Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অন্তরে – ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলন এক পাতা গল্প68 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. কাল রাতে কী হয়েছিল

    কাল রাতে কী হয়েছিল?

    সত্যি কি কেউ ঢুকেছিল আমার রুমে! নাকি পুরো ব্যাপারটাই ঘটেছিল স্বপ্নে! অবচেতন মনে!

    কিন্তু স্বপ্নে এই ধরনের অনুভূতি হয় কী করে?

    স্বপ্নে যদি কেউ আমার হাত ধরে, বাস্তবে কি সেই হাত ধরা টের পাব আমি!

    এমন কি হয়?

    তাহলে ব্যাপারটা আসলে কী?

    কোনও অশরীরী ঘটনা!

    কিন্তু ওসবে যে আমার একদম বিশ্বাস নেই! ভূত প্রেত আমি মানিই না। কত ভূতের গল্প পড়েছি, হরর মুভি দেখেছি, দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়েছি। কই কোনওদিন তো এই ধরনের অনুভূতি হয়নি!

    কাল রাতের ঘটনাটা মা বাবা ভাইয়া কেউ বিশ্বাস করেনি। ইলেকট্রিসিটির ব্যাপারটা পরিষ্কার না হলে হয়তো কিছুটা বিশ্বাস করতো।

    কিন্তু সুমি তার নিজের কাছে একদম পরিষ্কার। ব্যাপারটা সত্যি ঘটেছিল। প্রথমে পায়ে সুরসুরি, তারপর নাভিমূলে, গালে গলায়। সবচে’ আশ্চর্যের কথা হচ্ছে পারফিউমের গন্ধ। এবং গন্ধটা পরিচিত। ওয়ান ম্যান শো।

    স্বপ্নে কি কখনও পারফিউমের গন্ধ পাওয়া যায়!

    নিজের রুমের জানালার সামনে বসে এসব ভাবছে সুমি। জানালার পর্দা সরানো। এই জানালা থেকে পাশের বাড়ির গাছপালার ফাঁক ফোকর দিয়ে পশ্চিমের আকাশ কিছুটা দেখা যায়। সকাল এগারটার রোদেলা আকাশ আজ অন্যরকম লাগছে।

    এই আকাশের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ করেই সুমির এক কাপ চা খেতে ইচ্ছে করল। নূরজাহান বুয়াকে ডাকল সে। চা দিতে বলল।

    মতি বড় হয়ে গেছে তারপরও নূরজাহানকে তেমন বয়স্ক লাগে না। বাড়ির কাজের বুয়া সে ঠিকই, ছেলে নিয়ে বিধবা হয়েছে পাঁচ সাত বছর আগে তারপরও ফিগার বেশ সুন্দর নূরজাহানের, চেহারায় কমনীয়তা আছে। চাইলে এখনও বিয়েশাদি আবার করতে পারে সে। কিন্তু সেই মনোভাব নূরজাহানের একদম নেই। সে আছে এই বাড়ির কাজ নিয়ে। কাজে ফাঁকিজুকি কাকে বলে একদম বোঝে না। চলাফেরা উচ্ছল কিশোরীর মতো।

    চার পাঁচ মিনিটের মধ্যে নীচতলার কিচেন থেকে সুমির জন্য চা করে নিয়ে এল নূরজাহান। কিন্তু চায়ের কাপ সুমির হাতে দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে বেরুল না, দাঁড়িয়ে রইল।

    চায়ে চুমুক দিয়ে সুমি বলল, কী হলো, দাঁড়িয়ে আছ যে?

    আপনার সঙ্গে একটু কথা বলব।

    কী কথা?

    কাইল রাইতে কী হইছে?

    তুমি শুনলে কার কাছে?

    মতি বলল।

    ও শুনলো কার কাছে?

    তা আমি জানি না।

    কী বলল সে?

    কইলো রাইতে বলে আপনে ভয় পাইছেন?

    চায়ে চুমুক দিয়ে উদাস হল সুমি। হ্যাঁ।

    কিসের ভয়? ভূতের?

    ব্যাপারটা ভৌতিক। কিন্তু ভূতে আমি বিশ্বাস করি না।

    হইছিল কি সেইটা আমারে বলেন।

    তোমাকে বলে কী হবে?

    সমস্যাটা মনে হয় আমি বুঝুম।

    ভুরু কুঁচকে নূরজাহানের দিকে তাকাল সুমি। আমার সমস্যা তুমি বুঝবে কী করে?

    নূরজাহান হাসল। আমিও তো মাইয়া মানুষ!

    মেয়েমানুষের সঙ্গে ভৌতিক ব্যাপারের কী সম্পর্ক?

    সম্পর্ক আছে। আপনি আমারে বলেন।

    তোমার এখন কোনও কাজ নেই?

    না। সব কাজ শেষ। দুপুরের রান্না হইয়া গেছে। নিজের গোসলটা খালি বাকি আছে আমার। সেইটা পরে করুম।

    নূরজাহানের কথা বলার ভঙ্গিটা সব সময়ই ভাল লাগে সুমির। এখনও লাগল।

    চা শেষ করে কাপটা নূরজাহানের হাতে দিয়ে বলল, বস।

    সঙ্গে সঙ্গে মেঝেতে বসল নূরজাহান।

    পুরো ঘটনাটা নূরজাহানকে বলল সুমি।

    শুনে তীক্ষ্মচোখে সুমির মুখের দিকে তাকাল নূরজাহান। এইটা তো বড় আজব কাণ্ড। এই বাড়ির আশেপাশে তো খারাপ জিনিস কিছু নাই।

    সুমি অবাক হলো। খারাপ জিনিস মানে?

    যুবতী মেয়েদের সঙ্গে এই ধরনের কাণ্ড করে বদজীনে।

    বদজীন কথাটা শুনে সুমি একটু নড়েচড়ে বসল। বদজীন ব্যাপারটা কী?

    খারাপ জীন। জীন হইল দুই রকম। ভাল জীন আর খারাপ জীন। খারাপ জীনগুলিরে বলে বদজীন। মানুষের মধ্যে যেমুন ভাল মানুষ আর খারাপ মানুষ আছে, জীনের মধ্যেও তেমন আছে। ভাল জীনরা মানুষের উপকার করে আর বদজীনগুলি অনিষ্ট করে।

    একটা একটা করে বল। ভাল জীনরা কী ধরনের উপকার করে মানুষের?

    বহুত রকমের উপকার করে। তারা থাকেন পরহেজগার মানুষের লগে। কামেল দরবেশ পীর ফকিরের লগে। ভাল জীন দিয়া মানুষের অসুখ বিসুখ সারায়া দেন পীর ফকিররা। ধন সম্পত্তি টেকা পয়সাও জোগাড় কইরা দেয় ভাল জীনে। পথের ফকিররে রাজা বাদশা বানাইয়া দেয়। বহুত ঘটনা আছে এই রকম। ভাল জীন যদি কোনও মানুষের উপরে আছড় করে, তারে তারা আর দেশ গেরামে রাখে না। নিজেগ দেশে লইয়া যায়।

    জীনদের দেশ কোথায়?

    পরিস্থানে।

    পরিস্থান তো শুনেছি পরিদের দেশ।

    নূরজাহান হাসল। জ্বীন আর পরি তো একই। পুরুষরা হইল জীন, মেয়েরা হইল পরি। ভূত আর পেত্নির মতন। পুরুষ ভূতগুলি ভূত, মেয়েগুলি পেত্নি।

    এসব আমি জানি।

    জানোনের তো কথাই। এইসব কথা কে না জানে! ভাল জীনরা যে তাগ পছন্দের মানুষরে দেশ গেরামে রাখে না এমুন একটা ঘটনা আমগ গেরামে ঘটছিল।

    সুমি অবাক হলো। তাই নাকি?

    হ। বলুম ঘটনাটা?

    বলো।

    আমাগ গেরামে একজন দরবেশ আছিল। খালেক দরবেশ। দরবেশ সাবে যখন ছোট, একদিন দুপুরবেলা ঘরে ঘুমাইয়া রইছে, পাকের ঘরে তার মায় রানতে বইছে, হঠাৎ কইরা মার মনডা কেমুন কইরা উঠল। পোলার মুখটা দেখনের লেইগা পাগল হইয়া গেল। পোলা যেই ঘরে শুইয়া রইছে দৌড়াইয়া সেই ঘরে চইলা আসলো। আইসা দেখে ঘুমন্ত অবস্থায় পোলা তার শূন্যে ভাইসা রইছে। ভাইসা ভাইসা আস্তে আস্তে দরজার দিকে যাইতাছে। এই অবস্থা দেইখা মায় তো একেবারে পাগল হইয়া গেছে। দুইহাতে পোলারে জড়াইয়া ধরছে। বাজান, কই যাস তুই? এই অবস্থায় তুই কই যাস? তখন গায়েবি আওয়াজ হইল, দুনিয়া বড় বদ জায়গা। খালেকরে এখানে রাখুম না। এই আওয়াজ শুইনা মায় দুইহাতে বুকে জড়াইয়া ধরল শূন্যে ভাইসা থাকা পোলা। কইলো, না না,

    আমার বুকের ধন আপনেরা নিতে পারবেন না। তারপর খালেক দরবেশরে তারা। রাইখা যায়। তয় যেই জীনে তারে নিতে চাইছিল সেই জীনটা সারাজীবনই দরবেশ সাবের লগে আছিল।

    ঘটনাটা যে খুব আলোড়িত করল সুমিকে তেমন নয়। তবু সে বলল, তার মানে এরা হচ্ছে ভাল জীন?

    হ।

    এবার তাহলে একটা বদজীনের ঘটনাও বল।

    তার আগে খালেক দরবেশের ঘটনাটা শেষ করি।

    করো।

    তারপর হঠাৎ করেই যেন বাড়ির পরিস্থিতিটা বুঝতে চাইল সুমি। তুমি যে এখানে, নীচতলায় কে?

    মতি আছে।

    মার চেম্বার লক করা তো?

    হ। নীচের ঘরদুয়ার বেবাকই বন্ধ।

    বাবা বেরিয়েছে কখন?

    আম্মার লগেই গেছে। আম্মারে কোটে নামাইয়া দিয়া সিটি করপোরেশান না কই বলে যাইব।

    বুঝেছি, বাড়ির ট্যাক্সের ব্যাপারে কী ঝামেলা হয়েছে। ভাইয়া কি আগে বেরিয়েছে?

    না। সে বাইর হইছে পরে।

    নীচে মতি আছে তো? চোর টোর ঢুকে যাবে না তো?

    না। আপনি নিশ্চিন্ত থাকেন।

    সুমি জানালার দিকে তাকাল। পাশের বাড়ি পেয়ারা গাছে দুটো শালিক বসে আছে। এত চুপচাপ শালিক সাধারণত থাকে না। কিন্তু এই শালিক দুটো আছে।

    পাখি দুটোর দিকে তাকিয়ে বেশ বড় একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ল সুমির।

    নূরজাহান বলল, খালেক দরবেশের ঘটনাটা শেষ করুম?

    নূরজাহানের দিকে তাকাল না সুমি। বলল, হ্যাঁ।

    দরবেশ সাব সারাজীবন নীল রংয়ের একখান কাপড় পরতেন। মাইয়া লোকের শাড়ির মতন কাপড়। ওই এক কাপড়ে পুরা শইল ঢাইকা রাখতেন। নীল কাপড় ছাড়া পরতেন না। খালি সিগ্রেট খাইতেন। তেমুন কথাবার্তা মানুষের লগে বলতেন না। রাস্তা দিয়া হাঁটতে হাঁটতে বিড় বিড় কইরা কথা কইতেন, হাসতেন। তাগ বাড়ি থিকা পদ্ম আছিল কাছে। জোসনা রাইতে পদ্মার তীরে গিয়া বইসা থাকতেন, একলা একলা কথা কইতেন। আসলে তো একলা কথা কইতেন না! কইতেন তো জীনগ লগে!

    শীতকালেও কি ওই একই কাপড় পরে থাকতেন?

    হ। শীত গরম আছিল না তার।

    বিয়ে শাদি করেননি?

    একথা শুনে উফুল্ল হলো নূরজাহান। এই ঘটনাটাই আপনেরে কইতে চাইতাছি।

    বলো।

    বয়েসকালে বিয়া ঠিক হইল দরবেশ সাবের। বিয়ার আগের দিন বউরে সাপে কাটল।

    মানে? মারা গেলেন মহিলা?

    হ। তারপর সারাজীবন দরবেশ সাব আর বিয়া করেন নাই। মানুষে কয় তার লগের জীনেই বলে সাপের রূপ ধইরা তার বউরে কাটছে।

    কেন?

    দরবেশ সাবে বিয়া করুক, সংসার ধর্ম করুক এইটা জীনেরা চায় নাই।

    কারণটা কী?

    আল্লায়ই জানে। মনে হয় তারা এই দুনিয়াতে দরবেশ সাবরে বেশিদিন রাখতে চায় নাই। দরবেশ সাবে যদি বিয়াশাদি কইরা সংসার ধর্ম করে, যদি তার বউ পোলাপান থাকে তয় দুনিয়ার মায়া বাইড়া যাইব, বোধহয় এইসব চিন্তা করছে জীনে।

    তাহলে তিনি কি কম বয়সে মারা যান?

    খুব কম বয়সে না। তয় এসব কামেল দরবেশরা তো মরেন না। তারা শরিল বদলান।

    শরীর বদলানো মানে?

    এক শরিল ছাইড়া আরেক শরিল নেন। সেই শরিল নিয়া পরিস্থানে চইলা যান। দরবেশ সাবের জীনরাও তারে পরিস্থানে নিয়া গেছে।

    ঘটনাগুলো শুনতে ভালই লাগল সুমির। কালরাত থেকে অন্যরকম হয়ে থাকা মন কেমন যেন বদলালো। হালকা হয়ে গেল।

    নূরজাহানের দিকে তাকিয়ে সুমি বলল, এবার বদজীনের কথা বল। যুবতী মেয়েদের সঙ্গে বদজীনের কী সম্পর্ক, বল।

    নূরজাহান একটু নড়েচড়ে বসল। বদজীনগুলি যুবতী মাইয়াগ খুব জ্বালায়। দেশ গেরামে শোনেন না, অমুকের বউরে ভূতে ধরছে, তমুকের যুবতী মাইয়ারে ভূতে ধরছে, অল্প বয়সে বিধবা হইয়া আছে কেউ, তারে ধরছে।

    ভূত আর বদজীন কী এক নাকি?

    একই। কেউ বলে ভূত, কেউ বলে বদজীন। আসলে সব খারাপ জিনিসই ভূত। শোনেন না, খারাপ মানুষরে অনেকে বলে ভূত। খারাপ মেয়েরে বলে পেত্নি।

    সুমি হাসল। বুঝেছি।

    সুমিকে হাসতে দেখে নূরজাহানও হাসল। এইবার আপনেরে একটা বদজীনের ঘটনা কই। আমগ গেরামে শিরিন নামে একটা মাইয়া আছিল। পাড়া বেড়াইনা মাইয়া। নিজেগ বাড়িতে থাকেই না। এই বাড়িত যায়, ওই বাড়িত যায়। দিন দোফর মানে না, রাইত বিরাইত মানে না। যখন যেখানে মন চায় চইলা যায়। বয়স হইয়া গেছে কিন্তু গরিব মা বাপে বিয়া দিতে পারে না। শিরিনের শরিল স্বাস্থ্য খুব ভাল। এই ধরনের মাইয়াগ পুরুষ পোলারা খুব পছন্দ করে। কিন্তু শিরিনের স্বভাব চরিত্র খারাপ না। নষ্ট মাইয়া না সে। শিরিনের সই আছিল কাজল নামে আর একটা মাইয়া। কাজলের বিয়া হইয়া গেছে। শ্বশুরবাড়ি থাকে সে। যখন নিজেগ গেরামে আসতো, কাজলরে শিরিন নিজের দুঃখের কথা কইতো।

    কী দুঃখ?

    বিয়া না হওনের দুঃখ।

    বলেই মুখ টিপে হাসল নূরজাহান।

    তার হাসি খেয়াল করল সুমি। বলল, হাসছ কেন?

    ওই যে বিয়া না হওনের দুঃখ কথাটা কইলাম, কইয়া নিজেরই হাসি পাইল। আপনে তো যুবতী মাইয়া, বিয়া না হওনের দুঃখ আপনে বোঝবেন।

    কথাটা আসলে বুঝল না সুমি। অবাক চোখে নূরজাহানের মুখের দিকে তাকাল। আমি কিন্তু বুঝিনি।

    না বুঝলে ঘটনাটা শোনেন, পরে বুঝবেন।

    ঠিক আছে। বল।

    সইর লগে বিয়া না হওনের দুঃখের কথা কয় শিরিন, শুইনা সইয়ে কয়, হ লো সই, বিয়া হওনের পর, স্বামীর লগে থাকনের পর আমি চিন্তাই করতে পারি না স্বামী ছাড়া যুবতি মাইয়ারা থাকে কেমনে! সইয়ের এই কথাটা তারপর থিকা খালি মাথায় ঘোরতো শিরিনের। রাইতে ঘুমাইতে পারতো না। এই সময় একদিন বদজীনে ধরল শিরিনরে।

    কোথায় ধরল, কীভাবে?

    আগে শোনেন না ঘটনা। একদিন সন্ধ্যা বইসা যাওয়ার পর বাড়িত আইসা পাগলামী শুরু করল শিরিন। উল্টাপাল্টা কথা কয়, কাপড় চোপড় খুইলা ফালায়। বাড়ির মুরব্বিরা কইলো, শিরিনরে ভূতে ধরছে। ভূত ছাড়ান লাগবো। ভূত না। ছাড়াইলে এই মাইয়া ভাল হইব না। আমগ পাশের গেরামে বদর নামে একজন ফকির আছে। তার কাম হইল ভূত ছাড়ান। পাঁচ টেকা নিয়া, দুইতিন দিন চেষ্টা কইরা সে ভূত ছাড়ায়। বদররে খবর দেওয়া হইল। পরদিন সন্ধ্যায় বদর আইলো শিরিনের ভূত ছাড়াইতে। বদর ফকিরমানুষ হইলে কী হইব, দেখতে তাগড়া জুয়ান। বদররে দেইখাই পাগলামি শুরু করল শিরিন। কাপড় চোপড় খুইলা ফালাইতে চাইল। শিরিনের চোখের দিকে চাইয়া বদর কইল, তরে আমি চিনা ফালাইছি। পুব পাড়ার বাঁশঝাড়ে থাকছ তুই। তর মতন বদজীন আমি অনেক ছাড়াইছি। খাড়া আইজই তর খবর লইতাছি। তারপর শিরিনের মারে বদর কইল, ঘর আন্ধার করেন। তারবাদে আপনেরা বেবাকতে বাইরে যান। শিরিনের। বদজীন আমি ছাড়াইতাছি। যেই কথা সেই কাজ। সবাই ঘর থিকা বাইর হইয়া গেল। ভিতর থিকা দরজার খিল লাগাইয়া দিল বদর ফকির। বাড়ির উঠানে লোকজন সব খাড়াইয়া রইছে আর বন্ধ ঘরে শিরিনের বদজীন ছাড়াইতাছে ফকিরে। মাঝে মাঝে শুনা যায় বদজীনরে গালিগালাজ করতাছে ফকিরে আর শিরিন গোঙাইতাছে। এইভাবে ঘণ্টাখানেক। তারপর দেখা গেল শিরিন বেহুশের মতো ঘুমাইতাছে। সেই রাইতে পাগলামি আর করল না। ফকির বইলা গেল এইভাবে তিন সন্ধ্যা ছাড়াইতে হইব নাইলে শিরিনরে পুরাপুরি ছাইড়া যাইব না বদজীনে। তারপর দিন সারাদিন ভাল রইল শিরিন, বিকালের দিকে একটু একটু পাগলামি শুরু করল। বদর ফকির আসলো সন্ধ্যাবেলা। আবার আন্ধার ঘরে ভূত ছাড়াইল। তিনদিন পর পুরাপুরি ভাল শিরিন।

    সুমির খুবই অবাক লাগছিল। বলল, সত্যি?

    নূরজাহান হাসল। আসল ঘটনাটা আগে শোনেন।

    আসল ঘটনা আবার কী? সব তো বলেই ফেললে!

    বলি নাই। শোনেন। দেড় দুই মাসের মাথায় শিরিন একদিন বমি করতে লাগল।

    শুনে চমকাল সুমি। কী?

    হ। বেদম বমি।

    কেন?

    বোঝেন নাই আপনে?

    না।

    শিরিন পোয়াতি হইয়া গেছে।

    তাই নাকি? কীভাবে?

    নূরজাহান আবার হাসল। আপনে অহনও অনেক কিছু বোঝেন না। এইডা তো খুব সোজা ব্যাপার। আন্ধার ঘরে তাগড়া জুয়ান বদর ফকির শিরিনের বদজীন ছাড়াইছে কেমনে? পর পর তিনদিন?

    সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপারটা বুঝে গেল সুমি। শরীরের ভেতর কেমন একটা অনুভূতি হলো তার। একেবারেই অচেনা এক অনুভূতি। ফ্যাল ফ্যাল করে নূরজাহানের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল সে।

    নূরজাহান বলল, এইবার আপনেরে আসল কথাটা কই। দুনিয়াতে বদজীন ভূত পেত্নি পরি এইসব আছে কি নাই কেউ জানে না। তবে মাইয়া মানুষের শরিলে আর মনে যে একটা কইরা বদজীন আছে এইডা বেবাক মাইয়া মাইনষেই জানে। যুবতী হইয়া উঠনের পরই বদজীনটা বিরক্ত শুরু করে। সেই বদজীনরে কেউ কেউ দমাইয়া রাখতে পারে, কেউ কেউ পারে না। যারা না পারে তাগ নানান পদের অসুবিধা দেখা দেয়। তয় বিয়া হইয়া গেলে, স্বামীর লগে থাকতে শুরু করলে বদজীনে আর বিরক্ত করে না।

    নূরজাহানের কথার অর্থ পরিষ্কার বুঝল সুমি।

    কিন্তু তার সমস্যাটা কি ওরকম?

    নূরজাহান বলল, আমার মনে হয় মনের বদজীনে আপনেরে বিরক্ত করতে শুরু করছে।

    এখন তাহলে কী করা উচিত আমার?

    বলব?

    হ্যাঁ।

    রাগ করবেন না তো?

    না।

    আপনের বিয়া হইয়া যাওন উচিত।

    কিন্তু তুমি যা বলছ ওই ধরনের সমস্যা আমার নেই।

    আছে। আপনে বুঝতে পারছেন না।

    এবার অন্য একটা কথা মনে পড়ল সুমির। বলল, তাহলে কথা শুরুর প্রথম দিকে তুমি যে বলেছিলে এই এলাকায় নাকি বদজীন নেই, থাকলে তুমি টের পেতে না কী যেন! সেই কথাটার অর্থ কী?

    নূরজাহান আবার হাসল। ওই কথার কোনও অর্থ নাই। এমনিতেই বলছিলাম। অর্থ ছাড়াও কত কথা আমরা কই।

    আমার মনে হয় তুমি মিথ্যে বলছ।

    কেমুন?

    আসলে আমার সঙ্গে অনেকক্ষণ গল্প করার জন্য, অথবা কালরাতে কী হয়েছে এসব জানার জন্য ওইসব বদজীন ইত্যাদির কথা বলে আমার মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছ।

    নূরজাহান হাসল। ঠিকই বলছেন।

    তারপর উঠল। যাই। অনেক কথা কইলাম আপনের লগে। তয় যা কইলাম বেবাকই সত্য। মাইয়া মানুষের শরিল আর মনেই থাকে বদজীন। এই বদজীন ছাড়ানের একমাত্র পথ হইল বিয়া।

    কিন্তু তুমি তো বলেছ বিবাহিত মেয়েদেরকেও বদজীনে ধরে!

    হ ধরে! কখন ধরে জানেন?

    কখন?

    যখন নতুন নতুন বিয়া হয় মেয়েগ, দুই চাইরদিন স্বামীর লগে থাকে। তারপর দেখা গেল বউ রাইখা স্বামী চইলা গেছে দূরে। দুই চাইর ছয়মাস একবছর স্বামী ফিরে না, এই পদের মেয়েগও বদজীনে ধরে।

    বলে নূরজাহান আর দাঁড়াল না।

    নূরজাহান চলে যাওয়ার পর শুধুই জয়ের কথা মনে পড়তে লাগল সুমির।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএসো – ইমদাদুল হক মিলন
    Next Article ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    Related Articles

    ইমদাদুল হক মিলন

    ইমদাদুল হক মিলনের বিবিধ রচনা

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    এসো – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    গোপনে – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    দুই বাংলার দাম্পত্য কলহের শত কাহিনী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ইমদাদুল হক মিলন সম্পাদিত

    July 10, 2025
    ইমদাদুল হক মিলন

    প্রিয় – ইমদাদুল হক মিলন

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }