Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অথ সাঁওতাল কথা – বুদ্ধেশ্বর টুডু

    বুদ্ধেশ্বর টুডু এক পাতা গল্প143 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সাঁওতালি ভাষা

    ভাব বিনিময়ের মাধ্যম হচ্ছে ভাষা। ভাষার মূল সম্পদ শব্দ ভাণ্ডার। যে ভাষার শব্দ ভাণ্ডারে যত বেশি শব্দ আছে সে ভাষা তত বেশি উন্নত বা সমৃদ্ধ। শব্দের উৎস হচ্ছে তিনটি। সেই উৎস গুলি হল, প্রথমতঃ, মৌলিক বা নিজস্ব। ইংরেজীতে বলা হয় Inherited। দ্বিতীয়তঃ, আগন্তুক বা কৃতঋণ ইংরেজীতে Borrowed বা Loan word এবং তৃতীয় উৎস হচ্ছে। নবগঠিত বা Newly formed, প্রথমতঃ রিকথ রূপে উত্তরাধিকার সূত্রে যে ভাষাগুলি সঞ্চিত হয় তাকে বলা হয় মৌলিক বা নিজস্ব। ইংরেজীতে বলা হয় Inherited. কিন্তু ভাষা তার চলার পথে রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্কে যখন অন্য ভাষার সংস্পর্শে আসে তখন সে বস্তু বা ভাব প্রকাশের জন্য অন্য ভাষার গ্রহণযোগ্য শব্দগুলি নিজের ভাষাভুক্ত করে নেয়। এই সব শব্দ প্রয়োজনের তাগিদে আহৃত বলে এদের আগন্তুক বা ইংরেজীতে বলা হয় Borrowd. সংস্কৃত এবং সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত ভারতীয় ভাষাগুলি সমৃদ্ধ হবার পেছনে সাঁওতালি ভাষার অবদান অপরিসীম। ভাষাবিজ্ঞানীরা বা ভাষাতাত্বিকরা সাঁওতালি ভাষার এই ঋণকে অস্বীকার করেন না বা অস্বীকার করতে পারেন না।

    সাঁওতালদের মুখের ভাষা হচ্ছে সাঁওতালি। সাঁওতালি ভাষাও উপরোক্ত তিনটি উপাদানে গঠিত। তার আত্তীকরণ ক্ষমতা অপরিসীম। কিন্তু তার নিজস্ব বা মৌলিক বা রিকথ রূপে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত শব্দভাণ্ডার খুবই উন্নত। সেটা প্ৰমাণ করার জন্য আমি এখানে নমুনা হিসাবে ভাব প্রকাশের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যের (Salient feature) কথা উল্লেখ করব। সাঁওতালি ব্যাকরণ রচনার প্রয়াস থেকে আমি বিরত থাকব, কারণ আমি প্রথমেই উল্লেখ করেছি, আমি এমন কিছুর কথা বলব যা অন্য কোনো পুস্তকে পাওয়া যাবে না। আমি আমার লেখা “সাঁওতালি ভাষার লিপি সমস্যা এবং সেই সমস্যা সমাধানের সন্ধানে” বই-এ মন্তব্য করেছি সাঁওতালি ভাষার মত এত বৈচিত্র আর কোনো ভারতীয় ভাষায় নেই, পৃথিবীর আর কোনো ভাষায় আছে কিনা আমি জানি না। কারণ আমি ভাষাতাত্বিক নই। সাঁওতালি ভাষা শেখা খুব সহজ। কি ভাবে? সেটাই আমি এখানে উল্লেখ করব। যে কোনো ভাষায় দখল বা আয়ত্ত করায়ত্ত করতে গেলে ‘Tense’ বা ‘কাল’ জানা অপরিহার্য। এ ধারণা সর্বজনগ্রাহ্য। তবে অন্য ভাষার সঙ্গে সাঁওতালির মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। অন্য ভাষার মত সাঁওতালি ভাষাকে আয়ত্ত করতে এত কসরত করতে হয় না। সাঁওতালি ভাষায় Tense বা কাল জানার আগে Number বা বচন অবশ্যই জানতে হবে। Number বা বচন জানতে পারলে যে কেউ সহজেই সাঁওতালি ভাষা শিখতে সক্ষম হবে। ইংরেজীতে Number এবং বাংলা বচন দুই প্রকারের। যেমন (১) Singular বাংলায় একবচন এবং (২) Plural বাংলায় বহুবচন কিন্তু, সাঁওতালি ভাষায় Number বা বচন সংস্কৃতের মত তিন প্রকারের। আমি আলোচনার শুরুতেই বলে নিয়েছি সংস্কৃত এবং সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত ভারতীয় ভাষাগুলি সাঁওতালি থেকে শব্দ ধার করে সমৃদ্ধ হয়েছে। সংস্কৃতের বহু আগে থেকেই সাঁওতালি ভাষা বিদ্যমান ছিল। একমাত্র ইংরেজী ছাড়া পৃথিবীর আর কোন ভাষায় ব্যুৎপত্তি আমার নেই, তাই অন্যদের কথা আমি বলতে পারছি না। ইংরেজী সংস্কৃতের স্বজাতির ভাষা অথচ ইংরেজীতে বচন সংস্কৃতের মত তিন নয়, দুই। এ থেকে কি প্রমাণিত হয় না, আর্যদের সংস্কৃত সাঁওতালির প্রভাবে প্রভাবিত। সেই কারণেই সংস্কৃতেও বচন বা Number এর সংখ্যা তিন। সেই তিনটি বচন হল : একবচন, দ্বিবচন, এবং বহুবচন। সাঁওতালি ভাষার এই বচনকে কি করে সহজেই আয়ত্ত করা যায় এবং তা আয়ত্ত করলে কি করে সাঁওতালি Tense বা কাল সম্বন্ধে পরিষ্কার ধারণা জন্মায় তাই এখানে উল্লেখ করছি :

     

     

    একবচন – আয়
    দ্বিবচন – আকিন
    বহুবচন – আক

    Auxiliary বা সাহায্যকারী ক্রিয়ার ব্যবহার ইংরেজীতে আছে। সেই ক্রিয়াগুলি হল, am, is, are, have, has, was, were, had, shall এবং will প্রভৃতি। এই সহায়কগুলি Tense অনুসারে ব্যবহৃত হয়। সাঁওতালি ভাষাতেও অনুরূপ কয়েকটি Auxiliary Verb বা সাহায্যকারি ক্রিয়ার সাক্ষাত পাই। সেগুলি হল, এৎ, লেৎ, কেৎ, এন, কান, আকান, আকাৎ ইত্যাদি Presant এবং Past tense এর জন্য ভবিষ্যৎ বা Future tense এর জন্য আয়, আকিন এবং আক ইত্যাদি মাত্র কয়েকটি সহায়ক ক্রিয়া আয়ত্ত করতে পারলেই যে কেউ সাঁওতালি tense বা কাল নির্ণয় করতে পারবে। এই সহায়কগুলির সঠিক এবং নিখুঁত ভাবে ব্যবহারের জন্য নিম্নলিখিত পদ্ধতিটি আয়ত্ত করা প্রয়োজন।

    একবচন দ্বিবচন বহুবচন
    এদায় এদাকিন এদাক
    লেদায় লেদাকিন লেদাক
    কেদায় কেদাকিন কেদাক
    লেদেয়ায় লেদেয়াকিন লেদেয়াক
    কেদেয়ায় কেন্দ্রেয়াকিন কেদেয়াক
    মেয়ায় মেয়াকিন মেয়াক
    এনায় এনাকিন এনাক
    কানায় কানাকিন কানাক
    আকানায় আকানাকিন আকানাক
    আকাদায় আকাদাকিন আকাদাক
    খন (হইতে) খনকিন খনক
    দয় (অব্যয়) দকিন দক
    বায় (না) বাকিন বাক
    আলয় (না) আলকিন আলক

    ইংরেজীতে Main verb এর সঙ্গে ing এবং বাংলায় ইতেছ, ইতেছি এবং ইতেছিল যোগ করে Tense বা কাল নির্ধারণ করা হয়। অনুরূপভাবে সাঁওতালি ভাষায় Main verb এর পরে (আগে নয়) উপরোক্ত কয়েকটি Auxiliary verb বা সাহায্যকারী ক্রিয়ার সঙ্গে আয়, আকিন এবং আক যোগ করে সাঁওতালি ভাষায় যতগুলি tense বা কাল আছে তার সবগুলিকেই প্রকাশ করা যায়। তবে এখানে অন্যদের সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার মৌলিক পার্থক্য আছে। সাঁওতালি ভাষার একমাত্র উদাহরণ সাঁওতালিই। তার মত ভাষা পৃথিবীতে আর দুটি নেই। অন্য ভাষার ক্ষেত্রে যেহেতু Subject বা কর্তার বচন হয়, ক্রিয়ার কোনো বচন হয় না— তাই Subject বা কর্তার উল্লেখ অপরিহার্য। কিন্তু সাঁওতালি ভাষায় তার প্রয়োজন হয় না। সাঁওতালি ভাষায় যেহেতু ক্রিয়ারও Number বা বচন হয় তাই বাক্য গঠন প্রণালীতে সাঁওতালি ভাষার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়। আমি উদাহরণ স্বরূপ এখানে দু একটির কথা উল্লেখ করব তাহলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

     

     

    Present tense বা বর্তমান কাল

    (1) He is Comming (Singular)

    সে আসিতেছে

    (2) They are Comming (Plural)

    তারা আসিতেছে

    Past tense বা অতীতকাল।

    (1) He was Comming (Singular)

    সে আসিতেছিল

     

     

    (2) They were Comming (Plural)

    তারা আসিতেছিল

    Future tense বা ভবিষ্যৎ কাল

    (1) He will come (Singular)

    সে আসিবে

    (2) They will come (Plural)

    তারা আসিবে

    উপরে তিনটি উদাহরণ দেওয়া হল। তিনটি ভিন্ন ভিন্ন Tense বা কালের। প্রথমে ইংরেজীতে তৎপরে বাংলায়। বাক্যগুলি বাক্য গঠনের নিয়ম অনুসারে গঠিত। উপরোক্ত বাক্যগুলিতে কেবলমাত্র is comming. was comming এবং will come বললে বাক্যগঠন সম্পূর্ণ হয় না। নির্দিষ্ট ধারণাও জন্মায় না। কিন্তু সাঁওতালি ভাষায় উপরে বর্ণিত নিয়ম অনুসরণ করে কেবলমাত্র ক্রিয়ার সাহায্যে Subject বা কর্তার উল্লেখ ছাড়াই বাক্যগুলিকে প্রকাশ করা শুধু যায় না Subject সম্বন্ধেও সুনির্দিষ্ট ধারণা জন্মে।

     

     

    (1) হিজুঃক কানায় (Singular)
    (2) হিজুঃক কানাকিন (Dual)
    (3) হিজুঃক কানক (Plural)

    (1) হিজুঃক কান তাঁহেনায় (Singular)
    (2) হিজুঃক কান তাঁহেনাকিন (Dual)
    (3) হিজুঃক কান তাঁহেনাক (Plural)

    (1) হিজুঃক আয় (Singular)
    (2) হিজুঃক আকিন (Dual)
    (3) হিজুঃক আক (Plural)

    প্রথম তিনটি বাক্যে (হেএচ/হেজ=আসা) মূল ক্রিয়ার সঙ্গে Auxiliary verb বা সহায়ক ক্রিয়া কান এর সঙ্গে আয়, আকিন এবং আক যোগ করে বচনে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

     

     

    হেএচ/হেজ+কান+আয়=হিজুঃক কানায় (বর্তমান) হেএচ/হেজ+কান+আকিন=হিজুঃক কানাকিন (ঐ) হেএচ/হেজ+কান+আক=হিজুঃক কানাক (ঐ)

    অনুরূপভাবে পরবর্তী দুটি বাক্যের একটিতে অর্থাৎ, অতীত কালের বাক্যে, বাক্যটিকে কেবলমাত্র শ্রুতিমধুর করার জন্য তাঁহেকানায়, তাঁহে কানাকিন এবং তাঁহে কানাকর পরিবর্তে তাঁহের আগে কান বসিয়ে তাঁহের সঙ্গে আয়, “আকিন এবং আক যোগ করা হয়েছে। তাই বাক্যটি শ্রুতি মধুর হয়েছে এবং সর্ব শেষের সঙ্গে কেবলমাত্র আয়, আকিন এবং আক মূল ক্রিয়ার সঙ্গে যোগ করে ক্রিয়াটিকে ভবিষ্যৎ কালে রূপান্তরিত করা হয়েছে। উপরোক্ত উদাহরণ প্রত্যক্ষ করে যে কেউ চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারে যে, প্রথম উদাহরণে একজনের, দ্বিতীয় উদাহরণে দুজনের এবং তৃতীয় উদাহরণে দুয়ের অধিকের কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ হিসাবে আরও কয়েকটির কথা উল্লেখ করা হল।

    Present

    (1) He is working. সে কাজ করিতেছে।

     

     

    সাঁওতালি—কামি+এ+আয়=কামিয়েদায়

    (2) They (two) are working. তারা (দুজন) কাজ করিতেছে।

    সাঁওতালি—কামি+এৎ+আকিন=‘কামিয়েদাকিন

    (3) They (more than two) are working. তারা (দুয়ের অধিক) কাজ করিতেছে সাঁওতালি—কামি+এ+আক=কামিয়েদাক

    Past

    (1) He ran away সে পালিয়ে গেল

    সাঁওতালি—দাইড়+কেৎ+আয়=দাইড়কেদায়

     

     

    (2) They both ran away তারা দুজনেই পালিয়ে গেল

    সাঁওতালি, দাইড়+কেৎ+আকিন=দাইড়কেদাকিন

    (3) They all ran away তারা সবাই পালিয়ে গেল

    সাঁওতালি—দাইড়+কেৎ+আক=দাইড়কেদাক

    (1) He had Finished সে শেষ করিয়া ফেলিয়াছিল

    সাঁওতালি—চাবা+লে+আয়=চাবালেদায়

    (2) They both had Finished তারা দুজনেই শেষ করিয়াছিল

    সাঁওতালি—চাবা+লেৎ+আকিন=চাবালেদাকিন

     

     

    (3) They all had Finished তারা সবাই শেষ করিয়াছিল

    সাঁওতালি—চাবা+লেৎ+আক=চাবালেদাক

    Future

    (1) He will start soon সে শীঘ্রই শুরু করবে

    সাঁওতালি—লগনগে এহব+আয়=এহবায়

    (2) They both will start soon তারা দুজন শীঘ্রই শুরু করবে

    সাঁওতালি–লগনগে এহব+আকিন=এহবাকি

    (3) They all will start soon. তারা সবাই শীঘ্রই শুরু করবে

     

     

    সাঁওতালি—লগনগে এহব+আক=এহবাক

    এইভাবে উপরে নির্দেশিত নিয়ম অনুসরণ করে কর্তা এবং কর্ম ছাড়াই কেবলমাত্র ক্রিয়ার সাহায্যে সাঁওতালি ভাষায় সমস্ত Tense বা কাল নির্ণয় করার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যক্তির সংখ্যাও জানতে পারি। অনুরূপভাবে সেটা যদি First Person বা উত্তম পুরুষ হয় তখন আয়, আকিন এবং আক’র বদলে আঞ, আলিঞ এবং আলে ব্যবহৃত হবে। যেমন-

    (1) I am comming আমি আসছি

    সাঁওতালি—হিজুঃক কানাঞ (কান+অঞ)

    (2) We (two) are comming

    আমরা (দুজন) আসছি

     

     

    সাঁওতালি—হিজুঃক কানালিঞ (কান+আলিঞ)

    (3) We (all) are comming

    আমরা (সবাই) আসছি

    সাঁওতালি—হিজুঃক কানালে (কান+আলে)

    এইভাবে, জম এদাঞ, জজম কাণাঞ (আমি খাচ্ছি) রুওয়াড় হিজুঃক কানাঞ (আমি ফিরে আসছি) ইত্যাদি।

    Past

    (1) I ran away আমি পালিয়ে এলাম

    সাঁওতালি—দাইড় কেদাঞ (কেদাৎ+আঞ)

     

     

    (2) We (two) ran away

    আমরা (দুজন) পালিয়ে এলাম

    সাঁওতালি—দাইড় (ঞি) কেদালিঞ (কেৎ+আলিঞ)

    (3) We (all) ran away আমরা (সবাই) পালিয়ে এলাম

    সাঁওতালি—দাইড় (ঞি) কেদালে (কেৎ+আলে)

    এইভাবে হেএচ এনাঞ (আমি চলে এলাম) হেএচ আকানাঞ (আমি চলে এসেছি (Past) রাওয়াড় আকানাঞ (আমি ফিরে এসেছি (Past) রাপুদ আকাদাঞ (আমি ভেঙ্গে ফেলেছি (Past) ইত্যাদি।

    Future

    (1) I shall start

    আমি শুরু করব

    সাঁওতালি—এহবাঞ (এহব+আঞ)

    (2) We (two) shall start আমরা (দুজন) শুরু করব

    সাঁওতালি—এহবালিঞ (এহব+আলিঞ)

    (3) We (all) shall start

    আমরা (সবাই) শুরু করব

    সাঁওতালি—এহবালে (এহব+আলে)

    এইভাবে জমাঞ (আমি খাবো) রহয়াঞ (আণি রোপন করব) ইত্যাদি। এরকম অজস্র উদাহরণ দেওয়া যায়। যেগুলি সাঁওতালিতে বহু প্রচলিত এবং ব্যবহৃত। উদাহরণ স্বরূপ এখানে মাত্র কয়েকটির কথা উল্লেখ করা হল।

    কিন্তু নির্দিষ্টভাবে এবং বিস্তারিতভাবে বলতে হলে Affirmative এবং Negative অর্থাৎ হ্যাঁ বাচক এবং না বাচক অংশে উল্লেখিত নিয়ম প্রযোজ্য হবে অর্থাৎ ক্রিয়ার সঙ্গে পুরুষের প্রথমাংশ থেকে যাবে এবং শেষাংশ Sentence বা বাক্যের অন্য অংশে যুক্ত হবে। যেমন—হুডুয় রহয় এদা অর্থাৎ সে ধান রুইছে। আয় এর আ এৎ এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে হয়েছে এদা এবং য়’ হুডু’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে হয়েছে হুডুয়। অনুরূপ ভাবে, দাকায় জম এদা (সে ভাত খাচ্ছে), জামায় হরঃক এদা (সে জামা বা সার্ট পরছে) প্রথম পুরুষে দাকাঞ জম এদা। হুডুঞ রহয় এদা, জামাঞ হরঃক এদা ইত্যাদি।

    সাঁওতালি ভাষায় অপর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল পরস্পর সম্পর্ক যুক্ত পুরুষগুলির একযোগে উচ্চারণ। যেমন রুওয়াড় কাতামাঞ অর্থাৎ, আমি তোমার দেওয়া ফিরিয়ে দেব, এখানে কাঃক এর আম এবং আঞ যুক্ত হয়ে হয়েছে কাতামাঞ। দাল মেয়াঞ—আমি তোমাকে পেটাব। হহ আমাঞ—আমি তোমাকে ডেকে পাঠাব ইত্যাদি।

    তবে প্রত্যেক ভাষায় কিছু কিছু মৌলিক বা নিজস্ব শব্দ থাকে, যেগুলি তার নিজস্ব ব্যাকরণ অনুসারেই গড়ে ওঠে। তাই তার সঙ্গে অন্য কোন ভাষার হুবহু মিল খোঁজা অর্থহীন। সাঁওতালি ভাষাও তার ব্যতিক্রম হতে পারে না।

    অনুরূপ আর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যের কথা আমি এখানে উল্লেখ করব। আমরা সবাই জানি Sentence বা বাক্যে Subject, Predicate, verb ইত্যাদি থাকে। এই নিয়মের হেরফের ঘটিয়ে আমরা Interrogative Sentence অর্থাৎ জিজ্ঞাসাসূচক বাক্য তৈরি করি অর্থাৎ Sentence এর জায়গায় verb বসিয়ে এবং verb এর জায়গায় subject বসিয়ে Interrogative Sentence অর্থাৎ জিজ্ঞাসাসূচক বাক্য তৈরী করি। যেমন :

    Is he comming?

    অর্থাৎ, সে কি আসছে? Tense বা কালের মত এখানেও এতসব নিয়ম ছাড়াই সাঁওতালি ভাষায় কেবল একটিমাত্র শব্দে জিজ্ঞাসাসূচক চিহ্ন বা Note of Interrogation বসিয়ে Interrogative Sentence বা জিজ্ঞাসাসূচক বাক্য তৈরি করা যায়। তবে বাক্যটিকে নিখুঁত করার জন্য Number বা বচনের সঙ্গে সঙ্গে person বা পুরুষ জানা অবশ্যই দরকার। আমি পূর্বেই উল্লেখ করেছি সাঁওতালি ভাষায় বচনের সংখ্যা তিন এবং অন্যদের মত person বা পুরুষের সংখ্যাও তিন। সেগুলি হল :

    First Person উত্তম পুরুষ

    একবচন দ্বিবচন বহুবচন
    ইঞ আলিঞ আলে
    আঞ আলাং আব

    2nd Person মধ্যম পুরুষ

    একবচন দ্বিবচন বহুবচন
    আম আবিন/আবেন আপে
    এম বেন পে

    3rd Person প্রথম পুরুষ

    একবচন দ্বিবচন বহুবচন
    উনি উনকিন উনকু
    নুই নুকিন নুকু
    হানি হানকিন হানকু

    আমরা জানি ইংরেজী এবং বাংলায় First Person বা উত্তম পুরুষের সংখ্যা দুই। যেমন, I, we বা আমি, আমরা। কিন্তু সাঁওতালি ভাষায় বচন যেহেতু দুটো নয় তিনটি তাই উত্তম পুরুষের সংখ্যাও তিন হওয়ারই কথা কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি সাঁওতালি ভাষায় উত্তম পুরুষের সংখ্যা ছয়। ইংরেজী এবং বাংলার মোট পুরুষের সমান। সাঁওতালি ভাষা যে, যথেষ্ট উন্নত এবং সমৃদ্ধ সেটা এই একটিমাত্র উদাহরণ দিয়ে প্রমাণ করা যায়। সাঁওতালি ভাষায় ব্যক্তির নির্দেশকে নিখুঁত করার জন্য First Person বা উত্তম পুরুষের সংখ্যা ছয় করা হয়েছে। আমি বা আমরা যখন আমাদের উদ্দেশ্যে তৃতীয় কোনো ব্যক্তিকে বলব তখন উপরের তিনটি অর্থাৎ ইঞ, আলিঞ এবং আলে ব্যবহৃত হবে কিন্তু আমরা নিজেরা যখন আমাদের মধ্যে আলোচনা করব তখন নীচের তিনটি আঞ, আলাং এবং আব ব্যবহৃত হবে। দু একটি উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটি জলের মত পরিষ্কার হয়ে যাবে। যেমন :

    চেৎ লেকা মেনাঃকবিনা/বেনা? অর্থাৎ তোমরা কেমন আছ? (মেনাঃক এর সঙ্গে আ বিনা যুক্ত হয়ে হয়েছে আঃবিনা (দ্বিবচন)। উত্তর হবে আলিঞ দলিঞ বেশ গেয়া। (গেয়ালিঞ এর লিঞ অব্যয় দ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং আ গেয়ার সঙ্গে পড়ে আছে) অর্থাৎ আমরা ভালই আছি। কিন্তু যদি এমন হয় আমরা বিপদে পড়েছি, কি করে উদ্ধার হব সেই নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছি তখন আলিঞ নয় ব্যবহৃত হবে আলাং। আলাং দ চেৎ লাং চিকায়া? এখন আমরা কি করব? (চিকায়ালাং এর লাং চেৎ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আ চিকার সঙ্গে পড়ে আছে)। অনুরূপ ভাবে দুয়ের অধিক হলে আবদ চেৎ বন চিকায়া? আমরা (বহুবচন) এখন কি করব? (চিকায়াবন এর বন চেৎ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং আ চিকার সঙ্গে যুক্ত আছে, এসব নিয়ে পরে আলোচনা করব) এখানে শিক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আর একটা ছোট্ট নিয়মের কথা উল্লেখ করব। সেটা হল 3rd Person বা প্রথম পুরুষের Singular Number বা একবচনে কোনো কিছুই যোগের প্রয়োজন নাই। কিন্তু দ্বিবচনের ক্ষেত্রে শুধু ‘কিন’ এবং বহুবচনের ক্ষেত্রে কু উচ্চারিত (উনকু) হয় তবে অন্য ক্ষেত্রে কেবল ‘ক’ যোগ করলেই হবে।

    যেমন :

    একবচন দ্বিবচন বহুবচন
    হড় (মানুষ) হড়কিন হড়ক
    কুল (সিংহ) কুলকিন কুলক
    হাঁডু (হনুমান) হাঁড়কিন হাঁড়ক
    গাড়ি (বানর) গাড়িকিন গাড়িক

    এখন পুরুষ আয়ত্ত করলে Interrogative Sentence বা জিজ্ঞাসূচক বাক্য কি ভাবে তৈরি করা হয় সেটাই আলোচনা করব। যেমন :

    (1) Are you weeping? তুমি কি কাঁদছ?

    সাঁওতালি – রাঃক এদাম?

    রাঃক মনে কান্না, এৎ+আম, আম মানে তুমি (একবচন) এবং যেহেতু ইংরেজীতে ing এবং বাংলায় ইতেছ যোগ করা হয়েছে তাই পূর্বে আলোচিত এৎ যোগ করা হয়েছে এবং তার ফলে Interrogative Sentence বা জিজ্ঞাসাসূচক বাক্যগঠনের নিয়ম ছাড়াই একটিমাত্র ক্রিয়াবাচক শব্দ দিয়ে Interrogative Sentence তৈরি করে বচনকেও নির্দেশ করা হয়েছে। অনুরূপ ভাবে :

    (2) Are you (two) weeping? তোমরা কি কাঁদছ?

    সাঁওতালি – রাঃ এদাবিনা/ বেন? (এৎ+আবিন/আবেন)

    (3) Are you (all) weeping? তোমরা (বহুবচন) কি কাঁদছ?

    সাঁওতালি – রাঃক এদাপে? (এৎ+আপে)

    অপরের বাড়িতে প্রবেশ করতে অনুমতি নিতে হয়।

    (1) May I come in? আমি আসতে পারি?

    হিজুঃক আঞ?

    হেএচ, হেজ মানে আসা এবং First Person, Singular Number বা উত্তম পুরুষের একবচনে ইঞ বা আঞ ব্যবহৃত হয়।

    (2) May we (two) come in? আমরা (দুজন) কি আসতে পারি?

    সাঁওতালি – হিজুঃক আলিঞ?

    (3) May we (all) come in? আমরা (বহুবচন) কি আসতে পারি?

    সাঁওতালি – হিজুঃক আলে?

    (1) Are you eating? তুমি কি খাচ্ছ?

    সাঁওতালি – জম এদাম? (এৎ+আম)

    (2) Are you (two) eating? তোমরা (দুই) কি খাচ্ছ?

    সাঁওতালি – জম এদাবিন এদাবেন? (এৎ+আবিন/আবেন)

    (3) Are you (all) eating? তোমরা (বহুবচন) কি খাচ্ছ?

    সাঁওতালি – জম এদাপে? (এৎ+আপে)

    এইভাবে সাঁওতালি ভাষার Person বা পুরুষ জানতে পারলেই Interrogative Sentence বা জিজ্ঞাসাসূচক বাক্য সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা জন্মায়। Interrogative Sentence বা জিজ্ঞাসাসূচক বাক্য তৈরি করার সময় Person বা পুরুষ অনুসারে ক্রিয়া ব্যবহারের সাধারণ নিয়ম কানুন নীচে উল্লেখ করা হল।

    First Person বা উত্তম পুরুষ

    একবচন দ্বিবচন বহুবচন
    এদায়িঞ এদালিঞ এদালে
    এদাঞ
    লেদাঞ লেদালিঞ লেদালে
    লেদেয়াঞ লেদেয়ালিঞ লেদেয়ালে
    কেদাঞ কেদালিঞ কেদালে
    কেদেয়াঞ কেদেয়ালিঞ কেদেয়ালে
    মেয়াঞ মেয়ালিঞ মেয়ালে
    এনাঞ এনালিঞ এনালে
    কানাঞ কানালিঞ কানালে
    আকানাঞ আকানালিঞ আকানালে
    আকাদাঞ আকাদালিঞ আকাদালে
    বাঞ (না) বাংলিঞ বাংলে
    খনিঞ (হইতে) খনলিঞ খনলে
    দঞ (অব্যয়) দলিঞ দলে
    ঐ লেদালাং লেদাব
    ঐ লেদেয়ালাং লেদেয়াব
    ঐ কেদালাং কেদা
    ঐ কেদেয়ালাং কেদেয়াব
    ঐ মেয়ালাং মেয়াব
    ঐ এনালাং এনাব
    ঐ কানালাং কানাব
    ঐ আকানালাং আকানাব
    ঐ আকাদালাং আকাদাব
    ঐ বাংলাং বাংব
    ঐ খনলাং খনব
    ঐ দলাং দব

    Second Person বা মধ্যমপুরুষ

    একবচন দ্বিবচন বহুবচন
    এদাম এদাবিন/বেন এদাপে
    লেদাম লেদাবিন/বেন লেদাপে
    লেদেরাম লেদেয়াবিন/বেন লেদেয়াপে
    কেদাম কেদাবিন/বেন কেদাপে
    কেদেয়াম কেদেয়াবিন/বেন কেদেয়াপে
    মেয়াম মেয়াবিন /বেন মেয়াপে
    এনাম এনাবিন/ বেন এনাপে
    কানাম কানাবিন/বেন কানাপে
    আকাদাম আকাদাবিন/বেন আকাদাপে
    বাম (না) বাবিন/বেন বাংপে
    আলম (না) আলবিন/বেন আলপে
    খনেম (হইতে) খনবিন/বেন খনপে
    দম (অব্যয়) দবিন/বেন দপে

    এক কথায় জিজ্ঞাসা সূচক বাক্য তৈরী করতে উপরোক্ত নিয়ম প্রয়োগ করলেই হবে। কিন্তু যদি কখন, কোথায়, কোথা থেকে, কেন (When, Where, Which, Who) ইত্যাদি শব্দ দিয়ে Interrogative Sentence বা জিজ্ঞাসা সূচক বাক্য তৈরী হয় তখন When, Where, Which এবং Who র সঙ্গে বচনে উল্লেখিত শব্দের শেষাংশ যুক্ত হবে এবং প্রথমাংশ ক্রিয়ার সঙ্গে থাকবে। যেমন কোথা থেকে আসছ? এখানে আসছ’র সঙ্গে আ এবং কোথার সঙ্গে ম যুক্ত হবে। ফলে বাক্যটি শ্রুতি মধুর হয়ে উঠবে। অকা খনেম হিজুঃ কানা? হিজুঃক কানাম (কানাম) আম এর ম খনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে হয়েছে খনেম এবং আ কান এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে হয়েছে কানা ফলে বাক্যটি শ্রুতি মধুর হয়ে উঠেছে। এইরূপ ভাবে তুমি কবে এসেছে? তিসেম হেএচ আকানা? তুমি কোথায় যাবে? আকাতেম চালাঃক আ? তুমি কখন আসবে? তিনরেম হিজুঃকআ? তুমি ভাত খেয়েছ? দাকাম জম আকাদা? অনুরূপ ভাবে দ্বিবচন এবং বহুবচনের ক্ষেত্রে ‘ম’র বদলে বিন/বেন এবং পে ব্যবহৃত হবে ব্যক্তি বাচকের ক্ষেত্রে, কিন্তু বস্তুবাচক বা জড় পদার্থের বেলায় কেবলমাত্র আ ব্যবহৃত হবে। ‘আ’ এর পরবর্তী অংশ ব্যবহৃত হবে না। তখনই বোঝা যাবে কথোপকথন প্রাণীবাচক না বস্তুবাচকের উদ্দেশ্যে। যেমন, হুডু গেলে আকানা? ধানে কি শিস ধরেছে? জঁড়রা অমন আকানা? ভুট্টার দানা থেকে চারা গজিয়েছে? তিনাঃক সাডে কানা?’ কটা বেজেছে? দারে রাপুদ আকানা? গাছ কি ভেঙ্গে গেছে? দাঃক হিজুঃকোনা, দাঃক ঞেলঃক কানা? ঝড় বৃষ্টি কি আসবে বলে মনে হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে? ইত্যাদি।

    সাঁওতালির মত বাংলাতেও অনেক সময় অনেক ক্ষেত্রে শব্দের সংক্ষিপ্ত প্ৰয়োগ বিধি লক্ষ করা যায় (এটাকে সাঁওতালির ব্যর্থ অনুকরণ বলা যায়)। কিন্তু সাঁওতালির মত তা নিখুঁত এবং নির্দিষ্ট নয়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ৩/৪ জন ছাত্র ইস্কুলে পৌঁছে দেখলেন যে, শিক্ষক মহাশয় ইতিমধ্যেই শ্রেণী কক্ষে পৌঁছে গেছেন। তাদের কেউ একজন (সবাই এক সঙ্গে বলে না) যথারীতি মাস্টার মশাই কে জিজ্ঞেস করলেন স্যার, আসতে পারি? মাস্টার মশাই হ্যাঁ বলে অনুমতি দিলেন। কিন্তু এখানে যেটা লক্ষণীয়, মাস্টার মশাই হ্যাঁ বলে অনুমতি দিলেও বিভ্রান্তি থেকে যায়। কারণ শ্রেণী কক্ষে প্রবেশ করার জন্য তিনি একজনকেই নাকি সবাইকেই অনুমতি দিয়েছেন সেটা পরিষ্কার নয়। কিন্তু সাঁওতালি ভাষায় হিজুঃক আঞ, হিজুঃক আলিঞ এবং হিজুঃক আলে বললে আর কোন বিভ্রান্তি থাকে না। কারণ এই জিজ্ঞাসা সূচক বাক্যের মধ্যেই জিজ্ঞাসার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির সংখ্যাও বলা আছে। আবার অনেক সময় কর্তার উল্লেখ ছাড়াই, কোথায় যাব? কবে যাব ইত্যাদি কথা বাংলায় ব্যবহার হয় বটে তবে এখানেও সাঁওতালির সঙ্গে বাংলার মৌলিক পার্থক্য আছে। কারণ সাঁওতালি ভাষায় ‘অকাতেম’ ‘তিসেম’ ইত্যাদি প্রশ্নবাচক শব্দের মধ্যেই ব্যক্তির সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখিত আছে। অন্য ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার মৌলিক পার্থক্য এখানেই। তবে অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, সাঁওতালির এই গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য সম্পর্কে কেউই তেমন সচেতন নন আর তাই বাংলায় যেমন বাংলা এবং ইংরেজীর সংমিশ্রণে তৈরি অর্থাৎ বাংরেজীর রেওয়াজ বহুল পরিমাণে প্রচলিত, সাঁওতালদের মধ্যেও অনুরূপভাবে বাংলার সঙ্গে সাঁওতালির অর্থাৎ বাঁওতালির রেওয়াজ ব্যাপকভাবে চালু হয়েছে।

    সাঁওতালি ভাষার আর দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করে আমি ভাষার মানদণ্ডে সাঁওতালি সভ্যতা কতটা উন্নত ছিল তার আলোচনা করব। সেই দুটির একটি হল Affirmative এবং Negative এবং অপরটি The.

    Sentence দু প্রকারের। প্রথমত Affirmative এবং দ্বিতীয়ত Negative অর্থাৎ হ্যাঁ-বাচক এবং না-বাচক। সাঁওতালি ভাষায় Negative বা না-বাচক বাক্য গঠনের সময় না-বাচকের ‘না’র বচন পরিবর্তিত হবে অর্থাৎ Interrogative Sentence এর মত এখানেও পুরুষের শেষাংশ ‘না’ র সঙ্গে যুক্ত হবে এবং প্রথমাংশ মূল ক্রিয়ার সঙ্গে থেকে যাবে। যেমন :

    সে আসবে না—উনিদ বায় হিজুঃক আ (আয় এর আ হিজুঃক এর সঙ্গে রয়ে গেছে এবং ‘য়’ বাংএর সঙ্গে যুক্ত হয়ে বায় হয়েছে)।

    যেয়োনা—আলঅ চালাঃকমা (আম এর আ চালাঃক এর সঙ্গে রয়ে গেছে এবং ‘ম’ আলর সঙ্গে যুক্ত হয়ে হয়েছে আলম)।

    সে যেন না আসে—–আলয় হিজুঃক মা (আয় এর আ ‘মা’র সঙ্গে রয়ে গেছে এবং ‘য়’ আলর সঙ্গে যুক্ত হয়ে আলয় হয়েছে)।

    কিন্তু Affirmative বা হ্যাঁ-বাচক বাক্যে কর্তার উল্লেখ করতে হয় না। (যেখানে উল্লেখ করতে হয় সেখানে Introgative Sentence এর কখন, কোথায়, কোথা থেকে ইত্যাদির ক্ষেত্রে যে নিয়ম প্রযোজ্য হয় এখানেও সেই নিয়ম প্রযোজ্য হবে)। এখানে কর্তার পরবর্তী অংশের সঙ্গে পুরুষের শেষাংশ প্রযুক্ত হবে এবং প্রথমাংশ যথারীতি মূল ক্রিয়ার সঙ্গে থেকে যাবে। যেমন :

    আমি আগেই বলেছি—মড়াংরেগেঞ লাই আকাদা।

    আমি কালকেই এসেছি—হলারেগেঞ হেএচ আকানা।

    আমি এখনই চলে যাব—নিতগিঞ চালাংক আ।

    মাড়াং, হলা এবং নিত এর সঙ্গে আঞ (ইঞ) এর ‘ঞ’ যুক্ত হয়েছে এবং আ যথারীতি আকাৎ, আকান এবং চালাঃক এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তাই আলাদা ভাবে প্রথমেই ইঞ’ উল্লেখের (আমি) প্রয়োজন হয় নাই।

    নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ইংরেজীতে যেমন ‘The’ ব্যবহৃত হয় অনুরূপ ভাবে সাঁওতালি ভাষায় নির্দিষ্ট ভাবে বলার জন্য ‘ইচ’ ব্যবহৃত হয়। যেমন, শিশির জাওইচ (সৃষ্টিকর্তা) সাপড়াওইচ (সম্পাদক) এবং জজমইচ (যমরাজ) ইত্যাদি। তবে ইংরেজীর মত সাঁওতালি ইচ’ শব্দটি নির্বিচারে এবং পাইকারি হারে ব্যবহৃত হয় না। কারণ সাঁওতাল বিশ্বাস করে সবাই (The) তার উপযুক্ত নয়। যোগ্যও নয়। কিন্তু সাঁওতালদের নূতন প্রজন্ম এই স্নব Traditional এবং ঐতিহ্যমণ্ডিত নিয়ম কানুনকে Backdated মনে করে বর্জন করতে শুরু করেছে এবং স্থান, কাল, পাত্র ছাড়াই নির্বিচারে তাদের ব্যবহার করতে শুরু করেছে। এই অধঃপতন সমাজ জীবনের কোন স্তরে গিয়ে পৌঁচেছে সেটা বোঝা যায় যখন দেখি ‘আম’ এর পরিবর্তে বাংলার আপনি এবং হিন্দি আপ এর অনুকরণে নির্বিচারে ‘আবিন’ ব্যবহার করতে। সাঁওতালি ভাষায় ‘আম’ এর পরিবর্তে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ‘আবিন’ ব্যবহারের রীতি আছে বটে তবে সর্বত্র ‘আবিন’ ব্যবহৃত হয় না। কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম ‘আবিন’ কে নির্বিচারে যথেচ্ছ ভাবে ব্যবহার করে নিজেদের হাস্যস্পদ করে তুলেছেন, অন্যকেও বিড়ম্বনায় ফেলছেন।

    সাঁওতালি ভাষার উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করতে গিয়ে আমি (উল্লেখ বলেছি Sentence বা বাক্যের দুটো অংশ, Affirmative অর্থাৎ হ্যাঁ-বাচক এবং Negative অর্থাৎ না-বাচক। Sentence বা বাক্য তৈরি করার সময় বচনের প্রথমাংশ auxialiary verb অর্থাৎ সাহায্যকারী ক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে এবং শেষাংশ Negative বা নাবাচকের ক্ষেত্রে ‘না’র সঙ্গে কিন্তু Affirmative এর ক্ষেত্রে যা কর্তার পরিবর্ত হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার সঙ্গে যুক্ত হবে। নিম্নে প্রদত্ত ক্রিয়ার বেলায় অর্থাৎ যেখানে আম, আবিন এবং আপে’র পরিবর্তে কেবল এম/মে, বিন/বেন এবং পে যুক্ত হচ্ছে সেখানে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। এখানে বাক্যের কোথাও আর কিছু যোগ বিয়োগের প্রয়োজন নাই।

    একবচন – দ্বিবচন – বহুবচন

    (এম/ মে) – (বিন) – (পে)

    ‘অ’

    অলমে – অলবিন/বেন – অলপে

    অজগমে – অজগবিন/ঐ – অজগপে

    অতায়েম – অতায়েবিন/ঐ – অতায়েপে

    অরেমে – অরেবিন/ঐ – অরেপে

    ‘আ’

    আগুইমে – আগুইবিন/বেন – আগুইপে

    আকরিক্রমে – আকরিঞবিন/ঐ – আকরিঞপে

    আকরিঞএম – আকরিঞএবিন/ঐ – আকরিঞএপে

    আঁতেনমে – আঁতেনবিন/ঐ – আঁতেনপে

    ‘ই’

    ইরমে – ইরবিন/বেন – ইরপে

    ইদিমে – ইদিবিন – ইদিপে

    ‘এ’

    এরমে – এরবিন/বেন – এরপে

    ‘উ’

    উদুগমে – উদুগবিন/বেন – উদুগপে

    উকুইমে – উকুইবিন/বেন – উকুইপে

    উদমে – উদবিন/বেন – উদপে

    ‘ক’

    কুলিয়েম – কুলিয়েবেন/বিন – কুলিয়েপে

    কুলেমে – কুলেনি/ বেন – কুলেপে

    কয়েমে – কয়েবিন/বেন – কয়েপে

    কয়মে – কয়বিন/বেন – কয়পে

    কয়কম(বহু) – কয়কবিন/বেন – কয়গপে

    কিরিঞমে – কিরিঞবিন/বেন – কিরিঞপে

    কিরিঞআয়মে – কিরিঞআয়বিন/বেন – কিরিঞআয়পে

    কয়গমে – কয় গবিন/বেন – কয়কপে

    ‘খ’

    খজমে – খজবিন / বেন – খজপে

    খজেমে – খজেবিন/বেন – খজেপে

    ‘গ’

    গডমে – গডবিন/বেন – গডপে

    গজেমে – গজেবিন/বেন -গজেপে

    গলমে – গলবিন/বেন – গলপে

    গিড়িমে – গিডিবিন/বেন – গিডিপে

    গটায়মে – গটায়বিন/বেন – গায়পে

    গিতিচমে – গিতিচবিন/বেন – গিতিচপে

    গদমে – গদবিন/বেন – গদপে

    গদঃকমে – গদঃকবিন/বেন – গদঃকপে

    গংমে – গংবিন/বেন – গংপে

    গংএমে – গংএবিন/বেন – গংএপে

    গগমে – গগবিন – গগপে

    গুগুইমে – গুগুইবিন/বেন – গুগুইপে

    গাতেয়েম – গাতেয়েবিন/বেন – গাতেয়েপে

    গাতেঃকমে – গাতেঃকবিন/বেন – গাতেঃকপে

    ‘চ’

    চাপাদেম – চাপাদেবিন/ বেন – চাপাদেপে

    চাপাদমে – চাপাদবিন/বেন – চাপাদপে

    ‘জ’

    জগমে – জগবিন/বেন – জগপে

    জমমে – জমবিন/ঐ – জমপে

    জমেমে – জমেবিন/ঐ – জমেপে

    জাপিৎমে – জাপিৎবিন/বেন – জাপিৎমে

    ‘ঞ’

    ঞইমে – ঞইবিন/বেন – ঞইপে

    ঞিরমে – ঞিরবিন / ঐ – ঞিরপে

    ‘ত’

    তেঞমে – তেঞবিন/বেন – তেঞপে

    তিঞেমে – তিঞেবিন/ঐ – তিঞেপে

    তুলমে – তুলবিন / ঐ – তুলপে

    তুলেমে – তুলেবিন/ঐ – তুলেপে

    তলমে – তলবিন/ঐ – তলপে

    তুদমে – তুদবিন/ঐ – তুদপে

    তলেমে – তলেবিন/ঐ – তলেপে

    তাঁগিঞমে – তাঁগিঞবিন/ঐ – তাঁগিঞপে

    তিঁগ্‌নমে – তিঁগুনবিন/ঐ – তিঁগ্‌নপে

    তাঁহেনমে – তাঁহেনবিন/ঐ – তাঁপেনপে

    থাইয়ায়েম – থাইয়ায়েবেন/বেন – থাইয়ায়েপে

    থায়য়মে – থায়য়বিন/বেন – থায়য়পে

    থাপায়েম – থাপায়েবিন/বেন – থাপায়েপে

    ‘দ’

    দালমে – দালবিন/বেন – দালপে

    দহয়মে – দহয়বিন/বেন – দহয়পে

    দালেমে – দলেবিন/বেন – দালেপে

    দিপিলমে – দিপিলবিন/বেন – দিপিলপে

    দুডুপমে – দুডুপবিন/বেন – দুডুপপে

    ‘ন’

    নতেমে – নতেবিন/বেন – নতেপে

    নঙ্কায়মে – নঙ্কায়বিন/বেন – নঙ্কায়পে

    ‘প’

    পেরেজমে – পেরেজবিন/বেন – পেরেজপে

    পুইমে – পুইবিন/ঐ – পুইপে

    পাঁজায়েম – পাঁজায়েবিন/ঐ – পাঁজায়েপে

    পাড়হাওমে – পাড়হাওবিন/ঐ – পাড়হাওপে

    পাঁজায়মে – পাঁজায়বিন/ঐ – পাঁজায়পে

    ‘ফ’

    ফুডুগমে – ফুডুগবিন/বেন – ফুডুগপে

    ‘ব’

    বাগিয়েম – বাগিয়েবিন/বেন – বাগিয়েপে

    বায়মে – বায়বিন/বেন – বায়পে

    বাগিমে – বাগিবিন – বাগিপে

    বেরেমে – বেরেদবিন/বেন – বেরেদপে

    ‘ম’

    মেনমে – মেনবিন/বেন – মেনপে

    মাগমে – মাগবিন/বেন – মাগপে

    মাগেমে – মাগেবিন/বেন – মাগেপে

    মেতায়মে মেতায়বিন/বেন মেতায়পে

    ‘র’

    রড়মে – রড়বিন/বেন – রডপে

    রাগমে – রাগবিন/ঐ – রাগপে

    রহয়মে – রহয়বিন/ঐ – রহয়পে

    রেদমে – রেদবিন/ঐ – রেদপে

    রয়েমে – রয়োবিন/ঐ – রয়েপে

    রেজেমে – রেজেবিন/ঐ – রেজেপে

    রেয়াড়ঃকমে – রেয়াড়ঃকবিন/ঐ – রেয়াড়ঃকপে

    রাড়ায়মে – রাড়ায়বিন/ঐ – রায়াড়পে

    রুইমে – রুইবিন/ঐ – রুইপে

    ‘ল’

    লাইমে – লাইবিন/বেন – লাইপে

    লায়মে – লায়বিন/ঐ – লায়পে

    লুইমে – লুইবিন/বেন – লুইপে

    ললয়মে – ললয়বিন/বেন – ললয়পে

    লাগমে – লাগবিন/বেন – লাগপে

    ‘স’

    সিদমে – সিদবিন/বেন – সিদপে

    সেনঃকমে – সেনঃকবিন/বেন – সেনঃকপে

    (চালাঃক) – (ঐ) – (ঐ)

    সেরেঞমে – সেরেঞবিন/বেন – সেরেঞপে

    সাবেমে – সাবেবিন/বেন – সাবেপে

    সাগাড়মে – সাগাড়বিন/ঐ – সাগাড়পে

    ‘হ’

    হহয়মে – হহয়বিন/বেন – হহয়পে

    হাতাওমে – হাতাওবিন/বেন – হাতাওপে

    হাইরমে – হাইরবিন/বেন – হাইরপে

    হালাংমে – হালাংবিন/বেন – হালাংপে

    হৃদমে – হৃদবিন/বেন – হৃদপে

    হবরমে – হবরবিন/বেন – হবরপে

    হবরএম – হবরএবিন/ঐ – হবরেপে

    হেওয়েমে – হেওয়েবিন/ঐ – হেওয়েপে

    হেওয়েএম – হেওয়েএবিন – হেওয়েএপে

    এখনো পর্যন্ত অনুসন্ধানের ফলে প্রাপ্ত তথ্যাদির ভিত্তিতে আমি বলতে পারি, সাঁওতালি ভাষার অন্তর্ভুক্ত মোট শব্দকে দু ভাগে ভাগ করা যায়। বাক্যরচনার নিরিখে এই দুভাগের একভাগকে বলতে পারি পরিবর্তনশীল অর্থাৎ Flexible এবং অন্যভাগকে রক্ষণশীল অর্থাৎ Rigid। নীচে পরিবর্তনশীল ও রক্ষণশীলের কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হল।

    পরিবর্তনশীল (Flexible)

    (১) রু (বাজানো) বাক্যরচনার সময় তার সঙ্গে ‘ই’ যোগ করে উচ্চারিত হবে রুইমে অর্থাৎ তোমাকে বাজাতে বলছি।

    (২) পু (কোদাল দিয়ে মাটি আলগা করা) পুই মে

    (৩) এ (পান করা) এইমে

    (৪) গৃগু (পিঠে করে নেওয়া) গুগূই মে

    (৫) উকু (লুকানো) উকুই মে

    (৬) আগু (নিয়ে আসা) আগুই মে

    (৭) সিৎ (শাক, ফুল তোলা) সিদ মে

    (৮) গদ (কাঁচা আনাজ, ফল তোলা) গদ মে

    (৯) তুৎ (উপড়ানো) তুদমে

    (১০) চাপাৎ (ঢিল মারা) চাপাদ মে

    (১১) রেৎ (পুঁটলি) রেদ মে

    (১২) হেএচ (আসা/পাতা ছেঁড়া) হিজুঃকমে/ হেজমে

    (১৩) রেএচ (কেড়ে নেওয়া) রেজে মে

    (১৪) র (ঝলসানো অর্থে) রয়ে মে

    (১৫) লা (গর্ত খোঁড়া) লায় মে

    (১৬) উদুঃক (দেখানো) উদুগ মে

    (১৭) উৎ (গিলে ফেলা) উদ মে

    (১৮) অজঃক (গায়ে মাখা) অজগ মে

    (১৯) কয়ঃক (তাকিয়ে দেখা) কয়গ মে

    (২০) ফুডুঃক (শাল পাতার তৈরী বাটি) ফুডুগমে ইত্যাদি।

    রক্ষণশীল (Rigid)

    রক্ষণশীলে ক্ষেত্রে বচন পরিবর্তনের সময় কোন কিছুই যোগ করতে হয় না।

    (১) রহয় (রোপন করা) রহয় মে

    (২) দিপিল (মাথায় নেওয়া) দিপিল মে

    (৩) কিরিঞ (কেনা) কিরিঞ মে

    (৪) আকরিঞ (বেচা) আকরিঞ মে

    (৫) গড (ভূমিষ্ট প্রনাম) গড মে

    (৬) গিতিচ (শোওয়া) গিতিচ মে

    (৭) হালাং (কুড়িয়ে আনা) হালাং মে

    (৮) হাইর (ঝাঁটা দিয়ে জড়ো করা) হাইর মে

    (৯) গং (সাড়া দেওয়া অর্থে) গং মে

    (১০) গিডি (ফেলে দেওয়া) গিডি মে

    (১১) দাল (লাঠি পেটা) দালে মে

    (১২) দুডুপ (বসা) দুডুপ মে

    (১৩) সাগাড় (গাড়ি) সাগাড় মে

    (১৪) হাতাও (নিয়ে নেওয়া অর্থে) হাতাও মে ইত্যাদি।

    ব্যাকরণ রচনা আমার উদ্দেশ্য নয় (সেটা অন্যত্র করব)। সে কথা আমি আলোচনার শুরুতেই উল্লেখ করেছি। সাঁওতালি ভাষার বিশেষ বিশেষ উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যের কথাই এখানে উল্লেখ করা হল। আমি হলপ করে বলতে পারি এবং guarantee দিতে পারি, আলোচ্য অধ্যায়ে আলোচিত বৈশিষ্ট্য সমূহকে আয়ত্ত করলেই যে কেউ সাঁওতালি ভাষাকে অনুধাবন করতে পারবে। তবে যাতে কেউ বিভ্রান্ত না হয় তার জন্য সাঁওতালি শব্দ জানার প্রয়োজন আছে। কারণ সাঁওতালি ভাষায় দু একটা এমন শব্দ আছে যাদের উচ্চারণ ভুল করে আম, ইঞ মনে হতে পারে।। যেমন, তাপাম (লড়াই) সুনুম (তেল) উনুম (চোবানো) ঞতুম (নাম) হুতুম (হ’ত মুখ ধোওয়া), সাগিঞ (দূরে) তিঞ (পাথর ছোঁড়া) তুঞ (তীরমারা) ইত্যাদি।

    আমরা এখন যে যুগে বাস করছি তাকে গতির যুগ বলা হয়। এখন হাঁটলে চলবে না দৌড়াতে হবে। কারণ মানুষের হাতে এখন একদম সময় নেই। তথাকথিত সভ্যদের এটা বুঝতে একবিংশ শতাব্দী লেগে গেল আর সাঁওতালদের পূর্বপুরুষরা সেটা কয়েক হাজার বছর আগেই উপলব্ধি করেছিলেন। শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে তাদের মুন্সিয়ানা বা কুশলতা বা দক্ষতা সে কথাই সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণ করে। সাঁওতাল নিজে তার শ্রম দিয়ে তার প্রতিবেশীকে উন্নত করেছে, সমৃদ্ধশালী করেছে অপরদিকে আবার তাঁর মুখের ভাষাও তার প্রতিবেশীর মুখের ভাষাকে নিজের উপকরণ দিয়ে সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করেছে। এটা কথার কথা নয়, ঘটনা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাউলকবি রাধারমণ গীতি সংগ্রহ
    Next Article বৃহজ্জাতকম্ – বরাহমিহির
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }