Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অদ্বৈতপ্রকাশ – ঈশান নাগর

    ঈশান নাগর এক পাতা গল্প282 Mins Read0
    ⤷

    কথামুখ

    শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাব বাংলা সমাজ দর্শন ও রাজনীতিতে এক যুগসন্ধিক্ষণ। সাহিত্য-সংস্কৃতিতে আলোকদীপ্ত উদ্ভাস। যদি গোরা না হত, কী হতে পারত অনুভবের সূত্র ধরে বলা যায়, কী হয়েছে সেই দিকটি দেখাই ভাল। সমাজ-দর্শন-সংস্কৃতি-রাজনীতিতে পরিবর্তনের যে ঢেউ বাংলা থেকে দক্ষিণ ভারত, দাক্ষিণাত্য থেকে বৃন্দাবন সহ উত্তর-ভারতকে ভাসিয়ে দিয়েছিল, সে সম্পর্কে পরে আলোচনা করা যাবে। সাহিত্য-সংস্কৃতির বিপুল স্রোতধারায় শান্তিপুর-নদীয়াই ভাসেনি, ভেসেছিল বাংলা ভাষার তাবৎ বেড়াগুলি। মঙ্গলকাব্য, লোককথা, লোকগাথা, তন্ত্র, লোকাচার-সবের মাঝখান থেকে এক হিরন্ময় দ্বীপ জেগে উঠল। তমসা থেকে সত্ব-সত্যের উদ্ভসা ঘটে গেল মাত্ৰ অর্ধশতকে। প্রকৃতির খেয়ালিপনায় সাগর থেকে পাহাড় জাগে। চৈতন্যের আবির্ভাব সম্পর্কে বলা যায় একটি শব্দবন্ধ—প্রকৃতির বিস্ময়।

    চৈতন্যদেবের পিতৃভূমি পর্ব শ্রীহট্টে। অধুনা বাংলাদেশে। জন্ম ও বিকাশ বঙ্গের নদীয়ায়। প্রথম পর্বের নাম হতে পারে প্রজ্ঞাপর্ব। দ্বিতীয় অহংপর্ব। তৃতীয়, শুদ্ধাভক্তি পর্ব। চতুর্থ দিব্যোন্মাদ পর্ব। কৃষিজীবীগণ প্রথমে ধানের বীজতলা প্রস্তুত করেন। প্রচুর যত্ন, জল ও মগ্নতা প্রয়োজন বীজতলা প্রস্তুতিতে। তারপর ধান পুষ্ট হলে ধান্যক্ষেত্রে রোপন করা হয়। চৈতন্যলীলার বীজতলা প্রস্তুত করেন শ্রীহট্ট থেকে আগত এক মহাজীবন। অদ্বৈত আচার্য। তিনি জানতেন, মানব জমিনে আবাদ করলে সোনা ফলবে। অনাবাদে কাঁটাগাছ।

    চৈতন্যলীলার মহান এই প্রাক্-রূপকারের জীবন ও জীবনী নিয়ে বর্তমান রচনার প্রেক্ষাপট নির্মাণ। চৈতন্যজীবন সংক্রান্ত বেশ কিছু মহতি গ্রন্থ বৈষ্ণবচর্চা ও সাহিত্যের সম্পদ। অদ্বৈতজীবন সংক্রান্ত গ্রন্থ অপ্রতুল। তৎসহ প্রশ্নাতীত নয়। এর অন্যতম ঈশাননাগরের অদ্বৈতপ্রকাশ। সংশয় ও আলোচনার সঙ্গে মূল গ্রন্থটিও তুলে দেওয়ার জন্য এই প্রয়াস।

    প্রথমেই বলে রাখা ভাল, অদ্বৈতপ্রকাশের প্রামাণিকতা, প্রাচীনত্ব, প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে যে প্রচলিত ধারণা ছিল এবং বর্তমানেও আছে সেই সম্পর্কে কিছু আলোকপাত করার জন্য এই প্রয়াস। ইতোপূর্বে অনেকেই গ্রন্থের অর্বাচীনত্ব এবং প্রাচীনত্ব নিয়ে অজস্র তথ্য উপস্থাপন করেছেন। প্রসঙ্গত সে-সবের কিছু অংশ উঠে আসবে। এর বাইরে নির্দিষ্ট কোনো দাবি নিয়ে আলোকপাত করার অধিকারী একমাত্র বৈষ্ণবগণ। আমার মত ক্ষুদ্র অভাজন দন্তে তৃণ ধারণ করে সেই সকল মহাজনদের পদরজ প্রত্যাশী।

    আমার পিতৃদেবের লোকান্তরের পর প্রাচীন সিন্দুক থেকে একটি কলমি পুথির সন্ধান পাই। রচয়িতা আমার পিতামহ পরম বৈষ্ণব সতীশচন্দ্র ঠাকুর। পুঁথিটি পেয়ে যৎপরোনাস্তি আহ্লাদ সহযোগে পাঠোদ্ধারে বসে আরও গভীরে যাওয়ার উদ্দীপনা বোধ করি। পুঁথির একটি পংক্তি নিম্নরূপা ‘অদ্বৈতের গণ বলি যাহার প্রচার’ ইত্যাদি।

    এই সময় আমার নিজের পাঠ্য বিষয় ইংরেজি ভাষা সাহিত্যের গবেষণায় যুক্ত ছিলাম। গবেষণার বিষয় স্বতন্ত্র। চার্লি চ্যাপলিনের সিনেমা। গবেষণার কাজ শেষ করে পূজনীয় অধ্যাপক ড.মোহিত রায়ের অনুপ্রেরণায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলাম, বৈষ্ণব ভাবাদর্শকে কেন্দ্র করে পাঠ অনুশীলনে ও চর্চায় নিজেকে সম্পৃক্ত করব। পড়তে পড়তে মনে হলো বৈষ্ণব সাধনার ধারা এবং বৈষ্ণবচর্চা ও চর্যা মহার্ণব। যার কোন তল নেই। প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন অনুশীলন এবং গবেষণায় বহুধাবিস্তৃত। সারা পৃথিবী জুড়ে নানা ভাষায় কাজ হয়েছে এবং হয়ে যাচ্ছে। আরও অজস্র কাজ হবে।

    ‘যদি গোরা না হইত’ এক কথায় বলা যায় বাংলার সংস্কৃতি-জীবন মুখ থুবড়ে পড়ত। খ্রিস্টিয় দশম শতাব্দীতে বঙ্গজীবন এক অস্থির ভারসাম্যহীনতায় টলমল করছে। পাল রাজাদের বদান্যতায় যে বৌদ্ধ ধর্ম একদিন মানবতা অহিংসা এবং শুদ্ধতার অপরিহার্য অঙ্গ হয়ে উঠেছিল ক্রমাগত তার অবক্ষয় হতে শুরু করে। মহাযানী থেকে বজ্রযানী, সহজপথ থেকে তন্ত্র মানুষকে দিশাহীন করে তুলেছিল। বিশেষত পিছিয়ে পড়া মানুষের মধ্যে নৈর্ব্যক্তিক অস্থিরতা। উপনিষদের ‘আনন্দ’ তখন তাৎক্ষণিক ‘সুখের’ অন্ধ গলিতে বাঁচার রসদ খুঁজছে। মধু বাতাস বইছে না। সিন্ধু মধুক্ষরণ করছে না। আদিশূরের নেতৃত্বে ব্রাহ্মণ্যবাদের কিছু কিছু সংস্কারপন্থা কারও আশ্রয় হয়ে উঠছে। সেন রাজাদের কৌলিন্য মতবাদে সামাজিক অবস্থানগুলি আরও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। বিশেষত নিম্নবর্গীয় মানুষের সমাজে। এই টালমাটাল অবস্থায় ইতিয়ার-উদ্দিন বখতিয়ার খলজি বঙ্গদেশ আক্রমণ করলেন। কোন কোন ইতিহাসবিদ আক্রমণ শব্দটিতে আপত্তি জানিয়েছেন। শোনা যায় ইখতিয়ারউদ্দিনের আসার খবর পেয়ে আগেভাগেই লক্ষণ সেন পলায়ন করেন। অনুপ্রবেশের প্রকৃতি নিয়ে অনেক ইতিহাস লেখা হয়েছে। দলে দলে সহজপন্থী সহ বহু পিছিয়ে পড়া মানুষ ইসলামকে শ্রেয় বলে গ্রহণ করলেন। বাকি রইলেন যারা তারাও দিশাহীন। কবিরাজ জয়দেব গোস্বামী টিকে থাকার শেষ পন্থা হিসেবে ‘নিন্দসি যজ্ঞ বিধেরহ হ শ্রুতিজাতম’–যতই যজ্ঞ -বিধি-বেদের নিন্দা করুন, পশু হত্যা দেখে যার হৃদয় দ্রবীভূত হয়ে যেত সেই বুদ্ধদেবকে শ্রীকৃষ্ণের অবতার বানিয়ে দল ভারি করতে চাইলেন। তাতেও শেষ রক্ষা হল না। ব্রাহ্মণ্যবাদ, তান্ত্রিকতার তমসা, আচার বিচার সর্বস্ব বিধি-বিধানে পিষ্ট হতে থাকল মানবতা। ক্ষীয়মান বৌদ্ধ-তন্ত্র এবং বিকচোন্মুখ হিন্দু-তন্ত্রের মাঝখানে পড়ে মানুষের অবস্থা কিংকর্তব্যবিমূঢ়। ঠিক এই সময় গোরার আবির্ভাব।

    মহাযুগের মহাসন্ধিক্ষণ। যুক্তিতে চরম বিচক্ষণ গৌর গৌড়ের রক্ষাকর্তা হিসেবে ভক্তিকে বেছে নিলেন। আচন্ডালে নাম বিলিয়ে, খোল কর্তাল সহযোগে মিছিল করে, চার অক্ষরের ‘হরিবোল’ স্লোগান তুলে উদ্বেলিত করে দিলেন কণ্টকাকীর্ণ ভূমিকে। যে ভূমিকে একটু একটু করে প্রস্তুত করছিলেন অদ্বৈত আচার্য। মানবজমিন পড়েছিল। হলকর্ষণ করা হল। আবাদ হল। আবাদ করলেই তো সোনা ফলে। পতিত মানবজমিনে কৃষিকাজ করা জানতে হয়। শ্রীমন্ মহাপ্রভু জানতেন, অদ্বৈত আচার্য জানতেন, নিতাই চাঁদ জানতেন। নিজে জানলেই হয়না। আপনার মোক্ষবাঞ্ছা কৈতব প্রধান। অন্যকে জানাতে হয়। সেই প্রজ্ঞায় বাংলা আবার দিশা খুঁজে পেল। শিক্ষায় দর্শনে সংস্কৃতিতে জীবন-যাপনে সদ্ব্যবহারে আত্মিক আন্তরিকতায় সহজিয়া-ধ্রুপদীয়ার কলামন্ডল হয়ে উঠল। যদি গোরা না হইত এসব কিছুই হত না। শতাব্দ সহস্রাব্দের কাজ মাত্র কয়েক বছরে সাধিত হল। তামসিকতার মদ থেকে আবার ঋকবেদের মধু ক্ষরিত হল।

    প্রাজ্ঞজন বলেন, সমাজে বা ধর্মে যদি রিফর্মেশন না হয় তাহলে সারাজীবন পুষ্পকরথে আকাশ ভ্রমণ করতে হবে। রাইট ভাতৃদ্বয়ের বিমানে আর কেউ চাপবে না। আমাদের মনে হয়েছে, মহাপ্রভু যতটা বিশ্বাসী, ততটাই রিফর্মার। পর্যাপ্ত জ্ঞান অনুসন্ধিৎসা এবং সাহস না থাকলে রিফর্মেশন এর কথা ভাবা যায় না। দীর্ঘদিন অব্যবহারে এবং অপব্যবহারে ক্লেদযুক্ত ‘চেতোদর্পণ মার্জনাৎ’ আমাদের অন্তরকে দেখতে হবে। চিত্তরূপ দর্পণ যদি অমার্জিত থেকেই যায়, ‘নয়নংগলদশ্রু ধারয়া’ কে কিভাবে হরিগত হবে! হাজার বছরের বিষ্ণু উপাসনার ধারা চৈতন্যদেবে এসে বিপুল সমারোহে দেশকে উদ্বেল করে তুলল। এ বড় সহজ কথা নয়।

    এই ধারাকে স্বখাতে প্রবাহিত করার জন্য অদ্বৈত নির্মিত গতিপথের রূপরেখা বিশেষভাবে স্মর্তব্য। দুঃখের বিষয় অদ্বৈতের ভাবনা এবং চর্চা নিয়ে দীর্ঘদিন বঙ্গভূমির হিরণ্ময় নীরবতা তাঁর অনুগামীদের ব্যথিত করেছিল। অবশ্য মহাপ্রভুর জীবন সংক্রান্ত গ্রন্থাবলীতে অসংখ্যবার অজস্রভাবে অদ্বৈতপ্রসঙ্গ এসেছে। যথাযথ সম্মানের সঙ্গেই প্রাসঙ্গিকভাবে এসেছে। বিশেষত বৃন্দাবন দাস এবং কৃষ্ণদাস কবিরাজ এই যুগোত্তীর্ণ ত্রয়ীকে অভ্রংলিহ উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। সমস্যা দেখা দিল, যথাক্রমে মহাপ্রভু, নিত্যানন্দ এবং অদ্বৈতের অপ্রকটের পর। লীলাবসান হলেও লীলা মাহাত্ম্য থেকে যায়। উত্তরকালে শীর্ষ-পরম্পরা ও শিষ্য পরম্পরায় বহু ধারায় পল্লবিত পুষ্পিত হতে থাকে বৈষ্ণব সমাজ। যে কোন কারণেই হোক অদ্বৈত-চর্চা ধীরে ধীরে ক্ষীয়মান হতে থাকে। চৈতন্য-রূপ বৃক্ষের দুই প্রধান স্কন্ধের অন্যতমটি সম্পর্কে অন্যান্য শাখা-প্রশাখার নিরুচ্চার নীরবতা লক্ষণীয়। ন্যূনাধিক চার শতক পরে অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি ঈশাননাগরের অদ্বৈতপ্রকাশ শিরোনামে একটি গ্রন্থ প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন। ঝড় বয়ে যায়। প্রাচীনত্ব এবং অর্বাচীনতার সূক্ষাতিসূক্ষ চুলচেরা বিশ্লেষণে নানা মত ও মতান্তর দেখা দিতে থাকে। ধীরে ধীরে আরও কয়েকটি গ্রন্থ প্রকাশ্যে আসতে থাকায় বিতর্কের ঘনঘটা তীব্রতর হয়। গ্রন্থগুলি নিম্নরূপ

    ১। বাল্যলীলা সূত্ৰ।। ১৪৮৭।। লাওড়িয়া কৃষ্ণদাস

    ২। অদ্বৈতপ্রকাশ।। ১৫৬৮।। ঈশাননাগর

    ৩। অদ্বৈতমঙ্গল।। আনুমানিক ১৭১৩।। হরিচরণ দাস

    আর একটি গ্রন্থ, লোকনাথ দাস রচিত সীতাচরিত্র কয়েকটি খণ্ড পাণ্ডুলিপিতে এবং একটি মুদ্রিত প্রকাশনায় পাওয়া যায়।

    অদ্বৈত-চর্চা সংক্রান্ত আর যে ক’টি গ্রন্থ এবং রচনার উল্লেখ আমরা পেয়ে থাকি সেগুলি নিম্নরূপঙ্গ

    ১. অদ্বৈতোদ্দেশ দীপিকা। দেবকীনন্দন দাস। অষ্টাদশ শতকের শেষ ভাগ

    ২. অদ্বৈতস্বরূপামৃত। কানুদেব গোস্বামী। সপ্তদশ শতক

    ৩. অদ্বৈত-সূত্র করচা। দিনলিপি খণ্ডাংশ। অদ্বৈতাচার্য

    ৪. নিতাই অদ্বৈত তত্ত্ব। প্রক্ষিপ্ত পাণ্ডুলিপি

    ৫. অদ্বৈত বিলাস। বীরেশ্বর প্রামাণিক। ১৮৯৯।

    বাল্যলীলা সূত্র ছাড়া বাকি গ্রন্থগুলিতে অদ্বৈত জীবনের বেশিরভাগ অংশ বর্ণিত হয়েছে। অনেকানেক বিচক্ষণ পন্ডিত এই জীবনী গ্রন্থগুলির সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার জীবনী গ্রন্থ রচনার লোকায়ত ও তাত্ত্বিক মূল খুঁজে পেয়েছেন। দক্ষিণ এশীয় জীবনীগ্রন্থে বীর-পূজন দৃষ্টিভঙ্গির মিল পাওয়া যায়। ভরতের বিবরণ অনুযায়ী বীরের প্রধান বৈশিষ্ট্য দয়া ধৰ্ম দান। জীবনী গ্রন্থের বীরগণ অনেকাংশে অলৌকিক গুণাবলী আশ্রয়ী। অপ্রাকৃত এবং অলৌকিক গুণাবলীর মাধ্যমে জীবনচরিতে বিশিষ্টতা পাওয়া যায় মধ্যযুগের এবং তৎপরবর্তী সমস্ত রচনায়। যেমন জলের উপর দিয়ে হাঁটা, এক মুহূর্তে যোজন যোজন পরিক্রমণ, নারী-পুরুষ যেকোনো রূপ পরিগ্রহণ, স্বপ্নে ঈশ্বরের দর্শন, নিদ্রা মধ্যে ঐশ্বরিক বার্তা আগমন ইত্যাদি। তর্ক যুদ্ধের আয়োজন এবং বিপক্ষকে পরাজিত করা এইসব জীবনী লেখক বিরচিত বীরোচিত গুণের মধ্যে বিধৃত হয়েছে নানা জীবনকথায়।

    কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রেবেকা জে ম্যানরিঙ অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ তুলেছেন। বৈষ্ণব আন্দোলনের প্রথমদিকে অদ্বৈত যে খ্যাতি এবং মান্যতা পেয়েছিলেন, যে অসামান্য আকর্ষণী ক্ষমতা তাঁর মধ্যে বিরাজিত ছিল উত্তরকালে মহাপ্রভুর অন্যতম পার্ষদ নিত্যানন্দের ঘরানার দিকে দ্বিতীয় প্রজন্মের বেশিরভাগ অনুগামী সংযুক্ত হন। তিনি বলছেন,

    in the meantime, the number of Advaita’s followers had diminished dramatically… one factor that may have led to the shrinkage of Advaita’s group is the defection of a num- ber of his followers. Several of his disciples broke away from his tutelage perhaps when he made it clear that he was preaching not monism but Chaitanya’s madhurya bhava brand of Vaisnavism. The name of one of these, Sankara, has become confused with that of the man credited with the introduction of bhakti into Assam in the last decade of 15th century. One division developed between Sita’s and Achitya’s groups and that lead by Kamadeva, which may have been caused by the latter groups elevating Advaita Acharya, not Chaitanya., put the position of the incarnation for the age. Advaita’s biographers clearly state that Advaita Acharya neither sought nor condoned his disciples’ worship as the avatara.

    অদ্বৈত পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, যারা ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীচৈতন্যকে অস্বীকার করবে তারা বৈষ্ণব হিসেবে পরিগণিত হতে পারবেন না। চৈতন্যকে যারা ‘সুপ্রিম’ হিসেবে মানবেন না আমার ভক্ত বা অনুগামী হলেও কঠোর হৃদয়। এক কথায় তাঁর উপসংহার, ‘Goura is the object of my worship’ আমার উপাস্য গৌর। চৈতন্য কৃষ্ণকে অভিন্ন হিসেবে দেখার জন্য ভক্তদের মধ্যে একটি বিতর্ক তৈরি হল সমকালে। তাঁর বহু অনুগামী যাঁরা তাঁদের গুরুকে যুগাবতার হিসেবে দেখতে ও দেখাতে চেয়েছিলেন তাঁদের ইচ্ছা পুরণ হল না।

    মহাপ্রভুর অপ্রকটের পর শান্তিপুরে এক মহা সংকীর্তন আয়োজিত হয়। সংকীর্তন যত অধ্যাত্মিক তার থেকে অনেক বেশি সম্মেলক। যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের মধ্যে অচ্যুতানন্দ, কৃষ্ণ মিশ্র, গোপাল, নিত্যানন্দ-পুত্র বীরচন্দ্র, নরহরি সরকার, গৌরীদাস পণ্ডিত এবং দামোদর পন্ডিত। ঈশান নাগরের অদ্বৈতপ্রকাশে এই বিবরণ থেকে আমরা বুঝতে পারি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত অদ্বৈত চেষ্টা করেছিলেন যাতে বৈষ্ণব সমাজ কোনদিন বিভক্ত না হয়ে যায়। শাখা-উপশাখায় ভিন্নমত না হয়ে পড়ে। এই প্রসঙ্গে পরে পর্যায় পরম্পরায় বিশদ বিবরণ প্রদত্ত হয়েছে।

    অদ্বৈত-জীবনী হিসেবে ‘প্রাপ্ত’ লাউরিয়া কৃষ্ণদাসের বাল্য লীলা সূত্ৰম (সংস্কৃতে রচিত) এবং ঈশান নাগরের অদ্বৈতপ্রকাশ-এর রচনাকাল ষোড়শ শতাব্দী অথচ প্রকাশকাল উনবিংশ শতাব্দী। আনুমানিক চার শতক গ্রন্থগুলির অপ্রকাশে এবং অদর্শনে প্রাচীনত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। প্রথম প্রশ্ন তোলেন ১৯৩৯ সালে বিমানবিহারী মজুমদার তার গবেষণা সন্ধর্ভ শ্রীচৈতন্যচরিতের উপাদান গ্রন্থে। শুধু সাল তারিখের পরিপ্রেক্ষিতে নয়, বিষয়বস্তুর সংস্থাপনে তিনি তথ্যের অপ্রতুলতা তুলে ধরেন। ড. মজুমদারের পর আরো অনেকে তথাকথিত অসঙ্গতি নিয়ে আলোচনা করেন এবং গ্রন্থগুলির প্রাচীনত্ব অস্বীকার করেন।

    সত্যি বলতে কি, স্পষ্টভাবে এবং যৌক্তিকভাবে এই ‘ইনঅথেন্টিসিটি’ ব্যাখ্যা করা হয়নি। বৈষ্ণব রচনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে এই জাতীয় ক্ষেত্রে কোন গ্রন্থকে অপ্রামাণিক বলা যাবে তখন যদি কোন দার্শনিক গোঁড়ামি, ধর্মমত, দর্শনচিন্তা, নৈতিক মতবাদ, ঐতিহাসিক অথবা ভাষাতাত্ত্বিক সংলগ্নতার অভাব ঘটে। ঐতিহাসিক সংলগ্নতার অভাব,কালানৌচিত্যর কারণেও, রচয়িতার কৌলিন্য নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। কিন্তু পূর্বাপর দুটি গ্রন্থে এই প্রশ্ন ওঠা অবান্তর। রচয়িতাদ্বয় পরিষ্কার উল্লেখ করেছেন, পারিবারিক সামাজিক নৈকট্যের কারণে, অদ্বৈতাচার্যের অনুগামী, আশ্রিত অথবা ভৃত্য হিসেবে, যা দেখেছেন তাই লিখেছেন। কাব্যের প্রসাদগুণ অথবা পাণ্ডিত্য এখানে বিবেচ্য নয়। ষোড়শ শতকের ‘নবজাগরণের’ অনন্য এই ত্রয়ীর সম্পর্কে কিছু লেখা অধিকারের বাইরে হলেও গুরুপত্নীর অনুরোধে (নির্দেশে) তাঁদের এই অনভিপ্রেত অনুপ্রবেশ। এই উদ্যোগ অসংস্কৃত হলেও অবান্তর নয়। মধ্যযুগের খ্রিস্টোত্তর জীবনচরিত রচয়িতাগণ সম্পর্কে টমাস হফারম্যান স্পষ্ট এই ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং সগৌরবে রচনাগুলিকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। স্বাভাবিক কারণেই কৃষ্ণদাস এবং ঈশাননাগর অদ্বৈত পরিবারের দৈনন্দিন জীবনচর্চার প্রত্যক্ষদর্শী হিসাবে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনাবলি লিপিবদ্ধ করেছেন বলে মনে হয়। গুরুর প্রতি তাঁদের পক্ষপাতিত্ব স্বাভাবিক। ঐতিহাসিকতা স্বীকার করা বা অস্বীকার করা যুক্তিনিষ্ঠ-ভক্তিনিষ্ঠ পাঠকের নিজস্ব অভিরুচি। শব্দে বাক্যে বিষয়বস্তুর পারম্পর্যে প্রত্যক্ষ দর্শনের ও নৈকট্যের নানা দিক প্রতিভাত হয় অনুভূতির কেন্দ্রস্থল থেকে। সঠিক সময়ে প্রকাশিত হওয়া অথবা না হওয়ার দায় সর্বদা লেখকের উপর বর্তায় না। গুরুর গৌরব তুলে ধরা ছাড়া সুনির্দিষ্ট অন্য উদ্দেশ্যও থাকে না। গ্রন্থগুলি অনেক আগে রচিত হলেও কেন সমকালে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়নি তার দায় সর্বদা লেখকের কিংবা তদীয় বংশধরদের থাকেনা। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বদান্যতায় লুই-কা-ভুযুক-সরহ প্রকটিত হলেন প্রায় নয় শতক পরে।

    আরেকটা বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি দেওয়া উচিত বলে মনে করি। শ্রীমন্মহাপ্রভু অদ্বৈত-নিত্যানন্দ আদি গৌড়ীয় অনুগামীদের যে উপদেশ দিয়েছিলেন বৃন্দাবনের ষড়গোস্বামীকে প্রদত্ত নির্দেশাবলি কি ভিন্নতর? গোস্বামীগণ রসশাস্ত্রে অনুগত। বিশেষত অভিনব গুপ্তের প্রচ্ছায়া প্রবলভাবে বর্তমান। রূপ গোস্বামী, সনাতন গোস্বামী এবং তাঁদের ভ্রাতুষ্পুত্রদ্বয় জীব এবং বৃন্দাবন বৈষ্ণব রসসাহিত্যে উত্তাল তরঙ্গ নিয়ে এলেন। মাধুর্যে বিকশিত হল বৃন্দাবন সহ সারা ভারত। শ্রীচৈতন্যের ভক্তি দর্শন প্রাণবন্ত হয়ে উঠল। অন্যদিকে গৌড়ীয় অনুগামীমন্ডলে ঐশ্বর্য,স্বভাবে অর্চনা, জীবনযাপন এবং প্রসারপদ্ধতি বিশেষ স্থান করে নিল। মহাপ্রভুর অসামান্য ব্যক্তিত্বে ও এষণায় প্রতিজনকে স্ব স্ব দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করে দিয়েছেন। তখন তিনি যতটা দিব্যোন্মাদ তার অধিক সচেতন ‘সেনাপতি’। ঠিক এই কারণে বিভিন্ন জনের রসানুগত অবস্থান স্বতন্ত্র। অদ্বৈতদর্শনে হরিদাসের দাস্যভাব, নিত্যানন্দের সখ্য, সীতাদেবীর বাৎসল্য, চৈতন্যের দিব্যোন্মাদ সব মিলিয়ে পরিপূর্ণতা। এই কারণেই হয়ত বৈষ্ণব রসবৈচিত্র ভরতের নব রসের থেকে পৃথক। কলার রস ভক্তি রসের ঐশ্বর্য, শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য এবং মাধুর্যে বিকশিত।

    অদ্বৈতপ্রকাশ মূল গ্রন্থসহ কিছু বিশ্লেষণ প্রদত্ত হল। বিচার বিবেচনার ভার পাঠকের। গ্রহণের, বর্জনেরও।

    বইটি করতে নানা কারণে বিলম্ব হচ্ছিল। মাঝে অতিমারীর কারণে নানা প্রিয় বিয়োগের যন্ত্রণা। হাল ছেড়ে দিয়েছিলাম। সেই ভাঙা হাল জুড়ে দেওয়ার কাজটি করল সহিনূর। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপিকা। আমার আত্মজন আবদুল্লা মিদ্দার অর্ধাঙ্গিনী। প্রায়শ তাগাদা দেয়, বইটা শেষ করুন। আবদুল্লা ও সহিনূরের প্রতি আমার অগাধ স্নেহ অশেষ শুভেচ্ছা। আমার অগ্রজ শ্রী রমেশ ঠাকুর মাঝে মাঝে ভীত হয়ে পড়েন। বৈষ্ণব জগতের তাবৎ মহামহোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিতর্ক হয়ে যাবে না তো! গৌড়ীয় বৈষ্ণব সমাজের অভিমান-ক্ষোভ হবে না তো! তার মধ্যেই প্রভূত প্রশ্রয় পেয়েছি। অনুজ অমলেশের উদ্দীপনা অনুপ্রাণিত করেছে। বারবার প্রুফ দেখে দিয়েছে মনামি ঘোষ। সকলের কাছে আকন্ঠ ঋণে ডুবে আছি। বিশেষ করে উল্লেখ করতে হয় সহধর্মিনী মণিকার বিপুল সহযোগিতা। লেখালেখির কাজে প্রাত্যহিক উৎসাহ, প্রাত্যহিক সাংসারিক কাজের থেকে মুক্তি—আমার শক্তি।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজেমস বন্ড সমগ্র – ইয়ান ফ্লেমিং
    Next Article ভ্রান্তিবিলাস – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }