Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অজানা মহাযোগী বাবা লোকনাথ – ডঃ অসীমবরণ দে

    লেখক এক পাতা গল্প455 Mins Read0
    ⤷

    পটকথা

    ব্রহ্মচারী বাবার কৃপায় দ্বিতীয় জন্মলাভ

    ঈশ্বর হি কেবলম–শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর অপার করুণার কথা নানাভাবে আমরা নানাজনের কাছে শুনে এসেছি। তার অপার মহিমা ইতিমধ্যে বিভিন্ন গল্প-কথা, চলচ্চিত্র এমনকি টি.ভি. সিরিয়ালের মাধ্যমে আমরা জ্ঞাত হয়েছি। কিন্তু আমার এই নিবন্ধে আমি আমার নিজের জীবনে তার অপার করুণাময় কৃপার এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তার জীবনবৃত্তান্ত শুরু করছি।

    ২০০০ সালের ২৮ নভেম্বরের সকাল। আমি ঢাকুরিয়া বাসস্টপে অফিস যাবার জন্য দাঁড়িয়ে আছি। একটি বাস ঠিক আমার সামনে এসে দাঁড়ালো। আমার ব্যস্ত চোখ খুঁজছে ওই বাসের পিছনের দিকের মিনিবাস। হঠাৎ বাঁদিক থেকে একটা সাইকেল তীব্র গতিতে এসে আমাকে ধাক্কা মারলো। আমি বাঁদিকে কাৎ হয়ে দুই পা সহ ঢুকে গেলাম বাসের তলায়। সাক্ষাৎ মৃত্যুকে সামনে দেখতে পেয়ে চিৎকার করে উঠলাম—’বাবা লোকনাথ বাঁচাও’। বাবা লোকনাথ আমার প্রথম দিব্যগুরু। আমার চিৎকারে বাসযাত্রীরা ও ব্যস্ত পথচারীরা সচকিত হয়ে চিৎকার করতে লাগলো। বাসের কন্ডাক্টর ততক্ষণে বাস ছাড়ার ঘন্টা বাজিয়েছে। বাসের পিছনের দুটি চাকা ধীরে ধীরে আমার পায়ের উপর উঠে আবার পিছনে নেমে গেল। সকলেই ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করছে। কিছু পথচারী আমার দেহটা টেনে বাসের নিচ থেকে বার করলো। আমাকে দাঁড় করাবার চেষ্টা করলো। কিন্তু কোমর থেকে সম্পূর্ণ নিচে আমার কোনো জোড় নেই। আমাকে সোজা করে তারা ধরে রেখেছে। আমি বাবা লোকনাথের নাম নিয়ে কেঁদে চলেছি। আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবার তোড়জোড় শুরু করতেই আমি বললাম–

    আমার বাড়ি খুব কাছেই। আমাকে আগে বাড়ি নিয়ে চলুন। তারপর বাকি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ততক্ষণে আমার পা-দুটি ফুলে কলাগাছ। আমাকে তারা বাড়িতে ঢোকালেন। আমার ওই অবস্থা দেখে বাড়ির সকলের কান্নার রোল পড়ে গেল। আমার নিম্নাঙ্গে কোনো বোধশক্তি নেই। একজন ডাক্তারকে সঙ্গে সঙ্গে আনা হল। তিনি সব দেখেশুনে অবাক। Pain killer ওষুধ দিলেন এবং বললেন আমাকে কোনো অস্থিবিশারদের কাছে তখনই নিয়ে যেতে। আমার শরীর ক্রমশঃ নিস্তেজ হয়ে আসতে লাগলো। কলকাতার একজন বিশিষ্ট অস্থিবিশারদ আমার পরিচিত ছিলেন। তাকে ফোন করে সব জানানো হল। তিনি তৎক্ষণাৎ আমার বাড়িতে এসে আমাকে দেখে সিদ্ধান্ত নিলেন যে তক্ষুনি কোনো ভালো নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

    তিনি এও জানালেন যে, যদি আমাকে কোনো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতো তবে তক্ষুনি আমার পা দুটো কেটে বাদ দিয়ে দেওয়া হতো। কিন্তু তার এখুনি কোনো প্রয়োজন নেই। উনি আমার পা বাদ দিয়ে চিকিৎসা করতে পারবেন না। ওনার প্রথম লক্ষ্য হল আমার জীবন বাঁচানো। উনি কিছু injection আমাকে দিলেন এবং বললেন, তখনও আমার জীবন সংশয় আছে। সেজন্য উনি আমাকে কয়েকদিনের জন্য একটি নার্সিংহোমে দিতে চান। আমার নিশ্চল দেহ নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হল। তিনদিন পর্যন্ত চললো যমে-মানুষে টানাটানি। বাড়ির লোক সারাদিন নার্সিংহোমে বসে থাকতো। কখন খারাপ খবর হয়! এইভাবে বেশ কয়েকদিন যাবার পর আমার স্ত্রী অস্থিবিশারদকে অনুরোধ করলো যে, আমাকে যদি বাড়িতে রেখে উনি চিকিৎসা করেন, তবে খুব ভালো হয়। বাড়িতে বাবা লোকনাথ আছেন। তার উপর আমাদের বিশ্বাসের কথা ওনাকে জানানো হল। ব্যক্তিগত সুসম্পর্কের মর্যাদা দিয়ে অস্থিবিশারদ আমাকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা করতে রাজি হলেন। আমার নিশ্চল দেহ আবার বাড়িতে ফিরে এলো। আমার শোবার ঘর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নার্সিংহোমের মতো তৈরি রাখা হলো। ডাক্তারবাবু প্রতিদিন আমার বাড়ি এসে চিকিৎসা করতে লাগলেন। ১৮দিন পর্যন্ত চললো জীবন ও মরণের সঙ্গে প্রবল যুদ্ধ। প্রতিদিন রাতে মেয়েরা ও স্ত্রী এসে দেখতে আমি বেঁচে আছি কিনা। আর বাবা লোকনাথের কাছে চোখের জল ফেলতো। অমায়িক ডাক্তারের অক্লান্ত পরিশ্রমে এবং বাবা লোকনাথের দয়ায় ১৮ দিন পর আমার জীবন বিপদমুক্ত হল। তখন ডাক্তার বললেন, এখন আমাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দেবার জন্য আমার পা দুটিকে সচল করতে হবে। আমার দু-পায়ের সমস্ত Soft-tissue গুলি smashed হয়ে গিয়েছিল। কলাগাছের মতো ফোলা এক-একটি পা। কোনো sense নেই। একজন দেবদূত অস্থিবিশারদ ও আমার স্ত্রী ও কন্যাদের অক্লান্ত সেবায় এবং বাবা লোকনাথের অসীম কৃপায় দীর্ঘ চিকিৎসার পর আমি হাঁটতে সক্ষম হলাম। যদিও আমার বাঁ পায়ে এখনও দুটি fracture আছে। ডাক্তার বললেন, ওই fracture দুটি সারাতে অপারেশন করলে ভবিষ্যতে আমার পা দুর্বল হয়ে যাবে। আমি যখন হাঁটতে পারছি, তখন আর অপারেশনের দরকার নেই। আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এলাম। পরবর্তী সময়ে এই পা নিয়ে আমি সারা ভারতবর্ষের তীর্থক্ষেত্র ভ্রমণ করেছি। এমনকি নর্মদা পরিক্রমাও করেছি।

    ডাক্তার যখন আমার পায়ের scan report দেখলেন, বললেন এই scan report অনুযায়ী এইভাবে আপনার হাঁটতে পারার কথা নয়, কিন্তু আপনি আমার সামনে হাঁটছেন। আপনার মাটিতে বসতে পারার কথা নয়, কিন্তু আপনি বসছেন। আপনার এত তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক জীবনে ফেরার কথা নয়, কিন্তু আপনি ফিরেছেন। আমি কোষ্টাকে বিশ্বাস করবো! scan report যা দেখছি সেটা, না আমার চোখে যা দেখছি, সেটা! আমি নিজেই জানি না আপনি কীভাবে এত তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে উঠলেন। It’s a miracle. আমি জানি, আমার এই দ্বিতীয় জীবনদাতার নাম মহাযোগী বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী। বিশিষ্ট অস্থিবিশারদের কৃতিত্ব বিন্দুমাত্র ছোট না করে বলছি, বাবা লোকনাথের অসীম কৃপায় আজ আমি জীবিত। অস্থিবিশারদ তার দূত রূপে আমার চিকিৎসা করে গেছেন।

    পরবর্তীকালে একজন অন্য বিশিষ্ট অস্থিবিশারদ আমাকে ও আমার চিকিৎসাপত্র দেখে বলেছিলেন যে, আমি জানিনা কিভাবে আপনি এইরকম হাঁটতে পারছেন। আপনাকে এই অবস্থায় দাঁড় করাতে কেবল সেই চিকিৎসকই পারেন যে ভগবান। আমি তখন তাকে বলেছিলাম, আমি বাবা লোকনাথের চরণাশ্রিত। তিনি শুনে বলেছিলেন, তার কৃপা যেখানে থাকে, সেখানে সবই সম্ভব। আমার কিছু বলার নেই।

    আমি বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী সম্পর্কে প্রথম জানতে পারি ১৯৯৫ সালে। তখন জীবনের এক কঠিনতম বিপদের মধ্যে আমি বাবা লোকনাথের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। সেই বছরই ১৯শে জৈষ্ঠ্য বাবা লোকনাথের ফটো আমার ঘরের ঠাকুরের আসনে প্রতিষ্ঠা করে তাকে আমার প্রথম দিব্যগুরুরূপে বরণ করি এবং এখনও নিত্য তার পূজারাধনা করে আসছি। এবং তার কৃপাধন্য হয়ে বেঁচে আছি।

    .

    ব্রহ্মচারী বাবার দিব্যশক্তির মূল্যায়ণ প্রেক্ষাপট

    সেই ১৯৯৫ সাল থেকে আমি একটু একটু করে বোঝার চেষ্টা করছি যে, বাবা লোকনাথ ইহলোকে নিজ শরীরে না থেকেও কিভাবে আমাদের এইভাবে রক্ষা করেন! নর্মদা পরিক্রমা করার সময় আমি সেইসব স্থান দর্শন করেছি যেখানে বাবা লোকনাথ তপস্যা করেছিলেন। এবং নর্মদা তটে তার তপস্যার বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছি। হিমালয়ের বিভিন্ন তীর্থক্ষেত্র দর্শন করে তার তপোজীবন সম্বন্ধে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করার ও তার স্বরূপ জানার প্রয়াস করেছি। বদ্রীনাথ মন্দিরে তাঁর প্রতিকৃতি সামনে রেখে পূজা করে তার কাছে আকুল প্রার্থনা জানিয়েছি আমাকে তাঁর দিব্য স্বরূপের সন্ধান দেবার জন্য। সেখানে এক জ্যোতিরাশির মধ্যে অজস্র ওঁকার আমার মুখমণ্ডলকে ঘিরে রেখেছিল।

    এইভাবে মহাযোগী বাবা লোকনাথ সম্বন্ধে বিভিন্ন তীর্থে যেসব তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছি, তাতে আমার মনে হয়েছে যে, আমরা তার ভক্তরা বোধহয় সেই মহাযোগীর যোগপ্রভাবের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারিনি। আজ ঘরে ঘরে বাবা লোকনাথ পূজিত। যখন কাউকে জিজ্ঞাসা করি কেন তারা বাবা লোকনাথকে পূজা করেন? তখন নিম্নরূপ উত্তর পাই :

    (ক) যে কোনো বিপদে বাবাকে ডাকলে, বাবা রক্ষা করেন।

    (খ) বিপদের সময় বাবাকে স্মরণ করলে মনে জোর পাই।

    (গ) বাবা অনেকের ব্যাধি সারিয়ে দিয়েছেন।

    (ঘ) কোনো মামলা-মোকদ্দমায় বাবাকে স্মরণ করে সাহায্য চাইলে, বাবা রক্ষা করেন।

    (ঙ) বাবার আশীর্বাদ থাকলে, কোনো বিপদ হয় না। ইত্যাদি।

    এই উত্তরগুলি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায় যে, আমরা বাবাকে পূজা করি তার যোগ-বিভূতির জন্য। অর্থাৎ আমরা বাবা লোকনাথের যোগ-বিভূতিকে পূজা করি।

    আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান বলে যে, কোনো সাধক যোগ-বিভূতি প্রাপ্ত হন অষ্টাঙ্গ অথবা অষ্টাদশ যোগসিদ্ধ হলে। এই যোগ-বিভূতি তার একটি লীলাখেলা’–এটা কোনো সাধকের আসল পরিচয় নয়। বাবা লোকনাথ যে যোগ-বিভূতির দ্বারা নানা মানবকল্যাণ ও সমাজকল্যাণের কাজ করতেন, সেটা তার কাছে অতি সামান্য কাজ ছিল। তাঁর যোগৈশ্চর্য ছিল অতি উচ্চ মার্গের। এইসব বিভূতি প্রদর্শন ছিল তাঁর কাছে অতি তুচ্ছ ব্যাপার। তিনি ব্রহ্মজ্ঞ হয়ে যোগের যে স্তরে উপনীত হয়েছিলেন, সেখানে তিনি দেব স্বারূপ্য লাভ করেছিলেন। তাঁর আত্মা-পরমাত্মার সঙ্গে লীন হয়ে দেহাভ্যন্তরে বিরাজ করতো। যাঁর সর্বদেহের লোমকূপে দেবতারা বিরাজ করতেন, তার কাছে কি এই যোগ-বিভূতি প্রদর্শন করা অতি সামান্য ব্যাপার নয়! আসলে আমরা এই সামান্য বিভূতি পেয়েই সন্তুষ্ট থেকেছি এবং যে মহা ঐশ্বর্য তার কাছে ছিল, তার আর সন্ধান করিনি। যখন কোনো ভক্ত আরাধ্যের যোগ-বিভূতি পাবার জন্য তার পূজা করে, তখন তার মধ্যে একটি স্বার্থ নিহিত থাকে। স্বার্থযুক্ত পূজা দেবতার চরণে পৌঁছয় না। দেবতা তার কৃপা-বিভূতি প্রদানেই সীমাবদ্ধ রাখেন। যেমন কথিত আছে, একজন পরম দেবভক্ত ইহলোকে অবস্থানকালে অনেক মন্দির নির্মাণ করেছেন, যজ্ঞানুষ্ঠান ও দান করেছেন। পরলোকে তার স্থান হয়েছিল তৃতীয় নরকে। তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে, এত ভালো ভালো কাজ করে তিনি নিশ্চয়ই স্বর্গে দেবতাদের সঙ্গে মিলিত হতে পারবেন। তৃতীয় নরকে পড়ে তিনি চেঁচামেচি করতে লাগলেন। উচ্চস্বরে সেখানে সকলকে বলতে লাগলেন যে, তিনি ইহলোকে কি কি দেবকার্য করেছেন। এত দেবকার্য করার পর কারও যদি নরকে স্থান হয়, তবে আর কেউ দেবকার্য করবে না। তার চেঁচামেচিতে নরকে শান্তি ভঙ্গ হওয়ায় স্বর্গ থেকে একজন দেবদূত তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, কেন সে এখানে অশান্তির সৃষ্টি করছে। সে দেবদূতকে গালাগালি দিয়ে বলতে লাগলো যে, ভগবান তার প্রতি অবিচার করেছেন। তখন দেবদূত তাকে বললেন, আপনি ইহলোকে অনেক দেবকার্য করেছেন, সন্দেহ নেই। কিন্তু সব দেবকার্যের পিছনেই আপনার নিজের স্বার্থ ছিল। স্বার্থ সম্বলিত দেবপূজা বা ফল কামনা করে যে পূজা, সেই পূজা ইহালোকের ফল প্রদানেই সমাপ্ত হয়ে যায়। কেবলমাত্র নিঃস্বার্থ দেবপূজা বা ফল কামনা রহিত দেবকার্যই দেবতার চরণে পৌঁছয়। আপনার স্বার্থ সম্বলিত পূজার ফল আপনি ইহলোকেই প্রাপ্ত হয়েছেন; পরলোকের জন্য আপনার কোনো সুফল সঞ্চিত নেই। সেইজন্য আপনার নরক প্রাপ্তি।

    গীতায় শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেছেন, আমার উপর সর্বতোভাবে নির্ভরশীল হও। আমাতে মনপ্রাণ সমর্পণ করে ভক্তি ভরে ভজনা করে যাও। তুমি যখন কোনো কর্মের অনুষ্ঠান করবে, আমিই তার উপলক্ষ এই জ্ঞানে আমাতে সমস্ত কর্ম সমর্পণ করো। তাতে যেন কোনো ফলাকাঙ্ক্ষা না থাকে। এইরূপ কর্মের জন্য আমি প্রতিজ্ঞা করে বলছি, আমিই তোমাকে রক্ষা করবো। তুমি আমার শরণাগত হও, আমার উপর নির্ভরশীল হও। আমি তোমাদের সমস্ত পাপ হতে রক্ষা করবো।

    বাবা লোকনাথও তেমনি ভক্তদের বলতেন, আমি সচ্চিদানন্দ পুরুষ, আমি সেই পরমাত্মা। তোরা তোদের সব কিছু আমাকে সমর্পণ করে নিষ্কামভাবে কাজ করে যাবি। মনে ভাববি, তোদের সব কিছু আমার। কোনো ফলের প্রত্যাশা করবি না। বিপদে পড়লে আমাকে স্মরণ করবি। আমি তোদের রক্ষা করবো। ব্রহ্মজ্ঞ বাবা লোকনাথের কাছে আমরা কেবল যোগ-বিভূতিই চেয়ে এসেছি। কিন্তু তিনি তো আমাদের ভবরোগ থেকেই মুক্ত করে দিতে সক্ষম ছিলেন! এইজন্য মহাপ্রয়াণের আগে বারদীতে বাবা দর্শনার্থী এক পরমভক্ত বিধবা মহিলাকে বলেছিলেন–এ দেহটা একটা পাখির খাঁচা। জানিস মা, ওরা আমাকে মানুষ ভাবে। কোনো ভবরোগী পেলাম না।–এই কথার গূঢ় অর্থ তখন কেউ বিশ্লেষণ করেনি।

    সাধারণ মানুষ কোনো মহাপুরুষের জীবন আলোচনাকালে তাঁর অলৌকিক বিভূতির মানদণ্ডে আধ্যাত্মিক সিদ্ধির মূল্যায়ণ করে থাকে। বলা বাহুল্য, আমাদের এই মূল্যায়ণ পদ্ধতি সম্পূর্ণরূপে ভ্রান্ত। একজন প্রকৃত মহাপুরুষের বা মহাযোগীর কাছে অষ্টসিদ্ধি বা অষ্টাদশসিদ্ধির মূল্য কম। এগুলি মূল সিদ্ধিপ্রাপ্তির সোপান স্বরূপ। সিদ্ধ যোগীর কাছে যোগের ফল জ্যোতিস্মতী ও মধুমতী প্রজ্ঞা, ব্রহ্মলোকের সন্ধান। মহাযোগী যে ব্রহ্মজ্ঞানের ও ব্রহ্মলোকের অধিকারী হন, তা যোগ্যশিষ্য বা ভক্তের মধ্যে সঞ্চারিত করে তার আত্মা বা লিঙ্গ-শরীরকে ব্রহ্মজ্ঞানের ও ব্রহ্মলোকে বিচ্ছুরিত করে দেন। অষ্ট বা অষ্টাদশসিদ্ধির অলৌকিক শক্তি থেকে এই ব্রহ্মজ্ঞ শক্তি অনেক অনেক উচ্চস্তরের। আমরা যদি এই ব্রহ্মজ্ঞানের মানদণ্ডে বাবা লোকনাথকে দেখি বা ব্রহ্মবিদ্ ঋষিরূপে তার যোগেশ্বর্যের মূল্যায়ণ করি, তবে দেখতে পাবো যে, তিনি স্বয়ং ভগবানরূপে সর্বদা আমাদের মধ্যেই বিরাজ করছেন এবং তাকে একবার মাত্র ভক্তিভরে স্মরণ করলেই তিনি তার জ্যোতি বিচ্ছুরণের মাধ্যমে আমাদের মঙ্গল বিধান করতে পারেন।

    আমি নর্মদা পরিক্রমা করে মা নর্মদার দৈবীশক্তির পরিচয় জনসমক্ষে প্রকাশ করার পরে অন্তরে এক তীব্র আকুলতা অনুভব করেছি মহাযোগী বাবা লোকনাথের অপার যোগৈশ্বর্যের স্বরূপ জনসমক্ষে উন্মোচন করতে। এগারো বছরের বালক লোকনাথ কিভাবে ব্রহ্মজ্ঞ মহাযোগী লোকনাথে পরিণত হয়ে দেবসাযুজ্য লাভ করেছিলেন, সেই বিস্তৃত যোগ-সিদ্ধির কাহিনী এখনও অনেকটাই লোকচক্ষুর অন্তরালে রয়ে গেছে। বাবার যোগবিভূতির মায়ায় সেই অত্যাশ্চর্য অদ্ভুত যোগসিদ্ধির কাহিনী আবৃত হয়ে আছে। এই কাহিনী উন্মোচিত হলে যেমন ভারতের যোগসাধনার এক অত্যুচ্চ দিক আলোকিত হবে, তেমনই বাবার ভক্তগণ তার সত্যস্বরূপ জেনে তাঁকে পূজা করতে সমর্থ হবেন ও ভবরোগ থেকে স্বীয় আত্মাকে মুক্ত করতে সচেষ্ট হতে পারবেন।

    কিন্তু আমার মতো ক্ষুদ্র যোগশক্তিবিহীন ব্যক্তির পক্ষে মহাযোগী বাবা লোকনাথের যোগজীবন আলোচনা করা কি সম্ভব! বারদীতে বাবা লোকনাথ নিজ মুখে বলেছিলেন–আমি ধরা না দিলে, কার বাপের সাধ্য আমাকে ধরতে পারে! সত্যিই তো। তিনি নিজে না বলে দিলে, তার কঠোর ও মহাযোগশক্তির সন্ধান কে পেতে পারে। তাই আমি বাবার পুণ্যচরণ কমলে কোটি কোটি প্রণাম। নিবেদন করে বলছি, বাবা, আমি জ্ঞানহীন, শক্তিহীন, সাধনহীন, ভক্তিহীন। আমি তোমার সত্যস্বরূপ জগতের সামনে উন্মোচন করতে ব্ৰতী হয়েছি। তুমি নিজে কৃপা করে আমার কলমে অধিষ্ঠান করে তোমার পরিচয় ব্যক্ত করো। তুমি নিত্য আমার আত্মায় বিরাজ করো। আমি তোমারই চরণাশ্রিত। হে পরম করুণাময়, তোমার অত্যাশ্চর্য কঠোর তপোময় জীবনচরিত অধিকাংশ জনমানসের দৃশ্যপট বহির্ভূত। সেই অলৌকিক গাথা যেমন লোকাতীত তেমন কল্পনাতীত। আমি সমগ্র নর্মদা তট ও হিমালয়ের বদরিকা আশ্রম পরিভ্রমণ করে তোমার মতো এমন ত্রিকালদর্শী এবং এত যোগৈশ্বর্যপূর্ণ ব্যক্তির সন্ধান পাইনি। তোমার উপমা, তুমি নিজেই। কেবল নর্মদা উত্তরতটের ওঁকারেশ্বরে প্রলয়দাসজি নামে এমন একজন ব্রহ্মজ্ঞের সন্ধান পেয়েছিলাম যিনি এখন দেহে নেই, যে অলৌকিক তপোবলে তিনি সর্ববিদ্যা বিশারদ হয়েছিলেন ও ব্রহ্মদর্শন করেছিলেন, তা আপামর জনমানসের নয়নের অগোচরে রয়ে গেছে। তুমি যেমন অনধিগম্য, তোমার অলৌকিক জীবনলীলাও তেমনি দুয়ে ও জনমানসের জ্ঞানাতীত। তোমার অমৃতময় ও সুমধুর জীবনকথা লোকসমাজের মঙ্গলকার্যে প্রচারে আমি ব্রতী হয়েছি। আমি তোমার, আমার আত্মায় তুমি অধিষ্ঠিত। সে জন্য আমার এ কাজও তোমার। আমাকে নিমিত্ত করে তুমি নিজেই এ কাজ সম্পাদিত করো। তুমি আমাকে যেমন লেখাবে আমি তেমনই লিখব। এ যেন এক অমর কথা হয়ে থাকে।

    জয় বাবা লোকনাথ। জয় শিব লোকনাথ।
    জয় গুরু লোকনাথ। জয় ব্রহ্ম লোকনাথ।।

    গুরুপ্রণাম

    যোগীন্দ্রায় নমস্তুভ্যাং ত্যাগীশ্বরায় বৈ নমঃ।
    ভূমানন্দ স্বরূপায় লোকনাথায় নমো নমঃ।।
    শ্রীমৎ পরং ব্রহ্ম গুরুং বদামি
    শ্রীমৎ পরং ব্রহ্ম গুরুং ভজামি।
    শ্রীমৎ পরং ব্রহ্ম গুরুং স্মরামি
    শ্রীমৎ পরং ব্রহ্ম গুরুং নমামি।।
    নিত্যং শুদ্ধং নিরাভাসং নির্বিকারং নিরঞ্জন।
    নিত্য বোধং চিদানন্দং গুরুং ব্রহ্ম নমাম্যহম্।
    অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম্।
    তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ।।
    গুরুব্রহ্মা গুরুবিষ্ণু গুরুদেবো মহেশ্বরঃ।
    গুরুরেব পরংব্রহ্ম তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ।
    চিন্ময়ং ব্যাপিতং সৰ্ব্বং ত্রৈলোক্যং সচরাচরম্।
    তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ।।
    চৈতন্যং শাশ্বতং শান্তং ব্যোমাতীতং নিরঞ্জন।
    বিন্দুনাদ কলাতীতং তস্মৈ শ্রীগুরবে নমঃ।।
    যস্যস্মরণ মাত্রেণ জ্ঞানমুৎপদ্যতে স্বয়ম্।।
    স এব সর্বসম্পন্নঃ তস্মৈ শ্রী গুরবে নমঃ।।
    ত্বমেব মাতা চ পিতা ত্বমেব, ত্বমেব বন্ধুশ্চ সখা ত্বমেব।
    ত্বমবে বিদ্যা দ্রবিণং ত্বমেব, ত্বমেব সর্বং মম দেবদেব।।
    ওঁ নমঃ শ্রী গুরবে বাবা লোকনাথায় নমো নমঃ।।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ফারাও’স সিক্রেট – ক্লাইভ কাসলার ও গ্রাহাম ব্রাউন
    Next Article ডোরিয়েন গ্রে-র ছবি – অস্কার ওয়াইল্ড / অনুবাদ : সুনীলকুমার ঘোষ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }