Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প336 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ— বলিদান

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ— বলিদান

    ১০ এপ্রিল, ১৮৯১, লন্ডন, রাত ৮-৩৫

    “তাহলে এখন বলুন প্রফেসর, এই প্রস্তাবে আপনি রাজি কি না।” এপ্রিলের লন্ডনে এবার অদ্ভুত এক শুকনো হাওয়া বইছে। রেস্তোরাঁর ভিতরের এই গোপন ঘরে কোনও জানলা নেই, তবু ফিনফিনে রোগা, তালঢ্যাঙা প্রফেসরের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে উঠেছে। ভদ্রলোকের বয়স সবে পঞ্চাশের কোঠায়। কিন্তু বিলীয়মান কাঁচাপাকা চুল, চওড়া কপাল দেখে তাঁকে আরও অনেক বেশি বয়স্ক লাগে। এক অর্থে সুবিধাই। চেহারা দেখে তাঁর বয়স আন্দাজ করা যায় না। আর তিনি সেটাই চান।

    প্রশ্ন শুনে প্রফেসরের গর্তে বসা চোখ দুটো যেন রাগে জ্বলে উঠল। কিছুদিন আগে হলেও হয়তো লোকটার সাহস হত না তাঁকে এই প্রস্তাব দেবার। তিনি কোনও উত্তর না দিয়ে সোজা তাকিয়ে রইলেন প্রশ্নকর্তার দিকে। বিরাট চেহারার মানুষটার সারা মুখ দাড়িগোঁফের জঙ্গলে ভরা। খাদ্যরসিক। যখন কথা বলেন ঠোঁটের কোনায় একটা হালকা হাসির রেশ লেগে থাকে, যেন কোনও মজার জোকস শোনাচ্ছেন। খবর আছে, স্বয়ং মহারানি তাঁর ঘনিষ্ঠতম বৃত্তে এঁকে স্থান দিয়েছেন।

    প্রফেসরের আজ ক্লাস ছিল বাইনোমিয়াল থিয়োরেমের উপরে। মাত্র একুশ বছরেই এই নিয়ে একটা পেপার লিখে সবাইকে এমন চমকে দেন যে তার জোরেই বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ তিন হাজার পাউন্ডের গণিতের অধ্যাপকের পদটি তাঁর দখলে। ক্লাস চলছিলও খুব সুন্দরভাবে। দারুণ কথা বলতে পারেন তিনি। গোটা ক্লাস মুগ্ধ হয়ে শোনে। ক্লাস শেষ হতেই ছাত্ররা একে একে এসে তাদের ভালোলাগা জানায়। কেউ কেউ প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করে। আজ ছাত্রদের মধ্যে থেকেই একজন এগিয়ে এসে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে করমর্দন করে চলে যেতেই প্রফেসর বুঝতে পারলেন তাঁর হাতের তালুতে ছোটো একটা কাগজের টুকরো চলে এসেছে। সেখানেই হলবর্ন রেস্তোরাঁর কথা আর সময়ের উল্লেখ ছিল। অন্য সময় হলে প্রফেসর হয়তো ব্যাপারটাকে গুরুত্ব দিতেন না, কিন্তু সবকিছু গুলিয়ে দিল একটা ছবি। চিহ্ন। মোটা পালক কলমের দাগে কাগজের নিচে আঁকা ছিল এই চিহ্নটা।

    এই চিহ্নকে অস্বীকার করার সাহস প্রফেসরের অন্তত নেই। ক্লাস শেষে একটা ছ্যাকরাগাড়িতে উঠে বসলেন। টপ হ্যাট পরে ছপটি হাতে চালক বসে আছে গাড়ির ছাদে। তিনি গাড়িতে উঠে কিছু বলার আগেই চালক ঘোড়ার পিঠে চাবুক মেরে বেশ জোরেই “হলবর্ন” বলে রওনা হল। প্রফেসর অবাক হলেন। আবার হলেন না। এদের কাজকর্ম অনেক আঁটঘাট বাঁধা। নিজেও এই ধরনের গোছানো কাজ পছন্দ করেন। অন্ধকার রাস্তায় টিমটিমে গ্যাসলাইট। গাড়ির দুপাশে তেলের বাতি জ্বলছে। ঘোড়া চলার সময় পায়ে পায়ে শিকল ঠেকে ঝমঝম শব্দ হচ্ছে। মাথার দুইদিক টিপে ধরে প্রফেসর বসে রইলেন অনাগত কালের প্রতীক্ষায়। তিনি বুঝতে পারছিলেন জাল গুটিয়ে আসছে। কিন্তু সে জালের কেন্দ্রে তিনি নেই, থাকতে পারেন না। তিনি একাই একটা ইন্ডাস্ট্রি, তবু তিনি সর্বদাই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেছেন। আইনি পথে তাঁকে পাকড়াও দূরে থাক, ছোঁয়া অসম্ভব। এই সবকিছু তিনি জানেন। তবু এই ছোট্ট চিরকুটের মধ্যে অশুভ কিছু একটা ছিল, যা তাঁকে কিছুতেই শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। বহু অলিগলি এদিক ওদিকের পথ পেরিয়ে গাড়ি কিংসওয়ে আর হাই হলবর্নের পশ্চিম পাড়ে হলবর্ন রেস্তোরাঁর সামনে থামল। কেউ পিছু ধাওয়া করছে কি না নিশ্চিত হবার জন্য এই ঘুরে ঘুরে গন্তব্যস্থানে আসার পাঠ। নতুন অপরাধীদের একেবারে শুরুতেই শেখানো হয়। গাড়ির ছোকরা তবে নিতান্তই নভিস। গাড়ি মূল গেটে না দাঁড়িয়ে পাশের এক ছোটো খিড়কির সামনে দাঁড়িয়েছে। নেমে বটুয়া বার করতেই ক্যাবের ছোকরাটি “লাগবে না স্যার। পেমেন্ট করা আছে”, বলে ঝনঝনিয়ে আবার অন্ধকারে মিলিয়ে গেল। দরজার সামনেই খাটোমতো, টাকমাথা একজন দাঁড়িয়ে। সে সসম্মানে প্রফেসরকে রাস্তা দেখিয়ে নিয়ে চলল। দোতলায় নাচঘর থেকে ভেসে আসছে বাজনার টুংটাং, হাসির শব্দ। কিন্তু প্রফেসরকে নিয়ে যাওয়া হল একতলার বড়ো হলের পাশ দিয়ে। এককালে এখানে বসত লন্ডনের সবচেয়ে বড়ো জুয়ার আসর। হলবর্ন ক্যাসিনো। সরাসরি না হলেও প্রফেসরের আয়ের একটা বড়ো অংশ আসত এখান থেকে। এখন রানির আদেশে ক্যাসিনো বন্ধ। ক্যাসিনোর ঠিক পাশেই লবি শেষ। টাকমাথা লোকটি সেই দেওয়ালের সামনে গিয়ে একবার পিছনে তাকিয়ে দেখে নিল। তারপর এক অজানা বোতামে চাপ দিতেই দেওয়ালের গা থেকে একটা পাল্লা খুলে এল। ভিতরে দারুণ সুসজ্জিত একটা ঘর। আলো জ্বলছে। মনে মনে একটু হাসলেন প্রফেসর। এই বুদ্ধি নরওয়ের সেই স্থপতি জোনাস ওল্ডএকর ছাড়া কারও হতেই পারে না। একেবারে সিগনেচার কাজ। প্রফেসরের চেনা। ছোট্ট ঘরে ডিনার টেবিল সাজানো। একেবারে ফুল কোর্স ডিনার। দুরকম স্যুপ, মাছের দুরকম পদ, স্টেক, চিপস, স্যালাড, চিজ আর ডেজার্ট। এক কোণে দুটো বোতল ভরা রিসবার্গের ভিন্টেজ মদ। দরজার দিকে পিছনে ফিরে বসে যে মোটা ভদ্রলোকটি একটা বইয়ের পাতা আনমনে ওলটাচ্ছিলেন, তাঁর পরিচয় আলাদাভাবে দেবার কোনও প্রয়োজন নেই। দরজা খোলার আওয়াজ পেয়েই তিনি পিছন ফিরে “কাম ইন” বলে প্রফেসরকে ডেকে নিলেন। দরজা আবার আগের মতো বন্ধ হয়ে গেল। এই গোপন ঘরে এখন তাঁরা। দুজন। প্রফেসর আড়চোখে ভদ্রলোকের হাতের বইয়ের দিকে তাকালেন। এ বই তাঁরই লেখা। যেন প্রফেসরের মনের কথা বুঝতে পেরেই ভদ্রলোক দাড়ির ফাঁকে হেসে বললেন, “একা বসে বসে কী আর করব? আপনার লেখা বইটাই পড়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু এ তো ভয়ানক কঠিন বই মশাই। দুপাতা এগোতে পারলাম না। শীতালি পাখির মতো সব সংকেত আর ইক্যুয়েশনে ভর্তি!”

    প্রফেসর মৃদু হাসলেন। মুখে কিছু বললেন না। এদের আসলে মনেপ্রাণে ঘৃণা করেন তিনি। এরা ভাবে ক্ষমতা হাতে আছে বলে সব কিছু বোঝার অধিকার এরা পেয়ে গেছে। কিন্তু তা বলে এদের মাথায় তাঁর লেখা ‘ডাইনামিক্স অফ অ্যান অ্যাস্টেরয়েড’-এর মতো কঠিন গণিতের বই ঢুকবে, তা আশা করাই বাতুলতা।

    অনুমতি নিয়ে সামনের চেয়ারে বসতেই সরাসরি কাজের কথায় চলে এলেন ভদ্রলোক।

    “দেশ চালানো তো ক্রমে মুশকিল হয়ে যাচ্ছে প্রফেসর। বুঝছেন তো? বিশেষ করে আমাদের মহারানির শত্রু এখন চারিদিকে। সবাই ষড়যন্ত্র করছে রানিকে হেয় করার, তাঁর ব্যর্থতাগুলো বড়ো করে দেখানোর, এমনকি বিরোধীরা তোরানির একটা নামও দিয়েছে। ফ্যামিন কুইন। দুর্ভিক্ষের রানি। এসব কি রানির ভাবমূর্তির পক্ষে ভালো? আপনিই বলুন প্রফেসর?”

    প্রফেসর উত্তর দিলেন না। এইসব ছেঁদো কথা বলতে যে তাঁকে ডাকা হয়নি, তা তিনি জানেন। শুধু তিনি অপেক্ষা করছিলেন আলোচনাটা কোনদিকে গড়ায় সেটা দেখার জন্য।

    “রাজকুমার এডির ঘটনাটা আপনার মনে আছে নিশ্চয়ই?”

    আগেই বোঝা উচিত ছিল। কিন্তু প্রফেসর ভেবেছিলেন চিরকালের মতো ব্যাপারটা ধামাচাপা পড়ে গেছে। তিন বছর বাদে আবার সেই ঘটনা মাথাচাড়া দেবে, এ তাঁর চিন্তার বাইরে। এবারও উত্তর না দিয়ে শুধু উপরে নিচে মাথা নাড়লেন প্রফেসর।

    “রাজকুমার এডি একটা ভুল করে ফেলেছিল। অল্প বয়স, অমন অনেকেই করে। বোঝেনি, সেই ভুলে শুধু রানি ভিক্টোরিয়া না, গোটা ইংরেজ সাম্রাজ্য বিপদে পড়তে পারে। ফ্রেঞ্চ আর জার্মানরা আমাদের দিকে তাক করে বসে আছে। তাদের গুপ্তচর ঘুরে বেড়াচ্ছে আমাদের অলিতে গলিতে। একবার ভাবুন তো, যদি এই খবর প্রকাশ পায়, তবে কত বড়ো বিপদ হতে পারে! যে আন্তর্জাতিক চাপ আসবে, এই মুহূর্তে সেটা সামলানোর ক্ষমতা ব্রিটিশ সরকারের নেই। তাও আমরা চালিয়ে নিচ্ছিলাম কোনওক্রমে, কিন্তু গত সপ্তাহে আমাদের সমিতির কাছে যে খবর এসেছে তা ভয়ানক। যতই অবাক লাগুক, খবরটা সত্যি।”

    “কী খবর?”

    “আমাদের অজান্তেই ব্রিটিশ ইন্টেলিজেন্স আবার কেসটা রি-ওপেন করেছে। খুব সম্ভব ওরা অ্যালিস মার্গারেটকে খুঁজছে।” খুসখুসে একটা কাশি গলার কাছে পাক দিচ্ছিল অনেকক্ষণ থেকেই। এবার দমকে দমকে কাশি শুরু হল প্রফেসরের। মুখে সাদা রুমাল চাপা দিলেন তিনি। সামনের ভদ্রলোক গেলাসের জল এগিয়ে দিলেন। দুই ঢোঁক জল খেয়ে শান্ত হলেন প্রফেসর। “কিন্তু অ্যালিসের আসল সন্ধান তো…”

    “আমাদের সমিতির বাইরে মোট সাতজন জানে। সেই পাঁচ মহিলা, আপনি আর মহারানি স্বয়ং।”

    “কিন্তু সেই পাঁচজন মহিলাকে তো…”

    “জানি জানি প্রফেসর। আপনার সাহায্য ছাড়া এই নিখুঁত পরিকল্পনায় সেই

    পাঁচজনকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব হত না। সাধে কি আপনাকে অপরাধ জগতের নেপোলিয়ান বলে? এমনকি জ্যাক দ্য রিপার নামটাও তো আপনারই মাথা থেকে এসেছিল! আমরা কিছুই ভুলি না। স্বয়ং মহারানি আমাকে জনান্তিকে জানিয়েছেন তিনি আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ। কিন্তু মুশকিল হল আপনাকে আর সামান্য একটু পরিশ্রম করতে হবে প্রফেসর।”

    “কীরকম?”

    “এবার আপনাকে মরতে হবে। আমি দুঃখিত, এইভাবে আপনাকে অনুরোধ করতে হচ্ছে বলে। কিন্তু আমি নিরুপায়।”

    স্তম্ভিত বললেও বুঝি কম বলা হয়। প্রফেসর নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। যে সমিতির জন্য তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধের পরিকল্পনা করেছেন, আজ তাঁরাই তাঁকে মারতে চাইছে? কিন্তু কেন?

    আবার স্মিত হাসি ফুটে উঠল সামনের লোকটির মুখে।

    “জীবন তো অনেক উপভোগ করলেন প্রফেসর। আর কত! বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনে কতটুকু কী হয় আমাদের জানা। আমার কাছে নিশ্চিত খবর আছে, আপনার বৈঠকখানা ঘরে নাকি একখানা চার হাজার পাউন্ড দামের জঁ ব্যাপ্তিস্তে গ্রুজের অরিজিনাল ছবি আছে! আমরা সব জানি। জেনেও এতদিন কিছু বলিনি, প্রয়োজন হয়নি বলে। এখন প্রয়োজন হয়েছে, তাই বলতে বাধ্য হচ্ছি।”

    “কী প্রয়োজন?”

    “আপনি মাইক্রফট হোমসের নাম শুনেছেন?”

    মাথা নাড়লেন প্রফেসর। শুনেছেন।

    “এই লোকটি অদ্ভুত চরিত্রের। আমাদের গুপ্তচর বিভাগের প্রধান, আর তাই আমি কেন, স্বয়ং রানিও ওকে দমিয়ে রাখতে মাঝে মাঝে অসমর্থ হন। জ্যাক দ্য রিপারের কেসের সমাধানকে ও একেবারে নিজের মিশন ভেবে নিয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম পাঁচ মহিলার হত্যার পরে আর নতুন হত্যা না হলে একসময় সব ধামাচাপা পড়ে যাবে। ওইসব দেহোপজীবিনী মেয়েদের হত্যা নিয়ে কার মাথাব্যথা থাকতে পারে?”

    “পাঁচজনের কেউ দেহোপজীবিনী ছিল না”, শুধরে দেবার চেষ্টা করলেন প্রফেসর, “সেটা আমরাই রটিয়েছিলাম।”

    “সে যাই হোক। কিন্তু মাইক্রফট তলে তলে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছিল। এমনকি আঁচ পেয়ে ওকে এই তদন্ত থেকে সরিয়ে দেবার পরও মাইক্রফট অন্য একজনকে দিয়ে তদন্ত চালিয়ে গেছে।”

    “কাকে দিয়ে?”

    “ওর নিজের ছোটো ভাই। যেহেতু সে প্রাইভেট কনসালটিং ডিটেকটিভ, তাই তার ওপরে সরকারের কোনও হাত নেই। সে স্বাধীনভাবে তদন্ত করে, আর ডায়োজেনিস ক্লাবে গিয়ে দাদাকে নিয়মিত খবর দেয়।”

    “সে খবর আপনারা পেলেন কী করে?”

    “ডায়োজেনিসেও আমাদের লোক আছে। সেটা বড়ো কথা না, বড়ো কথা হল, ওঁর ভাই খুঁজতে খুঁজতে এবার আপনার সন্ধান পেয়েছে। রিপারের কেসে আপনি যে একটা বড়ো খুঁটি, সে আন্দাজও সে করেছে। আপনি জানেন কি না জানি না, সে এখন হন্যে হয়ে আপনাকে খুঁজছে।”

    “এখন আমার কর্তব্য?”

    “গতকাল আমরা সমিতির বৈঠকে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেটা জানাতেই আপনাকে এখানে ডাকা। আগেই বলে দিই, এটা কিন্তু কোনও আলোচনা নয়। আমাদের সিদ্ধান্ত, আর সেটা আপনাকে মানতেই হবে। এ এমন প্রস্তাব, যা আপনি কিছুতেই প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন না।”

    “কী সেই প্রস্তাব?” প্রফেসর বুঝতে পারছিলেন তাঁর গলা শুকিয়ে আসছে। তিনি আবার জলের গেলাসের দিকে হাত বাড়ালেন। গেলাসটা সরিয়ে নিয়ে কঠিন গলায় লোকটা বলল, “মাইক্রফটের ভাইকে ওর প্যাঁচেই জব্দ করব। ও আপনার পিছু ধাওয়া করেছে। এমনকি আমি খুব ভুল না হলে আপনি এখানে ওর চালানো ছ্যাকরাগাড়িতেই এসেছেন। আমাদের প্রস্তাব, আপনি ওকে লোভ দেখিয়ে রাইখেনবার্গ জলপ্রপাতের ধারে নিয়ে যাবেন।”

    “তারপর?”

    “তারপর টুক করে লাফ মারবেন সেই বিপুল জলরাশির মধ্যে। খুব কষ্ট পাবেন না, এটুকু বলতে পারি।”

    “আর সেই ডিটেকটিভ? তার কী হবে?”

    “ওর ব্যবস্থা করবে আপনারই সহকারী কর্নেল সেবাস্টিয়ান মোরান। সে চিন্তা আপনাকে করতে হবে না। আমরা খবরের কাগজে রটিয়ে দেব আপনাকে খুন করে ডিটেকটিভ ফেরার। তাতে এক কাজে দুই কাজ হবে। মাইক্রফটের শেষ সূত্র আপনি। আপনার সঙ্গেই রিপারের মামলা শেষ হবে। আর সেই ব্যাটা টিকটিকির একটা বদনাম রটিয়ে দেওয়া যাবে। কিংবা ডাক্তার ডয়েল, তাঁকেই বলব বিরাট করে একটা অবিচুয়ারি গল্প লিখে স্ট্যান্ডে প্রকাশ করতে। মরেও হিরো হয়ে যাবে ব্যাটা।”

    “ডয়েল আপনাদের কথা শুনবে?”

    “অবশ্যই। ও নিজেও ব্রাদারহুডের সদস্য। আমাদের কথাতেই ও নিজের প্রিয়তম বন্ধু অস্কার ওয়াইন্ডের বিরুদ্ধে সমকামিতা আর পায়ুমন্থনের অভিযোগে সাক্ষী দিয়েছিল। ভুলে গেছেন?”

    “তাহলে তো সব ছকেই নিয়েছেন। কিন্তু আমি যদি রাজি না হই?”

    “ভালো কথা। আপনি যদি রাজি না হন! এটাও আমরা গুরুত্ব সহকারে ভেবেছি। প্রথমেই আপনাকে বলে রাখি রিপারের কেসে আপনি শুধু প্ল্যান করেছেন, বাকি কাজে আপনার চেয়ে ভূতের গুরুত্ব বেশি ছিল। তাই ডাক্তার এলি হেনকিকে একেবারে অবহেলা করবেন না। দ্বিতীয়ত ডাক্তার হেনকিই জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন হল আপনার যক্ষ্মা ধরা পড়েছে। কাশির সঙ্গে রক্ত বার হয়। খুব বেশি হলে আর ছয় মাস। এবার ভেবে দেখুন, আমাদের প্রস্তাবে রাজি না হলে আপনার দলের সবাইকে আমরা জেলে পুরব, আপনার সম্মাননীয় চাকরিটা যাবে, সবচেয়ে বড়ো কথা এই হলবর্ন থেকে বেরবার আগেই আপনাকে গ্রেপ্তার করা হবে। বাকি জীবন নিউগেটের নোংরা জেলে কাটাবেন? না ডাক্তার হেনকির হাতে আপনাকে ছেড়ে দেব? তিনি আবার নানারকম এক্সপেরিমেন্ট করেন রোগীদের নিয়ে….”

    “কিন্তু… কিন্তু আমার দলের দায়িত্ব?”

    “সে চিন্তা করবেন না। কর্নেল সেবাস্টিয়ান মোরান বহু যুদ্ধের সফল সৈনিক। রানি তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে পছন্দও করেন। আপনার পরে তিনিই দলের দায়িত্ব পাবেন।”

    এইটুকু বলে রিসবার্গের মদের গেলাসে আয়েশে চুমুক দিলেন ভদ্রলোক। খানিক সময় দিলেন প্রফেসরকে। তারপর একটু সামনে ঝুঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তাহলে এখন বলুন প্রফেসর, এই প্রস্তাবে আপনি রাজি কি না?”

    আবার উপরে নিচে মাথা নাড়লেন প্রফেসর। এরা তাঁকে এমনভাবে জড়িয়েছে, পরিত্রাণের উপায় নেই।

    “এর মানে কী ধরব? হ্যাঁ?”

    “হ্যাঁ”, প্রফেসরের গলা আরও ক্ষীণ।

    “ভেরি গুড”, উঠে দাঁড়ালেন ভদ্রলোক। এখন তাঁকে ওভারকোটে আরও বড়ো লাগছে। “ইংল্যান্ড আপনার এই বলিদান মনে রাখবে। রানিকে আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনার কথা জানাব। আজ তাহলে আপনি বাড়ি যান। পরের পদক্ষেপের প্রতিটি ধাপ আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। ধন্যবাদ প্রফেসর জেমস মরিয়াটি।” হাত এগিয়ে দিলেন ভদ্রলোক।

    করমর্দন করে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রফেসর উত্তর দিলেন, “ধন্যবাদ প্রাইম মিনিস্টার লর্ড স্যালিসব্যারি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজু – অৎসুইশি
    Next Article নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }