Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প336 Mins Read0
    ⤷

    প্রথম পরিচ্ছেদ— বেডলামের গোপন অধিবেশন

    ১৫ আগস্ট, ১৮৮৫, লন্ডন

    ১।

    গত চারদিন অবিশ্রান্ত ধারার বৃষ্টিতে গোটা লন্ডন শহর জুড়ে বিচ্ছিরি প্যাঁচপ্যাচে কাদা। সঙ্গে একটানা ঠান্ডা হাওয়ার দাপট। গতকালই লন্ডন টাইমসে খবর করেছিল, এ শহরে নাকি প্রতি আট মিনিটে মারা যাচ্ছে একজন মানুষ। কিন্তু কারও তাতে কিচ্ছু আসে যায় না। প্রতি পাঁচ মিনিটে জন্ম হচ্ছে একজন নবজাতকের। মহারানি ভিক্টোরিয়া সিংহাসনে বসার চল্লিশ বছর যেতে না যেতে শহরের জনসংখ্যা ১০ লক্ষ থেকে বেড়ে প্রায় ৪০ লক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছত্রাকের মতো চারিদিকে গজিয়ে উঠছে নিত্যনতুন বাসস্থান, কলকারখানা। শহর জুড়ে অজস্র রাস্তা আর গলিঘুঁজির গোলকধাঁধা। গোটা শহরটাই যেন বিরাট এক কনস্ট্রাকশন সাইট। শহরে নিকাশি ব্যবস্থা বলে কিছু নেই। গোটা টেমস নদী বদ্ধ ডোবার মতো ঘন মলে পরিপূর্ণ। মাঝে মাঝে নদী থেকে বয়ে আসে পূতিগন্ধযুক্ত হাওয়া। কলেরা, প্লেগ, গুটিবসন্ত এই শহরের অতি পরিচিত তিন সঙ্গী। তবে এসব কিছুই ভাবছিলেন না লুই। তিনি ভাবছিলেন গতকাল রাতে আসা বেনামি চিঠিটার কথা। তাঁর স্ত্রী অসুস্থ। অন্য ঘরে ঘুমান। লুই বাইরের ঘরে একটা বিছানায় ব্যবস্থা করে নিয়েছেন। কাল অনেক রাতে দরজায় মৃদু টোকা পড়ে। লুইয়ের রাতে ভালো ঘুম হয় না। তিনি উঠে দরজা খুলতেই চাকর জানায় একজন অচেনা লোক এসে এইমাত্র চিঠিটা দিয়ে গেল। বলেছে এখুনি মালিককে দিতে। জরুরি।

    সাদা খামে ভরা মামুলি চিঠির মতো দেখতে হলেও গালায় যে মোহরটা আঁকা ছিল, সেটা দেখেই লুই বুঝলেন, এ কোনও সাধারণ চিঠি না। আগামী কাল, সকাল ঠিক এগারোটায় বেথলেহেমে প্রভু যিশুর চরণে নিজেকে সমর্পণ করতে বলা হয়েছে সেই চিঠিতে। সঙ্গে দুটো মরচে পড়া চাবি। চিঠিতে যদি বা কিছু সন্দেহ থেকে থাকত, দেখা করার সময়কাল আর এই চাবিতে তা দূর হল একেবারে। শমন এসেছে। এই ডাক অগ্রাহ্য করার সাধ্য নেই তাঁর।

    পরদিন সকালে বৃষ্টিটা ধরল একটু। কিন্তু তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতি হল বেশি। দম বন্ধ করা গাঢ় হলুদ কুয়াশা ঢেকে দিয়েছে গোটা লন্ডন শহরকে। কারখানা থেকে বেরোনো গন্ধকে ভরা এই কুয়াশায় বেশিক্ষণ শ্বাস নেওয়া যায় না, কাপড় চ্যাটচ্যাটে হয়ে যায়। অন্য কোনও দিন হলে লুই বাড়ির বাইরে পা দিতেন না। কিন্তু আজ উপায় নেই। আধখানা ডিম আর এক গেলাস ক্ল্যারেট পেটে ঢেলেই টুপি, ছাতা নিয়ে ধরাচূড়া পরে হাঁটা দিলেন বেড়লাম হাসপাতালের দিকে। অপ্রত্যাশিত, আকস্মিক কোনও ঘটনা ঘটেছে। তা না হলে গত দশ বছর তিনি এই সংঘের সঙ্গে যুক্ত। এমন জরুরি তলব আসেনি কোনও দিন।

    কুয়াশার উপদ্রবে দিনের বেলাতেও রাস্তায় গ্যাসলাইট জ্বালানো। গোটা শহর এক অদ্ভুত রহস্যময় রূপ ধারণ করেছে। মানুষ চলছে অশরীরী প্রেতাত্মার মতো। খটখট শব্দ করে পাথুরে রাস্তায় এগিয়ে চলেছে ঘোড়ায় টানা বগি আর হ্যানসম ক্যাব। চাইলেই একটা ক্যাব নিয়ে নেওয়া যেত। কিন্তু সংঘের মাস্টারের কড়া নিষেধ। কোনও সাক্ষী রাখা যাবে না। আরও মিনিট পনেরো হেঁটে নদী পেরিয়ে লুই চলে এলেন সাউথওয়ার্কে। তাঁর অভীষ্ট স্থানে। প্রায় ছশো বছরের প্রাচীন এই বেডলাম হাসপাতালের আসল নাম বেথলেহেম হসপিটাল। প্রথমে সবরকম চিকিৎসাই চলত এখানে। মূলত শহরের দরিদ্র, অনাথরাই এদের রোগী। পরে রাজা অষ্টম হেনরির আদেশে এই হাসপাতালকে শুধুমাত্র উন্মাদ আর মানসিক রোগীদেরই চিকিৎসায় নিয়োজিত করা হল। লোকমুখে বেথলেহেম হল বেডলাম। মূল ফটকের পাশের চত্বরের দুপাশে দুটো বিরাট পুরুষ মূর্তি। একজনের নাম মনখারাপ, অন্যজনের নাম পাগলামো। লোকে ঠাট্টা করে এঁদের নাম রেখেছে “ব্রেইনলেস ব্রাদার্স।” তবে লুই মূল ফটকের দিকে গেলেনই না। তিনি মাথার টপহ্যাটটাকে একটু নামিয়ে দিয়ে মুখের কিছুটা ঢেকে পা চালালেন হাসপাতালের বাগানের দিকে। সেখান থেকে সোজা চলে যাওয়া যায় পিছনের ছোটো খিড়কি দরজায়। এই কুয়াশায় সুবিধেই হয়েছে একরকম। তা না হলে তাঁকে কেউ না কেউ চিনে ফেলতই। বিশেষ করে তাঁর লেখা শেষ বইটা বাচ্চাদের জন্য লেখা হলেও বড়োরাও পড়ে খুব সুখ্যাতি করেছেন। স্বল্পপরিচিত কবি থেকে তিনি একজন কেউকেটা হয়ে উঠেছেন রাতারাতি। খিড়কির সামনে এসে খানিক অপেক্ষা করলেন লুই। পিছনে তাকিয়ে দেখলেন। কেউ অনুসরণ করছে না তো? নাহ, কেউ নেই।

    কালো খিড়কির দরজাটা দেওয়ালের সঙ্গে এমনভাবে মিশে আছে যে খেয়াল না করলে এর অস্তিত্ব বোঝা মুশকিল। লুই সাবধানে সিঁড়ির তিনটে ধাপ উঠে দরজায় খটখট করলেন। প্রথমে তিনবার। একটু থেমে আবার তিনবার। দরজার উপরে ছোটো একটা ঘুলঘুলি খুলে গেল। একটা হলুদ লণ্ঠনের আলো। ভিতরের লোকটি নিশ্চিত হতে চাইছে কে এসেছে। শুধু দরজা খোলার সংকেত জানলেই হবে না। এরপর ভিতর থেকে নির্দেশ এল “ক্ল্যাভিস।” পকেট হাতড়ে সেই চিঠির সঙ্গে পাওয়া চাবিটা ঘুলঘুলি দিয়ে ঢুকিয়ে দিলেন লুই। একটু বাদেই সামান্য আওয়াজ করে দরজা খুলে গেল। ছোটোখাটো চেহারার এক কিশোর লুইকে দেখে হাত বাড়িয়ে দিল করমর্দনের জন্য। লুই জানেন কোন পদ্ধতিতে হাত ধরতে হবে। এই গোপন করমর্দনের ভঙ্গি সংঘের সদস্য বাদে কেউ জানে না। কিন্তু লুই হাত ধরতেই ছেলেটি তাঁর হাতের তেলোতে চারটে আঙুল রেখে মাঝের দুটো আঙুল খুলে দিল। ফিসফিসিয়ে বলে উঠল, “মাহাবোন।” চমকে উঠলেন লুই। এই সংকেত, এই গোপন শব্দের অর্থ তিনি জানেন।

    .

    “লজের দরজা খোলা।” সংঘের গোপনতম কোনও সভায় আমন্ত্রণ পেলেই এই শব্দ উচ্চারিত হয়। কী হবে আজ?

    লুইয়ের দুর্বল হৃৎপিণ্ড জোরে জোরে ধুকপুক করতে লাগল। মুখে সে ভাব দেখালেন না তিনি। সামনে ছেলেটা পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই পথ গোলকধাঁধা। তাঁকে একা ছেড়ে দিলে কিছুতেই ফিরে আসতে পারবেন না। লুইয়ের নাকে আসছে রোগীদের মলমূত্রের কটু গন্ধ। কাকে যেন চাবুক মারা হচ্ছে। তার চিৎকারে কেঁপে কেঁপে উঠছে হাসপাতালের নিস্তব্ধতা। আরও একটু এগোতেই কানে এল দোতলার উন্মাদদের হাসির শব্দ, শিকলের ঝনঝন। আর দুই একটা মোড় ঘুরে সিঁড়ি চলে গেছে নিচের দিকে। এখানে নিশ্ছিদ্র অন্ধকার। আলো বলতে শুধু সেই হলুদ লণ্ঠনের মিটমিটে আভা। এখানে কোনও শব্দ নেই। যেন সবাই মরে গেছে। এতক্ষণ তাও লুইয়ের মনে হচ্ছিল তিনি ইহজগতে আছেন। এখন পাতালপুরীর এই নিস্তব্ধতায় তাঁর দম বন্ধ হয়ে এল। অবস্থা একটু স্বাভাবিক করতে গলা খাঁকরে তিনি সামনের ছেলেটিকে শুধালেন, “তোমার নাম কী বাছা? কী করা হয়?”

    ছেলেটি স্বভাবে গম্ভীর। একটু থেমে পিছন ফিরে জানাল, “আমি মাস্টারের সেবা করি। আমার নাম রিচার্ড হ্যালিডে।”

    .

    ২।

    লুই ভেবেছিলেন ছেলেটা তাঁকে কোনও সভাঘরে নিয়ে যাবে। কিন্তু ভারী ওক কাঠের দরজার পিছনের নিভুনিভু গ্যাসলাইটের আলোয় যে অপার্থিব ঘরটা লুইয়ের চোখের সামনে খুলে গেল, সেটা দেখবেন বলে লুই আশা করেননি। ঘরের লম্বা করিডরের দুইপাশে কাঠের চেম্বার, তাতে লাইন ধরে নানা অদ্ভুত লেবেল মারা সব রাসায়নিকের বোতল, রিটট, টেস্টটিউবের সারি আর বকযন্ত্র শোভা পাচ্ছে। অন্যদিকের টেবিলের ঠিক মাঝখানে ধিকিধিকি জ্বলছে বুনসেন বার্নার। তাতে কিছু একটা ফুটে বগবগ শব্দ হচ্ছে। প্রথমে খানিক সময় লাগল বুঝে উঠতে। তারপর ঘরে উপস্থিত সবাইকে দেখতে পেলেন লুই। এ যে চাঁদের হাট বসেছে! সংঘের সব মাথারা বসে আছেন গোল টেবিল ঘিরে। মাঝে মাস্টার ম্যাসন এলি হেনকি (জুনিয়র) স্বয়ং। তাঁকে ঘিরে অভিনেতা হেনরি আরভিং, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের বাঘাবাঘা গোয়েন্দারা। এঁদের মধ্যে মেকলিজনের মতো কুখ্যাত অফিসার থেকে জর্জ ক্লার্ক, উইলিয়াম পামার, নাথানিয়েল ডুস্কভিচ কে নেই! লুই গুনে দেখলেন মোট সাতজন। উইলিয়াম পামার সর্বজনশ্রদ্ধেয় হলেও ইদানীং কোনও কারণে সরকারের রোষে পড়েছেন। কিন্তু এরা সবাই মিলে একসঙ্গে এখানে কী করছে! লুই এসব ভাবার আগেই পামার অনুচ্চ কন্ঠে বলে উঠলেন, “চিহ্ন।” লুই জানেন তাঁকে কী করতে হবে। তিনি একটা হাত বুকের ওপরে রেখে অন্য হাত দিয়ে নিজের গলা কাটার ভঙ্গি করলেন। মৃদু হেসে হেনকি হাত বাড়িয়ে বললেন, “গ্রিপ।” আবার করমর্দন। কিন্তু এই পদ্ধতি আরও গোপন। সংঘের একেবারে উপরের ডিগ্রির কেউ না হলে, এটা জানা অসম্ভব। লুই জানেন। হাত মিলিয়ে বুড়ো আঙুল দিয়ে মাস্টারের হাতের গিঁটে স্পর্শ করতে হয়। এর মানে সম্পূর্ণ বশ্যতা।

    .

    এবার আরভিং-এর পালা। লাইসেনিয়াম থিয়েটারের এই নামজাদা অভিনেতা লন্ডনের প্রথম ম্যাসনিক লজের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম। গম্ভীর গলায় তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, “ওয়ার্ড।” লুই এর উত্তর জানেন। একটুও না ভেবে বললেন, “বোয়াজ।” আর মনে মনে ভাবতে লাগলেন এমন হাই ম্যাসন মিটে তাঁর মতো অভাজনের ডাক পড়ল কেন?

    প্রথম কথা বললেন উইলিয়াম পামার। হেনকির দিকে তাকিয়ে বললেন, “তবে সভা শুরু করা যাক?”

    হেনকি মাথা নেড়ে সায় দিয়ে ইশারায় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা রিচার্ড হ্যালিডেকে কী যেন ইঙ্গিত করলেন। হ্যালিডে চকিতে বাইরে বেরিয়ে পাশের ঘর থেকে ধরে আনল একেবারে ছোটোখাটো একটা মানুষকে। লোকটা নিজের পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারছে না। চোখ ঘুমে ঢুলুঢুলু। কোনওক্রমে তাকে ধরে এনে চেয়ারে বসাতেই সে ধপ করে বসেই আবার ঢুলতে লাগল। হেনকি উঠে দাঁড়ালেন। গম্ভীর স্বরে বলা শুরু করলেন, “ব্রাদার্স, আপনারা হয়তো জানেন, আমাদের ম্যাসনিক লজের একেবারে শুরুর দিন থেকে সদস্যদের খোঁজ ছিল এমন এক সত্যের, যে সত্য মানুষের মনের গহিনতম রূপকে ধরতে পারে। আমাদের কাছে নিশ্চিত খবর আছে, শুধু আমরাই না, সুদূর এশিয়ার পীত চিনদেশীয়রাও বহু আগে থেকে এই খোঁজ চালাচ্ছেন। মানবমনের নেতিবাচক শক্তিকে তাঁরা ইন এবং ইতিবাচক শক্তিকে ইয়ান বলে চিহ্নিত করেন। তাঁদের সুপ্রাচীন বর্ণমালা ই-চিং-এ এই ইন ও ইয়ান মিলিয়ে মোট চৌষট্টিটি চিহ্ন বা হেক্সাগ্রাম আছে। কিন্তু যা আজ অবধি সবার অধরাই থেকে গেছে, তা হল এমন কিছু, যা এই শুভ আর অশুভ, ইন আর ইয়ান-কে আলাদা করতে পারে। ধূসরকে ভেঙে ফেলতে পারে সাদা কালোয়। আদিম যুগ থেকে চিনা গং-সি আর টং, জার্মানির ইলুমিনাটি, আমেরিকার স্কাল অ্যান্ড বোন, সবাই অতি সংগোপনে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছিল এই নিয়ে। নিজেদের মতো। কিন্তু কেউ সফলকাম হয়নি।”

    এলি হেনকি বলে যাচ্ছিলেন, লুই বুঝবার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন, এসব ইতিহাস বলার জন্য এত গোপন মিটিং-এর কী দরকার? আর এই অর্ধঘুমন্ত মানুষটিই বা কে? যেন তাঁর মনের কথা বুঝতে পেরেই হেনকি বলে উঠলেন, “ইতিহাসের কথা বলে আর আপনাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেব না। যে কারণে আজকের এই জরুরি মিটিং, আমি এমন কিছু একটা আবিষ্কার করেছি, যা মানবমনের ইন আর ইয়ান-কে আলাদা করতে পারে।”

    ঘোষণাটা এতই অস্বাভাবিক আর অকল্পনীয় যে কেউ এর জন্য তৈরি ছিল না। ঘরে গুনগুন শব্দ শুরু হল। সবাই অবাক। এ যে অবিশ্বাস্য! হেনকি কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলেন। যেন সবাইকে সুযোগ দিলেন খবরটা হজম করার। তারপর চেয়ারে বসে ঢুলতে থাকা মানুষটির দিকে তর্জনী দিয়ে দেখিয়ে বললেন, “আপনারা অনেকেই হয়তো এই হতভাগ্য মানুষটিকে চেনেন না। কিন্তু নাম শুনেছেন। এই বেচারা মানুষটির নাম জেমস লংলি।”

    নামটা উচ্চারণ করতেই ঘরের অনেকেই সচকিত হয়ে লোকটির দিকে তাকালেন। পামার আর মেকলিজন বাদে। খুব সম্ভব পুলিশে কাজ করার দরুন তাঁরা একে আগে থেকেই চেনেন। মেকলিজন একটা রুপোর খড়কে কাঠি দিয়ে দাঁত খোঁচাচ্ছিল। পামার নিরুত্তাপ। লুই সবিস্ময়ে দেখছিলেন লংলিকে। দুই মাস আগেই লন্ডনের সব পত্রিকার প্রথম পাতা জুড়ে দিনের পর দিন লংলির কীর্তিকাহিনি ছাপা হয়েছে। নেহাত ছাপোষা স্কুলমাস্টার লংলি মানসিক সমস্যার জন্য বেডলামে ভরতি ছিলেন। একদিন সবার নজর এড়িয়ে তিনি পালিয়ে যান। যাবার সময় এলি হেনকির কোটের পকেট থেকে কোল্ট প্যাটারসন রিভলভারটাও গোপনে হাতিয়ে নেন। বেডলাম থেকে বেরিয়ে তিনি প্রথমেই তাঁর স্কুলে গেলেন। কাউকে কিছু বুঝতে দেবার আগেই ক্লাসরুমে ঢুকে এক গুলিতে চার বছরের ছোট্ট মেয়ে মিয়া ইভান্সের মাথা উড়িয়ে দেন তিনি। বিচার চলে। বিচারে লংলির প্রাণদণ্ড হয়। কিন্তু ডাক্তার এলি হেনকি অনেক বলেকয়ে, মুচলেকা দিয়ে তাঁকে আবার বেডলামে নিয়ে আসেন চিকিৎসার জন্য। সে লোক এখানে কী করছে?

    “আপনারা ভয় পাবেন না। জেমস লংলি এখন একটা গাছের চেয়েও শান্ত। আমার কথায় রোজ ওকে পনেরো গ্রেইন করে ক্লোরাল হাইড্রেট দেওয়া হচ্ছে। এতে হৃৎস্পন্দন কমে যায়। রোগী আপনাআপনি শান্ত হয়ে পড়ে। এবার আমি আপনাদের সামনেই ওকে কিছু প্রশ্ন করব। আপনারা শুধু শুনে যান। কিছু বলবেন না।”

    লংলির একেবারে সামনে একটা চেয়ার নিয়ে বসে তিনি খুব শান্ত গলায় জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার নাম কী বাছা?”

    প্রথমে সে শুনতে পায়নি। পরে আবার একই কথা জিজ্ঞাসা করায় ইঁদুরের মতো চিঁচিঁ শব্দে উত্তর দিল, “জেমস লংলি।”

    “ঠিকানা?”

    “৩৯, চ্যারিংক্রশ, লন্ডন।”

    “তুমি এলি প্যাটারসনকে খুন করেছ?”

    এলির নাম শুনতেই লংলির দুই চোখ বেয়ে জল গড়াতে লাগল। পাশাপাশি মাথা নাড়ল সে।

    “কখনোই না। মিয়া আমার সবচেয়ে প্রিয় ছাত্রী ছিল। সবচেয়ে মিষ্টি আর আদুরে। আমার অঙ্ক ক্লাসে শুধু আমার জন্যেই রোজ একটা না একটা উপহার নিয়ে আসত।”

    চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন এলি হেনকি।

    “ব্রাদারস! এই হল জেমস লংলি। এবার অন্য একজনের সঙ্গে আপনাদের আলাপ করাই।”

    এলি আবার ইশারা করতেই রিচার্ড কোথা থেকে এসে লংলির হাত পা চেয়ারের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে দিল। ব্যথায় কুঁকড়ে উঠল লংলির মুখ। হেনকি এগিয়ে গেলেন কেমিক্যালের টেবিলের দিকে। সেখানে একটা কাঠের ছোটো স্ট্যান্ডে তিন-চারটে বোতল রাখা। পাশেই বেশ কয়েকটা টেস্টটিউব। তাদের একটা হাতে নিয়ে এলি হেনকি এবার সরাসরি তাকালেন লুইয়ের দিকে। হালকা একটা হাসি ফুটে উঠল তাঁর ঠোঁটের কোনায়। তাঁকে উদ্দেশ্য করেই বললেন, “দেখুন ব্রাদার, ভালো করে দেখুন এবার কী হতে চলেছে। আর কেউ না দেখলেও আপনি দেখুন। আপনার দেখা দরকার।”

    “কিন্তু কেন? আমিই কেন?” অস্ফুট স্বরে জিজ্ঞাসা করলেন লুই।

    “কারণ, আমরা কেউই লেখক না। আপনি লেখক। জনপ্রিয় লেখক। শব্দের জাদু আপনার হাতে। আপনি চাইলেই সত্যিকে মিথ্যা বানাতে পারেন আর মিথ্যাকে সত্যি।”

    “কিন্তু এক্ষেত্রে…”

    “এক্ষেত্রে আপনি যা যা দেখবেন, তা যত অসম্ভবই মনে হোক না কেন, আপনি সেটা লিখবেন। লিখবেন কল্পকাহিনির ঢং-এ, অলীক রূপকথার মতো। যাতে সবাই একে বানানো গল্প বলে বিশ্বাস করে। বইয়ের প্রচারের ভার আমাদের ব্রাদাররা নেবেন। সে চিন্তা আপনাকে করতে হবে না। আপনি শুধু কাহিনিটা লিখে দেবেন। জানেন তো আমরা, ব্রাদাররা একটা কথায় বিশ্বাস করি। যেদিন ঈশ্বরের সৃষ্টি হয়েছিল সেদিন সৃষ্টি হয়েছিল শয়তানেরও। তবে শয়তানের শয়তানি কোথায় জানেন? শয়তান মানুষকে বিশ্বাস করিয়েছে সে অলীক, অবাস্তব। তার কোনও অস্তিত্ব নেই। আর এই বিশ্বাসের সুযোগেই সে ছোবল মারে। আমরাও সে পন্থাই নেব।”

    এলি হেনকি তাঁর টেস্টটিউবে প্রথমে ঢেলে নিলেন রক্তের মতো লাল রঙের এক তরল। বার্গান্ডি রেড। দ্রুত হাতে তাতে মিশিয়ে দিলেন কয়েক ফোঁটা প্রবণ আর সাদা পাউডার। বার্নারে গরম করতেই মিশ্রণটা টগবগ করে ফুটতে লাগল। রং বদলে প্রথমে লাল থেকে বেগুনি, পরে অদ্ভুত সবুজ বর্ণ নিল। ঠান্ডা হতেই হেনকির নির্দেশে লংলির মুখ হাঁ করিয়ে সেই তরল ঢেলে দিল তাঁর সহকারী হ্যালিডে।

    প্রথমে কিছু না বোঝা গেলেও খুব ধীরে ধীরে লংলির মধ্যে একটা পরিবর্তন খেয়াল করলেন লুই। সারা দেহ অল্প অল্প কাঁপছে। মাথা নড়ছে। কাঁপুনি বাড়তে শুরু করল। সঙ্গে মুখ দিয়ে অদ্ভুত পাশবিক ঘড়ঘড় আওয়াজ। তারপর গোটা দেহ জুড়ে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি। লুই ভয় পেলেন। মনে হল এই শিকলও দুর্বল হয়ে পড়বে। ভারী ওক কাঠের চেয়ার দুলতে লাগল সামনে পিছনে। মিনিটখানেক এমন চলল। তারপর সব শাস্ত। শুধু লংলির গলার অদ্ভুত আওয়াজ শোনা যাচ্ছে গোটা ঘর জুড়ে। হেনকি লংলির সামনে গিয়ে বসলেন। আবার আগের মতো জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি মিয়া ইভান্সকে খুন করেছ?” আবার মাথা নাড়ল লংলি। তবে এবারে উপরে নিচে।

    “মুখে বলো”, একটু ধমকের সুরে বললেন ডাক্তার।

    “হ্যাঁ” ঘড়ঘড়ে গলায় উত্তর এল।

    “কেন?”

    “এমনি….. কোনও কারণ নেই। মজা পেলাম। তাই। সুযোগ পেলে আরও মানুষ মারব। মানুষ মারতে মজা লাগে।”

    “তোমার নাম কি জেমস লংলি?”

    পাশাপাশি নাড়ল লংলি। না।

    “তবে? তবে তোমার নাম কী?”

    লুইকে চমকে দিয়ে চাপা গলায় লংলি বলে উঠল, “আমার নাম হিউড রাডি। ঠিকানা ৩৯, ক্রশ, লন্ডন।”

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজু – অৎসুইশি
    Next Article নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }