Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ

    লেখক এক পাতা গল্প1108 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এখন ফোঁটার সময়

    কোনো কোনো দিন কাকে যে কীভাবে মুখর করে তোলে। চারপাশে মনে হয়। ব্যাপ্ত জীবন-আকাশ গভীর নীল, পৃথিবীর অদূরে শুকতারা জ্বলে। দখিনের হাওয়া বয়—মনের মধ্যে কারা কেবল কথা কয়ে যায়—জীবনের চারপাশে অপার এক সৌন্দর্য খেলা করতে থাকে। এরই নাম বোধ হয় জীবনের সুষম্য—কখনো অতর্কিতে সে আসে। আবার গভীর এক রহস্য লোকে সে হারিয়ে যায়।

    আজ জানালা খুলতেই পূর্বার এমনটি মনে হল। শীত যাই যাই করেও যাচ্ছে না। বাগানে বড়ো বড়ো ডালিয়া, ক্রিসেন্থিমাম সব ফুটে আছে। শিশির ভেজা। সকাল সকাল তার আজ ঘুম ভেঙে গেছে। এত সকালে তার ওঠার অভ্যাস নেই। মা গায়ের লেপ সরিয়ে না দিলে সে উঠতেই চায় না। সকাল থেকে বাবা ডেকে যান, মা ডেকে যায়, আরে ওঠ। কত ঘুমাবি।

    মা বলবে, ঘুম না ছাই। লেপে মাথা ঢেকে শুয়ে আছে। পড়ার ভয়ে উঠছে না।

    বাবা বলবেন, উঠে পড়। শুনছিস তো কী বলছে তোর মা।

    আসলে পূর্বা জানে বাবা বিশ্বাসই করেন না, সে পড়ার ভয়ে না ওঠার মেয়ে। বাবা কি টের পান, ভোরে জেগে জেগে সে একটা স্বপ্ন দেখে। বাবা না হলে বেসিন থেকে হয়ত মুখ ধুয়ে আসার সময় চোখে পড়ে গেলে মিষ্টি করে হাসেন কেন!

    তার ভাবতে লজ্জা লাগছিল।

    বাবা এ-সব জানবেন কী করে!

    মা জানতে পারে। মার কাছে তার এখনকার পৃথিবীটা পুরোনো পৃথিবী।

    কিন্তু বাবা!

    সে কেমন তাড়াতাড়ি গা ঢেকে ফেলল। চাদর মুড়ি দিয়ে অলস চোখে বাগানের ফুল ফোঁটা দেখছিল।

    সে ভাবল, ফুল ফোটে।

    সে ভাবল, তার এখন ফোঁটার বয়স।

    সে জানালায় দাঁড়িয়ে গাছপালার ফাঁকে সূর্য ওঠা দেখল। কত সব পাখি উড়ে যাচ্ছে দূরের আকাশে। সবাই বের হয়ে পড়েছে। সে টের পায় সুদূরের সব সৌন্দর্য এখন তার সারা গায়ে শীত হয়ে জড়িয়ে আছে। সে ভিতরে ভিতরে আজ ভারি শীত অনুভব করল।

    বাবা সকাল আটটায় বের হয়ে যান।

    বাবা বোধহয় বাথরুমে। ঘড়িতে সে দেখল সত্যি বেলা হয়ে গেছে। সাতটা বাজে। শীতের সকালে সাতটা খুব বেলা নয়। তবু বাড়িতে সকালের দিকে খুব তাড়াহুড়ো থাকে। বাবা বের না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত এটা চলে। সে দরজা ভেজিয়ে দেয়, দরজা বন্ধ করে শুতে তার কেমন এখনো ভয় লাগে। বাড়িতে সে মা বাবা, আর দুজন কাজের লোক। ওরা রান্নাঘরের ওদিকটার থাকে। সবার আগে ঘুম ভাঙে মার। মারই কাজ সবাইকে ডেকেডুকে তোলা। করিডোরে হাঁটাহাঁটির শব্দ হলেই তার ঘুম ভেঙে যায়। মার ডাকাডাকিতেও ঘুম ভাঙে। তাদের দিকটার কোলাপসিবল গেট। রাতে শোবার সময় মা সেটা বন্ধ করে দেয়। কারণ বাবা-মা কেউ বোধ হয় কাজের লোক দুজনকে বিশ্বাস করে না। মেয়ে বড়ো হয়ে উঠছে, না চোর বাটপাড়ের ভয় কোনটা, সে বোঝে না। সুদামদা নিরীহ গোবেচারা মানুষ, আর নন্দ তো বুড়ো হয়ে গেছে। কতকাল হল আছে!

    আজ নিনি মাসিরা আসবে। শীতের সময় নিনি মাসি, মেলোমশাই, অরূপদা এখানে একবার বেড়াতে আসেন। ফুল ফোঁটা দেখার সময় এ-কথাটা মনে হতেই ভেতরে সে কেমন চঞ্চল হয়ে উঠল। এমন চাঞ্চল্য সে কেন জানি কোনোদিন অনুভব করেনি! তার হাই উঠছিল।

    আসলে বড়ো হবার সময় কত অকারণে মনের মধ্যে নিশিদিন কি যেন এক রপকথার জগৎ ভেসে থাকে। অরূপদার ভারি ফাজিল স্বভাব। মাথায় গাঁট্টা মেয়ে কথা বলবে। বছর খানেকের বড়ো। তবু যেন তার কত খবরদারি।-এই পূর্বা, আবার জানালায় মুখ বাড়াচ্ছিস!

    গাড়িতে যাবার সময় বাবা মেসো সামনে। সে মাসি অরূপদা আর মা পেছনে। সব সময় সে জানলার পাশে বসতে ভালোবাসে। অরূপদা তার সঙ্গে। সে দশ ক্লাশে উঠেছে। এবার। অরূপদার দশ ক্লাস শেষ। অথচ খবরদারিতে একেবারে বাবা মেসোর মতো!

    আবার!

    পূর্বা জানালার কাচ নামিয়ে মুখ বাড়িয়ে চারপাশের বাড়িঘর গাছপালা দেখতে ভালোবাসে। হু হু করে হাওয়া বয়। চুল ওড়ে, যেন এক ড্যাং ড্যাং বাজনা শুরু হয় ভিতরে। আর তখনই অরূপদার শাসনের গলা, ইস আবার!

    চার পাশে তখন রা রা করে যেন বাজনা বাজতে থাকে আবার মিউজিক–ক্যান ইউ হিয়ার দ্য ড্রামস ফারনানডেজ। ওর তখন চোখ বুজে আসে। আবার কানে ভাসতে থাকে সেই অলৌকিক জগতের বাজনা-কিংবা সংগীত-সিনস মেনি ইয়ারস আই হ্যাভেন্ট সিন ইউ লাইং ফোল্ডিং ইউর হ্যাণ্ডস। অথবা নিল ডায়মন্ডের সেই সব সঙ্গীতমালা, ইউ আর দ্য সান, আই অ্যাম দ্য মুন, ইউ আর দ্য ওয়ার্ডস, আই অ্যাম দ্য টিউন। প্লে মি।

    আসলে বাবা কী বুঝতে পারেন, এই খেলা তার জীবনে শুরু হয়ে গেছে। নতুবা আয়নায় এবার মুখ দেখে কেন! বাথরুমে ঢুকলে বের হতে ইচ্ছে হয় না। আয়নায় সে কত ভাবে যে নিজেকে এই বছর দুইয়ের মধ্যে আবিষ্কার করে ফেলেছে। সারা শরীর দেখার মধ্যে আশ্চর্য এক মজা পায়। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে আয়নার সামনে ভালোবাসে। বাবা কি টের পেয়ে গেছেন কেউ তার জীবনে সকালের সব পবিত্রতা নিয়ে জেগে উঠছে। ঠিক সূর্যের মতো। যেন লালা আভা, দিগন্তবিস্তৃত শস্যক্ষেত্র, কীটপতঙ্গের আওয়াজ, ঝাঁকে ঝাঁকে নিরন্তর পাখিদের ওড়াউড়ি কোন এক সুদূরের জগতে নিয়ে চলে যায় বাবা কি সকালে মুখ দেখলেই এ-সব টের পান। এবারে সরস্বতী পূজার সময় বাবা না হলে তার জন্য হলুদ পাড়ের সাদা জমিনের শাড়ি কিনে আনলেন কেন! বললেন কেন, পূর্বা তুমি এই শাড়িটা পরে অঞ্জলি দেবে!

    তখনই মার গলা পেল।

    — কীরে এয়ারপোর্টে যাবি নাকি!

    পূর্বার মনে হল মাসিদের আনার জন্য এয়ারপোর্টে গাড়ি যাবে। সব বারই সে মা-বাবার সঙ্গে যায়। নিনি মাসি মার বোন নয়। ছেলেবেলায় একসঙ্গে মানুষ, মার তো আর কেউ নেই। তার একটা মামা পর্যন্ত নেই। নিনি মাসিকেও দেখে বোঝা যাবে না, কথায়-বার্তায় এমনকী ব্যবহারে, নিজের বোনের চেয়েও বেশি। বোম্বেতে গেলে ওদের মাসি ছাড়তেই চায় না। যেমন কলকাতায় এসে মাও ছাড়তে চায় না নিনি মাসিকে। কটা দিন বাবার চেম্বার, নাসিংহোম সব কেমন ঢিলেঢালা। কখনও দীঘা, কখনো মুর্শিদাবাদ, আবার কখনো পিকনিক করতে চিড়িয়াখানায়। নানা রকম প্রোগ্রামে দিনগুলি ঠাসা থাকে।

    কেন জানি সে বলল, আমি যাব না মা। তোমরা যাও।

    মার কথা বলার সময় নেই। বাবার ঘরে উঁকি দিয়ে বলে গেল পূর্বা যাচ্ছে না। শরীরটা বোধ হয় ভালো নেই।

    শরীর ভালো নেই বললেই বাবা সব বোঝেন। তখন আর কেউ তাকে পীড়াপীড়ি করতে সাহস পায় না।

    এই শরীর ভালো না থাকার মধ্যেও সে দেখেছে বাবা মজা পান। সে যে গিয়ে বলবে, ধূস, তোমরা যে কী না, আমার শরীর ভালো নেই কে বলল! এমনি যেতে ইচ্ছে করছে না। দু-বছরে সে কত বড় হয়ে গেছে বাবা-মা বুঝবে কী করে। এই তো সেবারে অরূপদারা এল, তার ঘরে অরূপদা সব কিছু নিয়ে টানাটানি করত। তার ছবির খাতা, অ্যালবাম, ক্যাসেট, রেকর্ডপ্লেয়ার যা কিছু সবই হাঁটকাত। এটা না, ওটা। কী কেবল ‘আবা’র রেকর্ড দিচ্ছিস। বনি-এমে’র রেকর্ড দে না শুনি। সেই গানটা বাই দ্য বিভারস অব ব্যাবিলন, অথবা সেই রেকর্ডটা, নেভার চেঞ্জ লাভার এট মিড-নাইট। কেন যে এ গানটা এত ভালোবাসত অরূপদা। না দিলে কাড়াকাড়ি শুরু করে দিত। অরূপদা রেকর্ডটা বাজাবেই। সে কিছুতেই দেবে না— কী বিশ্রী গান! না ওটা না। এটা শোন, আবার সেই রেকর্ড দিলে, অরূপদা সুইচ অফ করে দিত। এটা তোর খুব ভালো গান, না! ইউ আর দ্য ওয়ার্ডস, আই অ্যাম দ্য টিউন! এই একটাই বুঝেছিস!

    হ্যাঁ বুঝেছি। যাও। ভাল লাগে না শুনবে না। তোমাকে কে শুনতে বলেছে! জোর করে পূর্বা সুইচ টিপে দিলে অরূপদা ফের ওটা আল্পা করে দেবেই। সে যতবার দেবে ততবার। তখন দুজনেরই গলা সপ্তমে। মাসি দেখ অরূপদা আমার সঙ্গে কী করছে!

    ডাইনিং টেবিলে দুই বন্ধুতে ছেলেবেলার গল্পে মশগুল–মাঝে মাঝেই পূর্বার ঘর থেকে হাঁক আসছে—ওরা দু’জনেই চিক্কার করে ওঠে এখন, আবার শুরু হলো শম্ভ-নিশুম্ভ যুদ্ধ।

    আমাকে মারছে।

    এই অরূপ মারছিস কেন?

    না মা, মারছি না। মিছে কথা বলছে। তারপর আরম্ভ হতো দু-জনের মধ্যে রেকর্ড নিয়ে কাড়াকাড়ি-ধস্তাধস্তি।

    সে কিছুতেই রেকর্ডটা বাজাতে চাইত না। গানটার মধ্যে কি যেন এক নগ্ন নির্জনতা লুকিয়ে আছে। অরূপদাটা যে কী! কিছু বোঝে না! ছেলেমানুষির চুড়ান্ত। পাশের ডাইনিং স্পেসে মা–মাসি, ঘরে সে আর অরূপদা—এমন একটা গান বাজছে শুনলে মা-মাসি কী না মনে করবে। নেভার চেঞ্জ লাভার এট মিড-নাইট। এই মিড-নাইট কথাটাই কেন জানি আজকাল তাকে ভারি হন্ট করে। কতদিন ঘুম আসে না। ছটফট করে। কখনো মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে গেলে আর ঘুম আসতে চায় না। দুবছরে সে বুঝেছে, কেন অরূপদা গানটা এত ভালোবাসে। মধ্যরাতে মানুষের ভিতর এক আশ্চর্য নির্জনতা জেগে ওঠে। বোধ হয় এই বয়সে এটা বেশি হয়। মনে হয় সে এবং কেউ কোনো নদীর ধারে, কিংবা গভীর বনের অভ্যন্তরে হেঁটে চলে যাচ্ছে। সব সবুজ বৃক্ষ, লাল নীল ফুল ফুটে আছে চারপাশে–আবার খড়ের বন, বন পার হলে নদীর চরা—বালিয়াড়ি, দু-পা বালির ভিতর ঢুকিয়ে নদীর জলকল্লোল শুনতে পায়। শরীর তখন তার অবশ হয়ে আসে। অথবা স্বপ্নে সে এমন সব কিছু দেখে ফেলে যা ঘুম ভাঙলে মনে হয় কি যে একটা অসভ্যতা সে করে ফেলেছে। বাবা কি তার চোখ দেখলে, রাতের স্বপ্নের কথাও টের পান। তখন সে কেন জানি বাবার দিকে মুখ তুলে তাকাতে পারে না। আশ্চর্য এক অপরাধবোধে সে বাবাকে দেখলেই মুখ নিচু করে পাশ কাটিয়ে চলে যায়।

    বাবা দরজার পাশে এসে বললেন, তুমি তবে যাচ্ছ না।

    তোমরা যাও। আমার যেতে ভালো লাগছে না।

    বাবা এরপর আর কোনো প্রশ্ন করবেন না সে জানে। মায়ের মতো বলবে না, তোমার কি শরীর খারাপ! জ্বরজ্বালা না হলে বাবা তার শরীর খারাপ নিয়ে কোনো প্রশ্ন করে না। শরীর খারাপ কথাটা একজন নারীর পক্ষে কত দূরের খবর যে বয়ে আনে বাবা বুঝবে কী করে! যদিও ভারি অস্বস্তি হয় তার তখন। কেবল শুয়ে থাকতে ইচ্ছে হয়—অথবা র‍্যাক থেকে গল্পের বই নিয়ে মুখ ঢেকে রাখতে ইচ্ছে হয়—কেমন এক আলস্য সারা শরীরে জড়িয়ে থাকে তখন। আজ তার সে সবের কিছুই হয়নি। বরং সে আজ একটু বেশি ছিমছাম। এক হপ্তাও হয়নি, সময়টা পার হয়ে গেছে। দু-তিন হপ্তার জন্য নিশ্চিত। সে ইচ্ছে করলে সহজেই বের হয়ে পড়তে পারে।

    কিন্তু কেন যে সে বলল, যাবে না, মাথায় কিছুতেই আসছে না। তার খুবই ইচ্ছে করছে, বলে, সে যাবে। কোথায় যেন একটা সূক্ষ্ম বাধা তাকে আটকে রাখছে। কেন এই সংকোচ সে ঠিক বুঝতেও পারছে না। দু-বছরে সে কতটা যে বদলে গেল! আগে সে এতটা ভাবতই না। সবার আগে গিয়ে সেজেগুঁজে বসে থাকত। ফ্রক গায়, বব করা চুল, সাদা মোজা, আর হালকা প্রসাধন মুখে। মেসো গাড়িতে ওঠার সময় তার দিকে তাকিয়ে বলত, ব্লমিং মাই গার্ল। এবারে কী বলত! অরূপদা প্রথম দিকে কেমন একটা আলগাভাব দেখাত। যেন চেনেই না। তারপর দিন যেতে না যেতেই অসুরের মতো উপদ্রব শুরু করে দিত। কোথায় কোনো সিনেমায় কোন নায়ক কীভাবে হাঁটাচলা করে, কিংবা কথা বলে সব নকল করে দেখাত। তারপর মজা করার জন্য বলত, মার দেঙ্গা। কেইসে তুম হো! আর তখনই তার রাগ বাড়ত। একদম হিন্দি বলবে না। তোমার এমন কথা শুনলে আমার বন্ধুরা হাসবে। আসলে পূর্ব বাংলা মিডিয়ামে পড়ে। ইংরেজিটা ভালো আসে না। অরূপদার সব কথাই হয় ইংরেজি না হয় হিন্দিতে। সে বলে দিয়েছে, আড়ি। এ কীরে বাবা, বাংলা বলতে পার না।

    পারি। ঘোড়া হোড়া।

    আবার ইয়ার্কি হচ্ছে!

    আচ্ছা বাবা বাংলাই বলব। তোর এত রাগ কেন বুঝি না!

    রাগ আবার কী! ও-ভাবে কথা বললে, কাছের মানুষ তোমরা মনেই হয় না।

    কত সহজে সে বলতে পেরেছে অরূপদাকে, কাছের মানুষ! অরূপদার সেই থেকে কেমন একটা অধিকার জন্মে গেছে। মতো তার ঘরে এসে এটা ওটা ধরে টানাটানি করত। তুই আজকাল খুব হালকা নভেল পড়ছিস দেখছি। তারপর হেডলি চেজ থেকে আরম্ভ করে হ্যারল্ড রবিনস, আরভিং ওয়ালেস, এমনকী আরও আধুনিক লেখকদের নাম করে বলত, পড়বি। একটা বই দিয়েছিল অরূপদা, দু পাতা পড়েই শরীর কেমন গোলাচ্ছিল। মেয়েদের এ-সব কথা এ-ভাবে লেখা যায়। নোংরা! তুমি এ-সব পড়ো। ছি!

    পড়তে বারণ করছিস!

    একদম পড়বে না।

    কেন পড়লে কী হয়!

    নষ্ট হয়ে যায়।

    নষ্ট হওয়াটা কী মজার তুই বুঝিস না।

    আমি বুঝি। বুঝিস! আরে ব্বাস, মাই গড, তুই এত বুঝিস জানতামই না।

    এবারে তবে জেনে রাখ।

    কথাগুলো বলতে হয় বলে বলা। সে এত কিছু ভেবে বলেনি। শুধু বলেছিল, এসব বই পড়লে তুমি নষ্ট হয়ে গেছ ভাবব।

    বাবা মাও তো পড়ে।

    যা!

    সত্যি বলছি।

    পূর্বা কেমন অবাক হয়ে যায়। মানুষের কাছে এটা তো এক মুগ্ধ জীবনের প্রকাশ। ভারি গোপন। সবাইকে জানিয়ে দিলে এর সব স্নিগ্ধতা যেন নষ্ট হয়ে যায়। গভীর গোপন এই সৌন্দর্যকে নিয়ে চটকালে ফুলটা বিবর্ণ হয়ে যাবে না! এমনই ভাবে পূর্বা। অরূপদা ভালোবাসে বলেই ‘আবা’র বনি-এমের রেকর্ড কিনে এনেছিল—এই কী বাজাচ্ছিস, আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে। কী গান রে বাবা। চল তোকে আবা’র রেকর্ড কিনে দিচ্ছি। আশ্চর্য মিউজিক। রেকর্ডগুলো এনে বাজাবার সময়, আঙুলে তুড়ি মেরে কেমন গলা মিলিয়ে গাইত। পূর্বার মনে হত অরূপদা বড়ো কম বয়সে অনেক বেশি জেনে গেছে। মাঝে মাঝে রাগ হলে বলত, হঁচড়ে পক্ক।

    সেই অরূপদারা আসছে।

    গাড়ি বের হয়ে যাবার শব্দ পেল পূর্বা।

    পূর্বা এখন কী করবে বুঝতে পারছে না। বাথরুমে ঢুকে স্নান সেরে নিলে হয়।

    নন্দ বলল, দিদিমণি চা।

    সে চা না খেয়েই বাথরুমে ঢুকে গেল। সেই বড়ো আয়না। সে ছোটোবেলা থেকেই আয়নাটা দেখে আসছে। মাথা সমান একটা উঁচ আয়না দেয়ালের সঙ্গে সাঁটা আগে বুঝত না, বাথরুমে এত বড়ো একটা আয়নার কী দরকার! যত বড়ো হচ্ছে তত বুঝতে পারছে আয়না আছে বলেই সে নিজের সব কিছু এত খোলামেলা দেখতে পায়। আগে সে বাথরুমে ফ্রক প্যান্টি খুলতে পর্যন্ত লজ্জা পেত। সে খুলত না। বাবাকে মনে হত, বুদ্ধির চেঁকি। আর জায়গা পেলে না! এত বড়ো আয়না এখানে! এখন বুঝতে পারে আয়নার রহস্য! আয়নাটা না থাকলে বাথরুমের আসল সৌন্দর্যটা নষ্ট হয়ে যেত। বাথরুমে ঢুকলেই আয়নায় সে তার নারী মহিমা টের পায়।

    সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আজ নিজেকে একটু বেশি মনোযোগ দিয়ে দেখল। আশ্চর্য, আয়নার অদুরে কেউ দাঁড়িয়ে হাসছে। এই ফাজিল ছেলে, ওখানে কেন। মারব। সরে যাও বলছি। ছিঃ তুমি কী! যাওনা। নানা। ও-ভাবে না। আমি ওভাবে ভালোবাসি না।—পাশ থেকে? না না আমি মরে যাব। ও-ভাবে না! তুমি কী বোকা। এই পাগলের মতো কী করছ! আঃ।

    সে কতক্ষণ আয়নার সামনে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল জানে না। কখনো চড়াই উত্রাই পার হয়ে গেছে কারো হাত ধরে, কখনো কোনো নির্জন দ্বীপে সে আর অরূপদা। একটা বোটে করে চলে গেছে। এক উলঙ্গ পৃথিবীর বাসিন্দা দুজনে। সবুজ প্রান্তর পার হয়ে ছুটে গেছে প্রজাপতি ধরতে। আবার কখনো সমুদ্রের তরঙ্গমালায় ভেসে যেতে যেতে চিৎকার করে উঠেছে, আমি ডুবে যাচ্ছি কেন। আমাকে কে তলিয়ে দিচ্ছে। সমুদ্রের গভীরতা খুঁজে পাচ্ছি না অরূপদা! আর তখন অরূপদার ক্ষীণ গলা শুনতে পাচ্ছে, গভীরতার খবর আমি রাখি। আমি আছি বলেই তোমার এই গভীরতার সন্ধান দিতে পারব। আমরা আছি বলেই তোমার এই রহস্যময় গভীরতা পৃথিবীতে জন্মের ইশারা ডেকে আনে।

    নন্দ ডাকছে তখন, ও দিদিমণি, খাবার ঠাণ্ডা হয়ে গেল।

    তার হুঁশ ফেরে।

    সে বের হয়ে এল শাড়ি পরে।

    নন্দ বলল, কী সুন্দর লাগছে দিদিমণি! সরস্বতী ঠাকরুণ একেবারে।

    এই মারব।

    তুমি একেবারে দুগগা ঠাকুর হয়ে গেছ দিদিমণি!

    মারব বলছি।

    আসলে পূর্বার মনে হচ্ছিল দুগগা ঠাকরুণ না ছাই। বাথরুমে কত রকমের অসভ্য চিন্তা করেছে। ওটা ভালো না। নিজেকে বড়ো ছোটো মনে হয়। অথচ না ভেবেও কেন যে থাকতে পারে না। অসভ্যতা ভেবেও সে স্থির থাকতে পারে না। ভাবতে ভাবতে কখন অবশ হয়ে আসে শরীর। পিচ্ছিল এক নদীপথে ভাসমান নক্ষত্রমালার স্বপ্ন দেখতে দেখতে তার ঘুম চলে আসে। নন্দ তা বুঝবে কী করে! সে খুব সাহসী না। সে এখনও দরজা ভেজিয়ে শোয়। বন্ধ করে শুতে ভয় পায়।

    আর তখনই সিঁড়িতে হৈ-চৈ করে উঠে আসছে কারা। অরূপদার গলা পাওয়া যাচ্ছে। সিঁড়ি ভেঙে দোতলায় উঠলেই দেখতে পাবে তাকে। তাড়াতাড়ি নিজেকে কেমন লুকিয়ে ফেলতে ইচ্ছে হল। কেন যে সোজাসুজি ছুটে গিয়ে বলতে পারছে না—অরূপ-দা, কি মজা, তোমরা এসে গেছো! এবারে তোমাকে নিয়ে কাকুলিয়া পার হয়ে চলে যাব। কাঁচা রাস্তা, তারপর আর গাড়ি চলে না। আমরা হেঁটে যাব। গ্রামটা কী সুন্দর! সব গরিব মানুষের বাস। ওখানে আমার এক বন্ধু থাকে। বাবা তার পড়ার খরচ চালান। বড়ো হোস্টেলে থাকে। বাবা মাঝে মাঝে আমাদের ওখানে নিয়ে যান। এবার আমি তোমার সেখানে নিয়ে যাব। ওর বাবা মা কী ভালো। সামনে পুকুর, তেঁতুল গাছ কী প্রকাণ্ড, তার ছায়া কী গভীর আর কী ঠাণ্ডা! তেঁতুল গাছের নীচে আমরা দুজনে চুপচাপ বসে থাকব।

    আর তখনই গলা পাওয়া গেল, এই পূর্বা তুই কোথায়।

    সে আয়নায় নিজের মুখ দেখে চুলে সামান্য চিরুনি চালিয়ে বের হয়ে বলল, তালে এসে গেলে!

    আমরা ভাবলুম, তোর আবার কোনো অসুখ-বিসুখ নাকি!

    তুই গেলি না!

    পূর্বা কিছু বলল না।

    অরূপদাকে কিছু না বললেও আসে যায় না। নিজেই অজস্র কথা বলে যাবে। কে কী কথার জবাব দিল তোয়াক্কা করে না। দু-বছরে মানুষ সত্যি দ্রুত বদল হয়ে যায়। অরূপদা আরও লম্বা হয়েছে। ঢ্যাঙা, লম্বু। চুল ব্যাকব্রাস করা। নরম নীলাভ দাড়ি গালে অল্প অল্প। প্রায় নবীন সন্ন্যাসী গেরুয়া পরলে। পূর্বা ঠিক চোখ তুলে তাকাতে পারছে না।

    আবার অরূপদার কথা, এই আর। তোকে মা ডাকছে বাবা খোঁজাখুঁজি করছেন।

    পূর্বা জানে ওরা এখন বসার ঘরে। বসার ঘরটা করিডোরের শেষ প্রান্তে। সিঁড়ির মুখেই। মা ওদের জলখাবার করার জন্য ব্যস্ত। বাবা বসে শহরের যানজট নিয়ে কথা বলছেন। বাবার এক কথা, যে ভাবে পপুলেশন বাড়ছে, বামফ্রন্ট কেন, কোনো সরকারেরই ক্ষমতা নেই সমস্যার সমাধান করতে পারে।

    প্রায় যেন অরূপদাই তার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল। সে যেতেই মেসো বলল, দেন মাই ফেয়ার লেডি, কেমন আছ!

    পূর্বা হেসে বলল, ভালো।

    — পড়াশোনা কি রকম চলছে?

    — ভালো। আসলে পূর্বা এর চেয়ে বেশি জবাব দিতে পারছে না। এবারে মাই ব্লমিং গার্ল না বলে, মাই ফেয়ার লেডি বলছে। সে কেমন নিজের মধ্যে অতর্কিতে ড্রাম পেটানোর শব্দ শুনতে পায়। সে বড় হয়ে গেছে। শাড়ি পরলে বড়ো দেখায়। আর বোধ হয় ঠিক ফ্রক গায় সে আর তাদের সামনে দাঁড়াতে পারবে না। আসলে মেয়েরা শাড়ি পরলে অনেক বড়ো হয়ে যায়। সে প্রায় ছুটেই বের হয়ে গেল। বলল, আসছি।

    আসলে জীবনের এই মাধুর্য কেউ জানে না কখন জেগে ওঠে। রান্নাঘরে এসে সে এটা-ওটা মাকে এগিয়ে দিচ্ছে।

    মা অবাক!—কী রে তুই। তোকে এ-সব কে করতে বলল! যা ওদের সঙ্গে গল্প করগে। ওরা কী ভাববে!

    অরূপ রান্নাঘরে ঢুকে বলল, আন্টি তোমার মেয়ে পালিয়ে এল কেন?

    কী জানি! জিজ্ঞেস করে দ্যাখ, কেন পালিয়ে এল।

    আমার ইচ্ছে। বলে সে আবার মাকে কাজে সাহায্য করতে গেলে তার মা কেমন বিরূপ হয়ে উঠল।—সব ভাঙবে। ইস তোমাকে কে বলেছে! কবে ঢুকেছ। মেসোকে গিয়ে বল হাত মুখ ধুয়ে নিতে। ওদের ঘরগুলো দেখ ঠিক আছে কি না!

    পূর্বা ঘর হয়ে এল। মা বুঝতেই পারছে না, সবার কাছে সে ধরা পড়ে গেছে। অরূপদার চোখ কি রকমের বন্য, মেসোর চোখে অপার প্রশান্তি, মাসির স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার মতো যেন বলা, যাক তবে বড়ো হয়ে গেলি! অরূপদার বন্য চোখ দেখলে সে কেমন অস্থির হয়ে উঠছে। অরূপদার ঘরটায় সব ঠিক আছে কি না–পার্ট করা সাদা চাদর বের করল, বালিশের ওয়াড় পাল্টে দিল, সামান্য ঝুল ছিল কোণায়, নিজেই তা পরিষ্কার করার সময় দেখল অরূপদা হাজির। তাকে অরূপদা এক দণ্ড কোথাও একা থাকতে দিচ্ছে না।

    এই।

    বল!

    এখানে এ-সব কী হচ্ছে!

    কী করব।

    চল না সেই রেকর্ডটা বাজাই।

    কোনটা?

    কিস মি, কিস মি।

    না।

    কেন না।

    বললাম তো না।

    অরূপ বলল, দেন লেট মি কিস ইয়ু বলে হাত ধরে টানতেই পূর্বা কেমন ক্ষেপে গেল, ছোটোলোক! ইতর!

    অরূপ কেমন ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেল। সে মাথা নীচু করে বসে থাকল। পূর্ব ছুটে বের হয়ে গেছে।

    পূর্বা নিজের ঘরে এসে কেমন হাঁপাতে থাকল। সে বলতে চায়নি। সে এত ছোটো নয়, তবু কেন যে এমন কুৎসিত ভাবে অরূপদাকে অপমান করল! কী তার হয়েছে! সে তো চায় কোনো কাশবনের গভীরে অরূপদাকে নিয়ে প্রবেশ করতে সে তো চায়, আকাশের নীচে একজন মানুষই তার সর্বস্ব কেড়ে নিক— তবু কেন, সে এ-ভাবে মানুষটার খোলামেলা স্বভাবে আঘাত দিতে গেল। নিজের মধ্যে এত সব বৈপরীত্য কাজ করে কেন! কেন! সে প্রায় বিছানায় হুমড়ি খেয়ে পড়ল। বালিশে মুখ চাপা দিল। এমন সুন্দর মানুষটাকে অপমান করে এসে বিষের জ্বালায় নিজেই জ্বলছে।

    সে-দিনই রাতে প্রথম পূর্বা তার দরজার ছিটকিনি আটকে ঘুমাতে গেল। জীবনে আর একটা নতুন ভয় এবার তার সামনে হাজির। সবাই জেনে গেছে এই বয়সেই বালিকারা নারী হয়ে যায়। আর মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে সে শুনতে পেল সুদুরে সেই মিউজিক বাজছে, আই অ্যাম দ্য সান, ইউ আর দ্য মুন, আই অ্যাম দ্য ওয়ার্ডস, ইউ আর দ্য টিউন। মিউজিক শুনতে শুনতে নারীমহিমায় চোখের জলে ভেসে যাচ্ছিল পূর্বা।– প্লে মি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনানা রসের ৬টি উপন্যাস – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }