Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন

    মোজাফ্‌ফর হোসেন এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    লাশটি জীবিত লাশের

    ‘মরা না জুটলি কেমনে বাড়ি যাই! লাশটা কেউ পেড়ি দাও, পায়ে পড়ি। আল্লা গো, এ তুমার কেমুন বিচার? বুক চাপড়াতে চাপড়াতে কাঁদে দু’জন মা। নির্মাণাধীন হাজী রহমত টাওয়ারের চৌদ্দতলায় ঝুলে আছে লাশটি। তৃতীয় দিনে পড়ল। প্রথম প্রথম পরিবারটির বেশ ক’টি দাবি ছিল। এখন দাবি একটাই–খালি লাশটা চায় তাদের। দাফন-কাফনের যা খরচ হয় তার সবটাই জোগাবে তারা। লাশ নামাতে যদি কোনো খরচ হয়, তাও দিতে রাজি আছে লাশটির পরিবার। পরিবার বলতে আছে শুধু লাশের বৃদ্ধ মা, শাশুড়ি–সে আরও বৃদ্ধ, কমবয়সী বৌ আর কোলের মেয়েটা। এই হলো লাশটির গুষ্টিসুদ্ধ লোকজন গুষ্টিতে একজনই পুরুষ ছিল, তাও এখন প্রাণহীন ধড় নিয়ে ঝুলে আছে। এই পরিবারে পুরুষরা বরাবরই টেকেনি। রাইডার্স টু দ্য সি’ নাটকটির মতো। তোমরা যারা নাটকটি পড়োনি, তাদের বলি সেখানে, একটি পরিবারে একজন বৃদ্ধ মা আর তার দুই মেয়ে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে–গুনে গুনে ন’জন পুরুষকে সাবাড় করে রাক্ষুসে সমুদ্র। বৃদ্ধ মা কাঁদতে কাঁদতে নির্বাক হয়ে যান। শেষ পর্যন্ত নিজেকে সান্ত্বনা দেন এই বলে যে, তাকে আর কারো জন্যে সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করতে হবে না। তিনি এখন সুখী, যেহেতু তার হারানোর আর কেউ থাকল না। গল্পটা এমনই মর্মস্পর্শী এবং একপেশে। রোমান্স আর সাসপেন্স বলতে ছিটেফোঁটাও নেই। কিন্তু আমার এই গল্পে কিছুটা হলেও বৈচিত্র্য আছে। রাইডার্স টু দ্য সি’ নাটকটিতে একক ভিলেন সমুদ্র, কিন্তু এখানে আমরা ভিলেন হিসেবে কয়েকটি পক্ষকে খাড়া করতে পারি, চরিত্র কখনো কখনো নিজেই ভিলেন হয়ে আমাদের সামনে এসেছে। যারা অদৃষ্টবাদী তারা অদৃষ্টকেও দোষ দিতে পারেন।

    ফিরে যাচ্ছি গল্পে। লাশটির বাবা মাটি কাটার কাজ করত। একদিন না খাওয়া শরীর নিয়ে মাটি কাটতে কাটতে হঠাত্র উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “খিদেয় শরীরটা প্যাঙটা হয়ি আসছি। পেটে হাত দিয়ে বসে পড়ল সে। কিছুক্ষণের মধ্যে ওখানেই শেষ। নীল হয়ে যাওয়া শরীর দেখে কেউ কেউ সন্দেহ করছিল খিদে নয়, সাপের দংশনে মারা গেছে সে। সাপের দেখা কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেলেনি। তারপরও আপনারা সাপকেই ভিলেন হিসেবে ভাবতে পারেন, আর খিদেকে দায়ী করতে হলে, বের করতে হবে তার খিদের পেছনে দায়ী কারা? সেক্ষেত্রে আবার কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বের হয়ে আসার সম্ভাবনা আছে। অর্থাৎ ঘুরেফিরে সাপই দায়ী; কি বলেন?

    লাশের ভাইটার শখ জাগল বাংলা সিনেমার নায়ক হবে। গরীবের ঘোড়ারোগ আর কি! কে যেন কবে মুখ ফসকে বলে ফেলেছিল, ‘ছেলিটা দেখতি বোম্বের হিরু অক্ষয়ের মতো যেমনি গতর তেমনি সুরুত!’ পাকা আমে ঢিল মারল তার এক পড়ালেখা জানা বন্ধু। কোথা থেকে যেন সে আমদানি করল অক্ষয় কুমার হোটেলে বাসন-কোসন মাজার কাজ করতে করতে নায়ক বনে গেছে! তারপর সে ক’দিন বাড়িতে থালাবাসন ভেঙে গা ছাড়ল। সেই যে গেল আর ফেরেনি। বেচারা মা-টা টেলিভিশনে টেলিভিশনে কত সিনেমা দেখল, আজও ছেলের সন্ধান পেল না। এখনো ফিল্মের পোস্টার দেখলে তাকিয়ে দেখে, চেহারায় মিললে রাস্তায় লোকজন জড় করে নামটা জিজ্ঞেস করে। লাশটির ভাইটার নিরুদ্দেশের পেছনে নির্দিষ্ট করে কাউকে দায়ী করা যাচ্ছে না। একবার অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছে বলে খবর হয়েছিল, আর একবার শোনা গেল র‍্যাবের ভুল ক্রসফায়ারে পড়েছে–ওই শোনা পর্যন্তই, কোনো দফারফা হয়নি।

     

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা কমিকস
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ইসলামিক বই
    বইয়ের
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    লাশের শ্বশুরটা গেছে ওপারে পরপারে নয়, অন্য এক নারীর হাত ধরে ভারতে। আর ফেরেনি। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কেউ পড়লেই পরিবার কান খাড়া করত; একবার একটা লাশের বর্ণনা হুবহু মিলেও গিয়েছিল, কিন্তু অন্য এক পরিবারের দাবি বেশি পোক্ত হওয়ায় লাশের পরিবার আর এগোতে পারেনি। আর লাশের দাদার সম্পর্কে যা শোনা যায় সবটাই শোনা কথা। সৌদিতে কাজ করতে গিয়ে বছর বছর আসার কথা থাকলেও আর আসেনি। সে নিয়ে আবার কত কেচ্ছা! কেউ বলে সৌদিতে চুরি করতে গিয়ে হাত কাটা গেছে, কেউ বলে ফিলিপাইনে এক নারীর সাথে প্রেম করে ধরা পড়েছিল, সৌদি আইনে যা হওয়ার তাই হয়েছে! শেষ আপডেট ছিল, তাও অবশ্য বছর পঁচিশেক আগে, এলাকার একটি ছেলে তাকে জেদ্দায় দেখেছে, একটি ফলের দোকানে কাজ করছে, বয়সের ভারে নতজানু; কিন্তু ছেলেটিকে সে চিনতে পারেনি, বাংলা বুঝতে পেরেছে, কিন্তু উত্তর দিয়েছে আরবীতে। দোকানের সহকর্মীদের কাছে তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে, তারা বলেছে যে, বৃদ্ধ সম্পর্কে তারা কিছুই জানে না। হঠাৎ হঠাৎ আসে কিছুদিন কাজ করে আবার গায়েব হয়ে যায়।

    লাশের বৌয়ের পেটেও একটা পুরুষ বাচ্চা ধরেছিল। অপুষ্টিতে কুঁড়ি অবস্থাতেই ঝরে গেছে। এখন এই দুই বংশ মিলে বাকি ছিল খালি লাশটা। তখন তো আর সে লাশ ছিল না। ছিল জলজ্যান্ত-শক্তসামর্থ্য পুরুষ। ঢাকায় ভবন নির্মাণ শ্রমিকদের সাথে কাজ করত। এই শহরের প্রায় অর্ধশত বহুতল ভবনের ফিটফাট দাঁড়িয়ে থাকার পেছনে তার অবদানের কথা কেউ না জানলেও তার জালি বৌটা জানে। জানে কারণ, লাশ আর তার সাঙ্গপাঙ্গ মিলে একটা একটা করে ভবন নির্মাণ করে আর লাশটা তার বৌয়ের কাছে সেই বাড়ির কত কেচ্ছা বনে! এ নিয়ে তাদের সংসারটাও চলছিল বেশ। অর্ধেক বস্তি গুঁড়িয়ে যে ভবন নির্মাণ হলো কিছুদিন আগে, সেখানেও কাজ করেছে লাশটা। নিজের ঘর ভেঙে অন্যের ঘর গড়াতে হাত লাগিয়েছে সে। কোলের মেয়েটার তখন বোল ফুটতে শুরু করেছে। বস্তিপাড়ার ছেলেবুড়ো যার কোলেই ওঠে, খানিকটা ভাষা, খানিকটা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছে, এটা তার বাড়ি, বাবা তৈরি করছে যে! তারপর ও বাড়িটা হলে আরেক বাড়িতে হাত দিয়েছে লাশটা। মেয়েটা আস্তে আস্তে বুঝে নিয়েছে, শহরে তাদের মেলা বাড়ি; কিন্তু ওখানে থাকলে আর সব বাড়ি বানাবে কে? তার বাপের বাড়ির খিদা, মেলা বাড়ি চাই তার। তার মতো এত এত বাড়ির মালিক এই শহরে দুটো নেই। লাশটি বোঝায়, মেয়েটিও বোঝে। এমনই সম্পর্ক তাদের।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা গল্প
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা কমিকস
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা কবিতা
    বাংলা ভাষা
    সাহিত্য পত্রিকা

     

    লাশের যেদিন জন্ম হয় বাংলাদেশের বয়স সেদিন পাঁচ মাস পূর্ণ হলো। লাশ যখন পেটে, লাশের বাবা তখন যুদ্ধে। লাশের মায়ের ফেঁপে ওঠা পেট দেখে কত মানুষের কত কথা! মা সব নীরবে সয়েছে আর আঁচল দিয়ে চোখের জল মুছেছে। যুদ্ধফেরত বাবা এসে যেদিন সবার দিকে বন্দুক-নলা তাক করে ঘোষণা দিল: এ আমার সন্তান, আমার রক্ত, কার সাধ্য দেখি কথা বলে, সেদিন থেকে সবার মুখ বন্ধ। আর কোনো দিন সে মুখ খোলেনি। তবে গাঁয়ে এই মরার খবর পৌঁছালে কয়েকজন বয়স্ক মহিলা ইশপিশ করে কী যেন বলতে চেয়েছিল। সেও। পরিষ্কার করে কোনো কিছু না। আপাতত তাদেরও শঙ্কা, গায়ে মাটি পড়বে তো!

    মেয়েটি ঘাড়ের ব্যথাটা একটু প্রশমিত হলেই ফের তা বাড়িয়ে তুলছে বাবার দিকে তাকিয়ে থেকে। লাশের মা এখন যাকে পাচ্ছে তারই হাত পা ধরে বলছে ‘স্যার, একটা ব্যবস্থা করেন না! ছেলি আমার শুকি গেল। আল্লামাবুদের নাম নি, ওর গায়ি ক’টা মাটি দেব গো সাহেব। ও সাহেব! দোহাই লাগে…। শাশুড়িরও জনে জনে একই আবদার। আর কচি বৌটা টাওয়ারের যেখান দিয়ে মিস্ত্রিরা নেমে আসে ওখানটায় চুপ করে বসে আছে। দেখে মনে হচ্ছে, সে কারো জন্যে অপেক্ষা করছে যে যেকোনো সময় এই পথ ধরে নেমে আসতে পারে। এই মৃত জগতের সঙ্গে তার কোনোই লেনাদেনা নেই।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বিনামূল্যে বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা লাইব্রেরী
    বুক শেল্ফ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    এই ঘটনার পর থেকে মালিকপক্ষের লোকজন আর এদিকটায় আসছে না। সাথের শ্রমিকরাও আপাতত কাজ বন্ধ করে চলে গেছে। পুলিশি ঝামেলার কারণে লাশটি ছুঁয়েও দেখেনি তারা। প্রতিদিন জনতা জড় হচ্ছে, বদলাচ্ছে, থেকে যাচ্ছে শুধু চারটি চার বয়সের নারী আর ওই বাঁশের মাথায় বাদুড় ঝোলার মতো করে ঝুলে থাকা লাশটা।

    পুলিশের লোকজন এসে তদন্ত করে গেছেন। তদন্ত মানে এটা-ওটা জিজ্ঞাসা। লাশটির সঙ্গে উপস্থিত মানুষগুলোর সম্পর্ক, তাদের বাড়ি কোন অঞ্চলে, লাশটি কত দিন থেকে এসব কাজ করছে, তাদের আর কে কে আছে, লাশটির ভালো নাম কী, তারা কাউকে সন্দেহ করছে কি না, সঙ্গের কারো সাথে তার বিবাদ ছিল কি না–এইসব দরকারি জিজ্ঞাসা! সাথের শ্রমিকরা আগেই জানিয়েছে যে, কাজ করতে করতে দশতলা থেকে পা ফসকে পড়ে গিয়ে নিচের আট তলার বাঁশের সঙ্গে গেঁথে গেছে। সব শুনে অফিসার পান চিবোতে চিবোতে মহাপণ্ডিতের মতো বলেছেন–সেই!’ আর কোনো কথা তিনি বলেননি। তারপর গাড়ি হাঁকিয়ে ফিরে গেছেন থানাতে। মালিকপক্ষের লোকজনের সাথে যা কথা হওয়ার ওখানেই হয়েছে। সরকারি পক্ষের আর কেউ আসেনি এদিকটায়। প্রথম দিনই লাশের শাশুড়ি গিয়েছিল থানাতে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    অনলাইন বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    ই-বই ডাউনলোড
    বই পড়ুন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ইসলামিক বই

     

    ‘হুজুর, হেই আমাদের পেট চালাতুক। ওইটুকুন একটা মেয়ি। এখুন কী করি চলবি আমাদের হাতে কুনো টাকাকড়িও নেই যে গায় ফিরি যাব। পুলিশ শুনে বলেছেন–”ঠিক আছে, হাজি রহমান সাহেবকে বলে কিছু টাকা নিয়ে দেব, যাও। ওদিকটাই থাকো। আমরা দেখছি কী করা যায়। তারপর তিন দিন হলো আর তাদের খোঁজ নেই। আজ সকালে আবার থানায় গিয়েছিল লাশের মা। এখন দাবি একটাই- হুজুর, ছেলিটা খালি নামানুর ব্যবস্থা করেন। নামি দেন, আমরা গায়ির মানুষ গায়ি চলি যাই। আর আপনাগো জ্বালাতন করবু না। মেলা কাজ আপনাদের। খালি একবার নামানুর হুকুমটা দেন। পুলিশ বুঝিয়ে বলেছে–”অত ওপরে লাশ! চাইলেই তো আর নামানো যায় না। অনেক বন্দোবস্ত করতে হবে। আমাদের তো আর একটা কাজ না। আর তাছাড়া, আজকের আবহাওয়াটা বিশেষ সুবিধার না। তুমি যাও, একটু বাতাস হলে পড়েও যেতে পারে।

    দুপুর গড়িয়ে রাত নেমে এল; বাতাস আর হয় না। পুলিশ মিথ্যে বলেনি, হালকা মেঘ আকাশে ছিল। একটা ঝটকা বাতাস হলে হতেও পারত কিন্তু হয়নি। ঝড়েরও দোষ না, শীতকালে এমন অল্পবিস্তর মেঘে সে চাইলেই আসতে পারে না। সবখানেই একটা নিয়ম আছে। মানুষের সুবিধে-অসুবিধে বুঝে সেই নিয়মের অদল-বদল হয় না। তবে এও ঠিক শীতকাল না হলে এতক্ষণ লাশের গন্ধে এখানে টেকা মুশকিল হয়ে পড়ত। রক্ত জমে কালো হয়ে গেছে। এ বাঁশ সে বাঁশ ছুঁয়ে রক্ত খানিকটা মাটিতে এসে পড়েছে। লাশটির মা ওই কালো জায়গা আগলে বসে প্রলাপ বকছে–”আমার তাজা ছেলিটা! আমার নিষ্পাপ ছেলিটার একি হাল হলু খুদা! এ কুন পাপের সাজা রে মাবুদ? আমার মতো আধমরা মানুষ থাকতি, ওমুন তাজা প্রাণ কেনে নিলি, মাবুদ রে?”

     

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ই-বই
    বিনামূল্যে বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গল্প
    বই পড়ুন

     

    কাঁদতে কাঁদতে আর না খেয়ে খেয়ে নিচের মানুষগুলোরও প্রায় লাশের দশা। এ কয়দিনে কে বলবে কচি মেয়েটার বয়স বিশ না, চল্লিশ! বাচ্চাটাকে রাস্ত রি এ ও এটা-সেটা কিনে দেয়, সে তার বাপজান, মা, দাদি, নানি সবার জন্য ভাগ করে আর একটা একটা করে খায়। নানি তার মাথায় হাত রেখে কাঁদতে কাঁদতে বলে- ‘তোর বাপ আর আসবি না রে মুখপুড়ি! এখুন থেকি তোকে লোকের কাছে ভিক্ষি করিই খেতি হবি। কি পুড়া কপাল নি জন্মালি রে…! প্যাটেই মরি যেতি পারলিনি? এসব দেখার আগে আমার কেনে মরণ হলু না, মরি গেলি এই আমি মাগি তো বাঁচতাম।

    ‘মরি গেলি কেউ বাঁচে নাকি নানি? বাচ্চা মেয়েটা পাকা বুড়ির মতো বলে।

    ‘বাঁচে বাঁচে, গরীব মরি গেলিই বাঁচে’ কান্না মিশিয়ে উত্তর দেয় নানি।

    চার দিনে পড়েছে। আজ বিকেলে ব্যবস্থা হওয়ার কথা ছিল। ওদিকে আবার এয়ারপোর্টে ডেডবডি এসেছে দেশের এক বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সাবেক মন্ত্রীর। দেশ-বিদেশের যত ডাক্তার মিলেও আর শেষ রক্ষা করা গেল না। এ পথ দিয়েই নিয়ে যাওয়া হবে তাঁর মরদেহ। রাস্তাজুড়ে কড়া নিরাপত্তা। দুদিনজুড়ে জানাযা হবে স্থানে স্থানে। দেশবাসীর শ্রদ্ধানিবেদন শেষ হলে তবেই তাঁর দাফন হবে। রাজধানীর পুলিশ-প্রশাসনের কত কাজ ওখানে! লাশের বৌ ওপরে ওঠার পথে। মাথা রেখে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়েছে। মেয়েটির মাথা আটকে গেছে ওপরেই, এখন নিচে তাকালেই তার ব্যথা করছে ঘাড়জুড়ে। দুই বৃদ্ধা কুকুরের মতো জড় হয়ে জমে আছে। শৈত্যপ্রবাহ চলছে, চলবে আরও ক’দিন। এখন খালি বাড়ি ফিরতে চায় ওরা, কিংবা কোথাও ফিরতে চায় না আর। লাশ নিয়ে ওদেরও আর ভাবনা নেই।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের
    PDF
    বাংলা গল্প
    বুক শেল্ফ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    গল্পটি আমি এখানেই শেষ করতে পারতাম, ইনফ্যাক্ট সেটাই করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটা অল্পবয়সী ছোকরা এসে বাদ সাধল। ছেলেটির নাম মো. আব্দুল গণি। একালের ছেলের সেকেলে নাম। আব্দুল গণিকে চেনে না, এমন মানুষ এখন দেশে দুটো পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ। আব্দুল গণি এক সাবেক রিকশাচালকের ছেলে। ওর বাবার নাম মীর আক্কাস আলী। বর্তমানে সিএনজি চালায়। থাকে মিরপুরে। আমি চাইলে বাড়ির নম্বরটাও বলে দিতে পারি, কিন্তু সেটার আর দরকার আছে বলে মনে করছি না। আব্দুল গণি পড়ছে মিরপুর বাংলা কলেজে, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স। ছাত্র ভালোও না, খারাপও না। আবার মাঝামাঝি বলেও উল্লেখ করেনি কোনো শিক্ষক। তয় নেক বান্দা’, আব্দুল গণির মাধ্যমিকের ধৰ্ম-শিক্ষক এক টেলিভিশনের টকশোতে স্কাইপিযযাগে জানিয়েছেন। ভাবছেন, লাশের গল্পে আবার আব্দুল গণি এল কি করে? এল কারণ, গল্পের এ পর্বের নায়ক এই আব্দুল গণি। ও সেদিন ফিরছিল চিড়িয়াখানা থেকে, ডেটিং শেষ করে, বেশ খোশমেজাজে। মেয়েটির নাম? না থাক, অন্তত এই প্রাইভেসিটুকু থাকা উচিত! যাওয়ার সময় গিয়েছিল সিএনজিতে, ফিরবে লেগুনাতে। তার আগে একটু হালকা হওয়া দরকার। ঝুলে থাকা লাশটির নিচে গিয়ে দাঁড়াল। জল বিয়োগের মাঝপথে। একটু উদাস হয়ে ওপরের দিকে ঘাড় তুলে তাকাল। কিছু একটা ঝুলে আছে। দু তিনটা কাক বসে মাতামাতি করছে। একটা বিদঘুঁটে গন্ধ এতক্ষণে নাকে এল। বেশি কিছু না ভেবে, জিপারটা আটকে পকেট থেকে পকেটমারের কাছ থেকে সদ্য কেনা সিমফোনির স্মার্টফোনটা বের করে কয়েকটা ছবি তুলে নিল, সেলফি স্টাইলে নিজের মুখটাও নিয়ে নিল কায়দা করে। কোনো রকমে এলো ছবিটা। ভাবনাটা এলো লেগুনার চাপাচাপিতে। পকেট থেকে আবারো মোবাইলটা বের করে ফেসবুক ওপেন করে ছবিটা একটা ক্যাপশনসহ পোস্ট করে দিল। ক্যাপশনটা ছিল বেশ আবেগের, বাংলিশে লেখা– haire Shohor! Akta lash jhule ache, othocho karo kono mathabetha nai. Bechara! এটা পোস্ট করার কিছুক্ষণ পর তার নতুন একটা ক্যাপশন মাথায় এল, এডিট করে দিল ক্যাপশনটি– Amra boli Shobvota toiri hoi mojurer ghame. Akhon dakchi mojurer lashe! এই ক্যাপশনসহ ছবি শেয়ার দেয় আব্দুল গণির বন্ধুতালিকায় থাকা প্রায় সকলে। সেখান থেকে আবার আরো অনেকে। সংবাদ হয়ে যায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতে। কেউ কেউ গণির পোস্ট করা ছবি ও ক্যাপশন ব্যবহার করে। দুপুর তিনটার ঘটনা। সন্ধ্যে ৭টার মধ্যে লাশটির নিচে, ওপরে, ডানে, বামে ক্যামেরায় ভরে যায়। লাইভ টেলিকাস্ট হতে থাকে চ্যানেলগুলোতে। মনের মাধুরী মিশিয়ে রিপোর্ট করতে থাকেন সাংবাদিকরা। কয়েক সেকেন্ডে ঘটনাটা রাষ্ট্র হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের আঞ্চলিক বিভাগেও খবরটি আসে। তবে তাদের খবরের বিষয় ছিল লাশটি নিয়ে নয়, একটি লাশ নিয়ে যে দেশজুড়ে মাতম তা নিয়ে। একটি সংবাদমাধ্যমে ছবির ক্যাপশন ছিল–A Hanging Body, Whole Country after it. আর একটা সংবাদমাধ্যম ডাবল মিনিং করে ক্যাপশন দিয়েছে–Bangladesh is Hunging with a Body.

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন বই
    বাংলা অডিওবুক
    বইয়ের
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    লাশটির মা-বৌ-মেয়ে-শাশুড়ি বাড়ি ফিরছিল। তখন গোয়ালন্দ ফেরিঘাটে। একটি চায়ের দোকানে টেলিভিশনে বলতে শোনে। তারা বুঝে উঠতে পারে না–যাবে, না ফিরে যাবে। সামনে বা পেছনে-কোনো দিকেই পা বাড়ানোর পর্যাপ্ত টাকা তাদের হাতে নেই। কিছুক্ষণের মধ্যে সাংবাদিকদের বায়োবীয় চোখ উদ্ধার করে তাদের। দেশবাসী ফেরিঘাট থেকে লাইভ দেখে মা-বৌ-মেয়ে শাশুড়ির শুকনো চেহারা। ভয়ে ভয়ে তারা কথা বলে, যেন কিছু একটা অপরাধ হয়ে গেছে। এদিকে টেলিভিশনের টক শো নায়ক তখন আমাদের সেই আব্দুল গণি। গণিকে এই ঘটনার উদ্ধারকর্তা হিসেবে ডাকতে শুরু করেছে চ্যানেলগুলো। গণি জানিয়েছে, লাশটি নামানোর ব্যাপারে তৎপরতা শুরু করলে, একটি অজ্ঞাত মহল থেকে তাকে হুমকি দেয়া হয়। ফলে পুলিশ তার সিকুইরিটির ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়েছে।

    ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে লাশটির মা-বৌ-মেয়ে ও শাশুড়িকে। রাত দুটোয় পুলিশ ও র‍্যাব বাহিনির উপস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন লাশটি নামিয়েছেন। বিকাল থেকেই আনকাট লাইভ চলছে। কিছু কিছু চ্যানেল গিয়ে অবস্থান নিয়েছে নির্মিতব্য ভবনটির মালিকের বাসভবনের গেটে।

    অবশেষে সরকারিভাবে লাশটি দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। পরদিন লাশটির পরিবারের দাবি-দাওয়া নিয়ে বাম ছাত্র সংগঠন, মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন, লেবার ইউনিয়নের একটা খণ্ডাংশ রাজপথে দাঁড়িয়েছে। টক শোতে বুদ্ধিজীবীরা এর চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন। এর আগে এ ধরনের যত ঘটনা ঘটেছে সেগুলো টেনে এনে এর ঐতিহাসিক ডিসকোর্স চলছে। লাশটির পরিবারের নারীগুলোকেও টেলিভিশনে ডাকা হয়েছে। মুখে পাউডার লাগিয়ে পর্দার সামনে কান্নাকাটি করছে তারা। সত্যিই কাঁদছে নাকি কাঁদতে হচ্ছে, সেটি বোঝা যাচ্ছে না। একসময় তাদের কান্না কেউ শোনেনি, এখন গোটা দেশবাসী শুনছে। তাই কান্নাটা যাতে ভালো দেখায় সেদিকে সতর্ক থাকতে হচ্ছে। তাদের স্ক্রিপ্ট মুখস্ত করিয়ে সেটের সামনে আনা হচ্ছে। একেকটি চ্যানেলের স্ক্রিপ্ট আবার একেক রকম, একেক রকম এজেন্ডা তাতে। অত সব না বুঝে, হাতে কটা নগদ টাকা পেয়েই খুশি থাকতে হচ্ছে লাশটির পরিবারকে। সরকার থেকেও দুটো ছাগল দেয়া হবে বলে ঘোষণা এসেছে। যেহেতু ভবনটি ক্ষমতাসীন দলের এক নেতার। তাই বিরোধী দল এটিকে ইস্যু করে সরকার পতনের আন্দোলনে নামা যায় কি না তা নিয়ে দফায় দফায় মিটিং করছে। তারা বিবৃতি দিয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে–এই সরকার মানুষ মারার সরকার। এদেশের জনগণ এমন সরকার চায় না। যে সরকার পরিকল্পনা করে মেহনতি মানুষকে হত্যা করে, সেই সরকারের পতন অনিবার্য। এরপরও যদি সরকার গদি থেকে স্বেচ্ছায় সরে না দাঁড়ায়, তবে লাগাতার হরতাল কর্মসূচি দেয়া হবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার সেবা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন বই
    Library

     

    এদিকে ক্ষমতাসীন দল থেকে বলা হচ্ছে, এই নির্মম-নৃশংস খুনের পেছনে বিরোধী দলের হাত আছে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি থামাতে তারা পরিকল্পনা করে শ্রমিকদের টাকা দিয়ে এই হত্যা করেছে। জনগণ এমন জালিম ক্ষমতালোভী রাজনৈতিক দলকে ভবিষ্যতে কখনোই ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, অচিরেই তাদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে।

    আমরা আবার ফিরে যাব আব্দুল গণির কাছে। সে এখন ভীষণ খুশি, আবার অসুখীও। তার হাতে এখন স্যামসাং স্মার্টফোন। প্রেমিকাকেও কিনে দিয়েছে সেইম সেট। ফুলটাইম সিএনজিতে ঘোরে। সাবধানে থাকতে হয় তাকে, মাঝে মাঝেই হুমকি আসে উড়োভাবে। সে এখন নিজেকে ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। এই পরিচয়টা তার নামের সাথে কারা যেন একটু একটু করে জুড়ে দিয়েছে। শঙ্কামুক্ত ব্লগার আন্দোলনেও এখন তাকে ঘটা করে দাঁড়াতে হচ্ছে।

    লাশটির পরিবারের শেষ অবস্থার কথা জানিয়েই গল্পটির ইতি টানছি। তারা এখন নিজ বসতভিটায় সর্বস্বান্ত হয়ে পথে বসার অবস্থায়। টাকা পয়সা যা কিছু হয়েছিল, দুবৃত্তরা বাড়ি ঢুকে ছিনতাই করে নিয়েছে। অস্ত্রের মুখে ধর্ষণ করেছে লাশটির বৌকে, গণধর্ষণ। বাকি তিনজন নারী ধর্ষণের অনুপযুক্ত বলে মন খারাপ করে দৃশ্যপট ছেড়েছে নিরুপায় দুবৃত্তরা। এসব খবর অবশ্য জনসম্মুখে আসেনি। কারণ, কথিত দুবৃত্তরা এক অদৃশ্য ক্ষমতাবলে গায়েব করে দিয়েছে লাশটির পরিবারের অবশিষ্ট গল্প।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ
    Next Article অক্ষয় মালবেরি – মণীন্দ্র গুপ্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }