Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অদ্বিতীয় সত্যজিৎ : সত্যজিতের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনী – মঞ্জিল সেন

    মঞ্জিল সেন এক পাতা গল্প319 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সত্যজিৎ ও জাঁ রেনোয়া

    ১৯৫০ সালে সত্যজিৎ রায় যখন ডি. জে. কীমার বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানে কাজ করছিলেন তখন বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি চলচ্চিত্র পরিচালক জাঁ রেনোয়া ‘দি রিভার’ ছবির শুটিং তুলতে কলকাতা এসেছিলেন। ওটার লেখক রুমার গডডেনের [Rumer Godden] কাহিনির পটভূমিকা ছিল আমাদের এই পশ্চিমবাংলা।

    সত্যজিৎ রায় তখন থেকেই চলচ্চিত্র নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করে দিয়েছেন, ভালো ইংরেজি ছবি এলে দেখা চাই-ই। বিখ্যাত পরিচালকদের নাম তখন তাঁর নখদর্পণে। এই সুযোগ নষ্ট করার মানুষ ছিলেন না সত্যজিৎ। তিনি তখন সাধারণ একজন শিল্পী, রেনোয়ার মতো খ্যাতিমান একজনের সঙ্গে দেখা করব বললেই তো দেখা করা যায় না, যশ মানুষের চারপাশে একটা দুর্ভেদ্য ব্যুহ সৃষ্টি করে, সেটা ভেদ করা সহজ ব্যাপার নয়।

    যাহোক সত্যজিৎ সাহসে ভর করে একদিন সন্ধ্যেবেলা গ্রেট ইস্টার্ন হোটেলে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন আর আশ্চর্য, খুব সহজেই দেখা হয়ে গেল। সত্যজিৎ রায় নিজের পরিচয় দিলেন সিনে ক্লাবের একজন অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে। সেই সাক্ষাৎকার ইংরেজি সিনেমা পত্রিকা সিকোয়েন্স-এ ছাপা হয়েছিল। চমৎকার একটি রচনা, যেমন ভাষার ঝঙ্কার তেমন সুললিত ভাবের প্রকাশ। তার যথাসম্ভব ভাবানুবাদ এখানে দেওয়া হল:

    রেনোয়ার সঙ্গে প্রথম আলাপেই তাঁকে এত নম্র আর বিনয়ী মনে হয়েছিল যে সত্যজিৎ যা যা প্রশ্ন তাঁকে করবেন মনে মনে ঠিক করে গিয়েছিলেন যেমন, কেন তিনি তাঁর ছবির জন্য ‘রিভার’-কেই বেছে নিলেন, হলিউডে ছবি তুলে তিনি আনন্দ পান কিনা, তিনি কি ফ্রান্সে ফিরে যাবার কথা ভাবছেন, এসব প্রশ্ন না করে তিনি জিজ্ঞেস করে বসলেন, ভারতবর্ষ তাঁর কেমন লাগছে?

    রেনোয়া চিন্তাশীলের মতোই জবাব দিয়েছিলেন, ‘এ দেশকে ভালোমতো জানবার পর এ প্রশ্নর জবাব দেব। আপাতত আমি শুধু কলকাতা শহরকে জানতে চেষ্টা করছি, আমার তো বেশ ভালো লাগছে।’ দু-তিনবার কলকাতা শহর এবং গঙ্গার বুকে তিনি ঘুরেছেন, সে সম্বন্ধে অনেক কিছুই তাঁর বলবার ছিল। গঙ্গা নদীতে সেই সাবেকি আমলের নৌকো তাঁকে মুগ্ধ করেছিল, নতুন যা কিছু দেখেছেন সবই অবাক করেছে তাঁকে। ‘বুঝলেন’, তিনি বলেছিলেন, ‘মনে হয় ভারতবর্ষ আদিম যুগের সৌন্দর্য এবং সরলতা এখনও ধরে রেখেছে। যেভাবে মাঝিরা দাঁড় টানে, কৃষক জমি চাষ করে, মেয়েরা কুয়ো থেকে জল তোলে, তা প্রাচীন মিশরের দেয়ালচিত্রের কথা মনে করিয়ে দেয়।’

    এক উদ্বাস্তু পরিবারের সঙ্গে রেনোয়ার দেখা হয়েছিল। তারা পাকিস্তান [এখন বাংলাদেশ] থেকে সারাটা পথ এসেছিল নৌকোয়। পথে অবিশ্বাস্য সব রোমাঞ্চকর ঘটনা ঘটেছিল। রেনোয়া বলেছিলেন তাঁর বিশ্বাস ওদের কাহিনি নিয়ে সুন্দর ছবি করা যায়। সত্যজিৎ জবাব দিয়েছিলেন ছবি করার মতো অমন ঘটনা ভারতবর্ষে ছড়াছড়ি।

    ‘নিশ্চয়ই সেসব নিয়ে ছবি হবে,’ শিশুর সারল্যে বলেছিলেন রেনোয়া।

    ‘না,’ সত্যজিৎ বলেছিলেন, ‘ভারতীয় চলচ্চিত্রের পরিচালকরা চারপাশের বাস্তব ঘটনার চাইতে হলিউডের চোখ ঝলসানো ছবিই পছন্দ করেন বেশি।’

    ‘ওহ, আমেরিকার ছবি…’, রেনোয়া সখেদে মাথা নেড়ে বলেছিলেন, ‘আমি জানি ওদের প্রভাব খুব খারাপ।’

    .

    সত্যজিতের সঙ্গে সাক্ষাৎকারের পরেই ক্যালকাটা ফিলম সোসাইটি রেনোয়াকে এক সংবর্ধনা দিয়েছিল। সেখানে নানারকম প্রশ্নের জবাব দিতে হয়েছিল তাঁকে। ভাঙা ভাঙা মিষ্টি ইংরেজিতে অথচ বেশ স্বচ্ছন্দের সঙ্গে সব প্রশ্নের জবাব দিয়েছিলেন তিনি। ‘রিভার’ সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেছিলেন, দি নিউ ইয়র্কার-এ ওই উপন্যাসটির সমালোচনা তাঁর চোখে পড়েছিল। ওই পত্রিকায় কাহিনির যে সারাংশ বেরিয়েছিল তাতে তাঁর মনে হয়েছিল ওটায় ভালো ছবি করার উপাদান আছে। উপন্যাসটা পড়ে সেই ধারণা আরও তাঁর বদ্ধমূল হয়েছিল, তখুনি ওটা নিয়ে তিনি কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন।

    সত্যজিৎ ওই উপন্যাসটি পড়েননি, বিষয়বস্তু সম্বন্ধেও তাঁর কোনো ধারণা ছিল না, শুধু জানতেন বাংলার কোনো নদী (সম্ভবত গঙ্গা) নিয়ে ওই ছবির কাহিনি। হলিউড থেকে ভারতবর্ষ সম্বন্ধে যা ছবি তোলা হয় তা সব বিকৃত রুচির। তাই রেনোয়ার মতো একজন বিখ্যাত পরিচালক ভারতবর্ষের আসল রূপটা ছবিতে তুলে ধরবেন এই আশায় সত্যজিৎ উৎফুল্ল হয়েছিলেন। কিন্তু রেনোয়া যখন জানালেন শুধুমাত্র আমেরিকার দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্যই ‘রিভার’ ছবি তোলা হচ্ছে, ভারতবর্ষের ঐতিহ্যের তেমন পরিচয় ওতে আশা করা উচিত হবে না এবং ছবিতে একটি মাত্র ভারতীয় চরিত্র থাকবে, তাও এক ইউরোপিয়ান পরিবারের ভৃত্যের চরিত্র,১১ তখন সত্যজিৎ হতাশ হয়েছিলেন। অবিশ্যি পটভূমিকা হবে ভারতীয়, যেহেতু শুটিং হবে কলকাতায়। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলের সঠিক বিবরণ বা পটভূমিকার জন্য সুদূর ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ছুটে আসা সত্যজিতের কাছে একটু বাড়াবাড়িই মনে হয়েছিল।

    ইউরোপের নামি চলচ্চিত্র পরিচালকরা হলিউডে কাজ করতে গেলে কি অসুবিধের মুখোমুখি তাঁদের হতে হয় এ প্রশ্নের জবাবে রেনোয়া বলেছিলেন, ‘আমেরিকায় সব ব্যাপারেই যে উন্মাদনা বা বাতিক সেটাই ইউরোপের চলচ্চিত্র পরিচালকদের কাছে হতাশার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ওদের সেই বাতিকগ্রস্ত ব্যাপারটা চোখে না দেখা পর্যন্ত ঠিক উপলব্ধি করা যায় না। ধরুন আপনি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন, আপনি কোথাও যেতে চান। আপনি ট্রেন ধরার জন্য স্টেশনে গেলেন। কিন্তু আপনি কি দেখবেন? দেখবেন ট্রেন কাঁটায় কাঁটায় ঠিক সময়ে স্টেশনে এসেছে। এটা খুব অদ্ভুত ব্যাপার। ফ্রান্সে ট্রেন ঘড়ি ধরে চলে না। এমন নিষ্ঠায় আপনি অভ্যস্ত নন, ফলে আপনি অস্বস্তি বোধ করবেন। তারপর আপনি স্টুডিয়োতে কাজ করতে গেলেন। আপনি ফ্লোরে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন, কিন্তু আপনি কি দেখবেন? দেখবেন আপনাকে সময়সূচি মেনে চলতে হবে, এতটুকু নড়চড় হবার যো নেই। তারপর ওরা তদারকি শুরু করবে। ওরা ছবির শব্দ মিলিয়ে দেখবে, একবার নয়— ডাবল চেক করবে যাতে শব্দের সঠিক প্রয়োগ পাওয়া যায়। ওরা আলোর ব্যবস্থাও অমন মিলিয়ে নেবে, সেটাও ভালো। কিন্তু তারপর ওরা পরিচালকের অনুপ্রেরণা ডাবল চেক করবে— সেটা তেমন ভালো ব্যাপার নয়।’

    রেনোয়ার মতে কতকগুলো পরিবর্তনাতীত ব্যাপারই হলিউডে সাধু সংকল্পের প্রধান অন্তরায়। এই প্রসঙ্গে তিনি তারকাপ্রথা, সেন্সরের অসংখ্য আচরণবিধি এবং সিনেমাকে পণ্যদ্রব্যের মতো গণসামগ্রী হিসেবে বিবেচনা করার প্রবণতার কথা উল্লেখ করেন। দৈবাৎ যদি কোনো ভাগ্যবান পরিচালক একটি খাঁটি গল্প, তাতে অভিনয় করার মতো উপযুক্ত অভিনেতা-অভিনেত্রী [তারকা নয়] এবং কাহিনি চিত্রায়িত করার মতো শিল্পগত স্বাধীনতার সুযোগ পান, তবেই একটা উল্লেখযোগ্য ছবি হতে পারে। একমাত্র ‘সাদার্নার’ [Southerner] ছবি করার সময় তিনি হলিউডে অমন আদর্শ পরিবেশে কাজ করতে পেরেছিলেন।

    রেনোয়া এটাও বিশ্বাস করেন যে, দেশের সঙ্কটের সময়েই সবচেয়ে ভালো ছবি তৈরি হয়, আত্মতুষ্টির মনোভাব চলচ্চিত্রের পক্ষে ভালো নয়। ‘যুদ্ধের ফলে ইতালিয়ান ছবির কথা ভাবুন,’ তিনি বলেছিলেন, ‘ব্রিফ এনকাউন্টারের কথা মনে করুন। বিমান আক্রমণে লন্ডনের ওই দুর্দশা না হলে অমন ভালো ছবি তৈরি হত বলে আমার বিশ্বাস হয় না। আমার মনে হয় হলিউডে এখন যা দরকার তা হল বেশ ভালোমতো বোমাবর্ষণ।’

    ‘ওই ফুলগুলির দিকে তাকিয়ে দেখুন,’ প্রস্ফুটিত এক পলাশগাছের দিকে আঙুল দেখিয়ে রেনোয়া বলেছিলেন। লোকেশনের সন্ধানে কয়েকবারই তাঁর সঙ্গী হবার যে সৌভাগ্য সত্যজিতের হয়েছিল, সেটা তার প্রথম। ‘ওই ফুলগুলি,’ রেনোয়া বলেছিলেন, ‘ভারি সুন্দর। কিন্তু আমেরিকাতেও আপনি ফুল দেখবেন। যেমন পয়েনসেটিয়া। ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রচুর ওই ফুল ফোটে। কিন্তু সবুজ পুকুরের পাড়ে ওই কলাগাছের ঝাড়, এটা আপনি ক্যালিফোর্নিয়ায় পাবেন না। এই হচ্ছে বাংলাদেশ।’

    লোকেশনের জন্য তিনি তেমন একটা জায়গা খুঁজছিলেন যেখানকার দৃশ্যে এমন সব মৌলিক উপাদান থাকবে যা ছবির পক্ষে শুধু উপযোগীই হয়ে উঠবে না এ দেশের আসল রূপটাও ফুটে উঠবে সেই সঙ্গে। তিনি বলেছিলেন, ছবিতে অনেক কিছুই দেখানো যায় না, কিন্তু সঠিক দৃশ্যটি যাতে দেখানো যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা দরকার।

    ওই বয়স আর অমন ভারী চেহারা সত্ত্বেও রেনোয়ার উৎসাহ এবং শক্তি বিস্ময়কর। সঠিক দৃশ্যের ছবির জন্য সঠিক লোকেশনের খোঁজে মাইলের পর মাইল খারাপ পথে তিনি অনায়াসে হাঁটছেন। মাঝে মাঝে কাজের মধ্যে তিনি এত তন্ময় হয়ে যেতেন যে, তাঁর স্ত্রী ধমক দিয়ে বলতেন, ‘অতক্ষণ তোমার রোদে থাকা উচিত নয়,’ কিংবা ‘জাঁ, তুমি নিশ্চয়ই ছটার সময় অ্যাপয়েন্টমেন্টের কথা ভুলে যাওনি!’

    ওইসব সফরের সময় রেনোয়া নিজের সম্বন্ধে অনেক কথা বলেছিলেন। তাঁর যৌবনের কথা, বাবার কথা, গতানুগতিক ধারার বিরুদ্ধে মহান আন্দোলনকারীদের কথা, সিনেমা ছাড়া যার প্রতি তাঁর গভীর আসক্তি সেই মৃৎশিল্পের কথা এবং অবিশ্যিই সিনেমার কথা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি পায়ে আঘাত পেয়েছিলেন। হাসপাতালে যখন তিনি আরোগ্যের পথে তখনই চলচ্চিত্রকে জীবিকা করার কথা প্রথম তাঁর মাথায় আসে, অবশ্যি সত্যিকার হাতেখড়ি আরও পরের ঘটনা, সেটা ঘটেছিল কিছুকাল সাংবাদিকতা করার পর। ফরাসি দেশের নির্বাক যুগের ব্যবসায়িক চলচ্চিত্রকে সামগ্রিকভাবে নিশ্চল এবং নিষ্ফল বলে উল্লেখ করেছিলেন রেনোয়া। শব্দের প্রবর্তনের পর হঠাৎ যেন যাদুমন্ত্রবলে একটা পরিবর্তন সূচিত হল। রেনোয়া সে সম্বন্ধে বলেছেন ‘এ যেন কেউ চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং দর্শকদের মাঝখানে আনাগোনার যে গুপ্ত দরজা সেটা খুলে দিয়েছিল। সে এক দারুণ অভিজ্ঞতা। আমরা যাই করেছিলাম, দর্শক তা উপলব্ধি করেছিল। এমন বোদ্ধা দর্শক না পেলে ফরাসি চলচ্চিত্র কখনোই পূর্ণতার দিকে এত দ্রুত এগিয়ে যেতে পারত না। ওঁরা (দর্শক) আমাদের খুব সাহায্য করেছেন এবং আমি অন্তত তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ।’

    জার্মানরা যতদিন ফ্রান্স দখল করেছিল ততদিন ফরাসি চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগ বলা যায়, তারপর কলাকৌশলের বা প্রযুক্তিবিদ্যার গুণগত বিচারে কোনো ঘাটতি না হলেও বিষয়বস্তুর দিক থেকে নিশ্চয়ই অবনতি ঘটেছিল।

    নিজের গোড়ার দিকের ছবির মধ্যে রেনোয়া La Chienne-কে তাঁর অন্যতম প্রিয় ছবি বলে অভিহিত করেছিলেন। এটা দুঃখের বিষয় যে ছবিটাকে দ্বিতীয়বার অত খারাপ করে তৈরি করতে হয়েছিল। [ওই দ্বিতীয় সংস্করণ পরিচালনা করেছিলেন ফ্রিজ ল্যাঙ এবং নাম দিয়েছিলেন ‘স্কারলেট স্ট্রিট’]। তিরিশ দশকের শেষের দিকে শ্রেষ্ঠ ছবির মধ্যে La Regle du Jeu ছিল রেনোয়ার বিশেষ আদরের কারণ ওটা ছিল সম্পূর্ণ তাঁর নিজস্ব সৃষ্টি। এমনকি ওটাতে তিনি একটা ভূমিকায় অভিনয় পর্যন্ত করেছিলেন। রেনোয়া নাকি ছোটো গল্পের ছবি করার ব্যাপারে পরীক্ষানিরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন। বাণিজ্যিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবার জন্য এমন দুটো ছবি করার কথাও হয়েছিল, রেনোয়া মোপাশাঁর গল্পের ওপর কাজ শুরু করেছিলেন এবং আশা করেছিলেন ওটা শেষ করে দ্বিতীয়টা ধরবেন। দুর্ভাগ্যক্রমে ছবিটা পরিসমাপ্তির আগেই পরিত্যক্ত হয়েছিল। দখলকারী জার্মান সৈন্যরা যতদিন ফ্রান্সে ছিল রেনোয়ার এক বন্ধু নেগেটিভগুলো নাৎসিদের হাতে পড়ে নষ্ট না হয় তাই লুকিয়ে রেখেছিলেন। দেশ থেকে বিদেশি সৈন্য সরে যাবার পরই ওগুলো প্রিন্ট করা হয়েছিল এবং মুক্তিলাভ করেছিল ছবি— বর্ণনার মধ্যে যে ফাঁক বা অসংলগ্নতা থেকে গেছিল তা পূরণ করা হয়েছিল উপযুক্ত টীকা দিয়ে।

    রেনোয়া নিজে কিন্তু ওই ছবিটা [Partie de campagne] তখনও পর্যন্ত দেখেননি কারণ জার্মান সৈন্যরা যেদিন প্যারিসে ঢুকেছিল, সেদিনই তিনি একটা ছোটো সুটকেশে যা কিছু সম্ভব ভরে নিয়ে প্যারিসকে বিদায় জানিয়েছিলেন।

    প্যারি থেকে হলিউড। নতুন জায়গায় গুছিয়ে বসার অপরিহার্য অসুবিধে ছাড়া ক্যালিফোর্নিয়ার জীবন মোটামুটি ভালোই লেগেছিল। মনোরম আবহাওয়া, চমৎকার বন্ধুও পেয়েছিলেন। আলোকচ্ছটার মতো উদ্ভাসিত যাঁর নাম, সেই চ্যাপলিন তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। রেনোয়া তাঁর জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেন। ‘চ্যাপলিন এখন বিষণ্ণ এক মানুষ,’ রেনোয়া বলেছিলেন, ‘আমেরিকায় কেউ তাঁকে বুঝল না।’ চ্যাপলিনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্বন্ধে রেনোয়া বললেন, ‘শেষবার তাঁর সঙ্গে যখন দেখা হয়েছিল, তিনি সমসাময়িক রাজনীতিবিদদের নিয়ে সংগীতমুখর একটা ব্যঙ্গাত্মক ছবির কথা চিন্তা করছিলেন। তবে আমার মনে হয়না তিনি তা করবেন, কেননা কাউকে অসন্তুষ্ট না করার ব্যাপারে তিনি অত্যন্ত সচেতন, আবার তাছাড়া খাঁটি ছবি তোলা যায় না।’

    হলিউডে যে পাঁচটা ছবি তিনি করেছেন, তার মধ্যে ‘দি ডায়েরি অফ এ চেম্বারমেড’ অথবা ‘সোয়াম্প ওয়াটার’ সম্বন্ধে তিনি কিছুই বললেন না। আমেরিকায় সে সময় এমন একটা ধারণার সৃষ্টি হয়েছিল যেন ইউরোপে প্রতিরোধ আন্দোলন একটি অবাস্তব কাহিনি মাত্র, তারই জবাবে তিনি ‘দিস ল্যান্ড ইজ মাইন’ ছবিটা করেছিলেন, তিনি দেখাতে চেয়েছিলেন অধিকৃত একটি দেশের প্রতিটি মানুষ মুক্তি আন্দোলনে সহযোগী। ‘দি সাদার্নার’ ছবিটা করে তিনি খুব তৃপ্তি পেয়েছিলেন কারণ আমেরিকা এবং ওখানকার মানুষের একটা খাঁটি চিত্র তিনি তাতে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর মতে ওটাই আমেরিকায় তাঁর শ্রেষ্ঠ ছবি।

    ‘দি ওম্যান অন দি বীচ’ ছবিটা একটা দুর্ঘটনা বলেই মনে করেন রেনোয়া। গোড়ার দিকে যা তাঁকে আকষ্ট করেছিল তা হল ওই কাহিনির প্রধান রমণীর চরিত্র, যার জীবনের মূলকথাই ছিল ভালোবাসা। পরে ছবি করতে গিয়ে তিনি বেশ বিরক্তির সঙ্গেই বুঝতে পারলেন ওই চরিত্রটির বিকাশ যেভাবে দেখানোর দরকার তাতে তাঁর রীতিনীতি সায় দিচ্ছে না। ফলে যেসব দৃশ্যে খুব আবেগপূর্ণ পরিবেশ হওয়া উচিত ছিল, সেখানে তিনি কৌশলে পরিস্থিতি এড়িয়ে মেকী এবং প্রযুক্তিবিদ্যার ঝকমকিতে সস্তায় বাহবা কুড়োবার পন্থা গ্রহণ করেছিলেন।

    রেনোয়ার মতে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্কবোধের গভীর আবেগের মতো মূল্যবান আর কিছু চলচ্চিত্রে নেই। এই অখণ্ডতা বা বিশ্বস্ততাকে কার্যকরী করার জন্যেই প্রযুক্তিবিদ্যার উপকারিতা ও প্রয়োজন। তার বাইরে ওটা প্রায় অনধিকার প্রবেশের অপরাধে অপরাধী এবং সেইসঙ্গে নিজেকে জাহির করার দোষে দুষ্ট। ‘আমেরিকায়’, রেনোয়া বলেছিলেন, ‘ওঁরা কলাকৌশল নিয়েই বেশি চিন্তা করে, মানবিকবোধটা তাই অবহেলিত থেকে যায়।’

    আমেরিকায় সাম্প্রতিক বাস্তবধর্মী ছবির প্রবণতা সম্বন্ধে রেনোয়ার কি ধারণা, সত্যজিতের এই প্রশ্নের জবাবে রেনোয়া বলেছিলেন, ‘নতুন কিছু নয়।’ তিনি আরও বলেছিলেন তাঁর ছবি La Bete Humaine-এর বেশির ভাগ শ্যুটিংই তিনি করেছিলেন Le Havre লোকেশনে। সাদার্নারের [অথবা ‘সাউদার্নার’] জন্য খুব কম সেটই তিনি বানিয়েছিলেন, কিন্তু তাই বলে এ ব্যাপারে তিনি মোটেই গোঁড়া নন। ‘আমি মনে করি সময়ে সময়ে একটা সেট খুব কাজে লাগে। তবে লোকে যদি বাস্তবানুরাগ আচরণ না করে তবে বাস্তবের পটভূমিকায় ছবি করার মানে হয় না। অপেশাদার অভিনেতাদের দিয়ে কাজ করবার কথা আমিও শুনেছি। ওটা ঠিক আমার মাথায় ঢোকে না। অপেশাদার একজন অভিনেতা র‌্যামু (Raimu) বা গ্যাবিনের (Gabin) স্থান নিতে পারে এমন কথা কি চিন্তা করতে পারেন? আমি তো পারি না। ব্যক্তিগতভাবে পেশাদারি বৃত্তি সম্বন্ধে আমি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল।’

    তাঁর ব্যাপক অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও রেনোয়া কিন্তু চারুকলার ব্যাপারে তাঁর মতবাদে আশ্চর্যরকম মুক্ত পুরুষ। সুন্দরভাবে তিনি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেছেন ‘প্রতিবার আমি যখন নতুন ছবি তুলি, বাচ্চা ছেলের মতো গোড়া থেকে আমি চলচ্চিত্র সম্বন্ধে শিখতে চাই।’

    ইউরোপ যাত্রার আগের দিন সত্যজিৎ হোটেলে রেনোয়ার সঙ্গে আরেকবার দেখা করেছিলেন। তিনি এক ট্রাঙ্ক বোঝাই স্মারকচিহ্ন নিয়ে যাচ্ছিলেন, কিছু তাঁর মুগ্ধ ভক্তদের কাছ থেকে পাওয়া। কিছু নিজে তিনি বাজার এবং দুর্লভ জিনিসপত্রের দোকান থেকে কিনেছিলেন। কলকাতায় চার সপ্তাহ অবস্থানের মধ্যে তিনি অনেক ঘুরেছেন, দেখেছেন এবং চিন্তা করেছেন। পশ্চিমবাংলা তাঁর মনে গভীর রেখাপাত করেছিল। একদিকে মনোরম ভূদৃশ্যের অভিনবত্ব অন্যদিকে নোংরা ও সাধারণ মানুষের দুর্দশা আর দারিদ্র্য। সামান্য কুঁড়েঘর দেখে তিনি উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন, আবার এক ভিখিরিকে দেখে বেদনাহত হয়েছেন। একটা কয়লাখনি দেখে তাঁর মনে এত গভীর নাড়া দিয়েছিল যে কয়েকদিন ধরে তিনি শুধু ওটার কথাই বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘তোমরা যদি তোমাদের মন থেকে হলিউডকে ঝেড়ে ফেলে নিজেদের স্টাইল বা ঢঙ উন্নত করবার চেষ্টা করো তবে এখানেই দারুণ দারুণ ছবি করতে পারবে।’

    নভেম্বর মাসে ইউনিটের লোকজন নিয়ে আবার তাঁর কলকাতায় আসার কথা। ভারতে আউটডোর শুটিংয়ের পক্ষে ওটাই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ সময়। অবিশ্যি চিত্রনাট্য আবার নতুন করে লিখতে হবে। ‘এবার আমি যখন লন্ডন যাব, লেখক রুমার গডেনের সঙ্গে বসে কাহিনি নিয়ে নিশ্চয়ই আলোচনা করব,’ রেনোয়া বলেছিলেন। ‘আমি গল্পের খানিকটা অদলবদল করতে পারি, হয়তো কিছু নতুন চরিত্রও যোগ করতে পারি। ভারতীয়দের জীবনযাত্রা আর রেড ইন্ডিয়ানদের জীবনযাত্রার মধ্যে যে ফারাক তা দেখাবার জন্য এক ভারতীয় পরিবারকেও আনতে পারি ছবিতে।’ পরিকল্পনাটা ভালোই মনে হয়েছিল সত্যজিতের।

    ‘সেই সন্ধ্যেয় আমি যখন হোটেল থেকে বেরিয়ে এলাম,’ সত্যজিৎ রায় তাঁর চমৎকার রচনাটির ছেদ টানতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমার দৃঢ় বিশ্বাস হল রেনোয়ার মধ্যে সৃষ্টির সক্রিয়তা এখনও যথেষ্ট অটুট আছে। হয়তো হলিউডে যাবতীয় ব্যর্থতার উপর ”দি রিভার” এক নতুন এবং প্রাণবন্ত যুগের সূচনা করবে।’

    ‘এখন যেহেতু তিনি আমেরিকার নাগরিক, প্যারিসে তাঁর ফেরবার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে যেটা খুব দরকার তা হল হলিউডের মেকি পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসা এবং সে ব্যাপারে ভারতবর্ষ এক ভালো আশ্রয় সন্দেহ নেই। রেনোয়া এখানে পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন। তাঁকে বিক্ষিপ্ত করার মতো এখানে কোনো নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকবে না, পরিচালকের অনুপ্রেরণার তদারকি এবং ডবল চেকিংয়ের কোনো ব্যাপারই থাকবে না, আর অবিশ্যিই এখানে নির্দিষ্ট সময় ধরে চলবেই না রেলগাড়ি।’

    ***

    ১১. ‘একটি মাত্র ভারতীয় চরিত্র থাকে, তাও এক ইউরোপিয়ান পরিবারের ভৃত্যের চরিত্র’ জাঁ রেনোয়া পরিচালিত ‘দ্য রিভার’ (১৯৫১) ছবিতে ভারতীয় পরিচারিকার ভূমিকায় অভিনয় করেন সেকালের অন্যতম খ্যাতনামা অভিনেত্রী সুপ্রভা মুখোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য জাঁ রেনোয়ার এই ছবিতে শিক্ষানবিশের মতোই শুটিং-এর প্রাথমিক অভিজ্ঞতার হাতেখড়ি হয়েছিল সত্যজিৎ ও পরবর্তীকালে তাঁর ছবির অন্য দুই প্রধান স্থপতি শিল্পনির্দেশক বংশী চন্দ্রগুপ্ত ও আলোকচিত্রী সুব্রত মিত্রের। ‘দ্য রিভার’ ছবির ক্যামেরাম্যান ছিলেন আরেকজন প্রখ্যাত ভারতীয় আলোকচিত্রী রামানন্দ সেনগুপ্ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleন হন্যতে – মৈত্রেয়ী দেবী
    Next Article ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    Related Articles

    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    উপন্যাস সমগ্র ১ – মঞ্জিল সেন

    November 10, 2025
    মঞ্জিল সেন

    ভয় সমগ্র ২ – মঞ্জিল সেন

    November 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }