Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অগ্রন্থিত লেখার সংকলন – তসলিমা নাসরিন

    তসলিমা নাসরিন এক পাতা গল্প818 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গ্যালিলিও এবং তার ‘জারজ মেয়ে’

    ফ্লোরেন্সের জাদুঘর থেকে গ্যালিলিওর কন্যা ভার্জিনিয়ার শতাধিক চিঠি পাওয়া গেছে, কিন্তু কন্যাকে লেখা গ্যালিলিওর কোনও চিঠিই কিন্তু পাওয়া যায়নি। ও-সব কবেই আগুনে পোড়ানো হয়েছে। ওই কনভেন্টেই পোড়ানো হয়েছে, যেখানের নান ছিলেন ভার্জিনিয়া। জন্ম ওঁর ১৬০০ সালে, যে বছর জিয়োর্দানো ব্রুনোকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল, সে বছরই। মেয়ের যখন মাত্র বারো বছর বয়স, দক্ষিণ ফ্লোরেন্সের এক কনভেন্টে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন গ্যালিলিও, সেখানেই ভার্জিনিয়া নাম পাল্টে মারিয়া সেলেস্ত হয়েছিলেন, থেকেছেন সারা জীবন, আর সারা জীবনই গ্যালিলিও চিঠি লিখেছেন ওঁকে, আর মারিয়াও লিখেছেন ডিয়ার লর্ড ফাদারকে। গ্যালিলিও সম্পর্কে সবাই জানে, গ্যালিলিও পিসার হেলে যাওয়া টাওয়ার থেকে কামানের বল ফেলেছিলেন নিচে, জানে গ্যালিলিও পুরো জগতের বিশ্বাসের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিলেন বলে যে, পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে, যখন পৃথিবীকে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কেন্দ্র বলে জানত সবাই, জানে যে, এ-কারণে তাঁকে শাস্তি পেতে হয়েছিল, কিন্তু কেউ কি জানত গ্যালিলিওর এক ‘জারজ কন্যা’ ছিল যাকে বিষম ভালবাসতেন তিনি এবং যাঁকে চিঠি লিখে গেছেন পাতার পর পাতা এমনকী যখন তিনি ঘরবন্দি! কীরকম হতে পারে সে-সব চিঠি, একজন ঈশ্বরে বিশ্বাসী, আরেকজন ঈশ্বরের তথ্য উড়িয়ে দেওয়া বিজ্ঞানী! তখন ইটালিতে, সেই সপ্তদশ শতাব্দীতে, গির্জার দাপট ভীষণ রকম, কনভেন্টে থাকা নিজের মেয়ের সঙ্গেও তাঁর দেখা করার সুযোগ হতো না, অথচ মেয়েকে ভালবেসে তিনি যতদিন বেঁচেছিলেন, লিখেছেন। বিজ্ঞান, বিশ্বাস এবং ভালবাসার গল্প সে-সবে।

    গ্যালিলিওর নিজের জন্ম পিসায়, ফেব্রুয়ারির পনেরো তারিখে, ১৫৬৪-তে। তাঁর বাবা ভিনসেনজিও ছিলেন সংগীত শিক্ষক, ছেলেকে অর্গান বাজাতে আর গান গাইতে শিখিয়েছিলেন। দশ বছর বয়সে গ্যালিলিও পিসা থেকে ফ্লোরেন্স এলেন, ওখানে তিন বছর ইস্কুলে পড়লেন, এর পর চলে গেলেন এক মঠে গ্রিক আর লাতিন ভাষা শিখতে, গ্যালিলিওর ইচ্ছে সন্ন্যাসী হবেন। কিন্তু হিসেবি বাবা দেখলেন, মেয়েদের বিয়ে দিতে গিয়ে যৌতুকে যাবে প্রচুর টাকা, মেয়ে হল খরচার জিনিস, আর ছেলে যদি সন্ন্যাসী হয়ে বসে থাকে, সংসার চলবে কী করে! ভিনসেনজিও ছেলেকে ধরে এনে ভর্তি করে দিলেন পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে, গ্যালিলিও ওখান থেকে মেট্রিক পাস করলেন, তারপর দু’বছর ডাক্তারিতে মন বসেনি গ্যালিলিওর, তাঁর আকর্ষণ অঙ্কে, পদার্থবিজ্ঞানে। সে আমলে ডাক্তারি পড়তে গেলে অঙ্ক কিছু শিখতে হয়। ফ্লোরেন্সে এদিক-ওদিক অঙ্ক বিষয়ে নিজের যা বিদ্যে আছে, ঝেড়ে, এক সময় পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্কের মাস্টার হবার আবেদন করলেন, হয়েও গেল। ওই তখনই, পিসার টাওয়ার থেকে কামানের বল ফেললেন নিচে। অ্যারিস্টটল বলেছেন, একশো হাত ওপর থেকে একশো পাউন্ডের বল যদি নিচে ফেলা হয়, আর একই সময়ে এক হাত ওপর থেকে এক পাউন্ডের বল, তবে একশো হাত ওপর থেকে ফেলা বল আগে মাটি ছোঁবে। গ্যালিলিওর কথা হল, দু’বলই একসঙ্গে মাটি ছোঁবে, আগে পরে নয়। এ-নিয়ে পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্যালিলিও নিজের জনপ্রিয়তা কম হারাননি। তিনি দুঃখ করে বলেছেন, আমার ভুল নিয়ে তোমরা এমন খেপে গেছ, আর অ্যারিস্টটলের ভুল নিয়ে তো মোটেই টুঁ শব্দ করছ না।

    ভিনসেনজিও, গ্যালিলিওর বাবা, মারা যাবার পর সংসারের দায়িত্ব গ্যালিলিওর কাঁধে এসে পড়ল, খুব একটা যে উপার্জন তখন গ্যালিলিওর তা নয়, বছরে ষাট টাকা, ওই ষাট টাকার মধ্যে বোনের বিয়ে দেয়া, ছোটভাই মিকেলেঞ্জেলোর লেখাপড়ার খরচ, মায়ের মাসোহারা সবই সারতে হতো। ১৫৯২-তে গ্যালিলিও পিসা ছেড়ে পাদোবা বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। ওখানে আঠারো বছর অধ্যাপনা করেন। পাদোবাতে তিনি জীবনের সবচেয়ে চমত্কার সময় কাটিয়েছেন, নিজেই পরে বলেছেন। টাকা পেতেন ভাল, তিনশো থেকে চারশো আশি টাকা বছরে। ওই পাদোবাতেই তাঁর পরিচয় মারিনা গামবার সঙ্গে। প্রায়ই রাত কাটাতেন মারিনার বাড়িতে, না, নিজের বাড়িতে মারিনাকে তোলেননি কোনও দিনই, বিয়ে তো করেনইনি, যদিও মারিনাই জন্ম দেন গ্যালিলিওর তিন সন্তান; ভার্জিনিয়া, লিভিয়া আর ছেলে, গ্যালিলিওর বাবার নামে নাম, ভিনসেনজিও। নথিপত্রে সন্তানদের বাবার নাম না থাকলেও গ্যালিলিও স্বীকার করে নেন যে, তিনি বাবা। পাদোবা বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্কের মাস্টার থাকাকালীনই মেদিচি পরিবারে একখানা চাকরি জোটে তাঁর, রাজপুত্র কসিমোকে অঙ্ক শেখানোর চাকরি। অঙ্ক শেখাতে শেখাতে আকাশের গ্রহনক্ষত্রও শেখাতে থাকেন, কসিমোর ওপর কোন গ্রহের কী প্রভাব পড়ছে কখন, এ-নিয়ে তিনি বিস্তর সময় ব্যয় করতে থাকেন, এমন বিদ্যেধরকে কেবল এক রাজপুত্রের ঘরে বসিয়ে রাখবে কেন, চাকরিতে তাঁর পদোন্নতি হয়, পুরো মেদিচি পরিবারের অঙ্কবিদ হয়ে বসেন গ্যালিলিও। সে-সময় তিনি সৈন্যদের জন্য দিগদর্শন যন্ত্র বানালেন, এর পরেই টেলিস্কোপে হাত দিলেন, অনেকে মনে করেন গ্যালিলিও টেলিস্কোপ আবিষ্কার করেছিলেন, তা নয়, টেলিস্কোপ হল্যান্ডে বানানো হয়েছিল, তিনি ওটিকে আরও উন্নত করেছিলেন এই যা। অ্যারিস্টটল বলেছিলেন গতি সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়া মানে প্রকৃতি সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়া। গ্যালিলিও এই অজ্ঞতা থেকে মুক্ত হতে বিষম ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। শীতের রাতে টেলিস্কোপে চোখ রেখে বসে থাকেন, হাত জমে যায় ঠাণ্ডায়, কাচ ঝাপসা হয়ে যায় কুয়াশায়, তবু সে শীতেই দেখে নিলেন একরাশ স্থির নক্ষত্রকে পেছনে রেখে জুপিটার, ভেনাস, মার্স, মারকারি আর স্যাটার্নের অস্থিরতা, এদের শরীরে স্পষ্ট দেখতে পেলেন গতি। কেবল এটুকুই নয়, গ্যালিলিও আরও বললেন, জুপিটারকে ঘিরে চার-চারটে চাঁদ ঘুরছে। অজ্ঞতা কাটল বটে, গ্যালিলিও কিন্তু পদে পদে অ্যারিস্টটলকে খণ্ডাতে লাগলেন, এমনও হল, রাতারাতি দুটো দল গড়ে উঠল, এক দল গ্যালিলিওর পক্ষে, আরেক দল অ্যারিস্টটলের, সে বছর, ১৬১০ সালে, গ্যালিলিওর প্রথম বই ‘নক্ষত্রবার্তা’ বেরোল, সঙ্গে সঙ্গে বিষম আলোড়ন। এক সপ্তাহের মধ্যে বইয়ের সব কপি বিক্রি হয়ে গেল। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল খবর। ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার হেনরি উওটন ভেনিস থেকে ইংল্যান্ডের রাজা জেমসের কাছে জরুরি চিঠি লিখলেন, ‘পাদোবার এক অঙ্কের মাস্টার বলছেন জুপিটারকে ঘিরে নাকি চারটে চাঁদ ঘুরছে, আজ অবধি যে জিনিস কেউ আবিষ্কার করতে পারেনি, আরও কিছু স্থির তারাও নাকি দেখেছেন, আশ্চর্য, এ-সব আগে তো কেউ দেখেনি! আবার ছায়াপথের আসল কারণও বর্ণনা করেছেন, এ লোক হয় খুব বিখ্যাত, নয়তো জঘন্য কিছু হতে যাচ্ছেন। লোকটি যা বলছেন তা পাগলের প্রলাপ নাকি এতে সত্য কিছু আছে তা যাচাই করে দেখা উচিত। এঁর টেলিস্কোপ যন্ত্রটি এর পরের জাহাজে আমি পাঠিয়ে দিচ্ছি।

    গ্যালিলিও সাঁইসাঁই করে উপরে উঠছেন। রাজপুত্র কসিমোকে নিজের তৈরি একটি টেলিস্কোপ আর একখানা নক্ষত্রবার্তা পাঠাবার পর উত্তরে কেবল শুকনো ধন্যবাদ জোটেনি গ্যালিলিওর, জুটেছে পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রধান অঙ্কবিদদের পদ, আর গ্র্যান্ড ডিউকের ব্যক্তিগত দার্শনিক আর অঙ্কবিদ হওয়ার সুযোগ। গ্যালিলিওর আকাশে আলো করে নক্ষত্র ফুটছে, কিন্তু ওদিকে কেবল মারিয়া সেলেস্তই নয়, গ্যালিলিওর আরেক কন্যা লিভিয়াও কনভেন্টের কর্তা, যেহেতু গ্যালিলিওর এতে সায় ছিল না, চিঠি লিখে, আগেভাগে ঈশ্বরের সেবা করার কাজে নামা যে মন্দ নয়, বরং ভালই তা বোঝাতে চাইলেন, বুঝতে মন সায় দেয় না গ্যালিলিওর।

    গ্যালিলিও আরও একটি বই লিখলেন, ‘জলের ভেতর শরীর’। লিখলেন ইটালিয়ান ভাষায়, ইচ্ছে, প্রচুর পাঠক পাওয়া। গ্যালিলিও লিখছেন ঠিকই বই, একটির পর একটি, অ্যারিস্টটলকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিচ্ছেন, টলেমিকেও, কিন্তু কোনও এক পোলিশ ধর্মগুরু কোপারনিকাসের গুণ গাচ্ছেন। কে এই কোপারনিকাস! নিকোলাস কোপারনিকাস ইটালিতে কিছুকাল ডাক্তারিবিদ্যা, জ্যোতির্বিদ্যা আর অঙ্কবিদ্যা শিখে তিরিশ বছর বয়সে ফিরে গিয়েছিলেন নিজের দেশ পোল্যান্ডে, ফেরার পর তাঁর এক কাকা, বিশপ, কোপারনিকাসকে ফ্রমবর্ক ক্যাথিড্রালের কর্তা বানিয়ে দিলেন। কোপারনিকাস ওই ফ্রমবর্কে বসে খোলা চোখে আকাশ দেখে, কিছু পড়ে, আর কিছু ভেবে ‘দে রেভুলুশনিবুস’ নামে লাতিন ভাষায় একটি বই লিখে ফেললেন, বইটি ছাপালেন ১৫৪৩ সনে লেখার কয়েক দশক পর, যখন তাঁর সত্তর বছর বয়স, শয্যাশায়ী (বুঝি না এত সময় নেন কেন এঁরা যখন জগত্কাঁপিয়ে দেওয়া কিছু লেখেন, দ্য অরিজিন অব স্পিসিস বাই মিনস অব ন্যাচারাল সিলেকশন বইটি লেখার কুড়ি বছর পর, ছাপাতে দিয়েছিলেন ডারউইন। ) দে রেভুলুশনিবুস যেহেতু লাতিনে লেখা গুটিকয় শিক্ষিত লোক জানতেন সে ভাষা, খুব একটা যে হইহই পড়ে গেল বইটি বেরোনোর পর তা নয়। এ বই আবার পোপকে উত্সর্গ করা, পোপ তৃতীয় পল, ধর্মচ্যুতির জন্য যিনি বিচারব্যবস্থা চালু করেছিলেন (যে বিচারব্যবস্থায় গ্যালিলিওকে পরে ফাঁসতে হয়, আর ঠিক এই বইটির পক্ষ নেবার জন্য। ) বইয়ের বিষয় টলেমির ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত। আলেকজান্দ্রিয়ার বিজ্ঞানী টলেমি বলেছিলেন পৃথিবী মাঝে আর চাঁদ, সূর্য, গ্রহ পৃথিবীকে ঘিরে আছে, কোপারনিকাসের মত হল পৃথিবী কেন্দ্র নয়, কেন্দ্র হল সূর্য। বইটি বেরোনোর পর, গ্যালিলিও টলেমির পৃথিবীকেন্দ্রিক ব্রহ্মাণ্ড উড়িয়ে দিয়ে কোপারনিকাসের মতটিকে মেনে নিলেন। সূর্যের ভেতর কিছু দাগ দেখতে পেয়ে গ্যালিলিও ভাবতে বসলেন, মূল অঙ্ক কষতে বসলেন, কী হতে পারে দাগের কারণ। জার্মান জ্যোতির্বিদ ওয়েলসারের সঙ্গে গ্যালিলিওর চিঠিতে আলোচনা হয় দাগের কারণ নিয়ে। গ্যালিলিও বললেন, হতে পারে গ্রহনক্ষত্রের ছায়া, যে গ্রহগুলো সূর্যের চারদিকে ঘুরছে, হতে পারে সূর্য নিজের অক্ষপথেই ঘুরছে, বছরে একবার করে, বছর বছর দাগগুলো তাই পাল্টাচ্ছে, আকার বদলাচ্ছে, উবেও যাচ্ছে কিছু দাগ। গ্যালিলিও বছর ধরে সূর্যের দিকে টেলিস্কোপ পেতে বসে রইলেন। আর লিখতে লাগলেন চিঠি ওয়েসলারকে। এই চিঠিগুলোই পরে বই হয়ে বের হয়। এ বই বেরোলে দ্বিগুণ খেপে গেল লোক। গ্যালিলিওকেই, যেহেতু কোপারনিকাস আর বেঁচে বেই, সূর্যকেন্দ্রিক ব্রহ্মাণ্ডের সব দায়ভার একাই বহন করতে হল। ১৬১২ সনে ফ্লোরেন্স গির্জার পাদরি ঘোষণা করে দিলেন, কোপারনিকাসের বক্তব্য পবিত্র গ্রন্থ বাইবেলের বিপক্ষে যায়।

    গ্যালিলিওর বিরুদ্ধে তখনকার জ্যোতির্বিদ আর দার্শনিকরা এমনই মুখর হয়েছিলেন যে, তাঁর প্রিয় ছাত্র বেনেদেত্তো কাসতেলি তাঁর পক্ষে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন, আত্মপক্ষ সমর্থন করে লেখা গ্যালিলিওর চিঠিও তিনি ছেপে বিলি করেছিলেন, কিন্তু পিসা বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্কবিদ হিসেবে যোগ দিতে গিয়ে কাসতেলি পড়লেন বিপাকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক বলে দিলেন, পৃথিবী ঘুরছে এমন অদ্ভুত বিষয় যেন কিছুতে ছাত্রদের না শেখানো হয়। কেবল তাই নয়, খুব শীঘ্রই কাসতেলিকে দাঁড়াতে হয় হাজারো প্রশ্নের সামনে, মেদিচি পরিবারে। গ্রহনক্ষত্র বিষয়ে, সব চেয়ে বেশি আগ্রহ রাজপুত্র কসিমোর মা গ্র্যান্ড ডাচেস ক্রিশ্চিনার। কাসতেলি যতই সূর্যকেন্দ্রিক ব্রহ্মাণ্ডের কথা বললেন, ততই বিরক্ত হন ক্রিশ্চিনা। বাইবেল খুলে জসোয়ার বই থেকে পড়ে শোনান, পৃথিবীকে রাখা হয়েছে স্থির, চিরকালের জন্য স্থির, কোনও অবস্থাতেই যেন এটি না নড়ে। তবে? বেকায়দায় পড়ে কাসতেলি গ্যালিলিওকে চিঠি লিখলেন। সে চিঠি পেয়ে কাসতেলিকে দীর্ঘ চিঠি লিখলেন গ্যালিলিও, ক্রিশ্চিনাকেও। গ্যালিলিওর ভাষ্য বাইবেলের সঙ্গে বিজ্ঞানের কোনও বিরোধ নেই। প্রকৃতির সত্যকে জানা মানে বাইবেলের ভেতরে যে সত্য, তা আবিষ্কার করা। গ্যালিলিও দোষ দিলেন বাইবেলের যাঁরা আক্ষরিক অনুবাদ করে ভুল ব্যাখ্যা করেন তাঁদের। পবিত্র গ্রন্থ এবং প্রকৃতি দুটোই ঈশ্বরের সৃষ্টি, সুতরাং দুটোতে কোনও বিরোধ থাকতে পারে না। জসোয়ার বই থেকে আরও এক উদাহরণ টেনে বললেন গ্যালিলিও, এও তো লেখা আছে, জসোয়া প্রার্থনা শেষে বললেন, হে সূর্য তুমি স্থির থাকো, হে চাঁদ তুমিও স্থির থাকো, যতক্ষণ না জাতি তার শত্রুদের নিশ্চিহ্ন না করে। আকাশের মাঝখানে সূর্য স্থির হয়ে রইল, এমন দিন আর কখনও আসেনি আগে।

    জসোয়া ঠিকই বলেছেন, গ্যালিলিও বললেন, আকাশের মাঝখানে সূর্য স্থির হয়ে আছে, ঠিক কোপারনিকাস যা বলেছিলেন, আর স্থির সূর্যকে ঘিরে ঘুরছে পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহ। গ্যালিলিওর যুক্তি কে শোনে! গ্যালিলিও আবার বললেন, ঈশ্বর আমাদের বুদ্ধি দিয়েছেন আর সে বুদ্ধি কাজে না লাগিয়ে কি বসে থাকবো পবিত্র গ্রন্থ ধরে, যেখানে কোনও গ্রহনক্ষত্রের যৎসামান্যও উল্লেখ নেই। বাইবেলের কাজও তো নয় লোককে জ্যোতির্বিদ্যায় পণ্ডিত বানানো। গির্জার লোকেরা যতই তার বক্তব্য ভুল বলে উড়িয়ে দেয়, ততই গ্যালিলিও যুক্তি খোঁজেন। ক্রিশ্চিনাকে লেখা চিঠিতে তিনি জানালেন, ‘কোপারনিকাসের বই নিষিদ্ধ করা মানে বাইবেলের একশ পাতা নিষিদ্ধ করা, যেখানে ঈশ্বরের মহানুভবতার কথা তাঁর অসীম ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। আর ক্যাথলিকের স্বার্থের জন্যই ভাবো না কেন, মহাজাগতিক সত্য অন্যরা, ওই প্রোটেস্টোন্ট ব্যাটারা এক সময় ঠিকই আবিষ্কার করবে, কিন্তু ওদের আগেই যে ক্যাথলিকেরা আবিষ্কার করে গেছে, তা লুকিয়ে না রেখে বরং প্রকাশ করো, ক্যাথলিকদের বাহবা কুড়োতে দাও। ’ গ্যালিলিওর মিঠে কথায় চিঁড়ে ভেজেনি। গ্যালিলিও ধর্মবিরোধী, এ-রকম রব উঠল। তিনি প্রমাণ খুঁজছেন তখন, সূর্যকেন্দ্রিক ব্রহ্মাণ্ডের প্রমাণ! টেলিস্কোপটি একা যথেষ্ট নয় প্রমাণ জোগাতে। আকাশ বাদ দিয়ে প্রমাণ খুঁজতে গ্যালিলিও পৃথিবীর দিকে তাকালেন। সমুদ্রের জলের কথা পাড়লেন, জোয়ারভাটার উদাহরণ দেখিয়ে বললেন, পৃথিবী যদি স্থির হতো, জলও স্থির থাকত। গ্যালিলিওর এ-ধারণা ভুল ছিল অবশ্যই, তিনি তখনও জানতেন না জোয়ারভাটার কারণ, কারণ তখনও তিনি চাঁদের সঙ্গে জলের আকর্ষণ মেলাননি। জানেন না পৃথিবী স্থির হলেও চাঁদের কারণে জলে ঢেউ উঠতই, জোয়ারভাটা হতোই।

    পরে জার্মান বিজ্ঞানী কেপলার চাঁদের আকর্ষণের ব্যাপারটি খোলসা করেন। গ্যালিলিওকে রক্ষা করা তাঁর সমর্থকদের পক্ষেও অনেকটা অসম্ভব ছিল। পোপ নিজে ব্যাপারটিতে জড়ালেন। গ্যালিলিওর কোনও যুক্তিই ধোপে টেকে না যেখানে বাইবেলে স্পষ্ট লেখা আছে, সূর্য উদয় হয়, সূর্য অস্ত যায়, আর সূর্য সেখানেই ফিরে আসে যেখানে উদয় হয়েছিল। পোপের অনুমতি নিয়ে কার্ডিনাল জানিয়ে দিলেন, ঈশ্বরের সাজানো মহাজগেক শোধরাবার দায়িত্ব কাউকে দেওয়া হয়নি। পৃথিবীকে তিনি যেমন স্থির রেখেছেন তেমনই স্থির থাকবে, আর সূর্য-চন্দ্র-গ্রহ-নক্ষত্রকে পৃথিবীর চারদিকে যেমন ঘোরাচ্ছেন, তেমনই ঘুরবে এরা। ১৬৬১ সনে, গ্যালিলিওর তখনও পোপের কাছে জবাবদিহি শেষ হয়নি, নিজের মতবাদের পক্ষে কোনও প্রমাণাদি আর গ্রহণ করা হবে না জানিয়ে দেওয়া হল, আর কোপারনিকাসের মতকে মিথ্যে এবং বাইবেলবিরোধী বলে ঘোষণা করা হয়ে গেল, বলা হল কোপারনিকাসের বইটি ততক্ষণ নিষিদ্ধ থাকবে, যতক্ষণ না এটি সংশোধিত হয়। রোম থেকে ফ্লোরেন্স ফিরে গিয়ে, গ্যালিলিও অসুস্থ শরীর নিয়েই, ম্যালেরিয়া নাকি রিউমেটিক, কী বাঁধিয়েছেন কে জানে, বই লিখতে শুরু করলেন, জোয়ারভাটার ওপর লিখলেন একটি। তারপর তো সেই বিখ্যাত বই, ১৬৩২ সনে বেরোল, ডায়ালগ অন দা টু চিফ ওয়ার্ল্ড সিস্টেম, টলেমিক অ্যান্ড কোপারনিকান। জার্মানি থেকে প্লেগ রোগ তখন ঢুকেছে উত্তর ইটালিতে, ফ্লোরেন্স শ্মশানমতো হয়ে যাচ্ছে, আর এদিকে গ্যালিলিও রোমে দৌড়াচ্ছেন, বই বের হচ্ছে। বেরোনোর পরই ডায়ালগ নিষিদ্ধ হল আর গ্যালিলিওকে দাঁড়াতে হল ধর্মযাজকের বিচারসভায়। সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন মারিয়া সেলেস্ত, বাবার জন্য প্রার্থনা করছেন, চিঠি লিখে যাচ্ছেন, চিঠি পাঠাচ্ছেন গোপনে, চিঠি পাচ্ছেন, নিষিদ্ধ সব চিঠি। বিচারে গ্যালিলিওকে নজরবন্দি করা হল। প্রিয় কন্যাকে একটিবার দেখার উপায় ছিল না তাঁর। কন্যা মারা গেলেন হঠাত্ অসুখে, গ্যালিলিওকে, একা মানুষটিকে, আরও একা করে দিয়ে। কন্যার মৃত্যুর পর প্যারিসে এক বন্ধুর কাছে গ্যালিলিও লিখেছিলেন ‘আমার অনুপস্থিতিই মারিয়াকে অসুস্থ করেছে, নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়নি মোটেই। ওর অভাব আমি সইতে পারছি না। ও ছিল অসাধারণ, এ উওমেন অফ এক্সকুইজিট মাইন্ড, সিংগুলার গুডনেস অ্যান্ড মোস্ট টেনডারলি অ্যাটাচড টু মি। ’

    একাকিত্বে, অভাবে, অসুখে ভুগতে ভুগতে গ্যালিলিওরও যাবার সময় হল, গালিলিও গেলেন, আইনস্টাইনের মতে, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জন্মদাতা, গেলেন। মারিয়া সেলেস্ত বিশ্বাস করতেন, বাবার সঙ্গে তাঁর মিলন হবে নক্ষত্রের ওপারে। গ্যালিলিওর কি সে বিশ্বাস ছিল! ঈশ্বরে, তিনি কখনও বলেননি যে, তাঁর বিশ্বাস নেই। বিশ্বাস থাকলেও, জেনে বা না জেনে ঈশ্বরকে হত্যা করেছেন গ্যালিলিও, আর দুশো বছর পর চার্লস ডারউইন ঈশ্বরের কফিনে পেরেক লাগিয়ে দিয়েছেন।

    সোর্স : বাংলাদেশ প্রতিদিন, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৬

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89 90 91 92 93 94 95 96 97 98 99 100 101 102 103 104 105 106 107 108 109 110 111 112 113 114 115 116 117 118 119 120 121 122 123 124 125 126 127 128 129 130 131 132 133 134 135 136 137 138 139 140 141
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবন্দিনী – তসলিমা নাসরিন
    Next Article আমার প্রতিবাদের ভাষা – তসলিমা নাসরিন

    Related Articles

    তসলিমা নাসরিন

    সেইসব অন্ধকার – তসলিমা নাসরিন

    August 21, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    আমার প্রতিবাদের ভাষা – তসলিমা নাসরিন

    August 21, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    বন্দিনী – তসলিমা নাসরিন

    August 21, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    নির্বাসন – তসলিমা নাসরিন

    August 20, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    নেই, কিছু নেই – তসলিমা নাসরিন

    August 20, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    ফেরা – তসলিমা নাসরিন

    August 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }