Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন

    মোজাফ্‌ফর হোসেন এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেবল কথা বলতে চেয়েছিলাম

    ক.

    স্কুলে খুব সাদামাটা হয়ে গেলেই চলত। প্রায় সবাই আমার আগে থেকেই চেনা। তারাও আমাকে চেনে। তাই হঠাৎ করে তাদের কাছে আলাদা হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। আলাদা হওয়ার কোনো কারণও ঘটত না যদি না ঋতুর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ ঘটত। ঋতু আমার ক্লাসেই পড়ত। পাশের গাঁ থেকে আসত। আরও অনেকেই পাশের গ্রামগুলো থেকে আসত। তারপরও একমাত্র ঋতুই ছিল আমার কাছে অপরিচিত। তার কাছে প্রতিদিন নতুন নতুন করে পরিচিত হওয়ার জন্যই ছিল আমার যত আয়োজন। কে কী বলল সেদিকে তাকাবার মতো সময় তখন ছিল না। ভাবনাজুড়ে কেবলই ঋতু। সিক্সে পড়ি তখন। বয়স আর কত–এই তেরোর এদিক-সেদিক। সেই বয়সেই আমার প্রেমের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ। তখন না বুঝলেও এখন বুঝি সেটা।

    সকাল দশটা থেকে আমাদের ক্লাস শুরু হতো। তারও পনেরো মিনিট আগে বসত অ্যাসেম্বলি। মিষ্টি কোনো স্বপ্ন দেখতে দেখতে খুব ভোরেই ঘুম ভেঙে যেত। স্বপ্নে যেখানে শেষ করেছিলাম, জেগে আবার ওখান থেকে ভাবতে শুরু করি। মা যতক্ষণ না ফজরের নামাজের জন্য ডাকেন ততক্ষণ চলে আমার ঋতুচিন্তা। কত কিসিমের গল্প বুনি ঋতুকে নিয়ে আজ আর তার সবটা বলবার না! কোনো কোনো গল্পে- পাখা লাগিয়ে আমি আর ঋতু দিগন্তের ওপারে গিয়ে চুপটি মেরে কী যেন আলাপ জমাতাম। ফিসফিস করে আমরা যা বলি তার কিছুই বুঝি না। ঋতুর চোখে-মুখে গতি খেলা করে। আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকি। কোনো কোনো ভাবনায় আগের দিনে দেখা ফিল্মের মতো আমি একদল গুণ্ডার কবল থেকে ঋতুকে ছাড়িয়ে আনি। ঋতু আমার আঘাত পাওয়া হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধতে বাঁধতে বলে ভুলে যাবে না তো? আমি কোনো কথা না বলে খালি তাকিয়ে থাকি। পরে ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে বিড়বিড় করে নিজেকে বলি কখনও না! অজু করতে করতে কখনো পাঁচ-ছয়বার কুলি করে ফেলি, হাতের গোড়ালি পর্যন্ত ধুতে ভুলে যাই। মা বুঝতে পারেন গণ্ডগোল কোথাও কিছু একটা হয়েছে। বাবার পিছন পিছন নামাজে দাঁড়াই, নামাজের নিয়ম-কানুন সব গুলিয়ে ফেলে ছায়ার মতো অনুসরণ করি তাঁকে। তালগোল যে কোথাও পেকেছে, সেটা হয়ত বাবা ধরতে পারেন, কিন্তু কিছু বলেন না। সন্তানদের সঙ্গে অনর্থক কথা বলার মানুষ তিনি কোনো দিনই ছিলেন না। নামাজ শেষ করে হুজুর মোনাজাত ধরেন। হাত দেখতে পাই– ঋতু তার ববকাট চুল দুলিয়ে দুলিয়ে, গালে টোল পড়া হাসি হেসে প্রজাপতির মতো ডানা মেলে সবে ডবকা হয়ে ওঠা ধানক্ষেতের আইল ধরে হেঁটে উড়ে চলেছে। আহা! কী আনন্দ আজ আকাশে বাতাসে কানটা একটু খাড়া করতেই শুনতে পাই, ঋতু গাইছে। আমিও মনে মনে ঋতুর তালে তাল দিই। ইমাম মোনাজাত শেষ করেন কি করেন না, আমার জানা হয় না। বাবা ইশারা করেন, তসবির মতো আঙুলগুলো গুণতে। প্রতিদিনই আমি এটা ভুলে যাই, প্রতিদিনই স্মরণ করিয়ে দেন বাবা। আমি যন্ত্রের মতো বুড়ো আঙুলটাকে সর্দার বানিয়ে বাকি আঙুলের গেরোগুলো ছুঁয়ে দিই। বিড়বিড় করে কিছু একটা বলার চেষ্টা করি, ঋতুর নামটা চলে আসে। বাবা উঠে পড়লে আমিও উঠে পড়ি। ততক্ষণে খানিকটা আলো ফোটে। বাড়ি আসতে আসতে নতুন একটা গল্প ধরি : স্কুলে কেউ পড়া পারছে না। স্যার এমন একটা প্রশ্ন করেছেন কেউ বুঝতে পারছে না, আমিও না ঋতুও না। নিজেকে প্রমাণ করার এই সময়। হাত উঠিয়ে ধরি। স্যার বলতে বলেন, যা ইচ্ছে বলে চলি। স্যার বাহবা দিতে থাকেন। ঋতু আমার দিকে একবার তাকিয়ে বাকিটা সময় দৃষ্টি বইয়ে রেখে গালে টোল পড়া হাসিটা ফিরিয়ে আনে। বাড়ির গেটে আলগা হওয়া এক ইটে গুঁতো খেয়ে গল্প থেকে ফিরে আসতে হয়। পড়তে বসে ঋতুকে সামনে রেখে ওইদিনকার পড়াগুলো আরও একবার ঝালিয়ে নিই। সব ঠিক আছে। পায়রাগুলো একটা একটা করে ছেড়ে দিই, ওরা ছাদের কার্নিশে গিয়ে বাকবাকুম ডাকতে থাকে। ওদের কেউ একজন ডাকটা আমাকে শিখতে বলে। আমি দাঁড়িয়ে থেকে শিখবার চেষ্টা করি। মা এসে তাড়া দেন গোসলের। গামছাটা কাঁধে নিয়ে হাঁটা দিই। সাবান-শ্যাম্পু নিই কি নিই না। পুকুরে আরও ক’জন আছে দিনটি কেমন যাবে কিংবা গতকাল কেমন গেল তা নিয়ে নিজেদের ভেতর আলাপ করছে তারা। আমি শানের এক কোণে একটু জায়গা করে বসে পড়ি। পা ডুবিয়ে দিই জলে–একটা একটা করে অনেকগুলো মাছ আমার পাটা নিয়ে ঠুকোঠুকি খেলা শুরু করে। যে যত ঠোকাবে তার তত পয়েন্ট! একজন একজন করে উঠে পড়ে, একজন একজন করে আসে। আমি সাঁতরাতে সাঁতরাতে পুকুরের মাঝ অবধি যাই। এই পুকুরের সাথে ঋতুর কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো দিন সে এ জল ছুঁয়েও দেখেনি, জলে তার ছায়াটা কেঁপে কেঁপে ওঠেনি কখনো। তবুও জলের প্রতিটা কণা যেন ঋতুর ছোঁয়া নিয়ে ছুঁয়ে যায় আমাকে। আমি আনন্দে ডুব দিয়ে ঋতুকে ছুঁয়ে আসার চেষ্টা করি। ততক্ষণে একজন দু’জন করে স্কুলের পথ ধরেছে। আমি বাড়ি ফিরে ভাবি- রোজ রোজ একই স্কুল ড্রেস না পরতে পারলে বেশ হত ভাবতে ভাবতে তৈরি হই। আয়নাতে চলে যায় আরও খানিকটা সময়। বড় বোনের ফেয়ার অ্যান্ড লাভলিটা কায়দা করে হাতিয়ে নিয়ে মাখতে হয়। ধরে ফেললে বকবে, তার চেয়ে বড় কথা ক্ষ্যাপাবে, ওটা আমার সহ্য হয় না। প্রতিদিনকার মতো ডাকতে আসে ময়েজ, আমার পাড়াতো বন্ধু। ওর মাথার ওপর দাঁড়িয়ে থাকায় বিরক্ত হয়ে ওকে হটানোর জন্যে নতুন কোনো বাহানা খুঁজি। পেলে বলি, না পেলে বিরক্তি নিয়েই ওর সঙ্গে হাঁটা ধরি। স্কুলের সামনের দিক থেকে যাই আমি, পেছন দিক থেকে আসে ঋতু। আমাদের মুখোমুখি গাঁ, আমাদের মুখোমুখি আসা। অ্যাসেম্বলিতে যে যার সারিতে দাঁড়িয়ে পড়ি। পিটি মাস্টার একবার সোজা হতে বলেন, একবার আরামে দাঁড়াতে বলেন। কেউ একজন সুরা ফাতিহা শেষ করে আরো দু’একজনকে সঙ্গে করে সোনার বাংলা শুরু করে। আমি আড়চোখে ঋতুর চুলের একটি পাশ অথবা হাতের একটি অংশের দিকে তাকিয়ে থেকে পুরো ঋতুকে ধরার চেষ্টা করি। অ্যাসেম্বলি শেষ করে যে যার ক্লাসে চলে যায়। ছেলেরা ডানে, মেয়েরা বামে। সংখ্যায় সমান বলে ছেলেরা বসে দুই রোতে, মেয়েরা এক রোতে। আমি ডানের রোতে একেবারে দেয়াল ঘেঁষে বসি ঋতুর থেকে যতটা সম্ভব দূরে। যত দূর থেকে নিবিড়ভাবে দেখা যায় তাকে, ততটা দূরে। একমিনিট দুমিনিট করে ঘণ্টার কাঁটা ছুঁয়ে যায় ঘড়ির কাঁটাজোড়া। টিফিন হলে আমরা বের হই। ঋতুর আশপাশে থাকি–তবে এতটা দূর থেকে যে সে টের পায় না কিছুই! ও কখন চুলে হাত দেয়, ওর হাসির মাত্রা কেমন হলে কতখানি টোল পড়ে, সব আমার জানা, তবুও নতুন করে পরখ করে দেখি। স্কুল ছুটির সময় চলে আসে, অন্যরা খুশি হয়, মনটা আমার বিষিয়ে ওঠে। যদি ঘর বাইরে থাকে তাহলে কারই বা ঘরে ফিরতে মন চায়! আমার কেবলই মনে হয়, আজ শেষ ক্লাসটা দীর্ঘ হোক, যত মনে হয় সময় ততই ফুরিয়ে আসে যেন। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ক্লাস নিয়েও গালি খান বেচারা ধর্ম মাস্টার। মাঝে মাঝে গালিটা মুখ ফসকে বের হয়ে আসলে বন্ধুরা বলে, ‘এতই যখুন ধর্মক্লাস ভালো লাগে, মাদ্রাসায় ভর্তি হলিই পারতিক!’ আমি মুখ এঁটে হাসি। মাঝে মধ্যে মাথা চুলকাই। ওরা বোঝে না কিছুই।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    Books
    বই পড়ুন
    অনলাইন বই
    বই
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

     

    আমি স্কুলের সামনের, আর ঋতু পেছনের পথ ধরে আলাদা হই। পিঠাপিঠি আমাদের গাঁ, পিঠাপিঠি আমাদের বাড়ি ফেরা। আমি ঋতুর কথা ভাবতে ভাবতে আলাদা হওয়ার কথা ভুলে যাই। মনে হয় যেন, আমি যেদিকে যাই সেদিকেই ঋতু আছে আমার প্রতিটা গন্তব্যে ওর বাস। বাড়ি ফিরেই কিছু একটা পেটে সেঁধে চলে যাই খেলার মাঠে। ঋতু ততক্ষণে বাড়ি ফিরে কী করছে কে জানে! আমি খেলতে খেলতে ওকে আবার ডেকে আনি। আমরা খেলি, দর্শকসারিতে ঋতু বসা। একা। আমি আরো ভালো খেলবার চেষ্টা করি। ঋতু হাত তালি দেয় কেউ ভালো খেললেই। আমি খালি একা ভালো খেলতে চাই। ঋতু যখন সবার প্রতি সমান উদার হয়, আর যখন সবাইকে ছাপিয়ে একা ভালো খেলতে ব্যর্থ হই আমি তখন ঋতুকে অভিমান করে বাড়ি ফেরত পাঠাই। আস্তে আস্তে ঋতু নেই ভেবে আগের চেয়ে বিষণ্ণ হয়ে উঠি। খেলাতে আর মন বসে না। বাসায় ফিরে যে পড়তে বসব- তাতেও না। যেন সত্যি সত্যি ঋতু এসেছিল এবং সত্যি সত্যি অন্য ছেলেদের নৈপুণ্যে তালি দিয়েছিল। মন কিছুতেই বসতে চায় না আর। কেবলই ইচ্ছে করে ঋতুকে ছুঁয়ে দেখতে–ওর সঙ্গে ভাব করতে কথা বলতে। সবাই তো বলে, কেবল এক আমিই পারি না। এসব ভেবে না পারি পড়তে, না পারি কিছু করতে। ভাবনার খেই হারিয়ে ছাদে গিয়ে বসি। ততক্ষণে দিনের আলো রাতের অন্ধকারের ভেতর মিশে একটু একটু করে নেই হয়ে গেছে। আলোতে এসে অন্ধকারেরই উবে যাওয়ার কথা, অথচ অন্ধকার কেমন চোখের সামনে আস্ত আলোটাকে পেটের ভেতর ঢুকিয়ে নিলভাবতেই কেমন গা শিউরে ওঠে। মনে হয়, আমার সবটা অন্ধকারের ভেতর মিশে গেছে; আলো বলে কিছু নেই আর। ইচ্ছে হয় কিছু একটা লিখি, কিংবা কিছু একটা করি; কিন্তু ভাবনাটা ঠিক ভাষায় আনতে পারি না। কী করতে পারি সেটাও মেলাতে পারি না। তাই বসে থাকতে হয় অকারণ। ঋতু ততক্ষণে হয়ত পড়তে বসেছে! কী পড়ছে সেটি যদি জানতে পারতাম, তাহলে আমিও মিলিয়ে পড়তাম। দু’জন একসঙ্গে একজিনিস পড়লে একসঙ্গে কথা বলা হয়। আর একসঙ্গে কথা বলা মানেই একসঙ্গে থাকা। শুধু এইটুকু জানতে পারলেই আমরা কত দূরে থেকেও একসঙ্গে থাকতে পারতাম। ইশ! যদি জানতাম। আমাকে কেউ এসে এইটুকুন খবর দিতে পারলেই আমি তাকে আমার সমস্ত অর্জন দিয়ে দিতাম। আমি তাকে সব ছেড়েছুঁড়ে বোকা-নিঃস্ব বনে যেতাম, তবুও যদি বলত সে! এরপর আমি ছাদে হারিকেন তুলে খোরশেদ স্যারের পড়াটা একটানা পড়তে থাকি। খোরশেদ স্যার ভীষণ বদমেজাজী, পড়া না পারলে কি হতে পারে তা কারোরই অজানা নয়। ঋতু নিশ্চয়ই খোরশেদ স্যারের পড়াটাই মন লাগিয়ে পড়ছে! পড়তে পড়তে খসে পড়া তারার শব্দ শুনি। কে যেন ফিসফিস করে বলে যায়–এমন সময় চোখ বন্ধ করে চাইলেই পাওয়া যায়! আমি আকাশময় খসে পড়া তারার সন্ধান চালাই। আকাশের সব তারা খসে পড়ার প্রার্থনা চলে। চাওয়াটা তৈরিই থাকে, তারা দেখার সঙ্গে সঙ্গে চোখ খোলা রেখেই চেয়ে ফেলি একবার। পরেরবার চোখ বন্ধ করলেও চাইতে ভুলে যাই ঋতুর টোলপড়া মুখখানা ভেসে ওঠে আকাশজুড়ে; আমি চোখ বুজলেই দেখতে পাই।

    .

    খ.

    আজও কথা বলা হলো না। অনেকটা কাছ থেকে ঘুরে এসেছি। এতটা কাছে যাইনি আগে। একবার মুখ ফসকে কিছু একটা বললেই হতো। কিন্তু কে যেন এসে মুখে এমনভাবে হাত চেপে ধরল যে আর বলবার ক্ষমতা রইল না। দুটো বছর ধরে এই অদৃশ্য হাতটা আমাকে এমনভাবেই থামিয়ে দিচ্ছে। আজ বিকালে ঋতু আমাদের বাড়ির পেছন দিয়ে যাবে। দুপুরে ও-পাড়ায় এক বান্ধবীর বাড়িতে গেছে। আমার আগে আগেই এসেছে। যখন আমাদের বাড়ির কাছে চলে এসেছিল, তখন আমি খানিকটা দৌড়ে ওর আগে আগে বাড়ির ভেতর ঢুকে পড়ি। ও যদি না জানত এটা আমাদের বাড়ি, আজ নিশ্চয়ই জেনে গেছে। ফিরবার পথে অবশ্যই ঘুরে ফিরে বাড়িটার দিকে তাকাবে সে। এই প্রথম মনে হল, বাড়িটা বয়সের ভারে বেশ ক্লান্ত। চুনকাম করিয়ে নিতে পারলে বেশ হতো। আমি ছাদের ওপর উঠে বসে রইলাম। দুপুরের রোদে পুড়ে পুড়ে তখনও ফুটন্ত তাওয়ার মতো গরম ছাদ। তবুও আজ সুযোগ হারাব না। আমাকে নিচ থেকে দেখে ও-ই যদি বলে ওঠে–ভালো আছ? এটা তোমাদের বাড়ি? কিংবা এই রকম কিছু একটা…! আমি কার্নিশে মাথা দিয়ে তাকিয়ে রইলাম নিচে। আজ বিকালে গুরুত্বপূর্ণ একটা ম্যাচ ছিল। ময়েজ ডেকে চলে গেছে, আমি কোনো উত্তর দিইনি। ভেবেছে আগেই মাঠে চলে গেছি। যা ভাবে ভাবুক, ওদের নিয়ে ভাববার মতো সময় তখন আমার হাতে নেই। একটা ম্যাচ হারলে কী এমন ক্ষতি! আস্তে আস্তে ছাদটা নরমাল হয়ে এল। অপেক্ষায় থেকে থেকে আমার ঘুম চলে এসেছিল। বিকালের স্নিগ্ধ বাতাসে মনকে বুঝ দিয়ে শরীরটা কিছুক্ষণের জন্য ছুটি নিয়েছিল। চোখের পলকে শরীর মনের এমন বোঝাঁপড়া হয়ে গেল যে আমি কিছুই করতে পারলাম না। ঝিমঝিম ভাবটা কেটেছে কেবল, আমি রাক্ষসের মতো চোখ বড় বড় করে চারিপাশটা কয়েক সেকেন্ডের ভেতর গিলে ফেললাম। না, ঋতুর চিহ্নমাত্র নেই। দৃষ্টি আরো ছড়িয়ে দিতেই চোখে পড়ল–অনেক দূরে চলে যাচ্ছে ববকাটা চুল দোলাতে দোলাতে একটা মেয়ে, স্কুল ড্রেস পরা। ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। এখন দৌড়ে গিয়েও আর ধরতে পারব না। পারলেই বা কী এমন জবাব দেব! হাত-পা ছড়িয়ে গড়াগড়ি দিলাম ছাদে। রাগে-ক্ষোভে লাফ দিতে ইচ্ছে করছিল। পরদিন শুক্রবার। আরও একটা দিন; ধ্যাৎ!

    .

    গ.

    শুক্রবারের বিকালটা ছিল বেশ চনমনে। বাড়ির পাশেই পুকুরের ওপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমগাছটাতে উঠে গাছপাকা আম খাচ্ছিলাম। আর ঋতুর কথা ভাবছিলাম। আর মাত্র কটা দিন। মেহেরপুর সরকারি স্কুলে ভর্তি হব। এ কয়দিনের ভেতর যে করেই হোক, ঋতুর সঙ্গে কথা বলতেই হবে। তেমন দরকারি কিছু না, খালি একটা দুটো কথা বলতে পারলেই হবে। ঋতুও নিশ্চয়ই আমার জন্যে অপেক্ষা করছে! ক্লাসে ও একমাত্র আমি ছাড়া আর সবার সঙ্গেই তো কথা বলেছে। এসব ভাবতে ভাবতেই কী যেন হলো- ডালসমেত পড়ে গেলাম নিচে। কিছুক্ষণের ভেতর মেহেরপুর হাসপাতালে, সেখান থেকে নেয়া হলো কুষ্টিয়া, ডা. অপূর্ব কুমারের কাছে। হাতে প্লাস্টার নিয়ে ফিরে এলাম দিন পাঁচেক পরে। আপাতত স্কুল বন্ধ। হাত ভালো হলে সরাসরি মেহেরপুর সরকারি স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে ক্লাস শুরু করব। কুষ্টিয়ার হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে যে ভয় করছিলাম তাই হলো। তার মানে ঋতুর সঙ্গে আর কথা বলা হচ্ছে না। আমি প্রায় পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম ভেতরে ভেতরে। এমন সময় আশার কথা শোনাল ময়েজ। বলল, এই বৃহস্পতিবার হাফ স্কুল শেষ করে ক্লাসের সবাই মিলে আমাকে দেখতে আসবে। আমি একবার বলতে যাচ্ছিলাম- ঋতু আসবে তো? পরে আবার মনে হলো- সবাই যখন আসবে, ঋতু নিশ্চয়ই বাদ যাবে না। ঋতুর এমন কিছু হলে আমি কী যেতাম না? একা হয়ত যাওয়ার সাহস পেতাম না, কিন্তু সবাই গেলে না যাওয়ার কোনো কারণই ছিল না। ঋতু নিশ্চয়ই আসবে। এই ভেবে আমার তখন সময় গুণবার পালা। মাকে বলে বলে বাড়ি-ঘর সব কিছু গোছগাছ করালাম। নিজের একহাতও লাগালাম কোনো কোনো কাজে। বন্ধু-বান্ধবীরা আসছেমা এটাই জানে। মিথ্যে তো জানেনি! শুনবার পর থেকেই ভাবছিলাম, বুধবার রাত থেকে ভাবনাটা চরমে উঠল কী কথা বলব ওর সাথে? এতগুলো মানুষের সামনে ঋতুই বা কী এমন বলবে? একবার নিশ্চয়ই বলবে- কেমন আছ? তারপর আমার হাতভাঙার কারণটা নতুন করে জানতে চাইবে ও কিংবা অন্য কেউ। আমি শোনানো কথাটা আবারো বলব। কিন্তু আসল কারণটা ঋতু জানবে না। কোনোদিন কেউ জানবে না–কেবল এক আমি আর আমার অন্তরাত্মা ছাড়া। ঋতু আর কী কী বলতে পারে তাই ভেবে রাতটা পার হয়ে গেল। সকাল থেকে কেবলই রাস্তা আর ঘর করা। জানি দুপুর দুটোয় ছুটি হবে, আসতে আরও আধাঘণ্টা। তবুও কেন জানি মন চলে যাচ্ছিল জানালায়। মা বললেন থির হ। সময় হতে দে, ওরা চলে আসবে। মা আর কী কী যেন বললেন, আমি শুনিনি। দুপুরে ওরা এখানেই খাবে। মা এতগুলো মানুষের রান্না করতে রাজি ছিল না, আমিই এটা-সেটা বলে রাজি করিয়েছি। এই প্রথম ঋতু আমাদের বাড়ি আসছে, আমি চাচ্ছিলাম না আয়োজনে কোনো কমতি থাকুক। দুটোর পর আমার হার্টবিট ডাকতে থাকা ব্যাঙের থলির মতো ফুলে ফেঁপে উঠছিল। ওরা এল তিনটের ঠিক চার মিনিট আগে। ওরা মানে সবাই। আমি গুনে গুনে মেলাচ্ছিলাম। এক ঋতু বাদে। আমি চুপ করে বসে থাকলাম। মা ওদের সঙ্গে কথা বলছিল। বাবা একে একে কার কোথায় বাড়ি, কে কোন বাড়ির ছেলে-মেয়ে এসব জিজ্ঞেস করছিলেন। ওরা ওই মুহূর্তেই চলে গেলে, পৃথিবীতে আমার চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হতো না। নিজের এমন স্বার্থপরের মতো মনোভাব দেখে আমার নিজেরই লজ্জা হচ্ছিল। কিন্তু এ ছাড়া আর কোনো নিয়ন্ত্রণ আমার নিজের ওপর ছিল না। কেবলই জানতে ইচ্ছে করছিল ঋতু কেন এলো না? ও কী তবে আজ স্কুলে আসেনি? নাকি ওকে কেউ আসতে বলেনি? নাকি ও ইচ্ছে করেই আসেনি? প্রশ্নগুলো কাউকে করার সাহস হচ্ছিল না। সবাই এসেছে। একজন তো না-ই আসতে পারে, এতে এমন উতলা হবার কী আছে? আর তাছাড়া যে আসেনি সে তো আমার কাছের কেউ নয়, দু’বছর একসঙ্গে পড়লেও একদিনও কথা হয়নি তার সঙ্গে। কোন অধিকারে জানতে চাই তার কথা?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ
    Next Article অক্ষয় মালবেরি – মণীন্দ্র গুপ্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }