Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প319 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    চিত্র পরিচিতি

    পথের পাঁচালী—১৯৫৫। প্রযোজনা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কাহিনি: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। চিত্রগ্রহণ: সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সংগীত: রবিশঙ্কর। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। প্রধান: ভূমিকায়: কানু বন্দ্যোপাধ্যায় (হরিহর), করুণা বন্দ্যোপাধ্যায় (সর্বজয়া), চুণীবালা দেবী (ইন্দিরা ঠাকরুন), উমা দাশগুপ্তা (দুর্গা), সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায় (অপু)।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির সুবর্ণপদক, ১৯৫৫

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, কান, ১৯৫৬, মানবিকবোধের শ্রেষ্ঠ ছবির জন্য পুরস্কার; এডিনবারা চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৫৬, ডিপ্লোমা অফ মেরিট; ম্যানিলা ফিলম ফেস্টিভ্যাল, ১৯৫৬, গোল্ডেন কার্বাও (carbao) অ্যাওয়ার্ড; আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ও প্রদর্শনী, সানফ্রান্সিসকো, ১৯৫৭, প্রথম পুরস্কার; বার্লিন, ১৯৫৭, সেলজনিক গোল্ডেন লরেল অ্যাওয়ার্ড; আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ভ্যাঙ্কুভার (কানাডা), ১৯৫৮, প্রথম পুরস্কার; দ্বিতীয় স্ট্যাফোর্ড আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, কানাডা, ১৯৫৮, চিত্রসমালোচকদের বিচারে বছরের শ্রেষ্ঠ ছবি; অ্যাফ্রো আর্টস থিয়েটার, নিউ ইয়র্ক, ১৯৫৯ সালে প্রদর্শিত শ্রেষ্ঠ বিদেশি ছবি, সাংস্কৃতিক পুরস্কার, Prix De La Nouvelle Crittique, Paris, ১৯৫৯, ২য় পুরস্কার; রোম, ভ্যাটিকান অ্যাওয়ার্ড; টোকিও, ১৯৬৬, শ্রেষ্ঠ বিদেশি ছবির পুরস্কার; ডেনমার্ক, ১৯৬৬, বছরের শ্রেষ্ঠ অইউরোপীয় ছবি (বদিল পুরস্কার)।

    অপরাজিত—১৯৫৬। প্রযোজনা এপিক ফিল্মস, কলকাতা। মূল কাহিনি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য ও পরিচালনা সত্যজিৎ রায়। চিত্রগ্রহণ সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশনা বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সংগীত রবিশঙ্কর। সম্পাদনা দুলাল দত্ত। প্রধান ভূমিকায় কানু বন্দ্যোপাধ্যায় (হরিহর), করুণা বন্দ্যোপাধ্যায় (সর্বজয়া), পিনাকী সেনগুপ্ত (ছোটো অপু), স্মরণকুমার ঘোষাল (তরুণ অপু), চারুপ্রকাশ ঘোষ (নন্দবাবু), সুবোধ গঙ্গোপাধ্যায় (হেডমাস্টার), সুদীপ্তা রায় (নিরুপমা), কালিচরণ রায় (প্রেসের মালিক)।

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ভেনিস ১৯৫৭, গোল্ডেন লায়ন অফ সেন্ট মার্ক (শ্রেষ্ঠ পুরস্কার); আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, সানফ্রান্সিসকো, ১৯৫৮, সিনেমা নুয়োভো (Nuovo) অ্যাওয়ার্ড এবং ক্রিটিক্স অ্যাওয়ার্ড; শ্রেষ্ঠ পরিচালনার জন্য শ্রী সত্যজিৎ রায় আন্তর্জাতিক সমালোচকদের পুরস্কারে পুরস্কৃত; ১৯৫৮—৫৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শ্রেষ্ঠ অ-আমেরিকান ছবির জন্য গোল্ডেন লরেল পুরস্কার। পরিচালক ডেভিড সেলজনিক প্রদত্ত গোল্ডেন লরেল ট্রফি পুরস্কৃত। ডেনমার্ক, ১৯৬৭, বছরের শ্রেষ্ঠ অ-ইউরোপীয় ছবির জন্য বদিল (Bodil) পুরস্কার।

    .

    পরশ পাথর—১৯৫৭। প্রযোজনা: এল. বি. ফিল্মস ইন্টারন্যাশনাল। মূল কাহিনি: পরশুরাম। চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। চিত্রগ্রহণ: সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশক: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সংগীত: রবিশঙ্কর। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। প্রধান: ভূমিকায় তুলসী চক্রবর্তী (পরেশ দত্ত), রানীবালা দেবী (গিরিবালা), কালী ব্যানার্জ (প্রিয়তোষ), গঙ্গাপদ বসু (ব্যবসায়ী), মণি শ্রীমানি (পুলিশ ডাক্তার)।

    জলসাঘর—১৯৫৮। প্রযোজনা: সত্যজিৎ রায় প্রোডাকসন্স। মূল কাহিনি: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য ও পরিচালনা সত্যজিৎ রায়। চিত্রগ্রহণ: সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সংগীত: ওস্তাদ বিলায়েৎ খান। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। বাদ্যযন্ত্রী ও নর্তকী: বেগম আখতার, রোশন কুমারী, ওস্তাদ ওয়াহিদ খান ও বিসমিল্লা খান। প্রধান চরিত্র ছবি বিশ্বাস (বিশ্বম্ভর রায়), পদ্মা দেবী (বিশ্বম্ভরের স্ত্রী), গঙ্গাপদ বসু (মহিম), কালী সরকার (অনন্ত), তুলসী লাহিড়ী (তারাপ্রসন্ন)।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির পুরস্কার, ১৯৫৮ (রৌপ্য পদক)

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    Library
    ই-বই ডাউনলোড
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা গল্প
    বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৫৯ সঙ্গীতের জন্য রৌপ্য পদক

    অপুর সংসার২৪—১৯৫৯। প্রযোজনা: সত্যজিৎ রায় প্রোডাকসন্স। মূল কাহিনি: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। চিত্রগ্রহণ: সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সংগীত: রবিশঙ্কর। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। প্রধান ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (অপু), শর্মিলা ঠাকুর (অপর্ণা), স্বপন মুখার্জি (প্রণব), অলোক চক্রবর্তী (কাজল)।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির সুবর্ণ পদক, ১৯৫৯

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    লন্ডন ফিলম ফেস্টিভ্যাল, ১৯৬০, শ্রেষ্ঠ মৌলিক এবং কল্পনাপ্রবণ চিত্র হিসাবে সাদারল্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ট্রফি। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, এডিনবারা, ১৯৬০, ডিপ্লোমা অফ মেরিট। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, ১৯৬০ সালে ন্যাশনাল বোর্ড অফ রিভিউ অফ মোশন পিকচার কর্তৃক শ্রেষ্ঠ বিদেশি ছবি বিবেচিত।

    দেবী—১৯৬০। প্রযোজনা সত্যজিৎ রায় প্রোডাকসন্স। কাহিনি: প্রভাত মুখোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। চিত্রগ্রহণ: সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সংগীত: আলি আকবর খান। সম্পাদনা দুলাল দত্ত। প্রধান ভূমিকায়: ছবি বিশ্বাস (কালীকিঙ্কর), সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (উমাপ্রসাদ), শর্মিলা ঠাকুর (দয়াময়ী)।

    জাতীয় পুরস্কার

    তিন কন্যা—১৯৬১। প্রযোজনা: সত্যজিৎ রায় প্রোডাকসন্স। মূল কাহিনি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। মণিহারা— কালী বন্দ্যোপাধ্যায় (ফণিভূষণ), কণিকা মজুমদার (মণিমালিকা); পোস্টমাষ্টার— অনিল চট্টোপাধ্যায় (নন্দলাল), চন্দনা বন্দ্যোপাধ্যায় (রতন); সমাপ্তি— সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (অমূল্য), অপর্ণা দাশগুপ্তা (মৃন্ময়ী), সীতা দেবী (অমূল্যর মা), গীতা দে (মৃন্ময়ীর মা)।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির রৌপ্য পদক, ১৯৬১

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার (দুই কন্যা)

    মেলবোর্ন চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৬২ মেলবোর্ন ট্রফি (গ্রাঁ প্রি) গোল্ডেন ব্যুমেরাং। বার্লিন, ১৯৬৩, সেলজনিক গোল্ডেন লরেল পুরস্কার।

    রবীন্দ্রনাথ—১৯৬১। প্রযোজনা: ফিল্মস ডিভিশন। [রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ভারত সরকারের উদ্যোগে নির্মিত তথ্যচিত্র।] পরিচালনা, চিত্রনাট্য ও নেপথ্য ভাষণ: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সংগীত: জ্যেতিরিন্দ্র মৈত্র। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। শিশু রবীন্দ্রনাথের ভূমিকায়: সমীরণ ঘোষাল।

    কাঞ্চনজঙ্ঘা—১৯৬২। প্রযোজনা: এন. সি. এ. প্রোডাকসন্স। কাহিনি: সত্যজিৎ রায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। প্রধান ভূমিকায়: ছবি বিশ্বাস (রায় বাহাদুর ইন্দ্রনাথ), অলকানন্দা রায় (মনীষা), অনিল চট্টোপাধ্যায় (অনিল), করুণা বন্দ্যোপাধ্যায় (লাবণ্য), অরুণ মুখোপাধ্যায় (অশোক)। পাহাড়ি সান্যাল (জগদীশ)। ইস্টম্যান কালার।

    অভিযান—১৯৬২। প্রযোজনা: অভিযাত্রিক। কাহিনি: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা :সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (নর সিং), ওয়াহিদা রেহমান (গুলাবী), রুমা গুহঠাকুরতা (নীলিমা), জ্ঞানেশ মুখার্জি (যোশেফ)। রবি ঘোষ (হেল্পার)।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির রৌপ্য পদক, ১৯৬২

    মহানগর—১৯৬৩। প্রযোজক: আর. ডি. বনশাল। মূল কাহিনি: নরেন্দ্রনাথ মিত্র।। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: অনিল চট্টোপাধ্যায় (সুব্রত মজুমদার), মাধবী মুখোপাধ্যায় (আরতি), ভিকি রেডউড (এডিথ)।

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা ভাষার বই
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ
    ই-বই ডাউনলোড
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ

    জাতীয় পুরস্কার

    অল ইন্ডিয়া সার্টিফিকেট অফ মেরিট, ১৯৬৩

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৬৪, শ্রেষ্ঠ পরিচালনার জন্য শ্রী সত্যজিৎ রায় পুরস্কৃত (রৌপ্য-ভল্লুক)।

    চারুলতা—১৯৬৪। প্রযোজনা: আর. ডি. বনশাল। মূল কাহিনি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (অমল), মাধবী মুখোপাধ্যায় (চারুলতা), শৈলেন মুখোপাধ্যায় (ভূপতি), গীতালি রায় (মানদা)।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির সুবর্ণ পদক, ১৯৬৪

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৬৫, শ্রেষ্ঠ পরিচালনার জন্য সত্যজিৎ রায় পুরস্কৃত (রৌপ্য-ভল্লুক)। আকুপুলাকো (Acupulaco) ফিলম ফেস্টিভ্যাল ১৯৬৫, শ্রেষ্ঠ ছবি।

    কাপুরুষ ও মহাপুরুষ—১৯৬৫। প্রযোজনা: আর. ডি. বনশাল। মূল কাহিনি: প্রেমেন্দ্র মিত্র ও পরশুরাম (রাজশেখর বসু)। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায় (কাপুরুষ): সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (অমিতাভ), মাধবী মুখোপাধ্যায় (করুণা), হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায় (করুণার স্বামী)।

    মহাপুরুষ চারুপ্রকাশ ঘোষ (বিরিঞ্চিবাবা), রবি ঘোষ (সহকারী)।

    নায়ক—১৯৬৬। প্রযোজনা: আর. ডি. বনশাল। কাহিনি: সত্যজিৎ রায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সুব্রত মিত্র। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায় উত্তমকুমার (অরিন্দম), শর্মিলা ঠাকুর (অদিতি)।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির রৌপ্য পদক, ১৯৬৬

    শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার ও কাহিনিকার ১৯৬৬

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ১৯৬৬, চলচ্চিত্র জগতে সত্যজিৎ রায়ের শৈল্পিক উৎকর্ষতার স্বীকৃতি হিসাবে বিশেষ সম্মান— আন্তর্জাতিক সমালোচকদের পুরস্কার। বিশেষ ‘জুরি’ পুরস্কার।

    চিড়িয়াখানা২৫—১৯৬৭। প্রযোজনা: স্টার প্রোডাকসন্স। মূল কাহিনি: শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: উত্তমকুমার, শৈলেন মুখোপাধ্যায়, সুশীল মজুমদার, কণিকা মজুমদার, শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়, জহর গাঙ্গুলি, গীতালি রায়। শ্রেষ্ঠ পরিচালনা।

    গুপী গাইন বাঘা বাইন—১৯৬৮—১৯৬৯। প্রযোজনা পূর্ণিমা পিকচার্স। মূল কাহিনি উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরি। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা দুলাল দত্ত। প্রধান চরিত্রে তপেন চট্টোপাধ্যায় (গুপী), রবি ঘোষ (বাঘা), সন্তোষ দত্ত (শুণ্ডীর রাজা), হারীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় (যাদুকর), জহর রায় (মন্ত্রী)।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির সুবর্ণ পদক

    উৎকৃষ্ট পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির রৌপ্য পদক ১৯৬৮

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৬৯ সিলভার রুশ অ্যাওয়ার্ড এবং শ্রেষ্ঠ পরিচালনা

    অ্যাডিলেড এবং অকল্যান্ড ও মৌলিকত্বের জন্য পরস্কার।

    টোকিও চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৭০ মেরিট অ্যাওয়ার্ড

    মেলবোর্ন চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৭০ শ্রেষ্ঠ ছবি

    অরণ্যের দিনরাত্রি—১৯৬৯—১৯৭০। প্রযোজনা: নেপাল দত্ত ও অসীম দত্ত। মূল কাহিনি: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। প্রধান ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (অসীম), শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় (সঞ্জয়), শমিত ভঞ্জ (হরি), রবি ঘোষ (শেখর), পাহাড়ী সান্যাল (সদাশিব), শর্মিলা ঠাকুর (অপর্ণা), কাবেরী বোস (জয়া)।

    প্রতিদ্বন্দ্বী—১৯৭০। প্রযোজনা: প্রিয়া ফিল্মস (শ্রীবিষ্ণু পিকচার্স)। মূল কাহিনি: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। প্রধান ভূমিকায়: ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায় (সিদ্ধার্থ), জয়শ্রী রায়, কল্যাণ চট্টোপাধ্যায়, ভাস্কর চৌধুরি।

    জাতীয় পুরস্কার

    দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চিত্র: বিশেষ পুরস্কার: এবং উৎকৃষ্ট

    পরিচালনার জন্য পুরস্কার।

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    ভেনিস ফিলম ফেস্টিভ্যাল, ১৯৭২ এগজিবিশন প্রাইজ।

    সীমাবদ্ধ—১৯৭১। প্রযোজনা: চিত্রাঞ্জলি। মূল কাহিনি: শংকর। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: বরুণ চন্দ (শ্যামলেন্দু), পারমিতা চৌধুরি (তার স্ত্রী), শর্মিলা ঠাকুর (শ্যালিকা)।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির সুবর্ণ পদক, ১৯৭১

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৭২ FIPRESCI Award

    অশনি সংকেত—১৯৭৩। প্রযোজনা: বলাকা মুভিজ। মূল কাহিনি: বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (গঙ্গাচরণ), ববিতা (তার স্ত্রী), সন্ধ্যা রায় (ছুটকি)। ইস্টম্যান কালার।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির সুবর্ণ পদক, ১৯৭৩

    রাষ্ট্রপতির পুরস্কার (সংগীত ও পরিচালনার জন্য), ১৯৭৩

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৭৪ শ্রেষ্ঠ চিত্রের জন্য পুরস্কার (সুবর্ণ ভল্লুক)। শিকাগো চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৭৩ গোল্ডেন হুগো পুরস্কার।

    সোনার কেল্লা—১৯৭৪। প্রযোজনা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কাহিনি: সত্যজিৎ রায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (ফেলুদা), সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায় (তপেশ), সন্তোষ দত্ত (রহস্য কাহিনিকার)। ইস্টম্যান কালার।

    জাতীয় পুরস্কার

    রাষ্ট্রপতির রৌপ্য পদক এবং

    শ্রেষ্ঠ পরিচালনা, শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্য, শ্রেষ্ঠ আঞ্চলিক

    ছবি এবং শ্রেষ্ঠ রঙিন ছবির জন্য পুরস্কার, ১৯৭৪।

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    তেহরান আন্তর্জাতিক শিশু : শ্রেষ্ঠ ছবি (ক্ষুদ্র স্বর্ণ শিলা)।

    চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৭৫

    জনঅরণ্য—১৯৭৫। প্রযোজনা: ইন্দাস ফিল্মস। মূল কাহিনি: শংকর। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়, পূর্ণেন্দু বসু। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: প্রদীপ মুখোপাধ্যায় (সোমনাথ), সত্য বন্দ্যোপাধ্যায় (বাবা), দীপঙ্কর দে (দাদা), লিলি চক্রবর্তী (বউদি), রবি ঘোষ (মি. মিত্র), আরতি ভট্টাচার্য (কল গার্ল), পদ্মা দেবী (ম্যাডাম)।

    জাতীয় পুরস্কার

    শ্রেষ্ঠ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির পুরস্কার ১৯৭৫

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    Karlovyvary Film Festival

    বিশেষ পুরস্কার

    শতরঞ্জ কে খিলাড়ি—১৯৭৭। প্রযোজনা: সুরেশ জিন্দল। মূল কাহিনি: মুন্সী প্রেমচাঁদ। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: আমজাদ খান (নবাব ওয়াজেদ আলী খান), সঞ্জীব কুমার (মীর), শাবানা আজমি (মীরের বেগম), সৈয়দ জাফরি (মীর্জা), রিচার্ড অ্যাটেনবরো (জে আউট্রাম)। ইস্টম্যান কালার।

    জাতীয় পুরস্কার

    শ্রেষ্ঠ হিন্দি ছবি, রাষ্ট্রপতির পুরস্কার, ১৯৭৭

    জয় বাবা ফেলুনাথ—১৯৭৮। প্রযোজক: আর. ডি. বনশাল। মূল কাহিনি: সত্যজিৎ রায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: অশোক বসু। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (ফেলুদা), উৎপল দত্ত (মগনলাল মেঘরাজ), সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায় (তপেশ), সন্তোষ দত্ত (রহস্য কাহিনিকার)। ইস্টম্যান কালার।

    জাতীয় পুরস্কার

    শ্রেষ্ঠ শিশুচিত্র, রাষ্ট্রপতির পুরস্কার, ১৯৭৮

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    শিকাগো চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৭৯: গোল্ডেন হুগো অ্যাওয়ার্ড

    সাইপ্রাস চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৮০: বিশেষ পুরস্কার

    হীরক রাজা দেশে—১৯৮০। প্রযোজনা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিভাগ। কাহিনি: সত্যজিৎ রায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: অশোক বসু। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নেপথ্য গায়ক: অনুপ ঘোষাল। নাম ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (উদয়ন), উৎপল দত্ত (হীরক দেশের রাজা), রবি ঘোষ (বাঘা), তপেন চট্টোপাধ্যায় (গুপী)। ইস্টম্যান কালার।

    জাতীয় পুরস্কার

    ১৯৮০ সালে শ্রেষ্ঠ আঞ্চলিক ছবি, শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালনা এবং শ্রেষ্ঠ নেপথ্য সংগীতের জন্য রাষ্ট্রপতির পুরস্কার।

    পিকু—১৯৮০—৮১। প্রযোজনা: ফরাসি টেলিভিশন। কাহিনি: সত্যজিৎ রায়। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। প্রধান: ভূমিকায় অপর্ণা সেন, ভিক্টর ব্যানার্জি। ইস্টম্যান কালার।

    সদগতি—১৯৮১। প্রযোজনা: ভারতীয় দূরদর্শন। মূল কাহিনি: মুন্সী প্রেমচাঁদ। ভাষা হিন্দি। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: অশোক বসু। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। প্রধান ভূমিকায়: ওমপুরী, স্মিতা পাতিল, মোহন আগাশে, গীতা সিদ্ধার্থ। ইস্টম্যান কালার।

    ঘরে বাইরে—১৯৮৪। প্রযোজনা ন্যাশানাল ফিলম ডেভালপমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া। মূল কাহিনি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: সৌমেন্দু রায়। শিল্প নির্দেশনা: অশোক বসু। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। প্রধান ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (সন্দীপ), ভিক্টর ব্যানার্জি (নিখিলেশ), স্বাতীলেখা চট্টোপাধ্যায় (বিমলা), গোপা আইচ, জেনিফার কাপুর, মনোজ মিত্র, ইন্দ্রপ্রতিম রায়, বিমল চট্টোপাধ্যায়। ইস্টম্যান কালার।

    জাতীয় পুরস্কার

    শ্রেষ্ঠ সহ অভিনেতা, ভিক্টর ব্যানার্জি, ১৯৮৪।

    আন্তর্জাতিক পুরস্কার

    দামাস্কাস চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৮৫ সুবর্ণ পদক (বিশেষ পুরস্কার)

    কুমার রায়—তথ্যচিত্র, ১৯৮৭। প্রযোজনা: পশ্চিমবঙ্গ সরকার; চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা সত্যজিৎ রায়; আলোকচিত্র বরুণ রাহা; শিল্প নির্দেশনা অশোক বসু; নেপথ্য সংগীত— অনুপ ঘোষাল; সম্পাদনা দুলাল দত্ত; ভূমিকায়: উৎপল দত্ত, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সন্তোষ দত্ত, তপেন চট্টোপাধ্যায় ইত্যাদি।

    তিন বছর বিশ্রামের পর২৭ মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সত্যজিৎ রায় আবার লুক-থ্রু করলেন ক্যামেরার ‘আই পিস’ দিয়ে, চালালেন ক্যামেরা। আবোল তাবোলের টুকরো টুকরো স্কেচ দেয়ালে আটকে দেওয়া হয়েছিল। আলোয় ঝলমল করে উঠেছিল বকচ্ছপ, ট্যাঁশ গোরু, কুমড়োপটাশ আর রামগড়ুরের ছানারা। রাজ্য সরকার প্রযোজিত সুকুমার রায়ের ওপর তথ্যচিত্র, তাই নিয়েই শুরু হল সত্যজিতের দ্বিতীয় পর্ব, প্রথম পর্ব শুরু হয়েছিল ১৯৫২ সালে ‘পথের পাঁচালী’ ছবি দিয়ে। সত্যজিৎকে তখন বীমা কোম্পানি থেকে টাকা ধার করতে হয়েছিল।

    বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে ঘরোয়া পরিবেশে সত্যজিৎ তাঁর দ্বিতীয় পর্বের তথ্যচিত্র নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তাঁর ইউনিট নিয়ে। সন্দীপ রায় সাহায্য করছিলেন তাঁকে।

    [সত্যজিৎ প্রোডাকসন্স-গণশত্রু২৮। বৃহস্পতিবার ১ ডিসেম্বর, ১৯৮৮। প্রায় ৫ বছর ধরে ছাব্বিশতম কাহিনি চিত্র ‘গণশত্রু’র আউটডোরের কাজ শুরু করেছিলেন সত্যজিৎ রায় টালিগঞ্জের ইন্দ্রপুরী স্টুডিয়োতে। তিন নম্বর ফ্লোরে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক, শুভার্থী এবং অ্যান্ড্রু রবিনসন২৬। তিনি সত্যজিৎ রায়ের সিনেমার ওপর একটা বই লিখেছেন। ছেলে সন্দীপ শুটিং-এর পুরো দায়িত্বে ছিলেন। ইবসেনের কাহিনি অবলম্বনে বর্তমান পরিস্থিতিতে চিত্রনাট্য করেছেন সত্যজিৎ রায়।]

    গণশত্রু—১৯৮৯। প্রযোজনা: এন. এফ. ডি. সি.। মূল কাহিনি: হেনরিখ জোহান ইবসেনের ১৮৮২ সালের রচনা ‘অ্যান এনিমি অফ দ্য পিপল’। চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা: সত্যজিৎ রায়। আলোকচিত্র: বরুণ রাহা। শিল্প নির্দেশনা: অশোক বসু। সম্পাদনা: দুলাল দত্ত। নাম ভূমিকায়: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, মনোজ মিত্র, শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দে, ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, ভীষ্ম গুহ ঠাকুরতা, সত্য ব্যানার্জি, মমতাশঙ্কর, রুমা গুহঠাকুরতা। ডাক্তার-সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় মেয়ে-মমতাশঙ্কর; ডাক্তারের স্ত্রী রুমা গুহঠাকুরতা; জনবার্তা পত্রিকার সম্পাদক দীপঙ্কর দে; মেয়র-ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়; ডাক্তারের মেয়ের প্রেমিক-ভীষ্ম গুহঠাকুরতা ইত্যাদি। ইস্টম্যান কালার। শ্রেষ্ঠ বাংলা ছবি ‘৮৯।

    শাখাপ্রশাখা—২ জানুয়ারি ১৯৯০, মঙ্গলবার সকালে সত্যজিৎ রায় তাঁর নতুন ছবি ‘শাখাপ্রশাখা’র কাজ শুরু করলেন। প্রথম দিন ইন্দ্রপুরী স্টুডিয়োতে শুটিংয়ে অংশ নিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ফ্রান্সের বিখ্যাত অভিনেতা জেরার্ড দেপার্দিউ এবং দ্যু প্লঁতিয়ের যৌথভাবে ছবিটি প্রযোজনা করেছেন। বিদেশের প্রযোজনায় সত্যজিৎ রায়ের এই প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাহিনি চিত্র।

    মঙ্গলবার স্টুডিয়ো প্রাঙ্গণে একটি অ্যাম্বুলেন্স ও পুলিশের জিপ রাখা ছিল।

    সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দে, প্রমোদ গঙ্গোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিক, মমতাশঙ্কর, লিলি চক্রবর্তী প্রমুখ অভিনয় করেছেন এই ছবিতে। কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা ছাড়াও সত্যজিৎ রায় এই ছবিতে সংগীত পরিচালনা করেছেন।

    সুখনার জঙ্গলে শুটিং২৯

    শিলিগুড়ি, ২ মার্চ ১৯৯০— ‘এখানে এসে যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুটিং করেছি তা সত্যিই অতুলনীয়। আমার কাজে এখানকার মানুষজন যেভাবে সহযোগিতা করেছে তাতেই আমি অভিভূত।’ এখানে একথা বলেছিলেন সত্যজিৎ রায়। চার দিন ধরে ‘শাখাপ্রশাখা’র শুটিং করে এখান থেকে কলকাতার দিকে রওনা হয়ে যাওয়ার পথে একথা বলেন তিনি। সত্যজিৎ রায় মূলত শুটিং করেন সুখনা লেকে এবং লেকসংলগ্ন জঙ্গলে। জানুয়ারি মাসের শুরু থেকেই তিনি একটানা ইনডোর শুটিং করেছিলেন ‘শাখাপ্রশাখা’র। ২৫ ফেব্রুয়ারি এসে পৌঁছান শিলিগুড়িতে। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকেই শুটিং শুরু করে দেন সুখনা লেকসংলগ্ন জঙ্গলের একটি বিশেষ অঞ্চলে। অভিনেতা অভিনেত্রী এবং ইউনিটের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে শুটিং করার সময় কোনোরকম অসুবিধের সম্মুখীন হতে হয়নি তাঁকে। শারীরিক দিক থেকেও শুটিং চলাকালীন সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন সত্যজিৎ রায়। প্রসঙ্গত প্রায় ৬ বছর ধরে চিকিৎসকের অনুমতি নিয়ে দীর্ঘ আউটডোর শুটিং করলেন তিনি। শুটিং-এর উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল এই প্রথম ‘ডাবিং’ ছাড়াই শাখাপ্রশাখা-র জন্য শব্দগ্রহণ করলেন দুই ফরাসি সাউন্ড রেকর্ডিস্ট।৩০

    ‘শাখাপ্রশাখা’৩১

    সত্যজিৎ রায়ের আগের দুটো ছবি ‘ঘরে বাইরে’ ও ‘গণশত্রু’র চেয়ে ‘শাখাপ্রশাখা’ সম্পূর্ণ অন্য ধরনের ছবি। বর্তমান সমাজের বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে একটা পরিবারের চার পুরুষকে গবেষণা করা হয়েছে। গবেষণার ফলটা হয়ে ওঠে এই সমাজের একটা দলিল।

    কলকাতা থেকে দু-শো কিলোমিটার দূরে এক অভ্রখনি এলাকার ঘটনা। সেই এলাকার একজন খাঁটি মানুষ, সততা আর বিশ্বাসের প্রতীক আনন্দ মজুমদার। তাঁর সত্তরতম জন্মদিনে নাগরিক সংবর্ধনায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাড়িতে তাঁর ৯৩ বছরের অথর্ব বাবা ও অসুস্থ মস্তিষ্কের মেজো ছেলে প্রশান্ত। অসুস্থতার খবর পেয়ে বাকি তিন ছেলে প্রবোধ, প্রবীর ও প্রতাপ আসে। সঙ্গে বড়ো বউ উমা, সেজো বউ তপতী ও তপতীর ছেলে ডিঙ্গো। আনন্দবাবুর আদর্শকে প্রশান্ত-প্রতাপ বিশ্বাস করে। প্রবোধ ও প্রবীর সম্পূর্ণ বিপরীত। রেস খেলা, মদ খাওয়া, কালো টাকা, দুনম্বরী এসব ওঁদের গা-সওয়া। বাবাকে দেখতে আসার পর সকলের চরিত্রটা ধরা পড়ে। ওদিকে আনন্দবাবু সেরে ওঠেন। তাঁর অনুরোধে সবাই পিকনিকে যায়। কলকাতা ফেরার আগে ডিঙ্গো একা দাদুর ঘরে গেলে ছবি চরমমাত্রা পায়। আশাহত আনন্দবাবু প্রশান্তর হাত দুটো ধরে মনে জোর আনার চেষ্টা করেন।

    আনন্দমোহন হয়েছেন অজিত ব্যানার্জি, ওঁর বাবা প্রমোদ গাঙ্গুলি। চার ছেলে যথাক্রমে হারাধন ব্যানার্জি, সৌমিত্র চ্যাটার্জি, দীপঙ্কর দে ও রঞ্জিত মল্লিক। হারাধনের স্ত্রী লিলি চক্রবর্তী। দীপঙ্করের স্ত্রী মমতাশঙ্কর। তাদের ছেলে সোহম চক্রবর্তী। মমতা ও লিলি খুব ভালো কাজ করেছেন। সত্যজিৎ রায়ের ছবিতে আগে অনেক শিশুশিল্পী অভিনয় জীবন শুরু করেছে। সোহমের (বিট্টু) মুখেই রয়েছে ছবির শেষ কথা, ‘জানো দাদু আমি এক নম্বরী, দু-নম্বরী জানি।… তুমি তিন নম্বরী না চার নম্বরী?’ এই নির্মম কথাটা ভেঙে দিয়েছে আনন্দবাবুর মন। সত্যজিৎবাবু সোহমকে দিয়ে চমৎকার অভিনয় আদায় করে নিয়েছেন। সৌমিত্র অসাধারণ।

    আগন্তুক (১৯৯১)-এর একটি দৃশ্যগ্রহণের আগে অভিনেতা উৎপল দত্তকে নির্দেশ পরিচালকের।

    আগন্তুক৩২

    ‘আগন্তুক’ হল সত্যজিৎ রায়ের আঠাশতম ছবি। শাখাপ্রশাখা ছবির বিশ্বমুক্তির মধ্যেই ‘আগন্তুক’-এর কাজ অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিল। কাহিনি সত্যজিতের, আগে কোথাও প্রকাশিত হয়নি। মুখ্য ভূমিকায় আছেন উৎপল দত্ত, দীপঙ্কর দে, ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, রবি ঘোষ, প্রমোদ গাঙ্গুলি, মমতাশঙ্কর, অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রতা চট্টোপাধ্যায় এবং বিক্রম ভট্টাচার্য। প্রযোজনা: এন. এফ. ডি. সি। সংগীত: সত্যজিৎ।

    এক সুখী সংসারে এক বৃদ্ধ অতিথি বা আগন্তুকের আবির্ভাব সংসারে কেমন করে অশান্তির সৃষ্টি করল তাই নিয়ে কাহিনি। আগন্তুক হলেন গৃহকর্ত্রী অনিলার (মমতাশঙ্কর) মামা। তাঁর দীর্ঘদিনের উপস্থিতি গৃহকর্তা সুধীন্দ্র (দীপঙ্কর) মেনে নিতে পারেন না। তিনি মামা মনোমোহনকে (উৎপল দত্ত) বাড়ি ছেড়ে যেতে বলার জন্য বন্ধু পৃথ্বীশকে (ধৃতিমান) খবর দেন। পৃথ্বীশ কাটখোট্টা মানুষ, রেখে ঢেকে কথা বলতে জানে না। অনিলার এটা পছন্দ নয়। এই নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে তিক্ততা। এদিকে মনোমোহনের সঙ্গে সুধীন্দ্র আর অনিলার সন্তান সাত্যকির (বিক্রম ভট্টাচার্য) একটা সুন্দর দাদু-নাতি সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একটা গভীর টেনশনের মধ্য দিয়ে কাহিনির পরিসমাপ্তি। যথারীতি এই কাহিনির সংগীত পরিচালকও সত্যজিৎ রায়।

    নিজেরই লেখা চিত্রনাট্য অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় ছবির শুটিং শুরু করেন ২২ নভেম্বর ১৯৯০। চিত্রনাট্যটি আগে কোথাও প্রকাশিত হয়নি। ছবির জন্যই চিত্রনাট্যটি লিখেছেন সত্যজিৎ। তবে জানা গেছে, এই ধরনের বিষয়বস্তু নিয়ে সত্যজিৎ রায় এর আগে ছবি করেননি।

    আউটডোরে ‘আগন্তুক’৩৩

    বৃহস্পতিবার (২২.১১.৯০) শুরু হল সত্যজিৎ রায়ের নতুন ছবির শুটিং। একেবারে প্রথম দিনেই আউটডোর। খোলা আকাশের নিচে ময়দানে ঘাসের উপর ক্যামেরা বসল। সত্যজিৎ রায়কে কলকাতাবাসী দীর্ঘদিন এভাবে প্রকাশ্যে শুটিং করতে দেখেনি। গণশত্রু-তে আউটডোর ছিল না। শাখাপ্রশাখা-য় আউটডোর হয়েছে উত্তরবঙ্গে। নতুন ছবি ‘আগন্তুক’-এও বড়ো আউটডোর আছে। তা হবে বীরভূমে।

    দুপুর বারোটার মধ্যেই ময়দানে পৌঁছে গিয়েছিলেন সত্যজিৎ। ততক্ষণে এসে গেছেন ছবির প্রধান অভিনেতা উৎপল দত্ত ও কয়েকজন শিশুশিল্পী। উৎপল দত্ত ছোটোদের নিয়ে ঘাসের উপর বসে গল্প করছেন— এ নিয়েই ছিল এদিনের শুটিং। শুটিং চলল বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত। চারপাশে একটু ভিড় হয়ে গেলেও নিরুপদ্রবে শুটিং চলেছে। কেউ কোনো বিরক্ত করেনি। এদিকে এদিনই রায়পরিবারে এসেছে এক নতুন অতিথি। দাদু হলেন সত্যজিৎ রায়। এদিন সকালে সন্দীপ-ললিতার একটি পুত্রসন্তান হয়। সকালে নার্সিংহোমে নবজাতককে দেখতে যান পরিবারের সকলে। তারপর গোটা দুপুর শুটিং-এ বাবাকে সহযোগিতা করেন সন্দীপ।

    ‘আগন্তুক’ ছবির গল্প সত্যজিৎবাবুর নিজের লেখা। চিত্রনাট্য, সংলাপ ও সংগীত পরিচালনার দায়িত্বও তাঁর ওপর। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রভাব ছবিতে থাকছে। এই জাতীয় বিষয় নিয়ে সত্যজিৎবাবু আগে কখনো ছবি করেননি।

    আগন্তুক আন্তর্জাতিক পুরস্কার ১৯৯১— ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে ফিপ্রেসি পুরস্কার।

    জাতীয় পুরস্কার: ১৯৯২— শ্রেষ্ঠ কাহিনি চিত্র ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার— স্বর্ণকমল।

    ***

    ২৪. অপুর সংসার— ‘অপু ত্রয়ী (অপু ট্রিলজি)’ লন্ডন, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৬০ এই তিনটি ছবির প্রতিটি লাভ করে উইংটন পুরস্কার।

    ২৫. চিড়িয়াখানা— ১৯৬২— উত্তমকুমার এই ছবিতে সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সীর চরিত্রে অভিনয় করেন। সেই বছর অভিনয়ের জন্য জাতীয় পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় এবং সেই ভরত পুরস্কারের প্রথম প্রাপক হন উত্তমকুমার। যৌথভাবে ‘চিড়িয়াখানা’ এবং ‘অ্যান্টনী ফিরিঙ্গি’ ছবিতে তাঁর অভিনয়ের জন্য।

    ২৬. অ্যান্ড্রু রবিনসন (১৯৫৭— ) অক্সফোর্ডের স্নাতক এই গবেষক ছিলেন প্রথমে রসায়ন এবং পরবর্তীতে স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ-এর ছাত্র। পদার্থবিদ নেভিল রবিনসনের পুত্র অ্যান্ড্রু ভারতবর্ষে প্রথম আসেন ১৯৭৫-এ এবং ভারতের সাংস্কৃতিক, সামাজিক আবহে মুগ্ধ হন। ১৯৮৯-এ সত্যজিৎ রায়ের জীবনী ‘সত্যজিৎ রায় দ্য ইনার আই’ লিখে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। ২০১৯ সালেও সদ্য প্রয়াত আলোকচিত্রী নিমাই ঘোষের সঙ্গে যৌথভাবে লেখেন ‘সত্যজিৎ রায় ইন কালার’ বইটি।

    ২৭. ‘তিন বছর বিশ্রামের পর…’ ‘ঘরে বাইরে’-র শুটিং তখন পুরোদমে চলছে, ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৩ সত্যজিৎ রায়কে ফোন করেন পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত; প্রয়োজন সত্যজিতের একটি সাক্ষাৎকার। সত্যজিৎ তাঁকে ১ অক্টোবর পনেরো মিনিট সময় দিলেন। দলবল, লাইট, ক্যামেরা, সাজসরঞ্জাম নিয়ে বুদ্ধদেব বাবু এলেন যথাসময়ে। কিন্তু বন্ধ ঘরে জোরালো আলোয় শুটিং চলল পনেরো মিনিটের বদলে তিন ঘণ্টা! ঘর্মাক্ত অবস্থায় সত্যজিৎ যখন বেরোলেন, তখন তিনি কার্যত অসুস্থ। এরপর সেদিন স্নান খাওয়া সেরে দুপুরে নিজের কাজের উদ্দেশ্যে বেরোনোর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হন সত্যজিৎ। বেলভিউ নাসিং হোমের আই সি ইউ-তে কাটে দুটি মাস। ডিসেম্বর মাসে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে ‘ঘরে বাইরে’র বাকি কাজ পুত্র সন্দীপ রায়ের সহায়তায় শেষ করেন। ডাক্তারদের নির্দেশমতো তখন তার সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা বন্ধ। যথেষ্ট সাবধানে থাকা সত্ত্বেও ১৯৮৪-এর ১১ মার্চ সকালে নিজের বাড়িতেই হার্ট অ্যাটাক হয় সত্যজিতের। আবার একমাস নার্সিং হোমে। ১৯ মে থেকে জ্বর এবং শ্বাসকষ্ট। ডাক্তাররা আর ভরসা পেলেন না সেভাবে, বিদেশে অস্ত্রোপচার করার সিদ্ধান্ত নিলেন তারা। ১২ জুন ১৯৮৪ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন সত্যজিৎ। ১৮ জুন হিউস্টনে ডা. ডেন্টন কুলি-র তত্ত্বাবধানে বাইপাস সার্জারি হয় সত্যজিৎ রায়ের। সফল অস্ত্রোপচার। হাসপাতাল থেকে হোটেলে ফিরলেন ২৮ জুন। কিন্তু দুর্ভোগের বাকি ছিল তখনও, ১৭ জুলাই মধ্যরাতে শরীরে অসহ্য কাঁপুনি নিয়ে ফের হাসপাতালে ভরতি হতে হল সত্যজিতকে। ডাক্তার পরীক্ষা করে জানালেন প্রস্টেটে সমস্যা এবং অপারেশন ছাড়া গত্যন্তর নেই। ২০ জুলাই আবার শল্যোপচার। ২৫ তারিখ ছাড়া পেলেন। ৪ আগস্ট লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন সত্যজিৎ রায়। দশদিন পর ১৪ আগস্ট কলকাতায় প্রত্যাবর্তন। সত্যজিতের ফিরে আসাকে কেন্দ্র করেও একটি প্রচ্ছদ কাহিনি প্রকাশিত হয় আনন্দলোক পত্রিকায়। ‘সুস্থ সত্যজিৎ স্বদেশে’ এই শীর্ষক নিয়ে। ৪ জানুয়ারি ১৯৮৫-তে কলকাতায় মুক্তি পায় ‘ঘরে বাইরে’।

    ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত সত্যজিৎ মূলত লেখালেখি, সম্পাদনা, চিত্রাঙ্কন এবং অনুবাদের কাজ নিয়ে মগ্ন ছিলেন। ডাক্তারি নির্দেশ মেনে ওই সময়ে কোনো ছবির কাজে হাত দিতে পারেননি তিনি। সারাজীবন কর্মব্যস্ত থাকা মানুষটি এহেন বাঁধা নিয়মের মধ্যে পড়ে স্বভাবতই বিমর্ষ হয়ে পড়েছিলেন, কিন্তু সেই নির্দেশ না মেনে ওঁর উপায়ও ছিল না। তাঁর শরীর তখন মনের গতিবেগের সাথে পাল্লা দিতে অসমর্থ হচ্ছিল। ১৯৮৭-তে পিতা সুকুমার রায়ের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রযোজনায় তথ্যচিত্র নির্মাণের কাজে হাত দিলেন সত্যজিৎ। মূলত স্থিরচিত্র এবং ধারাভাষ্য দ্বারা চালিত হলেও, কলকাতার কিছু জায়গার বহির্দৃশ্য এবং সুকুমার রায় রচিত ‘লক্ষণের শক্তিশেল’, ‘ঝালাপালা’ এবং ‘হ য ব র ল’র নির্বাচিত দৃশ্যের অভিনয় গৃহীত হয় ইন্দ্রপুরী স্টুডিয়োতে। পাঠভবন স্কুলে আয়োজিত ‘সুকুমার মেলা’য় ছবিটি প্রদর্শিত হয়।

    ২৮. গণশত্রু— ১ ডিসেম্বর ১৯৮৮, পাঁচ বছর পর ফের সত্যজিৎ রায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন নিজের ছাব্বিশতম কাহিনিচিত্রে কাজ নিয়ে। বহুদিন পর কাজে ফেরায় প্রথমদিন ঈষৎ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন সত্যজিৎ। স্ত্রী বিজয়া রায়ের স্মৃতিচারণ থেকে জানা যায় যে সেদিন খুবই মুষড়ে পড়েন সত্যজিৎ রায়। সৌভাগ্যের বিষয় পরের দিন নিজস্ব ছন্দে ফিরে যখন শটের শেষে ‘কাট’ বলেন; তখন সেই জলদগম্ভীর স্বরে গমগম করে উঠেছিল ইন্দ্রপুরী স্টুডিয়োর ফ্লোর। ‘গণশত্রু’-কে কেন্দ্র করে মানুষের প্রত্যাশা যে কোন স্তরে উঠেছিল তা খানিকটা টের পাওয়া যায় সেই সময়ে প্রকাশিত বাংলা ইংরেজি ভাষার প্রচ্ছদকাহিনিতে এর উপস্থিতি দেখে। Cinema India, The Telegraph এবং আনন্দলোক, এদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আনন্দলোক-এর দুটি সংখ্যায় ‘গণশত্রু’র শুটিং চলাকালীন এবং শুটিং শেষ হওয়ার পরের ঘটনার প্রতিবেদন রচনা করেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায়, যিনি সবার কাছে ‘তোপসে’ হিসেবেই বেশি জনপ্রিয়। ছবির শুটিং চলাকালীনই সত্যজিৎ সম্মানিত হন ফরাসি সরকার প্রদত্ত লিজ দঁ নর সম্মানে এবং সেই অনুষ্ঠানেই ফরাসি প্রেসিডেন্ট মিতেরঁ সত্যজিতের আগামী ছবি ‘গণশত্রু’-কে ফ্রান্সে প্রদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। কার্যত ঘটেওছিল তাই, ১৯ জানুয়ারি ১৯৯০, কলকাতায় ‘গণশত্রু’-র মুক্তির আগেই ২৮ জুন ১৯৮৯-এ ছবিটি প্যারিসে মুক্তিলাভ করে। সত্যজিতের সঙ্গে ফরাসি সংযোগ আরও নিবিড় হয় এই ছবিকে কেন্দ্র করে।

    ২৯. সুখনার জঙ্গলে শুটিং— ‘৬ বছর পরে চিকিৎসকের অনুমতি… দীর্ঘ আউটডোর শুটিং করলেন তিনি।’ উল্লিখিত বাক্যাংশে সত্যজিৎ রায়ের চিকিৎসক ড. কান্তিভূষণ বক্সীর কথা বলা হয়েছে। ওঁর তত্ত্বাবধানে সত্যজিৎ রায় কাটিয়েছিলেন শেষ আটটি বছর। ৬ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৮৪-তে বর্ধমানের চকদিঘী রাজবাড়ি ও সংলগ্ন এলাকায় ‘ঘরে বাইরে’র আউটডোরে শুটিং করেছিলেন সত্যজিৎ। তারপর সুদীর্ঘ বিরতি। স্বাস্থ্যোন্নতির পর ১৯৮৯-তে সম্পূর্ণ স্টুডিয়োর মধ্যে শুটিং করেন ‘গণশত্রু’ ছবির। তার পরের বছর ‘শাখাপ্রশাখা’ ছবির হাত ধরে শিলিগুড়ির সুখনা লেক ও সংলগ্ন জঙ্গলে ছবির চড়ুইভাতির দৃশ্যগ্রহণ করেন পরিচালক।

    ৩০. ‘দুই ফরাসি সাউন্ড রেকর্ডিস্ট’ (সুখনার জঙ্গলে শুটিং)— পিয়ের ল্যানোয়া এবং দানী কারক্যাঁ। দ্বিতীয় ব্যক্তি ছবির শব্দগ্রহণের জন্য বুম-ম্যান হিসেবেও কাজ করেন এই ছবিতে।

    ৩১. ‘শাখাপ্রশাখা’ ‘অপুর সংসার’ (১৯৫৯) ছবির জন্য ‘চিরিমিরি’-তে অভ্র খনির কাছে আউটডোর শুটিং করেন সত্যজিৎ। সেই সময় ওই প্রেক্ষাপটকে ঘিরে তিনি একটি চিত্রনাট্য রচনা করতে শুরু করেন, যার নাম ‘শাখাপ্রশাখা’। অসমাপ্ত সেই চিত্রনাট্য প্রথম প্রকাশিত হয় এক্ষণ পত্রিকায়। পরবর্তীতে সত্যজিৎ রায়ের লেখা তিনরকম (প্রকাশনা কথামালা) এবং ‘পিকুর ডায়রি ও অন্যান্য’ (প্রকাশনা আনন্দ পাবলিশার্স) বইতে এটি স্থান পায়। ‘গণশত্রু’ (১৯৮৯) ছবি তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় সত্যজিৎ তাঁর এই অসম্পূর্ণ চিত্রনাট্যটি নিয়ে ঘষামাজা করে নতুন এক চেহারা দেন এবং চলচ্চিত্রায়ন শুরু করেন। এই প্রথম সত্যজিৎ রায়ের ছবির প্রযোজনা করেন দুটি বিদেশি সংস্থা। বিখ্যাত ফরাসি অভিনেতা জেরাউ দেপার্দ্যু এবং টোসকাঁ দ্য প্ল্যাঁতিয়ে-র ডি ডি ফিল্মস ও এরাটো ফিল্মস এবং সত্যজিৎ রায় প্রোডাকশনস-এর সম্মিলিত প্রযোজনায় নির্মিত হয় ‘শাখাপ্রশাখা’। ছবির ব্যবসায়িক প্রাপ্তি এবং বিদেশে প্রদর্শনের থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ পাওয়া ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কিছু প্রতারণা ও অন্যান্য সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল সত্যজিৎ রায়কে। সত্যজিৎ প্রয়াণের পরবর্তী সময়ে ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে দেখানো হলেও, ভারতে প্রথম দূরদর্শনে এর সম্প্রচার হয়েছিল ৫ মে ১৯৯১। প্যারিসে ছবির মুক্তিলাভ এর কয়েক মাস পরে, ২১ আগস্ট ১৯৯১।

    ৩২. ‘আগন্তুক’ ‘কাহিনি সত্যজিতের, আগে কোথাও প্রকাশিত হয়নি।’ এই উক্তিটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়, ১৯৮১-তে প্রকাশিত ‘আরও বারো’ বইতে সত্যজিৎ রায় সরাসরি লেখেন ‘অতিথি’ গল্পটি। ‘আগন্তুক’ ছবির মূল কাঠামো সত্যজিতের স্বরচিত এই গল্পের উপর আধারিত।

    ৩৩. আউটডোরে ‘আগন্তুক’ ‘আগন্তুক’-এর শুটিং শুরু হয় ২২ নভেম্বর ১৯৯০ সালে, ওই দিনই সত্যজিৎ রায়ের পৌত্র সৌরদীপ রায় জন্মগ্রহণ করে। সকালে নার্সিং হোমে নবজাতককে দেখে এসে বেলা বারোটা নাগাদ ময়দানে শুরু হয় শুটিং। প্রোডাকশন ম্যানেজার ও দীর্ঘদিনের সঙ্গী শ্রী অনিল চৌধুরি রসিকতার সুরে সত্যজিতকে বলেন, ‘যাক আপনার তাহলে শাখাপ্রশাখা হল।’ অভিনেতা উৎপল দত্ত সেই রসিকতার রেশ ধরে বললেন, ‘এ যে ঘরে বাইরে আগন্তুক!’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ‘আগন্তুক’ ছবির আউটডোর শুটিং হয়েছিল শান্তিনিকেতনের ‘বনের পুকুর’ গ্রামে, শিয়ালদহ ফ্লাইওভার এবং গড়ের মাঠ-এ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী
    Next Article ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }