Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপারেশন তেলআবিব-২ – সাইমুম সিরিজ #২

    লেখক এক পাতা গল্প211 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন তেলআবিব-২ – ১১

    ১১

    অস্ত্র-শস্ত্রসহ বোটটাকে সামলে রেখে আহমদ মুসা প্রায় পনের মিনিট ধরে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চলছে।

    বোট থেকে নেমে দেড়শ’ গজের মত সোজা দক্ষিণে হেঁটে আহমদ মুসা পূর্ব দিকে টার্ন নিল। তার হিসেব হলো বেজ ক্যাম্প থেকে কোন রাস্তা তোয়া সিটির দিকে গেলে, তাকে অবশ্যই প্রথমে কিছুটা দক্ষিণে এগোতে হবে, তারপর রাস্তাটা পূর্ব-দক্ষিণ কৌণিক টার্ন নিতে পারে। এই হিসেব কষেই আহমদ মুসা অল্প কিছুটা দক্ষিণে এগিয়ে সোজা পূর্ব দিকে হাঁটতে শুরু করেছে। তার অনুমান অনুসারে শ’খানেক গজ এগোলেই বেজ ক্যাম্প থেকে দক্ষিণে যাওয়া রাস্তাটাকে ক্রস করবে। কিন্তু একশ’ দেড়শ’ গজ এগিয়েও আহমদ মুসা রাস্তার চিহ্নও পেল না। কোন অমনোযোগিতার কারণে হয়তো সে রাস্তাটা মার্ক করতে পারেনি, হয়তো সেটা কাঁচা রাস্তা হতে পারে। আহমদ মুসা আবার ফিরে দাঁড়াল। আবার হাঁটল একশ’ দেড়শ’ গজ। কিন্তু রাস্তার কোন চিহ্ন নেই।

    আহমদ মুসা বেজ ক্যাম্পে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল।

    একটা গাছে উঠে সে আলো দেখে জায়গাটা মার্কিং করে সেদিকে এগোলো। পৌছল সেখানে। কিন্তু বেজ ক্যাম্প কোথায়? ওটা তো একটা পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। তার সাথে আছে একটা জ্বালানি ডিপো। দু’টিই সদ্য নির্মিত। আহমদ মুসা বুঝল ইসরাইলীরা তোয়া দ্বীপে নতুন আস্তানা গড়ার পর তারা এই নতুন পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও সাপ্লাইকেন্দ্র নির্মাণ করেছে। এই কারণে এখনও রাস্তা তৈরি হয়নি। আহমদ মুসা ভাবল, তাহলে ওদের বেজ ক্যাম্প কোথায়? পেছনে ফেলে আসা দু’টিই কিংবা তাদের একটি বেজ ক্যাম্প হতে পারে? অতীত ভেবে আর লাভ নেই, মনে মনে বলল আহমদ মুসা। পেছনে ফেরার পথ নেই। তাকে সামনেই এগোতে হবে। আহমদ মুসা দ্রুত আরেকটা গাছে উঠল। লক্ষ্য, তোয়া দ্বীপের পূর্ব উপকূলে তোয়া শহরের অবস্থানের একটা ধারণা নেয়া। শহরের বিদ্যুৎ বাতির যে ছটা আকাশে উঠে। তা দেখে এই অবস্থান স্থির করা যায়।

    আহমদ মুসার চাওয়া সফল হলো। সে গাছ থেকে পূর্ব আকাশের মাঝামাঝি একটা জায়গায় আকাশে আলোর ছায়া দেখতে পেল। আহমদ মুসা অনুমান করল, গাছকে বিন্দু হিসেবে ধরে যদি সোজা পূর্বমুখী একটা সরল রেখা টানা যায়, তাহলে যে একটা সমকোণ তৈরি হয়, তারপর বেজ বিন্দু থেকে একটা রেখাকে যদি তোয়া নগরীর আলোক ছটার সাথে যুক্ত করা হয়, তাহলে বেজ বিন্দুতে ভূমি সংলগ্ন যে কোণের সৃষ্টি হয় তার পরিমাণ ৪০ ডিগ্রি অনুমান করল আহমদ মুসা। তার মানে তাকে এখান থেকে ৪০ ডিগ্রি সরল রেখা অণুসরণ করে চলতে হবে। হঠাৎ আকাশের দিকে চোখ তুলে তাকাতেই আহমদ মুসা দেখল, তার কল্পিত ৪০ ডিগ্রি রেখা বরাবর ঠিক উপরে আকাশে লুব্ধক তারা, আদম সুরতের পায়ের নিচে জ্বল জ্বল করছে। লুব্ধককে ঠিক না বরারবর রেখে এগিয়ে গেলে ‘তোয়া সিটি’ পেয়ে যাবে আহমদ মুসা। খুশি হলো আহমদ মুসা। মাটিতে নেমে ৪০ ডিগ্রি রেখার দিক ঠিক করা তার পক্ষে সহজ হতো না।

    আলহামদুলিল্লাহ পড়ে আহমদ মুসা গাছ থেকে নামল এবং বিসমিল্লাহ বলে সে যাত্রা শুরু করল।

    উপকূল অঞ্চলেই বনটা গভীর। আহমদ মুসা যতই এগোতে লাগল, তখন বনটা হালকা হয়ে এল। তবে ঝোপ-ঝাড় ও ভূমির উঁচু-নিচু অবস্থা বৃদ্ধি পেল। মাঝে মাঝে পাহাড়ও সামনে এসে দাঁড়াল। আহমদ মুসা পাহাড়গুলো এড়িয়ে উপত্যকার পথে ডাইরেকশন ঠিক রেখে চলতে লাগল।

    একদম নীরব মনে হলো তোয়া দ্বীপটাকে। যতটা পথ এল একটা লোকালয়ও তার চোখে পড়েনি।

    আটশ’ বর্গ মাইলের ছোট্ট দ্বীপ এই তোয়ার। লোক সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি নয় শুনেছে। অধিবাসীদের প্রায় সবাই ইহুদি। পেশায় তারা জেলে। একটা বড় অংশ চোরাকারবারের সাথে জড়িত। দ্বীপটা ইসরাইলের তত্ত্বাবধানেই ছিল। এটা জানা গেছে, ইসরাইল সরকার ফিলিস্তিন থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর। এরপর তারা এই ‘তোয়া’ দ্বীপে এসে আসন গেড়েছে। নানা সূত্র থেকে জেনেছে প্রায় ৭ হাজার ইসরাইলী এখন পর্যন্ত এই দ্বীপে এদের মধ্যে রয়েছে সৈনিক, সরকারি আমলা, ব্যবসায়ীসহ প্রায় সবাই। ইসরাইল সরকার, সেনাবাহিনী, আমলা ও পুলিশের উর্ধ্বতন লোকরা, যারা পালাতে পেরেছে, তারা সবাই এখানে এসেছে। এদেরকে নিয়েই এখানে একটা অস্থায়ী সরকার, ইসরাইল সেনা ও পুলিশ বাহিনী ও আমলা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।

    আহমদ মুসা আরও ঘণ্টা খানেক চলার পর হঠাৎ করেই একটা রাস্তা সে পেয়ে গেল।

    রাস্তাটা পশ্চিম দিক থেকে এসেছে। কাঁচা সড়ক যাকে বলে, এ তাই।

    খুশি হলো আহমদ মুসা।

    রাস্তাটা যখন পূর্বদিকে এগিয়েছে, তখন ঘুরে-ফিরে রাস্তাটা তোয়া সিটিতে যাবে নিশ্চয়।

    রাস্তা ধরে পূর্ব দিকে হাঁটতে লাগল আহমদ মুসা।

    মিনিট পাঁচেক চলার পর একটা পাহাড় ঘুরে রাস্তাটি সমতল একটি বনজ উপত্যকায় প্রবেশ করল। তার সাথে রাস্তাটা ঘুরে গেল দক্ষিণ দিকে।

    দু’দিকে গাছ-গাছড়ার সারি, মাঝখান দিয়ে এগিয়ে চলেছে রাস্তা।

    দক্ষিণ দিকে বাঁক নিয়ে মিনিট দশেক চলার পর ডান দিকে একটা ফাঁকা এলাকা দেখতে পেল। প্রথম বারের মত ফসলের ক্ষেত তার নজরে পড়ল। ফসলের ক্ষেতের ওপর দিয়ে একটা ছোট পাহাড় নজরে পড়ল। পাহাড়ের গায়ে দেখা গেল ইতস্তত বিক্ষিপ্ত আলো। আর পাহাড়ের এ প্রান্তের গোড়ায় দেখতে পেল গুচ্ছাকার আলো। ওটা কি বাজার কিংবা রেষ্টুরেন্ট? যাই হোক, আহমদ মুসা সেখানে যাবে ঠিক করল। কি পরিচয় দেবে, কি কথা বলবে, অবস্থা বুঝে তার ব্যবস্থা করা যাবে।

    বিশ-পঁচিশ গজ এগিয়ে আহমদ মুসা দেখল, সড়ক থেকে এক প্রস্ত রাস্তা ক্ষেত দু’পাশে রেখে পাহাড়ের দিকে চলে গেছে।

    আহমদ মুসা সেই পথ ধরে গুচ্ছ আলো লক্ষ্য করে চলতে লাগল।

    ঠিকই, আলোর গুচ্ছটা একটা রেষ্টুরেন্ট গেছে। আশেপাশে আরও কিছু দোকান-পাট আছে। সব মিলিয়ে জায়গাটা গ্রামীণ বাজারের মত।

    আহমদ মুসা এগোলো রেষ্টুরেন্টের দিকে। ছয়-সাতজন লোক বসে আছে। মগে করে তারা কি খাচ্ছে।

    আহমদ মুসা রেষ্টুরেন্টে প্রবেশ করলে সবাই একযোগে তার দিকে তাকাল, দু’জন বয় ও ক্যাশ কাউন্টারের লোকটিও।

    আহমদ মুসা হিব্রু ভাষায় শুভেচ্ছা জানিয়ে ক্যাশ-কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে, তাকে উদ্দেশ্য করে বলল, আমি তোয়া শহরে যাচ্ছিলাম। পথে আমার গাড়ির ইঞ্জিন খারাপ হয়ে গেছে। আমি এ এলাকায় নতুন। তোয়া শহরে যাওয়ার কি ব্যবস্থা হতে পারে?

    কাউন্টারের লোকটি আহমদ মুসার দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকাল। তবে তার দৃষ্টিতে সন্দেহ দেখলো না, বরং দেখতে পেল কিছুটা অস্বস্তি। বলল আঞ্চলিকটানের অশুদ্ধ হিন্দিতে, এ পথ দিয়ে কোন গাড়ি গেলে একটা ব্যবস্থা হতে পারে, তারা যদি রাজি হয়। অন্যথায় হাঁটা ছাড়া কোন পথ নেই। ঘোড়ায় টানা গাড়ি মাঝে মাঝে পাওয়া যায়, কিন্তু রাতে তা পাওয়া যাবে না।

    আহমদ মুসা পাশের একটা টেবিলে বসতে বসতে বলল, কিন্তু খুব জরুরি, আমাকে রাতেই পৌছতে হবে। এখান থেকে তোয়া শহর কত দূর হবে?

    ক্যাশ কাউন্টারের লোকটি কিছু বলার আগেই পাশের টেবিল থেকে একজন বলল, পাঁচ-ছয় কিলোমিটার হবে। তোয়া’র সরকারের কারও সাথে পরিচয় আছে?

    নেই। আহমদ মুসা বলল।

    তাহলে রাতে আপনি যেতে পারবেন না। খুব কড়াকড়ি ও ধর-পাকড় চলছে। বলল লোকটি।

    আপনাদের কারও পরিচয় নেই। কারও নাম বলতে পারেন না। আহমদ মুসার জিজ্ঞাসা।

    না, আমরা কাউকে চিনি না। ওরা সবাই নতুন। রাতে আমাদের যাওয়াও নিরাপদ নয়। শুনেছি, আমাদের আইডি কার্ড দেবে, কিন্তু এখনও দেয়নি।

    আহমদ মুসা কিছু বলতে যাচ্ছিল। কিন্তু বাইরে গাড়ির শব্দে আহমদ মুসা সেদিকে ফিরে তাকাল। দেখল, একটা গাড়ি উন্মত্ত গতিতে এদিকে ছুটে এসে দাঁড়াল।

    ঠিক এ সময় আরও দু’টি গাড়ি তীব্র গতিতে রেষ্টুরেন্টের দিকে ছুটে এল।

    আগের গাড়ি থেকে একটি মেয়ে লাফ দিয়ে নেমেই ‘বাঁচাও’ বাঁচাও’ বলে চিৎকার করতে করতে রেষ্টুরেন্টের দিকে ছুটে এল।

    পেছনের গাড়ি দু’টিও আগের গাড়ির পাশে এসে দাঁড়াল। দু’গাড়ি থেকে সাত আটজন লোক নামল এবং ছুটে এল রেষ্টুরেন্টের দিকে মেয়েটির পেছনে পেছনে।

    মেয়েটি ছুটে এসে যে টেবিলে ছয় সাতজন লোক বসেছিল, তার পেছনে এসে দাঁড়াল। মেয়েটি তখনও চিৎকার করে বলছে, আমাকে বাঁচান আপনারা এ গুন্ডা লোকদের হাত থেকে।

    মেয়েটি অনিন্দ সুন্দরী এক তরুণী। বয়স একুশ-বাইশ। একটি ফুলকে দলিত করলে যে অবস্থা হয়, ফুলের মত সুন্দর মেয়েটিরও সেই অবস্থা। মেয়েটির সার্টটি ছেঁড়া, চুল আলু-থালু।

    মেয়েটির কথিত গুন্ডারা ছুটে এসে রেষ্টুরেন্টে প্রবেশ করল।

    মেয়েটি তখন চিৎকার করে কেঁদে উঠেছে, বাঁচান আপনারা আমাকে।

    গুন্ডারা রেষ্টুরেন্টে ঢুকে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসল মেয়েটির দিকে। তাদের একজন চিৎকার করে বলল, আমাদের এ মেয়েটি হঠাৎ পাগলের মত আচরণ করছে। তোমরা কিছু মনে করো না। আমরা ওকে হাসপাতালে নিয়ে যাব।

    মেয়েটিকে ধরার জন্যে এগোলো ওরা।

    চিৎকার করে মেয়েটি বলল, ওদের কথা মিথ্যা। আমি ওদের চিনি না। ওরা আমার ক্ষতি করতে চায়। ওদের কথা আপনারা বিশ্বাস করবেন না। আমাকে বাঁচান আপনারা। কান্নায় ভেঙে পড়ল মেয়েটি।

    রেষ্টুরেন্টে উপস্থিত লোকগুলো সবাই পাথরের মত হয়ে গেছে। কারও মুখে কোন কথা নেই। সবার চোখে-মুখেই অস্বস্তি ও ভয়।

    মেয়েটিকে ওরা ধরেছে, নিয়ে আসছে চ্যাংদোলা করে। মেয়েটি চিৎকার করছে আর ফাঁদে আটকা মাছের মতো তড়পাচ্ছে।

    আহমদ মুসা সবকিছু দেখছিল। তার বিন্দুমাত্রও সন্দেহ নেই যে, একটা সুন্দরী মেয়ে একাকি আসতে গিয়ে গুন্ডাদের হাতে পড়েছে। কোন রকমে সে প্রথম দফা গুন্ডাদের হাত থেকে পালিয়ে এসেছিল। তার ছেঁড়া জামা ও বিধ্বস্ত অবস্থাই তার প্রমাণ। হাত থেকে পালিয়ে আসা শিকারকে আবার তারা ধরতে এসেছে, ধরে নিয়ে যাচ্ছে।

    আহমদ মুসার সমগ্র হৃদয়তন্ত্রীতে একটা অসহনীয় যন্ত্রণার সৃষ্টি হলো। ভুলে গেল সে তার নিজের কথা, ভুলে গেল রাতেই তাকে তোয়া শহরে পৌছতে হবে সে কথা। তার কাছে গোটা পৃথিবীর সমান বড় হয়ে উঠল অসহায় মেয়েটির আর্তচিৎকার আর তাকে বাঁচানোর জন্যে বুক ফাটা তার আকুল আবেদন।

    আহমদ মুসা উঠে দাঁড়াল।

    আহমদ মুসার পাশ দিয়ে তারা নিয়ে যাচ্ছিল মেয়েটিকে।

    যে লোকটা মেয়েটির পায়ের দিকটা ধরেছিল তার বাম কানের নিচে ঘাড়টা লক্ষ্যে ডান হাতের কারাত চালাল আহমদ মুসা।

    লোকটি আহমদ মুসার দিকে তাকানোরও সুযোগ পেল না। একবার টলে উঠে আছড়ে পড়ে গেল মাটিতে।

    মেয়েটির পেছন দিকটা পড়ে গেল মেঝের ওপর। মাথার দিকটা যে ধরেছিল, সে ঘুরে দাঁড়াল দেখার জন্যে কি ঘটেছে। তারও বাম কানের পাশটা আহমদ মুসার সামনে এসে গেল।

    লোকটি ঘুরে দাঁড়িয়ে কিছু বুঝার আগেই আহমদ মুসার ডান হাত আবার বজ্রের মত ছুটে গিয়ে দশ কেজি ওজনের কারাত চালাল বাম কানের নিচে নরম জায়গায়।

    সেও মুখ তুলে দেখারও সুযোগ পেল না। সংজ্ঞা হারিয়ে লুটিয়ে পড়ল মাটিতে।

    পেছনে আসছিল দু’জন লোক। তাদের একজনের হাতে উঠে এসেছে রিভলবার। রিভলবারের নল উঠে আসছে আহমদ মুসার লক্ষ্যে।

    আহমদ মুসার কাছেই টেবিলে দু’টি গ্লাস ছিল। হাত ছিল তার কাছেই। চোখের পলকে গ্লাসটি নিয়ে বুলেটের গতিতে ছুঁড়ে মারল রিভলবারধারী লোকটির কপাল লক্ষ্যে।

    নিখুঁত লক্ষ্য। গ্লাসটি গিয়ে বজ্রের মত আঘাত হানল লোকটির কপালে।

    মুখ থেকে তার গগণ বিদারী ‘আ’ চিৎকার উঠল এবং তার দেহটা বেঁকে গেল পেছন দিকে।

    তার শিথিল হাত থেকে রিভলবারটা পড়ে যাচ্ছিল। বাজপাখির মত আহমদ মুসা তা লুফে নিল।

    পেছনের দ্বিতীয় লোকটির হাতেও রিভলবার। কিন্তু কপালে গ্লাসের ঘা খাওয়া লোকটি তার ওপর পড়ে গিয়েছিল। তাকে সামলাতে গিয়ে সে তার হাতের রিভলবার আহমদ মুসার লক্ষ্যে যথাসময়ে তুলতে ব্যর্থ হলো। সে তাড়াতাড়ি তার ডান হাতটাকে মুক্ত করার চেষ্টা করছিল। আহমদ মুসা এ সুযোগ গ্রহণ করলো। তাকে লক্ষ্য করে আহমদ মুসার রিভলবার আগেই উঠে এসেছে। শুধু তর্জনিটা চাপল ট্রিগারের ওপর। একটা বুলেট গিয়ে নিমেষে তার মাথা গুঁড়িয়ে দিল।

    মেয়েটি আগেই উঠে দাঁড়িয়েছিল। ভয় ও আতংকে তখন সে কাঁপছে।

    আপনি ভেতর দিকে সরে যান। ভয় নেই। আমি দেখছি। মেয়েটিকে লক্ষ্য করে বলল আহমদ মুসা।

    কম্পমান মেয়েটি টলতে টলতে পেছনে সরে গেল।

    মেয়েটির সাথে কথা বলার আগেই আহমদ মুসা রিভলবার তাক করেছিল সামনের তিনজনের লক্ষ্যে।

    ওরা হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল।

    সম্ভবত ওদের কারও কাছেই রিভলবার ছিল না। আহমদ মুসার রিভলবার দেখে ওরা আহমদ মুসার দিকে এগোতে গিয়েও পিছিয়ে গেছে। দু’জনের সংজ্ঞাহীন দশা, ফাটা কপাল নিয়ে একজনের বেহাল অবস্থা এবং গুলিবিদ্ধ হয়ে আরেকজন সাথীর নির্মম মৃত্যু তারা চোখের সামনেই দেখছে।

    আহমদ মুসা ওদের লক্ষ্যে বলল, দেখ অনর্থক কোন মানুষকে হত্যা করা আমি পছন্দ করি না। তোমরা যদি না মরতে চাও। আমার নির্দেশ পালন কর।

    তারপর আহমদ মুসা তাকাল মেয়েটির দিকে। বলল, আপনি ওদের কাছ থেকে কিছু দড়ি যোগাড় করুন।

    দড়ি যোগাড় হয়ে গেলে সেই দড়ি ওদের তিনজনের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে বলল, তুমি ওদের দু’জনকে পিছমোড়া করে বাঁধ।

    লোকটি নির্দেশ পালন করল। পিছমোড়া করে ওদের দু’জনের হাত-পা বাঁধল।

    ওদের বাঁধা হয়ে গেলে সংজ্ঞাহীন দু’জন ও আহত একজনকেও বাঁধতে বলল।

    লোকটি বিনা বাক্য ব্যয়ে আহমদ মুসার নির্দেশ পালন করল।

    বাঁধা হয়ে গেলে আহমদ মুসা নির্দেশ দিল, মৃত একজনসহ যাদের বেঁধেছ, তাদের এক এক করে পাহাড়ের গোড়ায় নিয়ে রাখ।

    রেষ্টুরেন্টে যারা বসেছিল, ভীত-সন্ত্রস্ত তারা সকলেই এক এক করে রেষ্টুরেন্ট থেকে ভেগেছে। শুধু বসে আছে ক্যাশ-কাউন্টারের লোকটি এবং ওয়েটার বয় দু’জন। উদ্বেগ-আতংকে তারা কুকড়ে গেছে।

    মেয়েটির মুখে এখন আগের সেই উদ্বেগ-আতংক নেই। তার চোখে এখন রাজ্যের বিস্ময়। আহমদ মুসার কাজ তার কাছে স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে। সাত জন সশস্ত্র লোককে যেখানে যেমন দরকার সেখানে আঘাত হেনে কুপোকাত করে ফেলল। তাদের অস্ত্র তাদের ওপর প্রয়োগ করল। তাদেরকেই আবার শ্রমিকের মত খাটাচ্ছে তাদের নিজেদের বাঁধার জন্যে। বাঁধা লোকগুলোকে পাহাড়ের গোড়ায় নিয়ে কি করতে চায় লোকটি।

    আহমদ মুসা নির্দেশ দিয়ে মেয়েটির দিকে তাকাল। পড়ে থাকা দ্বিতীয় রিভলবারটির দিকে ইংগিত করে বলল, আপনি ঐ রিভলবারটি তুলে নিয়ে চেয়ারে বসুন, আমি পাহাড়ে গিয়ে দেখি যাতে সে পালিয়ে যেতে না পারে।

    মেয়েটি সংগে সংগেই যন্ত্রের মত এগিয়ে এসে পড়ে থাকা রিভলবার তুলে নিয়ে একটা চেয়ারে বসল।

    মেয়েটির উদ্দেশ্যে ‘ধন্যবাদ’ বলে আহমদ মুসা বাঁধা একজন লোককে কাঁধে তুলে নিয়ে পাহাড়ের গোড়ার দিকে অগ্রসর লোকটি পেছনে পেছনে চলল।

    সবশেষে মৃত লোকটিকে পাহাড়ের গোড়ায় নিয়ে গেল লোকটি।

    লোকটিকে নিয়ে আহমদ মুসা রেষ্টুরেন্টে ফিরে এল। বলল লোকটিকে, মেঝের রক্ত ধুয়ে মুছে দাও তুমি। তোমাদের কারণে রেষ্টুরেন্টের অনেক ক্ষতি হয়েছে। অনেক কাষ্টমার পয়সা না দিয়েই চলে গেছে।

    ক্যাশ কাউন্টারের লোকটি উঠে দাঁড়িয়ে হাতজোড় করে বলল, ওটুকু ক্ষতি কিছুই নয়। আপনি মেয়েটিকে বাঁচিয়েছেন, এজন্যে দয়াময় জিহোবা আপনার মঙ্গল করুন। আর স্যার, আমরাই রক্ত পরিষ্কার করে ফেলব। মেয়েটির উদ্ধারে আমরা তো সাহায্য করতে পারিনি। ঐটুকু কাজ করতে পারলে আমাদের ভাল লাগবে।

    আহমদ মুসা দোকানিকে ধন্যবাদ দিয়ে বলল, আপনারা খুব ভালো লোক।

    গুন্ডাদের সেই অবশিষ্ট লোকটি আহমদ মুসার সামনেই দাঁড়িয়েছিল। তার হাতে দুই খন্ড দড়ি।

    আহমদ মুসা তার হাত থেকে দড়ি নিয়ে বলল, শুয়ে পড়, তোমাকে তুমি বাঁধতে পারবে না, আমিই বাঁধব।

    আহমদ মুসা লোকটিকে পিছমোড়া করে বেঁধে ফেলল।

    রেষ্টুরেন্টের লোকরা তখন মেঝের রক্ত পরিষ্কার করতে লেগে গেছে।

    স্যার দু’কাপ কফি দেব আপনাদের? ক্যাশ কাউন্টারের লোকটি বিনীত কণ্ঠে বলল।

    ধন্যবাদ। আমার কোন কিছু খাওয়ার মুড নেই। কিন্তু অবাঞ্চিত কাজ করতে হলো। ম্যাডামকে কফি দিতে পার। আহমদ মুসা বলল।

    সংগে সংগেই মেয়েটি বলল, ধন্যবাদ। আমিও এ সময় কোন কিছু খাব না।

    এখানে থানা কত দূর? ক্যাশ কাউন্টারের লোকটিকে জিজ্ঞেস করল আহমদ মুসা।

    স্যার নতুন একটি পুলিশ ষ্টেশন হয়েছে কয়েকদিন আগে। সেটা এখান থেকে মাইল দুই, মানে এ জায়গা ও তোয়া সিটির মধ্যবর্তী স্থানে পুলিশ ষ্টেশনটি। বলল ক্যাশ কাউন্টারের লোকটি।

    ঠিক আছে, তাহলে তোয়া যাওয়ার সময় আপনি থানায় একটা ডায়েরি করবেন, ওরা এসে লাশ ও বন্দীদের নিয়ে যাবে। মেয়েটিকে লক্ষ্য করে বলল আহমদ মুসা।

    কথা শেষ করে একটা দম নিয়েই আবার বলল, আমিও তোয়া সিটিতে যাব, আপনি লিফট দিলে খুশি হবো। বলল আহমদ মুসা মেয়েটিকে।

    মেয়েটি বেদনা জড়িত বিস্ময়ের সাথে আহমদ মুসার দিকে তাকাল, আপনি এভাবে কথা বলে আমাকে লজ্জা দিচ্ছেন। আপনি শুধু ওদের হাত থেকে আমাকে বাঁচাননি, মুক্তই করেননি, আমাকে ওদের হাত থেকে আপনি জয় করে নিয়েছেন। এখন তো আপনি আমাকে কমান্ড করার কথা এবং আমাকে তা অবশ্যই শুনতে হবে।

    আমি যেটা করেছি, আমি বিপদে পড়লে আপনিও সেটাই করতেন। আমি বিশেষ কিছু করিনি। বলল আহমদ মুসা।

    আমি কিছু বলব না এর উত্তরে। আপনি দেখছি, যেমন কাজে বড়, তেমনি বিনয়েও বড়। যাক, আমার গাড়ি আছে সত্যি, আপনি সাথে না থাকলে আমি তোয়া যেতে পারব না। আমার মনে হচ্ছে, গোটা রাস্তা জুড়েই গুন্ডারা ওঁৎপেতে বসে আছে। বলল মেয়েটি।

    আহমদ মুসা ধন্যবাদ দিতে যাচ্ছিল।

    গাড়ির শব্দ ও হর্নে সে থেমে গেল। দু’টি গাড়ি এসে দাঁড়াল রেষ্টুরেন্টের সামনে পাহাড়ের গোড়ায়।

    পুলিশের গাড়ি।

    সামনের জীপ থেকে একজন অফিসার লাফ দিয়ে নামল। পেছনের গাড়িটা একটা পিকআপ। সে গাড়ি থেকে ছয় সাতজন পুলিশ নামল।

    অফিসারসহ পুলিশরা এসে ঘরে ঢুকল। মেয়েটিকে দেখেই অফিসার চিৎকার করে বলল, থ্যাংক জিহোবা, মিস নিনা নাদিয়া আপনি এখানে? ওখানে লাশ ও বাঁধা লোকগুলো কিসের জন্য? ওরা কারা? স্যারের টেলিফোন পেয়েই আমরা বেরিয়েছি। যাচ্ছিলাম যে ঠিকানা আপনি দিয়েছিলেন সেদিকে। এখানে এতগুলো গাড়ি দেখে উঠে এলাম। এক নিশ্বাসে কথাগুলো গড় গড় করে বলে গেল অফিসারটি।

    মেয়েটি অফিসারকে আগেই স্যালুট দিয়েছিল। এখন অফিসারকে ধন্যবাদ দিয়ে আহমদ মুসাকে উদ্দেশ্য করে পুলিশ অফিসারের পরিচয় দিয়ে বলল, ইনি পুলিশ সুপার কোহেন কার্লম্যান। প্রথমে যখন গুন্ডাদের হাতে পড়ি, তখন অফিসে মোবাইল করতে পেরেছিলাম। পরে ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে আসার সময় মোবাইল ও রিভলবার দুই-ই হারাই। আমার সেই টেলিফোন পেয়েই অফিস ওদের পাঠিয়েছে।

    ইনি কে মিস নাদিয়া? বলল পুলিশ সুপার কোহেন কার্লম্যান।

    ইনি আমাকে গুন্ডাদের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন। আমি গুন্ডাদের হাত থেকে পালিয়ে এখানে এসে আশ্রয় নিয়েছিলাম। আমাকে ফলো করে এখানে এসে ওরা আবার আমাকে ধরেছিল। আমাকে নিয়ে যাচ্ছিল ওরা। ইনি আমাকে উদ্ধার করেছেন। ওদের তিনজন সংজ্ঞাহীন, একজন নিহত এবং তিনজন আত্মসমর্পণ করেছে। থামল মিস নিনা নাদিয়া।

    ও ওরাই তাহলে পাহাড়ের গোড়ায় বাঁধা অবস্থায় পড়ে আছে?

    জি হ্যাঁ। বলল নিনা নাদিয়া।

    শুনেই পুলিশ অফিসার কোহেন কার্লম্যান একজন পুলিশ সিপাইকে উদ্দেশ্য করে বলল, তোমরা কয়েকজন যাও, পাহাড়ের গোড়ায় পড়ে থাকা লোকদের পিকআপে তোল।

    বলে সে আহমদ মুসার দিকে তাকাল এবং ধন্যবাদ দিল।

    কিন্তু আহমদ মুসার দিকে তাকিয়েই তার চোখ যেন আটকে গেল। সে দু’ধাপ এগিয়ে আহমদ মুসার সামনে এসে দাঁড়াল। কপাল কুঁচকে গেছে পুলিশ অফিসারটির। তার চোখ দু’টো তীক্ষ্ণ হয়ে উঠেছে। বলল সে আহমদ মুসার চোখের দিকে তাকিয়ে, আপনাকে পরিচিত মনে হচ্ছে। হ্যাঁ, আপনার ফটো আমি দেখেছি তেলআবিবে আমাদের ভিআইপি ডসিয়ারে। আপনার পাসপোর্ঠ, কাগজপত্র দেখি।

    বলে হাত পাতল পুলিশ অফিসার।

    আহমদ মুসা জ্যাকেটের ভেতরে পকেট থেকে তার পাসপোর্ট, তার ট্যুরিষ্ট ও ফিসিং ডকুমেন্ট বের করে পুলিশ অফিসারের হাতে দিল।

    পুলিশ পাসপোর্টে আহমদ মুসার নাম ‘হাবিব গনজালেস’ দেখে তাকাল তার দিকে। বলল, আপনি খৃষ্টান?

    আহমদ মুসা সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলল, সন্দেহ আছে কি?

    সন্দেহ অবশ্য নেই। কিন্তু আমার মন বলছে, ডসিয়ারের সেই ছবির নামের যেন কোথায় ফাঁক আছে। যাক, আপনি তোয়া দ্বীপে অপরিচিত এবং আইন ভংগ করে আপনি তোয়া দ্বীপে এসেছেন। সুতরাং আপনি সন্দেহজনক ব্যক্তি। আমার সাথে আপনাকে তোয়া শহরে যেতে হবে।

    তার মানে আপনি তাকে গ্রেফতার করছেন। কিন্তু আমি বলেছি অফিসার, উনি আমার জীবন বাঁচিয়েছেন এবং আপনি যা বলছেন, সে অনুসারেও বড় কোন অপরাধ করেননি। শুধুমাত্র অপরিচিত বলে সন্দেহভাজন বলেই তাঁকে গ্রেফতার করা ঠিক হবে না। আমার অনুরোধ, তাকে আপনি গ্রেফতার করবেন না।

    মিস নিনা নাদিয়া, আপনি ও আপনার বিভাগ আমার চেয়ে এটা ভালো জানেন যে, দ্বীপে বলতে গেলে এখন সামরিক শাসন চলছে। আমরা সবাই জরুরি আইনের অধীন। অপরিচিত লোকের ব্যাপারে এটা সিদ্ধান্ত, যেখানে যে নামে যে পরিচয়েই অপরিচিত লোক পাওয়া যাক, তাকে জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স সেলে পাঠাতে হবে। তার ব্যাপারে আমাদের কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার নেই। সুতরাং আমি আপনার অনুরোধ রাখতে পারছি না। জয়েন্ট সেলে তো আপনার লোকজনই থাকবে, আপনি বরং কিছু বলার থাকলে সেখানে বলবেন। আমাকে দয়া করে বিপদে ফেলবেন না। থামল পুলিশ অফিসার।

    বিষন্ন হয়ে গেল নিনা নাদিয়ার মুখ। তাকাল সে আহমদ মুসার দিকে। আহমদ মুসার মুখে দেখল সে উজ্জল হাসি। আচ্ছা অদ্ভুত মানুষ তো! তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হচ্ছে, তবু তার মধ্যে কোন চিন্তা নেই, উদ্বেগ নেই! আসলে সে জানে না আজ তোয়ায় ইসরাইলীরা কাউকে সন্দেহভাজন ভাবার অর্থ কি! এর অর্থ হলো, অপরিচিত ঐ লোকটা নিরপেক্ষ প্রমাণ হলেও চলবে না, সে যদি সবদিক থেকে ইসরাইলের বন্ধু না হয়, তাহলে তার মৃত্যু অবধারিত। এই বিষয়টা জানলে সে হাসতে পারতো না। কিন্তু আমি তো জানি না, আমি এখন কি করব, কি বলব!

    মিস নিনা নাদিয়ার বিব্রত-বিষণ্ণ অবস্থা দেখে আহমদ মুসা বলল, ম্যাডাম আপনি ভাববেন না। আমি তো তোয়া শহরে যেতে চেয়েছিলাম। যাওয়া তো হচ্ছে। বন্দী অবস্থায় যাচ্ছি এই আর কি!

    মিস নিনা নাদিয়া আহমদ মুসার দিকে ফ্যাল ফ্যাল দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল। কিছুই বলতে পারল না। তার চোখ দু’টি অশ্রুতে ছলছল হয়ে উঠেছে বলে মনে হলো।

    আহমদ মুসা তাকালো পুলিশ অফিসারের দিকে। বলল, হাতকড়ি লাগাতে চান লাগান। আমার আপত্তি নেই।

    ‘স্যরি’ বলে আহমদ মুসার হাতে হাতকড়ি পরানোর দিকে কান না দিয়ে বলল, আপনি ক্রিমিনাল নন, সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করছি। সন্দেহভাজনদের হাতকড়ি পরানো হয় না।

    বলে উঠে দাঁড়াল পুলিশ অফিসার। আহমদ মুসাকে নিয়ে হাঁটতে শুরু করল বাইরে বেরোনোর জন্যে।

    মিস নিনা নাদিয়া বিহবলের ন্যায় ঠায় দাঁড়িয়ে ছিল। পুলিশ তখন বেরিয়ে গেছে। নিনা নাদিয়া তখনও দাঁড়িয়ে।

    লাশ কাউন্টারের লোকটা এসে নিনা নাদিয়ার কাছে দাঁড়াল। তার চোখ-মুখও বেদনার্ত। বলল সে, লোকটাকে ধরেই নিয়ে গেল! লোকটা আসলেই খুব ভালো। দেখলেন না কেমন সে ভয়-উদ্বেগহীন। পাপি লোক এমন হয় না।

    দুঃখটা এজন্যেই বেশি হচ্ছে যে, তার জন্যে কিছু করতে পারলাম না। বলল নিনা নাদিয়া।

    আপনিও কি পুলিশের লোক। পুলিশ অফিসারের কথা শুনে তাই মনে হলো। বলল লোকটি।

    হ্যাঁ, তবে আমি গোয়েন্দা বিভাগের লোক, একজন গোয়েন্দা অফিসার। নিনা নাদিয়া বলল।

    আমরা তো শুনেছি, গোয়েন্দারা বেশি ক্ষমতাশালী। তাহলে আপনার কথা সে শুনল না কেন?

    এটা ক্ষমতা বেশি-কমের ব্যাপার নয়। এটা আইনি সিদ্ধান্তের ব্যাপার। পুলিশ আইন অনুসারেই কাজ করেছে। তবে চিন্তা করবেন না আমার কাজ আমি করব।

    বলে নিনা নাদিয়া ক্যাশ কাউন্টারের লোকটিকে ধন্যবাদ দিয়ে রেষ্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে পা বাড়াল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিন্দানাওয়ের বন্দী – সাইমুম সিরিজ #৩
    Next Article অপারেশন তেলআবিব – ১ – সাইমুম সিরিজ #১

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }