Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অন্যমনস্ক – জুনায়েদ ইভান

    জুনায়েদ ইভান এক পাতা গল্প83 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্ক্রিপ্ট রাইটার : প্রথম পর্ব

    ১

    আশিকের প্রধান সমস্যা, সে সবকিছু ভুলে যায়। কিছুক্ষণ আগের ঘটনা তাকে খুব চিন্তা করে মনে করতে হয়। চিন্তার মাঝখানে কোনো অপ্রত্যাশিত শব্দ কিংবা ঘটনার মুখোমুখি হতে হলে সেই চিন্তা আবার প্রথম থেকে শুরু করতে হয়।

    কোনো একটা জায়গায় খেতে গিয়েছে, কিংবা কোনো কাজে। ফেরার সময় রিকশা করে ফিরে আসে। সে যে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছে, এই ব্যাপারটা তার মনে পড়ে পরদিন। কিংবা কখনো দুদিন পর।

    তারপর মনে করার চেষ্টা, শেষবার কোথায় গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিল। নিউমার্কেট নাকি আসাদ গেট? একটা রিকশা নিয়ে বের হয়ে পড়া। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজে দেখার ফাঁকে ফাঁকে চোখ বন্ধ করে চিন্তা করা, শেষ কোথায় বের হয়েছে গাড়ি নিয়ে?

    আশিক মনে করার চেষ্টা করে কিন্তু কিছুতেই মনে আসছে না। একেক বার চোখে একেকটা ছবি ভেসে আসে। কোনো একটা নির্দিষ্ট ছবিতে স্থির হতে পারছে না।

    বাসা থেকে বের হয়ে একটা রিকশা ভাড়া করে। গাড়ি খোঁজার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, গতকাল যেখানে যেখানে সে গিয়েছে সবগুলো জায়গায় যাওয়া।

    কিন্তু কোথায় কোথায় গিয়েছে সেটা নিয়ে নিজের ভেতরে অল্প একটু বিতর্ক আছে। একবার মনে হচ্ছে অফিস শেষে স্টার কাবাবে যাবার আগে কবিরের চায়ের দোকানে থেমেছিল। আবার মনে হচ্ছে কবিরের চা- দোকানের যে ছবি ভেসে আসছে, সেটা তারও একদিন আগের।

    দুপাশের ড্রেন, ঠেলাগাড়ি, শাকসবজির বাজার অতিক্রম করে রিকশা এগিয়ে চলছে। অফিসের পার্কিং স্পেসে গাড়ির সন্ধান মেলেনি। কবিরের চা দোকানের সামনেও নেই। রিকশা থেকে নেমে কবিরকে জিজ্ঞাসা করে ‘তোমার এখানে গত পরশু এসেছিলাম?’

    ‘জি ভাই। সাথে ম্যাডামও আছিল।’

    ‘আমি কি গাড়ি নিয়ে এসেছিলাম?’

    ‘আবার হারাইছেন?’

    ‘কোথায় রেখেছি মনে করতে পারছি না।‘

    ‘এখান থেকে কোথায় গেছিলেন?’

    ‘স্টার কাবাব।’

    শেষমেশ স্টার কাবাবের গ্রাউন্ড ফ্লোরে গাড়ির সন্ধান মেলে। আশিক উপরে উঠে বসে। ওয়াশরুম থেকে ফিরে এসে দেখে, তার টেবিলে অন্য একজন বসে আছে। লোকটির সারা মুখে বসন্তের দাগ।

    মিনিট দশেক পর হোটেল বয় এক প্লেট চিকেন বিরিয়ানি নিয়ে এলে, আশিক খেতে শুরু করে। সারা দিনের ধকলে বেশ ক্লান্ত। মিলিকে একটা ফোন দিয়ে জানায়, সে আসছে। শহর থেকে দূরে এক বাংলোয়, মিলি অপেক্ষা করছে।

    ঠিক এমন সময় একটি অদ্ভুত ব্যাপার ঘটে। টেবিলের অন্য পাশে বসা লোকটি একটা চামচ দিয়ে তার প্লেট থেকে খাবার খেতে শুরু করে।

    আশিক জিজ্ঞাসা করে, ‘আপনার জন্য এক প্লেট অর্ডার করব?’

    লোকটি না সূচক মাথা নাড়ে।

    ‘আমরা কি পূর্বপরিচিত?’

    ‘জি না।’

    ‘তাহলে?’

    ‘কী?’

    ‘আমাকে জিজ্ঞাসা না করে, আমার খাবার খাচ্ছেন।’

    ‘আপনি কি অসুস্থ?’

    ‘আমি অসুস্থ হব কেন?’

    লোকটির গলার স্বর বেশ কর্কশ। আশিক কথা না বাড়িয়ে খাবার শেষ করে।

    হঠাৎ খেয়াল হয়, সে আসলে লোকটির খাবার খেয়ে ফেলেছে। চিকেন বিরিয়ানির কথা সে ভাবলেও অর্ডার করতে ভুলে গেছে।

    আশিক বেশ বিব্রত বোধ করে। তার এই সমস্যার কথা সে জানে। মস্তিষ্কের যে অংশ শর্ট টার্ম মেমরির তথ্যগুলো একসাথে করে লং টার্ম মেমরিতে পৌঁছে দেয় সেই অংশের প্রবেশমুখে একটা জটলা লেগে আছে। সে বলল, ‘যেখানে জটলা লেগেছে জায়গাটার নাম, হিপোক্যাম্পাস।’

    লোকটি রাগান্বিত চোখে তাকায়। আশিক হতাশ হয়। সে ভেবেছিল লোকটি জিজ্ঞাসা করবে, হিপোক্যাম্পাস কী!

    ২

    অন্ধকার রাস্তা। হিম শীতল বাতাস। রাস্তার এক ধারে গাড়ি থামিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এর ভেতরে বৃষ্টি, ঝির ঝির

    ‘এদিক দিয়ে যাবার সময় একটা কুকুর অ্যাকসিডেন্ট হয়। তাকে খুঁজে পাবার কোনো উপায় আছে?’

    যাকে প্রশ্ন করা হয়েছে তাকে দেখে মনে হয়েছে স্থানীয় কেউ হবেন। লোকটি কথার জবাব না দিয়ে ভ্যানগাড়ির উপর বসে সিগারেট টানছেন।

    ‘গত এক সপ্তাহে বেশ কয়েকবার এসেছি, কিন্তু তাকে খুঁজে পাচ্ছি না।’

    ‘খুঁজে পেলে কী করবেন?

    ‘চিকিৎসা করাব।’

    ‘যখন অ্যাকসিডেন্ট করেছেন তখন এলেই হতো।’

    ‘ভয় পেয়েছিলাম।’

    লোকটি শব্দ করে হাসে।

    সুনসান নীরব ভুতুড়ে রাস্তা। গাড়ির মাইলেজ ছিল আশি। এমন সময় একটা কুকুর সামনে এসে ধাক্কা খায়। বন্ধ জানালায় ভেতর থেকে শব্দ আসছিল, বাঁচার আকুতি কিংবা ব্যথার যন্ত্রণায় সেই শব্দ কান থেকে সরে যায় মাত্র

    কয়েক সেকেন্ডে।

    স্থানীয় লোকটি তাকে একটি ডাস্টবিনের কাছে নিয়ে যায়। বলল, ‘কয়েকদিন ধরে এখানে একটা কুকুরের লাশ পড়ে ছিল।’

    আশিক উৎকণ্ঠা নিয়ে জিজ্ঞাসা করে, ‘গায়ের রং কী ছিল।’

    লোকটি জবাব দেয়, ‘কালো।’

    সারা শরীরে হিম বাতাস বয়ে গেল।

    ‘কুকুরটি কোথায়?’

    ‘কে জানে? হয়তো সিটি করপোরেশনের লোকজন নিয়ে গেছে।’

    শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল?’

    ‘এত কিছু খেয়াল করিনি।’

    ‘সিটি করপোরেশন সব ময়লা কোথায় গিয়ে ফেলে, আপনি জানেন?’

    লোকটি চলে যেতে উদ্যত হলেন। ঠিক এমন সময় মিলি ফোন করে।

    ‘কোথায়?’

    ‘এই তো আসছি।’

    ‘এখানে অনেক মশা। আসার সময় কয়েল নিয়ে আসবে।

    ‘আচ্ছা।’

    ‘তোমাকে এ রকম অন্যমনস্ক লাগছে কেন?’

    ‘আমি একটা খুন করেছি।’

    ‘কী আবোলতাবোল বলছ?’

    ‘সত্যি বলছি।’

    ‘আচ্ছা শোন, এ রকম হেঁয়ালি করবে না। তাড়াতাড়ি এসো।’

    গাড়ি ছুটে চলেছে বড় রাস্তা ধরে। শহর থেকে বের হতেই এক টুকরো পাহাড়। পাহাড়ের ওপর নির্জন এক বাংলো। রাস্তার ধারে ভেজা গাছ, ঘরে ফেরা মানুষ আর বন্ধ দোকানপাট।

    মিলির সাথে দেখা হবার আগে, বেশ কয়েকবার রাস্তা ভুলে গিয়ে আবার ফিরে আসা একই স্থানে। একই মানুষকে বারবার জিজ্ঞাসা করা, বাংলো কোনদিকে; শেষবার ফিরে এসে সেই স্থানে মানুষটিকে না দেখে নানান চিন্তায় সময় ক্ষেপণ করা।

    মিলি দাঁড়িয়েছিল উঠানে, গায়ে শীতের হুডি। আশিককে দেখে বলল, ‘এত দেরি কেন?’

    ‘অনেক কিছু ঘটে গেছে।’

    ‘কী?’

    ‘আমি একটা খুন করেছি।’

    ‘মানে?’

    ‘অ্যাকসিডেন্ট। আমার গাড়ির সামনে ধাক্কা খায়।’

    ‘মারা গেছে তুমি নিশ্চিত?’

    ‘প্ৰায়।’

    ‘আমি তোমার কথা বুঝতে পারছি না।’

    ‘আমি তাকে দেখিনি। তবে অনুমান করতে পারছি।’

    অন্ধকার জঙ্গলে ক্যাম্পফায়ার। আকাশ পরিষ্কার হতে শুরু করে। চারপাশের সবকিছু এবস্ট্রাক্ট ছবির মতো,অর্ধেক বস্তু অর্ধেক কল্পনা। আরও কিছু সময় ক্ষেপণ, উৎকণ্ঠা আর নীরবতা শেষে, আশিক বলল ‘চলো আমরা একটা খেলা খেলি।’

    ‘কী?’

    ‘আমরা নিজেদের যা বলতে পারি না, পাহাড়কে বলে দিই।’

    ‘পাহাড়ের সাথে কথা বলা যায়?’

    ‘কেন যাবে না? গাছের ইন্দ্রিয় আছে। কেউ কেউ দাবি করে, দৃষ্টিশক্তিও আছে।’

    ‘কে দাবি করে?’

    চার্লস ডারউইনের ছেলে ফ্রান্সিস ডারউইন।’ খানিকটা বিরতি নিয়ে বলল, ‘দৃষ্টিশক্তি না থাকলেও সমস্যা নেই।’

    মিলি তাকিয়ে থাকে অপলক।

    ‘তুমি কি সেই অন্ধ জ্যোতিষীর গল্প শুনেছ?’

    ‘কোন গল্প?’

    ‘যে তার বুকের ভেতরে দেখতে পেত, পুঞ্জীভূত গ্রহ নক্ষত্র।’

    ৩

    রাত তিনটায় বাংলোয় প্রবেশ করে একটি পুলিশের গাড়ি। তারা আশিককে গ্রেফতার করতে চায়। আশিক জানতে চায় ‘কেন?’

    ‘আপনি একটা খুনের সাথে সম্পৃক্ত।’

    ‘আপনারা জানলেন কী করে?’ আশিক ভেবে পায় না।

    ভয়ে কাঁপছে মিলি। নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতে গিয়েও কেমন করে যেন ধরে রাখছে নিজেকে। বলল, ‘কী হচ্ছে এসব?’

    আশিক আমতা গলায় বলল, ‘তোমাকে বলেছিলাম, অ্যাকসিডেন্ট। আমার গাড়ির সামনে ধাক্কা খায়।’

    পুলিশের এক কর্মকর্তা আশিকের কাছ থেকে গাড়ির চাবি নিল। বেকডালা খুলে বলল, ‘পাওয়া গেছে।

    ‘কী পাওয়া গেছে?’ জানতে চায় আশিক।

    সঙ্গে সঙ্গে দুপাশ থেকে দুজন পুলিশ তাকে শক্ত করে ধরে, এক প্রকার বেঁধে ফেলল। মিলি চিৎকার করছে। গাড়ির বেকডালায় একটি ডেডবডি। কোনো একটি মেয়ে। একুশ-বাইশ বয়সের হবে।

    পুলিশ অফিসার বললেন, ‘কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?’

    আশিক বলল, ‘আমি কোথাও যাচ্ছি না। আগামী দুদিন এখানেই থাকার প্ল্যান।’

    ‘খুন করেছেন কোথায়?

    মিলির কান্না পায়। সে আশিককে বলল, ‘তুমি তখন সত্য বলেছিলে?’

    সবকিছু এত দ্রুত ঘটতে শুরু করে, আশিক নিজেকে স্থির রাখতে পারছে না। মনে হচ্ছে সময়ের চেয়ে সে অনেক বেশি ধীর হয়ে গেছে। তার সামনে একটি কাগজ ঘুরছে। এত দ্রুত ঘুরছে যে কাগজে কী লেখা সে পড়তে পারছে না।

    ‘তুমি লাশটা বেগডালায় করে নিয়ে এসেছ?’ জিজ্ঞাসা করে মিলি।

    পুলিশ অফিসার সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকায় মিলির দিকে। তাকে আলাদা একটা জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।

    ‘আপনি জানতেন সবকিছু?’

    ‘কী সব বলছিল, ভাবছিলাম রসিকতা করছে।’

    ‘কী বলেছিল?’

    ‘একটা অ্যাকসিডেন্ট, আর কী যেন।’

    ‘সে লাশ নিয়ে আপনার কাছে এসেছে কেন?’

    ‘আমি জানি না।’

    ঝির ঝির বৃষ্টি নামে। প্রচণ্ড ভয়ে মিলি এতটুকু হয়ে দাঁড়িয়ে। তার ইচ্ছে করছে মেয়েটার কাছে যেতে। আশিক কেন তাকে হসপিটালে কিংবা থানায় না নিয়ে এখানে নিয়ে এসেছে? মেয়েটা কে ছিল?

    গাড়ির কাগজপত্র চেক করতে গিয়ে সবার চোখ কপালে। পুলিশের এক কর্মকর্তা পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনার নাম?’

    ‘আশিক।’

    ‘পুরো নাম বলেন।’

    ‘আশিকুর রহমান।’

    ‘এখানে লেখা আছে, ফজলে করিম। ‘

    ‘এমন হবার কথা না।’

    ‘গাড়িটা কার?’

    আশিক ভীত গলায় বলল ‘আমার।’ বলেই সে মিলির দিকে তাকায়। নেতিবাচক চিন্তা তাকে কুরে কুরে খাচ্ছে।

    ‘এই গাড়ি ফজলে করিমের নামে। আপনি তাকে চেনেন?’

    ‘জি না।’

    আশিকের মাথা কাজ করছে না। সে প্রাণপণ চেষ্টা করছে মাথা ঠিক রাখতে। মস্তিষ্ক সচল রাখার জন্য সে বড় করে শ্বাস ফেলছে।

    পুলিশ কর্মকর্তা ড্রাইভিং লাইসেন্স বের করে বলল, ‘আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স কোথায়?’

    ‘বুঝতে পারছি না।’

    ‘ফজলে করিম আপনার কে হয়?’

    ‘কেউ না।’

    তারপর একসময় ফজলে করিমের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে আশিক বলল, ‘আজ সন্ধায় তার সাথে দেখা হয়েছিল।’

    ‘সে এখন কোথায়?’

    ‘জানি না।’

    ‘তার সাথে পরিচয় কবে থেকে?

    ‘আজ সন্ধ্যায়।’

    ‘আজ সন্ধ্যায় পরিচয় আর তার গাড়ি নিয়ে এখানে চলে এসেছেন?’ আশিক বাকরুদ্ধ।

    সবকিছু এত দ্রুত ঘটে গেছে, মনে হচ্ছে সময় চলছে আর সে থেমে আছে। ক্যাম্পফায়ারের আগুন নিভে গেছে কখন? খেয়াল হয়নি কারো। ঘটনার আকস্মিকতায় ভুলে গেছে তারা, একটা খেলায় মেতে ছিল, পাহাড়ের

    সঙ্গে কথা বলার।

    পুলিশ কর্মকর্তা ওয়াকিটকিতে কথা বলছেন। আসামির সহযোগীকে পাওয়া গেছে। গাড়ি উদ্ধার। লাশ উদ্ধার। সাথে একটি মেয়েও জড়িত। সে আগে থেকে জানত।

    ৪

    ফজলে করিমের গাড়ি চলে গেছে পুলিশের তত্ত্বাবধানে। আলো ফুটলে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় স্টার কাবাবের পার্কিং গ্রাউন্ডে। সেখানে গিয়ে আশিকের গাড়ি পাওয়া গেছে। কিন্তু আশিক মনে করতে পারছে না, তার গাড়ির চাবি কোথায়।

    পুলিশের লোক রাগান্বিত গলায় বললেন, ‘আমাদের বিভ্রান্ত করবেন না। দয়া করে চাবি দিন।

    আশিক অসহায় দৃষ্টি নিয়ে মিলির দিকে তাকায়। সে কাউকে বিভ্রান্ত করছে না। সবাই তাকে বিভ্রান্ত করছে।

    হোটেল কর্তৃপক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ নেয়া হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে আশিকের গাড়ি তাদের পার্কিং স্পেসে প্রবেশ করে ঘটনার চব্বিশ ঘণ্টা আগে। অর্থাৎ তাদের দুজনের দেখা হবার আগেই, পূর্ব কোনো পরিকল্পনা ছিল।

    পুলিশ কর্মকর্তা বললেন, ‘সর্বনিম্ন শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।’

    আশিক বলল, ‘আমার একজন ভালো লইয়ার দরকার।’

    ‘আপনি চব্বিশ ঘণ্টা আগে গাড়ি রেখে চলে গেলেন। পরদিন একটা রিকশায় করে এলেন। যাবার সময় অন্য আরেকটি গাড়ি নিয়ে চলে গেছেন। যেখানে একটা ডেডবডি পাওয়া গেছে। আপনার প্রেমিকা সব আগে থেকে জানত। অর্থাৎ এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।’

    ‘মিলি আমার প্রেমিকা না।’

    ‘বাংলোয় গিয়ে ফষ্টিনষ্টি? আরও একটি মামলা হবে।’

    ‘আপনারা এত কিছু জানেন, এটা জানেন না, সে আমার স্ত্রী।‘

    ঘণ্টাখানেক পর সিসি ক্যামেরার ফুটেজে আরও দেখা গেল, আশিক এবং ফজলে করিম দুজন একই টেবিলে খেতে বসেন। দুজন একই খাবার অর্ডার করে একসাথে খেলেন। এ থেকে বোঝা যায়, তারা পূর্বপরিচিত। তাছাড়া ভিডিওতে তাদের একে অন্যের সাথে কথা বলতে দেখা গেছে।

    আশিক বুঝতে পারে সবকিছু তার বিপক্ষে চলে গেছে। কাউকে তার কথা বোঝাতে হলে তার মূল সমস্যার কথা বলতে হবে।

    আশিক বলল, ‘আমি প্রায় সময় সবকিছু ভুলে যাই। এই নিয়ে ডাক্তারের সাথে বহুবার কলসাল্ট করেছি। আপনারা চাইলে কথা বলতে পারেন।’

    ‘এসব কথা কোর্টে গিয়ে বলবেন।’

    ‘ঘটনার দিন সকালে, আমি আমার গাড়ি খুঁজে পাচ্ছিলাম না।’

    পুলিশ কর্মকর্তা ভ্রু কুঁচকে বললেন, ‘গাড়ি নাকি গাড়ির চাবি?’

    আশিক নির্বিকার গলায় বলল, ‘গাড়ি। এই ঘটনা আমার সাথে প্রায় সময় হয়। কোনো একটা জায়গায় গিয়েছি, ফেরার সময় গাড়ি রেখে চলে আসি।’

    ‘আপনি কি আমার সাথে ইয়ার্কি করছেন?

    ‘ইয়ার্কি কেন করব? আমার কাছে প্রমাণ আছে।’

    ‘কী প্রমাণ?’

    ‘ঘটনার দিন বিকেলে আমি কবিরের চায়ের দোকানে গিয়েছিলাম গাড়ি খুঁজতে।’

    ‘কবিরের চায়ের দোকানে কেন?’

    আগের দিন যেসব জায়গায় গিয়েছি, সেই লিস্টে কবিরের চায়ের দোকানও ছিল।’

    জেরা পর্বের এক পর্যায় পুলিশের গাড়ি কবিরের চা দোকানের সামনে এসে থামে।

    কবিরকে জিজ্ঞাসা করে, ‘গতকাল এই ছেলেটি আপনার দোকানে এসেছিল?’

    কবির আশিকের দিকে তাকায়। ‘জি. আসছিল।’

    ‘কেন এসেছিল? চা খেতে? নাকি অন্য কোনো কারণে?’

    ‘আসছিল গাড়ি খুঁজতে। পায় নাই এখনো?

    আশিক দীর্ঘ দম ফেলে। একটু একটু করে জট খুলতে শুরু করে। যেখানে জটলা লেগেছে জায়গাটার নাম, হিপোক্যাম্পাস।

    ‘সেখানে গাড়ি না পেয়ে গেলাম স্টার কাবাবের গ্রাউন্ড ফ্লোরে। কারণ পরশুদিন সেখানে ডিনার করেছিলাম।’ বলল আশিক।

    ‘তারপর ফজলে করিমের সাথে আলাপ করছিলেন, কীভাবে ডেডবডি সরানো যায়?’

    ‘কিসের ডেডবডি? লোকটির নাম আমি জেনেছি আপনাদের কাছ থেকে।’

    পুলিশ কর্মকর্তা বিদ্রূপের সহিত বললেন ‘দুজন এক প্লেটে বিরিয়ানি খেলেন। তার গাড়ি নিয়ে বাংলোয় এলেন, তাকে চিনেন না?’

    ‘আমি তো বলেছি, আমার একটা সমস্যা আছে। অনেক সময় শর্ট টার্ম মেমোরিও মনে রাখতে পারি না। ওয়াশরুম থেকে ফিরে আসার মিনিট দশেক পর টেবিলে এক প্লেট চিকেন বিরিয়ানি দেখি। কিন্তু আমি অর্ডার করার কথা চিন্তা করেছিলাম, অর্ডার করিনি, এটা ভুলে গেছি।’

    পুলিশ কর্মকর্তা সিগারেট জ্বালিয়ে চিন্তিত মুখে পায়চারি করলেন। আশিকের কথা তার কাছে বিশ্বাসযোগ্য না। তবুও নাড়াচাড়া করে দেখা।

    বললেন, ‘আপনারা দুজন কী কথা বলছিলেন?’

    ‘আমাকে না জিজ্ঞাসা করে আমার খাবার খাচ্ছে কেন, সেটাই জানতে চাইলাম।’

    ‘তিনি কী বললেন?’

    ‘তিনি বলেছিলেন, আমি অসুস্থ।’

    ‘অসুস্থ বলার পর আপনাকে তার গাড়ির চাবি দিয়ে দিল?’

    ‘তিনি আমাকে চাবি দেননি।’

    ‘যথেষ্ট হয়েছে আপনার ফাজলামো।’

    আশিক শান্ত গলায় বলল, ‘সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ভালো করে দেখুন। দুটা গাড়ির চাবি দেখতে একই। টেবিলের ওপর রাখা। যাবার সময় আমার চাবি মনে করে তার চাবি নিয়ে গেছি।’

    ‘গাড়ির সামনে গিয়েও টের পাননি?’

    ‘দুটা গাড়ির মডেলও একই। চাবির রিমোটে…‘

    ‘নিজের মতো করে গল্প বানালে হবে?’ খানিকটা বিরতি নিয়ে বললেন তাছাড়া আপনার খুনের কথা আপনার স্ত্রী আগে থেকে জানতেন।’

    ‘সেটা একটা কুকুর ছিল। রাস্তায় অ্যাকসিডেন্ট করেছিলাম গত সপ্তাহে।’

    ‘কী সব ফালতু কথা বলছেন।’

    ‘আমার কাছে প্রমাণ আছে।’

    ‘কী প্রমাণ?’

    ‘কুকুরটা যেখানে অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে, গতকাল রাতে খুঁজতে গিয়েছিলাম। স্থানীয় একজন লোকের সাথে এই নিয়ে আলাপ হয়েছে। আপনারা তার সাথে কথা বলতে পারেন।’

    ‘লোকটির বাসা কোথায় জানেন?’

    ‘সেটা জানি না। তবে খুঁজে বের করতে পারব।’

    ৫

    রনক হাসান শান্ত গলায় বললেন, ‘আমার কাছে আরও একটা স্ক্রিপ্ট আছে।’

    ডিরেক্টর বললেন, ‘কী রকম?’

    ‘আমরা দেখাতে পারি, সেদিন বাংলোয় কোনো পুলিশ আসেনি। অন্ধকার ক্যাম্পফায়ারে তারা দুজন কথা বলছে, পাহাড়ের সঙ্গে।’

    ‘কী কথা?’

    ‘সেটা নিয়ে চিন্তা করা হয়নি। তবে এমন কিছু কথা থাকবে যা শোনার পর দর্শকের হৃদয় নিংড়ে যাবে।’

    ‘তারপর?’

    ‘গাড়ির ভেতর থেকে শব্দ আসতে শুরু করে। আশিক আর মিলি দুজন উঠে গিয়ে গাড়ির কাছে যায়। শব্দ আসছে বেগডালার ভেতর থেকে।’

    ‘বেগডালার ভেতর থেকে শব্দ আসবে কী করে?’

    শব্দটা এমন যে ভেতর থেকে নাড়াচাড়া হচ্ছে। যেন একসাথে অনেকগুলো বিড়াল বের হবার চেষ্টা করছে।’

    ডিরেক্টর চিন্তিত হয়ে রনকের কথা শুনছে।

    ‘আশিক অস্থির চিত্তে গাড়ির বেগডালা খোলে। বেগডালায় একটি মেয়ে। হাত-পা বাঁধা। মুখে টেপ মোড়ানো। তারা একে অন্যের দিকে তাকিয়ে আছে। মিলি জিজ্ঞাসা করে, ‘মেয়েটি কে?’

    ‘মেয়েটি হঠাৎ করে কেন শব্দ করার চেষ্টা করে? ডিরেক্টর জানতে চায়।’

    ‘কারণ তাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল।’

    ‘কিন্তু এই মেয়েটি আসলে কে?’

    ‘সেটা আশিকের জানার কথা না। সে ভুল করে ফজলে করিমের গাড়ি নিয়ে চলে এসেছে।’

    ‘তারপর?’

    ‘আগের স্ক্রিপ্টে যে রহস্যের জাল খুলে দিয়েছে পুলিশ, এই স্ক্রিপ্টে জাল খুলতে শুরু করবে মেয়েটি।’

    ‘কীভাবে?’

    ‘মিলি সন্দেহ করে। এই মেয়ে এখানে কেন? আশিক অন্য আরেকটি সেম মডেলের গাড়ি নিয়ে বাংলোয় এসেছে, এই ব্যাপারটা ততক্ষণে আবিষ্কার করে মিলি। তারপর সব আগের মতো। গাড়ির কাগজপত্র, লাইসেন্সের ছবি… আশিকের চিৎকার করে বলা, এই লোকটিকে আমি চিনি। আজ সন্ধ্যায় তার সাথে বিরিয়ানি খেয়েছিলাম।’

    ডিরেক্টরের মাথা কাজ করছে না। বেশ কিছু সময় চিন্তা করার জন্য নিলেন। তারপর মাথা দুলিয়ে বললেন ‘কিন্তু আমার কাছে আগের স্ক্রিপটাই ভালো লেগেছে। পুলিশ এসে দেখবে, গাড়িতে লাশ পাওয়া গেছে।’

    রনক মাথা নাড়ে, ‘আচ্ছা।’

    ‘কিন্তু আগের স্ক্রিপ্টে একটা জায়গায় সংশোধনের দরকার আছে।‘

    রনক ভ্রু কুঁচকে তাকায়।

    ‘আশিক আর মিলি এরা দুজন স্বামী-স্ত্রী। এই ব্যাপারটা পুলিশ জানতে পারে সকালে একটা কথা চালাচালির সময়।’

    ‘জি।’

    ‘কিন্তু এই তথ্য জানতে তারা এত সময় নেবে কেন? রাতে যখন গাড়িতে লাশ পাওয়া যায়, তখনই জিজ্ঞাসা করার কথা।’

    ‘এটা কারেকশন করে নেব।’ রনক সম্মতি দেয়।

    ডিরেক্টর বেশ কিছু সময় চিন্তা করার জন্য নিলেন। তারপর বললেন, ‘কিন্তু এই গল্পে মিলির চরিত্র খুব বেশি সাদামাটা হয়ে গেছে।’

    ‘এতে সমস্যা কোথায়?’

    ‘সিনিয়র নায়িকারা থাকতে চায় না।’

    ৫

    সপ্তাহ খানেক পর রনক ডিরেক্টরের কাছে যায়।

    নানান কথাবার্তার এক পর্যায়ে বলল, ‘এই গল্পের দ্বিতীয় একটা পর্ব

    নিয়ে ভাবছি।’

    ‘কী রকম?’

    ‘দ্বিতীয় পর্বে মূল চরিত্র থাকবে ফজলে করিম।’

    ‘ফজলে করিম?’

    ‘এখানে আমরা ফজলে করিমের পয়েন্ট অব ভিউ থেকে গল্প বলার চেষ্টা করব। কেন তিনি খুন করেছেন, এই অংশ পরে বলা হবে। শুরু করব এভাবে, কেন তিনি একটি ডেডবডি গাড়িতে রেখে এরকম শান্তভাবে বিরিয়ানি অর্ডার করলেন?

    তার বিরিয়ানি অন্য একজন খেতে শুরু করলেও তাকে কিছু জিজ্ঞাসা না করে এ রকম নির্লিপ্ত থাকার কারণ কী! এটুকুই শেষ না, যাবার সময় তার গাড়ির চাবি নিয়ে চলে গেল। যেখানে সযত্নে রাখা ডেডবডি।

    রেস্তোরাঁ থেকে নামার পর ভাবছেন, কোথায় খুঁজবেন আশিককে? তিনি নিজেই তো পলাতক!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশেষ – জুনায়েদ ইভান
    Next Article শব্দযাত্রা লেখক সংঘ – জুবায়ের আলম

    Related Articles

    জুনায়েদ ইভান

    শেষ – জুনায়েদ ইভান

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }