Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অগ্নিনিরয় – কৌশিক মজুমদার

    কৌশিক মজুমদার এক পাতা গল্প336 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ—ঘটনা-চক্র

    অফিসার মুখার্জির কথা শুনে এক লহমায় বিশ্বাস করতে পারিনি। বলে কী লোকটা? এই সাতে নেই, পাঁচে নেই, আধবুড়ো, খোঁড়া নিশীথ দত্ত নাকি এত নৃশংস খুনটা করেছে। ধরলাম করেছে। তাহলে কাপড়ের দোকানের বিশ্বজিৎকে খুন করল কে? আমি নিশ্চিত, সেদিন নিশীথ দত্ত বাড়িতেই ছিলেন। কোথাও একটা কিছু গণ্ডগোল হচ্ছে। এদিকে নিশীথ দত্তের মুখের দিকে চেয়ে আরও অবাক হয়ে গেলাম। বিস্ময়, আতঙ্ক, বেদনা- কোনও কিছুর চিহ্নমাত্র নেই তাঁর মুখে, বরং অদ্ভুত এক প্রশান্তি ছড়িয়ে আছে।

    নিশীথ দত্ত হাসলেন। প্রথমে মুচকি হাসি। তারপর হাসির দমক বাড়তে বাড়তে তাঁর গোটা দেহকে গ্রাস করে ফেলল। এক অদ্ভুত উন্মাদ হাসির নেশায় ওই পিছমোড়া অবস্থাতেই দুলে দুলে হেসে চলেছেন তিনি। হাসতে হাসতে দুচোখ দিয়ে জল বেরোচ্ছে। তবু হাসি থামছে না। আমরা দুজন স্থির তাকিয়ে তাঁর দিকে। গোটা ঘরে সেই হাসির আওয়াজ ছাড়া অন্য কোনও আওয়াজ নেই। হাসির শেষে যেমন হয়, কাশতে শুরু করলেন নিশীথ দত্ত। আমি অফিসারের অনুমতির তোয়াক্কা না করেই দৌড়ে গিয়ে খুলে দিলাম তাঁর হাতের বাঁধন। টেবিল থেকে নিয়ে এগিয়ে দিলাম বোতল ভরা জল। দুই এক ঢোঁক জল খেয়ে একটু শান্ত হলেন ভদ্রলোক।

    .

    অমিতাভ মুখার্জি অস্বস্তিতে। তিনি ঠিক এই রি-অ্যাকশান আশা করেননি। তিনিও দেখলাম কিচ্ছুটি না বলে অপেক্ষা করছেন, কখন নিশীথবাবু স্বাভাবিক হন। আরও মিনিট দু-এক পর চেয়ারে বসেই হাত পা ঝেড়ে নিশীথ দত্ত বললেন, “দেবাশিসকে খুন করব আমি? এও সম্ভব! আপনার বিন্দুমাত্র আইডিয়া আছে দেবাশিস কে ছিল? কী ছিল?”

    “আইডিয়া একেবারে নেই তা না। অবশ্যই আছে কিছু। কিন্তু আপনার বিরুদ্ধে পাথুরে প্রমাণ আছে। আপনি ছাড়া অন্য কেউ দেবাশিস গুহকে খুন করতেই পারেন না।”

    “তাই বুঝি? কী সেই প্রমাণ?”

    অফিসার এবার সোজা আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “তুমি তো এই বাড়িতে বহুকাল আছ। এঁর কাজকম্মো নিয়ে জানতে না? দেবাশিস গুহ কোনও দিন এঁর কথা বলেননি?”

    নিজেকে ভয়ানক বোকা বলে মনে হচ্ছিল। এমনকি এই ঝামেলা চুকেবুকে গেলে ক্লাইভ স্ট্রিটের অফিসে পার্মানেন্ট তালা মেরে চেনা অচেনা সব আইটি কোম্পানিতে সিভি জমা দেব, সেটাও ঠিক করে ফেললাম মনে মনে। যতবারই মনে হয় সমাধানের সামনে এসেছি, গোটা ব্যাপারস্যাপার কেমন জট পাকিয়ে যায়। চেনা মানুষগুলোকেও তেমনভাবে চেনা যায় না। এই যেমন এখন হচ্ছে।

    “তুমি কিছু জানতে না তুর্বসু?” এবার ভদ্রলোক সরাসরি আমায় প্রশ্ন করলেন।

    আমি থতোমতো। আমি দেবাশিসদাকে চিনতাম। মানে ভাবতাম যে চিনি। কিন্তু তাঁর খুনের পরে যে সমস্ত অদ্ভুত বিষয় উঠে আসছে, তাতে চিনতাম না বলাই বরং সমীচীন হবে।

    পাশাপাশি মাথা নাড়লাম, “কিচ্ছু জানতাম না আমি।”

    এবার নিশীথ দত্তের মুখে অদ্ভুত এক বেদনা ফুটে উঠল। মাত্র কয়েক মুহূর্তের ব্যবধানে একটা মানুষের মধ্যে এতটা পরিবর্তন আসতে পারে, না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। খেয়াল করে দেখলাম তাঁর দুচোখে জল। আমার দিকে চেয়ে বললেন, “তোমার বাবা বিরূপাক্ষকে আমি কথা দিয়েছিলাম, এই জীবনে তোমায় কিচ্ছু জানাব না। যে অভিশাপ আমরা বয়ে নিয়ে চলেছি এতকাল ধরে, তা আমাদের জেনারেশনের সঙ্গেই শেষ হবে, এটাই ঠিক ছিল। হয়তো তা হতও। কিন্তু দেবাশিস… ও কারও কথা শুনলে তো!”

    অফিসার মুখার্জি এবার একটু বিরক্ত হচ্ছিলেন। বেশ কড়াভাবেই বললেন, “এতক্ষণ তো মুখে কুলুপ এঁটে বসেছিলেন। এবার যা বলার তাড়াতাড়ি বলুন। তারপর থানায় যেতে হবে। আপনার বিরুদ্ধে প্রমাণ আছে। আমি ফোর্সকে ফোন করেছি। ফোর্স আসছে। এই ফাঁকে নিজের সপক্ষে সত্যিমিথ্যে যা বলার বলে ফেলুন।”

    “নিজের সপক্ষে আমার কিচ্ছু বলার নেই। প্রমাণ যখন পেয়েছেন, তদন্ত করবেন। সে আপনাদের কাজ। তদন্তে আমি সহায়তাও করব। কিন্তু কিছু জিনিস বলে যাই, যেটা তুর্বসুর জানা উচিত। হয়তো আগেই বলতাম, কিন্তু বিরূপাক্ষের মুখে চেয়ে…”

    “কী কথা?” আমিই প্রশ্ন করলাম।

    “তুমি তো জানো, তোমার প্রপিতামহ তারিণীচরণ রায় ছিলেন কলকাতার প্রথম বাঙালি প্রাইভেট ডিটেকটিভ। তাঁর অফিসেই এখন তুমি বসো। আজ থেকে প্রায় একশো বছর আগে কলকাতার বুকে ভয়ানক কোনও অপরাধের ষড়যন্ত্র হয়েছিল। অপরাধের ধরন ঠিক কী, তা একমাত্র তোমার পরিবার ছাড়া কেউ জানে না। তোমার প্রপিতামহ তাঁর ডায়রির পাতায় সে খবর বিস্তারিত লিখে গেছিলেন। সঙ্গে এটাও লিখেছিলেন, তোমাদের পরিবার বাদে কেউ যেন সেই ঘটনা না জানতে পারে।”

    “এই গোপনীয়তার কারণ?”

    “বিস্তারিত আমাকে বিরূপাক্ষও জানায়নি। তবে এটুকু বলেছিল, সব ইতিহাসে একটা ভূত থাকে। সেই ভূত কখনও জেগে থাকে, কখনও ঘুমায়। এখন সে ভূত ঘুমাচ্ছে। ভুল লোকের হাতে পড়লে ভূত জাগতে পারে। আর তাহলেই সর্বনাশ হবে।”

    “আপনার সঙ্গে আমাদের পরিবারের সম্পর্ক কীভাবে?”

    “তোমার প্রপিতামহ ছিলেন কলকাতার প্রথম ম্যাসনিক লজের সদস্য। সত্যি বলতে সেসময় তিনি বাদে অন্য কোনও হিন্দু এই লজের সদস্য ছিল না। বাকি সবাই সাহেব, আধা সাহেব বা দেশীয় খ্রিস্টান। সেই থেকে তোমাদের পরিবারের সঙ্গে ম্যাসনদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। এর অন্য একটা কারণও আছে। তোমাদের সেই পারিবারিক গোপন তথ্য। যেটা প্রকাশ পেলে ম্যাসনিক ব্রাদারহুড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

    “সেটা কী?”

    “কী করে বলব? গোপন জিনিসের মজাটাই এখানে। সেটা গোপন। ব্রাদারহুডে এটা আমরা সবাই মেন্টেন করি। করতাম। যতদিন না আমাদের দেবাশিস যুক্ত হল।”

    “দেবাশিসদার সঙ্গে আপনাদের পরিচয়?”

    “ম্যাসনিক ব্রাদারদের নানারকম নিয়মকানুনের বেড়াজাল থাকে। সব কাজ ইচ্ছেমতো করা যায় না। তাই আমরা একটা এনজিও খুলেছিলাম। নাম নীবার I ম্যাসনিক ব্রাদাররাই সেটা চালাতাম। সদস্য অনেকেই ছিল। সবাই সব কিছু জানত না। সবাই ব্রাদারহুডের ছিলও না। একদিন সেখানেই দেবাশিস বলল হিজড়া আর বেশ্যাদের নিয়ে কাজ করতে চায়। উৎসাহী ছেলে। পড়াশুনো করা। আমরাও রাজি হলাম। তখন বুঝিনি….” বলে একটু থামলেন নিশীথ দত্ত।

    আমরা কেউ কিছু বলছিলাম না। অপেক্ষায় ছিলাম উনি কী বলেন।

    “দেবাশিস ছুঁচ হয়ে ঢুকেছিল। কিছুদিন পরেই বোঝা গেল ওর হাত অনেক দূর অবধি ছড়ানো। লন্ডন, পারি, এডিনবরা, এমনকি আমাদের এলাহাবাদের ফ্রিম্যাসন হাউসদের সঙ্গে ও নিয়মিত যোগাযোগ রাখে। প্রথমে আমরা খুশিই হয়েছিলাম। এমন একটা উদ্যোগী ছেলেই তো চাই! কিন্তু যতদিন যেতে লাগল, বুঝলাম ওর আসল উদ্দেশ্য অন্য কিছু।”

    “সেটা কী?”

    “ও কিছু একটার সন্ধানে ছিল। খুব সম্ভবত সেই গোপন তথ্য, যা তোমাদের পরিবারে লুকোনো আছে। তোমাদের বাড়িটা এখন চুঁচুড়ার যেখানে, সেখানে আজ থেকে চারশো বছর আগে কী ছিল জানো?”

    মাথা নাড়লাম। জানি না।

    “হুগলি জেলার প্রথম ফ্রিম্যাসন লজ। ডাচদের স্থাপন করা। নাম ছিল কনকর্ডিয়া। পরে ডাচরা চলে যায়। লজ উঠে যায়। তারিণীর পাঠানো টাকায় এক ওলন্দাজ সাহেবের থেকে বাড়িটা কিনে নেন তাঁর বাবা। এমনিতে হয়তো হত না, কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট রডনি সাহেব খুব সাহায্য করেছিলেন। এ সবই তোমার বাবার থেকে শোনা।”

    আমিও শুনেছি। শুধু কনকর্ডিয়া নামের মানেটা বুঝতে পারিনি

    “পরে তারিণী সপরিবারে চুঁচুড়া গিয়ে ওঠে। তারপর বহুকাল তোমাদের খোঁজ কেউ জানত না। আমি নীবার তৈরির সময় পুরোনো দলিল দস্তাবেজ ঘেঁটে তোমাদের ঠিকানা উদ্ধার করি। খবর পাই তোমার জেঠু ওই বাড়িতেই থাকেন। তিনিই তোমার বাবার কথা আমায় জানান। বলেন পারিবারিক ইতিহাসে তাঁর কোনও আগ্রহ নেই। ওসব যা দেখার তোমার বাবা দেখেন। তখন তোমরা অন্য বাড়িতে ভাড়া থাকতে। জানি না তোমার মনে আছে কি না।”

    “আছে। আহিরীটোলায়। গঙ্গার ধারে।”

    “এগজ্যাক্টলি। তাহলে এটাও নিশ্চয়ই মনে আছে সেই বাড়ি কেন ছাড়তে হল?”

    “ওই এলাকা ভালো ছিল না। একদিন অফিসফেরতা লোডশেডিং-এ একদল গুন্ডা বাবার উপরে চড়াও হয়। বাবার মানিব্যাগ ছিনতাই করে।”

    “আচ্ছা!” সামান্য হাসি ফুটল নিশীথ বাবুর মুখে। “তোমাদের তাই বলেছিল? সত্যিটা অন্য। চুঁচুড়া থেকে কলকাতা আসার সময় বিরূপাক্ষ দুটো ডায়রি গোপনে সঙ্গে করে নিয়ে আসে।”

    “তারিণীর ডায়রি?”

    “একদমই তাই। লুকিয়ে রেখে দেয় আমাদের নীবারের অফিসে। নিজের পার্সোনাল লকারে। ভেবেছিল সেফ থাকবে। ভুল ভেবেছিল। একদিন রাতে সেই লকার ভাঙার চেষ্টা হল। চোর প্রায় সফল হয়েই গেছিল, শেষ মুহূর্তে দারোয়ান টের পাওয়ায় চোর পালায়। শুধু বিরূপাক্ষই নয়, আমিও নিশ্চিত, চোর জানত এই লকারে যা আছে তার গুরুত্ব কী। লকারে ওই দুটো ভাষার ছাড়া আর কিচ্ছু ছিল না।”

    “তারপর?” এবার প্রশ্ন করলেন অফিসার মুখার্জি। তিনি যে এই ঘরে আছেন, তা ভুলেই গেছিলাম।

    “আমিই বিরূপাক্ষকে বলি ডায়রি সরিয়ে ফেলতে। পুরোনো বাড়ি ছেড়ে আমার বাড়িতে উঠে আসতে। বিরূপাক্ষ তাই করে। কিন্তু সেদিন রাতেই ওর উপরে হামলা হয়। যারা হামলা করেছিল তারা ভেবেছিল ডায়রি ওর কাছে আছে।”

    “কিন্তু ছিল না?”

    “না। বিরূপাক্ষ প্রচণ্ড বুদ্ধিমান। ডায়রি এমন জায়গায় সরিয়ে দেয়, যেখানে চাইলেও কোনও ফ্রিম্যাসন ঢুকতেই পারবে না।”

    “সেটা কোথায়?”

    “১৭৩৮ সাল অবধি বহু ম্যাসন ব্রাদাররা ক্যাথলিক চার্চের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তারপরেই আচমকা একদিন পোপ ফ্রিম্যাসনদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন। এমনকি যদি চার্চের কোনও ক্যাথলিককে ম্যাসনদের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যেত তবে Latae sententiae আইনে চার্চ তাঁকে বহিষ্কার করত। ফলে একটা জায়গা যা এখনও ম্যাসনদের নাগালের বাইরে, তা হল ক্যাথলিক চার্চ। চার্চেও অনেকে আছেন, যাঁরা আমাদের প্রতি সহানুভূতিশীল, কিন্তু কেউই সরাসরি ব্রাদারহুডে যোগ দিতে পারেন না।”

    “তার মানে, বাবা সেই ডায়রি কোনও ক্যাথলিক চার্চে লুকিয়ে রেখেছেন?”

    “কোনও ক্যাথলিক চার্চ না। বাংলার প্রাচীনতম ক্যাথলিক গির্জাদের মধ্যে একেবারে সেরা যেটা, সেখানে।”

    “ব্যান্ডেল চার্চ?”

    “ইয়েস! ব্যাসিলিকা অফ দি হোলি রোসারি।”

    লজ্জায় আমার দেওয়ালে মাথা ঠুকতে ইচ্ছে হচ্ছিল। সব খবর ছিল দেবাশিসদার কাছে। শুধু আমিই কিছু জানতাম না। শুধুমাত্র আমার রিঅ্যাকশন দেখার জন্যেই একদম প্রথম দিন ব্যাসিলিকা অফ দি হোলি রোজারির নাম করেছিলেন। হয়তো দেখতে চাইছিলেন আমি কিছু জানি কি না। আর আমি ভাবছিলাম উনি আমায় ইমপ্রেস করতে এসব বলছেন!

    “তবে কীভাবে আর কোথায় সে ডায়রি লুকানো, তা বিরূপাক্ষ আমায় বলেনি। আমিও জানতে চাইনি।”

    আমি আর কোনও কথা বলার অবস্থায় ছিলাম না। কথা বললেন অফিসার মুখার্জিই।

    “সেসব ইতিহাস তো হল, কিন্তু গত উনিশে জুন, রাতের বেলা আপনি দেবাশিস গুহকে আচমকা খুন করতে গেলেন কেন? সেটা বলবেন কি?”

    আমার অবাক মুখের দিকে চেয়ে অফিসার মোবাইল এগিয়ে দিলেন।

    “এই দ্যাখো। প্রমাণ ছাড়া কথা বলছি না। দেবাশিস গুহর বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে গলির মুখে একটা গুদাম আছে। খেয়াল করেছ?”

    “হ্যাঁ। সেই তুলো-টুলো কীসব যেন পাওয়া যায়।”

    “সেই গুদামের বাইরে একটা সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল। শুরুর দিন থেকেই আমরা চেষ্টা চালাচ্ছিলাম ফুটেজের। কিন্তু মালিক নাকি সপরিবারে বিদেশ ঘুরতে গেছে। কন্ট্যাক্ট করা যাচ্ছিল না। আজ চুঁচুড়া গোরস্থানে তোমার সঙ্গে কথা বলার পরেই অফিস থেকে কল এল। সেই মালিক ফিরেছে। ফুটেজ জোগাড় করা গেছে। ওরা আমায় হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাল। এবার নিজেই দ্যাখো।”

    দেখলাম একটা ভিডিও ক্লিপ। তলায় ডিজিটাল সময় আর তারিখ।

    ১৯ জুন, রাত ১১.৫৫ একটা কালো লম্বাটে গাড়ি এসে দাঁড়াল গলির মুখে। গাড়ির নম্বর প্লেট পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে না। ছবি বেশ ঝাপসা। কিন্তু এই গাড়ি আমার চেনা। নিচের গ্যারাজে রোজ দাঁড়িয়ে থাকে। আজ নেই। উর্ণাদের নিয়ে বেরিয়েছে। গাড়ি থামতে সেখান থেকে নামলেন এক ভদ্রলোক। মুখ দেখা যাচ্ছে না। পিছন থেকে মনে হল ইনি নিশীথ দত্ত। কাঁধে ঝোলা ব্যাগ। সামান্য ঘুড়িয়ে চলেন। ভদ্রলোক গাড়ি থেকে নেমে এদিক ওদিক তাকিয়ে সোজা চলে গেলেন দেবাশিসদার বাড়ির দিকে।

    “এবার একটু টেনে দিচ্ছি”, বলে মুখার্জি ভিডিওটা এগিয়ে দিলেন খানিকটা। ২০ জুন, ১.০৫। আবার ফিরে এসেছেন নিশীথ বাবু। তবে এবার চালচলনে বেশ একটা সন্ত্রস্ত ভাব। দ্রুতগতিতে গাড়িতে ঢুকেই গাড়ি ঘুরিয়ে বেরিয়ে গেলেন।”

    “দেখলে?”

    “আর কেউ আসেনি সেদিন?”

    “রাত দশটার পর অন্তত আসেনি। আর খুন হয়েছে রাত এগারোটার পরে। অবশ্য এখানে একটা সমস্যা আছে। দোকানের ক্যামেরাটা খারাপ হয়ে গেছিল। লোক সারিয়ে দিয়ে যখন যায়, তখন সন্ধে সাড়ে সাতটা। তাও ছবি খুব একটা পরিষ্কার না। ফলে এর আগে কী হয়েছে বলা মুশকিল। এমনকি দেবাশিসদা কখন ঢুকেছেন সেটাও আমরা জানি না।”

    “কাজের লোক ঘরে ঢুকল কেমন করে?”

    “তার কাছে ডুপ্লিকেট চাবি থাকে, যাতে দেবাশিসদা না থাকলেও সে কাজ করে চলে যেতে পারে। সে তো পরের দিন সকালে এসেছিল।”

    “তাহলে সেদিন রাতে ঠিক কী হয়েছিল?”

    অদ্ভুত উদাসীনভাবে অফিসার বললেন, “এই সময়ের মধ্যে শুধু ওঁকেই ওই বাড়ির দিকে যেতে দেখা গেছে। সুতরাং উনিই জানেন।”

    আবার হাসলেন নিশীথ দত্ত, “অফিসার, আর ইউ শিওর? আমি যে দেবাশিসের বাড়িতেই গেছি তার প্রমাণ কোথায়? এই ঝাপসা ছবি দিয়ে আমাকে ধরে রাখতে পারবেন তো?”

    নিচে কতগুলো গাড়ি থামার আওয়াজ পেলাম। পুলিশ ফোর্স এল বোধহয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজু – অৎসুইশি
    Next Article নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    Related Articles

    কৌশিক মজুমদার

    আতঙ্ক সমগ্ৰ – কৌশিক মজুমদার

    January 3, 2026
    কৌশিক মজুমদার

    নোলা : খাবারের সরস গপ্পো – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    সূর্যতামসী – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    আঁধার আখ্যান – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    কৌশিক মজুমদার

    নীবারসপ্তক – কৌশিক মজুমদার

    August 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }