Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপারেশন তেলআবিব-২ – সাইমুম সিরিজ #২

    লেখক এক পাতা গল্প211 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন তেলআবিব-২ – ১৩

    ১৩

    একটা মিলিটার গান-বোট চলছে ভুমধ্যসাগর ধরে পূর্বে ফিলিস্তিন উপকূলের দিকে।

    গান বোটের ড্রাইভিং চেয়ারে আহমদ মুসা। তার সামনে পার্টিশন আনফোল্ড করা উন্মুক্ত কেবিনে বসে আছে এমিলিয়া ও নিনা নাদিয়া পাশাপাশি। পাশেই একটু সরে বসে আছে খতিব আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান।

    মিলিটারি গানবোটটি অত্যাধুনিক।

    ডেকের দু’পাশেই ক্ষেপণাস্ত্র লাঞ্চার। আর কেবিনের ছাদে বিমান বিধ্বংসি কামান।

    বোটটি দখল করে রাত সাড়ে তিনটায় তারা বোটে উঠেছে।

    মিলিটারি বোটটি বাঁধা ছিল প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের একটা ছোট্ট গোপন জেটিতে। জরুরি অবস্থায় ব্যবহারের জন্যে এ ধরনের বোট প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের উপকূলে আরও কয়েকটি আছে।

    সব সময় একজন সেনা অফিসার ও সেনা-ক্রু থাকে জরুরি অবস্থায় দায়িত্ব পালনের জন্যে।

    নিনা নাদিয়াই এ বোটটা দখল করেছিল।

    সে ঘাটে গিয়ে তার কার্ড দেখিয়ে সেনা অফিসার ও সেনা ক্রুকে ডাকে। তারা এলে নিনা নাদিয়া রিভলবার তাদের দিকে তাক করে বলে আপনাদের এ্যারেষ্ট করা হলো।

    এ সময় আহমদ মুসা সেখানে আসে এবং তাদের দু’জনকে পিছমোড়া করে বেঁধে ফেলে। মুখে কাপড় গুজে তাদের চিৎকার করার পথ বন্ধ করে দেয়।

    আহমদ মুসা গানবোটে উঠে সব পরীক্ষা করে দেখে বলে, সব ঠিক আছে। জ্বালানিও যথেষ্ট রয়েছে। আমরা ষ্টার্ট করতে পারি।

    নিনা নাদিয়া এমিলিয়াকে হাত ধরে গানবোটে তুলে দেয়। শেখ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমানকে সম্মানের সাথে বোটে তুলে নেয় আহমদ মুসা।

    নিনা নাদিয়া দাঁড়িয়েছিল নিচে।

    আহমদ মুসা দাঁড়িয়ে ছিল বোটে। তার পেছনে এমিলিয়া ও শেখ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান।

    নিনা নাদিয়ার মুখ ভারী। চোখে-মুখে একটা বিমূঢ় ভাবও। চুপচাপ দাঁড়িয়েছিল সে।

    দাঁড়িয়ে কেন, উঠুন তাড়াতাড়ি। বলেছিল আহমদ মুসা।

    আমি উঠব? কোথায় যাব আমি? বলেছিল নিনা নাদিয়া। ভাঙা, কান্নারুদ্ধ কণ্ঠ তার।

    কেন আমাদের সাথে, আমরা যেখানে যাচ্ছি সেখানে! বলেছিল আহমদ মুসা।

    কিন্তু এখানেই তো আমার সব। বলেছিল নিনা নাদিয়া। কাঁপছিল তার কণ্ঠ।

    আহমদ মুসা একটু ভাবে। বলে ‘মিস নিনা নাদিয়া, আপনি এখন আর সে নিনা নাদিয়া নন। এখানে যারা আছে, ইতোমধ্যেই তাদেরকে আপনি পরিত্যাগ করছেন। প্লিজ আপনি আসুন।

    দু’হাতে মুখ ঢেকে কেঁদে ফেলেছিল নিনা নাদিয়া। কাঁদতে কাঁদতেই বলেছিল, আমি আমারই বিরুদ্ধে গিয়েছি।

    না মিস নিনা নাদিয়া, বিরুদ্ধে নয়, আপনি নিজের পক্ষে কাজ করেছেন। আপনি যা করেছেন নিজের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ তা করতে পারে না। বলেছিল আহমদ মুসা নরম সুরে।

    নিনা নাদিয়া পরিপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল আহমদ মুসার দিকে। তারপর কোন কথা না বলে ধীরে ধীরে উঠে এসেছিল বোটে।

    এখন একেবারেই স্বাভাবিক নিনা নাদিয়া।

    নানা রকম গল্প চলছিল এমিলিয়া ও নিনা নাদিয়ার মধ্যে। মাঝখানে দু’একটা কথা বলছিল আহমদ মুসা।

    শেখ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ফজরের নামাযের পর তসবি নিয়ে বসেছিল। ঘণ্টা খানেক পর সহজ হয়ে বসে। মাঝে মাঝেই আহমদ মুসার সাথে কথা বলছিল সে।

    এক সময় শেখ আব্দুল্লাহ আব্দুর রহমানই নিনা নাদিয়াকে প্রশ্ন করল, তোমার সম্পর্কে কিছুই জানা হলো না মা।

    নিনা নাদিয়া তাকাল আহমদ মুসার দিকে।

    মিস নাদিয়া সম্পর্কে আমিই বলছি জনাব।

    বলে আহমদ মুসা নিনা নাদিয়ার সাথে দেখা হওয়া থেকে শুরু করে প্রিজন সেলে প্রবেশ পর্যন্ত সব কথা বলল।

    নিনা নাদিয়ার দিকে এমিলিয়ার বিস্ময় মিশ্রিত সম্মান ও শ্রদ্ধার দৃষ্টি।

    শেখ আব্দুল্লাহ আব্দুর রহমান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে বলল, মা তুমি আল্লাহর তরফ থেকে আমাদের জন্যে সাহায্য হিসেবে এসেছ। তুমি এখন আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ মা। আল্লাহ তোমার মহান কাজের জন্যে অশেষ জাজাহ দান করুন।

    শুভ্র চুল, শুভ্র দাড়ি এবং শক্ত দৈহিক গড়নের মানুষ শেখ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান। চোখ-মুখ থেকে পবিত্রতা যেন ঠিকরে পড়ছে। মনে স্বর্গীয় ভাব জাগায় এই চেহারা।

    নিনা নাদিয়া মাথা নিচু করে বাউ করে শ্রদ্ধা জানাল শেখ খতিবকে। বলল, জনাব প্রার্থনা করুন, আমি যা ছেড়ে দিয়েছি, যা আমি গ্রহণ করেছি তা যেন আমাকে শান্তি দেয়। ভারী কণ্ঠ নিনা নাদিয়ার।

    আল্লাহ তোমাকে, তোমার ইচ্ছাকে কবুল করুন মা। বলল শেখ খতিব আব্দুল্লাহ।

    নিনা নাদিয়া আবার বাউ করে শ্রদ্ধা জানাল শেখ খতিব আব্দুল্লাহকে।

    মিস নিনা নাদিয়া, আমার একটা কৌতুহল। বলল আহমদ মুসা।

    নিনা নাদিয়া তাকাল মুগ্ধ দৃষ্টিতে আহমদ মুসার দিকে। বলল, কি কৌতূহল বলুন?

    আমি আপনাকে বাঁচিয়ে ছিলাম, আমাকে আপনি বন্দী দশা থেকে মুক্ত করলেন। কিন্তু মুক্ত করার পর ধরিয়ে দেয়ার জন্যে নিরাপত্তা বিভাগকে আমার কথা বলে ছিলেন। পরে আবার মৃত্যুর মুখ থেকে আমাকে বাঁচালেন এবং এমিলিয়া ও খতিব মহোদয়কে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করলেন। কেন আপনি এমনটা করলেন, খুব কৌতূহল আমার এটা জানার জন্যে।

    গম্ভীর হলো নিনা নাদিয়া। বলল, আপনার কৌতুহল খুবই স্বাভাবিক। আমি আন্তরিকতার সাথে আপনাকে মুক্ত করেছিলাম। কিন্তু যখন শুনলাম আপনি আমাদের বন্দীদ্বয়কে মুক্ত করতে চান এবং আমার কাছ থেকে বন্দীরা কোথায় আছে জেনে নিলেন; তখন একটা প্রতিক্রিয়া হয়েছিল আমার মনে। আমার মনে অপরাধ বোধ সৃষ্টি হয়েছিল এই ভেবে যে, আমাদের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে দু’জন বন্দী, যাদের বিনিময়ে বড় কিছু পাব আশা করছি তাদেরকে মুক্ত করতে সাহায্য করেছি। এই চিন্তাতেই আমি বিষয়টা তৎক্ষণাৎ জানিয়ে দেয় ‘সিনবেথ’-এর প্রধান জেনারেল শামিল এরফানকে। তারপর আবার আপনাকে বাঁচিয়েছি বলছেন, কিন্তু আমি তখন আপনাকে বাঁচাইনি, বাঁচিয়েছি আহমদ মুসাকে। আহমদ মুসাকে বাঁচিয়েছি, সেজন্যে বন্দীদের উদ্ধারের জন্যে আহমদ মুসাকেই সাহায্য করেছি। বলল নিনা নাদিয়া।

    বিস্ময় আহমদ মুসার চোখে। অপার বিস্ময় এমিলিয়ার চোখেও। বলল সে, বুঝলামনা তোমার কথা। তুমি তাঁকে বাঁচাওনি, বাঁচিয়েছ আহমদ মুসাকে। তিনি ও আহমদ মুসা তো ভিন্ন সত্তা নন।

    তা ঠিক। কিন্তু তাঁকে আমি বাঁচাতে যেতাম না যদি তার নাম আহমদ মুসা না শুনতাম। বলল নিনা নাদিয়া।

    বিস্ময় সবার চোখে। আহমদ মুসার চোখেও। বলল আহমদ মুসা, নামটাকে আপনি বাঁচাতে গেলেন কেন?

    নিনা নাদিয়া তার মুখ নিচু করল। বলল, আহমদ মুসা নামের সাথে আমার জীবনের একটা মর্মান্তিক স্মৃতি জড়িত।’ তাই মৃত্যুর মুখে উপস্থিত তাঁর নাম যখন আহমদ মুসা শুনলাম, তখন সেই স্মৃতি এসে আমাকে পাগল করে তুলেছিল। সব কিছু ভুলে আমি তাকেই বাঁচাতে গিয়েছিলাম এবং আক্রমণে আসার জন্যে তাকে রিভলবার সরবরাহ করেছিলাম।

    খুব কৌতূহল সেই স্মৃতি সম্পর্কে, যার সাথে আহমদ মুসার নাম জড়িত। আমি কি এ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারি বোন? বলল এমিলিয়া।

    না জিজ্ঞেস করতে পারার মত ওটা কোন প্রাইভেট ব্যাপার নয়।

    বলে থামল নিনা নাদিয়া। মাথা নিচু করল। বলল, সে আমার জীবনের এক দুর্ভাগ্যের কাহিনী। ইসরাইলে আমার জন্ম। আমি মুসলিম পিতা ও ইহুদি মাতার সন্তান। বড় হয়ে জেনেছি আমার পিতা ওমর আব্দুল্লাহ ফিলিস্তিন মুক্তি আন্দোলনের একজন আন্ডার গ্রাউন্ড কর্মকর্তা ছিলেন। আর মা ছিলেন ইসরাইল গোয়েন্দা সংস্থার একজন অফিসার। পরিকল্পনা করেই মা’কে আমার পিতার প্ল্যান্ট করা হয়। পিতার মাধ্যমে ফিলিস্তিন জনশক্তি ও নানা গোপন তথ্য যোগাড় করে ইসরাইলী গোয়েন্দা বিভাগকে সরবরাহ করাই ছিল আমার মায়ের কাজ। আমার জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই দেখেছি, মা সর্বদা আমাকে আমার পিতা থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছেন। শিশুকালে আমার মা আমাকে রেখেছেন ডে-কেয়ার সেন্টারে। একটু বড় হলে আবাসিক কিন্ডার গার্টেনে। আরও বড় হলে মা আমাকে পাঠিয়ে দেন তেল আবিবে। আমি তেল আবিবে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা করি। ছুটিতে বাড়ি যেতাম, তখনও দেখেছি আমি পিতার সাথে গল্প-গুজব করার মত এক্সক্লুসিভ সুযোগ পাইনি। সে সুযোগ মা আমাকে দেননি। কার্যত মা আমাকে ইহুদি হিসেবেই গড়ে তোলেন। আমার পিতা সব সময় বাইরে ব্যস্ত থাকতেন বলে এসব কোন খবর তিনি রাখতেন না, মায়ের ওপরই নির্ভর করতেন সব ব্যাপারে। আমার চিন্তা ও মন-মানসিকতা ছিল ইহুদিদের পক্ষেই। মুসলমানদের আজাদী চিন্তা আমার বিদ্রোহ বলে মনে হতো। পিতা এ সবের কিছুই জানতেন না। তিনি আমাকে অত্যন্ত ভালবাসতেন। আমার বেপরোয়া খরচে মা অনেক সময় রাগ করতেন। পিতা-মাকে বুঝাতেন, নাদিয়াই তো আমাদের সংসার। সংসারের সবকিছু তো তার জন্যে। ওর মনে কোন কষ্ট দিও না। পিতার এই ভালবাসাকে কোন দিনই মূল্য দেইনি।

    তারপর এল সেই মর্মান্তিক দিন।

    আমি সেদিন বাড়িতে ছিলাম।

    পিতা শরীর খারাপ লাগছে বলে ঘুমাতে গিয়েছিলেন। মা ও আমি বসে টিভি দেখছিলাম।

    মা’কে একটু অস্থির বলে মনে হচ্ছিল। একটু পরপর ঘড়ি দেখছিলেন তিনি।

    এক সময় বলে উঠলেন। মা তুমি ঘুমাতে যাও। আমাকে একটু অফিসে যেতে হবে।

    আমি জানতাম মা একটি তথ্যকেন্দ্রে কাজ করেন। তথ্যকেন্দ্রের কাজ ২৪ ঘণ্টা চলে। পরে জেনেছিলাম তথ্য কেন্দ্রটি আসলে গোয়েন্দা অফিস।

    মা চলে গেলে আমি শুতে চলে গেলাম।

    চিৎকার ও কথাবার্তায় আমার ঘুম ভেঙে গেল।

    তাড়াতাড়ি উঠে বাইরে গেলাম।

    বাড়ির ভেতরে আমার পিতা হাত-পা বাঁধা অবস্থায়। তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চলছে। তার দেহ রক্তাক্ত। তার হাতে পায়ের আঙুলে সুচ ফোটানো হচ্ছে। চাকু দিয়ে তার গায়ের চামড়া কেটে নেয়া হচ্ছে। একজন তাকে অবিরাম জিজ্ঞাসা করে চলেছে, ‘মুসলিম কমান্ডোদের যে গোপন তালিকা তুমি আজ পেয়েছ এবং নেটওয়ার্কের যে প্ল্যান পেয়েছ, সেটা আমাদের দাও। আমরা তোমাকে ছেড়ে দেব।’ অন্যদিকে আমার পিতা বলে চলেছেন, ‘সে তালিকা ও নেটওয়ার্ক প্ল্যান তোমরা পাবে না। তোমরা যা ইচ্ছা কর।’

    পিতার ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে চলল।

    আমি ছুটে গেলাম আম্মার ঘরে তিনি আছেন কিনা দেখার জন্যে। দেখলাম তার বেড শূন্য। অর্থাৎ তিনি তখনও ফেরেননি।

    আমি কি করব ভেবে পেলাম না। দেখলাম বাইরে বেরোনোর গেটে চারজন ইসরাইলী পুলিশ।

    আমি গিয়ে কিছু বলতে পারবো না তা আমার কাছে পরিষ্কার। রাগ হলো পিতার প্রতিই। কেন তিনি মুসলমানদের জন্যে কাজ করেন, কেন তিনি তালিকাটা ও নেটওয়ার্ক প্ল্যান ওদের দিয়ে দিচ্ছেন না? এদিক থেকে আমার পিতাকে তারা অপরাধী মনে করে, বিদ্রোহী ও ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করে। সুতরাং শাস্তি তো তারা দেবেই।

    একজন চিৎকার করে উঠল, ‘চেষ্টা করে লাভ নেই। হারামজাদা মুখ খুলবে না। শেষ করে দে তাকে।’

    একজন ক্রুব্ধ মানুষ ছুড়ি নিয়ে ছুটে গিয়ে আমার পিতাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে লাগল। আরেকজন গিয়ে তার বুকে ছুরি বসিয়ে দিল।

    আমি চিৎকার করে চোখ বুঝলাম। শুনতে পেলাম পিতার কণ্ঠ। তিনি সর্বশক্তি দিয়ে চিৎকার করে বলছে, ‘তোমাদের দিন শেষ ইসরাইলিরা। আহমদ মুসা এসেছে, আহমদ মুসা, আহমদ মুসা। তিনি আল্লাহর তরফ থেকে সাহায্য স্বরূপ এসেছেন। তিনি বিজয়ী হবেন; তোমরা পরাজিত হবে। শোন, তোমরা শোন, শুনে যাও, আহমদ মুসা বিজয়ী হবেন। তিনি নতুন প্রভাত আনবেন।’

    এক সময় থেমে গেল পিতার কণ্ঠ।

    আমি ভয়ে ভয়ে চোখ খুললাম। দেখলাম, ওরা কেউ কোথাও নেই।

    নেতিয়ে পড়ে আছে আমার পিতার দেহ।

    আমি ছুটে গেলাম।

    পিতা তখন জীবিত নেই।

    আমি আছড়ে পড়লাম পিতার রক্তমাখা বুকের উপর। হঠাৎ মনে হলো, পিতাকে আমি খুবই ভালবাসি।

    কিন্তু একথা শোনার জন্যে তখন তিনি বেঁচে নেই।

    কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে গেছে নিনা নাদিয়ার। তার দু’চোখ থেকে নীরবে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল অবিরামভাবে। এবার সে কান্নায় ভেঙে পড়ল।

    সবারই চোখ ভিজা। অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল আহমদ মুসার চোখ থেকেও। কে কাকে সান্তনা দেবে!

    একটু পর চোখ মুছে মাথা তুলল নিনা নাদিয়া।

    বলতে লাগল ভাঙা কণ্ঠে, পিতার মৃত্যুর পর আমরা স্থায়ীভাবে উঠে গেলাম তেলআবিবে। লেখাপড়া শেষ করে মায়ের তাকিদেই ইসরাইলী গোয়েন্দা বিভাগে যোগ দিলাম। মা বিয়ে করলেন একজন গোয়েন্দা অফিসারকে।

    সব ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমার সৎ পিতা গোয়েন্দা প্রধানের মুখে আহমদ মুসার নাম শুনলাম, তখন ভুলে যাওয়া পিতা আমার সামনে হাজির হলেন। ‘আহমদ মুসা বিজয়ী হবেন’-এই শব্দ আমার কানে বজ্রের মত বাজতে লাগল। যখন দেখলাম আমার পিতার সেই আহমদ মুসা মৃত্যুর মুখে এবং পরাজিত হতে চলেছে আমারই সৎ পিতা গোয়েন্দা প্রধান জেনারেল শামিল এরফানের হাতে, তখন আমি যেন পাগল হয়ে গেলাম। মনে হলো, আমার পিতার সেই আহমদ মুসাকে বাঁচানো, তাকে বিজয়ী করা আমার একমাত্র কাজ, পিতার দেয়া কাজ তার সন্তানের একমাত্র দায়িত্ব। মনে হলো, আমি মুসলিম মুক্তি সংগ্রামী ওমর আব্দুল্লাহরই সন্তান, আমার আর কিছু পরিচয় নেই। এই পরিচয়ের কথা মনে হতেই আমি গুলী করেছিলাম আমার সৎ পিতা জেনারেল শামিল এরফানকে। আবেগ-রুদ্ধ হয়ে থেমে গেল নিনা নাদিয়ার কণ্ঠ।

    ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স (সিনবেথ) প্রধান জেনারেল শামিল এরফান আপনার সৎ পিতা? বলল আহমদ মুসা। তার কণ্ঠে বিস্ময়।

    হ্যাঁ। আমার পিতার মৃত্যুর এক বছর পর আমার মা তাঁকে বিয়ে করেন। বলল নিনা নাদিয়া। কণ্ঠ তার ভারী।

    এমিলিয়া নতমুখী নিনা নাদিয়ার কাঁধে হাত রাখল। বলল, একটা অসম্ভব কাজ আপনি করেছেন। আপনার মা বেঁচে আছেন নিশ্চয়।

    হ্যাঁ, বেঁচে আছেন। তিনি গোয়েন্দা বিভাগের একজন সিনিয়র অফিসার। আমি পেরেছি কারণ আমার সৎপিতা ও তার গোয়েন্দা বিভাগই আমার পিতাকে খুন করেছে নৃশংসভাবে। আমি সেদিন না বুঝলেও পরে বুঝেছি, আমার মা জানতেন সেদিন রাতে আমার পিতাকে হত্যা করা হবে। তাই তিনি পরিকল্পিতভাবেই বাড়ির বাইরে চলে গিয়েছিলেন।

    আলহামদুলিল্লাহ। মা নাদিয়া, আল্লাহ তোমার প্রতি খুশি হোন। তারই দয়ায় তোমার আসল পরিচয়ে ফিরতে পেরেছ। এ রকম বড় ঘটনা খুব কমই ঘটে। আলহামদুলিল্লাহ। বলল শেখ খতিব আব্দুল্লাহ।

    নিনা নাদিয়া শেখ খতিবকে বাউ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাল। বলল, মুহতারাম হযরত, আমি আমার পরিচয় ফিরে পেয়েছি সবকিছু হারিয়ে। পিতার কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ আমি পাইনি। এমন হল যে, আমার মাও আমাকে কোনদিন ক্ষমা করবেন না। ভারী হয়ে উঠেছিল নিনা নাদিয়ার কণ্ঠ।

    মিস নিনা নাদিয়া, সবকিছু হারানোর পর সবকিছু পাওয়ার সময় আসে, এটাই সৃষ্টির একটা নিয়ম। আহমদ মুসা বলল।

    কিছু বলার জন্যে মুখ খুলেছিল নিনা নাদিয়া। কিন্তু তার পকেটের মোবাইল বেজে ওঠল এই সময়।

    নিনা নাদিয়া চুপ করে গিয়ে পকেট থেকে মোবাইল বের করল। মোবাইলের স্ক্রীনের দিকে তাকিয়ে মোবাইল আহমদ মুসার দিকে তুলে ধরে বলল, জনাব, আপনার টেলিফোন।

    আহমদ মুসা মোবাইলটি নিল।

    আহমদ মুসা গানবোটে উঠেই ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মাহমুদের কম্যুনিকেশন কক্ষে আহমদ মুসারা ফিরে আসছে এ খবর জানিয়ে তার কনট্যাক্ট পয়েন্ট হিসেবে নিনা নাদিয়ার নাম্বার দিয়েছিল। এর অল্প পরেই প্রধানমন্ত্রী কল ব্যাক করে আহমদ মুসাকে। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে ও আহমদ মুসাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলে যে, তাদের স্বাগত জানানোর জন্যে তারা আসছেন।

    আহমদ মুসা সালাম দিতেই ওপার থেকে মাহমুদের কণ্ঠ পেল। বলল, আপনারা কোথায় আহমদ মুসা ভাই?

    আহমদ মুসা গানবোটের ড্যাশ বোর্ডের লোকেশন চার্টের দিকে চেয়ে তাদের অবস্থানের অক্ষাংশ-দ্রাঘিমাংশ বলে দিল।

    ওপার থেকে মাহমুদ বলল, আপনারা আমাদের জল সীমায় এসে গেছেন। আমরাও এসে গেছি।

    অল্পক্ষণের মধ্যেই জংগী বিমান, হেলিকপ্টারের শব্দ শোনা গেল।

    কয়েক মুহূর্ত পরেই আকাশে তিনটি জংগী বিমান দুটি হেলিকপ্টার দেখা গেল। ওগুলো গানবোটের উপরে টহল দিতে লাগল।

    আর কিছুক্ষণ পরে এল দুটি নৌ যুদ্ধ জাহাজ।

    জাহাজ দু’টি দু’দিক থেকে আহমদ মুসাদের গান বোটের দিকে এগিয়ে এল। গান বোট থেকে জাহাজে প্রথম উঠে এল শেখ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান দের ইয়াসিনি। তাকে স্বাগত জানাল প্রধানমন্ত্রী মাহমুদ।

    তারপর একে একে নেমে এল নিনা নাদিয়া ও এমিলিয়া। সব শেষে জাহাজে উঠল আহমদ মুসা।

    আহমদ মুসাকে জড়িয়ে ধরল প্রধানমন্ত্রী মাহমুদ। কথা বলতে গিয়েও মাহমুদ কথা বলতে পারল না। আবেগে ভেঙে পড়ল তার কণ্ঠ। দু’চোখ থেকে তার নেমে এল অশ্রুর ঢল, কৃতজ্ঞতার অশ্রু, আনন্দের অশ্রু।

    পাশে দাঁড়িয়েছিল এমিলিয়া, নিনা নাদিয়া। তাদের চোখেও অশ্রু টলটল করছে।

    শেখ আব্দুল্লাহ আব্দুর রহমান আগেই বসেছেন একটা ডেক চেয়ারে। বলল ধীর কণ্ঠে, মাহমুদ কৃতজ্ঞতার অশ্রু দিয়ে আহমদ মুসাকে দুর্বল করো না। আল্লাহর সৈনিক হিসেবে যা করার সেটাই তো করেছে।

    নিনা নাদিয়া তাকাল শেখ আব্দুল্লাহ আব্দুর রহমানের দিকে। চোখের সামনে ভেসে ওঠল তার পিতার অন্তিম দৃশ্য। তিনি জীবন দিয়েছেন, কিন্তু মুসলিম কমান্ডোদের তালিকা ও তাদের নেটওয়ার্কের বিবরণ শত্রুর হাতে অর্পণ করেননি। তিনি আল্লাহর এমন একনিষ্ঠ সৈনিক ছিলেন! গর্বে ফুলে ওঠল নিনা নাদিয়ার বুক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমিন্দানাওয়ের বন্দী – সাইমুম সিরিজ #৩
    Next Article অপারেশন তেলআবিব – ১ – সাইমুম সিরিজ #১

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }