Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ

    লেখক এক পাতা গল্প1108 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাখির বাসা

    কদিন ভ্যাপসা গরমের পর সকালের দিকে বেশ বৃষ্টি হয়ে গেল। চরাচর মনে হল মুক্ত হয়ে গেল ভ্যাপসা গরম থেকে। বেশ ঠাণ্ডা হাওয়া দিচ্ছে। কালবৈশাখীর তাণ্ডব এবারে একদিনও দেখা গেল না। জলবায়ুর কোনও পরিবর্তন কি না কে জানে। প্রিয়নাথ রোজই বের হন, বিকালে যতদূর পারেন হেঁটে যান। পার্কে বসেন। একটা সাঁকো পার হতে হয়। নড়বড়ে সাঁকোটা পার হওয়ার সময় সতর্ক থাকেন। ছ’টা বাজে, অথচ কণ্ঠদিন কি যে সূর্যের তাঁত—কেমন গরম লু বইত। আজ আরাম, আকাশ মেঘলা, গাছগুলির ফাঁকে চোখ খুলে আকাশ দেখলেন। পাতলা মেঘের ছড়াছড়ি। তার আজ হেঁটে যেতে ভালোই লাগছিল।

    বয়েস হয়ে গেছে বলেই বাড়ি থেকেও সতর্ক করে দেওয়া হয়—বেশি রাত কোরো না, সাঁকো সাবধানে পার হবে। তিনি হাসেন। তার বয়সিরা অনেকে হাতে লাঠি সম্বল করেছে, তিনি এখনও ঋজু। তার অসুখ বিসুখ নেই বললেই চলে। তিনি তাঁর বংশগতির জন্য গর্ব বোধ করেন। বংশানুক্রমিক জিন নামক বস্তুটি তাকে যে এতটা শক্ত সমর্থ রেখেছে, এটাও তিনি বোঝেন।

    ছিমছাম তার বাড়ি, প্রশস্ত রাস্তা, কেয়ারি করা ফুলের বাগান এবং বাসস্টপ পার হয়ে গলি মতো রাস্তায় ঢুকে গেলেন—সারাদিন বারান্দায় কিংবা নিজের ঘরে কাজে কর্মে লিপ্ত থাকতে ভালো লাগে না। বাইরে বের হলেই মনের মধ্যে সুবাতাস বয়ে যায়। তিনি প্রফুল্ল বোধ করেন। আর তখনই দেখলেন, পার্কের এক কোণায় ঝোপের মতো আড়ালে দুজন নারী পুরুষ অশালীন অবস্থায় বড়োই কাতর হয়ে আছে। তার যে এত কৌতূহল এ-বয়সে আসা উচিত নয়, ওদের দিকে নজর দিতেই এটা টের পেলেন। এমন কি সেই নরনারী তাকে দেখে বিন্দুমাত্র বিচলিতও বোধ করল না। অবশ্য প্রিয়নাথ এই সব পার্কে এলে এবং ঘুরতে ফিরতে এমন দৃশ্য মাঝে মাঝেই দেখে ফেলেন। মাঝে মাঝে আফশোসও করতেন–একটু যে নিরিবিলি হাঁটবেন, কিংবা কোনও বেঞ্চে গিয়ে বসবেন তারও উপায় নেই। তার মতো বয়সি মানুষেরা দেখতে পেলেই হাঁকবে—আরে কী দেখছ। মিলেনিয়ামের শুরুতে এ-সব যে বিন্দুমাত্র বিস্ময়ের নয় প্রিয়নাথ। সোজা নাক বরাবর তাকিয়ে এদিকটায় চলে এসো। বেঞ্চি এখনও খালি আছে। দেরি হলে দখল হয়ে যাবে।

    প্রিয়নাথ ভাবলেন, এসবের উপাদানে গঠিত সমাজ কেমন হবে। কোন ধারা স্পষ্ট হবে আগামী হাজার বছরে—।

    বয়েস যত বাড়ছে, চারপাশের বিজ্ঞান প্রযুক্তি এবং যৌনতা কিংবা যৌনতাই প্রাণের নির্যাস এবং প্রাণের নির্যাস মৃত্যু—এ-সব চিন্তা ঘুরপাক খেলেই মনে হয় যন্ত্রপাতি এবং খাপে খাপ লেগে যাবার মতো মানুষ বোধ হয় এই সহস্রাব্দেই নিজের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুশিমতো তৈরি করে নিতে পারবে।

    বৈদ্যনাথ তাঁর দিকেই এগিয়ে আসছেন। কিছুটা কিচর প্রকৃতির মানুষ বৈদ্যনাথ। তার রসিকতা কখনও মাত্রাতিরিক্ত মনে হয়। সান্ধ্য ভ্রমণের দোসর। কিছু বলাও যায় না। সে বোধ হয় কাতর প্রকৃতির নরনারীর দৃশ্য আরও স্পষ্ট দেখার জন্য অছিলা করে তাঁর দিকে এগিয়ে আসছে। প্রিয়নাথ বাধ্য হয়ে বললেন, বোসো, আমি যাচ্ছি। বলে তিনি কী যেন খুঁজলেন।

    আকাশে দুটো একটা নক্ষত্র ভাসমান। দূরে, চারপাশের সুসজ্জিত অট্টালিকা সমূহ ভেদ করে পাখির ঝাঁক উড়ে আসছে। শহরের উপর দিয়ে একটা কালো বর্ডার তৈরি করতে করতে তারা চলে যাচ্ছে। আর তখনই কেন যে মনে পড়ল, তাঁর বাড়ি যাবার রাস্তায় আজ সকাল থেকেই নো এন্ট্রি বসানো হয়েছে। মোড়ের রাস্তাটায় পুলিশও আজ ব্যস্ত।

    তিনি বেঞ্চিতে বসার সময় পতিতপাবনবাবু সরে বসে জায়গা করে দিলেন। এ দিকের বেঞ্চিগুলিতে চার পাঁচজন অনায়াসে বসা যায়। নীচে ঘাসেও বসা যায়। তবে সকালে বৃষ্টি হওয়ায় মাটি বেশ স্যাঁতস্যাঁতে। তিনি বসার সময়ই বললেন, আজ সকালে ভারী একটা মজা হয়েছে হে।

    আগে ঠিক হয়ে বোসসা। তারপর মজার কথা শোনা যাবে। চারপাশে এত মজা থাকতে, তোমার গলির মধ্যে শেষে মজা ঢুকে গেল সে কি হে। হলধর সান্যাল একটু ঝুঁকেই কথাটা বললেন।

    আসলে এখন জ্যোৎস্না ওটার সময়। এত বড়ো মাঠে শুক্লপক্ষের রাতগুলি খুবই সুন্দর। যেমন আবছা মতো জ্যোৎস্নার এক কুয়াশা সৃষ্টি হয়। অস্পষ্ট রহস্যময়তা, নারীর প্রথম দিবসে পুরুষের রতিক্রিয়ার মতো।

    বৈদ্যনাথ মাথার টুপি খুলে খানিকটা চুলকে নিলেন। টাকমাথা ঢেকে রাখার এই প্রয়াস বেঞ্চিতে বসে থাকলে রক্ষা করা যায় না। হলধর বললেন, টুপিটা আমার হাতে দাও। তারপর আরও আরামে চুলকাও। আরাম, বুঝলে আরামই এ-বয়সে একমাত্র কাম্য। কিন্তু প্রিয়নাথবাবু, আপনার মজার কথাটা শোনা হল না। সিগনালিং পোস্টের মাথায় কখন কোকিল একটা বাসা বানিয়ে ফেলেছে।

    প্রিয়নাথবাবু, কোকিল তো বাসা বানায় না। ওই হল কাক। স্ত্রী কাকেরই বোধহয় কাজ। এটা ঠিক বাসাটি কোনও স্ত্রী কাকের কম্ম না কোনও অন্য পাখির করা সেটা বলা অবশ্য মুশকিল। বারান্দা থেকে স্পষ্ট দেখাও যায় না। আমাদের রঘু হাঁপাতে হাঁপাতে এসে বলল, কর্তা! মন্দিরের রাস্তায় নো এন্ট্রি পড়ে গেছে। গাড়ি বাস কিছুই ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ। রাস্তার মাথায় একটা পাখি বাসা বানিয়ে ডিমে তা দিচ্ছে।

    বৈদ্যনাথ টুপি মাথায় দিয়ে সমস্যার জট খোলার চেষ্টা করলেন, ভি আই পি-র আগমন ঘটছে কি না দ্যাখ।

    ধুস! প্রিয়নাথ ধুস শব্দটি বলে তার বাড়ির রাস্তাটি যে প্রশস্ত নয়, কোনও ভি আই পি যাবার রাস্তাও নয়, বড়ো রাস্তায় জ্যাম হলে গলিঘুজি ধরে বের হয়ে যেতে গেলে রাস্তাটির খুব দরকার হয়। দরকারে বাসটাসও যায়। আর ট্যাক্সি কিংবা হাতে টানা রিকশাও ঢোকে। কেন যে নো এন্ট্রি, খুবই অর্থহীন।

    তা হলে মজাটা কী হল! পতিতপাবনবাবু মজা খুঁজছেন।

    সেই। তবে মজা আছে। আচ্ছা পুলিশের টুপি লোহার না পেতলের হয়? টুপি মানে হেলমেট। আপনারা জানেন? প্রিয়নাথ লোহা না পেতল জানতে চাইছেন। খুবই সমস্যা। লোহা না পেতল, বলা খুবই মুশকিল। সবাই চুপ। ওই হবে একটা। মজা তো আর লোহা কিংবা পেতলে আটকে নেই।

    তা অবশ্য নেই। সেই আপনার মতো বৈদ্যনাথবাবু সারাদিন পুলিশই বা এই উত্তপ্ত গরমে রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকে কী করে। মাথা চুলকাতেই পারে। সিগনালের থামে মাঝে মাঝে টুপিটা রেখে দেবারও স্বভাব। হাওয়া না খেলে মাথা ঠান্ডা রাখা যায় না। ডিউটি শেষে পুলিশের কেন যে মনে ছিল না টুপিটা সঙ্গে নিয়ে যাওয়া। তবে মানুষ মাত্রেই ভুল হয়। হয় কি না—প্রিয়নাথ সবার সমর্থন চাইলেন।

    আপনি বলে যান।

    প্রিয়নাথ বললেন, বুঝলেন পুলিশটির ফের হপ্তা দুই পর আবার সেই পোস্টের নীচে ডিউটি। ডিউটি দিতে এসেই মনে পড়ে গেল, আছে, টুপিটা তো এখানেই সে ফেলে গেছে।

    হলধর চেঁচিয়ে উঠল, অফিস কি ভ্যারাণ্ডা ভাজছিল। পুলিশের টুপি গায়েব, পুলিশের কখনও চাকরি থাকে।

    বৈদ্যনাথ না বলে পারল না, হলধর কোন যুগে বাস করছ। রাতে প্রায়ই তো মার্কিন মুল্লুক থেকে ফোন আসে। পুত্ররা ফোনে তোমার কুশল নেয়। মনে হয় পাশের বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলছ। কী, ঠিক কি না। যুগের হাওয়া কত বদলেছে বোঝ না। খুনেরই কিনারা হয় না, আর একটা সামান্য টুপি…প্রিয়নাথ আপনি বলুন।

    প্রিয়নাথ বলল, সেই। আমি অবশ্য বলতে পারব না—টুপি হারালে পুলিশের কী শাস্তি হয়। শাস্তি হয়েছিল কি না তাও জানি না। তবে পুলিশটির কর্তব্যবোধ খুব যে প্রখর বুঝতে অসুবিধা হয় না। পুলিশের এটুকু পরিবর্তন কি খুব বেশি মনে হয়। টুপি খুঁজতে গিয়ে দেখে তার মধ্যে একটা পাখির বাসা। আর গণ্ডাখানেক ছোটো ছোটো ডিম। মানে এগ। রতিসুখের স্মারক। পুলিশ রোয়াকে উঠে উঁকি দিয়ে দেখার পরই গোলমাল হয়ে গেল। টুপিটা একটা পাখির বাসা হয়ে গেছে। ডিম ফুটে বাচ্চা না হলে, বাচ্চা উড়ে না গেলে টুপিটা তুলে নিলে তাকে সবিশেষ পাপের ভাগি হতে হবে। বাসাটা ভেঙে দেওয়া উচিত না-পুলিশও ভাবছে বুঝুন।

    পাপ কেন?

    পাপ হবে না! জীবন নিয়ে খেলা। টুপি সাফ করতে গেলে বাসাটাও সাফ করতে হয়। পাখি বসবে কোথায়, ডিমে তা দেবে কোথায়। শুধু কি ডিম, ডিমের মধ্যে যে জীবনের কথা আছে। টুপি হারিয়ে তো খারাপ ছিল না, টুপি পেয়েও মজা। টুপি আর বলাও যায় না, একটা বড়ো পাখির বাসাই মনে হয়, এটুকু পরিবর্তনে পুলিশ বেচারা ধন্ধে পড়ে গেল। টুপি না ডিম সে কাকে রক্ষা করে।

    হলধর বিরক্ত হয়ে বলল, শেষে কী হল! মজা কোথায়?

    কী বুঝেছে পুলিশ, সেই জানে। সে রোয়াক থেকে নেমে হঠাৎ চেঁচিয়ে বলল, চুউপ! পাখি ডিমে তা দিতে আসবে। কোনও শোরগোল বরদাস্ত করা হবে না।

    তা পাখি ডিমে তা দিতে আসতেই পারে প্রিয়নাথবাবু। পাখি কি গোলমাল পছন্দ করে না! তা তো বলতে পারব না। পুলিশ বলতে পারবে। রাস্তাটা পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব তার। কাকে ঢুকতে দেবে কিংবা দেবে না, সেই ঠিক করবে। সে চায় না কোনও গণ্ডগোলে পাখি উড়ে না আসুক, পাখিরও তো প্রাণের ভয় আছে। বেচারা ভুল করে সিগনাল পোস্টে না হয় বাসা বানিয়ে ফেলেছেই—তাই বলে তার ডিমের তো অনিষ্ট সাধন করা যায় না। এর একটা মানবিক দিকও আছে। পাখি গণ্ডগোল সহ্য করতে নাও পারে।

    বৈদ্যনাথ ফোড়ন কাটল, ভারী দায়িত্ববোধ দেখছি পুলিশের।

    হলধর বলল, আপনি কি দেখেছেন পাখি দুটোকে?

    আজ্ঞে না। তবে গুজব নানা প্রকার। পাড়াসুদু গুজব গুজবের তো মাথামুণ্ডু থাকে না, বিশেষ করে স্ত্রী জাতির ক্ষেত্রে পাখি ঠিক পাখি নয়, পাখি ঠিক ওড়েও না। বাতাসে কুয়াশার মতো ভেসে থাকে। তারপর ঝুপ করে বাসাটার উপর বসে পড়ে। ঠোঁট আছে তবে খুবই ভোঁতা, চোখ দুটো চিংড়ি মাছের মতো। লেজের দিক বিস্তৃত, তবে মনে হয় স্বর্ণ পুচ্ছ—

    আপনি দেখেছেন কি না বলুন।

    না দেখিনি। বাড়ির মেয়েরা বলাবলি করছিল। রাস্তায় নো এন্ট্রি লাগিয়ে দিয়েছে। মানুষজন যেতে পারে, হাঁটতে পারে, তবে জোরে কথা বলতে পারে না। পুলিশের সতর্ক চোখ কানকে ফাঁকি দিয়ে রাস্তায় ঢোকাও মুশকিল-পাশের জানালায় একটা বাচ্চা মেয়ে বেলুনে ফুঁ দিচ্ছিল–ফটাস। পুলিশ ছুটে গেছে জানালায়। লাঠি তুলে হাঁকছে পিনড্রপ সায়লেন্ট। ডিমে তা দিচ্ছে—রতি সুখের অন্তিম নির্যাস, ডিম, তারপর ছানা, ছানা হাওয়ায় উড়ে গেলেই পুলিশ স্থির সিদ্ধান্ত নিয়েছে টুপিটা নিয়ে গিয়ে সেরেস্তায় জমা দেবে।

    পতিতপাবনবাবু চুপচাপ শুনছিলেন, আসলে বয়েস হলে যা হয়— অবসর জীবন, সময় কাটে না। বিকেলবেলাটায় বেড়াতে বের হলেই মনে হয় সবার সঙ্গে দেখা হয়ে যাবে। বাজার দর, রাজনীতি, খুন, ধর্ষণ, এই তো সেদিন, হাসপাতালে এক মহিলা, তার মেয়ে জাতকটিকে জানালা দিয়ে ঝোপের মধ্যে ফেলে দিল, অপরাধ তার পেটে মেয়ে কেন জন্মাল, শতকটি শুরু হতে না হতেই যত সব বিতিকিচ্ছিরি কাণ্ড, আর প্রিয়নাথবাবুও আছেন— রাজ্যের আজগুবি খবর নিয়ে বুড়োদের আসর মাতিয়ে রাখার স্বভাব-খারাপ লাগে না শুনতে। সময়ই কাটে না, তবু মাঝে মাঝে এই পার্কটায় খোলামেলা নারী পুরুষের আবির্ভাব ঘটে—দূর থেকে আড়ালে এ-সব দেখার মধ্যেও মজা আছে। এই তো সেদিন এক যুবতী তার প্রেমিক পুরুষের পেছনে ধাওয়া করছিল। যুবক ছুটে পালাচ্ছে—রাতের জ্যোৎস্না, তারা তো ভাবলেন, কী না কী হয়েছে! ছুটে গেলে তাজ্জব। নারী অথবা পুরুষের শরীরে কোনওই আব্রু ছিল না।

    প্রিয়নাথ বলেছিলেন, এই হল গে নারী জাতি–প্রিয়নাথের এমনই স্বভাব, সে কত যে খবর রাখে। বইয়ের পোকা হলে যা হয়। সারাদিন অবসর জীবনে পত্রপত্রিকায় ডুবে থাকলে, প্রিয়নাথেরই বা দোষ কোথায়!

    তখন তার প্রশ্ন করার হক থাকতেই পারে, মানুষ, জৈবপ্রযুক্তি, অর্থনীতি আর বিজ্ঞান–এ-সবের উপাদানে গঠিত সমাজ কেমন হবে? আগামী হাজার বছরে কোন ধারা স্পষ্ট হবে? মেসিন কি মানুষের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান হবে! মেসিনই কি মানুষ তৈরি করবে, এমনকী বুদ্ধিমান অথবা চেতনা সম্পন্ন। এতটাই যে তার শরীর বদলানো যাবে নাট বল্টর মতো? কিংবা নরনারীর সম্পর্ক—প্রিয়নাথ আসলে এই আড্ডার প্রাণ। সে এ-সব নিয়েই বেশি কথা বলতে ভালোবাসে।

    আজ যে কী হল প্রিয়নাথের।

    তার বাড়ির রাস্তায় নো এন্ট্রি। সেখানে নৈঃশব্দ বিরাজ করছে। মানুষজন পা টিপে টিপে রাস্তা পার হয়ে যাচ্ছে। সামান্য গণ্ডগোল হলেই পুলিশের তাড়া খাচ্ছে। তাড়া খেয়ে দৌড়াচ্ছে, আর মাঝে মাঝে পুলিশ বেচারা মাথায় হাত দিয়ে তার হেলমেট খুঁজছে। মাথায় নেই এবং সঙ্গে সঙ্গে পাখির বাসাটার দিকে চোখ। পাখিটা ডিমে তা দিচ্ছে—কী যে মধুর!

    পতিতপাবন না বলে পারলেন না, আরে একটা হতকুৎসিত পাখির জন্য পুলিশের এত তাড়া কেন বুঝি না। পাখি ডিমে তা দেবে, তার কোনও উপদ্রব না থাকে, সেজন্য কেউ রাস্তায় নো এন্ট্রি ঝুলিয়ে দিতে পারে! পুলিশ যানবাহন মানুষজন তাড়া করতে পারে! রহস্যটা কি প্রিয়নাথ!

    রহস্য! পুরুষ ডুবছে। প্রিয়নাথ হাই তুলে বললেন।

    ডুবছে মানে।

    পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা আর থাকছে না। পুলিশ স্ত্রী পাখিটাকে এত তোল্লা দিচ্ছে কেন বোঝ না!

    নারীতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা হবে বলছ প্রিয়নাথ। সেই আদিসভ্যতার মতো। জননী ঘিরে রাখছে সব কিছু।

    ওরকমই কিছু। নারীত্বের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে আগামী হাজার বছরে নারী তার হারানো ক্ষমতা উদ্ধার করবে। আরে পুরুষ! বাদ দাও। আমাদের সময় একরকম ভাই চলে গেল কিন্তু আগামী দিনে ভয়ংকর এক জীবন পুরুষের। বোঝাই যায় তার নারীর চেয়ে বুদ্ধি কম, নারীর চেয়ে তার অসুখ বিসুখ বেশি। তার পরমায়ু পর্যন্ত গড়ে নারীর চেয়ে কম। কোন দিক থেকে তোমরা লড়বে ভাবছ, নারী খুবই দুর্বল প্রজাতি! দেখলে সেদিন জ্যোৎস্নায় বীরপুঙ্গব নারীর তাড়া খেয়ে কেমন ছুটছিল।

    পাখিটাতো পুরুষ পাখিও হতে পারে প্রিয়নাথ।

    তুমি হলধর, অতিমাত্রায় একটি গর্দভ বিশেষ। পুরুষ পাখি ডিমে তা দেয় কখনও! স্ত্রী পাখি না হলে, পুলিশের কি দায় ছিল, নো এন্ট্রি ঝুলিয়ে দেবার! অজ্ঞাতে এটা পুরুষের প্রস্তুতি পর্ব-পুলিশ মানুষের সভ্যতার পাহারাদার। সেই প্রথম টের পেয়েছে। তার কোনও দোষ নেই। সভ্যতা টিকিয়ে রাখতে হলে নারীজাতির ইচ্ছাই সব মেনে নিতে হবে।

    সহসা সবাই চুপ হয়ে গেল। প্রিয়নাথের কথাবার্তা শুনে না, তাদের আর কোনও প্রশ্ন ছিল না, নানা কারণেই এই চুপচাপ বসে থাকা সম্ভব। জ্যোৎস্নায় পার্ক পার হয়ে রাস্তায় আলো জ্বলতে দেখল সবাই। এই পার্কটায় জায়গায় জায়গায় কৃত্রিম ঝোপ সৃষ্টি কোনও নগরপালের নির্দেশে কি না তারা তাও জানে না। হাঁটতে হাঁটতে এই পার্কটায় আড্ডা দিতে আসা কোনও অদৃশ্য যৌনতার খোঁজে–এমনও হতে পারে। পাশের বেঞ্চ থেকে নিবারণবাবু উঠে যাবার সময় বললেন, আডড়ার বিষয় কী ছিল, আপনারা সবাই এত চুপচাপ।

    আড্ডার কী বিষয় ছিল আজ নিবারণবাবু জানতে চায়। রোজই কোনও না কোনও বিষয় নিয়ে যে আড্ডা শুরু হয়, তবে শেষ পর্যন্ত বিষয় যে এক থাকে না, এও ঠিক তবে আজ বিষয়টা একটু মাত্রাতিরিক্ত ভাবেই নারী বিষয়ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রিয়নাথই বলেছিলেন, আজকাল খবরের কাগজে কত সব মজার মজার খবর বের হয়—বিজ্ঞানীরা নাকি বলছে, এই সহস্রাব্দ স্মরণীয় হবে নারীত্বের জয়লাভে। পুরুষের পেশিশক্তি আর কাজে লাগবে না। মস্তিষ্কই সব।

    হলধর বলল, আড্ডার বিষয় ওই একরকম গতানুগতিক। প্রিয়নাথের রাস্তায় নো এন্ট্রি ঝোলানো হয়েছে। সেই নিয়েই কথা বলছিলাম। আপনি যাচ্ছেন?

    হ্যাঁ যাই। কাজের মেয়েটার যাবার সময় হয়ে গেছে। না গেলে প্যান প্যান করবে। নোটিশও দিয়ে দিতে পারে, অন্যালোক দেখুন বাবু। আমার পোষাবে না। একা মানুষ বুঝতেই পারেন।

    আর কেউ কোনও কথা বলছে না বলে, হলধরও বলল, আমরাও উঠব।

    নিবারণবাবু চলে গেলে, পতিতপাবন না বলে পারলেন না, রেখেছিস তো রক্ষিতা। একা কোথায়। মাঝবয়সি–মেয়েটা তো তোকেও সামলায়, বাড়িও সামলায়।

    এটা আপনার ঈর্ষা পতিতপাবনবাবু। একা বেঁচে থাকা তো সত্যি কষ্ট।

    কেন আমাদের প্রিয়নাথ আছে না! তার ছেলে মেয়ে, নাতি নাতনি ভরা সংসার।

    প্রিয়নাথ বললেন, আছি। ওই আর কি! আমরাও এবারে উঠি। রাত হয়েছে। আজকাল একটু দেরি হলেই বাড়িতে চিন্তা শুরু হয়। অথচ আমার কেন যে বাড়ি যেতেই ইচ্ছে হয় না।

    প্রিয়নাথকে বড়ো বেশি মিয়মাণ দেখাচ্ছে। সবাই উঠলেও প্রিয়নাথ উঠল না। মাথা গোঁজ করে বসে আছেন।

    কী হল, যাবে না!

    তোমরা এগোও।

    আসলে প্রিয়নাথের কেন জানি একা থাকার স্পৃহা জন্মাল। পার্কের গেট পর্যন্ত এক সঙ্গে যেতে পারতেন, সেখানে রিকশায় উঠলেই খালের সাঁকো, তারপর কিছুটা হেঁটে গেলেই বাড়ি। এখন আর তার প্রতীক্ষায় কেউ বসে থাকে না। চিন্তা হয় ঠিকই, একটা আস্ত মানুষ হারিয়ে গেলে চিন্তা হবারও কথা। চিন্তা, আর প্রতীক্ষা যে এক না।

    তা হলে যাচ্ছি?

    তোমরা হাঁটো। আমি একটু পরে যাচ্ছি।

    আসলে প্রিয়নাথ কী করবেন বুঝতে পারছেন না। তাঁর কিছু ভালোও লাগছে। এই সহস্রাব্দের শুরুতে নারীত্বের সাম্রাজ্যবিস্তারের পূর্বাভাস দিয়ে আড্ডা শুরু হয়েছিল ঠিকই, মেয়েদের পরমায়ু বেশি, জরা ব্যাধি কম কিন্তু নিজের জীবনে সুধা শুরুতেই থায়রয়েড, ব্লাডপ্রেসার, শেষে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে হঠাৎ ফাঁকি দিয়ে চলে গেল। অথচ আশ্চর্য, সুধা সারাজীবন তাকে মুগ্ধ করে রেখেছিল শরীর দিয়ে। সুধা নেই, তিনিও নেই। সব কেমন ফাঁকা অর্থহীন।

    তিনি ভাবলেন, ডিম ফুটে ছানা হয়। আসলে সেক্স। অথচ কী আশ্চর্য সেক্সের আবির্ভাব বিবর্তনের চাপে। কোথায় যেন পড়েছিলেন। কোটি কোটি বছর আগে কোনও এক সময় প্রাণীজগতে যৌনতা এসেছিল নেহাতই একটা দুর্ঘটনা হিসাবে। কোথায় যেন পড়েছিলেন। স্ত্রী প্রজাতিই তার আদি স্বাক্ষর।

    তিনি হাঁটছিলেন।

    লক্ষ কোটি বছর আগেকার কোনও এক ঘোরের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছিলেন প্রিয়নাথ। প্রাণীজগতের সেই চরম মুহূর্তে নারীর পুরুষ তৈরির মুহূর্তে তিনি যেন নারীর শরীর থেকে বের হয়ে আসছেন। অজগর সাপ যেন উগলে দিচ্ছে তাঁকে। কী সব দেখলেন, চারপাশে শুধু ঢেউ, কিংবা পাহাড় কিংবা বালিয়াড়ি। অতিকায় অজগর যেন উগলে দিয়ে তাকে শুঁকে দেখছে। যেমন গাভী তার বাছুরকে জন্মের পরে লেহন করে-শরীর তাঁর লাল ঝোলে মাখামাখি। নারীর পুরুষ নির্মাণ এমনই কোনও হেতু থেকে।তিনি হাঁটছিলেন। রিকশা নেবার কথা, তা নিতে ভুলে গেছেন। বিশাল পাঁচিল, তার পাশে বিজ্ঞান ভবন, তার পাশে সরকারি কর্মচারীদের বিশাল বিশাল হাইরাইজ বিল্ডিং—তার ভিতর পোকা মাকড়ের মতো অজস্র সংসার, এবং অজস্র জৈবিক তাড়না। নারীর পরিতৃপ্ত থাকার আয়োজন। তিনি হাঁটছিলেন, সুধা কত কষ্ট করে সারাজীবন তাকে ভালোবাসতে চেয়েছে। অসুখবিসুখে সে তার কর্তব্য করে যেতে বিন্দুমাত্র অবহেলা দেখায়নি। বড় কষ্ট হয় একা ফাঁকা ঘরে ঢুকতে। বিশ্বাসই করতে পারেন না, সুধা নারী প্রজাতির আদিম অস্তিত্ব। প্রেম এবং সৌন্দর্য ছিল তার নদী তীরে বালুবেলার মতো। সুধার জন্য সহসা তার বড়ো কষ্ট হতে থাকল—সুধার মৃত্যুদৃশ্যে তিনি বড়ো কাতর হয়ে পড়লেন। তাঁর গলা বুজে আসছে। তিনি সাঁকো পার হয়ে গেলেন। বাড়ির রাস্তায় দেখতে পেলেন সেই পাখির বাসাটা। তার আর হাঁটতে ইচ্ছে হল না। এই গ্রহের আদি এবং অনন্ত ইচ্ছের কাছে মাথা নত করে পাখির বাসাটার নীচে বসে পড়লেন। তাঁর বাড়ি ঘরের কথা মনে থাকল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনানা রসের ৬টি উপন্যাস – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article ৩০০ বছরের কলকাতা : পটভূমি ও ইতিকথা – ডঃ অতুল সুর

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }