Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অনশ্বর – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    উপন্যাস বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প62 Mins Read0
    ⤶

    ৬. সন্ধ্যার পরে শরৎকালীবাবু

    ৬

    সন্ধ্যার পরে শরৎকালীবাবু ভগ্নীপতিকে নিয়ে একখানা ঘর দেখতে বেরিয়েছিলেন বাজারে, রামলালের হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারখানা খুলবার জন্যে। রামলাল এখানে এসে পর্যন্ত কেবলই শরৎকালীবাবুকে এজন্যে তাগিদ দিচ্ছে। শরৎকালীবাবুর ডাক্তারখানায় সেদিন একজন রোগী এসে জানালে তার ছোট ছেলের দাঁত উঠবে, সেজন্যে পেটের অসুখে কষ্ট পাচ্চে।

    শরৎকালীবাবু রামলালের দিকে তাকিয়ে বললেন—কি ওষুধ হে?

    রামলাল হেসে বললে—আমাকে আর পরীক্ষা করতে হবে না। ক্যামোমিলা ত্রিশ দিয়ে দিন না?

    —ত্রিশ না দুশো?

    —ত্রিশ।

    —কেন?

    —ছোট ছেলে যে! দুশোতে ষাঁড় জব্দ হবে। ছোট ছেলের ধাতে সইবে না।

    —তবে ছয় নয় কেন?

    —ছয়ে কাজ হলে খুব ভালো হয়, নয়তো হবেই না। নিশ্চিন্ত হওয়ার জন্যে ত্রিশ শক্তি।

    —নাঃ, তোমার দেখচি ভালো জ্ঞান আছে। তোমাকে কোথায় বসিয়ে দেবো তাই ভাবচি।

    —যেখানেই বসান দাদা, আপনার সঙ্গে যেন ঠোকাঠুকি না বাধে। দুজন ব্যবসায়ী এক জায়গায় বসে, এটা আমি চাইনে—

    —তাতে কোনো ক্ষতি হবে না আমার। তোমাকে বসিয়ে দিতে পারলে দাদা আমি নিশ্চিন্দি হতে পারি।

    তারপর শালা-ভগ্নীপতিতে মিলে বৈষয়িক পরামর্শ করলো অনেকক্ষণ। রামলাল আর বেশী দিন শালার বাড়ি থাকতে চায় না, আপন শালা নয়, খুব বেশী দাবি সেখানে নেই। বেশী দিন কেনই বা সে পরের বাড়িতে থেকে বাপে-ছেলেতে অন্নধ্বংস করবে?

    বিশেষ করে এই দুমূর্লে্যর বছর। ইতিমধ্যে এখানে চালের দর বাড়তে শুরু হয়েচে হাটে বাজারে। সে চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। দু’জনের আহার যোগাতে বেশ খরচ হয়ে যাবে এবং যাচ্ছে এদের। চক্ষুলজ্জা করে পরের বাড়ি বসে বসে খেতে। যা হয় একটা উপায় দেখতেই হবে। এখানে আসার মূলে প্রীতি বা ভালোবাসা ততটা নয়, যতটা হল শরৎকালীবাবুর সরল ভদ্রতা ও উদার ব্যবহার। শালাজটি যে বিশেষ সুবিধের নয়, তা রামলাল অনেকদিন থেকেই জানে। এখানে আর কিছুদিন থাকলে সে প্রকাশ্যেই হয়তো কথা শুনিয়ে দেবে।

    তা ছাড়া এই দুমূর্লে্যর বৎসরে সে-ই কেন অপরের অন্নে ভাগ বসাতে আসবে? তা সে পারবে না। তার ছেলেকে যে অপরে মুখ কালো করবে, কোনো কথা বলবে, তা তার সহ্য হবে না। ওরই একটা ভবিষ্যতের সুরাহার জন্যে এখানে আসা। শ্যামলালের অত্যন্ত মায়ার শরীর। মনে আছে, ছেলেবেলায় শ্যাম একবার কোথা থেকে একবাটি গরম মুড়ি নিয়ে এসে খেতে বসলো। রামলাল স্কুলের খাতা দেখছিল নিকটেই বসে। বললে—ও খোকন, খিদে পেয়েচে, দুটো মুড়ি দিবিনে?

    শ্যাম বললে—না।

    —দিবিনে?

    —না, আমি খাবো। বোষ্টম দিদি দিয়েচে—

    —তা হোক, আমায় দে।

    —তোমার খিদে পেয়েচে?

    —উঃ, আমার ভয়ানক খিদে পেয়েচে। আমার কান্না পাচ্ছে খিদেতে।

    —না বাবা, কাঁদিস নে। এই নে, মুড়ি খাবি? খা।

    এই বলে ছোট হাতের মুঠোতে বার বার মুড়ি নিয়ে এসে ওকে খাইয়ে যেতে লাগলো। প্রথম এক মুঠো মুড়ি খেয়ে রামলাল মনে মনে বলেছিল—বাবা, আশীর্বাদ করি, ভাতের কষ্ট কখনো পেও না।

    খোকা নিজে সে মুড়ি খেলেই না। সব মুড়ি নিয়ে এসে বাবাকে খাওয়াল। রামলাল বাধা দিলে না, দেখি না, খোকা কত মুড়ি ওকে খাওয়াতে পারে! বাটি শেষ করে ফেললে খোকা।

    —হ্যাঁরে, তুই খেলি নে?

    —এই যে তুমি বললে খিদে পেয়েচে?

    অল্প বয়সে শ্যামলাল খুব ভালো ভালো কথা বলতো। তখন শ্যামলালের বয়েস হবে তিন বছর। আজ সে এত দূর দেশে এসেচে কেন? শুধু এসেচে শ্যামলালের একটা কিছু ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্যে। পশ্চিমবঙ্গে আর কিছু হবে না, উদ্বাস্তু বহু এসেচে, যেখানে সেখানে গাছতলায় মাঠে শ্মশানে পড়ে মরচে। কেউ তাদের দিকে তাকায় না। ক’দিন এমন কষ্ট ভোগ করতে হবে ওদের তা কে জানে? যা নেবার নিক ওরাই বাংলাদেশ থেকে। না নিলে ওরা খাবে কি? শ্যামকে নিয়ে সে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে এসেচে, এতটুকু পশ্চিমবঙ্গে আর কুলোবে না সব বাঙ্গালীর। বাইরে বেরিয়ে পড়তে হবে বাংলার লোকের। এতদিন পৈতৃক জমির বোনা ধানের ভাত খেয়ে চলেচে, কিন্তু তাতে আর চলবে না। যে অন্নকষ্টের তাড়নায় জগতের বড় বড় জাতি বাইরে গিয়ে ছোট বড় উপনিবেশ স্থাপন করেচে, দূর দুর্গম মরুভূমিতে সোনার খনির সন্ধানে বেরিয়েচে, রকি পর্বতের শৃঙ্গে উঠেচে ডিম খুঁজতে, ডুবো জাহাজে রত্ন সন্ধান করেচে, শক্ত হাতে বর্বরদের সঙ্গে যুদ্ধ করে জঙ্গল কেটে আশ্রয় নির্মাণ করেচে, বাঙ্গালীকে তাদের মতো হতে হবে। ইস্কুলে ভূগোলের গল্প কি বালক-পাঠ্য রচনার মধ্যে এই সব কাহিনী পড়তে পড়তে রামলাল কতবার ভেবেচে।

    সেইজন্যেই সে এসেচে এতদূরে।

    এই বয়সে তার এতদূরে আসবার মূলেই রয়েচে এই মনোভাব। অবশ্য শরৎকালীবাবুর প্রেরণাও অনেকখানি এগিয়ে দিয়েছে তাকে এ পথে। শ্যামলালকে একটা ভালো জায়গায় বসিয়ে দিয়ে যেতে হবেই তাকে। এটা তার মস্ত বড় কর্তব্য।

    শ্যামলালের মা ছেলেকে এতদূরে পাঠিয়ে বেশী দিন থাকতে পারবে না। সে জানে, তাকেও এখানে আনবার ব্যবস্থা করতে হবে। কিন্তু নিজেরা একটু পাকা ভিৎ তৈরি করে না বসতে পারলে দেশ থেকে ওদের আনা চলবে না—তাও সে বোঝে।

    শরৎকালীবাবুর উৎসাহেই ডাক্তারখানার ঘর দেখা হল বাজারের মধ্যে। শরৎবাবু নিজের স্ত্রীকে ভালো করেই চিনতেন। গত কয়েক রাত্রে তিনি ঠারে-ঠোরে স্বামীকে জিগ্যেস করেচেন, ঠাকুরজামাই তাঁর ছেলেকে নিয়ে আর কতদিন এখানে আছে? উদার স্বামীর উদারতার সুযোগ গ্রহণ করা তত কঠিন কাজ নয়, কিন্তু সংসারের লক্ষ্মী হিসাবে তাঁরও একটা কর্তব্য আছে—না নেই?…বাড়ি হোটেলখানা করে রাখার ফলেই তো আজ এ দুর্দশা। নতুবা অনেক কিছু করতে পারতেন স্বামী, যদি তাঁর মতো গোছালো হিসেবী শক্ত স্ত্রীর সুপরামর্শ মেনে চলতেন।

    তা তো জীবনে হল না। পরের ভাত রাঁধতে রাঁধতেই প্রাণ গেল। যে যেখান থেকে আসুক বাঙ্গালী হলেই হল, উঠেচে এসে ডাক্তার-বাড়ি, তারপর রয়ে গেল কে জানে দশদিন, কে জানে একমাস। চেঞ্জে যদি শরীর সারতে এসে থাকে, তবে তো আরো ভালো। বিনি পয়সায় ডাক্তার, বিনি পয়সায় অন্নপথ্য। গত ত্রিশ বৎসর তিনি এরকম দেখে আসচেন, জীবনের আসল অংশটাই এভাবে কেটে গেল—এরপর আর চৈতন্য হবে কবে?

    স্ত্রীর সদুপদেশ শুরু হয়ে গিয়েচে, তবে এখনো উগ্রমূর্তিতে আত্মপ্রকাশ করেনি সে উপদেশের বাণী। ঠারে-ঠোরে চলচে। বাণী যেদিন রূপ পরিগ্রহ করবে, সেদিন রামলাল বা তার ছেলের পক্ষে বড় দুর্দিন, শরৎকালীবাবু তা জানতেন।

    তার আগে এই গরীব পিতাপুত্রের একটা কিছু ব্যবস্থা করে দিতে হবে। বিশেষ করে তিনি উৎসাহ দিয়ে যখন ওদের এখানে এনেচেন।

    .

    একটা খোলার ঘরে চায়ের দোকান। পাশে হনুমানজীর মন্দির। কয়েকটি সারি বাঁধা দোকান। একটা দোকান থেকে একজন মোটামতো লোক ডেকে বললে—এই যে ডাগদারবাবু, আসেন, আসেন—রাম রাম।

    শরৎকালীবাবু বললেন—রাম রাম, ভাল আছ মঙ্গলী?

    লোকটি হাতজোড় করে বললে—আপনাদের মেহেরবানিতে একরকম কাটচে। তারপর ইদিকে কুথায় আসা হয়েছিল? ইনি কে আছেন? আমার দোকানে পায়ের ধুলো পড়বে না?

    শরৎকালীবাবু রামলালকে নিয়ে বড় গোলদারি দোকানটার মধ্যে ঢুকলেন। লোকটি তাঁদের বসবার জন্যে চেয়ার পেতে দিয়ে নিজে কোঁচার কাপড় দিয়ে ঝেড়ে দিলে।

    —একটু চা হিনছা হবে না ডাগদারবাবু?

    —না, আমাদের দুজনের কারো সন্দে-আহ্নিক হয়নি এখনো। চা চলবে না। এসেছিলুম যেজন্যে বলি। তোমার একটু সাহায্য চাই মঙ্গলী। ইনি আমার শালা, শালা বোঝো? স্ত্রীর ভাই। খুব ভালো হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার। ওঁকে জগধারী সাউয়ের খোলার ঘরটাতে বসাচ্ছি। তোমাকে একটু দেখতে হবে এঁকে। এর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিই রামলাল। এর নাম মঙ্গলী ভকৎ, এখানকার বাজারের সব চেয়ে বড় মার্চেন্ট—

    মঙ্গলী ভকৎ বিনয়ে নুয়ে পড়ে হাতজোড় করে বলতে লাগলো—কুছু নেই, কুছু নেই, সে সব আপনাদের মেহেরবানি। ভালোবাসেন, তাই বোলেন। দেখান ভি। নইলে আমি কুছু:নই।

    রামলাল জিজ্ঞেস করলে—আচ্ছা ভকৎ মশায়, এখানে ডাক্তারী চলবে?

    —খুব চলবে। দেহাতি লোক বাজারে আসে বহুৎ, আমি বলে দেবো সবাইকে, খুব চলবে। ওদের হাতে পয়সা ভি আছে। ক’ রূপেয়া কিরায়া বোলা?

    শরৎকালী বললেন—তেরো টাকা।

    —তা হোবে। আগে ধুরুয়াডিহিতে ও রকম ঘর কোই পুছতা ভি নেহি। আজকাল সব চলে যাচ্ছে।

    রামলাল বললে—কিন্তু আমাদের দেশে ও রকম একটা ঘরের ভাড়া ত্রিশ টাকা।

    —হাঁ, কাহে না হোবে? এ আছে জংলী দেশ। একদম জঙ্গল। আগে, কুছু বেশি আগে নেই, পঁচিশ-তিস বছর আগে এই বাজারে ঝিনডুং পাহাড়সে ছের নিকালতা থা। বাঘ বেরুতো মোশাই।

    —বলেন কি?

    —তবে? নিজের চোখে দেখা, বাজার তো কাল হল। উঠলেন? আচ্ছা, কোনো দোষ নিবেন না ডাগদারবাবু।

    —তা হলে ভকৎ মশায়, একটু দেখবেন। নমস্কার।

    —কুছু বলতে হোবে না। রাম রাম বাবুজী। রাম রাম ডাগদারবাবু। চা আর একদিন এসে খেতে হোবে।

    অন্ধকার পথের দুধারে বড় বড় শালগাছ। জোনাকির ঝাঁক জ্বলছে ডাল-পালার অন্ধকারে।

    রামলাল বললে—তাহলে দাদা, কবে থেকে ডাক্তারখানা খোলা যাবে? একটা দিন দেখতে হবে পাঁজিতে। যা দু-দশ টাকা হয়। আর একটা কথা, আমাদের একটা বাসা ঠিক করে দেবেন।

    —বাসা এখন কেন? কিছুদিন আমার এখানে চলুক না। বাসার জন্যে কোনো ভাবনা নেই। জলে পড়ে আছ নাকি?

    —তা হোলেও বাসা ঠিক করে দিন।

    —আচ্ছা, আচ্ছা, সে হবে। গাছে কাঁটাল, গোঁপে তেল। আগে ডাক্তারখানাই খোলো তো। কেমন আয় হয় দেখা যাক। তবে মঙ্গলী ভকৎ লোকটা যতই খারাপ হোক, আমায় খুব মানে। ও চেষ্টা করলে ডাক্তারখানা দাঁড়িয়ে যাবে।

    .

    শ্যামলাল বাড়িতে এসে দেখলে মামীমা তার জন্যে একটু পিণ্ডাকৃতি ড্যালা-পাকানো শক্ত মোহনভোগ হাতে নিয়ে তার দিকে আসচেন। রোজই ওই এক জিনিস জলখাবার। ভালো লাগে না রোজ রোজ। মুখে যেন আজকাল তেমন প্রসন্নতা নেই মামীমার। বড্ড ভয় করে সে চলে মামীমাকে।

    সে জিজ্ঞেস করলে—বাবা কোথায় মামীমা?

    —ওরা দুজনে বেড়াতে বেরিয়েচে কোনদিকে।

    শ্যামলাল নিরাস হল। রামজীবনের ওখানে এতবড় চাকরির খবরটা সে সর্বাগ্রে তার বাবাকে গোপনে জানাবে। আনন্দের ভাগ সে আগে দেবে তার বাবাকে।

    তার আগে কাউকে সে জানাবে না।

    বাবাকে কতক্ষণ যেন দেখেনি। এই বিদেশে কেউ তার আপন নেই। বাবার মুখ দেখে সে মনের নিঃসঙ্গতা দূর করে। বাবা কোথায় গেল আবার? যেখানে সেখানে যাওয়াই বা দরকার কি? এই সব জংলী জায়গায়! তবে মামা সঙ্গে আছেন এই যা ভরসা।

    মোহনভোগের রসকসহীন শুকনো ড্যালা গলাধঃকরণ করে শ্যামলাল বাইরে আসতেই বাবার গলা শুনতে পেলে। না, কেউ সঙ্গে নেই। সে ডেকে বললে—কে? বাবা?

    —হ্যাঁ বাবা, আমি। তুই কখন ফিরলি?

    —মামা কোথায়?

    —দুধ দেখতে গেলেন গোয়ালা-বাড়িতে। এখুনি আসবেন। কেন?

    —না, তাই বলচি।

    এই উপযুক্ত অবসর। নির্জন তারকাক্ষেত্র কালো আকাশে ছড়িয়ে আছে মাথার ওপর। আনন্দের সংবাদ সে শুধুমাত্র বাবার কানে সর্বাগ্রে শোনাবে। আর কেউ নেই। আর সব পর। যদি এতটুকু আনন্দ দেবার ক্ষমতা ওর হয়ে থাকে অমৃত পরিবেশনের, তবে আগে অমর করবে সে তার বাবাকে।

    বললে—বাবা, এদিকে এসো, শোনো একটা কথা।

    রামলাল ওর চাপা গলার আগ্রহাকুল সুরে ভয় পেয়ে গেল। কাছে এসে বললে—কি রে? কি হয়েছে?

    —বাবা, আজ রামজীবন পাঠকের বাড়ি বেড়াতে গিইছিলাম। সে মস্ত বড় কাঠের ব্যবসাদার। আমাকে তার খুব পছন্দ হয়েচে। আজ আমাকে চাকরি দিয়েচে সে, মাসে একশো সওয়াশো টাকা পাবো সব নিয়ে। দেড়শো পর্যন্ত পাওয়া যাবে কোনো কোনো মাসে। কাল থেকে কাজে যোগ দিতে হবে।

    কথা শেষ করে একগাল হেসে বাবার বিস্ময়স্তব্ধ মুখমণ্ডলের দিকে চেয়ে বললে—কেমন, ভালো না বাবা? তোমার মত আছে? আমি বলে এসেচি বাবার মত জেনে কাল যা হয় করবো। বেশ হল না বাবা?

    ⤶
    1 2 3 4 5 6
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅনুবর্তন – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article অথৈজল – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    ছোটগল্প বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    কাদা kada

    August 11, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }