Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অতীত একটা ভিনদেশ – মোজাফ্‌ফর হোসেন

    মোজাফ্‌ফর হোসেন এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একটি নদীর গল্প

    ক.

    শুধু হরিরামপুর না, অত্র এলাকাতেই সোবহান মণ্ডলের বেশ নাম-ডাক ছিল। আমি যে বছর প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হলাম ঠিক তার আগের বছর তিনি অবসর গ্রহণ করলেন। কাজেই গ্রামের বড় ভাইয়েরা তাকে স্যার বলে সম্বোধন করলেও আমি বা আমার সমবয়সীরা তাকে দাদা বলে ডাকতাম। আমাদের বাড়ি ছিল সোবহান দাদার বাড়ির কয়েকঘর পেছনে। দাদার বাড়ির সম্মুখভাগে প্রকাণ্ড এক পাকুড়গাছের তলে মস্ত একটি মাচান বসানো ছিল। জন্ম থেকে ওই মাচান দেখে আসছি। মরা গুইসাপের মতো পিঠ পেতে পড়ে আছে, যেন বলছে ‘নে যত পারবি মার’! আমরা স্কুলে যাবার ও ফিরবার পথে দেখতাম সোবহান মণ্ডল মাচার ওপর একটা কোলবালিশ নিয়ে বেশ আয়েশ করে বসে আছেন। আমাদের প্রায়ই থামিয়ে তিনি এটা-ওটা জিজ্ঞেস করতেন। একদিন বললেন, “এই ছোঁকড়ারা, এদিকে আয় তো। তুরা কুন ক্লাসে পড়িস যেনে?’ ক্লাস ফোর বলতেই দাদা হাসতে হাসতে বললেন, কী রে, হেডস্যারের জুতা-টুতা চুরি করিস নাকি? তারপর একটু ভাব এঁটে বললেন, রবীন্দ্রনাথ কে ছিলেন বল দিকিনে? আমাদের ভেতর থেকে ফটিক এগিয়ে গেল। কিছুদিন আগে আমাদের সেকেন্ড স্যার ওকে বলেছিলেন, “জানিস ফটিক, তোর এই নামটা না রবীন্দ্রনাথের দিয়া। তাঁর একটা গল্প আছে, সেকিনকার নায়ক হলু কি যে ফটিক। বুঝলি? শুনে ফটিকের ধারণা হলো, সে রবীন্দ্রনাথকে অনেক জানে। আমাদের মাঝেমধ্যে রবীন্দ্রনাথের গল্প। শোনাত। ওর দাদা আর রবীন্দ্রনাথ নাকি একসাথে হরিরামপুরের বিলে মাছ ধরতে যেতেন! রবীন্দ্রনাথ তখন ওর দাদাকে মজার মজার সব গান গেয়ে শোনাত। এইসব আর কি! ফটিক বেশ ভাব নিয়ে বলল, “অবীন্দ্রনাথ ভালো মানুষ ছেল। ভালো গান গাতি পারতুক। হেই আমাকে নি একটা গল্প লেখিছে। দাদার সাথে তার মেলা ভাব ছেল।’ ফটিকের কথা শুনে সোবহান দাদার মুখ হাঁ হয়ে গেল। আলজিহ্বা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছিল। ফটিক আমার কানে কানে বলল–দেখলি তো, আমি কত জানি! ঝটকাটা সামলে দাদা হো হো করে হাসতে শুরু করলেন। ফটিকের মুখখানা শুকিয়ে একেবারে চৈত্রের মাঠ হয়ে গেল। আমরাও হেসে উঠলাম। ভাবখানা এমন, ফটিক যে ভুল বলেছে সেটা আমরা আগে থেকেই জানতাম। আর একদিন দাদা ডেকে বললেন–”এই তুরা নামাজ পড়িস? আমরা সবাই একসাথে হ্যাঁ বললাম। কেনে পড়িস সেটা বল দিকিনে? সবাই আবার একসাথে চুপ মেরে গেলাম। আমাদের মধ্য থেকে বিন্টু আমতা আমতা করে বলল, ‘আল্লায় খুশি হয়। সাদিক ওকে থামিয়ে বলল, নামাজ পড়লি জান্নাত পাওয়া যাবি, তাই পড়ি। দাদা হো হো করে হাসতে শুরু করলেন। হাসির ঠেলায় ফুটবলের ন্যায় বর্তুল হুঁড়িটা লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছিল, যেন ছাড়া পেলেই মহা কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলবে। আমাদের কথা শুনে দাদা খালি হাসতেন। কোনো কথা বলতেন না। মাঝেমধ্যে কোনো প্রশ্নও করতেন না। আমাদের ডেকে পাকুড়গাছের শিকড়ে বসিয়ে হেডস্যারের মতো বকবক করতেন। আমরা কিছু বুঝতাম, বেশির ভাগই বুঝতাম না। মাঝেমধ্যে হো হো করে হেসে উঠতেন। পাকুড়গাছের সাথে পাল্লা দিয়ে হাওয়া ছাড়তেন মুখ হাঁ করে। কেন হাসতেন, বুঝতাম না। কিন্তু বুঝেছি যে, সেটা বোঝানোর জন্যে আমরাও হাসতাম।

     

    আরও দেখুন
    জলে
    জলের
    জল
    পানি
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বইয়ের
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ভাষা
    অনলাইন বুক
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা

     

    সুকুমার রায়, ঋত্বিক ঘটক, গোর্কি, গান্ধী, নেহেরু, ম্যান্ডেলা–এমন আরও অনেকের কথা বলতেন। আমরা বলার ধরন বুঝে ধরে নিয়েছিলাম, এদের কেউ কেউ দাদার বন্ধু, কেউ কেউ বন্ধুর চেয়েও বেশি কিছু।

    .

    খ.

    দেখতে দেখতে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে গেলাম, উচ্চ মাধ্যমিকের মুড়ো তখন ছোঁব ছোব। দাদা আগের মতোই বসে থাকতেন, ঠায়। কানে আগের চেয়ে কম শুনতেন, তাই চোখ দিয়ে শোনার চেষ্টা করতেন। সেই আয়েশি ভঙ্গিমাটা তখনও ছিল। বোঝা যেত, দাদার সাথে সাথে বালিশটারও এক পা কবরে গিয়ে ঠেকেছে। একদিন বিকেলে গুজব উঠল, দাদাকে সকাল থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম ঘটনা গুজব না, সত্যি। আমরাও খোঁজাখুঁজি আরম্ভ করলাম। দাদা মাঝেমধ্যে পশ্চিমে বিল পর্যন্ত যেতেন। মাসে একবার মেহেরপুর যেতেন পেনশনের টাকা তুলতে–তাও এর-ওর মোটরবাইকে চেপে। আমরা বিলের ধারটা তন্নতন্ন করে খুঁজলাম। শহরেও লোক পাঠানো হলো। সন্ধান মিলল না কোথাও। সন্ধ্যার আগ দিয়ে মুনশি চাচা এসে বলল, সে নাকি পড়ন্ত দুপুরে দাদাকে দেখেছে মেহেরপুরের ভৈরব ঘাটের ধারে বসে থাকতে। শোনামাত্রই আমরা সাইকেল নিয়ে ছুটলাম। আমাদের দেখে দাদা কেমন যেন ভড়কে গেলেন। দাদা, বাড়ি চলেন। বললাম আমি। দাদা বললেন, “আমি কারু বাড়ি যাব না। এই যে নদী, একিনেই তো আমার বাড়ি! চৌদ্গুষ্টির ভিটেমাটি। আমরা আশ্চর্য হলাম। দাদা এত কিছুর গল্প করতেন, কই কোনো নদীর গল্প তো কখনো করেননি! আজ হঠাৎ করে নদী তার বাড়ি হলো কেমন করে! আমরা অনেকটা জোর করে তাকে উঠিয়ে আনলাম। পরদিন সকালে দাদাকে আর মাচানে বসে থাকতে দেখলাম না, বিকালে ফিরবার পথেও না। ছেলেমেয়েরা অনেকটা জোর করে দাদাকে বাড়িতে বন্দি করে রেখেছিল। মাঝেমধ্যে উনি স্ত্রী-সন্তান কাউকে চিনতে পারতেন না। বলতেন, আমাকে তুমরা ছেড়ি দাও। আমি বাড়ি যাব। মা আমার জন্যি ঘাটে অপেক্ষা করছি। ছেলের বউ কিংবা মেয়েরা চারিদিক থেকে জাপটে ধরে জানতে চাইত, ‘আব্বা, আপনি আমাদের ছেড়ি কুথায় যাবেন? এই যে আপনের বাড়ি, এই আপনের ঘর, আপনের হাতে খুঁড়া কুয়া, গরু ছাগলসবই তো আপনের। দাদা আপত্তি জানিয়ে বলতেন, না না, এটা আমার বাড়ি না। এসব তুমাদের চক্রান্ত। তুমরা আমাকে ধরি নি এইছ। আমার বাড়ি ওই নদীর ধারে। আমার দিদি আর মা থাকে ওকিনে। আমাকে ছেড়ি দাও, আমি বাড়ি যাব।

     

    আরও দেখুন
    পানি
    জলের
    জলে
    জল
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন বই

     

    বড় মুশকিলে পড়ে গেল গাঁয়ের সকলেই।

    আমরা কাছে গেলেই দাদা নদীর গল্প শুরু করতেন। নদীর ওপারে আমার নানির গাঁ। আমরা নৌকায় চেপি কত গিছি! আমি নানির বাড়ি যাব। আবার শুরু হতো কান্না আর বাড়ি যাওয়ার বায়না। আমাদের মধ্যে থেকে কেউ একজন বলত, “দাদা, তালি এই বাড়িটা কার? এটা তো আপনার হাতেই গড়া! আমাদের তেড়ে উঠে বলতেন, ‘না, সব মিত্যি কথা। সব বানোয়াট। ভাঁওতাবাজি।

    মন ভালো থাকলে কী সুন্দর নদীর গল্প করতেন। মাছ ধরার গল্প, নৌকা বাইচের গল্প, নদীতে দিদির সাথে নাওয়ার গল্প, আরো কত কী! তখন মনে হতো সব ঠিকই আছে, কে বলে দাদা পাগল? গল্পের ফাঁকেই দাদিকে দেখে দাদা যখন বলতেন, ‘হা গো মেইডা, তুমি কি নদীর পথটা কুনদিকে বুলতি পারো? আমি বাড়ি য্যাতাম। দাদি মুখে কাপড় গুঁজে কাঁদতে কাঁদতে ঘরের ভেতরে চলে যেতেন। দাদার পাগলামি নিয়ে আমাদের আর সন্দেহ থাকত না।

    সুযোগ পেলেই দাদা বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতেন। কখনো ভৈরবের কিনারে, কখনো বিলের ধারে, কখনো বর্ডারের তারকাঁটার কাছ থেকে দাদাকে জোর করে তুলে আনা হতো। দীর্ঘ কোনো জলাশয় দেখলেই দাদা সেখানে দাঁড়িয়ে যেতেন। বাড়িতে নতুন কেউ এলে, কিংবা রাস্তার ধারে বসলে যে যায় তাকেই জিজ্ঞেস করতেন, হ্যাঁ গো, নদীটা কুন দিকে বুলতি পারো? অনেক বেলা হয়িছে, আমাকে বাড়ি যেতি হবে না! মা আমার জন্যি অপেক্ষা করছি।’

     

    আরও দেখুন
    পানি
    জল
    জলে
    জলের
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ভাষা
    Books
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    .

    গ.

    দাদাদের বাড়ির পেছন দিকে একটা জলাশয় ছিল। চৈত্রের সময় হাঁটুজল থাকত। তবে বর্ষায় জল থৈথৈ করত। তখন ছিল চৈত্রের মৌসুম। জল একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ভৈরব, খাল-বিল সর্বত্র এখন জলের হাহাকার। বর্ষায় এই পুকুরেই ডুব দিয়ে মাটির নাগাল পেতে আমাদের জান বেরিয়ে যেত। এখন দেখে সেটা বুঝবার জো নেই। পুকুরজুড়ে খালি বালি আর বালি। মেহেরপুরের এই গ্রামটা একেবারে খাপছাড়া, রাস্তাঘাট সর্বত্র বালিতে ভরা। আর রাস্তার দু’ধারে কোমরটা একটু বেঁকিয়ে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে একপাল খেজুরগাছ। যেন গ্রামটা আগন্তুক, মরুভূমির কোনো দেশ থেকে উঠে এসে এখানে সংসার পেতেছে। একদিন দাদাকে ওই পুকুরের পাড়ে নিয়ে গিয়ে মশকরা করে বললাম, ‘দাদা, এই হলো আপনার নদী! দাদিও আমার সাথে সায় দিলেন। দাদা একবার পুকুরের দিকে তাকান, একবার আমাদের দিকে। বুঝলাম, বিশ্বাস করে উঠতে পারছেন না। বললাম, ‘দাদির মতো শুকিয়ে এই দশা! যে যার মতো করে নদী ভরাট করে ঘর গেড়েছে। দেখছেন না, বালিগুলো কেমন দাঁত বের করে আছে? পুকুর, নালা, ডোবায় কি এত বালি থাকে? নদী না হলে এখানে কাদায় থকথক করত না, বলেন? নদী বলেই না এই বনেদি ভাব! দাদা কোনো কথা না বলে পিটুলি গাছটির তলায় গিয়ে বসলেন। তারপর থেকে প্রায়ই ওখানে বসে থাকতেন। পুকুরের ওপাশ থেকে যারা আসত তাদের ডেকে জানতে চাইতেন, ‘হ্যাঁ গো, আমার নানি ভালো আছে? নানিকে বুলবা তো নদীর চুমুতে একটু আসতি। নদীতে নৌকা নেই তো, আমাকে একটা নৌকা এনি দিবা? নদীর ওপারে নৌকার বিরাট হাট বসে। বাজানের সাথে গেছি একবার। দিবা তো?

     

    আরও দেখুন
    জলের
    জল
    পানি
    জলে
    বইয়ের
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বইয়ের

     

    আমাদের বাড়ি ছিল পুকুরের ওপাশে। আমাকে দেখলেই দাদা নানির কথা জানতে চাইতেন। মাঝেমধ্যে কাছে ডেকে কোনো কথা বলতেন না, খালি কাঁদতেন। আমি বিষয় পরিবর্তন করার জন্যে বলতাম, দাদা, গোর্কির সেই গল্পটা বলেন না একবার। গান্ধী কি করে ব্রিটিশ ভাগাল সেই গল্পটা? দাদা তাচ্ছিল্যের সাথে বলতেন, ‘না না, কেউ নেই। গোর্কি গান্ধী কেউ নেই, সব নদীতে ভেসি গিছে।

    মাঝেমধ্যে দেখতাম একা একাই বসে বসে কাঁদছেন—’দিদি গো দিদি, আমাকে নি’ যা। নদীতে একুন মেলা স্রোত। আমি সাতারাতি ভুলি গিছি যে! কখনো কখনো উঠানের কোণের গোয়ালঘর দেখিয়ে বলতেন, ‘ওকিনে ঘাট ছালো। ওই ঘাটে মেলা নৌকা বাঁধা থাকতুক। কিছু নেই। সব ভেসি গিছে বানে। সব।’ কিংবা পশ্চিমের ঘরটি দেখিয়ে বলতেন, “ওই ঘরটা ওকিনে কে তুললু গো? মানুষটার কাণ্ডজ্ঞান কিছু নেই নাকি!’

    একদিন আমার কাছে শিশুর মতো বায়না ধরলেন নদীর শব্দ এনে দিতে হবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘দাদা, নদীর শব্দ কেমন শোনায়? দাদা বাতাসে কানটা একটু আলগা করে বললেন, ‘সেবার ওই শব্দ করিই তো নদী গায়ের আদ্দেকটা সাবাড় করলু। শব্দ তো না যেনে বাঘের গর্জন! নদীর সেই এত্তবড় জিভ, পেটটাও তেমনি। গাঁয়ের ঘর-বাড়ি, গরু-ছাগল, ঝোঁপ-জঙ্গল, উঁচু-নিচু সব একেবারে চেটিচুটি এক করি দিলু। মাঝেমদ্যি আবার তারা সব কিছু হজম করতি বেজায় কষ্ট হতুক। হবে না? গু-মুত কুনকিছু মানতুক নাকি! তেকুন যা খাতুক তার থেকি বেশি দিতুক উগলি। আমরা তেকুন এদিক যাই, না ওদিক যাই! আমাদের বাড়ি ছেল একেবারে নদীর কোলঘেঁষি। নদী একটু আড়মুড়া পাড়লিই পানি হামাগুড়ি দি’ উঠুনের ছুমুতে এসি টুকখেলি যাতুক। আষাঢ়ে দিন নেই রাত নেই সব সময় খালি মেঘ চুয়ি চুয়ি পানি পড়তুক, আর নদীর উদোম বুকটাকে দিতুক উসকি, আর নদীর সে কি আনন্দ না! কচি বাছুরের মতো একবার এদিক যায়, একবার ওদিক যায়। আবার খরিয়ে উঠলে সেয়ানা পাঁঠার মতো একবার এদিক তু দিতুক, একবার ওদিক তু দিতুক। আমি আর দিদি যকুন সাঁঝবেলায় হাঁসগুলানরে ডেকি আনতি নদীতে যাতাম, এক পা নদীতে পড়তিই নদী কেমুন খিলখিল করি হেসিই অস্থির! আমি খুব মজা পেয়ি দিদিকে বুলতাম, নদীর মেলা ক্যাতুকুতু, না দিদি? তেকুন দিদিও হাসতুক, নদীও হাসতুক। একবার আমরা নদীর মুড় ধরতি মেলা দূর হাঁটলাম। তাই কি মেলে? সে হলু কি যে আকাশের মতো, এই কাছে অথচ সেই দূরে! দাদা যখন কথাগুলো বলতেন তখন তার চোখ জোড়া নদীর মতো ছলছল করত জলে।

     

    আরও দেখুন
    পানি
    জলে
    জলের
    জল
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    PDF
    বইয়ের
    বাংলা কমিকস

     

    আমি এসএসসি শেষ করে শহরের কলেজে ভর্তি হলাম। দাদার খোঁজ আর নেওয়া হতো না খুব একটা। মায়ের কাছ থেকে শুনতাম, দাদার অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে। পাগলামি বেড়েই চলেছে। দাদিকে কখনো দিদি বলতেন, কখনো মা। বাড়ির বৌদেরকেও দিদি অথবা মা বলে ডাকতেন। এ নিয়ে বাড়িতে যেমনি কষ্টের অন্ত ছিল না, তেমনি হাসাহাসিও কম হতো না। নাতিছেলেরা উঠানে এক বদনা পানি ফেলে মশকরা করত, দাদা, এই দেখ তোর নদী! দাদিকে দেখিয়ে বলতো, “দাদা, ওই দেখ তোর দিদি আসে!’

    বর্ষা শুরু হয়েছে সবে। আষাঢ়ের শুরুতেই শুরু হলো আসার। বৃষ্টি চলল সারা রাত ধরে। আমি টিনের চালে বৃষ্টি পড়ার শব্দ শুনতে শুনতে ভাবছিলাম, ভৈরব নদীর বুকটা কেমন শুকিয়ে হাড়গোড় বেরিয়ে গেছে। এবার বর্ষায় নদীটার পেটটা একটু চাঙা হলেই দাদাকে নিয়ে যাব একদিন।

    সকালে দাদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আমি পুকুরে কতটুকু জল হয়েছে দেখতে গিয়ে থ মেরে গেলাম। পুকুরের টাটকা জলে মুখ থুবড়ে উপুড় হয়ে পড়ে আছেন দাদা। কাছেই পড়ে আছে অনেকদিনের অব্যবহৃত জং পড়া একটি কোদাল।

     

    আরও দেখুন
    পানি
    জল
    জলে
    জলের
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন বুক
    Library
    Books
    বইয়ের

     

    মুরুব্বিদের মুখে শুনেছি, ‘৪৭-এ দেশ ভাগের সময় দাদা তার বাবার হাত ধরে ওপার থেকে এসে এ অঞ্চলে পত্তন গড়েন। হরিরামপুরসহ মেহেরপুরের বিরাট একটা অংশজুড়ে ছিল হিন্দুদের বাস। দাদাদের সাথে আরও অনেকেই আসে। হিন্দুরা বিনিময় করে ওপারে চলে যায়। আল্লাহ আর ভগবান এক আকাশেই থাকেন, সমস্যা যত সব মাটিতেই! দাদারা কোথা থেকে এসেছিলেন, দিদি ও মায়ের কী হয়েছিল সঠিক করে কেউ কিছু বলতে পারে না। গোমতী নদীর তীরে দাদাদের পৈতৃক ভিটে ছিল, দাদাই নাকি বিয়ের পর এ-কথায় সে কথায় দাদিকে বলেছিলেন সে কথা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমধ্য বয়সের সঙ্কট – মিনা ফারাহ
    Next Article অক্ষয় মালবেরি – মণীন্দ্র গুপ্ত
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }