনাশ করছ? এই বর্ষায় লোক নদী পার হবে কী করে? তোমাদের মতন গ্রামের মানুষরাই তো…

    আর একখানা কাঠ শব্দ করে জলে পড়ল, লোকটা এবারে আমার দিকে ফিরে বলল, তোমার বয়স কত? তুমি এই সেতুটি আগে দেখেছ, না নতুন এসেছ?

    আমি বললুম, একেবারে নতুন নয়। আগে দু-তিনবার এসেছি!

    —আগে যখন দেখেছ, তখন কি এটা টাটকা, মজবুত ছিল?

    —না, তা ছিল না বটে!

    —মাঝে-মাঝে একখানা দু-খানা তক্তা খসে পড়ে, লোকে বাড়ি নিয়ে যায়। এই সেতু সারাই করার কথা কেউ ভাবে না। সরকার বাহাদুরও ভাবে না। বাপের আমল থেকে যেমন নড়বড়ে দেখেছি, এখনও তাই। কী বলো? এবারে আমি একে একেবারে শেষ করে দিচ্ছি, আর একটু পরে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়বে!

    —কী সর্বনাশ, আমি ঠিক সময়ে এসে পড়েছি! একটু দেরি হলে—

    —হ্যাঁ, তুমিই শেষ মানুষ পার হলে!

    —তবু এটাতে কাজ চলে যাচ্ছিল, তুমি শেষ করে দিচ্ছ কেন?

    —এ কাজ চলছিল বলেই তো গন্ডগোল! কোনও মতে কাজ চলে গেলে কেউ আর নতুনের কথা ভাবে না। এবারে দেখবে, আর কাজ চলবে না, লোকে নতুন চাইবে!

    আমি শিউরে উঠলাম এ-লোকটা চোর না দার্শনিক! কিংবা অতিপ্রাকৃত কেউ নয় তো? এই বৃষ্টির মধ্যে সন্ধেবেলা বসে-বসে একটা সেতু ধ্বংস করছে?

    আমি জিগ্যেস করলুম, ওহে কর্তা, তুমি কোন গ্রামে থাকো? তোমার বাড়ি কোথায়?

    লোকটি বলল, আমার বাড়ি নেই। থাকি এই কাঠখানা পেরিয়ে যে গ্রাম সেখানে!

    —গ্রামে থাক, তোমার বাড়ি নেই মানে? অন্য বাড়িতে কাজ করো?

    -না, তা নয়। ঠিক আমার একখানা বাড়ি। এই সেতুটার মতনই লজঝরে। এখানে সেখানে মেরামত করে আর কুলোয় না। একদিক ঢাকি তো আর একদিক দিয়ে জল পড়ে। তাই ভাবলুম, ধুর, এ দিয়ে আর কী হবে? একদিন আগুন দিয়ে বাড়িটা পুড়িয়ে দিলাম!

    —নিজের বাড়ি পুড়িয়ে দিলে? আবার নতুন বাড়ি বানাওনি।

    –বানাব, বানাব! সরকার বাহাদুর যখন এখানে নতুন ব্রিজ বানাবে, তখন আমিও আমার নতুন বাড়ি বানাব!

    আমার আর তাড়াতাড়ি মুক্তিপুরে ফেরার কথা মনে পড়ে না। আমি লোকটির পাশে বসে পড়ে জিগ্যেস করলুম, তা তুমি যে এই মাঝখানটায় বসে খুঁটির জোড়গুলো কাটছ, তো এটা ভেঙে পড়লে তো তুমি এটার সঙ্গে ডুববে!

    লোকটি হেসে বলল, না, সে আমার হিসেব আছে। এই দ্যাখো না, এখুনি এই এক দিকটা। ভাঙবে। এটা গড়বন্দীপুরের দিক। তারপর ওদিক খানিকটা সরে গিয়ে আবার বাকিটা সেরে ফেলব। আমার কি ডুবলে চলে, আমাকে দেশে বউ-এর জন্য নতুন বাড়ি বানাতে হবে না?

    —তুমি বুঝি এই পুরোনো ব্রিজের কাঠ দিয়ে তোমার নতুন বাড়ি বানাবে?

    —আরে রাম-রাম ছি-ছি! এমন কথা ভাবলে! তুমি, বাবুদের বাড়ির ছেলে বলেই এইসব কথা তোমাদের মনে আসে। এই কাঠের আর আছে কী? এত পচে গেছে! তা ছাড়া, আমাদের গ্রামে সবার মাটি-বাঁশের বাড়ি, সেখানে কি আমি কাঠের বাড়ি হাঁকতে পারি? আমার নতুন বাড়িও ওই মাটি বাঁশেরই হবে! তবে টাইম লাগবে!

    —এ দ্যাখো, কারা যেন আসছে!

    গড়বন্দীপুরের দিক থেকে কারা যেন আসছে ব্রিজের ওপর। দুটি ছায়ামূর্তি। মাথায় কীসের যেন বোঝ।

    লোকটি ভয় পেয়ে বলল, আরে-আরে, ওরা মারা পড়বে যে। এই রোখো-রোখো এদিকে আর এসোনা!

    ছায়ামূর্তি দুটি থামল না, এগোতেই লাগল।

    আমার পাশের লোকটি করাত সরিয়ে রেখে একটা কাঠ প্রাণপণে চেপে ধরল। আমাকে বলল, ও বাবু, তুমি পাশের খুঁটিটা ধরো। ওরা পা দিলেই ভেঙে পড়বে সব। ছায়ামূর্তি দুটি কাছে এল একজন নারী ও পুরুষ, তাদের কাঁধে ও মাথায় কয়েকটা পোঁটলা-পুটলি। আমাদের ওইরকম অবস্থায় দেখে তারা থমকে দাঁড়াল।

    ব্রিজ ধ্বংসকারী লোকটি বলল, তোমরা পার হতে পারবে না। এই সেতু ভেঙে পড়ছে। খুব বিপদ, তোমরা ফিরে যাও।

    যুবতী মেয়েটি কান্না-কান্না গলায় বলল, ওগো আমাদের যে যেতেই হবে!

    —না পারবে না; এই সেতু পার হতে পারবে না।

    যুবতীর সঙ্গের পুরুষটি বলল, ওগো, আমাদের যে আর ফিরে যাওয়ার উপায় নেই।

    —কেন, ফেরবার উপায় নেই কেন? যে গ্রাম থেকে এসেছ, আজ রাত্তিরটার মতন সেখানে ফিরে যাও।

    পুরুষটি বলল, না গো, সে উপায় থাকলে কি আর বলি। মহাজন আমাদের সর্বস্বান্ত করেছে। আমাদের ঘর-বাড়ি সব গেছে। একটুকরো জমি ছিল, তাও বেচে দিয়েছি!

    —তাহলে এদিকে কোথায় যাবে? এদিকে কি তোমাদের কোনও ভরসা আছে?

    —দেখি মুক্তিপুরে কোনও ঠাঁই মেলে কি না!

    যুবতীটি বলল, পুরোনো জায়গা ছেড়ে এসেছি, ওখানে আর যাব না। এদিকে গিয়ে দেখি কী হয়। দুজনে মিলে খাটব, আবার ঘর বানাব! ওগো, আমাদের যেতে দাও। ব্রিজ ধ্বংসকারী এবারে শুয়ে পড়ে অনেকগুলি কাঠের মুখ বুকে চেপে ধরল। তারপর বলল, যাও তবে সাবধানে যাও! আমার পিটের ওপর পা দিতে পারো, তাতে কিছু হবে না! শিগগির চলে যাও, বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারব না!

    নারী ও পুরুষটি তাকে ডিঙিয়ে তড়িঘড়ি চলে গেল। তারপর করাতওয়ালা লোকটি উঠে পড়তেই গড়বন্দীপুরের ব্রিজের অংশটা হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল একসঙ্গে।

    আমি এবার তাকে জিগ্যেস করলুম, এই যে তুমি কাণ্ডটি করলে এর পর হয়তো গ্রামের লোক মহা অসুবিধেয় পড়বে তুমি জানো। কেউ আর পার হতে পারবে না। তবু তুমি এত কষ্ট করে এই মেয়েটাকে আর লোকটাকে পার হতে দিলে কেন? ব্রিজ ধ্বংসকারী তার দাড়িওয়ালা মুখখানা। আমার দিকে ঘুরিয়ে এক গাল হেসে বলল, ওরা যে নতুন জায়গায় যাবে, নতুন করে ঘর বাঁধবে ওদের কথা আলাদা!

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেই গাছটির নীচে
    Next Article সোনামণির অশ্রু

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }