Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অজানা মহাযোগী বাবা লোকনাথ – ডঃ অসীমবরণ দে

    লেখক এক পাতা গল্প455 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাপ্রয়াণ

    ১১৩৭ সনের পুণ্যলগ্নে বাবা লোকনাথ এই জগতে আগমন করেছিলেন। ১১৪৭ সনে গৃহত্যাগ করে গুরু ভগবান গাঙ্গুলির সঙ্গে সাধন পথের যাত্রা শুরু করেছিলেন। তারপর দীর্ঘ ১২৩ বছর বহু পাহাড়-পর্বত-জঙ্গল ও হিমালয়ে তপস্যা করে সিদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে ১২৭০ সনে লোককল্যাণহেতু নিম্নভূমিতে অবতরণ করে বারদী আশ্রমে অবস্থান করেছিলেন। তাঁর গুরুদেবের আদেশ ছিল নিম্নভূমিতে অবস্থান করে লোকশিক্ষাহেতু তাকে কিছুদিন কর্ম করতে হবে। সিদ্ধিতে প্রাপ্ত ব্রহ্মজ্ঞানের আলোকে জগতের মানুষকে জীবন্মুক্তির আলোর সন্ধান দিতে হবে। তার সঙ্গে তার দুটি আরও কাজ ছিল। প্রথম কাজ উপনয়নের দিন গর্ভধারিণী মা কমলার কাছে দেওয়া প্রতিজ্ঞা পালন করা ও দ্বিতীয় কাজ গুরু ভগবান গাঙ্গুলিকে পরজন্মে ভক্তি ও কর্মযোগের শিক্ষার মাধ্যমে মোক্ষ প্রাপ্তিতে উপযুক্ত করা। দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে তিনি গুরুর আদেশ পালন করছেন। মা কমলা পরজন্মে গোয়ালিনী রূপে বারদীতে লোকনাথ বাবাকে কাছে পেয়েছেন। রামকুমাররূপী ভগবান গাঙ্গুলিকে গোপনে তিনি ভক্তি ও কর্মযোগের শিক্ষার মাধ্যমে ও তার ব্রহ্মশক্তি রামকুমারের মধ্যে সঞ্চারের মাধ্যমে তাকে তিনি মোক্ষলাভের উপযুক্ত স্তরে পৌঁছে দিয়েছেন। দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর ধরে তিনি নানাবিধ লোককল্যাণ কার্যে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন এবং লোকশিক্ষা হেতু আরও কিছু যোগীপুরুষ তৈরি করেছেন। যখন তিনি বুঝতে পেরেছেন যে তার গুরুদেবের সাধনা মোক্ষলাভের স্তরে পৌঁছে গেছে, তখন তার মন আর এই জগতে থাকতে চাইছিল না। তার পঞ্চভূত দেহ থেকে তার পূর্ণব্রহ্ম রূপ ঘনঘন তখন বেরিয়ে যেত। প্রতিদিন রাতে তাঁর কাছে হিমালয় থেকে মহাযোগীরা সূক্ষ্ম দেহে আসতেন যোগ সাধনার বিভিন্ন গুহ্য প্রক্রিয়ার শিক্ষা লাভের জন্য। তার যোগজীবনী ছিল যোগ শিক্ষা বা যোগ সাধনার এক প্রকৃষ্ট দৃষ্টান্ত যা সেইসময় বা আজও অতি বিরল। বারদীতে এই কথা শোনা যায় যে একদিন রাতে চতুর্যগ অমর অশ্বত্থামা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। ঋষি অরবিন্দের অবনী নামে এক ভক্ত তাঁকে বলেছিলেন যে বারদীতে ব্রহ্মচারী বাবার কাছে গভীর রাতে হিমালয়ের অনেক মহান যোগীগণ যোগসাধনার গুহ্যতত্ত্ব আলোচনা করতে আসেন। একজন পূর্ণব্রহ্ম মহাপুরুষরূপে তার অবস্থানের যথার্থতা তিনি সেই সময় উপভোগ করতেন। কিন্তু বারদী আশ্রমে সারাদিন অগণিত ভক্ত আসত কেবল সংসারের দুঃখ কষ্ট, রোগ নিবারণের আর্জি নিয়ে। জীবন্মুক্তির সন্ধান পেতে খুব কম লোকই তার কাছে আসত। এই সমস্ত স্বার্থান্বেষী ভক্তের আর্জি শুনতে শুনতে তিনি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিলেন এবং তার মন আর এই জগতে থাকতে চাইছিল না। তিনি এই সময় কোনো কোনো ভক্তকে বলতেন, আমি ইচ্ছা করলে আমার এই দেহে অনন্তকাল বেঁচে থাকতে পারি। কিন্তু দেহটি জীর্ণ হয়ে পড়েছে, এ দেহ এখন ত্যাগ করতে হবে। একদিন তিনি সমবেত ভক্তগণকে বলেন, আমি যোগবলে দেহত্যাগ করব। সেই সময় গ্রামের এক ব্যক্তি তার পুত্রকে কোলে নিয়ে বাবা লোকনাথ বলে চিৎকার করতে করতে আশ্রমে ঢোকে। সেই আশ্রমের উঠানে পুত্রকে কোলে নিয়ে বসে কাঁদতে থাকে। বাবা তার আসন ঘর থেকে বাইরে এসে তাকে কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করেন। সেই ব্যক্তি বলে তার পুত্র যক্ষারোগে আক্রান্ত এবং তার শেষ সময় উপস্থিত। সে বাবার কাছে মিনতি করে পুত্রের প্রাণ রক্ষার জন্য। বাবা সেখানে দাঁড়িয়েই ধ্যানস্থ হয়ে যান। যে-কোনো মরদেহ ত্যাগ করতে হলে একটি হেতুর প্রয়োজন। হয়। বাবা মনে করেন এই পুত্রটির জীবনদানের মাধ্যমে তিনি মরদেহ ত্যাগ করার হেতু পাবেন। সেজন্য তিনি বলেন, তোমার পুত্রকে মাটিতে শুইয়ে দাও। আমি ওকে জীবনদান করব। এরপর বাবা সেই ছেলেটির কপালে বাঁ হাত ও বুকে ডান হাত রাখেন। তার শরীর থেকে এক বিদ্যুৎ তরঙ্গ বের হয়ে সেই ছেলেটির শরীরে প্রবেশ করে। ছেলেটি সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ হয়ে যায়। বাবা নিজে তার রোগ গ্রহণ করে ছেলেটিকে সুস্থ করে দেন। এরপর বাবার শরীরে যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ প্রস্ফুটিত হয়ে ওঠে। ভক্তদের অনেক অনুনয় সত্ত্বেও তিনি নিজে রোগমুক্ত হতে চান না। তিনি তো স্ব-ইচ্ছাতেই এই রোগ গ্রহণ করেছেন।

    এরপর বাবা একদিন সমবেত ভক্তগণকে বলেন, আমার দেহত্যাগের সময় যদি আকাশ মেঘমুক্ত হয় ও সূর্য উজ্জ্বল কিরণ দান করতে থাকে, তবে বুঝতে হবে আমি সূর্যরশ্মি ভেদ করে ব্রহ্মলোকে গিয়ে জ্যোতির্ময়ে প্রবেশ করছি, আমার আর পৃথিবীতে পুনরাবৃত্তি ঘটবে না। আমি উত্তরায়ণে দিনের বেলায়ই দেহত্যাগ করবো। বাবার এই কথা শুনে উপস্থিত ভক্তগণ ও গোয়ালিনী এবং আপামর আশ্রমবাসীগণ চোখের জলে ভাসতে থাকেন। তারা বাবার চরণে অশ্রুজলে আকুতি জানাতে থাকেন যেন বাবা তাঁদের ছেড়ে না যান। কিন্তু বাবা তার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।

    বাবা লোকনাথ উত্তরায়ণের সময় কেন দেহত্যাগ করার জন্য বেছেছিলেন, সেই সম্বন্ধে কিছু কথা বলার দরকার।

    মনুসংহিতা অনুযায়ী পৃথিবীর ৬ মাসে দেবতাদের একদিন এবং ৬ মাসে এক রাত্রি। দেবতাদের দিনকে বলা হয় উত্তরায়ণ এবং রাত্রিকে বলা হয় দক্ষিণায়ন। দেবতাদের একটি দিন হয় তিনটি ঋতুকে নিয়ে বর্ষা, শরৎ ও হেমন্ত। অর্থাৎ এই তিন ঋতু উত্তরায়ণ। দেবতাদের একটি রাত্রি হয় বাকি তিনটি ঋতুকে নিয়ে গ্রীষ্ম, শীত ও বসন্ত অর্থাৎ এই তিন ঋতু দক্ষিণায়ন। আমাদের যেমন ১২ মাসে এক বছর হয়, দেবতাদের তেমন একদিন ও এক রাতকে সৌরবর্ষ বলে। দেবতাদের এক বছর মানে ৩৬০ সৌরবর্ষ। এইরকম ৬৩০ সৌরবর্ষে এক দিব্যবৰ্ষ হয়, আর ১২ হাজার দিব্যবর্ষে চতুর্যুগ।

    বাবা লোকনাথ উত্তরায়ণে দেহত্যাগ করতে চেয়েছিলেন অর্থ এই যে, তিনি দেবতাদের দিনের বেলায় ব্রহ্মলোকে পদার্পণ করতে চেয়েছিলেন। যেহেতু জ্যৈষ্ঠ মাসে বর্ষা ঋতুর আগমন ঘটে, সেইজন্য তিনি উত্তরায়ণের প্রথম ঋতুতেই এই ধরাধাম ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন।

    বাবা লোকনাথ যে সূর্যরশ্মি ভেদ করে ব্রহ্মলোকে চলে যাবেন বলে ভক্তদের জানিয়েছিলেন, সেই কথারও বিশেষ অর্থ আছে। সূর্যরশ্মি ভেদ করে কোনো পুণ্যাত্মার ব্রহ্মলোকে যাবার প্রক্রিয়াকে আত্মার উক্ৰমণ বলা হয়।

    কোনো পুণ্যাত্মা যখন ব্রহ্মলীণ হন, তখন তার আত্মা যে পথে ব্রহ্মলোকে গমন করে তার একটি রূপরেখা এখানে উল্লেখ করছি।

    প্রথম ধাপ : ব্ৰহ্মবিদদের ইহলোক ত্যাগ করার পর তাদের পুণ্যাত্মা প্রথমে অর্চি অর্থাৎ জ্যোতিতে গমন করে। মরদেহের অন্ত্যষ্টিক্রিয়ার আগেই এই আত্মার গমন হয়। যখন কোনো ব্রহ্মবি যোগবলে তার আত্মার উক্রমণ ঘটান, তখন তার ব্রহ্মরন্ধ্র ভেদ করে একটি অগ্নিশিখারূপ আত্মা জ্যোতিতে গমন করে।

    দ্বিতীয় ধাপ : দ্বিতীয় ধাপে সেই আত্মা অর্চি থেকে দিবসে গমন করে।

    তৃতীয় ধাপ : তৃতীয় ধাপে আত্মারূপ জ্যোতি দিবস থেকে শুক্লপক্ষে গমন করে।

    চতুর্থ ধাপ : চতুর্থ ধাপে সেই আত্মারূপ জ্যোতি শুক্লপক্ষ থেকে উত্তরায়ণের পথে ৬ মাস থাকে।

    পঞ্চম ধাপ : পঞ্চম ধাপে সেই আত্মারূপ জ্যোতি উত্তরায়ণ থেকে সম্বৎসরে গমন করে।

    ষষ্ঠ ধাপ : ষষ্ঠধাপে সেই আত্মারূপ জ্যোতি সম্বৎসর থেকে আদিত্যে গমন করে।

    সপ্তম ধাপ : সপ্তম ধাপে সেই আত্মারূপ জ্যোতি আদিত্য থেকে চন্দ্রমাতে গমন করে।

    অষ্টম ধাপ : অষ্টম ধাপে সেই জ্যোতি চন্দ্রমা থেকে বিদ্যুল্লোকে গমন করে। বিদ্যুল্লোকে এক দিব্যপুরুষ এসে সেই জ্যোতিকে ব্রহ্মলোকে নিয়ে যান। এই হল দেবপথ। কোনো পুণ্যাত্মার এই দেবপথ গমনের নাম উক্রান্তি। যাঁরা ব্রহ্মজ্ঞানী, তাদের প্রাণ অর্থাৎ আত্মা ব্রহ্মলোকে উক্রান্তি হয়। অর্থাৎ ব্রহ্মেতে লয় হয়। এই হল আত্মার চরম মুক্তি বা নির্বাণ। যিনি ব্রহ্মচর্যে সিদ্ধ হয়ে স্বল্পদ্মস্থিত ব্রহ্মের উপাসনা করেন, তিনি মরদেহ ত্যাগ করলে মূর্ধাভিমুখে প্রসারিত সুষুম্না নাড়ি অবলম্বন করে উৰ্দ্ধদিকে গমন করেন। মহাযোগীগণ যোগবলে ব্রহ্মরস্থিত সুষুম্না নাড়ির দ্বারা উক্ৰমণ পদ্ধতি অবলম্বন করে সূর্যরশ্মি ভেদ করে সূর্যমণ্ডলে প্রবেশ করেন। তারপর ক্রমে ব্রহ্মলোকে গমন করে ভগবৎসাযুজ্য লাভ করেন।

    তপস্যারূপ নর্মদা পরিক্রমাকালে আমি নর্মদা তটে এমনভাবে যোগীদের ব্ৰহ্মলীণ হবার ঘটনা শুনেছি। নর্মদার দক্ষিণ তটে ব্রহ্মাণ ঘাটে মা নর্মদার কৃপাধন্যা এমন এক যযাগিনীর সমাধিস্থলে বসেছিলাম যিনি মাত্র কয়েক বছর আগে জেলার ম্যাজিস্ট্রেট এবং অগণিত ভক্তদের চোখের সামনে এইভাবে ব্রহ্মলীণ হয়েছিলেন। তাঁর আত্মস্বরূপ জ্যোতি ব্রহ্মরন্ধ্র ভেদ করে সকলের সামনে উপরে আকাশে সূর্যরশ্মির সঙ্গে মিলে যায়।

    বাবা লোকনাথও উত্তরায়ণে দিনের বেলায় সকলের সামনে সূর্যরশ্মি অবলম্বন করে ব্রহ্মলোকে উক্রমণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কাঙ্ক্ষিত দিনটি আসার আগে একদিন বাবা তার ভক্তদের বলেন, আমার মৃত্যুর পর এই দেহটি আগুনে পোড়ায়ে দিস। যখন তিনি দেহত্যাগের দিনক্ষণ ঠিক করে ফেলেন, তখনই পরিব্রাজনে থাকা রামকুমার চক্রবর্তী বাবার সূক্ষ্ম নির্দেশ পান অবিলম্বে বারদীতে বাবার কাছে আসার জন্য। দেহত্যাগের সমস্ত আয়োজন সারা হয়ে গেছে।

    তারপর এলো সেই দিন। ১২৯৭ সনের ১৯শে জ্যৈষ্ঠ। খুব সকালে উঠে বাবা আদেশ করলেন সমস্ত আশ্রমবাসীদের ভোজন বেলা ৯ টার মধ্যে শেষ করতে হবে। বাবা তার আসন ঘরে সকাল থেকে রয়েছেন। বেলা ১০টার সময় তিনি নিজে খোঁজ নিয়ে জানলেন সকল আশ্রমবাসীর ভোজন সমাধা হয়েছে কি না। তারপর তিনি আত্মস্থ হলেন। পরিষ্কার উজ্জ্বল দিন। সূর্য অতি উজ্জ্বলভাবে তার কিরণ জাল বিস্তৃত করেছেন। ব্রহ্মচারী বাবা সকল ভক্তের দিকে একবার দৃষ্টি নিক্ষেপ করে স্থির হয়ে গোমুখাসনে বসলেন। তাঁর পিঠ পিছনে একটি কাঠের তক্তায় ঠেস দেওয়া ছিল। যোগবলে তাঁর আত্মা আলাদা হয়ে গেল। দেহ স্থির। চক্ষু পলকহীন। সকল ভক্তের উৎকণ্ঠিত চক্ষু বাবার দিকে প্রসারিত। যখন তিনি সমাধি অবস্থায় থাকেন, তখনও তার দেহ এইপ্রকার স্থির থাকে, চক্ষু পলকহীন থাকে, কিন্তু কিছু সময় পরে আবার সেই দেহ নড়ে ওঠে, বাবা কথা বলেন। কিন্তু আজ প্রায় ২ ঘন্টা হতে চললো সেই দেহ নড়ে উঠলো না। কেউ সাহস পাননা সেই দেহকে স্পর্শ করতে পাছে বাবার ধ্যানভঙ্গ হয়। ভক্তদের মধ্যে কেউ কেউ ডুকরে কেঁদে ওঠেন এই বলে যে বাবা বোধহয় আর নাই। কেউ কেউ অধীর আগ্রহে দেহের দিকে তাকিয়ে থাকেন যদি অন্যদিনের মতো এই দেহটি আবার নড়ে ওঠে। বাবা বুঝি এইবার কথা বলবেন।

    কিন্তু না, ওই দেহ নড়ে ওঠার কোনো লক্ষণই দেখা গেল না। অবশেষে সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটের সময় ভক্তগণ মিলে পরামর্শ করলেন যে একবার দেহটি স্পর্শ করে দেখলে হয়। তখন জানকী ব্রহ্মচারী (যিনি বাবার নিত্য সেবায় নিয়োজিত ছিলেন এবং বাবার পরে তাঁকেই আশ্রমের গুরুরূপে চিহ্নিত করে গিয়েছিলেন। বাবার দেহ স্পর্শ করতেই বুঝলেন যে এই পুণ্যদেহ থেকে বাবার পুণ্যাত্মা চিরদিনের মতো বিদায় নিয়ে দেবলোকের পথে উক্রমণ করেছে। এই কথা প্রকাশ হবার সঙ্গে সঙ্গে বারদী আশ্রম জনারণ্যে পরিণত হলো। বাবার অগণিত ভক্ত সেই পুণ্য দেহটি একবার শেষ দর্শনের জন্য আশ্রমে এসে উপস্থিত হতে লাগলেন। প্রত্যেকেরই চোখে জল। প্রত্যেক ভক্তের মনই আজ বাবার বিরহ ব্যথায় কাতর, বিষণ্ণ।

    এরপর শুরু হল অন্ত্যষ্টিক্রিয়া। বাবার পুণ্যদেহকে ধৃত ও চন্দনে চর্চিত করা হলো। অনেক ভক্ত সেই কার্যে অংশগ্রহণ করে পুণ্য অর্জন করলেন। তারপর আশ্রমেই এক চন্দন কাঠের মহাচিতা সজ্জিত হলো। কয়েকজন ভক্ত মিলে বাবার পুণ্যদেহকে শেষবারের মতো স্পর্শ করে চিতায় স্থাপন করলেন। তারপর বাবার নির্দেশ অনুযায়ী রামকুমার চক্রবর্তী বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ দ্বারা বাবার মুখাগ্নি করে চিতায় অগ্নি সংযোগ করলেন। যে দেহে নিত্য অগ্নি বাস করতেন সেই দেহকে তিনিই গ্রহণ করলেন। বাবার দাহক্রিয়া সকল ভক্তের সামনে সমাধা হল। বাবার মরদেহকে অগ্নিদেব গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে যোগসাধনার এক জীবন্ত অনন্য মূর্তি এই জগৎ সংসার থেকে বিলীন হয়ে গেল। রয়ে গেল কেবল তার কীর্তিকথা। বাবার নির্দেশ পালনের পর রামকুমার কাশী গিয়ে মণিকর্ণিকার ঘাটে ধ্যানাবিষ্ট হয়ে মরদেহ ত্যাগ করলেন এবং তিনিও উত্তরায়ণের পথে দেবলোকে যাত্রা করলেন।

    বাবা লোকনাথ ইচ্ছামৃত্যুসিদ্ধি লাভ করেছিলেন যা ছিল তার অষ্টাদশসিদ্ধির অন্তর্গত। যখন ইচ্ছা তখনই তিনি দেহত্যাগ করার অধিকারী ছিলেন। তাঁর স্তরের ঈশ্বরকোটির যোগী নিম্নভূমিতে সাধারণতঃ দৃশ্যমান হননা। কেবল গুরুর আজ্ঞায় ও গুরুকার্যে লোকশিক্ষা ও লোককল্যাণ হেতু তিনি প্রায় ২৭ বছর নিম্নভূমিতে ছিলেন। ইচ্ছা হলে তিনি হয়তো আরও অনেক বছর থাকতে পারতেন। তার সমসাময়িক ব্রহ্মজ্ঞ মহাপুরুষ তৈলঙ্গস্বামী, আব্দুল গফুর আরও অনেক বেশিদিনই এই ধরাধামে অবস্থান করেছিলেন। নর্মদা তটে একজন ব্রহ্মজ্ঞ মহাপুরুষের কথা জানি যিনি প্রায় ৪৫০ বছর দেহধারণ করে ছিলেন। কিন্তু বাবা লোকনাথের অগণিত ভক্তদের মিলিত ইচ্ছাশক্তি তাকে এই ধরাধামে আটকে রাখতে পারেনি। বাবা ছিলেন প্রেমভক্তির কাঙাল। ভক্তিরসে সিঞ্চিত হয়ে শিশুর মতো বাবা ডাক তিনি কখনও উপেক্ষা করতে পারতেন না।

    এই কথার সব থেকে বড়ো প্রমাণ ছিল, যখন বাবা নিম্নভূমিতে অবতরণ করে ত্রিপুরার দাউদকান্তি গ্রামে এসে একটি গাছের নিচে অবস্থান করছিলেন, সেইসময় একটি চাষীর মেয়ে তাঁকে দেখতে পেয়ে প্রথম বাবা সম্বোধন করে। সে রোজ বাবার জন্য খাবার বানিয়ে তার কাছে নিবেদন করে যেত। কিন্তু বাবা তখন না কথা বলতে পারতেন, না কোনো শক্ত খাবার খেতে পারতেন। মেয়েটি বাবার এই অবস্থা অবগত হয়ে নিজের হাতে সুজির পায়েস বানিয়ে এনে বাবাকে পিতৃস্নেহে খাইয়ে দিতেন। এই মেয়ের সেবায়েই বাবা নিম্নভূমিতে এসে প্রথমে খাদ্যগ্রহণ ও কথা বলার শক্তি পান। সেজন্য বাবা বারদী চলে গেলেও এই মেয়েটি যেখান থেকে বাবাকে বাবা বলে ডাকতেন, তিনি সূক্ষ্ম রূপে সেখানে উপস্থিত হয়ে তাকে আশীর্বাদ করতেন। মেয়েটির মমতা ভরা বাবা ডাক তিনি উপেক্ষা করতে পারতেন না।

    বাবা লোকনাথ অনেক সময় বলতেন–একবার বাবা বলে ডেকে দেখ না–বাবা বলে সন্তান যেভাবে বাবার কাছে আসে, সেভাবে আমার কাছে এসে দেখ না। কিন্তু অন্তরে শিশুর আবেদন নিয়ে ভক্তি ও পিতৃস্নেহরসে পূর্ণ বাবা ডাক, যা তিনি সেই চাষীর মেয়ের ডাকে পেতেন, সেই মধুর অন্তরের ডাক তিনি ইদানিং কমই শুনতে পাচ্ছিলেন। বাবা বলে ডেকে যারা তাঁর কাছে আসতেন, সেটা তাঁর কাছে আনুষ্ঠানিক সম্বোধন ঠেকতো আবার অনেকের ডাকে ছিল স্বার্থসিদ্ধির প্রলেপ। পূর্ণব্রহ্ম বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারীর সামনে সেইসব সম্বোধনকারীর মনের প্রতিটি ভাজ খুলে যেত। তিনি তাদের মনের অবস্থা বুঝতে পারতেন এবং একথা তিনি কিছু ভক্তকে জানিয়েও ছিলেন। তিনি মনে অনেক বেদনা নিয়ে ভাবতেন, সন্তান কি বাবার কাছে কেবল স্বার্থের জন্য আসে! তিনি কি এই দেহ কেবল জগতের লোকের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ধারণ করে আছেন? যদি এই দেহ জগতের লোককে মুক্তির আলো না দেখাতে পারে, তবে এই দেহ থেকে কি লাভ? এই ভাবনা থেকেই তিনি তার মরদেহ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি জানতেন যে সন্তানদের প্রতি যে অকৃত্রিম স্নেহ ও করুণা তার হৃদয়ে সঞ্চিত আছে, তিনি এই মরদেহে না থেকেও সেই স্নেহ ও করুণার ধারা তাঁর সন্তানদের উপর বর্ষণ করতে পারেন। তবে কেন এই পঞ্চভূত জরাজীর্ণ দেহটিকে কষ্ট দেওয়া! সেইজন্য তাঁর পূর্ণব্রহ্ম রূপের প্রকাশ ঘটিয়ে তিনি লোকনাথ রূপের পরিসমাপ্তি ঘটিয়েছিলেন।

    মহাপ্রয়াণের পরেও তিনি সূক্ষ্মরূপে দর্শন দিয়ে অথবা তার সূক্ষ্ম প্রকাশের মাধ্যমে ভক্তের ডাকে প্রতিনিয়ত সাড়া দিয়ে চলেছেন। তিনি যে ভক্তের কাছে, তার সন্তানদের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

    রণে বনে জলে জঙ্গলে, যেখানেই বিপদে পড়িবে, আমাকে স্মরণ করিও। আমিই রক্ষা করিব।

    এত বড়ো প্রতিজ্ঞা আজ পর্যন্ত কোনো মহাপুরুষের থেকে এই জগতের মানুষ শোনেনি। আজও বাবা লোকনাথ দেবলোকে থেকে সেই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করে চলেছেন। আর আজও তিনি অধীর আগ্রহে তার অগণিত ভক্তদের দিকে তাকিয়ে আছেন কেবল একটিবার সেই শিশুসুলভ বাবা ডাক শোনার জন্য। যে ডাকে থাকবে না কোন স্বার্থ, থাকবে না কিছু পাবার আশা। বাবার কাছে যে অগাধ অমূল্যধন সঞ্চিত আছে, তা তো তিনি ভক্তদের দেবার জন্য ভাণ্ডার খুলেই রেখেছেন, তবে সন্তানদের চাইবার দরকার কি! সন্তানের কী দরকার, পিতার থেকে ভালো আর কে জানে? কেবল বাবা বলে তার চরণে স্মরণ নিলে আর ভয় কি? আমাদের বাবা যে স্বয়ং ব্রহ্ম। তিনিই সৃষ্টিকর্তা, তিনিই সংহারকর্তা, তিনিই পালনকর্তা। কেবল একটি শিশুসুলভ নিঃস্বার্থ বাবা ডাক পেলেই তিনি কোলে তুলে নেবেন। আসুন আমরা সকলে সেই পূর্ণব্রহ্মস্বরূপ বাবাকে স্মরণ করি।

    বাবা গো, আমি পরমব্রহ্মস্বরূপ শ্রীগুরুর কথা কীর্তন করি, পরমব্রহ্মস্বরূপ শ্রী গুরুর ভজনা করি, পরমব্রহ্মস্বরূপ শ্রীগুরুকে স্মরণ করি, পরমব্রহ্মস্বরূপ শ্রী গুরুকে নমস্কার করি।

    আমি নিত্য, শুদ্ধ, নিরাভাস, নির্বিকার, নিরঞ্জন, নিত্যবোধস্বরূপ চিদানন্দময় গুরুব্রহ্ম শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীকে নমস্কার করি। একাধারে পিতা ও মাতা স্বরূপ বাবা লোকনাথ অখণ্ড মণ্ডলাকারে এই বিশ্বচরাচরের সর্বত্র ব্যাপ্ত থেকে তার যে স্বরূপ আমাকে দর্শন করিয়েছেন, আমি তাঁর সেই পুণ্যপদে আমার বিনম্র প্রণাম নিবেদন করি।

    হে বাবা লোকনাথ, তুমি পূর্ণব্রহ্মরূপে ওঁকারে বিরাজ করছে। তুমি দেবাদিদেব মহাদেব, তুমি চতুর্ভূজ নারায়ণ, তুমি সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা, আবার তুমিই ব্রহ্মময়ী আদ্যাশক্তি স্বরূপিনী মাতা কালিকা। যে ওঁকারের মধ্যে তোমার এই অত্যুজ্জ্বল ব্রহ্মরূপ বিরাজ করছে, আমি সেই ওঁকার চরণে কোটি কোটি প্রণাম নিবেদন করি। তোমার ব্রহ্মজ্ঞানের আঁধারে আমায় অমরত্ব প্রদান কর–আমার দেহ যেন সুকর্মে উপযুক্তভাবে নিয়োজিত হয়, আমার জিহ্বা যেন অতিশয় মধুরভাষী হয়ে তোমার জয়গান করতে পারে, আমার কর্ণদ্বয় যেন সর্বদা তোমারই নাম শুনতে পায়, আমার চক্ষুদ্বয় যেন পরমেশ্বরকে দর্শনের জন্য উজ্জ্বল অন্তদৃষ্টি লাভ করে, আমার মন যেন সর্বদা ঈশ্বরাভিমুখী হয়ে তোমার নাম জপ করে। তুমি ব্রহ্মের কোষস্বরূপ বিরাজিত এবং প্রজ্ঞা দ্বারা আবৃত আছো। তুমি কৃপা করে আমার সমস্ত শরীর কোষ ও দিব্যনাড়ীকে জাগ্রত করে অজ্ঞানতা নাশ করে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে ঈশ্বর সাধনার উপযুক্ত করে দাও এবং তোমার দ্বারা প্রদত্ত জ্ঞানকে রক্ষা করো।

    অজ্ঞানতায় পাশবদ্ধ এই মন যদি কোনো অন্যায় করে থাকে, তুমি তোমার শিশুসন্তানকে নিজগুণে ক্ষমা করে তোমার চরণে ঠাই দিও।

    হে সচ্চিদানন্দস্বরূপ বাবা লোকনাথ, আমার প্রতি প্রসন্ন হও। তোমাকে ভালোবেসে, তোমার চরণে যে পূজা নিবেদন করছি, তা গ্রহণ করে তোমার ওই রাঙা চরণে, তোমার ওই অভয় চরণে, তোমার ওই যুগল চরণে তোমার সন্তানকে স্থান দাও। তুমি আমার কাছে সঙ্গোপনে রয়েছ, সেই গোপনের আস্তরণে থেকেও তুমি আমার রক্ষাকর্তা। হে পিতা, তোমার স্নেহের সন্তানের কাতর ডাক শোন, আকুল প্রার্থনা শোন। তোমার স্নেহের সন্তানের সশ্রদ্ধ প্রণাম গ্রহণ করো।

    তুমি আমায় দেখ বাবা, আমি দেখি তোমায়
    পিতা-পুত্রের এই আলাপন রেখ তুমি সঙ্গোপন।

    .

    প্রার্থনা

    ও দয়াল প্রভু হে, আমি যেন তোমায় আপন করতে পারি। (৩)
    আমি সাধনশূন্য, ভজনশূন্য, শক্তিশূন্য ভক্তিও শূন্য
    কোন গুণে বল আমি তোমায় পাব হে (২)
    তুমি নিজ গুণে দয়া করে দেখা দিও গো মোরে।
    ও দয়াল প্রভু হে ….।
    ওই রাঙাচরণ দাও গো আমায় (২)
    ওই যুগলচরণ দাও গো আমায় (২)
    ওই অভয় চরণ দাও গো আমায় (২)
    প্রভু আমি যখন যেভাবে থাকি
    দয়া করে দেখা দিও গো মোরে (২)
    ও দয়াল প্রভু হে, আমি যেন তোমায়
    আপন করতে পারি
    আমি সাধনশূন্য, ভজনশূন্য, আমি শক্তিশূন্য, ভক্তিশূন্য
    কোন গুণে বলল আমি তোমায় পাব হে
    তুমি নিজ গুণে দয়া করে দেখা দিও গো মোরে।
    ও দয়াল প্রভু হে…।

    ভিড় সাধন পথের অন্তরায়–বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ফারাও’স সিক্রেট – ক্লাইভ কাসলার ও গ্রাহাম ব্রাউন
    Next Article ডোরিয়েন গ্রে-র ছবি – অস্কার ওয়াইল্ড / অনুবাদ : সুনীলকুমার ঘোষ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }