Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অনির্বাণ অমিতাভ – বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প89 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অনির্বাণ অমিতাভ – ৬

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

    বুদ্ধদেব পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেছেন। আশেপাশের ছোট বড় সব রাজ্যের প্রজারা তাঁর কাছে আসতেন। বুদ্ধদেব তাঁর যাতায়াত কালে কোনও সময়েই শিবিকা বা অন্য কোনও যানবাহনের ব্যবস্থা করেননি। তিনি পদব্রজেই এক রাজ্য থেকে আর এক রাজ্যে যেতেন। তিনি সবচেয়ে বেশি যে স্থানে বসবাস করেছিলেন সেটি হল রাজগৃহের নিকট অবস্থিত বেণুবন। এই স্থানটি রাজা বিম্বিসার তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন। আর একটি স্থানেও তিনি বহুদিন বসবাস করেছিলেন সেটি অনাথ পিণ্ডিক প্রদত্ত মেটাবন। এই মেটাবন ছিল শ্রবস্তী নগরীর কাছাকাছি। এই দীর্ঘ সময় ধরে বুদ্ধদেব কঠোর পরিশ্রম করে তাঁর ধর্মপ্রচার করেছেন। তিনি ভোর হওয়ার আগেই শয্যাত্যাগ করতেন এবং এরপর তিনি স্নান করে সমাধিতে বসতেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল লোকেদের স্বভাব এবং চরিত্র সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা। যদি তিনি বুঝতেন কোনও ব্যক্তি সানন্দে এবং সাগ্রহে তাঁর ধর্মমত গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত হয়েছে তখন তিনি তাঁর কাছে গিয়ে তাঁকে দীক্ষা দিতেন। দিন শুরু হলে বুদ্ধ তাঁর পোশাক পরে নিতেন। তাঁর হাতে থাকত ভিক্ষাপাত্র। স্থানীয় জনসাধারণের কাছ হতে তিনি ভিক্ষা গ্রহণ করতেন। এই সময়ে তিনি কখনও একা যেতেন আবার কখনও অন্যান্য ভিক্ষুদের সঙ্গে সদলে যেতেন। সকল ভিক্ষুদের হাতেই ভিক্ষাপাত্র থাকত। তাঁরা শান্তি এবং সৌন্দর্য বজায় রেখে এক বাড়ি হতে আর এক বাড়ি ভিক্ষা অন্ন সংগ্রহের জন্য যেতেন। কখনও কখনও বাড়ির লোকজন বুদ্ধ এবং তার সঙ্গীদের তাঁদের বাড়িতে এসে আহার গ্রহণের জন্য অনুরোধ করত। বুদ্ধ কখনও কখনও এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করতেন। গৃহকর্তা বুদ্ধকে বসার আসন দিতেন, তাঁর সামনে অন্নপাত্র রাখতেন এবং বাড়িতে প্রস্তুত সবচেয়ে ভালো খাদ্যসামগ্রী তাঁকে পরিবেশন করতেন। খাওয়ার পরে বুদ্ধ হাতমুখ ধুতেন এবং তাঁদের সামনে খুব সহজ ও সরল ভাষায় বলতেন যে কাউকে সুখ দিলে বিনিময়ে সুখ পাওয়া যায়, পক্ষান্তরে কাউকে দুঃখ দিলে মনে দুঃখই আসে। তিনি আরও বলতেন তাঁরা যেন নিষ্ঠার সঙ্গে বৌদ্ধধর্মের নিয়ম নীতিগুলি মেনে চলে। এর পর তিনি বিহারে ফিরে যেতেন। সেখানে তিনি কখনও গাছের তলায়, কখনও বেদিতে বসে থাকতেন। অপেক্ষা করতেন কখন সব ভিক্ষুরা ভিক্ষা শেষ করে বিহারে ফিরে আসবেন। সকলে এলে তাদের সামনে তিনি ধর্ম উপদেশ দিতেন। এই সময় কোনও কোনও ভিক্ষু আরও বেশি জানার জন্য বুদ্ধকে তাঁর উপদেশগুলি ব্যাখ্যা করে দিতে বলতেন। বুদ্ধ তখন ভিক্ষুদের জ্ঞান গ্রহণের সামর্থ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর ধর্ম উপদেশগুলি তাঁদেরকে বুঝিয়ে দিতেন। এ সময়ে আশেপাশের গ্রামগুলি থেকে অনেকে আসত। তারা সঙ্গে নানান উপটৌকনও নিয়ে আসত। সুন্দর প্রাঞ্জল ভাষায় এবং অপূর্ব শিক্ষাদান পদ্ধতির মাধ্যমে বুদ্ধ আগত ভক্তবৃন্দের সমস্যা দূর করতেন। বুদ্ধ তাঁদেরকে বলতেন ধর্ম জ্ঞানেরই শুধু বিষয় নয়, আচরণেরও বিষয়। সবশেষ করে বুদ্ধ বিহারের স্নানাগারে স্নান করতেন কিংবা কাছে কোনও নদী থাকলে সেখানে গিয়েও স্নান করতেন। স্নানের শেষে তিনি সমাধিতে বসতেন। এর পরেও তাঁর কাছে আরও লোকজন যারা আসত বুদ্ধদেব তাদের সব সমস্যা শুনতেন এবং তাদের সমস্যার সমাধানও করে দিতেন। এই সব করতে করতে কখনও কখনও ভোর হয়ে যেত। তখন ক্লান্তি দূর করার জন্য তিনি ইতস্তত হাঁটতেন। গভীর রাত্রিতে তাঁর কাছে রাজা এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত রাজকর্মচারীরাও আসতেন। তাঁরা বুদ্ধদেবের সঙ্গে আলোচনার শেষে সন্তুষ্ট চিত্তে আপন আপন আবাসে ফিরে যেতেন। এই সময় তিনি যদি একটু ঘুমানোর সুযোগ পেতেন তাহলে তিনি ডান কাত হয়ে শুতেন, এই সময় তাঁর পা দুটি সামান্য ভাঁজ করা অবস্থায় থাকত। তিনি ভোর হওয়ার আগেই শয্যা ত্যাগ করতেন এবং সমাধিতে বসতেন। এই সময় তিনি পরের দিনের জন্য সম্ভাব্য আলোচনা ইত্যাদির একটি মানসিক পূর্ব পরিকল্পনা করে নিতেন। তিনি কঠোর পরিশ্রম করতেন তবুও তিনি ধর্ম উপদেশ দানে কোনওদিন শৈথিল্য প্রদর্শন করতেন না। যেসব দিন তিনি বাইরে যেতেন না সেসব দিন লোকজন তাঁর সামনে এসে জমা হত। অগাধ জ্ঞান এবং স্নিগ্ধ আচরণে তিনি সকলের মন জয় করে নিতেন। এ ক্ষেত্রে তাঁর সুঠাম সুন্দর দেহসৌষ্ঠবও তাঁকে একটি উচ্চ আসনে বসিয়ে রাখত। যারা আসত তাদের কেউ কেউ প্রকৃত অনুসন্ধিৎসা নিয়ে আসত আবার কেউ কেউ অযথা প্রশ্নবাণে তাঁকে উত্ত্যক্ত বিরক্ত করার জন্যও আসত। যারা প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য আসত তারা তাদের প্রার্থনা মতো জ্ঞান অর্জন করতে পারত। আর যারা তাঁকে সামান্য জন প্রমাণ করার জন্য আসত তারা সকলেই শেষ পর্যন্ত তাঁর পাণ্ডিত্যের কাছে পরাজয় স্বীকার করতে বাধ্য হত।

     

     

    পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে পরিভ্রমণ, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং ধর্ম উপদেশ দান করতে করতে তিনি আশি বছর বয়সে উপনীত হলেন। তিনি উপলব্ধি করতে পারলেন যে তাঁর শারীরিক সামর্থ্য তিনি ক্রমশ হারিয়ে ফেলছেন। যদিও তাঁর মানসিক শক্তি আগের মতোই প্রবল আছে। তিনি আরও অনুভব করতে পারলেন যে তাঁর পরমায়ু ক্রমশ শেষ হয়ে আসছে। এই পৃথিবীতে তিনি আর বেশিদিন থাকতে পারবেন না। তাঁর এই সময় মনে হল তাঁর বাল্যকালের সুপরিচিত হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত নিজের জন্মস্থানের দিকে তিনি ক্রমশ এগিয়ে যাবেন। তাঁর মনের অভিপ্রায় ছিল সেখানে গিয়ে তিনি নির্বাণ লাভ করবেন। এ কারণে তিনি আনন্দ ও আর একদল ভিক্ষুকে নিয়ে রাজগৃহ ত্যাগ করলেন।

    পরে উত্তরদিকে যাওয়ার পথে বুদ্ধ রাজধানী পাটলি এবং তার পরে আরও উত্তরে বৈশালী অতিক্রম করলেন এর আগে তিনি বৈশালীতে কিছুদিন ছিলেন। এই স্থানে তিনি বারবিলাসিনী আম্রপালীর নিকট হতে অমরাবন উদ্যান দান হিসাবে পেয়েছিলেন, এই আম্রপালী অনেক রাজা ও রাজপুত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বুদ্ধকে উপটৌকন দান করতেন। বুদ্ধদেব যখন বেণুবন গ্রামে উপস্থিত হলেন তখন তিনি সঙ্গী ভিক্ষুকদের আগত বর্ষা ঋতুর কারণে সেখানেই কিছুদিন বিশ্রাম নেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেন। এই সময় বুদ্ধদেব হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়লেন। অবশ্য এই অসুস্থতা তাঁর সম্পূর্ণ কেটেও গেল।

     

     

    একদিন দুপুরবেলা আনন্দ বুদ্ধদেবের জন্য একটি গদি তৈরি করলেন যাতে তিনি বিহারের ছায়া স্নানে বসে আরাম করতে পারেন। তিনি বুদ্ধকে বললেন, ”আপনি সুস্থ হয়েছেন দেখে আমি খুব খুশি হয়েছি। আমি সর্বদাই চেয়েছি আপনি বেঁচে থাকুন। ততদিন বেঁচে থাকুন যতদিন না সব ভিক্ষুরা আপনার নিকট হতে যা জ্ঞান লাভ পাওয়ার পেয়ে যাচ্ছে।” বুদ্ধ বললেন, ”আনন্দ, আমার নিকট হতে ভিক্ষুরা আরও কী চাইছে? ধর্ম সম্বন্ধে যা কিছু বলার আমি তো তাদের বলে দিয়েছি। বলার মতো আমার তো আর কিছু নাই। এখন ভিক্ষুদের কাজ হবে তারা যে শিক্ষা পেয়েছে সেটা অনুশীলন করে যাওয়া। এই অনুশীলনের পর অবশ্যই তারা নির্বাণ লাভে অধিকারী হবে। আমি গোপন কিছু রাখিনি। নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি। তোমাদের সকলের কল্যাণ হোক। আনন্দ আমি এখন বৃদ্ধ হয়েছি। আমার শরীর ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। আর কিছুদিনের মধ্যেই আমার মৃত্যু ঘটবে। ইতিমধ্যেই আমার আশি বছর উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এখন তোমরা নিজেদের উপরই শুধু নির্ভর কর। কেননা মানুষ মাত্রেরই কর্তব্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া। শুধুমাত্র অপরের উপর নির্ভর করে থাকা যায় না। ধর্মের উপরেই তোমাদেরকে নির্ভর করতে হবে। কারণ ধর্মই হল তোমাদের মনের মূল।” এরপর বুদ্ধ আরও বললেন, ”আনন্দ যে ভিক্ষু ধর্ম অনুশীলন করতে চায় সে সংঘের একজন উপযুক্ত সদস্য।” পরদিন ভোরে বুদ্ধ সুস্থ হয়ে উঠলেন এবং বৈশালী নগরের পথে ভিক্ষার জন্য বেরোলেন। ভোজনের পর তিনি পাবা স্তূপের দিকে রওনা হলেন। আনন্দকে বললেন গদিটি সঙ্গে নিয়ে যেতে যাতে তিনি দুপুর বেলা আরামে বিশ্রাম করতে পারেন। বুদ্ধ একটি গাছের নিচে বসলেন আর ভাবতে লাগলেন কীভাবে তাঁর মৃত্যুর ক্ষণটি কাটবে। আর মনস্থির করলেন তিনমাস পরে তিনি নির্বাণ লাভ করবেন। যখন আনন্দ তাঁর কাছে এলেন তিনি বললেন, ”আনন্দ, বৈশাখ মাসের পনেরো তারিখে আমি নির্বাণ লাভ করব। আর মাত্র তিনমাস বাকী আছে।” আনন্দ অনুনয় বিনয় করে তাঁকে জানালেন ”দয়া করে নির্বাণে যাবেন না। আপনি জীবিত থাকুন এবং জনসাধারণকে কষ্ট হতে ত্রাণ পাবার উপায় বলে দিন।” বুদ্ধ বললেন, ‘আনন্দ, বুদ্ধ কোনও অসাধারণ মানুষ নন। তিনিও জন্ম মৃত্যুরই অধীন। আমার মৃত্যু একদিন হবেই। কিন্তু এখন এসব কথা ভাবার প্রয়োজন নাই। চলো আমরা মহাবনে যাই। সেখানে বিহারে বৈশালীর সকল লোককে আসতে বলো।’ বুদ্ধের নির্দেশে আনন্দ বেরিয়ে গেলেন। ভিক্ষুরা যখন মহাবনে সমবেত হলেন আনন্দ বুদ্ধকে এই সংবাদ দিলেন। বুদ্ধ সকলকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপদেশ দিলেন। তাদেরকে বললেন তারা যেন বুদ্ধর নির্দেশগুলো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে। তাদের আচরণ যেন এমন হয় যে পৃথিবীর সকলে তাদেরকে আদর্শ হিসাবে মনে করে। তিনি আরও বললেন পৃথিবীর সবই নশ্বর এবং সবই মায়া, বিভ্রান্তি। তোমরা তোমাদের নিজেদের উৎকর্ষ বজায় রাখবে। মনকে সংযত করবে। কোনও সময়ে অসাবধান হবে না। কেবলমাত্র তখনই তোমরা কষ্ট থেকে পরিত্রাণ পাবে। তখনই তোমরা জন্মমৃত্যুর চক্র হতে মুক্তি লাভ করবে।

     

     

    একদিন সকালে তিনি বৈশালী শহরকে শেষ বারের মতো দেখে নিতে চাইলেন। তিনি এবং আনন্দ ভিক্ষার জন্য সেখানে গেলেন। আনন্দকে বললেন, ”আনন্দ আমি শেষবারের মতো বৈশালী শহরকে দেখছি। চল আমরা ভণ্ডগ্রামে যাই।” সেখানে তিনি কিছুক্ষণের বিশ্রাম করলেন। পরে সেখানকার লোকজনদের ধর্ম শিক্ষা দিলেন। এর পরে তিনি শিষ্যদের সঙ্গে নিয়ে হাত্থি, অম্বা, জাম্বু এবং সবশেষে ভোগ শহরে উপস্থিত হলেন, সেখানে তিনি আনন্দ স্তূপে এসে দাঁড়ালেন। সেখানে তিনি তাঁর শিষ্যদের বললেন বুদ্ধধর্ম শিক্ষার চারটি পথ আছে। এরপর তিনি গেলেন পাবা শহরে। সেখানে একজন স্বর্ণকারের পুত্র কুন্ডার আম্রকুঞ্জে হাজির হলেন। তিনি কুন্ডা এবং তার পরিবারের সদস্যদের বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা দিলেন। এরপর কুন্ডার নিমন্ত্রণে তিনি তাঁর বাড়িতে গেলেন। কুন্ডা তাঁদের জন্য যে আহার প্রস্তুত করেছিলেন তার মধ্যে চন্দন গাছে গজিয়ে ওঠা কিছু ছত্রাক ছিল। এটা খাওয়ার পর বুদ্ধর আগের অসুস্থতা আরও বেড়ে গেল। তাঁর অসম্ভব কষ্ট হচ্ছিল তবুও এই কষ্ট তিনি তাঁর সব শক্তি দিয়ে সহ্য করছিলেন। তাঁর হাঁটার বিরাম তিনি দেননি। তাঁর আশা ছিল তিনি কুশীনগরে পৌঁছবেন।

    পথে বিশ্রাম নিতে নিতে তিনি কুশীনগরের দিকে এগিয়ে চললেন। পথে এক জায়গায় তিনি এক গাছের নীচে বসেছিলেন। সেখানে মাল্ল উপজাতির এক রাজপুত্র তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য এলেন। তিনি ছিলেন বৃদ্ধ সন্ন্যাসী আরাদা কালামের একজন শিষ্য। বুদ্ধ তাঁকে ধর্ম এবং সংঘ সম্পর্কে কিছু বললেন। তিনি বুদ্ধকে সোনালি রঙের সুন্দর দুটি বস্ত্র উপহার দিলেন। বুদ্ধ একটি মাত্র বস্ত্র নিলেন এবং অন্যটি আনন্দকে দিতে বললেন। এরপর বুদ্ধ কাকুঠ্যা নদী পার হলেন। এরও পরে তিনি এলেন হিরণ্যাবতী নদীর তীরে। এই নদীটি কুশীনগরের সীমানার মধ্যেই ছিল। হিরণ্যাবতী নদীটি পার হয়ে তাঁরা হাজির হলেন শালবনে। এটি কুশীনগর শহরের ঠিক বাইরে অবস্থিত ছিল। এখানে মল্ল উপজাতির রাজ পরিবারের লোকজন অবসর সময় কাটাতেন। তিনি আনন্দকে বললেন, ”দুটি শালগাছ কেটে আমাকে শোয়ার ব্যবস্থা করে দাও। আমি খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছি।” আনন্দ বুদ্ধের বড় বস্ত্রখণ্ডটি চার ভাঁজে ভাঁজ করে দুটি শাল গাছের মধ্যের বিছানায় পেড়ে দিলেন, সেখানে বুদ্ধ উত্তর দিকে মাথা করে শুলেন। বুদ্ধ কিন্তু ঘুমোলেন না। তিনি অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। যন্ত্রণা ও ক্লান্তি লাঘব করার জন্য তিনি বিশ্রাম করতে চেয়েছিলেন। যন্ত্রণা ও ক্লান্তি সত্ত্বেও তাঁর মানসিক প্রশান্তি কিন্তু অক্ষুণ্ণ ছিল। আনন্দ বুঝতে পারছিলেন তাঁর গুরু বুদ্ধ এবার সত্যি সত্যিই দেহ ত্যাগ করতে চলেছেন। শোকে দুঃখে তিনি অধীর হয়ে উঠেছিলেন। তিনি একটু দূরে সরে জঙ্গলের আড়ালে হাউ হাউ করে কাঁদতে শুরু করলেন। তিনি মনে মনে নিজেকে বললেন, ”আমি এখনও অর্হন্ত হয়ে উঠতে পারিনি। আমার শেখা ও জানার অনেক বাকি আছে। কিন্তু আমারগুরু বুদ্ধ তো দেহত্যাগ করতে চলেছেন। তিনি চলে গেলে আমার শিক্ষা সম্পূর্ণ হবে না। আর আমি আমার দয়ালু প্রভুকে চিরদিনের মতো হারিয়ে ফেলব।” তাঁর চোখ দিয়ে অঝোরে জল পড়ছিল।

     

     

    বুদ্ধ চোখ খুললেন। চারপাশে দেখলেন, কিন্তু আনন্দকে দেখতে পেলেন না। তাঁর পাশে আর যারা ভিক্ষু ছিল তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, ”আনন্দ কোথায় গেল?” তারা বলল, ”আনন্দ এক নির্জন জায়গায় গিয়ে কাঁদছেন। তিনি ভাবছেন তাঁর তো এখনও অর্হন্ত হওয়া হয়নি। অথচ তাঁর গুরু বুদ্ধ যদি দেহত্যাগ করেন তাহলে তাঁর শিক্ষা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।” বুদ্ধ বললেন, ”ভিক্ষু তুমি যাও। আনন্দকে নিয়ে এসো। তাকে বল আমি তাকে ডাকছি।” একজন ভিক্ষু আনন্দকে ডেকে নিয়ে এল। আনন্দ মাথা নীচু করে উপস্থিত হলেন। বুদ্ধ তাকে সদয় এবং সহানুভূতির সুরে সান্ত্বনা দিলেন। অন্যান্য ভিক্ষুদের সামনে তিনি আনন্দের ভূয়সী প্রশংসা করলেন। বললেন, ”অতীতের সকল বুদ্ধরাই অতি উত্তম একজন সহচর পেয়েছিলেন কিন্তু তাদের কেউই আনন্দের সমকক্ষ ছিলেন না। আনন্দ আমার জন্য যা করেছে তারা কেউই তা করতে পরেনি। ভবিষ্যতে যে সব বুদ্ধ আসবেন তাদেরও এত ভালো অনুচর হবে না। আনন্দ আমার সবচেয়ে ভালো ও বিশ্বস্ত পার্শ্বচর। আনন্দ জানে কীভাবে অতিথিদের সঙ্গে আমাকে দেখা করাতে হয়। এইসব অতিথিদের সঙ্গে আনন্দ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কথা বলেছেন। অতিথিরা সকলেই আনন্দের কথা শুনে মুগ্ধ হয়ে যেত। যখনই আনন্দ শান্ত কণ্ঠে কারও সঙ্গে কথা বলত সেই ব্যক্তি খুব খুশি হত। আনন্দের কথায় সকলে বিশ্বাস করত। আনন্দ আমার সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গী।” এরপর আনন্দ বললেন, বুদ্ধ দয়া করে এখন নির্বাণ নেবেন না। এ জায়গাটা নির্জন। এখানে লোকজন কম। অনুগ্রহ করে অনুমতি দিন আমরা আপনাকে রাজগৃহ, শ্রাবস্তী, বৈশালীর মতো বড় শহরে নিয়ে যাব এবং সেখানেই আপনি নির্বাণ লাভ করবেন। ওই সব শহরে আপনার অনেক প্রভাবশালী ও শক্তিশালী শিষ্য আছেন। তাঁরা আপনার শেষ কৃত্য উপযুক্ত মর্যাদার সঙ্গে করবেন। বুদ্ধ বললেন, ”আনন্দ তুমি এরকম কথা বল না। এ কথা বল না যে এই স্থানটি কোনও গুরুত্বপূর্ণ স্থান নয়। অনেকদিন আগে এখানে বিশাল এক শহর ছিল। এই শহরে বসবাস করতেন একজন চক্রবর্তী রাজা। আনন্দ, তুমি কুশীনগরে গিয়ে রাজাকে বল আজ রাত্রিরে শেষ প্রহরে বুদ্ধ এই বার নির্বাণ লাভ করবেন। যদি তাঁদের মনে হয় তাঁরা যেন তার আগেই এসে আমার সঙ্গে দেখা করেন।” আনন্দ বুদ্ধের নির্দেশ অনুযায়ী কুশীনগরে গেলেন, আরও কয়েকজন ভিক্ষুও তাঁর সঙ্গে গেলেন এবং রাজা মল্লকে এবং তার লোকজনদেরকে বুদ্ধের সব কথা জানালেন।

     

     

    যখন রাজা এবং তাঁর লোকজন আনন্দের কাছে শুনলেন যে বুদ্ধ নির্বাণ গ্রহণ করতে চলেছেন তাঁরা সকলেই শোকে অধীর হয়ে উঠলেন। অনেকে কাঁদতেও শুরু করলেন। তাঁরা বললেন, ”বুদ্ধ এত আগে কেন আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন? তাঁর নির্বাণের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর সব আলোও যে নির্বাপিত হবে।” স্ত্রী পুরুষ এবং শিশুরাও কাঁদতে কাঁদতে শালবনে এসে উপস্থিত হলেন। বুদ্ধ শান্তভাবে শুয়ে ছিলেন। তিনি চাইছিলেন যেন তাঁর নির্বাণের আগে তাঁর সকল ভক্ত তাঁকে দেখতে পারেন। সকলেই শৃঙ্খলা মেনে এবং নীরবে সেখানে বসে রইলেন। বুদ্ধকে ছেড়ে কারোরই সেই স্থান ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছা করছিল না।

    ভিন্ন ধর্মাবলম্বী একজন যাযাবর তরুণ সেই সময় কুশীনগরে উপস্থিত ছিল। তার নাম সুভদ্র। সে যখন শুনল বুদ্ধ দেহত্যাগ করতে চলেছেন তখন কিছু জানবার জন্য সে বুদ্ধের কাছে এল। প্রশ্নগুলো অনেকদিন ধরেই তার মন আকুল করে তুলেছিল। সে ভেবেছিল একমাত্র বুদ্ধই তার প্রশ্নটগুলোর উত্তর দিতে পারবেন এবং তার প্রশ্নের সমাধান ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিতে পারবেন। শালবনে এসে সে আনন্দের কাছে অনুমতি চেয়ে বুদ্ধের কাছে যেতে চাইল। আনন্দ কিন্তু রাজি হচ্ছিলেন না। কারণ বুদ্ধ সে সময় ক্লান্ত এবং অবসন্ন হয়ে পড়েছিলেন। সুভদ্র কিন্তু বারবারই আনন্দকে অনুরোধ করে চলেছিলেন আর আনন্দ বারবারই তাকে প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছিল। এই বাদানুবাদ বুদ্ধের কানে পৌঁছালে বুদ্ধ আনন্দকে বললেন, ”ওকে বাধা দিও না। আমার কাছে আসতে দাও। সে কি জানতে চায় তার সমস্যাগুলি কি আমি শুনি। এটা স্পষ্ট সে বৌদ্ধধর্ম অনুশীলন করে। অকারণে সে আমার কাছে অসেনি।” অগত্যা আনন্দ সুভদ্রকে অনুমতি দিলেন। আর বুদ্ধ প্রশান্ত চিত্তে তার সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন। এই সুভদ্রই হল বুদ্ধের সর্বশেষ শিষ্য যাকে বুদ্ধ ভিক্ষু হিসাবে বৌদ্ধধর্মে মান্যতা দিলেন। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায় কৌনদিন্য ছিলেন বুদ্ধদেবের প্রথম শিষ্য যাকে বুদ্ধ মৃগদাভতে দীক্ষা দিয়ে ছিলেন। নিষ্ঠাবান সুভদ্র অল্প কয়েকদিনের মধ্যে অর্হন্তে পরিণত হলেন।

     

     

    বুদ্ধ এবার অন্যান্য ভিক্ষুদের প্রশ্ন করার সুযোগ দিতে চাইলেন। তিনি বললেন, ”আমার নির্বাণের আগে তোমাদের শেষ প্রশ্নগুলোর উত্তর আমি দিতে চাই। তোমরা জানো তোমাদের সকল কাজকর্মই অচিরস্থায়ী এবং তোমরা সেগুলির প্রতি কখনওই নজর দিও না, সেগুলি থেকে তোমরা সম্পূর্ণরূপে পৃথক হয়ে থেকো।”

    এরপর বুদ্ধ সমাধি মগ্ন হলেন এবং ধ্যানের নবম স্তরে পৌঁছে গেলেন। নবম এই স্তর থেকে তিনি ধ্যানের চতুর্থ স্তরে আবার ফিরে এলেন। এরপর তিনি নিজেকে পঞ্চবন্ধন হতে বিযুক্ত করে নিলেন। এই পঞ্চবন্ধন মানুষকে জন্ম মৃত্যু চক্রে বদ্ধ করে রাখে। এই প্রচেষ্টার ফলে তিনি নিজেকে জন্ম মৃত্যু চক্রের হাত থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করলেন। এরপর আর তাঁকে পৃথিবীতে কিংবা বিশ্বে অন্য কোথাও জন্মগ্রহণ করতে হবে না। এই ভাবে কুশীনগরে আর এক বৈশাখী পূর্ণিমায় দিব্যজ্ঞানপ্রাপ্ত বুদ্ধ আশি বছর বয়সে ইহজগতের বন্ধন ছিন্ন করলেন। প্রজ্বলিত আলোর দীপ নিভে গেল কিন্তু ধর্মের প্রদীপ অনির্বাপিত রয়ে গেল। বুদ্ধর নির্বাণে তাঁর ধর্ম হাজার হাজার লোকের মনের মধ্যে এক অনির্বাণ জ্যোতি প্রজ্বলিত করে গেল। এই ধর্ম জীবন মৃত্যু চক্র হতে নির্বাণ লাভের পথ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরূপনগরের পিশাচিনী – বিনোদ ঘোষাল
    Next Article নরকের দ্বার খোলা ২ – বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }