Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ

    লেখক এক পাতা গল্প1108 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রহসন

    বয়স যত বাড়ে মেজাজ তত তিরিক্ষি হয়ে যাবার কথা। কিন্তু প্রিয়নাথ সারাদিন মেজাজ ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করেন। কিছুতেই তিনি নিজেকে আর রিপুর তাড়নার মধ্যে ফেলে দিতে চান না।

    সকাল থেকেই শুরু।

    লোডশেডিং। জল তোলা যাচ্ছে না। বাড়িতে এতগুলি লোকের বাথরুমের জল, এছাড়া কাচাকাচি আছে অফিস, কলেজ, স্কুল যাবার তাড়া, ট্যাঙ্কের জল না থাকলে দোতলা, তিনতলা সম্পূর্ণ কানা। একতলায় তবু চলে যায়। টিউবওয়েলের জল টেনে স্নানটানও সারা যায়—কিন্তু তখন কাজের লোকদের কী মুখ!

    কে টানবে এত জল!

    কে টানবে এত জল!

    তা ঠিক, যেন সবটাই প্রিয়নাথের দায়। ডিপটিউবওয়েল না করার খেসারত। সবার যেন এক কথা, তাঁকে তাক করে, তুমি বোঝে। কে টানবে এত জল।

    এই তো দু-বালতি জল উপরে তুলে দিলাম। হাত জোড়া, যাই কী করে! ছোড়দা বের হবে, সবে ভাত নেমেছে। কোনদিকে সামলাব!

    রান্নার মেয়েটা আজ দেরি করে আসায় সকাল থেকেই বেদানার চোপা শুরু হয়ে গেছে। সবার আগে বের হয় তার ছোড়দা, হাসপাতাল বলে কথা। সে নিজেই ছোটো ডিকচিতে ভাত বসিয়ে দিয়েছে—গাড়ি এলেই ছোড়দা বের হয়ে যাবে। তারপরই তর তর করে নেমে আসবে মেজদা মেজবউদি। ওরা একসঙ্গে অফিস পাড়ায় যায়। গাড়িতে গেলেও এক ঘণ্টার কমে হয় না। বাড়িটা অফিস পাড়া কিংবা হাসপাতাল থেকে দূরে হয়ে যাওয়ায় সকাল থেকেই তাড়া—এই ঝমকি, টেবিলে ভাত দিয়ে দাও–মেজদা, মেজবউদি নামছে, এই ঝমকি মাসিমা আজ পোস্তর বড়া খাবে, তাঁর জন্য আলাদা পোস্তর বড়া করে রেখো। এই ঝুমকি, মান্তু নান্টুকে ডিমের ঝোল করে দেবে, মাগুর মাছ খেতে চায় না—প্রিয়নাথ নিজের বসার ঘরে বসে সবই শুনতে পান। বাড়িটা শহরের বাইরে হওয়ায়, স্কুল কলেজ হাসপাতাল অফিস সবই প্রায় এক দেড়ঘণ্টা দূরে হয়ে যায়। উলটোডাঙা কিংবা কাঁকুরগাছিতে বাড়িটা কেন যে করলেন না, সেই নিয়েও কম উম্মা নেই বউমাদের–ইস সকাল হতে না হতেই নাকে মুখে গুঁজে ছোটো-পারা যায়।

    প্রিয়নাথ বোঝেন বউমাদের কথায় খোঁচা থাকে—এক সময় এতে তিনি ক্ষুব্ধ হতেন, আজকাল তাঁর সব সয়ে গেছে।

    এমনিতেই জলের টানাটানি, জলের সাপ্লাই কমে গেছে—বিড়ালের পেচ্ছাবের মতো সরু হয়ে নীচের ট্যাঙ্কে জল পড়ে, সারাদিনে ট্যাঙ্ক ভর্তি হয় না, জল খরচের নানা বিধিনিষেধও তিনি সব কাজের লোকদের ওপর জারি করে দেন। এই যেমন,

    শোনো ঝুমকি, খুচরো বাসনকোসন টিপকলের জলে ধুয়ে নেবে। লাইনের জলে হাত দেবে না। ঠিকা ঝি সুমিত্রা এলেও সতর্ক করে দেন, লাইনের জলে একদম হাত দেবে না। ট্যাঙ্ক ভরেনি। কাচাকাচি সব টিপকলের জলে সারবে। নীচের ট্যাঙ্ক ফাঁকা, উপরে জল উঠবে কী করে।

    মুসকিল কুচিকে নিয়ে।

    মাস তিনেক হল, বাড়িতে আমদানি।

    অবশ্য রমলার দোষও দেওয়া যায় না। তার টুকিটাকি ফুট ফরমাস খাটার লোক নেই, প্রাতঃ ভ্রমণে বের হয়ে এক সকালে মেয়েটাকে নিয়ে হাজির।

    প্রিয়নাথ সেদিন বাজারে বের হচ্ছেন, তখনই রমলা ঢুকে বলেছিল, নিয়ে এলাম মেয়েটাকে। দুশো টাকা দিলেই হবে। আমাদের তো দেখার কেউ নেই, এক গ্লাস জল চাইলে পাওয়া যায় না। দোতলা থেকে ডাকলে কেউ সাড়াই দিতে চায় না।

    প্রিয়নাথ বললেন, ভালো করেছ।

    সেদিন তিনি বাজারে বের হচ্ছেন, দেরি হলে পছন্দমতো মাছ পাওয়া যাবে না। স্ত্রীর নিবুদ্ধিতার প্রতি কোনো কটাক্ষ না করে বের হয়ে যাওয়াই আত্মরক্ষার প্রকৃষ্ট উপায়—কুচিকে নিয়ে তিনজন কাজের লোক, থাকা-খাওয়া, এবং তাদের শোওয়ার ব্যবস্থা, এছাড়া বাড়িটায় আলাদা বাথরুম নেই। কাজের লোকদের জন্য বাইরে কলতলায় ব্যবস্থা করে দিলেও, তারা কলতলায় খোলামেলা জায়গায় চান করতে রাজি না, সেই জন্য যদি থাকতে না চায় মুসকিল

    থাকবে কেন। কাজের লোক বলে কি তারা মানুষ না! সিঁড়ি ধরে নামতে নামতে বড়ো বউমার মন্তব্য।

    ঠিক কথা। খুবই যথার্থ কথা।

    তিনিও জানেন, থাকবে না। পালাবে। তোষামোদ করে কাজের লোক না রাখতে পারলে, এখন যে খুবই বিড়ম্বনা, তাছাড়া এত বড়ো সংসারে, কর্তা গিন্নি মিলে দু-জন, তিন পুত্র, তিনি বউমা মিলে ছ-জন, আর চার নাতি-নাতনী, এই মিলে সংসার বড়োই বলা যায়, তার ওপর আরও তিনজন, এতসব লোকের খাওয়া-থাকা, শোওয়া, তাদের জলখরচ থেকে শুরু করে হাত খরচের বহর যে। কত বেড়ে যায়, প্রিয়নাথের মাথায় যে বোঝা কত ভারী হয়ে যায়, কেউ বুঝতেই চায় না। বউমারা ছেলেরা তো কেউ মাগনা খায় না, টাকা দিয়েই খায়। সুতরাং, খরচ কী বাড়ল বা কী কমল তাদের দেখার কথা না—তোমাকে বাপু গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যেতেই হবে।

    সকালে উঠেই তিনি বাথরুম সেরে, মোটর চালিয়ে লিখতে বসেন। আধ এক পাতা লেখা হতে না হতেই বেদানা দরজায় হাজির। হাতে তিন চার রকমের বাজারের থলে।

    আমি এগচ্ছি।

    এগও।

    লেখার কাগজ সরিয়ে তিনি উঠে পড়েন। তারপর ফর্দ মতো বাজার। সব মাছ সবাই খায় না। একমাত্র কাটা পোনা ইলিশ পার্সে এবং চিংড়ি মাছ সর্বজনগ্রাহ্য। তবে রমলা হাঁপের রুগি বলে, একমাত্র সে-ই চিংড়ি আর ইলিশ পাতে নেয় না। অন্য মাছ, যেমন প্রিয়নাথ পছন্দ করেন মৌরলা মাছ। নাতনীরা বউমারা মৌরলা মাছ কেউই খেতেই চায় না। প্রিয়নাথ পছন্দ করেন পাবদা মাছ, ছোটো বউমা পাবদা মাছ দেখলেই অক অক করে কলতলায় ছুটে যায়। কফের দলার মতো দেখতে—তিনি অবাকই হয়ে যান, লৌটটা মাছ হলেও কথা ছিল, পাবদা মাছ কফের দলা হয়ে গেলে তিনি যে নিরুপায়। মাগুর মাছ ছেলেরা এবং তিনি নিজে খুবই পছন্দ করেন, কিন্তু বড়ো নাতি খায় না।

    কেন খায় না?

    রমলা বলেছিল, তুমি ডেকে জিজ্ঞেস কর না।

    হ্যারে পার্থ, মাগুর মাছ খাস না কেন?

    সে কোনো জবাব না দিয়ে সিঁড়ি ধরে তিনতলায় ছুটে গিয়েছিল।

    তার হয়ে বড় বউমা হাজির।

    আর বলবেন না বাবা, বারান্দায় সেদিন একটা মুচি জুতো সেলাই করছিল। মাগুর মাছের চামড়া মুচিটার গায়ের চামড়ার মতো। ওর খেতে নাকি ঘেন্না করে।

    এই গ্রীষ্মের দাবদাহে বাজারে পছন্দ মতো মাছ কেনা যে কত কঠিন তিনি ভালোই বোঝেন। মাছের বাজারে ঢুকলেই—চেঁচামেচি। বাবু, কেউ মেসো, কেউ কাকা যে যার মতো তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক পাতিয়ে নিয়েছে। তিনি যে সরেস মাছের খদ্দের তারা ভালোই জানে।

    বাবু, সাড়ে চারশো!

    না, চারশো। দ্যাখ চারশো-তে যদি দাও, এক কেজি দিতে পার।

    বাবু পোষাবে না। তা পোষাতে নাই পারে—বাগদা চিংড়ি বলে কথা।

    এইভাবেই একসময় রক্ষাও হয়। কে কী মাছ খায় সেই মতো কেনেন। রমলা চিংড়ি মাছ খান না। তাঁর জন্য আলাদা দু-আড়াইশো কাটা পোনা নিতেই হয়।

    দু-দিনের বাজার তাঁকে এভাবে সারতে হয়—মাগুর মাছ একবেলা, ইলিশ না হয়, কাটাপোনা একবেলা, এই মাছের কেনাকাটা করতে তার ঘণ্টাখানেক কাবার হয়ে যায়। বেদানা তরকারির বাজার সেরে ফেলে—কে কী খাবে যেমন রমলার পাতে শাক না পড়লে ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। যেমন তিনি নিজে নিমবেগুন, অথবা উচ্ছে ভাজা প্রথম পাতে খেতে পছন্দ করেন। নতুন আম ওঠায় চাটনির জন্য আর টমেটো কেনা হয় না। ঝোলে, তরকারিতে টমেটো না হলেও আবার চলে না, সবার সব পছন্দ বুঝে রমলার ফুল বেলপাতা, নিজের জন্য মর্তমান কলাও কেনেন তিনি। কলা, দু-পিস পাউরুটি আর একটি সন্দেশ হলে তাঁর সকালের জলখাবার হয়ে যায়।

    বাড়িতে সবারই দু-বেলা ভাত, চামরমণি চালের ভাত দু-বেলা—সোজা কথা! রাত্তিরে রুটি কিছুতেই আর চালু করা গেল না। দু-বেলাই মাছ, মাছ ছাড়া কেউ মুখে ভাত তোলে না। কাজের লোকদের জন্য রাতে মাছ না নিলেও হয়, এই ভেবে তিনি নিজে কিছুদিন রাতে মাছ পাতে নেন। তিনি না খেলে, কেউ কেউ যদি রাতে মাছের বাড়তি খরচ ভেবে না খায়, এবং তাঁর দেখাদেখি সংসারের অতিমাত্রায় খরচের প্রতি যদি সজাগ হয়, হলে কী হবে, তিনিই খান না, সবাই খায়। রমলা বিরক্ত হয়ে বলবে, তুমি না খেলে কারও কিছু আসে যায় না বোঝ না। রান্নাঘরটা কাজের লোকদেরই জিম্মায়। যে যার মতো ঘড়ি ধরে নামে, খায়, তারপর অফিস, হাসপাতাল, কলেজ, যার যেখানে কাজ চলে যায়। ছুটির দিনে অর্ডার মতো সরবরাহ হয়ে থাকে।

    কেউ চাউমিন সকালে।

    কারও লুচি ছোলার ডাল।

    কারও এক গ্লাস দুধ, দু-পিস পাউরুটি।

    ফ্রিজে কী আছে না আছে বেদানা খবর রাখে।

    মেসো, ডিম আনতে হবে, দুধ আনতে হবে। পাউরুটি আনতে হবে। দুধ আনতে হবে। পাউরুটি আনতে হবে। বেদানাই কে কী খাবে না খাবে, নীচে নেমে জানিয়ে দেয়। প্রিয়নাথের একটাই কাজ লক্ষ রাখা। কোনো কারণেই যেন কেউ না ভাবে, তিনি ঠিক মতো কিচেনের সরবরাহ বজায় রাখতে পারছেন না।

    প্রিয়নাথ আজ বাজার থেকে ফিরে দেখলেন, বেদানা ফেরেনি। তিন চারটি ব্যাগ বয়ে আনা তাঁর পক্ষে সম্ভব না বলেই পাঁচটা টাকা দেন রিকশ ভাড়া বাবদ। তিনি হেঁটে চলে আসেন। বেদানা এল না এখনও, কিচেনে হুলস্থল, কখন বাজার আসবে-কখন কী রান্না হবে, তিনি তো যতটা সত্বর সম্ভব বাজার সেরে তাকে ছেড়ে দিয়েছেন, সে না আসার কোনো কারণ থাকতে পারে না। রাস্তায় এগিয়ে দেখলেন, বেদানা হেঁটে আসছে।

    তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, কী হল, এত দেরি!

    তাঁর সাহস নেই বলার, রিকশার ভাড়া নিলে—অথচ এলে হেঁটে।

    বেদানা বলল, কী করব, রিকশা না পেলে কী করব।

    দেরি হয়ে যাবে বলে হেঁটেই চলে এলাম। এত বড়ো রাবণের সংসারের বোঝা কার টানতে ইচ্ছে হয় বলুন।

    তিনি কথা বাড়ান না, কথা বাড়ালেই, তার মেজাজ অপ্রসন্ন হয়ে যাবে বুঝতে পারেন। এতে তাঁর লেখার ক্ষতি হয়। হাত মুখ ধুয়ে লেখার প্যাড টেনে আবার কয়েক লাইন লিখে ফেললেন। চারপাতা লেখা হয়েছে, আর চারপাতা লেখা হলেই, হাজারখানেক টাকা হয়ে যায়? এই হিসাব কাজ করছে কেবল মাথায়। বিকালেই কাগজ থেকে লোক আসবে লেখাঁটি নিতে। তিনি সকাল থেকে এভাবেই কাজের ফাঁকে ফাঁকে দু-চার লাইন কিংবা আধ পাতা লেখেন।

    তখনই ডোর বেল বেজে উঠল।

    এই কুচি, দরজা খুলে দে।

    আমরা স্যার বারোয়ারিতলা থেকে এসেছি।

    তাদের আবদারের কথা এবার শুনতে হবে, চিফ গেস্ট, না হয় সভাপতি, এবং সংবর্ধনাও হতে পারে তিনি মুখ গম্ভীর করে রাখেন—আচ্ছা ঠিক আছে কবে যেন?

    পয়লা মে।

    আমি তো থাকব না ভাই।

    তিনি আর কোনো কথা বলতেই রাজি না, প্যাড, কলম পাশে পড়ে আছে। কতক্ষণে উঠবে এরা, তারপর নিরাশ হয়ে চলে গেলে আবার আধপাতাও লেখা হয়নি, কুচি এসে হাজির। ঠাম্মার ওষুধ দাও। কুচি এখন রমলার দেখাশোনা করে, রমলা এত ভোগে, অথচ তিনি হাতে ওষুধ না তুলে দিলে, রমলা ওষুধ খেতে ভুলে

    যায়। তাঁকে অগত্যা উঠতে হয়। ওষুধ দিয়ে আসতে হয়। কুচি জল নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কোন ওষুধ কখন খেতে হবে তাও মনে করিয়ে দিতে হয় প্রিয়নাথকে।

    প্রিয়নাথ নীচে নেমে দেখলেন, ঘর ফাঁকা, যাক বাঁচা গেল। ঘড়ির দিকে তাকালেন, দশটা বাজে, আর দু-ঘণ্টা হাতে সময় আছে, বারোটায় তাঁকে খেয়ে নিতে হয়, রমলা ঠিক বারোটা বাজার আগেই স্নান সেরে ঠাকুরকে ফুলজল দিয়ে নীচে নেমে আসবে। তাঁর দেরি হলে রমলা খেপে যাবে, এই দু-ঘণ্টার মধ্যে বোধহয় বাকি চারপাতা শেষ করা যাবে না।

    আজকাল লেখার জন্য শব্দ বেঁধে দেওয়া থাকে, কখনো তিন হাজার, আবার কখনো ত্রিশ হাজার। পাটিগণিতের মতো অঙ্ক কষে, ক-পাতা কত লাইন, লিখে না দিলে কাগজের অসুবিধা। সব খেয়াল রেখে আর মাত্র চারপাতা। খাওয়ার পর শরীরে বড়োই আলস্য দেখা দেয়। দিবা নিদ্রার অভ্যাস আছে। ঘুম থেকে উঠে বাকি যেটুকু থাকে লিখতে হবে। আর যদি দু-ঘণ্টায় চার পাতা হয়ে যায়—তার লেখার গতি এবং ঘণ্টার পরিমাপ হিসাব মতো না হলে গল্প শেষ নাও করে উঠতে পারেন, ইচ্ছে করলে রাতে লিখতে পারেন, তবে নিশ্চিতভাবে রাতে লিখবেনই এমন বলা যায় না কারণ লোডশেডিং গরম এবং মশার উৎপাত এত বেশি যে রাতে কিছুই করা যায় না। মশারির নীচে ঢুকে কেবল বই পড়া যায়। আর খুবই অনিদ্রায় ভোগেন বলে হাই তোলা যায়।

    তাঁর আর রমলার খাওয়া সারতে সারতে সাড়ে বারটা বেজে যায়। তখনই বেদানা ফেরে ছোটো দুই নাতনীকে নিয়ে। স্কুল বাস থেকে তাদের নামিয়ে দেওয়া হয়, বেদানা তাদের প্রায় টানতে টানতে নিয়ে আসে। এই সময়টায় তিনি চেয়ারে বসে থাকেন। মোটরে আর এক দফা জল তোলেন, কারণ ট্যাঙ্কের জল এই সময়টায় যেটুকু হয়, তুলে রাখেন—কোনো কারণেই যেন দুতলা তিনতলায় জলের অভাব না হয়।

    এই সকালটায় নানা উৎপাতের মধ্যে আরও একটি বড়ো উৎপাত—কারণ তিনি নিজেই জানেন না, কখন বাড়িটার পাহারাদার হয়ে গেছেন। যেমন ফোন, হ্যালো ম্যাডাম আছেন। তিনি ডাকেন, কুচি কুচি কুচি এলে বলেন, দ্যাখ তো তোর বড়ো বউদি বের হয়ে গেছে কিনা কলেজে, না বাড়িতেই আছে।

    বড়ো বউদি বের হয়নি।

    নিয়ে যা। আপনি ধরুন। বাড়িতেই আছে। আবার দু-পাঁচ লাইন—

    হ্যালো, ডাক্তার চক্রবর্তী আছেন?

    না, নেই।

    কোথায়?

    হাসপাতালে।

    কখন ফিরবে।

    রাত হবে। ফোন ছেড়ে আবার পাঁচ-সাত লাইন—

    হ্যালো—

    বলুন।

    আমি বাবা সুপ্রিয়া, আপনার নাতনীরা ফিরেছে?

    হ্যাঁ ফিরেছে।

    একটু দিন তো ওদের—আবার আট-দশ লাইন—

    হ্যালো—

    বলুন।

    আমি সুকুমার দাস বলছি।

    বলুন।

    এফ এমে আপনার সাক্ষাৎকার শুনেছি। আপনি যে আমার গাঁয়ের লোক জানতামই না।

    তারপর এত কথা যে তিনি বাধ্য হয়ে শুধু শুনে যান। হুঁ হাঁ করেন। কতক্ষণে ফোনের আবদার শেষ যে হবে!

    আপনাকে আমাদের বাড়ির সবাই দেখতে চায়। গাড়িতে নিয়ে আসব। কবে সুবিধা হবে।

    আপনাকে জানাব। আপনার ফোন নম্বরটা দিন, আসলে যেভাবেই হোক এসব আবদার থেকে আত্মরক্ষার তাঁর উপায় থাকে না বলেই তিনি ফোনের নম্বর চেয়ে নেন, আর দু-পাতা যে তাকে শেষ করতেই হবে। ঘড়ির দিকে তাকান-রমলা ঠিক বাথরুমে ঢুকে গেছে। সে বের হয়ে এলেই তাঁকে চানের ঘরে ঢুকতে হবে।

    নাতনীদের খাওয়া হলেই সিঁড়ি ধরে উপরে উঠে যায়। তারা গিয়ে যে যার বিছানায় শুয়ে পড়ে। তাঁকেও উপরে উঠে যেতে হবে। তাঁরও খাওয়াদাওয়ার পর একটু গড়িয়ে না নিলে, শরীরের জড়তা কাটে না। আর দু-পাতার মধ্যে গল্পটা শেষ করতে হবে—কিন্তু হাতে যে সময় নেই। সন্ধ্যায় কাগজের লোকটি আসবে তিনি যে কী করেন।

    এখন বাড়িটা বলতে গেলে খালি। বড়ো বউমাও বের হয়ে গেছে। পার্থর স্কুল চারটায় ছুটি হয়। বাড়ি ফিরতে ফিরতে পাঁচটা। আসলে পাঁচটার পরই সবাই ফিরতে শুরু করে। কুচির কাজই তখন বারান্দায় বসে থাকা-রান্নার মেয়েটাও চলে আসে, ঘরে ঘরে কুচি পছন্দমতো জলখাবার দিয়ে আসে। কিন্তু এই দুপুরে বাড়িটা খুবই নির্জন। বেদানা নাতনীদের ঘরে ভোঁস ভোঁস করে ঘুমায়। কোনো দরকারে তাকে ডেকে তোলারও সাহস হয় না।

    বউমাদের আসকারায় এই মহিলাটি যে মাথায় চড়ে যাচ্ছে। বউমাদের কাছে ভিজে বেড়াল, আর প্রিয়নাথের কাছে যেন ব্যাঘ। কিছু বলারও থাকে না। বউমারাই তার টাকা জোগায়। খাওয়ার খরচা তো সরকারি। প্রিয়নাথকে সমীহ করার কোনো কারণই থাকতে পারে না। কারণ প্রিয়নাথই বোঝেন এই মহিলা কেনাকাটার নামে কীভাবে টাকা সরায়। তিনি এটা জানেন বলেই আরও বেশি তাঁর ওপর খাপ্পা।

    এই যেমন—

    ক-কেজি আলু?

    পাঁচ কেজি!

    প্রিয়নাথ বোঝেন, মহিলাটি দামেও মারে, ওজনেও মারে। যতটা পারেন তিনি নিজে কেনাকাটা করার চেষ্টা করেন। বাজারেও সঙ্গে নিয়ে যান—এটাও বেদানার ক্ষোভের কারণ। যাই হোক, তাঁকে তাড়াতাড়ি গড়াগড়ি দিয়েই উঠে পড়তে হবে। বাকি দু-পাতা লিখে ফেলতে না পারলে, সম্পাদককে দেওয়া কথা ঠিক রাখতে পারবেন না।

    তাও তিনটে বেজে গেল। হাতমুখ ধুয়ে লিখতে বসবেন সবে, দরজায় ডোর বেল বাজল, কে এল! কারও তো আসার কথা না।

    তুই।

    কী করব, চলে এলাম।

    নিপুকে যে এস টি ডি করলাম, সে কিছু বলেনি। বাড়িতে কত রকমের অশান্তি জানিস! তোর বউদির এক কথা—কতকাল টানবে? তোর নাম শুনলেই কেমন হিস্টিরিয়াগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এক কথা, পল্লব যেন এ বাড়িতে আর না আসে। আমি কী যে করি না!

    পল্লব চুপচাপ বসেই আছে। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। অভাবের তাড়নায় পাগলা। পাঁচটা মুখ, উপার্জন করার কেউ নেই। পল্লবের পুত্ররাও বড়ো হয়ে গেছে, বেকার, পল্লব সামান্য একটা চা-এর দোকান সম্বল করে, আর মাথার উপরে দাদা তো আছেই, এই ভরসায় সুদিনের অপেক্ষায় বেঁচে আছে।

    বউদি কোথায়? পল্লব কেমন চোরের মতো কথাটা বলল।

    উপরে। ঘুমিয়ে আছে।

    পল্লব কিছুটা যেন স্বস্তি বোধ করছে, যাক ঘুমিয়ে আছে।

    তখনই প্রিয়নাথ বললেন, কটার গাড়িতে এলি?

    সকাল আটটার গাড়িতে

    তখনই মনে হল সিঁড়ি ধরে কেউ নামছে। রমলা হলে ভয়ঙ্কর কাণ্ড বেধে যেতে পারে। অসুস্থ রমলা মাঝে মাঝে মানসিক অবসাদে ভোগে। তখন যে কী হয় তাঁর প্রিয়নাথ বোঝেন তাঁর ভাই-বোনদের প্রতি রমলার প্রচণ্ড উত্মা আছে। তাঁর ভাই বোনদের আর্থিক সঙ্গতি কম। তবু সবার চলে যায়—পল্লবের দু-বেলা অন্ন জোটানোই কঠিন। মাসে মাসে সে এসে উদয় হবেই, তবে এবারে সাংঘাতিক বিপদের মধ্যে আছেন, রমলা বলেই দিয়েছে, এলে এবার ছেড়ে কথা বলব না। ভেবেছে কী!

    তাড়াতাড়ি তিনি উঠে গেলেন। চুপিসারে দেখলেন, না রমলা নয়। বেদানা। বোধ হয় কারও ফেরার কথা আছে, ফলের রস কিংবা দই-এর শরবত করতে নামতে পারে।

    তিনি ডাকলেন, বেদানা, শোনো।

    বলেন।

    এদিকে, শোনো।

    বলেন।

    কিছুতেই আসছে না। শুধু বলেন বলেন করছে।

    পল্লব এয়েছে। চা করে দাও। ডিম ভেজে দিও। চারপিস রুটি সেঁকে দাও। বেলা তিনটের সময় ভাতের বন্দোবস্ত করাও কঠিন। ভাতের কথা বললে, তিনি মুখ ঝামটাও খেতে পারেন—কেমন আতঙ্কের মধ্যে আছেন। পল্লব প্রায় চোরের মতোই বলল, কিছু খাব না। ছটার ট্রেন ধরব। ভাত খেতে গেলে দেরি হয়ে যাবে।

    পল্লবও বোঝে চুপি চুপি কাজটা না সারতে পারলে দাদার সমূহ বিপদ। এতদূর থেকে এসেছে ভাইটা, কিছু না খেয়ে গেলে মন তাঁর ব্যাজার হয়ে যাবে–তখনই প্রিয়নাথ না বলে পারলেন না, আমার জন্য চা হচ্ছে–কত আর সময় লাগবে! এই বেদানা, আমাদের দু-কাপ চা করে দাও। বেদানা বলল, কাপ তো একটা–

    কেন আমার কাপ কী হল।

    আপনারটাই আছে, আর কাপ নেই।

    তার মানে, এই তো ট্রেতে কাপ মেলা, এটাতে দাও।

    এটা বউদির কাপ। ওঁর বাবা এ-কাপে চা খান এলে। বউদির বারণ আছে। প্রিয়নাথ কেন যেন উন্মত্তের মতো ডাইনিং হলে ঢুকে গেলেন। দেওয়ালের কাবার্ডে থরে থরে সাজানো দামি সব কাপ ডিশ। কাচের ভেতর থেকে জ্বলজ্বল করছে। তিনি প্রায় খেপে গিয়েই বললেন, এই তো সেদিন এক ডজন কাপ ডিশ কিনে দেওয়া হল, কোথায় গেল!

    আমি কী করে বলব, কোথায় যায়? সরকারি জিনিস, যে যার মতো চা খায়, ভাঙে। কেউ কি দেখার আছে।

    কাবার্ড থেকে বের করে নাও। বেদানা খুবই তাচ্ছিল্যের গলায় বলল, আমি ধরি, আর মুখ ঝামটা খাই। বউদিরা রেখে দিয়েছে, ওদের আত্মীয়স্বজন এলে তারাই বের করে দেয়। চাবি। তাদের কাছে।

    তোমার মাসিমার কোপ থেকে বের করে দাও।

    দাঁড়ান চাবিটা নিয়ে আসছি।

    প্রিয়নাথ আঁতকে উঠলেন, এই বাড়িঘর তাঁর। এই বাড়িটা করার সময় সবার সুযোগ-সুবিধার কথা ভেবে করেছেন, সংসারের জোয়াল এখনও তাঁর ঘাড়ে। তাঁর নিজের কেউ এলে, এই যেমন তাঁর বন্ধু-বান্ধব, অনুরাগী পাঠকও হতে পারে, রমলা সঙ্গে সঙ্গে নেমে আসবে। কাপ ডিশ বের করে দেবে, তারা চলে গেলে আবার তুলেও রাখবে। এজমালি বাড়ি, এজমালি সংসার, সবই তাঁর, অথচ কিছুতেই তাঁর অধিকার নেই। তাঁর গরিব আত্মীয়স্বজনরা এলে, কারও সাড়া পাওয়া যায় না।

    বেদানা সিঁড়ি ধরে উঠছে।

    এই শোনো, তোমাকে যেতে হবে না। এক কাজ করো, আমার কাপটায় পল্লবকে চা দাও, আর গেলাসে না হয় আমাকে দাও। তোমার মাসিমাকে আর ডেকে তুলতে হবে না।

    অথচ ভিতরে এতই খেপে আছেন, এত তীব্র কষ্ট হচ্ছে যে, লাঠি দিয়ে কাবার্ডের সব কাপ ডিশ কাচ ভেঙে দিতে পারলে তিনি যেন কিছুটা ধাতস্থ হতে পারতেন। এমনকী গোটা বাড়িটায় আগুন জ্বালিয়ে দিতে পারলে আরও ভালো হত। অথচ পারছেন না। শেকড় ছাড়া জীবনে তিনি নিজেই যেন আজ উৎপাতের শামিল। রমলা জেগে গেলে আর এক কেলেঙ্কারিদেরাজ খুলে দিয়ে বললেন, তোর যা লাগে নিয়ে যা। এই প্রথম মনে হল তাঁর, পল্লব যতটা পারে তুলে নিয়ে গেলে তিনি যেন আজ নিজেকে প্রকৃতই হালকা বোধ করবেন।

    পল্লব চলে গেল।

    জানলায় বসে আজ তাঁর আর একটি শব্দও লেখার ইচ্ছে হল না। শুধু আকাশ দেখছিলেন, তাঁর কনিষ্ঠ ভ্রাতাটি আজ অভুক্ত। পায়ে পায়ে বড়ো হয়ে ওঠা স্নেহ মায়া মমতা তাঁকে তাড়া করছিল। অজ্ঞাতেই কখন যে তিনি অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠেছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনানা রসের ৬টি উপন্যাস – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }