Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প319 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যৌবন ও কর্মজীবন

    প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপক প্রশান্ত মহলানবিশের সংস্পর্শে এসেছিলেন সত্যজিৎ। মহলানবিশ ছিলেন সুকুমারের বন্ধু। সত্যজিৎকে তিনি পরম স্নেহের চোখে দেখতেন। এশিয়ার অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইন্সটিটিউটের সঙ্গে প্রশান্ত মহলানবিশের নাম চিরকাল যুক্ত হয়ে থাকবে।

    এদিকে রবীন্দ্রনাথের ইচ্ছে সত্যজিৎ শান্তিনিকেতনে আসেন, শিল্পকলা নিয়ে পড়াশোনা করেন। সংগীত, নৃত্য ও শিল্পকলায় শান্তিনিকেতনের তখন খুব নামডাক। সারা দেশ থেকে, এমনকি বিদেশ থেকেও ছাত্রছাত্রীরা ওখানে অধ্যয়ন করতে আসে।

    ১৯৪০ সালে ইকনমিকসে অনার্স নিয়ে বি এ পাশ করলেন সত্যজিৎ। মা আর রবীন্দ্রনাথের আগ্রহে তিনি শান্তিনিকেতনে গেলেন, যদিও শিল্পী হবার কোনো আকাঙ্ক্ষা তখন তাঁর ছিল না। ভাগ্য কেমন করে মানুষকে তার নিজের পথে নিয়ে যায়!

    ওই বছরই তিনি শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন। শিল্পবিভাগের প্রধান তখন বিখ্যাত চিত্রকর নন্দলাল বসু। আসল গুরু পেয়ে গেলেন সত্যজিৎ। ছমাসের মধ্যে তাঁর এত উন্নতি হয়েছিল যে, নন্দলাল বসু নিজেও কম অবাক হননি। শিল্পী সত্যজিতের জন্ম হল।

    মজার কথা, শান্তিনিকেতনে তিনি কিন্তু কখনো কোনো নাটকে অংশগ্রহণ করেননি। ও ব্যাপারে তখন তাঁর কোনো আকর্ষণ ছিল না। বরং সন্ধেবেলায় বিছানায় উপুড় হয়ে বই পড়া কিংবা গ্রামাফোনে পাশ্চাত্য শাস্ত্রীয় সংগীত শোনাতেই তাঁর ছিল আনন্দ। বেটোফেন, মোৎসার্ট, বাখ (Bach) খুব প্রিয় ছিল তাঁর। প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্য সংগীত সম্বন্ধে তাঁর জ্ঞান আর অনুরাগ ছিল বেশি।

    শান্তিনিকেতনে এক বছর কাটবার পর ১৯৪১ সালে রবীন্দ্রনাথ দেহত্যাগ করলেন। শান্তিনিকেতন যেন মরুভূমি হয়ে গেল, ওখানে আর থাকতে মন চাইল না সত্যাজিতের। তাছাড়া মা তাঁর জন্য কত আর করবেন, এবার তাঁর উচিত সংসারের সমস্ত ভার নিজের কাঁধে নেওয়া।

    শান্তিনিকেতনের কলাভবনে ছাত্রাবস্থায় সত্যজিৎ রায় (১৯৪১)
    শান্তিনিকেতনের কলাভবনে ছাত্রাবস্থায় সত্যজিৎ রায় (১৯৪১)

    ১৯৪২ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি শান্তিনিকেতনের কয়েকজন ছাত্রের সঙ্গে তিনি পরিভ্রমণে বেরুলেন। এলিফ্যান্টার গুহাচিত্র তাঁকে মুগ্ধ করল। কিন্তু আরও অবাক হবার পালা ছিল তাঁর। অজন্তা আর ইলোরা তাঁর চোখ খুলে দিল। প্রাচ্যের শিল্পকলা যে এত উন্নত হতে পারে এটা তাঁর ধারণাই ছিল না। ওখান থেকে তাঁরা গেলেন ঝাঁসি, সেখান থেকে যাবেন খাজুরাহো। দ্বাদশ শতাব্দির বিখ্যাত সব মন্দির যেখানকার প্রধান আকর্ষণ।

    সেই মুহূর্তে পার্ল হারবারে বোমা ফেলল জাপানিরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঢেউ আছড়ে পড়ল এশিয়ায়। সত্যজিৎ সঙ্গে সঙ্গে মনস্থির করে ফেললেন কলকাতায় ফিরবেন। শান্তিনিকেতনের পাঠ এখানেই সাঙ্গ। আচার্য নন্দলাল বসু তাঁর সিদ্ধান্ত শুনে খুব দুঃখিত হয়েছিলেন, সত্যজিতের মধ্যে তিনি এক উদীয়মান শিল্পীর পরিচয় পেয়েছিলেন। ১৯৪২ সালের ডিসেম্বরে শান্তিনিকেতনের পালা চুকে গেল।

    তখন তাঁর বয়স একুশ। একটা চাকরি চাই। কমার্শিয়াল আর্টিস্ট হিসেবে তিনি তাঁর যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবেন এ আত্মবিশ্বাস তাঁর ছিল, কিন্তু কলকাতায় চাকরি পাওয়া অত সহজ ছিল না। ছমাস বসে থাকবার পর ১৯৪৩ সালে মাত্র পঁচাশি টাকা মাস মাইনেয় বিজ্ঞাপন সংস্থা ডি জে কীমারে তিনি চাকরি পেলেন, ওটার মালিকানা তখন ইংরেজদের হাতে। তাঁর কাজ হল বইয়ের মলাটের ছবি আঁকা। পরে সিগনেট প্রেস থেকেও তাঁর কাছে কাজের আহ্বান এল, কীমারের সঙ্গে সঙ্গেই ওটা করা যাবে। কীমারের সদর দপ্তর ছিল লন্ডনে, কলকাতার শাখা আপিসে ওপরের দিকে বেশ কিছু ইংরেজ অফিসার ছিল। তাঁরা কিন্তু সত্যজিতকে চিনতে ভুল করেননি, ফলে চাকরিতে উন্নতি আর মাইনে বাড়ার ব্যাপারে কোনো অসুবিধে হল না।

    লন্ডন থেকে সে সময় কোম্পানির কলকাতা আপিসের কাজকর্ম কেমন চলছে তা দেখবার জন্য এক জাঁদরেল অফিসার এলেন। তাঁর সম্মানে একটা ককটেল পার্টি দেওয়া হয়েছিল। নিমন্ত্রিতদের সবাই সেজেগুজে পার্টিতে গেলেন এবং অবিশ্যিই ইউরোপিয়ান পোশাকে। সত্যজিৎ একমাত্র ব্যতিক্রম, তিনি গেলেন ধুতি পরে। সবাই যখন রঙিন সুরায় বিভোর, তিনি পান করলেন টমোটোর রস। এই হলেন সত্যজিৎ।

    প্রায় দশ বছর তিনি ডি জে কীমারে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছিলেন, ওখানকার একজন ডিরেক্টরের পদে পর্যন্ত উন্নীত হয়েছিলেন।

    কীমারে কাজ শুরু করার পর থেকেই কিন্তু ছবি তোলার ব্যাপারটা তাঁর মনে দানা বাঁধতে শুরু করেছিল। ১৯৪০-এর গোড়ার দিকে কয়েকটা ভালো বাংলা ছবি হয়েছিল, তার ক্যামেরাম্যান ছিলেন বিমল রায়। তিনি যখন ‘উদয়ের পথে’ করলেন, সত্যজিৎ তার মধ্যে যেন নিজের ভাবনা চিন্তার একটা সূক্ষ্ম যোগ খুঁজে পেলেন। হিন্দি ‘দো বিঘা জমিন’ তাঁর মন নাড়া দিয়েছিল। ‘উদয়ের পথে’ আর ‘মন্ত্রমুগ্ধ’ তাঁকে অনুপ্রেরণা যোগাল, তিনি স্ক্রিপ্ট লিখতে শুরু করলেন। তাঁর প্রথম প্রচেষ্টা ‘দ্য প্রিজনার অফ জেন্ডা’ নিয়ে একটা চিত্রনাট্য। ওই কাহিনি ভিত্তি করে একাধিক ছবি আগেই জনপ্রিয় হয়েছিল। সত্যজিৎ বিমল রায়ের সঙ্গে ও বিষয়ে কথা বলেছিলেন কিন্তু তিনি ব্যাপারটায় তেমন গুরুত্ব দেননি।

    এতেও হতাশ হলেন না সত্যজিৎ। কিছুদিন পরে তিনি দুটো গল্পের সিনারিও লিখলেন— একটা ছোটো গল্প ‘উইলিয়ামসন’কে ভিত্তি করে, অন্যটা রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ কাহিনির ভাব নিয়ে। একজন প্রযোজক ‘ঘরে বাইরে’ করবার জন্য এগিয়ে এলেন, চুক্তি পর্যন্ত সই হয়ে গেল। এই সময়েই বংশী চন্দ্রগুপ্তের সঙ্গে সত্যজিতের পরিচয়। বংশী চন্দ্রগুপ্ত কাশ্মীরের মানুষ। তিনি তখন ছবি আঁকা ছেড়ে সিনেমায় আর্ট ডিরেক্টর হবার চেষ্টা করেছেন। তাঁদের পরিচয়ের মধ্যেও যেন ভাগ্যদেবীর প্রসন্ন হাসির ছোঁয়া। বংশীর সঙ্গে সত্যাজিতের সম্পর্ক ভাবীকালে নিবিড় হয়ে উঠেছিল, সত্যজিতের অধিকাংশ ছবির শিল্প নির্দেশক ছিলেন তিনিই। বংশী চন্দ্রগুপ্তর আকস্মিক মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক।

    সত্যজিৎ আর বংশী ছুটির দিন হলেই ‘ঘরে বাইরে’ ছবি তোলার জন্য লোকেশনের খোঁজে বেরিয়ে পড়তেন, সত্যজিতের গলায় ঝোলানো থাকত একটা ক্যামেরা। কিন্তু ওই ছবির প্রযোজক আর পরিচালক তাঁদের ইচ্ছেমতো স্ক্রিপ্ট বদলাতে চাইলেন, সত্যজিৎ তাতে রাজি হলেন না ফলে চুক্তি বাতিল হয়ে গেল। এটা বোধ হয় ১৯৪৬ সালের ঘটনা। তার প্রায় চল্লিশ বছর পরে ‘ঘরে বাইরে’ ছবি করেছিলেন সত্যজিৎ, তখন তিনি স্বমহিমায় অধিষ্ঠিত।

    ১৯৪৫ সালে, অর্থাৎ যে বছর ‘ঘরে বাইরে’র চুক্তি খারিজ হয়ে গেল তার আগের বছর, সিগনেট প্রেস সত্যজিৎকে ‘পথের পাঁচালী’ বইয়ের এক সংক্ষিপ্ত সংস্করণের ছবি আঁকার ভার দিল। ওটার কাজ করার সময় থেকেই ‘পথের পাঁচালী’ নিয়ে একটা ছবি করার চিন্তা তাঁর মাথায় আসে। ওই সংক্ষিপ্ত সংস্করণের জন্য তিনি যে ছবি এঁকেছিলেন তার সামান্যই কিন্তু পরবর্তীকালে সিনেমার জন্য তিনি যে স্কেচ করেছিলেন তার সঙ্গে মেলে। ‘পথের পাঁচালী’ নিয়ে একটা ছবি করার কথা তাঁর মনে উঁকি ঝুঁকি মারলেও ওই সময় তিনি কিন্তু ওটার কোনো চিত্রনাট্য লেখেননি। সেটা আরও পরে। তবে এ কথা ঠিক যে ১৯৪৯ সালে ‘পথের পাঁচালী’ আচ্ছন্ন করে রেখেছিল তাঁর মন।

    ছোটোবেলা থেকেই সিনেমার প্রতি তিনি ভীষণভাবে আকৃষ্ট। ১৯৪৭-৪৮ সালে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে মিলে তিনি গড়ে তুলেছিলেন ক্যালকাটা ফিলম সোসাইটি। শ্রী চিদানন্দ দাশগুপ্ত (অভিনেত্রী অপর্ণা সেনের বাবা) এবং শ্রী হরিসাধন দাশগুপ্ত গোড়া থেকেই এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তখন থেকেই সত্যজিৎ একই ছবি অনেকবার দেখতেন আর খুঁটিনাটি বিষয় লিখে রাখতেন।

    পুডভকিন, পল রোখা, ভ্লাদিমির নিলজেন, আইজেনস্টাইন তাঁর মনে জাগাত অসীম কৌতূহল। তখন ১৯৪৭ সাল, এঁদের চলচ্চিত্র-চেতনা তাঁর কাছে ছিল এক নতুন আবিষ্কারের মতো। জন ফোর্ড, ফ্রিৎজ, ল্যাঙ, ফ্র্যাঙ্ক কাপরা, জন হাস্টন, লুবিস, বিলি ওয়াইলডার, এঁদের তোলা ছবি তাঁকে মুগ্ধ করেছিল। ছোটোবেলায় লে মিজারেবল গভীর রেখাপাত করেছিল তাঁর মনে।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কিছু সোভিয়েত ছবি সত্যজিৎকে খুব নাড়া দিয়েছিল। সেগুলো হল, ‘আইভান দ্য টেরিবল’, ‘আলেকজান্ডার নেভঙ্কি’, ‘স্টরম ওভার এশিয়া’, ‘প্রফেসর ম্যামলক’ ইত্যাদি।

    আবার আমরা কয়েক বছর আগের ঘটনায় ফিরে যাই। ১৯৩১ সালে সত্যজিতের যখন দশ বছর বয়স, মামাবাড়িতে মানুষ হচ্ছেন, তখন তাঁর বড়োমামা [সুপ্রভা দেবীর বৈমাত্রেয় ভাই] চারুচন্দ্র দাশ হঠাৎ মারা গেলেন। তিনি ছিলেন ব্যারিস্টার, বিলেতে গিয়েছিলেন, খুব হইচই করতে ভালোবাসতেন। তাঁর চার মেয়ে গৌরী, সতী, জয়া আর বিজয়া। মেয়েরা এসে উঠলেন প্রশান্ত দাশের বাড়ি। নাচে, গানে, অভিনয়ে সবাই পারদর্শিনী।

    সত্যজিতের রুচির সঙ্গে বিজয়ার রুচির খুব মিল, দুজনের মধ্যে একটা নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠল। দুজনেরই সংগীতের দিকে দারুণ ঝোঁক। প্রথমদিকে ওঁরা জনপ্রিয় গায়ক পল রবসন, নেলসন এডি এঁদের রেকর্ড নিয়ে মেতে উঠেছিলেন কিন্তু পরে পাশ্চাত্য মার্গ সংগীতের দিকে ঝোঁকেন। দুজনের কেউই কিন্তু জাজ পছন্দ করতেন না। সত্যজিৎ তাঁর হাত খরচের সব টাকাই ঢালতেন রেকর্ডের পেছনে।

    সত্যজিতের বয়স যখন আঠারো, তিনি বুঝতে পারলেন বিজয়াকে তিনি ভালোবাসেন, বিজয়ার অবস্থাও তথৈবচ, সত্যজিৎ ধ্যান-জ্ঞান। কিন্তু বাঙালিদের মধ্যে সম্পর্কে মামাতো বোনের সঙ্গে বিয়ের নিয়ম নেই, যদিও দক্ষিণ ভারতে মামা আর ভাগ্নীর বিয়ে খুব শুভ ঘটনা। ওঁরা ঠিক করলেন পরস্পরের প্রতি তাঁরা বিশ্বস্ত থাকবেন, কখনো বিয়ে করবেন না। বিজয়া অভিনয়ের জন্য বোম্বে চলে গেলেন।

    ১৯৪৮ সালে সত্যজিৎ মাকে নিয়ে মামাবাড়ি ছেড়ে আলাদা বাসা করলেন। তখন তাঁর রোজগার ভালো, প্রায় বাইশ বছর মামাবাড়ি কাটিয়ে স্বাধীনভাবে জীবন শুরু করলেন। সত্যজিৎ ধরেই নিয়েছিলেন বিজয়ার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হবে না, সামাজিক অনুশাসনই বাধা হয়ে দাঁড়াবে। কিন্তু সুপ্রভা রায়, এ বিয়েতে যাঁর দিক থেকে বাধা আসবার কথা ছিল সবথেকে বেশি, তিনিই বললেন, তাঁর ছেলে যদি সুখী হয় তবে তিনি বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না। আশ্চর্য মহিলা ছিলেন সুপ্রভা রায়। আজ থেকে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে যে সংস্কারমুক্ত মনের পরিচয় তিনি দিয়েছেন আজও তা বিরল— এখনও বাঙালি পরিবারে এমন বিয়ের কথা উঠলে চারদিক থেকে প্রবল বাধার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    ঢাকার বিখ্যাত কালীনারায়ণ গুপ্ত ছিলেন সুপ্রভা দেবীর মাতামহ, তাঁর কীর্তিকলাপ সে সময় সমগ্র ঢাকা জেলায় লোককাহিনি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। মজার কথা, শৈশবে তাঁকেও কিন্তু উপেন্দ্রকিশোরের মতো এক অবস্থাপন্ন পরিবারে দত্তকপুত্র রূপে গ্রহণ করা হয়েছিল। ছোটোবেলা থেকেই সমাজের নিচুতলার মানুষের প্রতি তাঁর ছিল অসীম দরদ। হিন্দু সমাজের কঠিন অনুশাসন সত্ত্বেও নিচু জাতের মানুষদের সঙ্গে অবাধে মেলামেশা করতে তিনি ভয় পেতেন না। ১৮৬৯ সালের নভেম্বর মাসে যখন তাঁর বয়স উনচল্লিশ, তিনি তাঁর স্ত্রী এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুত্রকে নিয়ে ঢাকা শহরে গিয়েছিলেন ব্রাহ্মধর্মে দীক্ষিত হবার জন্যে। দীক্ষা নেবার আগে তাঁদের সঙ্গে একাসনে বসেছিল তাঁদের দুজন ভৃত্য— সবাই একসঙ্গে দীক্ষিত হবেন। এমনই ছিল কালীনারায়ণের মনের উদারতা। ব্রাহ্মধর্মের অন্যতম প্রচারক কেশবচন্দ্র সেন ছিলেন তাঁর অনুপ্রেরণা।

    দীক্ষার পর নিজের জমিদারিতে ফিরে এসেই তিনি গ্রামে এক ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। অনুন্নত এবং কৃষকশ্রেণিদের মধ্যে শিক্ষাপ্রসারের জন্য তিনি উঠে পড়ে লেগেছিলেন। কালীনারায়ণ গুপ্তর কণ্ঠস্বর ছিল দরাজ। তাঁর স্ত্রী অন্নদা দেবী সুললিত কণ্ঠে ধর্মের গান গাইতেন।

    কালীনারায়ণ কিছু চিকিৎসাবিদ্যায়ও অর্জন করেছিলেন, ছোটোখাটো অস্ত্রোপচার করতে পারতেন। কত লোকের অসুখ যে তিনি সারিয়েছিলেন তার হিসেব নেই। গ্রামের মানুষ তাঁকে দেবতার মতো ভক্তি করত। স্টেশনমাস্টারকে তিনি বলে রেখেছিলেন দূরযাত্রীদের যারাই গাড়ি ধরবার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকবে তাদের যেন তাঁর বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, তিনি তাদের আহার বিশ্রামের ভার নেবেন। এমনকি যাত্রীদের মধ্যে যারা দুঃস্থ, তাদের তিনি টাকাপয়সা দিয়ে সাহায্য করতেন।

    তাঁর যখন বৃদ্ধ বয়স তখন তিনি দিনের পর দিন এক অসুস্থ মেথরের সেবা করেছিলেন। মৃত্যুর পর নিচু জাতের ওই মানুষটার শব বহন করার লোক জোটেনি। কালীনারায়ণ শবদেহ নিজের কাঁধে তুলে শ্মশানঘাটে গিয়েছিলেন। জমিদারের এই কাণ্ড দেখে গাঁয়ের মানুষরা লজ্জায় ছুটে এসেছিল, তাদের হাতে শব দেবার অনুরোধ করেছিল। কালীনারায়ণ তাদের বলেছিলেন, ‘ও যখন বেঁচে ছিল, আমার অনেক উপকার করেছে। ওর শেষ কাজ করতে পারলে আমি শান্তি পাব।’

    এমন মানুষের নাতনি সুপ্রভা দেবী সংস্কার মুক্ত হবেন এতে আর বিচিত্র কি!

    তখন কলকাতায় অমন আত্মীয়তা সম্পর্কের মধ্যে বিয়ের নিয়ম ছিলনা, কিন্তু বোম্বেতে ছিল, তবে বর কনের একজনকে বোম্বের অধিবাসী হতে হবে। বিজয়াতো আগে থেকেই ওখানে আছেন তাই অসুবিধে হল না। সত্যজিৎ বোম্বাই গেলেন বিয়ে করতে। ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে বিজয়া দাশ হলেন বিজয়া রায়, সত্যজিৎ-জায়া।

    এ কথা স্বীকার করতেই হবে যে, বিয়ের পর থেকেই সত্যজিতের জীবনে বিরাট পরিবর্তনের সূচনা, ধাপে ধাপে উন্নতির সোপান বেয়ে উঠেছেন তিনি, পেয়েছেন বিপুল যশ, সারা বিশ্বের সম্মান। বিজয়া রায় নিশ্চয়ই এ কৃতিত্বের ভাগীদার। তিনি সত্যজিৎকে শুধু অনুপ্রেরণাই যোগাননি, বড়ো হবার সবরকম সাহায্য করেছেন, দুঃসময় নিজের গা থেকে গয়না খুলে দিতেও ইতস্তত করেননি। মাতা ও জায়া সৌভাগ্যে নিশ্চয়ই সৌভাগ্যবান সত্যজিৎ।

    ওই সময় কলকাতায় এলেন হলিউডের বিখ্যাত চিত্রপরিচালক জাঁ রেনোয়া, তাঁর ‘রিভার’ ছবির শুটিং করতে। সত্যজিৎ হোটেলে তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন। নিজের পরিচয় দিলেন একজন চলচ্চিত্রানুরাগী ও ফিলম সোসাইটির সংগঠক বলে। রেনোয়া গ্রামবাংলার সঙ্গে পরিচিত একজন লোক খুঁজছিলেন, সত্যজিৎ সেই সুযোগ গ্রহণ করলেন। তাঁর সঙ্গে ঘুরলেন, ‘পথের পাঁচালী’ সম্বন্ধে তাঁর চিন্তাভাবনার কথাও বললেন। রেনোয়া তাঁকে উৎসাহ দিয়ে বলেছিলেন যদি হলিউডের ধারা ঝেড়ে ফেলে নিজস্ব ধাঁচে ছবি তোলার চেষ্টা করো তবেই মহৎ ছবি তুলতে পারবে, তার আগে নয়। কত বড়ো খাঁটি কথা রেনোয়া বলেছিলেন কিংবা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তা বোধ হয় তিনি নিজেও জানতেন না।

    এদিকে যে বিজ্ঞাপন সংস্থায় তিনি কাজ করছিলেন, সেখানে তাঁর কাজের সুখ্যাতি বিলেতেও গিয়ে পৌঁছেচে। ১৯৫০ সালে তাঁকে আর্ট ডিরেক্টরের পদে প্রমোশন দিয়ে কয়েক মাসের জন্য লন্ডন অফিসে বদলি করা হল।

    ওই প্রথম বিদেশ যাত্রা। সস্ত্রীক লন্ডন গেলেন সত্যজিৎ। এক অভাবনীয় সুযোগ এল তাঁর জীবনে। যেসব ভালো বিদেশি ছবি দেখার সৌভাগ্য হয়নি কিংবা কখনো হয়তো দেখা হত না, আশ মিটিয়ে তা দেখলেন। পাঁচ মাসে পঁচানব্বুইটি— মারি সিটন তাঁর বইয়ে লিখেছেন সাড়ে চার মাসে নিরানব্বইটি ছবি সত্যজিৎ দেখেছিলেন। আবার ফ্লেহার্টি ফাউন্ডেশন সেমিনারে সত্যজিতের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এইচ গ্রে লিখেছেন সত্যজিৎ লন্ডনে তিন মাস ছিলেন, তার মধ্যে নব্বুইটারও বেশি ছবি দেখেছিলেন।

    যেদিন লন্ডনে পৌঁছুলেন সেদিনই সন্ধ্যায় পর পর দুটো ছবি দেখেছিলেন কার্জন সিনেমায়, তার একটা হল ‘দি বাইসাইকেল থিফ’— পরিচালক ভিট্টারিও ডি সিকা। মুগ্ধ হয়ে গেলেন সত্যজিৎ। এই প্রথম তিনি অনুভব করলেন স্টুডিয়োর বাইরে শুধু অপেশাদার অভিনেতা দিয়ে পরিচালক কী কাণ্ড ঘটাতে পারেন! ইতালিতে যা সম্ভব কলকাতায় তা কেন নয়? এই প্রশ্নটাই জাগল তাঁর মনে। তারকা ছাড়াই শুধু লোকেশনের উপর ভিত্তি করে মনের মতো একটা ছবি।

    এরপর দেখলেন ‘মিরাকল অফ মিলান’। রবার্ট ফ্লেহার্টির ‘মানুক অফ দ্য নর্থ’ ও ‘লুসিয়ানা স্টোরি’ দেখে তাঁর মন ভরে গেল।

    রাশিয়ান ছবির মধ্যে ডভঝেনস্কির প্রতিভা তাঁকে আপ্লুত করলে। ডনস্কয়ের ‘চাইল্ডহুড অফ ম্যাক্সিম গোর্কি’ তাঁকে অনুপ্রেরণা যোগাল।

    ‘দি বাইসাইকেল থিফ’ দেখে তিনি মনস্থির করলেন নিওরিয়ালিস্টিক স্টাইলে ‘পথের পাঁচালী’ ছবি করবেন। লন্ডন থেকে ভারতে ফেরার সময় ‘পথের পাঁচালী’র চিত্রনাট্যে তিনি হাত দিলেন। এ ছবি করার পেছনে এক বিশুদ্ধ শিল্প ভাবনা কাজ করেছিল, যার ছিল সার্বজনীন আবেদন। ১৯৫০-এর অক্টোবরে কলকাতায় ফিরেই তিনি চিত্রনাট্যের খসড়া তৈরি করে ফেললেন। বেশ কিছু প্রযোজককে তিনি খসড়া দেখালেন, তাঁদের আকৃষ্ট করার জন্য তিনি ছবির প্রায় পাঁচ-শো রেখাচিত্র এঁকেছিলেন, কিন্তু কেউই উৎসাহ দেখালেন না।

    তাঁর ইউনিটে তখন বংশী চন্দ্রগুপ্ত, আর্ট ডিরেক্টর (রেনোয়ার সঙ্গে সদ্য কাজ করে তাঁর কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা হয়েছে), সুব্রত মিত্র, ক্যামেরাম্যান (রেনোয়ার শুটিংয়ের তিনি ছিলেন একজন মনোযোগী দর্শক, বিশেষ করে ক্লড রেনোয়ার ক্যামেরার কাজ আগ্রহ নিয়ে লক্ষ্য করেছিলেন তিনি)। আরও তিনজন এসে যোগ দিলেন ইউনিটে। দুলাল দত্ত, ছবির সম্পাদনার কাজের দায়িত্ব পড়ল তাঁর উপর, শান্তি চ্যাটার্জি সহযোগী আর বাঁশের মতো রোগা লম্বা অনিল চৌধুরি, অমন চেহারা হলেও মানুষটি কিন্তু খুব শক্ত। সুখে দুঃখে এই ক-জন সবসময় সত্যাজিতের পাশে ছিলেন।

    ছবিটা তোলার ব্যাপারে অনেক প্রযোজকের দ্বারস্থ তাঁরা হয়েছিলেন, তাঁদের একজন হলেন অরোরা ফিলমের অজিত বোস। পরে তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে ‘পথের পাঁচালী’র পরিবেশনার স্বত্ব কিনে নিয়েছিলেন এবং আরও পরে ‘অপরাজিত’র টাকা যুগিয়েছিলেন। শ্রীবোস চিত্রনাট্য দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন কিন্তু বলেছিলেন তিনি ছবি তৈরির জন্য টাকা ঢালতে রাজি যদি নামি কোনো পরিচালকের তত্ত্বাবধানে কাজ করতে সম্মত হন সত্যজিৎ।

    বলা বাহুল্য সত্যজিৎ রাজি হননি, আর্থিক সঙ্কট থাকলেও মনের দিক থেকে তিনি দেউলিয়া ছিলেন না। তাঁর মানসিক দৃঢ়তার এটাও এক দৃষ্টান্ত। ছবি হয় তাঁর নির্দেশনায় হবে নয়তো হবে না।

    ‘অপুর সংসার’ প্রযোজনা করেছিলেন অসিত চৌধুরি, ওটা হল ওই সিরিজের তৃতীয় ছবি। তাঁর কাছেও যাওয়া হয়েছিল ‘পথের পাঁচালী’র জন্য। তখন কিন্তু তিনি মনে করেছিলেন সত্যজিতের মাথা খারাপ হয়েছে।

    সত্যজিৎ আর তাঁর ইউনিটের সবাই একজন প্রযোজকের খোঁজে হন্যে হয়ে বেড়াচ্ছেন। একটা ছবি তখন কলকাতায় দারুণ শোরগোল ফেলেছিল, বক্স অফিস হিট। ওঁরা ভাবলেন পরিবেশক নিশ্চয়ই খানদানী মানুষ। টেলিফোন ডাইরেক্টরি থেকে ভদ্রলোকের ঠিকানা খুঁজে অনিল চৌধুরি তাঁর সঙ্গে দেখা করলেন, সত্যজিতের পরিকল্পনা বুঝিয়ে বললেন। ভদ্রলোক যেন ব্যাপারটায় গুরুত্ব উপলব্ধি করলেন। তিনি অনিল চৌধুরির সঙ্গে তক্ষুণি সত্যজিতের বাড়ি গিয়ে দেখা করলেন। অনেক প্রশ্ন করলেন, তার মধ্যে একটা হল সিনেমা করার জন্য কাহিনির স্বত্ব কেনা হয়েছে কিনা। সত্যজিৎ জানালেন কাহিনিকার বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধবা স্ত্রীর সঙ্গে তিনি এ ব্যাপারে যোগাযোগ করেছেন, কিন্তু তখনও পর্যন্ত টাকা দেওয়া হয় নি। ভদ্রলোক জানালেন এক সপ্তাহ পরে চুক্তিপত্র নিয়ে তাঁদের মধ্যে বৈঠক হবে। তারপরই সেই ভদ্রলোক এক মজার খেল দেখালেন। বিভূতিভূষণের স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বললেন, তাঁর পরলোকগত স্বামীর ওই কাহিনির জন্য দশ পনেরো হাজার যা টাকা লাগে তিনি দেবেন, ভদ্রমহিলা যেন সত্যজিতের মতো এক অনভিজ্ঞের হাতে ওটা ছেড়ে না দেন। ছবি তোলার ব্যাপারে সত্যজিতের কোনো অভিজ্ঞতা নেই, ওই কাহিনির ছবি করা খুব নামি পরিচালকের পক্ষেই একমাত্র সম্ভব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী
    Next Article ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }