Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন

    মোজাফ্‌ফর হোসেন এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶

    ছুঁয়ে দেখা জীবন

    ০১.

    সৈয়দ রহমান পপুলার ডাইআগনষ্টিক সেন্টারের তিনতলার দক্ষিণ পাশের কেবিনে শুয়ে। পাশে স্ত্রী শায়লা আধবসা। শায়লার শরীরটাও বিশেষ ভালো যাচ্ছে না। তার ওপর কয়েক রাত না-ঘুম কাটানোয় প্রথম দর্শনে কে চিকিৎসারত ঠাওর করা যায় না। কেবিনের এক কোণায় চেয়ার পেতে বসা স্বপ্না-ছেলেবৌ। খানিক আগে এসেছে। দুই ছেলেবৌ আর এক মেয়ে এখন পালা করে আসছে। শুরুর দিকে সকলে একসঙ্গে এসে ভিড় জমাত বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভীষণ বিরক্ত হত, এখন ওরা নিজেরাই বিরক্ত হয়ে আসে না। আসতে হয় তাই পালা করে আসা। স্বপ্ন ঘড়ির দিকে তাকাল, মাত্র আধা ঘণ্টা হলো। হাসপাতালে সময় যেন যেতেই চায় না। এখানে জীবনটা বড্ড স্থির আর একঘেয়ে। মনে হয় যেন বিষণ্ণ একটা ছবির মধ্যে আটকে গেছি’–মনে মনে ভাবে সে।

    সকালে দেরি করে বিছানা থেকে ওঠাটা স্বপ্নার অভ্যাস। চাইলেই সন্ধ্যা শিফটের দায়িত্ব নেয়া যেত, কিন্তু তাতে করে জি-বাংলার সিরিয়ালগুলো মিস হতো। তার চেয়ে বরং ঘুমটা কামায় দেওয়া ভালো। তাছাড়া ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে আজকাল শরীরটাও মুটিয়ে যাচ্ছে। বিয়ে-বাচ্চা-সংসার সব মিলে ফিগারটা এমনিতেই গেছে, যেটুকু আছে একটু মেইনটেইন না করলে তাও টিকবে না। স্বপ্ন ভাবে, ভাবতে ভাবতেই জিজ্ঞেস করে, “মা, দেখেন তো, জিন্স আর ফতুয়াতে আমাকে কেমন মানাচ্ছে?

    ‘মানাচ্ছে মা! শায়লা দেখে কি না-দেখে উত্তর করেন। শাশুড়ির নিরাসক্ত উত্তর শুনে আরো কী কী জিজ্ঞেস করতে গিয়ে দমে যায় স্বপ্না। কেবিনের থাই গ্লাসে নিজের অবয়বটা আরো একবার পরখ করে, উঠে-বসে শরীরটা এদিক-সেদিক করে দেখে। আর একটু ঝরাতে হবে’– নিজেকেই নিজে বলে।

    রহমান আধো ঘুম, আধো জাগা। আজ তিন দিন থেকেই এই অবস্থায় আছেন। স্বপ্নে বায়োস্কোপ দেখছিলেন। পাকুড়গাছের নিচে বসে লাল-নীল রঙের ফিতায় সজ্জিত বাক্সের ছিদ্রপথে দৃষ্টি চুবিয়ে উপভোগ করছিলেন নিজেরই বাল্যকালের কোলাজচিত্র। একের পর এক চিত্র এক-একটা স্মৃতি নিয়ে আসে যেন! সেদিন ঘুম ভেঙে গেলেও পুরোপুরি স্বপ্নের জগৎ থেকে ফেরাতে পারেননি নিজেকে। এক চোখ তার আটকে আছে বায়োস্কোপে, অন্য চোখে অনীহা নিয়ে দেখছেন কেবিনের দেয়ালের মরা একটি-দুটি মাছি আর থেকে থেকে কয়েকটি ধাড়ি  টিকটিকির শিকারি জীবন। একেকবার একেক চোখ বন্ধ করে দুই জীবনের মধ্যে তিনি আসা-যাওয়া করছেন, কখনো কখনো দুটি চোখ খোলা রেখে একসঙ্গে যাপন করছেন দুই জীবন। থেকে থেকে কিসব আপাত অর্থহীন কথাবার্তা বলছেন।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই

     

    হঠাৎ করেই নিজের অণ্ডকোষটা হাত দিয়ে চেপে ধরলেন রহমান।

    শ্যালা মফায়, এভাবে কেউ মারে? খটখটে গলায় বললেন তিনি।

    ফের শুরু হলো। শায়লা নড়েচড়ে বসলেন।

    মফা কে মা?’ স্বপ্ন জিজ্ঞেস করে।

    ‘বোধ হয় ওর চাচাতো ভাই মফেদুলের কথা বলছে।

    ‘ওহ! স্বপ্ন আর আগ্রহ দেখায় না।

    আমি তো আর আড়ি করি মারিনি। বলটা তুই ওইভাবে ঠেকাতি গেলি ক্যানে? কিছুক্ষণ শুয়ি থাক, ঠিক হয়ি যাবে। মফেদুল বলে।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বই পড়ুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    রহমান হাত-পা ছেড়ে দেন। অসুবিধা হচ্ছে দেখে শায়লা পায়ের তলের বালিশটা বের করে আনেন। ওপরের দিকে মাথাটা তুলে একটা টানা নিঃশাস নেন। আহ! কী নীল। ঘাসের ওপর শুয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বলে রহমান।

    ‘রহমান ওঠ। ওঠ বুলছি, অ্যাটাকে আসছি।’ সবুর নিচ ব্যাক। ব্যতিব্যস্ত হয়ে রহমানকে ডাকে। রহমান কোনো সাড়া দেয় না। আকাশের দিকে তাকিয়ে ভেসে যাওয়া আলগা মেঘগুলোকে থামিয়ে কী যেন আঁকার চেষ্টা করে।

    রহমান ওঠ, ওঠ। গোলটা হয়ি গেল তো!’ বিছানায় শুয়ে শুয়ে নিজের নাম ধরে ডাকেন রহমান।

    ‘ইশ রে! হলো তো।’ রহমান কিছুক্ষণ থেমে থেকে বলেন।

    কী হলো বাবা? স্বপ্ন জিজ্ঞেস করে।

    ‘গোল! গোলটা হয়ি গেল। জিততি জিততি হেরি গ্যালাম মধু। আব্বার পকোটে একমাসে হাত চালি একশ’ ট্যাকা হয়ল। সবটা গেল। পুকুরে পা ধুতে ধুতে কথাগুলো বলে রহমান। ওপরে গামছা হাতে দাঁড়িয়ে মধুমালা।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    অনলাইন বুক
    বাংলা কমিকস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বইয়ের

     

    ‘এত হারিস যেকুন, তেকুন ট্যাকা দি না খেললিই পারিস। বুলোম, জুমাতের ভ্যান থেকি আমাকে একটা মালা কিনি দে। দিলি নি তো, এখুন বোঝ! মধুমালা টিটকিরি মেরে কথাগুলো বলে।

    ‘দিতাম তো। টাকাটা দ্বিগুণা করি তোকে মালার সাথে টালাও দিতাম।

    ‘টালা আবার কী?

    ‘একুন আর বুলি লাভ কী?”

    ‘না, বল না দেখ। আবদার করে বসে মধুমালা।

    রহমান হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থেকে চোখ বন্ধ করে মধুমালা আর রহমানের আলাপ শোনেন। মাঝেমধ্যে মনে হলে তিনি নিজেও সেই আলাপে অংশ নেন।

    ‘আর একদিন জিতি তেকুন বুলবু। জবাব দেয় রহমান।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বই
    ই-বই ডাউনলোড
    Library
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ই-বই
    বইয়ের
    Books

     

    ‘তালি আর গামছা দিলাম না। যেদিন জিতবি সেদিন দেব।’ বলে মধুমালা পা বাড়ায় বাড়ির দিকে।

    ‘এই মধু শোন। শুনি যা। যাসনি বুলছি। ভেজা গা! এভাবে বাড়ি গেলি মা বকি রাকবি না! স্বর চড়া করে শোনায় রহমান।

    বকুক। সেটিই তো আমি চাই।’ বলে মধুমালা চোখের আড়াল হয়ে যায়। রহমান কিছুক্ষণ একা বসে থাকে। সন্ধ্যার আঘো ছায়া আধো আলোতে পুকুরের কালচে নীল জলে মাছের পোনাগুলো সব ওপরে ভেসে ওঠে। সন্ধ্যের শেষ আলোয় ওরা স্নান সেরে নেয়। রহমান মায়াভরে দেখে।

    ‘কী আনন্দময় জীবন! বিছানা থেকে ঘাড়টা ঘুরিয়ে বলেন রহমান।

    ‘সারারাত আমাকে ঘুমুতে দেয়নি। বুকটা জ্বলে গেল, জ্বলে গেল বলে বাচ্চার মতো কেঁদেছে। আর এখন বলছে কী আনন্দময় জীবন! শায়লা ক্ষোভে-রাগে কথাগুলো আপনমনে বলেন।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ভাষা
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    অনলাইন বই

     

    ‘মা কাল রাশির বাড়ি যাওয়া হয়নি। গুন গুন করা থামিয়ে বলে স্বপ্ন।

    ‘বলিস কী? সহসা খানিকটা চাঙ্গা হয়ে ওঠেন শায়লা বেগম; কিংবা চাঙ্গা হয়ে ওঠার ভান করেন তিনি।

    এরপর স্বপ্ন অতি আগ্রহ নিয়ে রাশি নাটকের গত পর্বের কাহিনি পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা করে চলে।

    .

    ০২.

    দ্যাক, এভাবে সব সুময় আমি শাগ তুলবু আর তুই ঘুঘুর পেছনে দৌডুবি; আর বাড়ি ফিরার সুময় আমার তুলা আদ্দেক নি চাচিকে বুলবি, তুই তুলিছিস, এটা হবে না। আজ তুই আমার সাথে শাগ তোল, না হলি আমি আর ভাগ দেব না। ফিনফিনে গমের জমিতে সাদা-মসৃণ পা দুটো চুবিয়ে কথাগুলো বলে মধুমালা।

    ‘ওসব বতু তুলা আমাক দি হবে না।’ উত্তর করে রহমান।

     

    আরও দেখুন
    বিনামূল্যে বই
    Library
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বইয়ের
    বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    ‘তালি কী হবে শুনি? পাখি ধরা? একটাও ধরিছিস এতকালে?

    ‘আমি পাখি ধরতি যাই, একথা তোকে কে বুললু? আমি যাই পাখিদের সাথে মিলামিশা করতি। তাদের ভাষা বুঝতি।

    ‘যে আমার ভাষা বোঝে না, সে বুঝবি পাখিদের ভাষা!’ মুখের কোণে ব্যঙ্গ হাসি হেসে বলে মধুমালা।

    ক্যাচক্যাচি পাখি চিনিস?’ প্রশ্ন করে রহমান।

    ‘উড়ার ক্ষেমতা নেই! খালি ক্যাচক্যাচ করে।

    ‘তোর কাছে মনে হয় খ্যালি ক্যাচক্যাচ। উরা আসলে মেলা কথা বলে।

    কী বলে তার একটা নমুনা দে তো শুনি।

    ‘সেদিন আমি মবুর আমবাগানে গিছি ঘুঘুর তল্লাসে। দেখি, আমাকে দেকি একটা ক্যাচক্যাচি পাখি আরেকটাকে বুলচি, ক্যাচ ক্যাচ! ক্যাচ ক্যাচ!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    সাহিত্য পত্রিকা
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    ‘ক্যাচ ক্যাচ! ক্যাচ ক্যাচ!’ ভেংচি কেটে কথা ভাঙায় মধুমালা।

    ‘ঠিক হচ্ছে না মধু!’ শাসিয়ে বলে রহমান।

    ক্যাচ ক্যাচ তো আমিও বুঝলাম। মানে কী ক?

    ‘ও আসলে বুলছিল, ঐ দেখ যে ছেলিটা আসছি ওর পাছে পাছে একটা পাগলি থাকে, তার গা-দি’ গবরের গন্ধ বেরুই! ওয়াক! ছিঃ!’

    ‘তালি, সেদিন আমাদের একসাথে দেকি একটা গরু কী বুলছিল বুলি?” তড়িৎ ভেবে নিয়ে মুখে দুষ্টু হাসি হেসে বলে মধুমালা।

    ‘বুলা লাগবি না। গরুর ভাষা যে তুই বুঝিস তা আমি জানি। যে যার জাত, সে তার ভাষা বোঝে। এটা আমি না, জ্ঞানি মানষে কয়।

     

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    অনলাইন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    নতুন উপন্যাস
    বিনামূল্যে বই
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা লাইব্রেরী
    বইয়ের

     

    ‘তালি তো তুই ক্যাচক্যাচি পাখি। ক্যাচ ক্যাচ! ক্যাচ ক্যাচ!

    হলাম। আমার তো ইতে আপত্তি আছে বুলিনি। পাখি হওয়া কত ভাগ্যির বুঝিস তুই? যেমনে খুশি উড়ি যাওয়া যায়। একদিন দেখিস, আমি ঠিকই উড়ি যাব।

    ‘আমাকে সাথ নিবি?’

    ‘পাখি গরুক সাথ নেয় কেমুন করি! মেলে তুই ক?

    “যাহ্, তুই তোর পাখির কাছে। তোর সাথে বকবক করলি আজ আর বতু তুলা হবে না।

    রহমান লাফাতে লাফাতে পাশের সেগুন বাগানের ভেতর দিনে দুপুরে অদৃশ্য হয়ে যায়। কিছুক্ষণ সেই শূন্যতার দিকে তাকিয়ে থাকে মধুমালা। তারপর খানিক দূরে শাক তোলা ছেলেমেয়েদের দিকে এগিয়ে যায়।

    .

    ০৩.

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    কুক… কুক…কুউক…!’ রহমান ডাক দিয়ে ঘুঘু ডাকে।

    কুক… কুক…কুউক…!’ একটা ঘুঘু শিশুগাছের মগডাল থেকে উত্তর নেয়।

    ‘কুক… কুক…কুউক…!’ রহমান বিছানা থেকে পাল্টা জবাব দেয়ার চেষ্টা করেন। শব্দগুলো কেমন এলোমেলো হয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে।

    মা, বাবা মনে হয় মেন্টালি আর সাউন্ড নেই। খালি আজেবাজে বকছে কয় দিন। থেকে। ইরা বলে।

    ইরা মেজো বৌ। ছোট বৌ স্বপ্ন উঠে যাওয়ার ঘণ্টাদুয়েক পর ইরা এল। স্বপ্ন থাকতে থাকইে দুপুরের খাওয়া-গোসল সেরে নিয়েছেন শায়লা বেগম। ঘণ্টাখানেক ঘুমিয়ে ঘুমের নেশাটা আরো বেড়ে গেছে। কিন্তু রহমানের আচরণগত পরিবর্তনে ঘুমানো সম্ভব হচ্ছে না। মানসিক একটা সমস্যা নিশ্চয়ই হয়েছে। কিন্তু তার চেয়ে বড় কথা, কিডনি ফেইলিওর ও হার্ট অ্যাটাক। যদিও মাইনর অ্যাটাক, তবে বিশেষ কেয়ারে না রাখলে বড় কিছু হয়ে যেতে পারে। ডাক্তার বলেছেন, আপাতত কিডনি আর হার্টের ট্রিটমেন্ট চলুক, পরে মানসিক ব্যাপার নিয়ে ভাবা যাবে। শরীরটা সুস্থ হলে অটোমেটিক সেরেও উঠতে পারেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা গল্প
    বুক শেল্ফ
    পিডিএফ
    বইয়ের
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    ‘ডাক্তার তো বলছেন ঠিক হয়ে যাবে। শায়লা ইরার সঙ্গে সঙ্গে নিজেকেও আশ্বস্ত করেন।

    মা, মাথার সমস্যা হলে ভেবে দেখেন, কী সমস্যায় না পড়ব আমরা! ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে উঠছে, বাড়িতে কত বাইরের লোকজন আসে। একটা প্রেস্টিজ ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে না?

    বউমা, তোমার শ্বশুর এখনো পাগল হয়ে যাননি। আর তাছাড়া তোমার বাসাতেও সে পাগলামো করছে না। শক্তগলায় কথাগুলো বলতে গেলেন শায়লা, কিন্তু পারলেন না। হাসপাতালের অর্ধেক খরচই চালাচ্ছে ইরার স্বামী, অর্থাৎ শায়লা রহমানের মেজো সন্তান। কথাটা ভেবে কণ্ঠস্বর নত করে বললেন, ‘দোয়া করো বৌমা, তা যেন না হয়।

    আর ঘুরল না। সবখানেই তার একই স্বভাব। অফিস শেষ করে সোজা বাড়ি এসে ঘরের মধ্যে লাইট অফ করে বসে থাকা। এভাবে থাকলে কি আর ঢাকা-টরেন্টো আলাদা করা যায়, বলো?’ শায়লা কথাগুলো শেষ করে দেখেন ইরা কানে হেডফোন লাগিয়ে কার সাথে যেন ফিসফিস করে কথা বলছে। নীরব হয়ে যান তিনি।

    ‘রাইট মা। ইরা বলে। দোয়া তো কম করছি না। সান্টুর কাল থেকে এক্সাম। ওর পাশে না বসে থাকলে পড়তেই বসে না। গতবার একটা নম্বর কম পাওয়ায় রোল দশে নেমে গেছে। এবার যে কী হবে, গড নোজ! সারা দিন হাসপাতাল আর জায়নামাজে বসে দোয়া করতে করতেই কেটে যাচ্ছে। বাবা ভালো হলে, আমি আর আপনার ছেলে ঠিক করেছি আজমির শরীফে সিন্নি দিয়ে আসব। ভালো হবে না, মা?”

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা অডিওবুক
    নতুন উপন্যাস
    বই পড়ুন
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    Library
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য

     

    ‘গত বছরই না তোমার মায়ের জন্য মানত করেছিলে? তোমরা বোন সকলে ঘুরে এলে ওখান থেকে।

    ‘গিয়েছিলাম। কিন্তু ঘোরা আর হলো কই? আমরা কেবল আজমির শরীফ আর শহরের লেকগুলো ঘুরে দেখতে পেরেছি। তখনই তো বাবা বিছানায় পড়ে গেলেন। আপনার ছেলে বলল, তিন দিনের মধ্যে চলে আসতে। কত কী দেখতে বাকি থেকে গেল, এবার গেলে পুরো রাজস্থান ঘুরে আসব।

    ইরার কথায় আগ্রহ পান না শায়লা। তবুও কী এক অজানা কারণে তাল দিতে হয় তাকে।

    ‘যেও মা। তোমাদের তো এখনই বেড়ানোর সময়। আমার মতো বয়েস হলে আর কিছু দেখা হবে না। তোমার শ্বশুরের সঙ্গে নামেই কানাডায় থাকলাম। নায়াগ্রা

    .

    ০৪.

    ‘মধু, এক দৌড় দি একমগ পানি নি আয় তো। খাব।’ রহমান হাঁপাতে হাঁপাতে বলে। বউতোলা খেলায় রহমানের দক্ষতা হিংসে করার মতো। মধুমালা ওদের বাড়ি থেকে বদনা ভরে পানি নিয়ে আসে।

    ‘পানি! পানি!’ খুব কষ্ট করে বলেন রহমান। ইরা পানির বোতলটা তুলে ধরে। শায়লা গ্লাসের অর্ধেক ভরে রহমানের মাথা তুলে ধরে খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। বদনায় পানি?’ ক্ষেপে যায় রহমান।

    বাবা, বদনা হবে কেন? গ্লাস। এখানে বদনা আসবে কোত্থেকে!’ ইরা বোঝানোর চেষ্টা করে। মুখের কোণে তার চিকন হাসি।

    “আরে, ওজুর বদনা। আব্বা এই বদনায় ওজু করে, পানিও খায়। মধুমালা রহমানকে বোঝায়। রহমান বদনার নলটা মুখের মধ্যে নিয়ে ঢকঢক শব্দে পানি গিলতে থাকে।

    রহমান হাগার বদনায় পানি খায়! ওই বদনায় নইতন বুড়ি ছোঁচে’ বলে চেঁচিয়ে পাড়াময় করে তোলে বাচ্চু। রহমান বদনা ফেলে বাছুর দিকে তেড়ে যায়।

    এক ঝটকায় শায়লার হাতে ধরা গ্লাসটি ফেলে দেন রহমান। তোর একদিন কি আমার একদিন। শ্যালা বাচ্চু! চিবিয়ে চিবিয়ে কথাগুলো বলেন। সবটা বোঝে না শায়লা-ইরা।

    ‘আম্মা, বাবা কি-সব নাম বলেন, কাউকে চেনেন আপনি?

    কারো কারো নাম শুনেছি ওর মুখে। সবাই হয়ত আর বেঁচেও নেই।

    ‘বাবার বন্ধু না আত্মীয়?’ ইরা প্রশ্ন করে।

    ‘আমি তো কখনো ওর গ্রামের বাড়ি যাইনি। আমার শ্বশুর দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে শাশুড়ি ওকে নিয়ে ঢাকায় ভাইয়ের বাসায় চলে আসেন। তারপর শাশুড়ি আর ওকে গ্রামে যেতে দেননি, যদি না ফেরে–এই ভয়ে। আমরা কানাডায় থাকাকালীন শ্বশুর মারা যান। কয়েক বছর পর শাশুড়িও গত হলেন। এরপর তোমার শ্বশুরের মুখে আর কখনো গ্রামের বাড়ির বা আত্মীয়স্বজনের গল্প শুনিনি। দেশে ফিরে এলাকার মানুষজনকে না চেনার ভান করে এড়িয়ে যেতে থাকল। গ্রামের কথা তুললেই ক্ষেপে যেত। বলত, গ্রামে মানুষ বাস করে নাকি! এ নেই, সে নেই। যত সব মূর্খের বাস! আমি মেহেরপুরের এক আমব্যবসায়ীর মুখে শুনেছি, ওর দ্বিতীয়পক্ষের এক ভাই ছিল। সে-ই গ্রামের বাড়ি-জমিজমা দেখাশোনা করত।

    মা, আমি মামাবাড়ি যাব না। শহর আমার ভাল্লাগে না। শায়লার মুখের দিকে মুখটা তুলে পিটপিট করে তাকিয়ে কথাগুলো বলেন রহমান।

    “আচ্ছা যেতে হবে না। মাথায় হাতটা রেখে উত্তর করেন শায়লা। তৃপ্তিতে চোখটা বন্ধ করেন রহমান।

    ‘চল, তোর ভালো না লাগলি চলে আসবি। আমি তো আর তোকে জোর করি আটকাচ্ছি না। মা কুরুচে-উলে স্যান্ডো গেঞ্জি বুনতে বুনতে বলেন।

    ‘কেন্তু তুমি তো একেবারেই যাচ্ছ? তুমার ওকিনে যদি ভালো না লাগে? ফিরি। আসবা?’ রহমান প্রশ্ন করে।

    না। দৃঢ়কণ্ঠে উত্তর করেন মা।

    ‘তালি আমি?

    হয় এখানে থাকবি, না হলে মা’র সঙ্গে থাকবি। তোর সিদ্ধান্ত।

    শক্ত সিদ্ধান্ত মা।

    ‘শক্ত কেন? মা’র চেয়ি অমন বাবাই তোর কাছে বড় হয়ি গেল? সত্মা’র সংসারে থাকতি পারবি?’ মা প্রশ্ন করেন।

    ব্যাপারটা শুধু বাবা আর সংসার না। একিনে আরো অনেক কিছু আছে আমার। বোঝানোর চেষ্টা করে রহমান।

    কী আছে শুনি?’ মা সেলাইয়ে মনটা চুবিয়ে জানতে চান।

    ‘কী করে বোঝাই মা?’ রহমান নিজেও বুঝে উঠতে পারে না তার ঠিক কী কী আছে এখানে।

    বিছানায় শুয়ে শুয়ে ‘ক্যাচ ক্যাচ! ক্যাচ ক্যাচ!’ শব্দ করে চলেন রহমান।

    ‘কুক…কুক…কুউক…’ ডেকে ওঠার ব্যর্থ চেষ্টা করেন।

    ‘তুই বড় হয়ে গেছিস। মা বলেন। এজন্যেই তোকে জোর করছি না। তোর ভালো আমি তোর ওপরে ছেড়ে দিলাম। তবে এটুকু বলে রাখি, তোকে ছাড়া তোর মা বাঁচবে না।

    .

    ০৬.

    মা, তুমি সারা দিন বাবার এমন অদ্ভুত আচরণ টলার কয়রা কী করে? এত শিক্ষিত মানুষ এমন ননসেন্স বিহ্যাভ করে কেমন করে? শোয়েবকে বেশ উত্তেজিত দেখায়। শোয়েব রহমানের ছোট ছেলে।

    ‘এভাবে বলিস না ছোট। বড়বোন সাদেকা শোয়েবকে থামিয়ে দেয়।

    বলব না? সেদিন কী হয়েছে জানো আপা, বাবা ইরাকে কি বিশ্রী একটা কথা বলেছে। বলেছে, তোমার…! ছিঃ আমি ভাবতেও পারছি। ছেলেবৌকে কেউ এ কথা বলে?

    ‘ওটা ইরাকে না, মধুকে বলেছে। শায়লা উত্তর দেন।

    ‘এই মধু-টধু আবার এল কোত্থেকে? বাবার কি অন্য কোথাও প্রেম-টেম ছিল, মা? কী একটা সিনেমাটিক নাম! ডাজ শি রিয়েলি এক্সিস্ট? বিরক্তির সুরে প্রশ্ন করে শোয়েব।

    ‘বাইরে সফিক তোর জন্যে অপেক্ষা করছে। একটা জরুরি আলাপ আছে। সাদেকা শোয়েবকে ঘর থেকে ঠেলে বের করে দেয়। সফিক তাদের মেজো ভাই। পেশায় আইনজীবী। ঢাকায় ভালো নামডাক আছে। সফিক আর শোয়েব হাসপাতালের ক্যাফেটেরিয়ায় বসে।

    বাবাকে দেখে কী মনে হলো? সফিক কথা পাড়ে।

    ‘ম্যাড! টোটালি ম্যাড! শোয়েব উত্তর দেয়।

    ‘আমি সেটা বলছি না। মানে আর কত দিন আছে বলে মনে হলো? আমার তো মনে হয়, বাবার সময় শেষ। ডাক্তারও আমাকে আকারে-ইঙ্গিতে সেটাই বললেন।

    নো ইম্প্রভমেন্ট। যে কোনো সময় একটা কিছু হয়ে যেতে পারে।

    কী বললে? না না, অসম্ভব। বাবা চলে গেলে আমি ঝগড়া করব কার সঙ্গে! বলেই হাউমাউ করে কেঁদে ফেলার উপক্রম হয় শোয়েব।

    কুল ডাউন। আমরা তো চাই বাবা বেঁচে থাকুক, নাকি? কিন্তু সিদ্ধান্ত তো ওপরআলার হাতে। এখন প্রশ্ন হলো, বাবার হঠাৎ করে কিছু একটা হয়ে গেলে, কোথায় কবর দেয়া হবে–এসব কি আমরা ঠিক করেছি?

    ‘জানি না। ছোট্ট করে উত্তর দেয় শোয়েব। জানার ব্যাপারে তার আগ্রহ আছে বলেও মনে হয় না।

    ‘কিন্তু জানতে তো হবেই। লাশ হয়ে গেলে তো আর বাবাকে আমরা হাসপাতাল বাড়ি কোথাও রাখতে পারব না।

    ‘তুমি কী ভাবছ?

    বড় আপার সঙ্গে কথা বললাম। আমরা সকলে থাকি গুলশানে। আশপাশে কবর দেয়া হলে ভালো হত।

    হুম। তাহলে তা-ই করো। আমার কোনো আপত্তি নেই।

    ‘কিন্তু এদিকে কবরস্থানের দাম কত জানিস? বাবা তো কিছু রেখে যাননি। আমরা তার চিকিৎসার জন্যে তো আর কম করছি না। সামনের বছর আমার পড়াশোনার জন্যে কানাডা যাবে। আমি সেই খরচ গোছাতেই হিমশিম খাচ্ছি। বড়ভাই জাপান থেকে কোনো রেসপন্স করছে না। আমি আর তুই মিলে কত পারব বল?

    ‘তাহলে কোথায় ব্যবস্থা করতে চাইছ। আজিমপুর না জুরাইন? শশায়েব জিজ্ঞেস করে।

    মা বলেছেন, ২৫ বছর মেয়াদে যেন বাবার কবরটা দিই আমরা। এটাই নাকি আমাদের কাছে তার শেষ চাওয়া। আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি, এই মেয়াদে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান, উত্তরা সেক্টর ১২নং কবরস্থান, আজিমপুর কবরস্থান ও জুরাইন কবরস্থানে খরচ হবে ১১ লক্ষ টাকা।

    আর বনানী ও উত্তরা ৪নং সেক্টর কবরস্থানে?

    ‘ওখানে আরো বেশি। ১৫ লক্ষ টাকা। আবদুল্লাপুরের ওইদিকে একটা কবরস্থান আছে। বেশ সস্তা আবার নতুনও। ওয়েল অ্যারেঞ্জড়। তুই কী বলিস?

    ‘কিন্তু একটু বেশি দূর হয়ে গেল না?

    ‘তা হলো। আমরা বিশেষ দিনগুলোতে গেলাম। তোর-আমার-বড় আপার গাড়ি আছে। শহরের বাইরে আমাদের খুব একটা যাওয়া হয় না। এই সুযোগে না হয় গেলাম।

    ‘আম্মার একটা মত নেয়ার দরকার আছে না?”

    ‘মা কি বলবেন? মা’র কথা রাখতেই তো আমাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। কোনো মেয়াদি না হলে তো আমরা যে কোনো কবরস্থান বুক রাখতে পারতাম। মা তো আমাদের কাছেই থাকছেন, নাকি? বড়বোন মায়ের খোঁজ নেবে ভেবেছিস। দুদিন পরপর এসে মাতব্বরি ফলাবে। বড়ভাই ভাবিদের নিয়ে জাপানেই থেকে যাওয়ার বন্দোবস্ত করছে। আমরা হলাম কী যে গিনিপিগ। সব বুলডোজার আমাদের ওপর দিয়েই যায়।

    কাউকে না কাউকে তো করতে হয়।

    ‘সে জন্যেই তো আমরা করে চলেছি। শোন, তোর সায় থাকলে একটা কাজ করতে পারি। বাবার কিছু সম্পত্তি আছে গ্রামে। বাবার সম্ভাইয়ের ছেলেরা সেটা ভোগ করছে বলে খোঁজ নিয়ে জেনেছি। আমরা একটা শক্ত করে কেইস ঠুকতে পারলেই, একটা মোটা অংশ পেয়ে যাই। তুই কী বলিস? আমি সব করব, তুই খালি সঙ্গে থাকবি।’

    ‘ভাইয়া, আমাকে একটু উঠতে হবে।’ বলেই উঠে পড়ে শোয়েব।

    ‘ওকে। জানিয়ে রাখলাম, ভেবে দেখিস। শেষ কথাটা বলে সফিক।

    কেশে ওঠেন রহমান। মিনিট পাঁচেক টানা কাশেন। জ্বরটা এখনো নামেনি। খানিক আগে সাবেবাসিটার দিয়েছেন শায়লা। আশা করছেন কিছুক্ষণের মধ্যেই কমে যাবে। জ্বর থাকা অবস্থায় রহমানের উল্টোপাল্টা কথা বলার মাত্রাটা আরো বেড়ে যায়।

    মা, আমি একটু মবুর বাগান থেকি ঘুরি আসি?’ রহমান অনুরোধের সুরে বলে।

    ‘সময় নেই। চুয়াডাঙ্গা থেকে দুটোর ট্রেন ধরতে হবে। এখান থেকে কম করেও ঘন্টাদুয়েক সময় হাতে নি বেরোতে হবে।

    ‘আমি এই আলাম বুলি বলেই অনুমতির অপেক্ষা না করে দৌড় দেয় রহমান।

    মা আজই যাচ্ছেন, এটা ঘণ্টাখানেক আগেও টের পেতে দেননি। বাবা রহমানকে আটকে দিতে পারেন, এই ভয়ে চেপে গেছেন। এখন সুযোগ মতো মেহেরপুর থেকে বের হতে পারলেই যেন মায়ের সব চিন্তার অবসান ঘটে। রহমান এই যায়, এই আসে। হয়ত মাঝপথ থেকেই ফিরে এসেছে। কোনো কিছুই যেন সে বুঝে উঠতে পারে না। ঘুমের ঘোরে চলার মতো করে সে মাকে অনুসরণ করে। কার কথা যেন ভাবতে থাকে। এতটা পথ সে ভাবতেই থাকে। ট্রেনে উঠে বসার পর তার নামটা মনে আসে।

    ‘মধু!’ রহমান জ্বরগায়ে শরীরের সমস্ত শক্তি সঞ্চয় করে উচ্চারণ করেন।

    ‘যাসনে রহমান! যাসনে! নেমে পড়! ওটা মরণফাঁদ! রহমান!’ ট্রেন ছাড়ার আগমুহূর্তে সতর্ক-হুঁইসেল দেয় স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা তেল চিটচিটে খাঁকি পোশাক পরা আধা বয়স্ক লোকটি। পেছনে চিৎকার করে দৌড়ে আসে মধুমালা। রহমান ট্রেনের জানালা গলিয়ে পেছন ফিরে তাকায়। কেমন কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে আসে চারপাশ। রহমান খুব শক্তি দিয়ে চোখের পাতা মেলে ধরার চেষ্টা করেন। শায়লা রহমানের দিকে এগিয়ে যান। আজ দুদিন পর রহমান একটু রেসপন্স করেছেন। মরার মতো পড়ে ছিলেন। রহমানের একটু নড়ে ওঠায় শক্তি ফিরে পান শায়লা। এই সংসারে এই শরীরটাই এখন তার একমাত্র শক্তি, এটুকু এ কয়দিনে ভালো মতোই বুঝেছেন তিনি। শায়লা যেন জোর করে রহমানকে বাঁচিয়ে রাখতে চান, নিজের প্রয়োজনেই।

    ট্রেন হাঁটার গতিতে চলা শুরু করে।

    ‘যাসনে রহমান! যাসনে! নেমে পড়! ওটা মরণফাঁদ! রহমান! মধুমালা আরো একবার চিৎকার দিয়ে বলে ওঠে। মধুমালার চেহারা রহমানের চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ট্রেনে রহমানের একটা হাত ধরে বসে আছেন মা, অন্য হাত ধরে যেন টানছে মধুমালা। কোনো এক জীবনকে এখন বেছে নিতে হবে তাকে।  ‘আসিস না রহমান। আসিস না। নেমে পড়। এটা মৃত্যুফাঁদ। রহমান’। রহমান হাসপাতালের বিছানা থেকে মধুমালার কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে বলে ওঠেন। মায়ের হাত গলিয়ে ট্রেন থেকে নেমে পড়ে রহমান। মধুমালার দিকে ছুটে যাওয়ার আগমুহূর্তে ট্রেনের ভেতর মাকে শেষবারের মতোন দেখার জন্যে ফিরে তাকায়; দেখে মায়ের নিবিড় বন্ধনে বসে আছে অন্য এক রহমান। হুবহু সে যেন। তার মুখে মিটমিট করে জ্বলছে এক রহস্যময় হাসি। শায়লা কাঁদতে কাঁদতে রহমানের সেই হাসিমাখা মুখে নিজের মুখ লাগিয়ে শেষবারের মতোন আলিঙ্গন করেন।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ
    Next Article অক্ষয় মালবেরি – মণীন্দ্র গুপ্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }