Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ

    লেখক এক পাতা গল্প1108 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুসুম শুয়ে আছে তার অন্ধকার ঘরে

    বছর পঁচিশেক আগে গায়গাটা ছিল জলাজমি ধানের খেত অথবা ভেরির জঙ্গল। যেদিকে চোখ যায় শুধু শূন্য প্রান্তরে ইতস্তত গাছপালা। মাঠ এবং গরিব মানুষের জন্য বসবাসের কিছু ঘরবাড়ি। কাঁচা রাস্তা। গোরুর গাড়ির কোঁ কোঁ আওয়াজ। সারাদিনে দু-চারটে গোরুর গাড়ি বহুদূর বিস্তৃত প্রান্তরে হারিয়ে যাবার জন্য হেলেদুলে যাত্রা করত। সকাল বেলাতেই কিছু সাইকেল আরোহীর আনাগোনা। ঝাঁকা মুটেওয়ালা আর মাছের ব্যাপারী কিংবা আড়তদারদের লোকজনের যাওয়া আসা চোখে পড়ত।

    অথচ জায়গাটা বড়ো শহর থেকে দূরেও নয়। পাকা রাস্তা চলে গেছে এয়ারপোর্ট বারাসাত পার হয়ে। এয়ারপোর্ট যাবার ভি আই পি রাস্তাটাই আসলে যত গণ্ডগোল সৃষ্টি করে ফেলল। লোকজন শহরের কাছাকাছি জায়গায় নির্জন এলাকায় চলে আসতে থাকল। শহরের এঁদো গলি থেকে মুক্তি কে না চায়।

    বিষয়ী লোকেরা নানা ধান্দায় ঘোরে। তিন-চারশো টাকায় বিঘা মিললে টাকা খাটাবারও সুরাহা হয়। জমি শুধু দেয়, নেয় না কিছুই। তারা ভালোই বোঝে।

    তবে অহিভূষণ একটু অন্য ধরনের মানুষ। শহরে সামান্য চাকরি এবং বাড়ি ভাড়া তাকে তাড়া করত। মাথা গোঁজবার ঠাঁই নিয়ে দুশ্চিন্তা। কারখানার অবস্থাও ভালো না। শেষে রাস্তায় গিয়ে দাঁড়াতে না হয়! সুযোগ মতো তিন চার কাঠা জমি পেলে সে-ও কেনে। বন্ধু নগেনই বলেছিল, কাঠা চারেক জমি রেখে দে। আখেরে কাজে লাগবে।

    বন্ধুর পরামর্শেই বলতে গেলে জমি কেনা, আর জমি যে মা লক্ষ্মী বছর দুই না ঘুরতেই সে তা টের পেয়ে গেল। ঘরবাড়ির নেশা কার না থাকে। কুসুম একটা স্কুলে চাকরি পেয়ে যাওয়ায় হাতে দু-পয়সা জমতেও থাকল। অহিভূষণকে বলতে গেলে বাড়ি করার নেশায় পেয়ে বসল। অফিস ছুটির পর বাড়তি কাজের সুবাদেও পয়সা আয় হতে থাকল। এবং দেখতে দেখতে সে তিন কামরার একখানা বসত বাটির মালিক হয়ে গেল। এমন পাণ্ডব বর্জিত এলাকায় তার বাড়িঘর, কারণ যতদূরেই চোখ যায় পাকা বাড়ির হদিশ মেলে না। বাগচিবাবু, সাহাবাবু ছাড়া কেউ ঘরবাড়ি বানাতে তখনো রাজি ছিল না। জমি কেনা-বেচা চলছে ঠিক, তবে তারা সবাই ফাটকাবাজ। জমির দর উঠলে বেচে দেবে। একমাত্র তারাই তাকে উৎসাহ দিত। মানুষজন হল সেই মশামাছির মতো। বুঝলেন, আপনাদের দেখলেই লোকে বাড়ি ঘর বানাতে সাহস পায়। বাড়িটা দোতলা হয়ে যাওয়ার পর অহিভূষণ লক্ষ্য করল, রাস্তার ধারে দু-চারটে সত্যি নতুন বাড়ি উঠছে। ওর ভালোই লাগত। মানুষজন মৌমাছির মতো। ঝাঁকে ঝাঁকে ওড়ে, ভালো পেলে বসে যায়। আরও উত্তরে। জায়গাটা যে আর পাণ্ডব বর্জিত এলাকা থাকবে না সে ভালোই জানে। নিজেকে যথেষ্ট বিচক্ষণ ভাবতে ভালো লাগে। কথায় কথায় কুসুমকে খোঁটা দিতেও ছাড়ে না!

    কী বুঝছ?

    কী বুঝব আবার!

    জমি দেখে তো ভিরমি খেয়েছিলে। অ মা তোমার কি মাথা খারাপ। কোমর জল। জমি কোথায়। এখন বুঝছ জমি কোথায়?

    কুসুম অবশ্য জমিটা দেখে ভেঙেই গেছিল! ভি আই পি রোডে উঠে গুম মেরে ছিল। সত্যি টাকাটা বুঝি জলে গেল। জমিতে কুসুমেরও শেষ কপর্দক খরচ। তা বলে কোমর জলে তুমি জমি খুঁজতে গেলে!

    তারও মনে হয়েছিল, জমি নিয়ে সে তো ফাটকা খেলতে বসেনি। জমি ফেলে রাখার জন্যও কেনেনি। মাথার উপর একটুখানি ছাদের আশায়ই তো জমি কেনা। সেই জমি জলের তলায় থাকবে। কুসুম রাগ করতেই পারে। সে কুসুমকে সেদিন কোনো বোঝ প্রবোধ দিতেও সাহস পায়নি। দুদিন বাদে বলেছিল, নগেন তো বলল, খাল কেটে মাটি তোলার সময় সস্তায় মাটি পাওয়া যায়। কত পুকুর ডোবা বুজিয়ে যাদবপুর এলাকায় দেখনি মানুষ ঘরবাড়ি বানিয়েছে। আমরাও না হয়…..না মানে নগেন বলছিল, সস্তায় সে মাটির ব্যবস্থা করে দেবে। শ-দুই টাকা বাড়তি খরচা, ঠিক করে ফেলব। জল আর থাকবে না। জমি ভরাট হয়ে যাবে।

    ঠিক করেও ফেলল। তিন-চার বছরে, সে দোতলায় উঠে আসতে পেরেছে। একশো পাঁচ টাকা ইটের হাজার, তেরো টাকা সিমেন্টের বস্তা, সেগুন কাঠের কিউবিক ফুট পয়তাল্লিশ টাকা। বাড়ির জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বেড়ে গেল। বাগচিবাবু দেখা হলে বলত কত দর নিচ্ছে।

    অহিভূষণ বলত, আর বলবেন না একশো পাঁচ টাকা হাজার এক নম্বর ইট। তাও যদি এক নম্বর হত। কী করি বলুন! পাই কোথা। বাড়ি করতে গিয়ে জেরবার।

    বাগচিবাবু চোখ বড়ো করে বলতেন, একশো পাঁচ টাকা। শোনা কথা। আমার সাহসে কুলোত না। আশি টাকা হাজার গছিয়ে দিয়ে গেল বলে বাড়ির কাজে হাত দিয়েছিলাম। কী যে হচ্ছে। আকাশ ছোঁয়া হয়ে গেল মশাই। বাড়ি আর কারও করতে হচ্ছে না।

    অহিভূষণ মজা পেত। হোক। দাম বাড়ক। তার বাড়িটা হয়ে গেলে যা খুশি দাম বাড়ক। বছর বছর দাম লাফিয়ে বাড়ছে। এই তো দোতলা করার সময় ইটের দাম একশো ত্রিশ নিল হাজারে। গোবিন্দ বিল্ডার্স বলত আপনি পুরানো খদ্দের। ছাড়ি কী করে। বাজারে চল্লিশ উঠে গেছে।

    যাহোক বাড়িটা তার মন্দ না। নীচে দুখানা শোবার ঘর। উপরেও তাই। সামনে ব্যালকনি। কাচ দিয়ে ঘেরা। সে রাতে বাড়ি ফিরলে ব্যালকনিতে বসলে, দূর প্রান্তে গাছপালার ভিতর হাস্যকর আলো দেখতে পেত। তার ঘরে তখনো হারিকেন জ্বলে। গাছপালার ভিতর অন্ধকারে সেই হ্যাজাকের রহস্যময় আলোই একদিন কেন যে তার বাড়িটাকে আরও মহার্ঘ করে তুলল বুঝতে পারল না। অতদূরে কারা থাকে। সে দিনের বেলাতেও দেখেছে ওখানে একটা লাল রঙের ইটের বাড়ি। অনেকটা জায়গা নিয়ে মনে হয় বাড়িটা। সদর রাস্তা ভি আই পি থেকে নেমে কতদূর গেছে তার তখনো জানা হয়নি। তার বাড়িটা সদর রাস্তায় নয়। কিছুটা মাঠের ভিতর বলে, রাতে বড়োই নির্জন। কত রকমের সব পাখিরা উড়ে বেড়ায়। ঝোপে জঙ্গলে ডাহুক পাখির ছড়াছড়ি। রাতে ডাহুক পাখিরা কলরব তুললে আশ্চর্য এক ধবনি মাধুর্য সৃষ্টি হয়। শহরের বিষাক্ত বাতাস থেকে দূরে থাকার আনন্দও তার তখন কম না। শুধু খোলামেলাই নয়—একেবারে পরিত্যক্ত এলাকায় সে তার সুন্দর বাড়িটি তৈরি করে সুখেই ছিল। কুসুম, সে, বুড়ো জ্যেঠিমা, দুই কন্যা। ভি আই পি বেশি দূরও না। কুসুমের সঙ্গেই ইস্কুলে যায়। বাসে জায়গা পাওয়া যায়। বসেই যেতে পারে। এত সুখ তার। কুসুম তার বুদ্ধিবিবেচনার তারিফ করত তখন খুব।

    ছুটির দিনেই হাতে সময়। সে বের হয়ে পড়ত। মাঠে আবার ইট পড়ছে। কার বাড়ি হচ্ছে! নাম ধাম, আলাদা সবই হয়ে যেত এক সময়। বাগজোলা ক্যাম্পের গরিব মানুষজন—সস্তাই মিলে যেত। ঠিকা কাজে লোক মিলত মেলা। সে হেঁটে যেত খাল বরাবর। ওপাশে সল্টলেকের ধূধূ প্রান্তর। শুধু বেনা ঘাস আর ভরাট জমি। দুটো একটা বাড়ি। বনেজঙ্গলে পাখির বাসায় সাদা ডিমের মতো পড়ে থাকত। একদিন সে আবিষ্কার করে ফেলল, লাল রঙের ইটের বাড়িটাও। হাঁটতে হাঁটতে সে তার বাড়ি ফেলে বেশ অনেকটা দূরেই চলে এসেছিল। সেই গাছপালার ভিতর লাল রঙের বাড়িটা চোখে পড়তেই দ্রুত কেন যে হাঁটতে থাকল বুঝল না। আসলে রাতের সেই হ্যাজাকের আলোর নেশা। বাড়িটা রহস্যময়। কারা থাকে। কারা রাত হলে হ্যাজাকের আলো জ্বালায়! প্রায় পঁচিশ-ত্রিশ বিঘে জমি নিয়ে বাড়িঘর বানিয়ে কারা থাকে এই সবই ছিল রহস্য। দূর থেকেই বুঝেছিল বাড়িটায় নারকেল গাছের ছড়াছড়ি। আম জামও আছে। নিম গাছের ছায়াও পায় বাড়িটা। খালের বাঁধে বাড়িটা যে নীচু জমিতে তাও বোঝা গেল। গাছের ফাঁকে বিশাল সব খড়ের গাদাও চোখে পড়ত। লোকজন সাইকেল, বড়ো বড়ো টিনের ক্যান ঝুলিয়ে কাঁচা রাস্তায় নেমে সদর রাস্তায় চলে গেল।

    কাছে যেতেই বুঝল, বাড়িটা জমির এক প্রান্তে। বড়ো বড়ো টানা প্ল্যাটফরমের মতো দু-চালা টিনের সেড। বিশ-বাইশটা জার্সি গোরু একদিকে। আর একদিকে বিশ-বাইশটা মোষ বাঁধা। চুনি ভূসির বস্তা থেকে টিনে বড়ো বড়ো করে নামাচ্ছে গো খাদ্য। একটা ছেলে, এদেরই কেউ হবে বাঁশিতে ফুঁ দিয়ে সুর তোলার চেষ্টা করছে। কাক শালিক টিয়া পাখির ঝাঁকও দেখতে পেল। মৌটুসি পাখিরা কিচির মিচির করছে। দেয়ালে ঝুমকো লতার নীল ফুলের ছড়াছড়ি। তার মনে হয়েছিল, আসলে বিষয়ী মানুষের কারসাজি—দুধের কারবারি—তা হোক, লোকটার রুচি আছে বলতে হবে। বাড়িটা ভারি সুন্দর দেখতে। গাছপালা নিয়ে তপোবনের মতো হয়ে আছে। বাঁধ ধরে হেঁটে গেলে বাড়িটার সবই চোখে পড়ে। যদিও হঁটের পাঁচিল ঘেরা বাড়ি। খুব উঁচু পাঁচিল নয়—কোমর সমান। ইচ্ছে করলেই যে কোনো লোক দেয়াল টপকে বাড়িতে ঢুকে যেতে পারে। আর কিছুটা হেঁটে গেলেই লাল ইটের বাড়িটা সামনাসামনি। দুটো জামরুল গাছের ফাঁকে জানালাও স্পষ্ট। ভিতরে সুন্দর একটি পালঙ্ক। এমনকী রাস্তা থেকে বড়ো দেয়াল জোড়া আয়নাও দেখতে পেল।

    কারা থাকে?

    কৌতূহল স্বাভাবিক।

    পালঙ্কটি ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকার মতো যে নানা সাজে সজ্জিত রাস্তা থেকে বুঝতে তার আদৌ কষ্ট হল না!

    বাড়িটা পার হয়ে যেতেই দেখেছিল সুন্দর একটি সরোবর। ঘাটটা বাঁধানো। চুল খুলে এক যুবতী সেখানে বসে আছে। শীতের বিকেলে রোদের উষ্ণতা মেখে নিচ্ছে গায়ে। কিংবা চুল শুকোচ্ছে।

    কেন যে সহসা মনে হয়েছিল তার মতো রাজপুত্র রাজকন্যার গল্পে এমন নারীর দেখা পাওয়া যায়। সে এখানে কেন? সঙ্গে সঙ্গে তার বুকটা ছাঁত করে উঠেছিল। মেয়েটি বোধ হয় তাকে দেখতে পেয়েছে। ত্বরিতে সে ঘাট থেকে উঠে বাড়ির ভিতর ঢুকে গেল। এত চঞ্চল তার গতি যে পায়ে নূপুর থাকলে ঝম ঝম করে বেজেও উঠতে পারত। দেবী প্রতিমার মতো মুখ। বিশ বাইশ ত্রিশ যে বয়সেরই হোক—নারী নারীই।

    তারপর অহিভূষণ আর দাঁড়ায়নি। বাড়ি ফিরে এলে কুসুম লক্ষ্য করেছিল, মানুষটি কেমন অন্যমনস্ক। সে অভিযোগ তুলেছিল, ছুটির দিনেও ঘুরে বেড়াও। রাত হয়ে গেল ফিরতে! মেয়েদের নিয়ে বসলেও তো পারো! একটারও পড়ায় মন নেই।

    তা পাঁচ-সাত বছরের দুই মেয়ে তো সামান্য তরলমতি হবেই। পড়তে ভালো লাগবে কেন? শহরের এঁদো গলি থেকে এখানে উঠে আসায় মন ব্যাজার অবশ্য বছর না ঘুরতেই জায়গাটার মায়ায় তারাও জড়িয়ে গেল। পথ পাথালি, ঝোপ জঙ্গল, প্রজাপতি মানুষকে যে সহজেই জড়িয়ে ফেলে ছেলেদের দেখলে অহিভূষণ টের পেত। অফিস থেকে ফিরে তার তখন রোজ এক বাতিক। সে ব্যালকনির ইজিচেয়ারে গা এলিয়ে দিত। হাত-মুখ ধুয়ে জামা-প্যান্ট ছেড়ে সেই যে বসত আর নড়ত না। চা জলখাবার কাজের মেয়েটা দিয়ে যেত। হারিকেন জ্বলত—এবং সামনে-উদাস মাঠে কখনো জ্যোৎস্না খেলা করে বেড়াত। আকাশে নীল হলুদ রঙের নক্ষত্ররা নাচানাচি করত—দূরে খাল পার হয়ে সবুজ এক যেন অরণ্য জেগে থাকত।

    একটু খোলামেলা জায়গায় বাড়ি করে বসবাস করার আনন্দই আলাদা। গাড়ি ঘোড়ার আওয়াজে কান ফুটো করে দিচ্ছে না। রাতের নিস্তব্ধতায় এক সবুজ অরণ্যভূমিতে শুধু হ্যাজাক জ্বলত। বড়ো দূর মনে হত। কেমন স্বপ্নের দেশ মনে হত তার। সেই ময়ূরমুখি পালঙ্কে, সাদা চাদরের বিছানা এবং বড়ো দেয়াল আয়নার সামনে কেউ দাঁড়িয়ে।

    চুল আঁচড়াচ্ছে।

    চুল নীল। কোমর পর্যন্ত চুলের গোছা। কানে ইয়ারিং পরছে। মুখে প্রসাধন। তারপর কোনো গল্পের বই নিয়ে শুয়ে পড়েছে বিছানায়। পা তুলে দিচ্ছে। শাড়ি নেমে যাচ্ছে।

    অথবা কখনো মনে হত অহিভূষণের জ্যোৎস্না রাতে ঘাটলায় বসে আছে। মেয়েটি। কী নাম, কী করে সারা দিন তার কাটে সব কিছুই যেন এক রহস্যে ভরা। পরখ অসহ্য ঠেকলে হয়ত রাতে সে সরোবরের ঠাণ্ডা জলে অবগাহন করতে নামে। চোখের উপর কেন যে অদ্ভুত দৃশ্য সব ভেসে উঠত, দেখতে পেত, খোঁপা বেঁধে, শক্ত করে ক্লিপ এঁটে দিচ্ছে। মেয়েরা রাতে চুল ভেজায় না। তবে সাঁতার কাটতেই পারে। দেখতে পেত সে তার শাড়ি সায়া ব্লাউজ ছেড়ে সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে জলে নেমে গেছে। বাড়ির ওদিকটায় আর কেউ থাকে বলেও সে জানে না। গোরু মোষের জায়গাটা একেবারেই আলাদা। ভিতরের দিকে কারো ঢাকার হুকুম নাও থাকতে পারে।

    নির্জন মাঠের বাড়িতে একা একা বসে এসব চিন্তার মধ্যে তার এক আশ্চর্য অনুভূতি খেলা করে বেড়াত।

    আর মাঝে মাঝেই সেই অনুভূতির স্বপ্নভঙ্গ ঘটত। কখনো কুসুম ডাকত, কিগো খাবে না। ব্যালকনিতে চুপচাপ বসে আছ কখন থেকে? কখনো স্বপ্নভঙ্গ-বুকটা ধরাস করে উঠত। লরি ঢোকার শব্দ। তার হেডলাইট। ইট ফেলার শব্দ।

    কাঠ পড়ছে। কাঠ কাটার শব্দ।

    কোথাও ছাদের সেন্টারিং হচ্ছে, তার শব্দ।

    কখনো লোহার বিম ফেলার শব্দ।

    সে এখানে এসেই টের পেয়েছিল, এক এক ঋতুতে এক এক জাতের পাখি উড়ে আসে। লম্বা ঠোঁট নীলরঙের ডানা মেলে তার বাড়ির আম জাম গাছে এসে বসত কী সব পাখি, জল পায়রা না বুনো হাঁস! সে পাখি বড় একটা চেনে না। বইয়ে পড়ে পাখির খবর রাখে, ডাহুক, গাঙশালিক, কাকাতুয়া, পায়রা ছাড়া আর কিছু বা পাখি আছে সে চিনতে পারে। সে তো হিমেল শীতের দেশ থেকে পাখিদের আসতে কখনো দেখেনি। ময়ূর কিংবা চড়াই পাখিও সে চেনে। কিন্তু চেনে না বুনো হাঁসেরা কী রকম হয়।

    মেয়েটা বুনো হাঁস না জলপিপি। জলপিপি হোক বুনো হাঁস হোক, তার কিছু আসে যায় না। সুযোগ পেলেই সে অপরাহ্ন বেলায় বাঁধ ধরে হেঁটে যেত।

    সেই অপরাহ্ন বেলা তার জীবনেও চলে আসবে একদিন জানত না। মেয়েদের বড়ো করতে গিয়ে, সে যখন বুঝল তার চারপাশ সত্যি দমবন্ধ হয়ে আসছে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাবার পর বাড়িটাও খালি হয়ে গেল। এক সন্ধ্যায় সে দেখল দূরের সেই রহস্যময় বাড়িটাও চোখের উপর থেকে হারিয়ে গেছে। সে নিজেও টের পায়নি। মধ্যে আর ফাঁকা জায়গা নেই। সর্বত্র ইটের জঙ্গল।—কখন কবে কীভাবে চোখের সামনে এত ঘরবাড়ি উঠে গেল তার খেয়ালই নেই। কুসুম আর তার দুই মেয়েকে সুখে রাখতে গিয়ে সে নিজেই জানে না সে সব হারিয়েছে। তারপর একদিন কাজ থেকে অবসরের পালা। বাড়ি ফিরে এল সন্ধ্যায় পর। মনে হল তার বাড়িটাও অন্ধকার হয়ে আছে। বাড়িতে কেউ আজ আলো জ্বালেনি। কুসুম শুয়ে আছে তার অন্ধকার ঘরে। চারপাশের ঘরবাড়ির জঙ্গলের ভিতর দিয়ে বাড়ি ঢোকার সময় মনে হল, সেই এক অন্ধকার গলি। পচা ভ্যাবসা গন্ধ নর্দমার। রাস্তা নেই-জল নিকাশি নালা নেই। কিংবা ঝম ঝম করে কোথাও কেউ পায়ে মল বাজিয়ে অদৃশ্য হয়েও যাচ্ছে না।

    বিশ-পঁচিশ বছরে জায়গাটা কত বদলে গেছে, আজই যেন টের পেল। কুসুম দরজা খুলে দিলে, তাকে আজ ভারি অবসন্ন দেখাল। কুসুম আলো জ্বেলে দিয়ে দেখল, মানুষটা তার যেন সর্বস্ব হারিয়েছে।

    কুসুম খাবার টেবিলে বলল, কী হয়েছে বলত! সারাজীবন কেউ চাকরি করে? অবসর তো একসময় নিতেই হয়।

    অহিভূষণ ভাত নাড়াচাড়া করার সময় বলল, সারাটা দিন কাটবে কী করে। কোথায় বসব। বাড়ির চারপাশে এক বিন্দু সাধ নেই। খোলা আকাশ নেই। পাখিরা কোথায় সব চলে গেছে। সেই অন্ধকার গলির বাসিন্দা।

    কুসুম মানুষটার কষ্ট বুঝতে পেরে বলল, অভ্যাস হরে গেলে আর খারাপ লাগবে না।

    আর সকাল বেলাতেই মনে হল, আরে সেই রহস্যময় বাড়িটার খোঁজে গেলেও তো হয়। সে তো তাকে আরও কতবার দেখেছে। বাস রাস্তায় দেখেছে। চোখ তুললেই দেখতে পেত মেয়েটি তার দিকে তাকিয়ে আছে। চোখে চোখ পড়ে গেলে নামিয়ে নিত। লজ্জায়, না, চুরি করে গাছের আড়াল থেকে মেয়েটিকে ঘাটলায় দেখার জন্য—সে বুঝতে পারত না। ভারি লক্ষ্মীশ্রী মুখ। বাড়িটা কখন যে দালান কোঠার আড়ালে অদৃশ্য হয়ে গেল, সে টেরও পায়নি। কত বছর আগের কথা।

    সে বাড়িটার খোঁজে সকালে বের হবার মুখে কুসুম বলল, কোথায় যাচ্ছ? সে কী বলবে কুসুমকে বুঝতে পারছে না। সকালে তো বাজার যায়, এছাড়া সকালে কোথাও যায় না গেলেও কোথায় যাচ্ছে বলে যায়। অথচ আজ কুসুমকে বলতে পারল না, তাকে খুঁজতে যাচ্ছি!

    তাকে? সে কে?

    সে যে কে বলে কী করে! সে যে কে নয়, সে যে তার কাছ থেকে বিশ-বাইশ বছর হরণ করে নিয়েছে বোঝায় কী করে।

    বিশ-বাইশ বছরে জায়গাটা কত বদলে গেছে কুসুম কী টের পায় না! বিশ বাইশ বছর মানুষের জীবনে কত বড়ো ফারাক সৃষ্টি করে কুসুম কী জানে না!

    বাড়িটা করার সময়, চারপাশে মাঠ। দূরে ওই লালরঙের বাড়িটা ছাড়া। আর তো কোনো লোকালয় ছিল না।

    সে ব্যালকনিতে বসে দেখত সব।

    বাড়ির ঠিক পাশে জলা জমি, ঝোপ জঙ্গল সবুজ মাঠ, গাছপালাও কম ছিল না। বাঁশের বন, এবং শীতের সময় উড়ে আসত অজস্র পাখি। জলা ভূমি, ডোবায়, ঝোপে জঙ্গলে তারা করব করত।

    ডোবার জঙ্গলে এক জোড়া ডাহুক পাখিও সে আবিষ্কার করেছিল। সে বাড়ি তৈরি করে যখন আসে তখন তো তাদের ছানাপোনা, এঁটো-কাটা খেতে বাড়িতেও ঢুকে যেত। মধ্যরাতে ডাহুকের কলরব, জ্যোৎস্নায় মাঠঘাট ভেসে গেলে সে উঠে গিয়ে বসত ব্যালকনিতে। ডাহুকের কলরবের মধ্যে থাকত এক আশ্চর্য মিউজিক, যে মধ্যরাতে জ্যোৎস্নায় টের পায়নি ডাহুকের কলরব সে জানেই না জীবন কত আশ্চর্যের সব সমষ্টি।

    সেই ডাহুকের কলরব নেই। কোথায় যে গেল তারা!

    সেই শীতের পাখিও আর আসে না।

    শুধু ইট কাঠ আর মানুষ জন, রাস্তায় হাঁটা যায় না। দোকান পাট, বড়ো বড়ো বিশাল অ্যাপার্টমেন্ট, গাড়িতে সুন্দর সুন্দর বালিকারা স্কুলে যায়, দম্পতিরা গাড়ি করে ফ্ল্যাট বাড়িতে ঢুকে যায়, তারা জানেই না এই এলাকার একজন মানুষ পৃথিবীর তাবৎ সৌন্দর্য নিয়ে নির্জন নিরালার খোঁজে এখানে এসে উঠেছিল। আসলে সে যাচ্ছে সেই নির্জনতার খোঁজে।

    মাঠ পার হয়ে খালধার ধরে অনেকটা হেঁটে গেলে সেই বাড়ি। সেখানে সে ঘাটলায় আবিষ্কার করেছিল, আর এক কুসুমকুমারীকে। কুসুমকুমারীর খোঁজে সে যাচ্ছে। কুসুমকে সে বলবে কী করে, গোপনে এই প্রকৃতির সৌন্দর্য আবিষ্কার করতে গিয়ে আর এক কুসুমকুমারীকে আবিষ্কার করে ফেলেছিল। বিশ-বাইশ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া, বিশ-বাইশ বছর না তারও কম এখন ঠিক হিসাবে খুঁজে পায় না। আসলে কোনো অতীতে যেন সে তাকে আবিষ্কার করেছিল। কুসুমের গলায় ঝাঁজ।

    কোথায় যাচ্ছ বলবে না?

    আরে এখন মেলা সময় হাতে। কাজ কাম সব শেষ। ঘুরে দেখতে। এতদিন সময় পাইনি।

    তাই বলে সক্কাল বেলায়।

    আসলে সে বোঝায় কী করে, তার অখণ্ড অবসরই পাগল করে দিয়েছে তাকে। জীবনের ব্যস্ততা হারিয়ে গেলে সব যে শেষ। কুসুমকে বোঝায় কী করে। সে নতুন জীবনের খোঁজে আছে।

    তাকে তো সময় কাটাতে হবে।

    বন্ধুবান্ধবও নেই বিশেষ। আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক আলগা হয়ে গেছে। কুসুম আর তার মেয়েদের সামলাতে গিয়ে কখন সম্পর্কহীন হয়ে গেছে সে নিজেও জানে না।

    যদি সেই বাড়িটার খোঁজে, বের হয়ে পড়তে পারে দেখা যাক না, এটাও তো আবিষ্কারের সামিল হয়ে যাবে। কার বাড়ি, কে করল, কোথায় আগে তারা থাকত, লোকজনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে পারলে বেঁচে যেতে পারে। সে বলল, খাল ধারে ঘুরে আসি।

    এত বেলায়!

    কুসুম যেন মানুষটাকে চিনতে পারছে না। কী করে সে!

    তা হলে বলছ বিকেলে বের হতে।

    কুসুম বলল, বিকেলে খালের ধারে বেড়াতে যাবার কী হল!

    ভি আই পি ধরে ঘুরে এস না! ভালো লাগবে। সেই গাড়ি-ঘোড়া!

    আরে গাড়ি-ঘোড়াই তো মানুষকে ছুটিয়ে নিচ্ছে বোঝো না!

    তা ঠিক। জায়গাটা কী হয়ে গেল!

    আপশোষ।

    সকালে পারল না। তবে বিকেলে সে বাড়িটার খোঁজে বের হয়ে গেল। খালের ধার ধরে হেঁটে যেতে থাকল। এখানটায় ছিল একটা অশ্বথ গাছ, এখানটায় বাঁশের জঙ্গল, এখানটায় জলাজমি, এখানটায় সবুজ মাঠ। কিন্তু এত বড়ো বড়ো অ্যাপার্টমেন্ট, টেনিস র‍্যাকেট হাতে বালিকার লন পার হয়ে যাওয়া, সাদা ফ্রক, আর কি সুঠাম শরীর—কেউ না কেউ দেখছে, সে যেমন দেখত বিশ-পঁচিশ বছর আগের সেই কুসুমকুমারীকে। সামনে সব সরকারি ফ্ল্যাট, কো অপারেটিভ করে বাড়িঘর—যতদূর চোখ যায় মানুষের জঙ্গল। সে অনেক খুঁজল। কিন্তু সেই কুসুমকুমারীর বাড়িটা আবিষ্কার করতে পারল না। জার্সি গোরু, একটি ছেলের খড়ের গাদায় শুয়ে বাঁশি বাজানো, হাক ডাক, দুধের ক্যানেস্তারার ঠনঠন শব্দ কোথাও কান পেতে শুনতে পেল না। ঘাটলাও নেই। কিছুই সে খুঁজে পেল না। তবু কী যে হয় তার, বাড়ির এই রহস্য, কিংবা হারিয়ে যাওয়ার রহস্যের খোঁজেও যদি সে ব্যস্ত থাকে তবে তার আর অখণ্ড সবারই যে একটা রহস্যময় বাড়ি দরকার। খুঁজে দেখা যাক না ঠিক কোথায় সেই বাড়িটা ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনানা রসের ৬টি উপন্যাস – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }