Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প211 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অগ্নিকোণ

    কোনও কোনও রাতে কারও কারও চোখে ঘুম নামতেই চায় না। আবার কারও কারও চোখ জুড়ে নিবিড়, নিতল, নিঃস্বপন ঘুম। দেয়াল ঘড়িতে একটার পর একটা ঘণ্টা কাটার শব্দ, একটানা ঝিঁঝির খত্তাল, ফাঁকা জায়গা পেয়ে উন্মত্ত চিৎকার জুড়ে দিয়েছে। দোহারকি দিচ্ছে কি একটা রাতচরা পাখি কু-কু-কুক্‌ কু-কু-কুক্‌। জানলার ফাঁক দিয়ে দমকা হাওয়ার সঙ্গে হঠাৎ নাম-না-জানা গাছালির উৎকট উগ্র গন্ধ। জানোয়ারের গায়ের গ্‌ন্ধের মতো। সারারাত ছটফট করেছে ব্রততী। শেষ রাতে যেই পাতলা ঘুম নেমেছে অমনি শুরু হল ভয় দেখানো স্বপ্নদের আনাগোনা। মাঝবয়সী একজন আঁটসাঁট মোটা ভদ্রমহিলা, বড় বড় চোখ, কোঁকড়ানো পাকা চুল, এক পা এক পা করে তার দিকে এগিয়ে আসছেন, হাতে সুদর্শন চক্রের মতো একটা অস্ত্র। কিরকির কিরকির করে ঘুরছে। মুখ দিয়ে চিৎকার বেরোচ্ছে না, পেছোতে পেছোতে একটা গরাদহীন খোলা জানলা দিয়ে ব্রততী পড়ে যাচ্ছে, পড়ে যাচ্ছে অনেক নিচে, মুখ দিয়ে গোঁ গোঁ করে একটা আওয়াজ বেরোতে যাচ্ছিল, ঘুমটা চড়াৎ করে ভেঙে গেল। এইবার মনে হল স্বপ্নে-টপ্নে নয়। সত্যি-সত্যি বাইরে চোর এসেছে। কি রকম একটা অস্পষ্ট খড়খড় খড়খড় মতো আওয়াজ। কেউ যেন সন্তর্পণে গরাদ কাটছে। মেঝেতে কোনও কাগজের টুকরো পাখার হাওয়ায় ঘুরপাক খেলেও এ জাতীয় শব্দ হয়। ইঁদুর-টিঁদুরের জন্য বা পাখি টাখি…।

    গতকাল শুতে বারোটা বেজে গিয়েছিল। সৌম্য এসেছে। শীর্ষ এসেছে। বহু সাধ্য-সাধনার পর। অরণ্য বলছিল—‘যেভাবে আমরা তোমাদের জন্য সাধনা করেছি সৌম্য, ঈশ্বরের জন্য করলে নিশ্চয়ই সিদ্ধিলাভ হত।’ সঙ্গে সঙ্গে সৌম্যর অবধারিত প্রশ্ন—‘আপনার এই ঈশ্বর অভ্যাসের ঈশ্বর না বিশ্বাসের ঈশ্বর, অরণ্যদা—’

    তর্ক এড়াতে অরণ্য বলেছিল—‘ঈশ্বরটা ইয়ের বিকল্প সৌম্য, আর কিছু না।’ ব্রততী জানে অরণ্য গভীরভাবে ঈশ্বর বিশ্বাসী, এতো গভীর, যে অন্যের ঠাট্টা-তামাশায়, বিশ্বাস-অবিশ্বাসে কিছু এসে যায় না ওর।

    শীর্ষ এমনিতে বেরোতে চায় না। সাহায্য ছাড়া তো পারবেও না। অভ্যেস করলে হয়ত এতদিনে কিছুটা সহজ হয়ে যেত। কিন্তু অভ্যাস করবার ইচ্ছেটাই ওর মরে গেছে। জোর করতে মন চায় না। শীর্ষকে চোয়াল শক্ত করে কোনও নির্দেশ দেবার দিন তার বড়দের চলে গেছে। সৌম্যর চলাফেরাও তাই খুবই সীমাবদ্ধ। খোঁজ খবর নেবার প্রয়োজন হলে ব্রততীই যায়, কিম্বা অরণ্য। অরণ্যদাকে ওরা দুজনেই দারুণ ভালোবাসে। মতের মিল থাক না থাক। বুকের মধ্যে একটা কাঁটা সব সময়ে খচখচ করে। ওদের জন্য দিদি সত্যিকারের করার মতো কিছু কোনদিন করতে পারল না। ওরাই বরং নিজেদের দুঃসহ জীবনের পরিধি থেকে দিদিকে সন্তর্পণে পার করে দিয়েছে। পার করেছে অসীম মমতার সঙ্গে। শীর্ষর জন্য সৌম্যই সংসার করল না। বেতের ব্যবসা করে। আজকাল কাঠও ধরেছে। সেই সূত্রে কিছুটা ভ্রমণ ওকে করতেই হয়, নইলে সৌম্য বলতে গেলে শীর্ষর ছায়া। ছায়া যেমন অনেক সময়ে লম্বা বড়মাপের হয়ে পড়ে, শীর্ষর পাশে সৌম্যও তেমনি। সৌম্যর সঙ্গে যার বিয়ে হবার কথা ছিল সেই শ্রীময়ী অসম্ভব ধৈর্যশীল মেয়ে। অনেক, অনেকদিন ওর জন্য অপেক্ষা করেছিল। কিন্তু সৌম্য ও ব্যাপারে নির্বিকার। ওর মধ্যে কোনও ভাবালুতা নেই, বড় বড় কথা নেই, কিচ্ছু না। কিন্তু যে কাজটা করবে বলে মনে করে, তা থেকে কেউ ওকে নড়াতে পারবে না। আজও। কাউকে আঘাত-টাঘাত না দিয়ে এটা যে ও কেমন করে পারে! শ্রীময়ীর সঙ্গে ওর আলাপ স্কুলের বয়স থেকে। অথচ শীর্ষর জন্য অমন মেয়েটাকে অনায়াসে চলে যেতে দিল। খুব সম্ভব ব্রততীকেও যেমন বুঝিয়েছিল, শ্রীময়ীকেও তেমনি বুঝিয়েছে। বিয়ে করাটা শ্রীর একান্ত দরকার, এবং ওর নিজের না করাটা! ব্রততী বোঝাবার চেষ্টা করেছিল—শ্রী তো খুব ভালো মেয়ে সোম, ওকি শীর্ষকে দেখবে না?’ সৌম্য বলেছিল—শ্ৰী খুব ভালো মেয়ে দিদি, আমিও খুব ভালো ছেলে। কিন্তু স্বার্থপরতা যদি একবার এসে ভর করে শীর্ষর কি হবে?’ ব্রততী বলেছিল—‘তোদের কারুর পক্ষেই স্বার্থপরতা সম্ভব বলে আমি মনে করি না।’ সৌম্য তখন আস্তে আস্তে বলেছিল—‘দিদি, তোর কি মনে নেই, শীর্ষ কি রকম ফুল ব্লাডেড ইয়ংম্যান ছিল!’ শীর্ষ অনাগ্রহী চোখে তাকিয়ে থাকে, কিছু বলে না। বলে না—‘ছোড়দা, তুই আমার জন্যে কেন…।’

     

     

    আসল কথাটা বললে সেটা মোটেই সত্যি হত না। ন্যাকামি হত। একজন যদি কীটদষ্ট হয়ে অসম্ভব কষ্টে বাঁচে, তাহলে তার প্রিয়জনরা আর সবাই স্বাভাবিকভাবে, সুন্দরভাবে জীবনযাপন করবে, যেন কিছুই হয়নি, কোথাও অসমতল কিছু নেই—সেটাই অস্বাভাবিক, সেটাই মিথ্যে। সৌম্য আর শীর্ষর মধ্যে কোনও ভাবালুতা নেই, ন্যাকামি নেই। মিথ্যেও নেই। তাই শীর্ষ বলে না—‘ছোড়দা, তুই তোর নিজের মতো করে বাঁচ।’ ভাবাবেগে আমরা এরকম কথা প্রায়ই বলে থাকি, যদিও আসলে বলতে চাই না। অন্যরকম একটা দায়িত্ববোধ, খুব সূক্ষ্ম বিবেকের কীটদংশন কি সৌম্যর ভেতরেও চিরকাল কাজ করে যাবে না? জীবন দর্শনের ব্যাপারে শীর্ষ যে একদা ভীষণভাবে ছোড়দার ওপর নির্ভরশীল ছিল! তাই ওরা দুজন এক, একা।

    একভাবে দেখতে গেলে ব্রততী, অরণ্যও একা। তিনজন হতে পারল না বলে। অরণ্য কিছু বলে না। ওর ভেতরে একটা মেনে নেওয়ার ব্যাপার আছে। ব্রততী যখন ডাক্তার-টাক্তার দেখানোর হাঙ্গামায় রাজি হল না, তখন সে কিছুই বলেনি। সহকর্মীদের পরামর্শেই খুব আলতোভাবে কথাটা তোলা। ব্রততী আমল না দিতে দ্বিতীয়বার আর বলেনি। নিজেকে দেখিয়ে নিয়ে চুপ করে থেকেছে। ব্রততী-অরণ্য দুজন ঠিকই। আবার দুজনে মিলেও সব সময়ে একজন হতে পারে না। কোথাও কোথাও একা। একেবারে একা। সেই একাকিত্ব বিদ্ধ করবার চেষ্টা নেই অরণ্যর। সেটা উদ্যমের অভাবের জন্য না। সৌম্য-শীৰ্ষর মতো নিভাঁজ বোঝাপড়া না থাকলেও ওদের মধ্যেও একটা নিরুক্ত বোঝাবুঝি আছে। ব্রততী একা হয়ে গেলে, কারণটা অনুমান করতে পারলেও অরণ্য আস্তে আস্তে গভীর ভাবে হারিয়ে যায়। ইচ্ছে করেই। একাকিত্বটা ব্রততীর ভীষণ প্রয়োজন বুঝে সেটাকে যেন সম্ভব করে দিতেই।

     

     

    আড্ডাটা সত্যিকার জমেছিল আসলে কাল। রবিবার ছুটি বলেই শনিবার রাত্তিরের আড্ডা সবচেয়ে রমণীয়। ওরা শুক্রবার থেকে রয়েছে অথচ চারজনে মিলে একসঙ্গে খেতে বসা পর্যন্ত হয়নি কদিন। শনিবার রাতে প্রথম হল। অরণ্য বলছিল—‘তোমার হাত আজ খুব খুলেছে মনে হচ্ছে!’ কদিন আগেই, ওদের আসার ঠিকঠাক হতে ব্রততী বলেছিল—‘তোমার কোনও অসুবিধে হবে না তো?’

    —‘অসুবিধে কিসের?’

    —‘অন্য কিছু না। শীর্ষর জন্য কোনও জবাবদিহি… কারো ব্যঙ্গ… এটা তো ফ্যাক্‌টরি-কলোনিই… আমি এখানকার ব্যাপার-স্যাপার জানি বলেই বলছি।’

    —‘দ্যাখো ব্রততী, এদেশে কিম্বা সারা পৃথিবীতে কত প্রতিবন্ধী আছে তার স্ট্যাটিসটিক্‌স্ জানো? কাজেই তার ‘কি কেন কবে কোথায়’ নিয়ে মাথা ঘামাবে কে? কার অত সময়?’

    —‘তোমাদের মিল কলোনিতে সময় আছে গো। অনেকের।’

     

     

    —‘এসব ব্যাপারে বেশি টাচি হয়ো না ব্রততী, দ্যাট্‌স্‌ অল।’

    খুব জমেছিল কাল। যারা সবসময়ে একমত তাদের মধ্যেও আড্ডা জমে, কিন্তু একটু-আধটু রকমফের হলে জমে আরও। অরণ্য খুব ধীর, শান্ত ব্যক্তিত্বের মানুষ। তলিয়ে বোঝবার আগে কখনও কিছু সিদ্ধান্ত নেবার পাত্র নয়। চওড়া কাঁধ, হাত-পাও কর্মী-মানুষের কিন্তু চোখের দৃষ্টি দেখলে বোঝা যায় গভীরতা মাপতে কিছু সময় প্রয়োজন। সৌম্যও একটা ধীরতা আয়ত্ত করেছে আজকাল। কিন্তু সেটা চেষ্টাকৃত। খুব ঠুনকো। শীর্ষ এখনও ছেলেমানুষ, খুব মেজাজি। ওর মেজাজের ঋতুবদল খুব দ্রুত হয়। মস্ত এক মুখ ধোঁয়া ছেড়ে বলছিল—‘নাইটমেয়ার্স অফ এমিনেন্ট পার্সন্‌স্‌’ পড়েছেন অরণ্যদা? পড়লে বুঝতে পারতেন সাহিত্যিক হিসেবেও মানে ফিকশন মেকার হিসেবেও রাসেল কি অসাধারণ ছিলেন!’

    অরণ্য বলছিল—‘দ্যাখো শীর্ষ, রাসেলের গ্রেটনেস কেউ অস্বীকার করছে না। কিন্তু সাহিত্যের ব্যাপারে শ এর সঙ্গে তুলনা চলে না।’

     

     

    —‘এই দেখুন, আপনি রাসেলের কি পড়েছেন? ‘এবি সি অফ রিলেটিভিটি’ আর ‘কংকোয়েস্ট অফ হ্যাপিনেস’ এই তো? অ্যাভারেজ পাঠক তাই পড়ে। আর শ-এর?’

    —উঃ অনেক। স-বই বোধহয়। কি অসাধারণ মণীষা! লেখার ধার কি! আমাদের সময় তখন কলকাতার আঁতেল সার্কলে এলিয়ট খুব চলছে আর বোদলেয়র। কিন্তু পজিটিভ কিছু দিতে না পারলে… আর রাসেলের ওই বারবার বিয়ে করাটা যাই বলো…’

    উচ্চৈস্বরে হেসে উঠেছিল শীর্ষ এবং সৌম্যও।

    ব্রততী ফোড়ন কেটেছিল—‘যতই হাসো, তোমাদের এই গ্রেটমেনরা সব অটোমেশন। হৃদয়হীন, যান্ত্রিক…’

    —‘যান্ত্রিক? তাই-ই বোধহয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে অ্যান্টি-ওয়ার মুভমেন্ট করলেন। সমস্ত জগৎ যখন কমিউনিজম আর বোলশেভিকদের বিরুদ্ধে তখন রাশিয়া ঘুরে এলেন।’

     

     

    —‘এদের কি বলে জানিস? ঘর-জ্বালানে পর-ভোলানে।’—ব্রততী নির্লজ্জভাবে মেয়েলি মন্তব্য করল।

    অম্বুরি তামাকের ধোঁয়ার মতো ঘুরপাক খেতে খেতে ওদের আড্ডা শেষ হয়েছিল সৌম্যর মন্তব্যে—‘তোমাদের গান্ধী মহারাজ অরণ্যদা দারুণ মজাদার লোক কিন্তু। মিডিইভ্যাল সেন্ট আর মর্ডান ম্যানের জগাখিচুড়ি। দুঃখের বিষয় যেখানে মর্ডান ম্যানের ভূমিকায় নামা উচিত ছিল সেখানে সাধুগিরি করে গেলেন। আর যেখানে সাধুসন্ত হয়ে চুপচাপ থাকা উচিত ছিল সেখানে গোলমেলে পলিটিক্‌সের একেবারে মাঝমধ্যিখানে নাকটি গলালেন’ বলতে বলতে সৌম্য মাথা অবধি মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়েছিল। অর্থাৎ এ বিষয়ে ও আর কিছু শুনতেও চায় না, বলতেও চায় না। অরণ্য তা সত্ত্বেও বলেছিল—‘সেই জন্যেই কি সারা পৃথিবীতে আজ ভদ্রলোককে নিয়ে এতো হইচই?’

    চাদরের তলা থেকে সৌম্যর ঠাট্টা — সে তো অ্যাটেনবরোর গ্যান্ডি!’ ঘড়িতে ঢং করে বেজেছিল বারোটা। —‘আর রাত করিসনি শীর্ষ, ঘুমিয়ে পড়।’ জড়ানো গলায় শীর্ষর উত্তর—‘আমি তো অনেকক্ষণ আগে থেকেই ঘুমোচ্ছি!’ চারজনের ধুম হাসি। আসলে শীর্ষ রাজনৈতিক আলোচনার বাষ্পের মধ্যেও থাকতে চায় না। ও আজকাল সাহিত্য পড়ে, দর্শন পড়ে, সংস্কৃত শিখছে নাকি টুলো পণ্ডিত মশাই রেখে। অতঃপর ব্রততী-অরণ্যর মস্ত বড় বড় সমাপ্তিসূচক হাই।

     

     

    ব্রততী জিজ্ঞেস করেছিল—‘শীর্ষ তোর আর বালিশ লাগবে? সঙ্কোচ করিসনি। আমার অনেকগুলো কুশন তোলা আছে।’

    —‘থাকলে দে। অ্যাজ মেনি অ্যাজ পসিবল।’

    শুতে শুতে অরণ্য আত্মগত বলছিল—‘আগে ভাবতুম এক্সট্রিমিজ্‌ম্‌টা বয়সের ধর্ম। ম্যাচিওরিটি এলে আপনা আপনিই অরুচি এসে যায়। এখন দেখছি ওটা ব্যক্তিগত চরিত্র আর মেজাজের ব্যাপার।’

    ব্রততী হাই চাপা দিতে দিতে বলেছিল—‘রাত্তিরবেলার আড্ডাগুলো তোমরা একটু কম সিরিয়াস বিষয় নিয়ে কোরো।’

    —‘অর্থাৎ হিন্দি- সিনেমা এবং টিভি সিরিয়্যাল?’

    অরণ্য শব্দ করে আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে বলেছিল। দরজা খোলা, সৌম্যও শুনতে পেয়েছে, ও-ও হাসছিল, বলছিল—‘দিদি তোর মাথা গরম হয়ে গিয়ে থাকে একটু জল থাবড়ে শুয়ে পড়।’

     

     

    কোথা থেকে আসছে শব্দটা! লিভিং রুমের পর্দা সরালো ব্রততী। সৌম্য মনে হল জেগে গেছে। শব্দ করে পাশ ফিরল। পাখাটা শনশন করে চলছে। ঝড় বইছে ঘরে। শীর্ষটা ঠাণ্ডায় একেবারে কুকুরকুণ্ডলী হয়ে গেছে। এদিককার ভোরে এতোটা দরকার হয় না। গ্রীষ্মকালেও ভোরে চাদর লাগে এক এক সময়। ব্রততী বন্ধ করে দিল সুইচটা। বলল—‘শব্দটা শুনতে পাচ্ছিস?’

    জড়ানো গলায় উত্তর এলো—‘পাখি-টাখি হবে, বাসা করছে বোধহয়… দিস ইজ দি স্প্রিং টাইম, দিস ইজ দা হ্যাপি রিং টাইম…।

    —সেপ্টেম্বরে স্প্রিং টাইম?

    —‘ওই হলো। ঘুমে সব গুলিয়ে দিচ্ছে রে দিদি। প্লীজ পালা।’

    —‘চোর নয় তো?’

     

     

    —‘চোর হলে আগে ওষুধ-ফষুধ স্প্রে করত। কষ্ট করে জাগাতো না এভাবে। যা এখন… ঘুমোতে দে।…’

    সুরক্ষিত মিল এলাকা হলেও ঘরের মধ্যে ওষুধ স্প্রে করে জানলার গ্রিল উপড়ে চুরি বা ডাকাতির ঘটনা যে এখানে একেবারেই ঘটে না, তা বলা যায় না। গত বছরই সুপারভাইজার মহাপাত্রর বাড়ি হয়েছে। আসলে মিলের পেছনে সোয়া মাইল গেলেই রেলওয়ে সাইডিং। ওই দিক থেকেই আসে এরা। একতলা বলেই বেশি সাবধানতা। ব্রততী একবার চারদিক দেখে এলো। এখন যদি স্বপ্নের সেই মোটা ভদ্রমহিলাকে সামনে পেতো দেখে নিত একবার। স্বপ্নের কথা মনে করে ব্রততীর হাসি পেলো। রান্নাঘরে সিঙ্কের ওপর রাজ্যের এঁটো বাসনকোশন জড় করা রয়েছে। বিশ্রী গুমসোনি গন্ধ বেরোচ্ছে। কোথাও কিছু নেই। কিন্তু শব্দটা একই ছন্দে হয়েই যাচ্ছে। হয়ে যাচ্ছে। খড়খড় খড়খড়। ধুত্তেরি। ক্লান্তিতে শরীর ভেঙে আসছে। আরেকবার বিছানায় ঢুকল ব্রততী। রবিবার। তাড়া নেই। সারা দিন গড়িয়ে গড়িয়ে কাটবে। বারবার চা চাইবে শুধু তিনটে ছেলে। উপছোনো অ্যাসট্রে পরিষ্কার করতে হবে বারবার। আর কোনও হাঙ্গামা নেই।

    সকালে বাগানের দিকের দরজাটা খুলতে গিয়ে ব্যাপারটা বোঝা গেল। দোতলার বারান্দার নল দিয়ে খুব সরু ধারায় জল পড়ে যাচ্ছে। সারারাত জলটা এইভাবে সমানে পড়ে গেছে। মাটির ওপর বিছোনো মোরামে পড়ে শব্দ হয়েছে ছড়ছড় ছড়ছড়। ব্রততী সেটাকে শুনেছে খড়খড় খড়খড়। সারা রাত শব্দটা উড়ো আপদের মতো ঘুমের শান্তি তছনছ করেছে। সৌম্যটাও জেগে গিয়েছিল। ওরও হয়ত। শব্দ-টব্দ হলে ব্রততী একদম ঘুমোতে পারে না। ছেঁড়া ঘুম দুঃস্বপ্নের দাঁড়ি কমা সেমিকোলন সমেত ঘোরাফেরা করেছে মাথায় যেন সাইক্লোনের মেঘ।

     

     

    আসলে রান্নাঘর দুদিক থেকে বন্ধ। বাইরে প্যাসেজ। প্যাসেজ দিয়ে গিয়ে তবে পেছনের বারান্দা। তারও ওদিকে বাগানের মোরামের ওপর দোতলার বারান্দা থেকে জল পড়েছে। এদিক থেকে বোঝার উপায় ছিল না। তাই রাতে দু তিনটে ঘর খুলে তদন্ত করেও উৎসটা আবিষ্কার করা যায়নি।

    দোতলায়, চীফ এঞ্জিনিয়ার সুমন্ত সেনগুপ্তদের বারান্দায় কলওয়ালা পেল্লাই জয়ঢাকের মতো জালা থাকে। হরিদ্বার-টারে যেমন পাওয়া যায়। খুব সম্ভব বিদঘুটে চেহারা আর বোম্বাই সাইজের জন্যই ওটার বাইরের বারান্দায় স্থান হয়েছে। তবে ওতে টিউবওয়েলের পানীয় জলই তোলা থাকে বোধহয়। এই জালাটা থেকেই নিশ্চয় জল পড়ছে। মাঝরাতে কোন সময়ে জল খেয়ে কলটা ভালো করে বন্ধ করতে ভুলে গেছেন সুমন্তবাবু। উনি নাকি আবার ফ্রিজের জল খান না। গলা ব্যথা করে। বলছিল একদিন ওঁর স্ত্রী পারমিতা। সব মানুষেরই কিছু কিছু বাতিক থাকে।

    রান্নাঘরের দরজা দিয়ে বাইরের বাগানের দিকে বেরিয়ে ব্রততী মুখ উঁচু করে দেখবার চেষ্টা করছে তার অনুমান ঠিক কিনা, পেছন থেকে রামের মার সাড়া পেলো।

     

     

    —‘কি দেখতেছ গো বউদিদি?’

    ব্রততী বলল—‘তুমি এসে পড়েছ ভালোই হয়েছে, রামের মা। ওপরের বাবুকে গিয়ে বলো তো বারান্দার নালি দিয়ে জল পড়ে যাচ্ছে, জালার কলটা যেন আগে বন্ধ করেন। দেখো, দেয়ালময় কিরকম কাদার ছিটে উঠেছে!’

    রামের মা ওপর নিচ দুতলাতেই কাজ করে। প্রথমে নিচের কাজ সারে, তারপর ওপরে যায়। ব্রততীর কথায় সে চলে গেল। কিন্তু একটু পরেই ফিরে এলো আবার। —‘ধাক্কা মারতেছি, বেল বাজিয়ে মরতেছি, কেউ খোলেনি কেন গা?’

    ব্রততী বলল—‘ওপরের বউদি তো শনি-রবিবার বাড়ি থাকেন না। তুমি ভুলে গেছো? বাবু একা আছেন তো! হয়ত আজ বেশি ঘুমিয়ে পড়েছেন, তুমি আর একটু ধাক্কা দাও!’

    চায়ের কেটলির শোঁ শোঁ আওয়াজ ছাপিয়ে রামের মার ধাক্কাধাক্কির আওয়াজ বেশ ভালো করেই কানে এলো।

    একবার করে তীব্র নিখাদে বেল বেজে ওঠে। তার জলতরঙ্গ বাজনা শুরু হয়, তারপরেই রামের মার খনখনে গলার আওয়াজ—“ও বাবু, সায়েব, সায়েব গো! দরোজাটা খোলবেনি?’

     

     

    চোখ মুছতে মুছতে অরণ্য উঠে এলো।

    —‘কি ব্যাপার? সাত সকালে রামের মা লাগিয়েছেটা কি? রোববারেও যে একটু আয়েস করে ঘুমোব। তার উপায় নেই। বারোমাস ছত্রিশ দিন…’

    —‘তা তোমাদের সেনগুপ্ত সাহেব যদি কুম্ভকর্ণ হন, রামের মার আর দোষ কি বলো? —ব্রততী চা ছাঁকতে ছাঁকতে বলল —‘তুমি এক কাজ করো তো। আমাদের শোবার ঘরের ওদিকটায় চলে যাও, বাগান দিয়ে, নিচে থেকে একটা হাঁক দাও। ওদিকের জানলা দিয়ে শুনতে পাবে এখন।’

    অরণ্য চটি পায়ে বাগানের দিকে বেরিয়ে গেল।

    ব্রততী রান্নাঘর থেকে দেখল সৌম্য লিভিংরুমের দরজায় দাঁড়িয়ে। দাড়ির মধ্যে আঙুল চালাতে চালাতে বলল— ‘শীর্ষ কাল সারারাত ছটফট করেছে, আজ ভাবছি চলেই যাবো। একটু বেশি করে ব্রেকফাস্ট দিস।’

    ব্রততী স্থম্ভিত হয়ে বলল—‘সে কি রে? চলে যাবি কি? আজকের জন্যেই তো যত আয়োজন। জল্পনা-কল্পনা। ঠিক আছে। তোদের যা ইচ্ছে চিরকালই করে এসেছিস, এখনও কর।’

    ব্রততী তৃতীয় কাপে চা ছাঁকতে লাগল। সৌম্য একটু ইতস্তত করে বলল—‘ব্যাপারটা ঠিক মান অভিমানের পর্যায়ে নেই রে। শীর্ষ একটু বেশিরকম আপসেট হয়ে পড়েছে। বুঝতেই পারছিস। সবকিছু তো আর আগে থেকে হাত গুনে বলা যায় না! ফিজিক্যাল হ্যানডিক্যাপ নিয়ে তবু যা হয় করে চালাচ্ছি, মানসিক বিপর্যয় কিছু ঘটে গেলে কি করব বলতে পারিস?’— শেষের দিকে সৌম্যর গলা নিচু, ভারি হয়ে এলো। অরণ্য ফিরে এসে বলল—‘ষাঁড়ের মতো চেঁচালুম, নাথিং ডুয়িং।’

    রামের মাও ততক্ষণে আবার নিচে নেমে এসেছে।

    —‘বাবুরে যে কালঘুমে ধরেছে গো। অসুকবিসুক নাকি?’

    অরণ্য একটু চিন্তিত হয়ে বলল— ‘তোমার কাছে তো মিসেস সেনগুপ্ত ডুপ্লিকেট চাবিটা রাখে, সেটা দিয়ে খুলে দেখো না হয়। তুমি নিজেই একবার যাও, রামের মার সঙ্গে। অসুখ টসুখ কিছু করল কিনা কে জানে।’

    ব্রততী বলল—‘আমি অতশত পারবো না। তুমি যাও না।’

    অরণ্য বলল—‘এই দ্যাখো। আমি শেভিং ক্রিমটা মেখে ফেলেছি। নইলে যেতুম ঠিক। দুটো টান দিয়েই আমি যাচ্ছি। তুমি প্লীজ একবার দেখো। ওপরতলার প্রতিবেশী খারাপ দেখাবে না হলে।’

    চাবিটা খুঁজে পেতে সামান্য দেরি হল ব্রততীর। একটা হুকে ও নিজের সমস্ত চাবি রাখে। আলাদা একটা হুকে সেনগুপ্তদের ফ্ল্যাটের চাবি। চাবিটা সেখানে ছিল না। ওর বারোয়ারি চাবির হুকেই কখন রেখেছে মনের ভুলে।

    শীর্ষ গুঁড়িসুঁড়ি মেরে অঘোরে ঘুমোচ্ছে। খানছয়েক কুশন ওর বাঁকাচোরা শরীরের চারপাশে। সৌম্যর হাতে চায়ের কাপ এবং কাগজ। গালে সবে সেফটি রেজারের একটা দুটো টান দিয়েছে অরণ্য, এমন সময়ে এলো ব্রততীর চিৎকারটা। একটা লম্বা লং ক্লথের টুকরোকে যেন কেউ চড়চড় করে ছিঁড়ে ফেলল। ব্রততীর তো নয়ই। কোনও মানুষের গলা বলেই মনে হয় না এতো গা ছমছমে আওয়াজ। তোয়ালেটা গায়ে জড়িয়ে বিদ্যুৎগতিতে দৌড়ে গেল অরণ্য। চায়ের কাপটা ঠক করে নামিয়ে পেছন পেছন সৌম্যও। মাঝসিঁড়ি অবধি উঠেছে কি ওঠেনি, দেখল ব্রততী কেমন এলোমোলা পা ফেলে অন্ধের মতো টলতে টলতে নেমে আসছে। মুখটা রক্তহীন। অরণ্যকে দেখে পায়ের কাছে কেমন জড়সড় হয়ে বসে পড়ল। ধরে না ফেললে সিঁড়ি দিয়ে গড়িয়ে পড়ে যেত।

    —‘কি হয়েছে? হয়েছেটা কি তোমার?’

    সৌম্য পেছনে এসে দাঁড়িয়েছিল। ব্রততীকে ভালো করে ধরে বলল—‘রামের মার দিকে দেখো অরণ্যদা।’

    হলঘরটার অপর প্রান্তে দেয়ালজোড়া একটা দেওদারের ফ্যাব্রিক পেন্টিং। সাদার ওপর গাঢ়, কালচে সবুজ। তার তলায় সটান শুয়ে পড়েছে রামের মা। খুব সম্ভব দাঁতে দাঁত লেগে গেছে।

    সমস্ত ব্যাপারটা ঘটতে এবং দেখতে অরণ্যর এক লহমার বেশি সময় লাগল না। ওরা ধরাধরি করে ব্রততীকে ঘরের মেঝেতে বসিয়ে দিল, তারপর শোবার ঘরের দিকে দৌড়ে গেল। হলের অপর প্রান্তে। ডান দিকে শোবার ঘরের দরজা খোলা। দরজাপথে স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে গেল অরণ্য। পুবের জানলা দিয়ে রোদ এসে ঘর ভাসিয়ে দিচ্ছে। সূর্যকে পেছনে নিয়ে বাইরের কমপাউন্ডের রেনট্রিটার ছায়ার ঝিলিমিলি আন্দোলিত হচ্ছে সুমন্ত সেনগুপ্তর বিয়েতে পাওয়া সাদা সানমাইকার খাটের ধবধবে চাদরে। ডানলোপিলোর গদি একেবারে টানটান। খালি পায়ে, খালি গায়ে খাটের মালিক স্বয়ং অনতিদূরে একটা স্টীলের চেয়ারে আসন পিঁড়ি হয়ে ধ্যানস্থ। তাকে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে কালো কালো সরু সরু সাপ।

    প্রথম ধাক্কাটা সামলে অরণ্য আর একটু এগিয়ে গেল। সাপগুলো এসেছে সুইচবোর্ড থেকে। একটা সুইচের ঢাকনা খোলা। সেখান থেকে দুটো তার সোজা সুমন্তর পায়ের আঙুলে এসে পৌঁছেছে। মোক্ষম প্যাঁচ দিয়ে সর্বাঙ্গ জড়িয়ে চলে গেছে গলা অবধি। কাগজের মতো শাদা একটি উপবিষ্ট বুদ্ধমুর্তি। বরাভয় মুদ্রাটি শুধু নেই। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে সৌম্যকে ধাক্কা দিয়ে সভয়ে পিছিয়ে এলো অরণ্য। টেলিফোনটার দিকে ছুটে গেল তারপর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleখনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু
    Next Article ছোটোগল্প – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }