Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন

    মোজাফ্‌ফর হোসেন এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঘুমপাড়ানো জল

    ক.

    সুবীর ওর বাবাকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে উঠেছে। বছরখানেক আগেই ওদের এখানে আসবার কথা ছিল। তখন বাবা বেঁচে ছিলেন। সুবীরের বাবা হরিশঙ্কর কাকা লোকমারফত ভাঙা ভাঙা অক্ষরে পত্র লিখে পাঠিয়েছিলেন, আসবার কথা জানিয়ে। বাবা সঙ্গে সঙ্গে আনন্দে আপ্লুত হয়ে উত্তরও পাঠালেন। এরপর বাড়ির এটা ঠিক করো, ওটা ঠিক করো–এত দিন পর হরি আসছে! বাড়ির সবাইকে অস্থির করে তুলেছিলেন। সীমান্তে যারা কারবার করত তাদের রোজই একবার করে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলতেন–দেখবি, হরির আসতে সমস্যা হয় না যেন! তারপর বাড়ি আর পথ করতে করতে একদিন নিজেই চলে গেলেন। গতকাল সুবীর যখন হরিশঙ্কর কাকাকে নিয়ে দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেদের পরিচয় দিল, তখন কেবলই বাবার কথা মনে হচ্ছিল। আমার স্ত্রী তো পেছনে দাঁড়িয়ে কেঁদেই। ফেলল। হরিকাকাকে ও-ই ধরে নিয়ে বসবার ঘরে বসাল। বেশ ভারী শরীরের মানুষটা। হাঁটবার সময় বাচ্চাদের মতো দেখে দেখে পা ফেলেন। সুবীর আমার বয়সী হবে। মিরাকে হাত তুলে নমস্কার করে একটু ইতস্তত করে একটা হাত আমার দিকে এগিয়ে দিল। ঘরে ঢুকতে ঢুকতে খানিকটা ফিসফিস করে বলল, মেহেরপুরে পা দিয়েই কাকার সংবাদটা শুনলাম। বাবাকে বুঝতে দিইনি। এমনিতেই অনেক ধকল গেছে; দাদা, এখনই কিছু বলবেন না, প্লিজ। অন্যকিছু বলে ম্যানেজ করুন।

    হরিকাকার দিকে তাকিয়ে বিষয়টা বুঝতে আমার অসুবিধা হলো না। সঙ্গে সঙ্গে মিরাকে আড়ালে ডেকে বললাম কাকাকে বলল, বাবা ক’দিনের জন্য মেহেরপুরের বাইরে গেছে। চলে আসবে। শরীরটা বিশেষ ভালো না, এখনই কিছু বললে বেশি আপসেট হয়ে পড়লে সমস্যা হতে পারে। হরিকাকাকে মিরার দায়িত্বে রেখে আমি আর সুবীর গেস্টরুম-সংলগ্ন বারান্দায় গিয়ে বসলাম। সুবীর লম্বা ছিপছিপে গড়নের। ক্লিন সেভড়। ফতুয়ার মতো একধরনের শার্ট আর বেগিজাতীয় ঢিলেঢালা প্যান্ট পরে আছে। হরিকাকা সাদা পাঞ্জাবি আর পায়জামা পরেছেন।

    চলবে? একটা গোল্ডলিফ ধরিয়ে সুবীরকে লক্ষ করে বললাম। আমার দাড়িভর্তি মুখ আর মাথায় টুপি দেখে শুরুতেই সুবীর খানিকটা ভড়কে গিয়েছিল, ওর কথা বলবার ধরন ধরে বুঝেছিলাম। তাই মাথার টুপিটা খুলে নিজে একটা সিগারেট ধরিয়ে আর একটা সুবীরকে অফার করলাম।

    ওতে আমার অভ্যেস নেই। খালি আলোটা দিন। সুবীর কলকাতার একটি সস্তা ব্র্যান্ড বের করে লাইটারের জন্য হাত বাড়াল।

    আপনাদের এখানে বেশ গরম। কলকাতায় এখনও এত গরম পড়েনি, বুঝলেন। দাদা? কিছু একটা বলে সুবীরও আলাপটা সহজ করবার চেষ্টা করছিল।

    হুম। আজ গরমটা বেশি। তবে ভোরের দিকে আবার খানিকটা ঠাণ্ডা পড়বে। মার্চ মাসটা এভাবেই যাবে। দু’দেশের দু’জন অপরিচিত মানুষ এভাবে আবহাওয়াবার্তা শেয়ার করার ভেতর দিয়ে সম্পর্কটা স্বাভাবিক করবার চেষ্টা করছিলাম।

    খানিকটা সহজ হওয়ার মতো মনে হলে সুবীর বলল, আমরা বোধহয় আপনাদের সমস্যার ভেতর ফেলে দিলাম। বাবা আসলে এত করে..! যাচ্ছি যাচ্ছি করে কত দিন তো আটকে রাখলাম, বুঝলেন, এবার আর পারলাম না। এভাবে হুট করে আসাটা ঠিক হচ্ছে না ভেবেও চলে এলাম। কাকা নেই জানলে হয়ত…।

    না, মোটেও অমনটি ভাববেন না। আমরা আপনার বাবার পত্র পাওয়ার পর থেকেই তৈরি ছিলাম। তবে বাবা দেখে যেতে পারলেন না, এই আর কি! হঠাৎ এভাবে ভিনদেশী অচেনা অতিথি পেয়ে খানিকটা বিব্রত হলেও সেটা প্রকাশ না করার যথাসাধ্য চেষ্টা করছিলাম। সেটা হয়ত সুবীর টেরও পাচ্ছিল।

    আমরা বরং কোনো হোটেলে গিয়ে উঠি। আপনি সবকিছু দেখিয়ে দিন সেই যথেষ্ট। সুবীর বলল। মেয়ের পরীক্ষা চলছে, এর ভেতর এমন দুজন বাইরের মানুষ থাকলে কারও খুশি হবার কথা নয়। তাছাড়া, আমাদের বাসায় বহুদিন হিন্দুধর্মালম্বী কেউ এভাবে বেড়াতে আসেনি। তাই একটু যে সমস্যা হবে না সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছিল না। কিন্তু বাবার কাঙ্ক্ষিত অতিথিকে এভাবে হোটেলে পাঠানোর কথা ভাববার মতো অতটা অসামাজিক আমি নই। তাছাড়া আমি চাইলেও আমার স্ত্রী যে রাজি হবে না, সে আমি তার চোখের দিকে তাকিয়েই বুঝতে পেরেছি। তাই সুবীরকে জানিয়ে দিলাম, ওসব নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না।

    কাকা বাবাকে দেখার জন্য অস্থির হয়ে পড়েছিলেন। মিরা খুব ভালোভাবে সামলে নিলো বিষয়টি। এতটা পথ পাড়ি দিয়ে তিনি বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। বিছানায় শরীরটা এলিয়েই ঘুমিয়ে পড়লেন। তখন সবে সন্ধ্যা নেমেছে। আমি সুবীরকেও বিশ্রাম নিতে বলে বাজারের ব্যাগ হাতে বেরুচ্ছিলাম। ও অনেকটা জোর করেই সঙ্গী হলো।

    বাবার মুখে বাংলাদেশের খুব গল্প শুনেছি, বুঝলেন দাদা। ইনফ্যাক্ট, এই একটি গল্পই তিনি সারাজীবন বলে এসেছেন। ভালো লেগেছে আবার বিরক্তও কম হইনি। যখন দেশ ছেড়েছেন মাত্র বারো বছর বয়স। কতটুকুই বা স্মৃতি, ওই থেকে খামছা খামছা বছর বছর ঝালিয়ে যাওয়া কারই বা এত ভালো লাগে বলুন? ওসব কথা পরে হবে। চলুন শহরটা আপনাকে দেখাতে দেখাতে বাজারটা সেরে আসি। আমি থামিয়ে দিয়ে বলি। বাজারটা সেরে নিয়ে আমরা চায়ের দোকানে বসি। পরিচিত লোকজনদের সঙ্গে সুবীর, বাবার বন্ধুর ছেলে, কলকাতা থেকে এসেছেন, বলে পরিচয় করিয়ে দিই। কেউ ঠাট্টা করে বলে, তোর বাবা আবার কলকাতায় বন্ধু জোটাল কবে? আমরা কোনো উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করি না। সুবীর কলকাতার জেনে আমার বন্ধু সামছুল বাম রাজনীতি করত একসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খবরাখবর জানতে চায়, বলে মমতাদির অবস্থান নিয়ে আপনাদের ওখানে হাওয়া কেমন? তারপর আমরা না চাইলেও আমাদের আলোচনা রাজনীতির দিকে গড় মারে। সুবীর এই একতরফা আলোচনায় মন বসাতে পারে না। বিশেষ করে সকলে যখন কলকাতার রাজনীতি-সংস্কৃতি নিয়ে নানান প্রশ্ন করে তখন এদেশ সম্পর্কে সুবীর পাল্টা কোনো জিজ্ঞাসা জাহির করতে না পেরে বেশ লজ্জিত হয়। আমাকে আসতে আসতে সে নির্দ্বিধায় জানাল সে কথা বুঝলেন দাদা, এখানে না আসলে জানতেই পারতাম না, কলকাতা নিয়ে এত ভাবেন আপনারা! সত্যি বলতে আমি নিজেও অত ভাবিনি। বলতে দ্বিধা নেই, আমি আসলে বাংলাদেশ নিয়ে তেমন কিছুই জানি না। কী করে জানব বলুন, সারাদিন কোম্পানির মালপত্র বিক্রি করার ধান্দা করি। কারবারটা টেকাতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে। বোঝেন তো দাদা, আমাদেরও তো ওখানে অ্যাডজাস্ট করে চলতে হয়। ঠাকুরদা তিন ছেলে নিয়ে একেবারে খালি হাতে এদেশ থেকে পাড়ি জমান। তারপর ঠাকুরদা না পারলেন মানতে, না পারলেন ছাড়তে–এক দুর্ঘটনায় চলে গেলেন। কেউ কেউ বলে আত্মহত্যা। এরপর বাবা আর কাকারা খুড়িয়ে খুড়িয়ে কিছু একটা দাঁড় করাতে চেষ্টা চালালেন। তারপর থেকেই চলছে। কখন এত জানব বলুন?

    না। ঠিক আছে। সব কিছু কি আর জানা যায়। আমি আর কথা বাড়াতে দিই না। গত আইপিএলে কলকাতার এত বাজে খেলা মোটেও ঠিক হয়নি। আমি প্রসঙ্গ বদলাতে বলি।

    তা যা বলেছেন! সুবীর এবার খানিকটা চাঙা হয়। কেউ ফর্মে ছিল না, বুঝলেন দাদা। আর তাছাড়া, এসব দিয়ে না কিচ্ছু হবে না। শাহরুখ ওসব বোঝে নাকি? দাদাকে দায়িত্বটা দিলে, এমনটি হতো না।

    এভাবে আমরা খেলা, খেলা থেকে বলিউড, বলিউড থেকে টালিউড, এমনকি দক্ষিণ পর্যন্ত চলে যাই।

    রাতে খাবার টেবিলে কিছু একটা বলা উচিত ভেবে হয়ত মিরা সুবীরকে প্রশ্ন করে ওর প্রিয় সিরিয়াল নিয়ে দাদা, একটু পরেই ভালোবাসা.কম শুরু হবে, দেখবেন?

    সুবীর এমন প্রশ্নতে শুরুতে একটু অপ্রস্তুত হয়, তারপর সামলে নিয়ে বলে, আমি ওসব দেখি না যে বৌদি।

    সেকি, আপনারা দেখেন না? মিরা খানিকটা হতাশ হয়।

    আমি দেখি না। আপনার বৌদি মানে আমার ওয়াইফ ভীষণ দেখে।

    তাই বলুন। মিরা যেন শান্তি পায় শুনে! বৌদিকে নিয়ে আসুন না একবার। সে বলে।

    কেন? একসঙ্গে সিরিয়াল দেখবে বলে। আমি বলি।

    সুবীর মৃদু হাসি দিয়ে বলে, আসব নিশ্চয়ই। তার আগে আপনারা আসুন না একবার।

    আপনার দাদাকে তো বলিই। তখন তো আর আপনাদের সঙ্গে এত জানাশোনা ছিল না, তাই সেইভাবে জোর দিয়ে বলতে পারিনি। অচেনা একটা দেশ, কোথায় যায়, কে কী খাইয়ে দেয়- সেই ভয়ে।

    .

    খ.

    বেশ ভোরেই কাকাকে নিয়ে বের হলাম। কাকা বাড়িটা দেখবেন বলে অস্থির হয়ে পড়েছিলেন। সঙ্গে সুবীরও। বড় বাজারের কালীমন্দিরের পেছনেই ছিল বাড়িটা। বাবার মুখে শুনেছি। আমি ঠিক জানি না কোন বাড়িটা। থাকলে কাকা নিশ্চয় চিনবেন- সেই ভরসা। কাকা বেশি কথা বলছিলেন না, থেমে থেমে ভালো করে সবকিছু দেখছিলেন আর বলছিলেন- ভগবান, এত পাল্টে গেছে! মাঝে মাঝে এটা সেটা জানতে চান, যার বেশির ভাগই আমার পক্ষে ঠিকঠাক বলা সম্ভব হয় না। কাকা মুরুব্বি কাউকে পেলে থামিয়ে জিজ্ঞেস করেন, আচ্ছা খগেন কি বেঁচে আছে? হাসমতের বাড়িটা এদিকটাতে ছিল না? তোমরা কি মালেকের কথা বলতে পারো, আব্দুল মালেক? ওই যে মোটা করে! শুনেছিলাম রহমান নাকি এখানকার কি একটা ইলেকশনে জিতেছে? ও কি থাকে মেহেরপুর? কোনো কোনো প্রশ্নের উত্তর আংশিক পান, কোনোটার উত্তর পান না। আমরা এগুতে থাকি। তবে একজনের উত্তর আমার ভালো করেই জানা ছিল। কাকা যখন হারাধন কাকার কথা জিজ্ঞেস করেছিল তখন আমার বুকের ভেতর চড়াৎ করে উঠেছিল। আমি চুপ করে ছিলাম। কাকা বললেন, এই হারাধন আমি আর তোর বাবা ছিলাম জানের জিগার। আমি আর তোর বাবা যখন যে যার বাড়ি যেতাম তার মা-ই তখন আমাদের মা বনে যেত। কিন্তু হারাধন নিচু জাতের ছিল বলে, আমাদের বাড়িতে তার আগমন অতটা সুখকর ছিল না। তবে তোর বাড়িতে কোনো সমস্যা হতো না। তখন সবাই যখন এপার-ওপার করছিল। তখন হারাধনকেও নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম, তোর দাদি যেতে দেয়নি। বলল, ওরা সবাই গুষ্টি ধরে যাচ্ছে, তোর তো আর আগেপিছে তেমন কেউ নেই, তুই আমার কাছেই থেকে যা। হারাধন আর যেতে পারল না।

    আমার খুব হারাধন কাকার কথা মনে পড়ছিল। কেমন মিষ্টি একটা মানুষ ছিল। কাজও ছিল মিষ্টির কারিগর। কাকা যত দিন ছিল, আমাদের মিষ্টি কিনে খেতে হয়নি। আমরা দু’ভাই সেই ছোটবেলা থেকেই স্কুলে যাবার কিংবা ফিরবার পথে হারাধন কাকার দোকান থেকে রসগোল্লা বা পানতোয়া হাতে করে চাটতে চাটতে স্কুল যেতাম কিংবা বাড়ি ফিরতাম। সাথে যে থাকতো তার ভাগ্যেও একটা জুটতো বলে আমাদের স্কুলসঙ্গীর কমতি হতো না।

    মা প্রায়ই রাগ করতেন এ নিয়ে। বাবাকে বলতেন, হারু দাদার ব্যবসা তোমার ছেলেরাই ডোবাবে, দেখো!

    দোষ কেবল আমার ছেলেদেরই, হারু যে সাধে, ওর দোষ কিছু নেই? আমি তো ভাবছি, ছেলেদের কারো ডায়াবেটিস হলে হারুকে দেখে নেব। এই বলে বাবা হো হো করে হাসতেন। হারু কাকার সামনে আলাপটা ঘটলে তিনিও পাল্লা দিয়ে হাসতেন।

    কলেজে পা দিয়েই মফেদুল, আমার ছোটভাই, ছাত্রশিবিরে নাম লেখাল। বাবা সদ্য হজ ফেরত, তাই বাবাকে তার অবস্থান বোঝাতে অসুবিধা হলো না। তখন ভোটের মৌসুম। যেই ওরা হেরে গেল, ওই রাতে হারুকাকাসহ হিন্দুপাড়ায় আরো ক’ঘর বাড়ি পুড়ল। জীবন্ত দগ্ধ হল কয়েকজন, তার ভেতর হারুকাকাও ছিল। মফেদুল এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল না বললেও বাবা মানতে পারেননি। ওকে সঙ্গে সঙ্গে আলাদা করে দিলেন। ওই ঘটনার পর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাবার সামনে মিষ্টি আনা যায়নি। মিষ্টি দেখলেই ছটফট করতেন। না পারতেন কাঁদতে, না পারতেন বোঝাতে। মালোপাড়ার ঐদিকটাতেও আর কখনো যাননি। এসব কথা হরিকাকাকে বলা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তিনি এমনিতেই চলতে-ফিরতে যথেষ্ট আহত হচ্ছিলেন, তা তার চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছিল।

    সুবীর আর আমি পালা করে কাকাকে ধরে নিয়ে হাঁটতে থাকি। তবে কাকা সুবীরের চেয়ে আমার সঙ্গে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। সুবীর তো একবার ঠাট্টা করে বলেই ফেলল– দেখছেন দাদা, দেশে পা দিয়েই বাবা কেমন পর করে দিয়েছে আমাকে। আমি আর কাকা দুজনেই হাসলাম। কালীমন্দিরের সামনে এসে কাকা থ মেরে খানিকক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন। স্মৃতি আর সময় মেলাতে চেষ্টা করছিলেন বোধহয়। কাকা একপা একপা করে মন্দিরের ভেতর প্রবেশ করেন। মনে হয় যেন চোখ বাঁধা অবস্থায় পা গুণে গুণে ভেতরে প্রবেশ করছেন। আমি আর সুবীর বাইরে এক চায়ের দোকানে বসি।

    আজ খুব শান্তি লাগছে, দাদা। সুবীর বলে। বাবা প্রায় দশ বছর ধরে বাংলাদেশে আসার জন্য গোঁ ধরে বসেছিল। আমাদেরও সময় হচ্ছিল না, একবার হলো তো বাবার ওপেন হার্ট সার্জারি করা লাগল। আগে একবার হার্ট-অ্যাটাক। কিছুতেই হচ্ছিল না। এবারও হতো না। বাবার শরীরের যা অবস্থা, দাদারা মানতেই চাননি। কিন্তু, হঠাৎ করে আমারও কি যেন হয়ে গেল। ভাবলাম, আসিই না। একবার ঘুরে। শুধু আপনার বৌদিকে জানিয়ে কাগজপত্র করে বাবাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। কাগজপত্র করার বিষয়টি বাবা তো কিছুতেই মানতে পারছিলেন না। কী করে আর মানে বলুন, আমাদের এখানকার ঘরবাড়ি তো আর কারও নামে লিখে দিয়ে যাননি। আসবার সময় বহুবার মনে হয়েছে, কাজটা বোধহয় ঠিক হলো না। ভিনদেশে একটা কিছু হয়ে গেলে সামলাব কী করে। এখন মনে হচ্ছে, আরও আগেই আসা উচিত ছিল। সুবীর বলে চলে। আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে ভাবি, একদিন এভাবে বসেই হয়ত হরিকাকা আর বাবা গল্প করতো। অন্য গল্প। আমি সেই গল্পগুলো সাজানোর চেষ্টা করি। সুবীর বলে চলে–আচ্ছা দাদা, হিন্দু আর কত ঘর আছে এখানে?

    আছে। একেবারে কম না।

    সমস্যা হয় না? মানে, শুনি যে মাঝেমধ্যেই ঘরবাড়ি সব পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ওসব শুনে মনে হয়, ঠাকুরদা ঠিকই করেছিলেন। আজ হোক কাল হোক তো আসতেই হতো। না হলে যেতামই বা কোথায়।

    সমস্যা কিছু হয় না, তা না। তবে এখানে তো তেমন কিছু দেখি না। দিব্যি তো যাচ্ছে। আমি একটু আনমনা হয়ে বলি।

    আমাদের দেশে আসেন না একদিন। কত বাংলাদেশী তো যায়। বাবার পরিচিত অনেকেই গেছে আমাদের ওখানে। শুধু আপনারাই গেলেন না।

    হ্যাঁ। যাব ক্ষণ। আমরা আর আলাপ না বাড়িয়ে মন্দিরে গিয়ে কাকাকে নিয়ে আসি। কাকার চোখে জল। জল খানিকটা সুবীরের চোখেও। সুবীর লজ্জা পায় আমার চোখে চোখ পড়াতে। আমরা মন্দিরের পেছন দিকে পা বাড়াই। কাকার পা আর কিছুতেই চলে না। এতটা পথ যার জন্য আসলেন তার দেখা না পেলেই যেন বেঁচে যান তিনি। আমি আর সুবীর অনেকটা শূন্য করে উঠিয়ে নিয়ে গেলাম। মন্দিরের পেছনে দুটি ঘর মাজাঅবধি ভেঙে পড়ে আছে। পাড়ার বখাটেরা মাঝে মাঝে ভেতরে গিয়ে ওপার থেকে চোরাপথে আসা ফেনসিডিলের বোতল নিয়ে বসে। তাস ঠোকে। বিড়ি ফোঁকে। এর বাইরে কেউ এখানে আসে না। কাকা আসবার কথা শুনে বাবা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছিলেন, গুঁড়িয়ে ফেলে একটা মাদ্রাসা তৈরির পাঁয়তারা চলছিল অনেক দিন থেকেই। পাশে মন্দির বলে শেষ পর্যন্ত আটকে গেছে। তারপর কী সিদ্ধান্ত হয়েছে জানি না। জানার কোনো দরকার পড়েনি। কাকারা তো আর থাকতে আসেননি। এক কোণায় ভাঙা ইটের ফাঁক গলিয়ে একগুচ্ছ তুলসীর পাতা গজিয়ে উঠেছে। কেমন গরিব গরিব চেহারা পাতাগুলোর! কাকা তুলসীগাছটার পাতায় হাত বুলাতে বুলাতে বলেন, এ ঘরটায় মা থাকত। এটা ছিল পুজোর ঘর। বাড়িতে মেলা মানুষ, তাই রাতে মা এখানেই থাকত। আমি মাঝে মাঝে ঢুকতাম মার আঁচল থেকে টাকা হাতাতে। পুজো একটা ছুঁতো ছিল। মা বলতেন, ভগবানের সামনে ওসব না করে আমাকে বললেই পারিস। আমি কি না করি কখনও? সত্যিই তো, মা কখনো না করেনি। তারপরও এই অভ্যেসটা কেন যে হয়েছিল! কাকা এমন করে বলছিল কথাগুলো যেন আমরা বাদেও অন্য কেউ ছিল ওখানে।

    ওদিকটায় আরো দুটো ঘর ছিল, ওই নতুন ঘর উঠেছে ঐখানে। আমি থাকতাম ঐ ঘর দুটোর একটিতে। তোর বাবা আর আমি লুকিয়ে লুকিয়ে তামাক খেতাম। আমাকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো বলে কাকা জোর করে হাসবার চেষ্টা করেন।

    সুবীর আমাকে আড়াল করে এক টুকরো ইট পকেটে তোলে। আমি দেখেও না দেখার ভান করি। কাকা হাঁটতে হাঁটতে মাটিতেই হাঁটু গেড়ে বসেন। একটা ইটকে আসন বানিয়ে বসে পড়ে সুবীরও। আমি অসহায়ের মতো ওদের দিকে তাকিয়ে থাকি। ওদের পাল্টা তাকানো দেখে মনে হয়, এসবের জন্য আমিই দায়ী। অপরাধবোধে আমার মাথাটা নিচু হয়ে আসে। মাথার টুপিটা খুলে বুকপকেটে রাখি। কাকারা বসে থাকতে থাকতেই আমি মন্দিরের প্রায় লাগালাগি এক মসজিদ থেকে জুম্মার নামাজটা সেরে আসি। এই মন্দির এবং মসজিদ দুটোই আমার আর সুবীরের দাদারা একজোট হয়ে তৈরি করেছিল। আরো দূরে আলাদা করে দুটো নির্মাণ করা যেত, কিন্তু বাবার মুখে শুনেছি, এই জায়গাটা ছিল আড্ডার কেন্দ্র। তাই আড্ডার মাঝে নামাজ-পুজোয় যেতে যাতে সময় নষ্ট না হয় এই ভেবে পাশাপাশি তৈরি করা। গত দশ বছরে এ দুটো আলাদা করার অনেক পাঁয়তারা করা হয়েছে, শহরটা এখন যেহেতু মুসলমান অধ্যুষিত তাই মন্দিরটা সরানোর পেছনেই ভোট বেশি। আবার এই পাড়াটায় হিন্দু বেশি বলে জোর ওদের পক্ষেও কম নেই। তাই একধরনের হাঙ্গামার ভেতর দিয়েই সময় চলে যাচ্ছে। হরিকাকার এতসব জানবার কথা নয়। জানার দরকারও নেই। বাবা থাকলে এসবের কিছুই বলতেন না। আমিও যতটা সম্ভব সময়ের বাস্তবতা থেকে তাকে দূরে রাখার চেষ্টা করি। যে স্বপ্ন নিয়ে তিনি এসেছেন সেই স্বপ্নটা ভেঙে যাক, এটা সুবীরও যেমন চাচ্ছিল না, আমিও তেমন চাচ্ছিলাম না। আমরা অনেকটা মরা বাড়ি থেকে ফিরবার মতো বিপ্নভাবে বাড়ি ফিরলাম। কাকা অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠছিলেন। তাঁর জন্যে বিশ্রামের ব্যবস্থা করে আমি সুবীর আর মিলা ড্রয়িংরুমে টেলিভিশন ছেড়ে বসলাম।

    কাকারা সেদিন না গেলে সুবীরদা আর তুমি প্রায় বন্ধুর মতোই হতে; না? প্রশ্ন করে মিরা। তোমরা আজ আর আলাদা দেশের মানুষ হতে না।

    মিরার কথায় আমি আর সুবীর কেউ স্বাভাবিক হতে পারি না। দুজনেই এক অজানা কারণে অস্বস্তিতে পড়ে যাই। বৌদি, আপনার মেয়েটি কিন্তু লক্ষ্মী হয়েছে। সুবীর প্রসঙ্গ পাল্টাতে বলে। এসে থেকেই দেখছি পড়ার টেবিলে। আর আমার মেয়ে তো বলিউডের বাইরে কিছু বোঝে না। পড়তে বললেই শরীরে জ্বর উঠে আসে।

    আমার মেয়েও কম না। পরীক্ষা আর আপনারা আছেন তাই টিভির রুমে আসছে না, নইলে তো সারা দিন হিন্দি চ্যানেলগুলো ছেড়ে বসে থাকে। সালমান আর জন ছাড়া কিছু বোঝে না! এইটুকু মেয়ে, বোঝেন?

    সুবীর আর মিরা দুজনেই হাসে। আমিও হাসবার চেষ্টা করি।

    কাকা উঠেই নদীতে যাওয়ার বায়না তোলেন। শিশুর মতো বলেন, চল না রে, একটু নদীর দিকটা ঘুরে আসি। তোর বাবার সঙ্গে কত গেছি মাছ ধরতে, গোসল করতে। আবার অকারণেই কম গেছি নাকি!

    নদী কি আর সেই নদী আছে। ওদিক থেকে পানি আটকে রেখে এদিকের সব নদী মেরে ফেলা হচ্ছে। সুবীরকে যেতে যেতে বললাম সেসব কথা। সুবীর বলল, পানির সমস্যা ওখানেও নাকি আছে। গঙ্গা শুকিয়ে যাচ্ছে। আমি আর কথা বাড়াই না। অটো নিয়ে সোজা ব্রিজের ওপর চলে গেলাম। নিচে সেচ দিয়ে ধান চাষ করছে কেউ কেউ। কোথাও কোথাও পানি কাদা হয়ে জমে আছে। কাকাকে অটো থেকে নামিয়ে আমি আর সুবীর ধরে নদীর ঢালে নামালাম। কাকা যেন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

    তুমি কি এই নদীটার কথাই বলতে, বাবা? সুবীর কাকাকে প্রশ্ন করে।

    আগে পানি ভালোই ছিল। আমি নিজেও ছোটবেলায় সাঁতার কেটেছি। হালে একেবারে গেছে। কাকা কোনো উত্তর করে না দেখে আমি বলি। পানি নিয়ে মমতার সঙ্গে কত বসল সরকার, কিছুতেই কিছু হল না। এভাবেই দেশের নদীগুলো সব শেষ হয়ে গেল।

    দাদা, যদি এমন হয়েই থাকে, কাজটা নিশ্চয় মমতা ভালো করেননি। সুবীরের কথায় বুঝতে পারি, কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। ও এসব সাত-পাঁচে থাকে না। নির্ভেজাল কাজের মানুষ।

    খানিক চোখ বুলিয়েই কাকা বললেন, চল। দমটা কেমন আঁটকে আসছে। কাকার এভাবে হঠাৎ মুড অফ হয়ে যাওয়া দেখে আমরা দুজনেই অবাক হলাম। কাকা আসতে আসতে বিড়বিড় করে বললেন, শেষ পর্যন্ত নদীটাও! তোর বাবা আমাকে ঠকিয়েছে। সব কিছু নিয়ে ভেগে গেছে। আমার আর সুবীরের বুঝতে বাকি রইল না কিছুই। ঝড় আসার আগমুহূর্তের প্রকৃতির মতো দম মেরে বসে রইলেন কাকা। কাল যত ভোরে সম্ভব রওনা দিতে পারলে ভালো হয়। সুবীর বলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ
    Next Article অক্ষয় মালবেরি – মণীন্দ্র গুপ্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }