Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপুর পাঁচালি – সত্যজিৎ রায়

    উপন্যাস সত্যজিৎ রায় এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫. মুক্তিলাভের পর

    মোমা অর্থাৎ নিউ ইয়র্কের মিউজিয়ম অভ্ মডার্ন আর্টে ‘পথের পাঁচালি’র আন্তর্জাতিক উদ্বোধনের পরে তিন হপ্তা কেটে গেল। কিন্তু ছবিটা যে ওদের কেমন লেগেছে, তার কোনও খবরই ইতিমধ্যে এসে পৌঁছল না। ব্যাপার দেখে একটা হতাশার ভাব আমার মধ্যে ছড়িয়ে যাচ্ছিল। ভাবছিলাম যে, তাই তো, কেতাদুরস্ত যে আমেরিকানরা স্যুটে-বুটে সজ্জিত হয়ে চিত্তবিনোদনের আশায় ছবি দেখতে গেছে, ভারতীয় গ্রামের এক চাষি-গেরস্তের ছবি তাদের কেমনই বা লাগতে পারে! তার উপরে আবার এমন ছবি, যাতে সাব-টাইটেল পর্যন্ত নেই! এ-ছবি তাদের ভাল লাগবার কথা নয়, লাগেওনি নিশ্চয়, আর মনরো হুইলার এই ব্যর্থ বিড়ম্বনার কথাটা আমাকে জানাতে বড়ই সংকোচ বোধ করছেন।

    একেবারে হঠাৎই এই সময় হুইলারের কাছ থেকে একটা তারবার্তা এসে পৌঁছল। “আ ট্রায়াম্‌ফ অভ্ ইমাজিনেটিভ ফোটোগ্রাফি।” তারবার্তাটা সুব্রত মিত্রের হাতে তুলে দিয়ে তার পিঠ চাপড়ে দিলাম। এর পরে আসে অ্যান রেজরের চিঠি। দীর্ঘ চিঠি। ছবিটা দেখে সে নিজে কতটা অভিভূত হয়েছে আর দর্শকদেরও যে কী ভাল লেগেছে এই ছবি, চিঠিতে তার বিস্তারিত বর্ণনা। চিঠিখানা সবাইকে দেখালাম। একটা বড় রকমের তৃপ্তি বোধ করেছিলাম এই চিঠি পেয়ে।

    কথাটা ক্রমে ছড়িয়ে যায়। সবাই প্রশ্ন করতে থাকে, কলকাতায় এ ছবি কবে মুক্তিলাভ করবে। এ হল মে মাসের কথা। চিত্র পরিবেশনার ব্যাপারে তখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

    ছবি তো শুধু তৈরি করলেই হয় না, তার কতকগুলি ব্যবহারিক ব্যবসায়িক দিক রয়েছে। কিন্তু সে সম্পর্কে কিছুই আমার জানা নেই। পার্সেন্টেজ, মিনিমাম গ্যারান্টি, প্রিন্ট ও পাবলিসিটি, এ-সবের বিন্দুবিসর্গও যেহেতু আমি বুঝি না, ব্যাপারটা তাই পুরোপুরি অনিল চৌধুরির হাতে ছেড়ে দিই।

    ইতিমধ্যে আমি কিমারের কাজে ফিরে গিয়েছি। মাসান্তে মাইনেটাও পেয়ে যাচ্ছি। সেখানে নিকলসন স্বভাবতই আমার এই ছবির কাজটা সম্পর্কে খুব কৌতূহলী ছিলেন। নিউ ইয়র্কে ছবির যে উদ্বোধন হল, তার কথাও তিনি শুনেছিলেন এর মধ্যে। তাঁর কৌতূহল দেখে তাঁকে ও আমাদের কয়েকজন ক্লায়েন্টকে একদিন ছবিটা দেখাবার ব্যবস্থা করি। ছবির মধ্যে কে কী বলছে, সাব-টাইটেল না থাকায় নিচু গলায় আমাকেই সেটা বলে যেতে হবে।

    ছবি দেখানো শেষ হল। আলো জ্বলতে দেখি, নিকলসনের চোখ লাল, দৃষ্টি জ্বলজ্বল করছে। খুবই আন্তরিকভাবে আমার হাত ধরে তিনি ঝাঁকিয়ে দিলেন। বিদেশিদেরও যে এ-ছবি ভাল লাগতে পারে, এতে যেন আবার নতুন করে তার প্রমাণ পাওয়া গেল।

    অ্যাডভারটাইজিং ক্লাব আমাকে একটা অনুরোধ করেন এই সময়ে। বিজ্ঞাপনের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা এই ক্লাবের সদস্য। ক্লাব থেকে অনুরোধ আসে, ‘পথের পাঁচালি’র একটা বিশেষ শোয়ের ব্যবস্থা তাঁরা করতে চান। তাতে ক্লাবের সদস্যরা আর কিছু আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন। আমি এতে রাজি হয়ে যাই। আমাকে বলা হল, অর্ডনান্স ক্লাবে ছবিটি তাঁরা দেখাবেন। তারপর ক্লাবের মাঠে ব্যবস্থা থাকবে বুফে ডিনারের।

    ছবির প্রদর্শন শুরু হবার একটু আগে সস্ত্রীক আমি সেখানে গিয়ে উপস্থিত হই। গিয়ে যা দেখি, তাতে দমে যাই। কাঠের মেঝে, তার উপরে কয়েক সারি চেয়ার পাতা। কেউ হাঁটাচলা করলে কিংবা চেয়ারে বসে সামান্য নড়াচড়া করলেও কাঠের মেঝে থেকে ক্যাঁচকোঁচ শব্দ উঠতে থাকে। চেয়ারের সারির মাঝমধ্যিখানে বসানো হয়েছে ৩৫ মিলিমিটারের প্রোজেক্টর।

    প্রেক্ষাগার তো খানিক বাদেই ভর্তি হয়ে গেল। দর্শকদের মধ্যে কিছু বিদেশিও চোখে পড়ল। কর্তাব্যক্তিরাও সস্ত্রীক এসে গেলেন। সময়মতোই শুরু হল ছবির প্রদর্শন। তবে প্রোজেক্টর থেকে যে-পরিমাণ শব্দ নির্গত হচ্ছিল, তাতে ছবির সংলাপ কিংবা অন্যান্য সাউন্ড-ইফেক্ট খুব-একটা পরিষ্কার শোনা যাচ্ছিল না। পর্দায় ছবিও যা ফুটছিল, তা তেমন স্পষ্ট নয়। ব্যাপার দেখে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে আমি ভাবতে থাকি যে, যত তাড়াতাড়ি এই অগ্নিপরীক্ষা এখন শেষ হয়, ততই মঙ্গল।

    ‘পথের পাঁচালি’র দৈর্ঘ্য দু’ ঘণ্টা। অর্ডনান্স ক্লাবের সেই দু’ ঘণ্টা আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ দু’ ঘণ্টাগুলোর একটি, তাতে সন্দেহ করি না। ছবি শেষ হতে আলো জ্বলে। অল্পসল্প চাপা হাততালিও পড়ে।

    দেখে একটু বিস্মিতই হয়েছিলাম যে, শো শেষ হবার পর জনাকয় বিদেশি দর্শক আমার দিকে এগিয়ে এলেন এবং বললেন যে, ছবিটা তাঁদের খুবই ভাল লেগেছে। কিন্তু সে তো শুধুই বিদেশিরা। বাঙালি দর্শকরা যেন ইচ্ছে করেই এড়িয়ে গেলেন আমাকে। টেবিলে যেখানে ডিনার সাজানো রয়েছে, সরাসরি সেখানে গিয়ে লাইন লাগালেন তাঁরা। এইমাত্র যে ছবিটা তাঁরা দেখলেন, যেন সে সম্পর্কে একটাও প্রশংসার কথা তাঁদের বলবার নেই। কাঁটায় খাবার তুলে তাঁরা মুখের মধ্যে চালান করছেন, হরেক রকমের গালগল্প করছেন নিজেদের মধ্যে, কিন্তু ছবিটা নিয়ে যেন বলার মতো কোনও কথাই নেই।

    পরের দিন যথারীতি আপিসে যাই। কিমারের তখনকার আপিস থেকে কিছুটা হেঁটেই কফি হাউসে পৌঁছে যাওয়া যেত। দুপুরের হাল্কা লাঞ্চ সাধারণত ওখানেই আমি সেরে নিতাম। কর্মজীবনের সেই একেবারে সূচনা থেকেই এই অভ্যাসটা আমার হয়ে যায়। জনা ছয়েক বন্ধুও সেখানে আসত। ফলে বেশ আড্ডাও হত কিছুক্ষণের জন্য। খাওয়া হত, গল্পগুজব হত, দিব্যি কেটে যেত সময়টা। সেদিনও দুপুরবেলায় আপিস থেকে বেরিয়ে কফি হাউসে গিয়েছি। সেখানে আমার বন্ধু জে ওয়াল্টার টমসনের সুভাষ ঘোষালের সঙ্গে দেখা। অর্ডনান্স ক্লাবে সেদিন প্রোজেক্টর আর কাঠের মেঝের আওয়াজ ছাড়া আর কী সমস্যা হয়েছিল, সুভাষের কাছে তা শুনতে পাই। দর্শকদের মতটা নাকি মোটামুটি এই যে, ছবিটা বড্ডই লম্বা। যেমন ধরা যাক (সুভাষের নয়, এটা অন্য কারও কথা), ওই যে সব জলের পোকা আর ফড়িং, ওগুলো ওখানে কী করছিল? কাহিনীর সঙ্গে ওদের কিসের সম্পর্ক? কথাটা শুনে আমি বিজ্ঞের মতো মাথা নাড়লাম, কিছু বললাম না। ভাবছিলাম যে, এই যদি হয় শিক্ষিত বাঙালি দর্শকদের প্রতিক্রিয়া, সাধারণ দর্শকদের কাছে তা হলে এ-ছবির ভবিষ্যৎ কী?

    এ-প্রশ্নের উত্তর পাবার জন্য আমাকে ২৬ অগস্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল।

    অরোরা ফিল্ম কর্পোরেশন চুক্তিবদ্ধ ছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নিউজ-রিলগুলো তারাই তুলবে। ‘পথের পাঁচালি’র বাংলা পরিবেশন-স্বত্ব তারাই পায়। এটাই স্বাভাবিক। ঠিক হয়, কলকাতায় যে-সব ছবিঘর রয়েছে তারই একটি চেনে এ-ছবি দক্ষিণ, মধ্য ও উত্তর কলকাতায় একইসঙ্গে মুক্তিলাভ করবে।

    মুক্তিলাভের অনেক আগেই, বিজ্ঞাপনী প্রচারকর্মে আমার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে, বিলবোর্ডের পাঁচটা ডিজাইন আমি তৈরি করে রেখেছিলাম। শহরের পাঁচটা জায়গায় সেগুলো প্রদর্শিত হবে। শহরের একেবারে কেন্দ্রে, চৌরঙ্গিতে, প্রদর্শনের জন্য যে ছবির ডিজাইন করেছিলাম, দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে সেটি কুড়ি ফুট বাই আট ফুট। তাতে বর্ষাকালের কালো বিশাল একখানা মেঘের তলায় ছুটন্ত অবস্থায় অপু আর দুর্গাকে দেখা যাচ্ছে। দুটি মাত্র শব্দ লেখা আছে সেখানে: ‘পথের পাঁচালি’। ছবিটির মুক্তিলাভের আগে মাস দুয়েক ধরে এই বিলবোর্ড নিয়ে লোকে আলোচনা করে।

    দক্ষিণ কলকাতায় এ-ছবির মুক্তির দিনে যেন একটা উৎসবের মতন পরিবেশ হয়েছিল। আমন্ত্রিত সাংবাদিকরা তো এসেছিলেনই, সেইসঙ্গে এসেছিলেন আমাদের অনেক আত্মীয়বান্ধব, লেখক, সমালোচক আর সিনেমা-জগতের লোকজনেরা।

    যে সাড়া পাওয়া গিয়েছিল, তা প্রায় অবিশ্বাস্য। অর্ডনান্স ক্লাবে যে প্রতিক্রিয়া দেখেছিলাম, তার তিক্ত স্মৃতি তাতে মুছে যায়। অল্পবয়সী যে-সব ছেলেমেয়েকে আমি চিনি না পর্যন্ত, আমাকে একটু ছোঁবার জন্যে যেন হুড়োহুড়ি পড়ে যায় তাদের মধ্যে। সাফল্য যে কী জিনিস, তা আমি বুঝতে পারি। ব্যাপার দেখে মিঃ মাথুরও অমনি ভোল পাল্টে আমার দিকে চলে আসেন। তাঁরও মুখে দেখলাম প্রশংসা ধরছে না, উৎসাহের আতিশয্যে আমার হাত ধরে তিনি ঝাঁকাতে থাকেন। সরকার থেকে যে টাকা দেওয়া হয়েছে এই ছবি তৈরি করার জন্য, তা যে অনেকগুণ হয়ে ফিরে আসবে, এটা তিনি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছিলেন।

    উদ্বোধনী দিনটির কথা ছেড়ে দিয়ে বলি, প্রথম দু’ সপ্তাহ এ-ছবি মোটামুটি ভালই চলেছিল। যে-চেনে ছবিটি মুক্তিলাভ করে, তাতে মোট ছ’ সপ্তাহের বুকিং ছিল আমাদের। সপ্তম সপ্তাহ থেকে বুকিং ছিল এস. এস. ভাসানের। ইনি দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত প্রযোজক, অনেকটা ডি মিলের মতো জাঁকজমকের ছবি করেন, সদ্য যে ছবিটি তাঁর প্রযোজনায় তখন তৈরি হয়েছে, বুকিং অনুযায়ী ‘পথের পাঁচালি’ তুলে নিয়ে সেই ছবিটিই সপ্তম সপ্তাহ থেকে দেখাবার কথা। এদিকে আবার তৃতীয় সপ্তাহ থেকে তিনটি ছবিঘরেই ‘পথের পাঁচালি’র টিকিট বিক্রির হার হঠাৎ বেড়ে যায়, আর তারপরেই দেখা যায় যে, ছবিটি সর্বত্র পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে চলছে। প্রতিটি শোতেই হাউস ফুল।

    এই অবস্থায় অরোরা ফিল্ম কর্পোরেশন চেন পালটাতে বাধ্য হয়। ছবিটিকে তারা নিয়ে যায় অন্য একটি চেনে। সেখানে আরও সাত সপ্তাহ ছবিটি চলেছিল। অর্থাৎ যাকে বক্স অফিস হিট বলা হয়, ‘পথের পাঁচালি’ ঠিক তা-ই হয়ে দাঁড়ায়।

    যা-ই হোক, ছ’ সপ্তাহের পরে তো আগের চেন থেকে ছবিটিকে তুলে নেওয়া হয়। তার পরদিন সাত-সকালে আমাদের বাড়ির কাজের লোকটি এসে আমার ঘুম ভাঙিয়ে দিয়ে বলে যে, এক ভদ্রলোক আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। চটপট জামাকাপড় পালটে বাইরের ঘরে এসে ধুতি-পরা এক ভদ্রলোককে দেখতে পাই। দেখে মনে হল দক্ষিণ-ভারতীয়। চেহারায় এ ছাড়া আর কোনও বৈশিষ্ট্য নেই। চুপচাপ একটা সোফায় তিনি বসে ছিলেন। আমাকে দেখে দাঁড়িয়ে উঠে বললেন, “আপনিই কি মিঃ সত্যজিৎ রায়?” বললাম, “হ্যাঁ।” ভদ্রলোক তাতে বললেন, “আমার নাম এস. এস. ভাসান। আমি ‘ইনসানিয়াত’ ছবির পরিচালক।” শুনে বললাম, তাঁর মতন বিখ্যাত পরিচালক যে আমার বাড়িতে এসেছেন, এ আমার পরম সৌভাগ্য। কিন্তু এত সকালে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসার কারণ কী, তা তো বুঝতে পারছি না।

    “কারণ তো আপনিই।” মিঃ ভাসান বললেন, “গতকাল রাতে আপনার ছবিটি আমি দেখে এসেছি। আগে যদি জানতে পারতাম যে, অমন ছবিকে সরিয়ে দিয়ে তার জায়গায় আমার ছবি দেখানো হবে, তা হলে আমি ‘ইনসানিয়াত’-এর মুক্তির দিন পিছিয়ে দিতাম। সত্যিই একটা মহৎ ছবি আপনি তৈরি করেছেন।”

    কথাটা শুনে অভিভূত বোধ করি। মিঃ ভাসানকে এক কাপ কফি খেয়ে যেতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি আর দাঁড়ালেন না। কথাটা বলেই বিদায় নিলেন।

    কাগজে-কাগজে ‘পথের পাঁচালি’র অকুণ্ঠ প্রশংসা হয়েছিল। সমালোচকদের বিশেষণের ভাঁড়ার ফুরিয়ে যাবার উপক্রম হয়। পরে অন্যান্য শহরে এ-ছবি সাব-টাইটেল ছাড়াই দেখানো হতে থাকে। সাব-টাইটেলের ব্যবস্থা করা যায়নি, তার একমাত্র কারণ, টাকা ছিল না। তা সত্ত্বেও, যাঁরা বাংলা বোঝেন না, তাঁদের মধ্যেও এ-ছবি একই রকমের সাড়া জাগিয়ে দিয়েছিল।

    উপর্যুপরি এর পরে সম্বর্ধনার ব্যবস্থা হতে থাকে আমাদের। সম্বর্ধনা একা আমার নয়, আমার সঙ্গে আমাদের ইউনিটের কর্মীদের আর সেইসঙ্গে অভিনেতা-অভিনেত্রীদেরও। যেমন প্রকাশ্য তেমন ঘরোয়া সম্বর্ধনা। সেনেট হলেও একটা সম্বর্ধনার আয়োজন হয়েছিল, ছাত্রসমাজ তাতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন। দিল্লিতে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে ‘পথের পাঁচালি’ দেখানো হয়েছিল। এক জায়গায় মারি সিটনও এ-ছবি দেখেন। তিনি এ-দেশে এসেছিলেন চলচ্চিত্র, বিশেষ করে আইজেনস্টাইনের চলচ্চিত্র, সম্পর্কে বক্তৃতা দিতে। দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে তিনি আমার সঙ্গে দেখা করেন। ছবিটা তাঁর ভাল তো অবশ্যই লেগেছিল। কিন্তু শুধু তা-ই নয়, বললেন যে, অবিমিশ্র দারিদ্র্যের ছবি বলে যদি কোনও সমস্যা দেখা দেয়, তবে ছবিটির সপক্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কোনও সওয়াল করতে হলে তিনি তা করবেন। এ ব্যাপারে যা-কিছু করা দরকার, সবই তিনি করতে রাজি। বললাম, যে কারণের কথা তিনি বললেন, তারই জন্যে যে জনাকয় মন্ত্রী এই ছবিটির উপরে খাপ্পা হয়ে আছেন, এমন আমি শুনেছি। সংশ্লিষ্ট দফতরে তৎক্ষণাৎ একটি চিঠি লিখে পাঠিয়ে দেন মারি সিটন। তাতে ছবিটির প্রভূত প্রশংসা করে তিনি মন্তব্য করেন, তা-ই যদি হয়, তবু এ-ছবি বিদেশে দেখানো দরকার।

    এক বিশেষ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করে এ-ছবি ডঃ বিধানচন্দ্র রায়কে দেখানো হয়েছিল। দেখে তিনি মুগ্ধও হয়েছিলেন। এর মাস কয়েক বাদে তিনি আমাকে বলেন যে, পণ্ডিত নেহরু শিগগিরই কলকাতায় আসছেন, তখন যেন ছবিটি তাঁকে দেখাবার ব্যবস্থা করি।

    লাইটহাউসের মিনিয়েচার হল-এ নেহরু তাঁর দুই সঙ্গীকে নিয়ে ছবিটি দেখেন। ডাক্তার রায় ও আমি বাংলা থেকে মাঝে-মাঝে ইংরেজিতে অনুবাদ করে কাহিনীর সূত্রটা তাঁকে ধরিয়ে দিই। তিনিও ছবিটি দেখে অভিভূত হন। পরে, ১৯৫৬ সালে, কান চলচ্চিত্র উৎসবে এ-ছবি পাঠানো হবে কি না এই প্রশ্ন উঠলে যাঁরা এর বিরোধিতা করেছিলেন, নেহরু তাঁদের চুপ করিয়ে দেন।

    উৎসবে ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রতিনিধি হিসাবে গিয়েছিলেন, (বোম্বাইয়ের) বাঙালি চিত্র-প্রযোজক হিতেন চৌধুরি। ইনি আমার চেনা মানুষ। ‘পথের পাঁচালি’র হয়ে ইনি খুব লড়ে গিয়েছিলেন। কান থেকে ইনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। ওই কান থেকেই এক চিঠি লিখে ইনি আমাকে জানান যে, ছবিটির জন্য ভারত সরকার কিছুই করছেন না। অন্তত একটা পার্টির আয়োজন, যা সবাই করে, তাও এঁরা করেননি।

    কান চলচ্চিত্র উৎসবে এক ছুটির দিনে ছবিটি দেখানো হয়। তাও আবার দেখানো হয়েছিল মধ্যরাতে। ‘পথের পাঁচালি’র আগে সেদিন আরও চারটি ফিচার ফিল্ম দেখানো হয়। তার মধ্যে চতুর্থটি ছিল কুরোসাওয়ার নতুন একটি ছবি, উৎসবে যার বিশেষ কদর হয়নি। জুরি-মেম্বারদের অধিকাংশই সেদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। যাঁরা এসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন আমার বন্ধু লিন্ডসে অ্যান্ডারসন, লটি আইসনার, আঁদ্রে বাজিন, জর্জ সাদুল ও জিন মস্কোভিত্‌স। এঁরা সবাই ছবিটি নিয়ে কথা বলেন। জুলে দাস্যাঁও এঁদের সঙ্গে যোগ দেন। অল্প যে ক’জন জুরি-মেম্বার আমার ছবিটি দেখেছিলেন, দাস্যাঁ তাঁদের অন্যতম। উৎসব-কমিটিকে এঁরা চাপ দেন। তাঁদের বলে দেন যে, জুরি-মেম্বারদের উপস্থিতিতে এ-ছবি আবার দেখাতে হবে। ফলে, বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করে ছবিটি আবার দেখানো হয়। তাতে ‘বেস্ট হিউম্যান ডকুমেন্ট’ হিসাবে ‘পথের পাঁচালি’ পায় স্পেশ্যাল জুরি পুরস্কার। একেবারে অবজ্ঞাত হওয়ার চেয়ে এ বরং অনেক ভাল। যেমন দেশে তেমন বিদেশের চলচ্চিত্র উৎসবেও ‘পথের পাঁচালি’ এর পরে ডজন খানেক পুরস্কার পেয়েছে। ম্যানিলার উৎসবে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসাবে চুনিবালা একটি বিশেষ পুরস্কার পেয়েছিলেন।

    ‘পথের পাঁচালি’ মুক্তিলাভের অল্প কিছুদিন আগে চুনিবালা একটা দুর্ঘটনা ঘটিয়ে বসেন, পড়ে গিয়ে তাঁর ‘হিপবোন’ ভেঙে যায়। ফলে তাঁর জন্য ব্যবস্থা করা হয় বিশেষ প্রদর্শনীর। ১৬ মিলিমিটারের একটা প্রিন্ট করিয়ে সেটা তাঁর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দেখাতে হয়। পুরস্কার পাবার অল্প কয়েকটা দিন বাদেই তিনি মারা যান।

    কিছুদিন ধরেই ভাবছিলাম যে, বিজ্ঞাপন-আপিসের কাজটা ছেড়ে দিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণকেই আমার সর্বসময়ের কাজ করে নেব। ‘পথের পাঁচালি’র সাফল্যে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। এতে আমার স্ত্রীর সম্মতি ছিল। মা সে-ক্ষেত্রে গোড়ার দিকে রাজি না-হলেও পরে আর কোনও আপত্তি করেননি। নানা কাগজে ‘পথের পাঁচালি’র যে-সব সমালোচনা বার হচ্ছিল, লাল মলাটের বড় একখানা খাতায় তিনি ইতিমধ্যেই সেগুলিকে খুব নিপুণ হাতে সেঁটে রাখতে লেগে গিয়েছিলেন।

    কিন্তু অত ভাল একটা চাকরি যে ছেড়ে দেব, তার আগে তো পরের ছবিটা করবার মতো একটা গল্পের খোঁজ পাওয়া চাই। সেইসঙ্গে চাই এমন কাউকে, ছবির পিছনে যিনি টাকা ঢালতে রাজি হবেন। ‘পথের পাঁচালি’ সফল হওয়ায় অবশ্য এই ভরসাটা ছিল যে, পরের ছবিটা তুলতে আর এত বেগ পেতে হবে না।

    তার প্রমাণও পাওয়া গেল। প্রযোজক মুরলীধর চাটুজ্যে জানালেন যে, তাঁর কোম্পানি এম. পি. প্রোডাকসন্সের ব্যানারে যদি ছবি তুলি তো পরপর পাঁচটা ছবি তুলবার টাকা তিনি জোগাবেন। শর্তগুলি কী হবে, তা নিয়ে চাটুজ্যেমশাইয়ের সঙ্গে কথা বলবার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল অনিলবাবুকে। কিন্তু টেকনিশিয়ানদের জন্য অনিলবাবু যে টাকা চান, চাটুজ্যে তাতে রাজি না-হওয়ায় আলোচনা ভেস্তে যায়।

    এদিকে আমি একটার পর একটা বাংলা উপন্যাস পড়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু তার কোনওটাই আমার মনঃপূত হচ্ছিল না। ফিল্ম করবার জন্য কেউ যখন গল্প খুঁজতে বসে, তখন ঠিক কী ধরনের গল্প সে চায়? এ বড় কঠিন প্রশ্ন। অনেক সময় হয়তো গোটা গল্পটাই আদ্যন্ত একেবারে ফিল্মের উপযোগী। আবার এমনও হয় যে, অনেক চরিত্রের মধ্যে একটি চরিত্রকে অথবা চরিত্রগুলির মধ্যে যে সম্পর্কের সংঘাত চলছে সেই সংঘাতকে একটু আলাদা করে মনে ধরে। কিংবা গল্পের মধ্যে যে-সব পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছি আমরা, তার মধ্যে একটি—মাত্র একটিই—পরিস্থিতি আমাদের ভাল লেগে যায়। মনে হয়, এর মধ্যে একটা মৌলিক ভাবনার ব্যাপার রয়েছে কিংবা এটা খুবই চিত্তাকর্ষক, এবং এটাকে কেন্দ্র করেই একটা গল্প গড়ে তোলা যায়। যখন ‘পথের পাঁচালি’ পড়ি, ও বইয়ের কয়েকটা ব্যাপারই আমাকে তখন খুব আকর্ষণ করেছিল। দুটো মৃত্যু, তুমুল বৃষ্টি, বুড়ি পিসি, সর্বজয়া-চরিত্রের দুটো দিক—একটা দিক মমতাময়, অন্যটা নিষ্ঠুর—এই সবকিছুর দ্বারাই আমি আকৃষ্ট হই। শেষ পর্যন্ত যে মনস্থ করি অপুকে নিয়েই আর-একটা ছবি তুলব, তারও এই একই কারণ। “অপরাজিত’র মধ্যে অপুর চরিত্রের এমন একটা দিকের সন্ধান পাই, যা আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়। বইয়ের মধ্যে সেই দিকটার উদ্‌ঘাটন হয়েছে খুবই নাটকীয়ভাবে। সেখান থেকেই খানিকটা অংশ তুলে দিচ্ছি: “সর্বজয়ার মৃত্যুর পর কিছুকাল অপু এক অদ্ভুত মনোভাবের সহিত পরিচিত হইল। প্রথম অংশটা আনন্দ-মিশ্রিত—এমনকি মায়ের মৃত্যু-সংবাদ প্রথম যখন সে তেলি-বাড়ির তারের খবরে জানিল, তখন প্রথমটা তাহার মনে একটা আনন্দ, একটা যেন মুক্তির নিশ্বাস…একটা বাঁধন-ছেঁড়ার উল্লাস—অতি অল্পক্ষণের জন্য—নিজের অজ্ঞাতসারে। তাহার পরই নিজের মনোভাবে তাহার দুঃখ ও আতঙ্ক উপস্থিত হইল। এ কী! সে চায় কী! মা যে নিজেকে একেবারে বিলোপ করিয়া ফেলিয়াছিলেন তাহার সুবিধার জন্য! মা কি তাহার জীবনপথের বাধা?—কেমন করিয়া সে এমন নিষ্ঠুর, এমন হৃদয়হীন—। তবুও সত্যকে সে অস্বীকার করিতে পারিল না। মাকে এত ভালবাসিত তো, কিন্তু মায়ের মৃত্যু-সংবাদটা প্রথমে যে একটা উল্লাসের স্পর্শ মনে আনিয়াছিল—ইহা সত্য—সত্য—তাহাকে উড়াইয়া দিবার উপায় নাই।”

    ছবিতে অবশ্য এমন কোনও দৃশ্য নেই। কিন্তু অপু যে বড় হচ্ছে আর সেইসঙ্গে সরে যাচ্ছে তার মায়ের কাছ থেকে, এটা সেখানে দেখানো হয়েছে। এটা যে ধীরে-ধীরে বুঝতে পারছেন সর্বজয়া, এই উপলব্ধির উপরেও বেশ জোর পড়েছে ছবিতে।

    ‘অপরাজিত’র কাহিনী যেভাবে সাজিয়ে নিলে তার থেকে ছবি হতে পারে বলে আমার মনে হয়েছিল তাতে ছবির সূচনা হয় কাশীতে। হরিহর সেখানে পুরোহিতের কাজ করেন, সেইসঙ্গে গঙ্গার ঘাটে শাস্ত্রপাঠ করে শোনান। অপুর বয়স তখন মাত্র দশ বছর। ছবির শেষে দেখি, সে কলেজের ছাত্র। মায়ের মৃত্যুর পরে সে গ্রামের আত্মীয়-বাড়ির আশ্রয় ছেড়ে একজন অনাথ হিসেবেই জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে থাকে। এই কাহিনীর মানবিক আবেদন খুবই তীব্র। তবে সে-কথা যদি ছেড়েও দিই, তো বলব, কাশীর পটভূমিকায় ছবির প্রথমাংশ করার যে ভাবনা, সেটা আমাকে দারুণভাবে আকর্ষণ করেছিল। এর আগেও আমি কাশীতে গিয়েছি। তাই জানি যে, ক্যামেরার দৃষ্টিতে ওর চেয়ে আকর্ষণীয় জায়গা পৃথিবীতে আর একটিও নেই। তা ছাড়া, ‘পথের পাঁচালি’র মতোই ‘অপরাজিত’র মধ্যেও আছে দুটি মৃত্যু। ছবির মাঝামাঝি জায়গায় হরিহরের মৃত্যু আর শেষের দিকে সর্বজয়ার। দুটি মৃত্যু বিভূতিভূষণ অতি মর্মগ্রাহী ভাষায় বর্ণনা করেছেন। মৃত্যুর দৃশ্য চলচ্চিত্রকারদের চিরকালই খুব টানে। এখানে তাঁরা তাঁদের কল্পনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাবার মতো একটা জায়গা পেয়ে যান। আমিও এর ব্যতিক্রম নই।

    ‘অপরাজিত’ই যে করব, এটা স্থির হওয়ার আগে নরেন্দ্রনাথ মিত্রের একটা গল্প পড়েছিলাম। চলচ্চিত্রের উপযোগী বিষয় হিসাবে সেটিও আমাকে খুব আকর্ষণ করে। শেষ পর্যন্ত ষাটের দশকের গোড়ার দিকে সেই গল্প নিয়ে আমি ‘মহানগর’ ছবিটি তৈরি করি। গল্পের মধ্যে বাবার যে চরিত্র, তিনি একজন ইস্কুলমাস্টার। এই চরিত্রে অভিনয় করার জন্য আমি বাংলা নাটকের গুরুস্থানীয় অভিনেতা শিশিরকুমার ভাদুড়িকে অনুরোধ করি। এর আগে ‘পথের পাঁচালি’ দেখে শিশিরবাবু আমাকে ডেকে পাঠিয়ে ছবিটি সম্পর্কে অনেক প্রশংসার কথা বলেছিলেন। কিন্তু ইস্কুলমাস্টারের চরিত্রে অভিনয় করতে অনুরোধ করায় তিনি হেসে বললেন, “সত্যজিৎ, ফিল্মের যা-কিছু কাজ, তা যে একা পরিচালকই করেন, সে-কথা যেমন আমিও জানি, তেমন তুমিও জানো। তা হলে আর আমাকে তোমার দরকার হচ্ছে কেন?” যা-ই হোক, ‘মহানগর’-এর কাজ তখনকার মতো মুলতুবি থাকে।

    চলচ্চিত্র নির্মাণকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করে আমি ‘অপরাজিত’ ছবিটি তৈরি করব বলে স্থির করি। নিকলসন আমাকে আন্তরিক শুভেচ্ছায় বিদায় অভিনন্দন জানান। স্টুডিয়োর সহকর্মীদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আমি কিমার ছেড়ে চলে আসি।

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয় বাবা ফেলুনাথ – সত্যজিৎ রায়
    Next Article ফটিকচাঁদ – সত্যজিৎ রায়

    Related Articles

    সত্যজিৎ রায়

    মানপত্র সত্যজিৎ রায় | Maanpotro Satyajit Ray

    October 12, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }