Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপুর পাঁচালি – সত্যজিৎ রায়

    উপন্যাস সত্যজিৎ রায় এক পাতা গল্প190 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৭. পতন-অভ্যুদয়

    ‘পথের পাঁচালি’ যেখানে মুক্তি পেয়েছিল, ১৯৫৬ সালের অক্টোবরে ‘অপরাজিত’ও সেই তিন ছবিঘরে একইসঙ্গে মুক্তি পায়। এটা ঘটল আমরা ছবিটা শুরু করবার আট মাস বাদে। মুক্তিলাভের আগে অনেকটা সময় হাতে পাওয়া গিয়েছিল বলে এবারে আর-চূড়ান্ত এডিটিংয়ের কাজটা তাড়াহুড়ো করে করতে হয়নি। ছবিটি কলকাতায় মুক্তিলাভের আগে দিল্লি থেকে খবর আসে যে, নেহরু আর আমাদের রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ ছবিটি দেখতে চান। একটা প্রিন্ট নিয়ে ১১ অক্টোবর আমি বিমানযোগে দিল্লি চলে যাই। রাষ্ট্রপতির যে ব্যক্তিগত প্রেক্ষাগার রয়েছে, সেখানে ছবিটি দেখানো হয়। প্রেক্ষাগারে ইন্দিরা গান্ধী এসেছিলেন, তা ছাড়া এসেছিলেন জনাকয় সরকারি লোকজন। ছোট্ট প্রেক্ষাগারটি তাতেই ভরে যায়। প্রোজেকটারের গণ্ডগোলের জন্য ছবির প্রদর্শন মিনিট পনরোর জন্য ব্যাহত হয়েছিল। কী হয়েছে সেটা দেখবার জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে আমি প্রোজেকশন-যন্ত্রের কাছে ছুটে যাই। যন্ত্রে যে গণ্ডগোল ঘটেছিল, সেটা অবশ্য ছোটখাটো ধরনের। শিগগিরই সেটা মেরামতও হয়ে যায়। প্রোজেকশনের ব্যাপারে তারপরে আর কোনও বিভ্রাট ঘটেনি। ছবি শেষ হয়ে যাবার পরে নেহরু এসে আমাকে অভিনন্দন জানিয়ে জিজ্ঞেস করেন, “এর পরে অপুর কী হবে?”

    এর পরে যাঁরা ছবিটি দেখবেন, তাঁদের মনেও যে এই একই জিজ্ঞাসা জাগতে পারে, এটা তখনও বুঝতে পারিনি। নেহরুর প্রশ্নের উত্তরে তাই বলি, অপুকে নিয়ে তৃতীয় ছবি করবার কোনও পরিকল্পনা আমার নেই।

    ছবির মুক্তির আগে সাধারণত বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনদের ডেকে আমি ছবিটা তাঁদের একবার দেখাই। এবারেও সেটা করেছিলাম। ‘নিউ এম্পায়ার’-এ আসনের সংখ্যা ন’শোর মতন। ছবিটা সেখানে তাঁদের দেখানো হল। সবাই খুব খুশি। অনেক প্রশংসা করলেন তাঁরা।

    সাংবাদিকরাও ছবি দেখে যৎপরোনাস্তি খুশি হলেন। তাঁদের স্বীকার করতে হল যে, ‘পথের পাঁচালি’র সাফল্য একটা হঠাৎ-ঘটে-যাওয়া ব্যাপার নয়, আবারও আমি একটা চমৎকার ছবি তৈরি করেছি। প্রথম কয়েক সপ্তাহ প্রচণ্ড ভিড়। কিন্তু তারপরেই টিকিট বিক্রির হার পড়ে যেতে থাকে। সাত সপ্তাহের পর ছবিটি তুলে নেওয়া হয়। ব্যাপারটা তখন খুব ভাবিয়ে তুলেছিল আমাকে। শুধু আমাকে নয়, গোটা ইউনিট আর বাড়ির লোকজনেরাও এই নিয়ে বড় দুর্ভাবনায় পড়ে যান। সমস্যাটা কী, এমন হল কেন? চিন্তাভাবনা করে আমার যা মনে হয়েছিল, তা বলি।

    চিত্ররূপটা লোকের মনে ধরেনি। দর্শকদের মনে হয়েছিল যে, আলাদা দুটো ফিল্মে তাঁরা আলাদা দুই অপুকে দেখছেন। অথচ তাঁরা হয়তো একই অপুকে দেখতে পেলে খুশি হতেন। সেইসঙ্গে আর-একটা কথাও আমার মনে হয়। সেটা এই যে, বড্ড-অপুর সঙ্গে তার মায়ের সম্পর্কটা তাঁদের কাছে বড়-বেশি হৃদয়হীন বলে মনে হয়েছে। মা ও ছেলের যে সম্পর্ক দেখতে তাঁরা অভ্যস্ত, সেটা কোমল রঙে আঁকা। যে মা তাঁর ছেলের জন্য নিজের গোটা জীবনটাকেই উৎসর্গ করে দিয়েছেন, পনরো-বছর বয়সের একটি ছেলে কী করে সেই মায়ের প্রতি এত হৃদয়হীন আচরণ করতে পারে? সত্যকথাটা তা হলে এই দাঁড়াচ্ছে যে, ‘অপরাজিত’-এ যে মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্ক চিত্রিত হয়েছে, বাঙালি দর্শকসমাজ তার জন্য প্রস্তুত নয়। সাধারণ দর্শকদের ভিড়ের মধ্যে বসে ‘অপরাজিত’ দেখতে-দেখতে এমনও আমার মনে হয় যে, ছবিতে কিছু ত্রুটি রয়েছে। এর জন্য সংগতভাবেই রবিশঙ্করকে দায়ী করা যায়। এবারেও তিনি তাড়াহুড়ো করে কাজ করেছিলেন। কয়েকটা দৃশ্যে আবহসংগীত যোজনার দরকার ছিল, কিন্তু তাও তিনি আমাকে তৈরি করে দেননি। সে-সব দৃশ্যে নৈঃশব্দ্য খুবই পীড়াদায়ক। আবহসংগীত যোজিত হলে এমনটা হত না, দর্শকদের মনে সেগুলি আরও ছাপ ফেলত পারত। তবু, যেটুকু তিনি করেছেন, তার জন্যই তাঁর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। যে-সময়ের কথা বলছি, রবিশঙ্কর তখন দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন, সব সময়ে তাঁকে ব্যস্ত থাকতে হয়। তারই মধ্যে আদৌ যে কিছুটা সময় তিনি আমার জন্য বার করতে পেরেছিলেন, তা-ই কি কম?

    এর পরে কী ছবি করা যায়, ক্রমাগত তা-ই নিয়ে তখন মাথা ঘামাচ্ছি। আমার ছবি সর্বসাধারণের জন্য নয়, ও শুধু মুষ্টিমেয় বোদ্ধার জন্য—এইভাবে কখনও আমি চিহ্নিত হতে চাইনি। বরং সব সময়ে এটাই আমি ভেবেছি যে, দর্শক-সমাজের কথা মনে রেখেই ছবি করতে হবে। পরিচালক যে তাঁর উদ্‌ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগাবেন, তার জন্য তো অন্যের উপরে নির্ভর করতে হবে তাঁকে। অন্যের উপরে মানে এমন কারও উপরে, যিনি রসদ জোগাবেন। অতএব পরিচালককে চেষ্টা করতে হবে যাতে খরচটা উঠে আসে। টাকা ঢেলে যদি লাভ না হয়, তবে টাকা ঢালতে কেউ রাজি হবে কেন?

    আগেই বলেছি, প্লাস্টার-বাঁধা অবস্থায় যখন শয্যাশায়ী ছিলাম, তখন প্রচুর বাংলা গল্প-উপন্যাস আমি পড়ে ফেলি। উদ্দেশ্য ছিল এমন কোনও কাহিনী খোঁজা, যা থেকে ছবি তৈরি হতে পারে। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অসাধারণ গল্পের সন্ধান সেই সময়ে পেয়ে যাই। গল্পটির নাম ‘জলসাঘর’। এর নায়ক এক সংগীতপ্রেমিক জমিদার। সময়ের সঙ্গে তাল রেখে নিজেকে পালটাতে তিনি রাজি নন। তার ফলও ভোগ করতে হয় তাঁকে। চরিত্রাভিনেতার উপযোগী ভয়ঙ্কর একটি ভূমিকা তো এতে আছেই, সংগত কারণেই নৃত্যগীতের অবকাশও এখানে প্রচুর। ঠিক এই ধরনের ভূমিকার উপযুক্ত একজন অভিনেতা আমাদের আছেনও। তিনি ছবি বিশ্বাস। একে তো তাঁর অভিনয়-প্রতিভা খুবই উঁচু দরের, তার উপরে আবার তিনি খুব জনপ্রিয়ও। গল্পটিকে নিয়ে প্রাথমিক কাজ করতে বসে যাই। এটাই হবে আমার পরবর্তী ছবি।

    ‘জলসাঘর’-এর চিত্রনাট্য লিখতে বসে দেখি যে, যা হলে জনপ্রিয় হয়, চিত্রনাট্য ঠিক সেই রকমের চেহারা নিতে চাইছে না। চেহারা নেয় সামন্ততন্ত্রের অবক্ষয়ের চিত্র হিসেবে। তবে সংগীতসমৃদ্ধ। তার জন্য শুদ্ধ রাগপ্রধান কণ্ঠ- ও যন্ত্র-সংগীতের এমন কয়েকজন শিল্পীর সাহায্য নিই, যাঁদের দক্ষতা একেবারে প্রথম শ্রেণীর। অর্থাৎ ব্যাপারটা এই দাঁড়ায় যে, আমাদের দর্শকসমাজ যে-রকমের বাঁধাধরা ছকে অভ্যস্থ, তারই মধ্যে ছবি তৈরি করব বলে ঠিক করেছিলাম বটে, কিন্তু কার্যত আমার চিত্রনাট্য তার থেকে একেবারে সরে আসে। তখন অবশ্য সেটা বুঝতে পারিনি।

    ক্ষয়িষ্ণু জমিদারের গল্পের জন্য ক্ষয়িষ্ণু প্রাসাদোপম অট্টালিকা চাই। সেটা খুঁজে বার করতে বঙ্গভূমির প্রায় অর্ধেকটা আমরা চষে ফেলি। শেষ পর্যন্ত নিমতিতা বলে একটা জায়গায় তার সন্ধান মেলে। কলকাতা থেকে ট্রেনে উঠে অল্পক্ষণের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। চৌধুরি-পরিবার এ-বাড়ির মালিক। আমাদের তাঁরা সাদর অভ্যর্থনা জানান। বাড়ির সামনের দিক ও দোতলার প্রশস্ত বারান্দাটা যে আমরা ব্যবহার করতে চাই, এই প্রস্তাবে তাঁদের রাজি করাতে কোনও অসুবিধা হয়নি। দোতলার বারান্দা থেকে নদী দেখা যায়। নদীর ওপারে বাংলাদেশ।

    ছবি বিশ্বাস মশাই এ-ছবির নায়ক অর্থাৎ জমিদারের ভূমিকায় নামতে রাজি হয়েছিলেন। তার জন্য ঘোড়ায় চড়াও শিখছিলেন তিনি। এরই মধ্যে হঠাৎ একদিন তিনি আমাকে জানান যে, বার্লিন যাবার জন্য তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। সেখানকার চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতা-বিভাগে তাঁর অভিনীত একটা ছবি দেখানো হবে। সেই ছবির জন্যই তাঁর যাওয়া। বললেন, “এর আগে তো কখনও বিদেশে যাইনি। কদ্দিন যে বাইরে থাকব, তাও জানি না। ”

    ফলে যা অবস্থা দাঁড়াল, তা আমাকে দমিয়ে দেবার পক্ষে যথেষ্ট। কিন্তু ছবি বিশ্বাস মশাইকে ‘না’ও তো বলা যায় না। ঠিক করলাম যে, উনি যখন যেতে চাইছেন, তখন যেতে দেওয়াই ভাল, উনি চলে গেলে নাহয় আর-একটা ছবি ধরে সেটার কাজ শেষ করব। তারপরে আবার শুরু করা যাবে ‘জলসাঘর’-এর কাজ। মোট কথা, উনি ফিরে না-আসা পর্যন্ত একেবারে নিষ্কর্মা হয়ে বসে থাকতে আমি রাজি নই।

    যে-সব গল্প পড়েছিলাম, তার মধ্যে ছিল একটা রূপক-ধাঁচের রসরচনা। নাম ‘পরশপাথর’। এটি আমাদের বিখ্যাত রসরচনাকার পরশুরামের লেখা। গল্পটা এক ব্যাঙ্কের কেরানিকে নিয়ে। দৈবাৎ তিনি একটি পরশপাথর পেয়ে যান। যে-কোনও লোহায় তা ছোঁয়ানো মাত্র সেটা সোনা হয়ে যায়। ওই করে তিনি বিরাট ধনী হয়ে ওঠেন ঠিকই, কিন্তু বিলাস-বৈভবে তাঁর অরুচি আসে, তা ছাড়া এটাও তিনি দেখতে পান যে, অত্যধিক বিত্ত তাঁর স্বস্তি ঘুচিয়ে দিয়েছে। এইসব দেখে তিনি ফিরে যান তাঁর মধ্যবিত্ত জীবনে।

    ছবি বিশ্বাস চলে যাবার পরে প্রমোদ লাহিড়িকে আমরা আমাদের এই নতুন ছবির প্রযোজক হিসেবে পাই। তাঁর কোম্পানির নাম এল. বি. ফিল্মস ইন্টারন্যাশনাল। ব্যাঙ্কের কেরানির ভূমিকায় নির্বাচন করি তুলসী চক্রবর্তী মশাইকে। তাঁর ছেচল্লিশ বছরের অভিনেতা-জীবনে এই প্রথম তিনি এমন একটি সত্যিকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পেলেন, যা তাঁর প্রতিভার যোগ্য। ‘পরশপাথর’-এর কাজ অত্যন্ত দ্রুত ও মসৃণভাবে শেষ হয়। কিন্তু এ-ছবি মুক্তিলাভের আগে ‘ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব’-এ যোগ দেবার জন্য আমি আমন্ত্রিত হই। উৎসবে দেখানো হবে আমার ‘অপরাজিত’। ছবিটির পরিবেশন-ভার শান্তি চৌধুরিকে দেওয়া হয়। ইনি একজন খাঁটি চলচ্চিত্রপ্রেমিক মানুষ, অথোপার্জনের ব্যক্তিগত কিছু ব্যবস্থাও এঁর আছে। ভদ্রলোক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গ্লাসগো গিয়েছিলেন। সম্প্রতি সেখান থেকে ফিরে এসেছেন। কিন্তু ফিরে আসার পর আমার সঙ্গে কথাবার্তা বলে ও ‘অপরাজিত’ দেখে ইনি এমন একটা সিদ্ধান্ত নেন যে, এঁর জীবনটাই তার ফলে পালটে যায়। ভদ্রলোক ঠিক করেন, ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে ফিল্মের লাইনে আসবেন। প্রথমেই খুলবেন একটা ডিসট্রিবিউশন কোম্পানি, আর প্রথমেই যে-ছবি পরিবেশনার দায়িত্ব নেবেন তা হল ‘অপরাজিত’। ছবিটির একটি প্রিন্ট সঙ্গে নিয়ে শান্তি রোম রওনা হন। সেখানে ইতালীয় ভাষায় তিনি এর সাব-টাইটেলের ব্যবস্থা করবেন। আমি যাত্রা করি তার দু’ হপ্তা বাদে। গিয়ে দেখি সাব-টাইটেল করা হয়ে গেছে। রোম থেকে আমরা দু’জন ট্রেনে ভেনিস যাই।

    অল্প দৈর্ঘ্যের ফিল্মটার যে বিভাগ, তার অন্যতম প্রতিযোগী হিসেবে আমার বন্ধু লিন্ডসে অ্যান্ডারসনের ছবি ‘এভ্‌রি ডে একসেপ্ট ক্রিসমাস’ যে এই উৎসবে দেখানো হবে, তা আমি জানতাম। দুর্ভাগ্যের বিষয়, আর-এক জায়গায় যাবার কথা আছে বলে লিন্ডসে এখানে আসতে পারবে না। এটা সে চিঠি লিখে আমাকে আগেই জানিয়ে রেখেছিল। সেইসঙ্গে অবশ্য এও জানিয়েছিল যে, সে না এলেও তার দুই বন্ধু জিন মস্কোভিত্‌স আর লটি আইসনার ভেনিসে আসবেন। ‘পথের পাঁচালি’ এঁদের দুজনেরই ভাল লেগেছিল।

    খালের ধারে একটা ছোট হোটেলে আমরা উঠি। প্রথমেই খোঁজ করি যে, প্রতিযোগিতাটা এখানে কী রকম, এবং আর কী কী ছবি প্রতিযোগিতায় এসেছে। তালিকায় দেখি, নামজাদা সব পরিচালক এখানে ছবি পাঠিয়েছেন। দেখে দমে যাই। কুরোসাওয়া, ভিসকন্তি, জিনেমান, নিকোলাস রে আর আঁদ্রে কায়াতের মতো পরিচালকদের ছবি যেখানে দেখানো হবে, সেখানে আমাদের আর কী আশা করা সম্ভব? জুরি-সদস্যদের মধ্যে ছিলেন পেনেলোপি হুস্টন। তাঁকে ভালই চিনতাম।

    ছবি দেখানো হচ্ছিল পালাজোতে। বিশাল জায়গা, হাজার তিনেক মানুষ সেখানে ধরে যায়। প্রদর্শনীতে কেতা মেনে চলতে হয়। ফলে ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও আমাকে সাদা প্রিন্স-কোট আর কালো ট্রাউজার্স পরতে হয়েছিল।

    জিন আর লটির সঙ্গে চটপট বন্ধুত্ব হয়ে যায়। জিন হচ্ছেন ‘ভ্যারাইটি’ পত্রিকার চিত্র-সমালোচক। লটি মূলত জার্মন। এককালে বার্লিনে থাকতেন। পরে হিটলারের আমলে বার্লিন ছেড়ে প্যারিসে চলে আসেন। বয়স ষাটের উপরে। মধুর স্বভাবের ভদ্রমহিলা। প্রকৃত ফিল্ম-বোদ্ধাও বটেন।

    আমার ছবিটি ষষ্ঠ কিংবা সপ্তম দিনে দেখানো হয়। সাব-টাইটেল নিয়ে শন্তি যা করেছিলেন, ছবিটাকে বোঝার ব্যাপারে তাতে আদৌ কোনও সুবিধে হয়নি। সাব-টাইটেলের কাজটা তিনিই দেখে দেন। কিন্তু লেখাগুলো পর্দায় ফুটে উঠবার পরে এত দ্রুত মিলিয়ে যাচ্ছিল যে, সেগুলো পড়াই যাচ্ছিল না। শান্তির যুক্তি, লেখাগুলোকে বেশিক্ষণ ধরে রাখলে ছবি দেখার অসুবিধা হয়। সেটা তিনি করতে চাননি। তা সে যা-ই হোক, হরিহরের মৃত্যুর সময়ে ওই যে পায়রাগুলো মাটি ছেড়ে একইসঙ্গে উড়াল দেয়, সেই দৃশ্যটিতে দর্শকরা দেখলাম একেবারে স্বতঃস্ফূর্তভাবে হাততালি দিয়ে উঠলেন। ছবি শেষ হতেও ফের সেইরকম হাততালি পড়ল। প্রেক্ষাগৃহ থেকে আমরা এরপর বেরিয়ে আসি। পেনেলোপি দৌড়ে আমার কাছে চলে আসেন। এসে অস্ফুট গলায় বলেন, “তোমাকে বলাটা আমার ঠিক হচ্ছে না; তবু বলি, দারুণ ছবি করেছ!” পরে, প্রেক্ষাগারে দর্শকদের যারা আসন দেখিয়ে দেয়, সেই রকমের একটি মেয়েও শুনলাম আর-একজনকে বলছে যে, সে ‘ভারী সুন্দর একটি ভারতীয় ছবি’ দেখেছে। কথাটা ভুলে যাইনি।

    কী যে ভাবব, বুঝতে পারছিলাম না। যে-সব ছবি এখানে দেখানো হচ্ছে, মনে-মনে তার সঙ্গে আমার ছবিটিকে তুলনা করে দেখার চেষ্টা করি। ভাবি আমার ছবিতে কীসের অভাব রয়েছে। সত্যি বলতে কী, পরিচালকরা যতই নামজাদা হোন, তাতে খুব-একটা আমি দমে যাইনি। তবু বলি, কুরোসাওয়ার ‘থ্রোন অভ্‌ ব্লাড’-এর কথাটা অবশ্যই আলাদা। তার একটা দৃশ্যের উল্লেখ করি। তীর ছুড়ে হত্যা করা হয়েছে ম্যাকবেথকে, আর পিছন থেকে তীরবিদ্ধ ম্যাকবেথকে দেখাচ্ছে একটা শজারুর মতো। মৃত্যুর ওই দৃশ্যটাই তো অবিস্মরণীয়।

    পরদিন সকালে সাংবাদিক বৈঠকে আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়, অপুকে নিয়ে একটা ট্রিলজির কথা ভাবছি কি না। উত্তরে, আশ্চর্য ব্যাপার, আমি বললাম, “হ্যাঁ।” কেন যে বললাম, তা আমি আজও জানি না। হয়তো ভেবেছিলাম যে, ‘হ্যাঁ’ বললে তবেই আমার জবাবটা বেশ জুতসই হয়। উত্তরটা কিন্তু খুব ফলাও করে ছাপা হয়েছিল। আর আমিও দেখলাম, ব্যাপারটা আমার মনের মধ্যে বেশ গেঁথে গেছে। অথচ ‘অপরাজিত’ উপন্যাসের বাদবাকি অংশের মধ্যে তৃতীয় একটা ছবি করবার মতো উপাদান সত্যিই আছে কি না, তাও তখন আমার জানা নেই।

    ‘অপরাজিত’ যেদিন দেখানো হয়, স্থানীয় কাগজগুলিতে তার পরদিন ছবিটির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা বেরিয়েছিল। একটা কাগজে তো এই ছবিকেই দেওয়া হয়েছিল পাঁচটা তারা। অর্থাৎ সেরা গোত্রের ছবি।

    উৎসবের শেষ দিনে আমি আর শান্তি একটা কফিখানায় বসে কফি খাচ্ছি, এমন সময় বেশ বয়স্ক একজন ইউরোপীয় ভদ্রলোক আমাদের দিকে এগিয়ে এসে, মাথাটা একটু নুইয়ে, আমাদের অভিবাদন জানালেন, তারপর আমার কানের কাছে তাঁর মুখটাকে এগিয়ে এনে ফিসফিস করে বললেন, “সিংহগর্জন শুনতে পাচ্ছি।” ভেনিস চলচ্চিত্রোৎসবের পুরস্কার হল সেন্ট মার্কের স্বর্ণসিংহ। পালাজোর হল্‌-এ সেটিকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। আর আসতে-যেতে সেটির দিকে লুব্ধ দৃষ্টিতে আমরা তাকাচ্ছি।

    যা-ই হোক, খবরটা যে পাকা, সেদিনই সন্ধ্যায় সুন্দরী একটি তরুণী এসে তা আমাদের জানিয়ে দেন। ইনি উৎসবেরই কর্মী। যেহেতু পুরস্কার-বিতরণ সভার কাজ চলবে ইতালীয় ভাষায়, সেখানে আমাকে কখন কী করতে হবে, তাও তিনি ভাল করে বুঝিয়ে দিয়ে যান। যা শুনলাম, তা বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। অবশ্য শান্তি ততক্ষণে সেই তরুণীর দুই গালে চুমু দিয়েছেন।

    বিচারকমণ্ডলীর প্রধান হচ্ছেন রেনে ক্লেয়ার। পুরস্কার বিতরণ সভায় গিয়ে দেখি, উৎসবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনিও মঞ্চের উপরে বসে আছেন। শ্রেষ্ঠ ফিচার-ফিল্মের নির্মাতা হিসেবে স্বর্ণসিংহটি আমি গ্রহণ করি। তিন লাইনের একটি বক্তৃতাও দিতে হয় আমাকে। আমার পরে ভিসকন্তির হাতে ‘পদ্মসিংহ’ তুলে দেওয়া হয়। এটি তিনি পান ডস্টয়েভ্‌স্কির কাহিনীর ভিত্তিতে নির্মিত চিত্র ‘হোয়াইট নাইট্‌স’-এর জন্য। ভিসকন্তি তাঁর বক্তৃতায় ‘অপরাজিত’ সম্পর্কে কিছু বাঁকা মন্তব্য করেন। অনেকের কাছেই এটা অযাচিত ও কুরুচিকর ঠেকেছিল। স্বর্ণসিংহ ছাড়াও দুটি পুরস্কার পায় ‘অপরাজিত’—ক্রিটিক্‌স অ্যাওয়ার্ড ও সিনেমা নুওভো অ্যাওয়ার্ড। বিখ্যাত বামপন্থী ফিল্ম জার্নাল ‘সিনেমা নুওভো’ থেকে আমাদের মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। এর সম্পাদক মশাই অনুরোধ করেন, তাঁর কাগজ বেরোলে যেন দেখি।

    আমার সম্মানে একটা ডিনারও দেওয়া হয়েছিল।

    স্বর্ণসিংহটি যে পাথরের স্ল্যাবের উপরে বসানো, সেটি বড্ড ভারী। তার জন্য বাড়তি মালের মাসুল দিতে হয়। কলকাতায় পৌঁছে দেখি, বিমানবন্দরে বিশাল ভিড়। এঁরা আমাকে অভ্যর্থন জানাতে এসেছেন। দেখে অভিভূত হই।

    পরে কলকাতার মেয়রের তরফে আমাকে নাগরিক সংবর্ধনা জানানো হয়।

    কলকাতার বক্স-অফিসে ‘অপরাজিত’ সুবিধে করতে পারেনি। তাতে আমার আত্মবিশ্বাস একটা ধাক্কা খেয়েছিল। ভেনিসে জয়লাভের পরে মনে হল যে, ওটা কোনও ব্যাপারই নয়।

    বিদেশ থেকে আমার প্রত্যাবর্তনের মাসখানেক বাদে ‘পরশপাথর’ মুক্তিলাভ করে। কাগজে-কাগজে এ-ছবির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা হয়। তুলসী চক্রবর্তী যে অসামান্য অভিনয় করেছিলেন, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু ছবিটা তবু দারুণরকম জনপ্রিয় হয়নি। লাহিড়ি এই ছবির পিছনে যে টাকা ঢেলেছিলেন, সেটা উঠে এল না। যে ছকে ফেলে তৈরি করলে ছবি এখানে জনপ্রিয় হয়, আবারও দেখা গেল যে, আমার ছবি সেই ছক থেকে বড্ড বেশি দূরে সরে এসেছে।

    ছবি বিশ্বাস ইতিমধ্যে দেশে ফিরে এসেছিলেন। তাঁকে নিয়ে ‘জলসাঘর’-এর কাজ আবার নতুন করে আমরা শুরু করি। বারবার একই ধরনের কাজ করব, এমন ইচ্ছা আমার একেবারেই ছিল না। ‘জলসাঘর’ যে শুধু ‘পরশপাথর’ থেকে আলাদা ছবি, তা নয়, অপুকে নিয়ে তোলা ছবিগুলি থেকেও আলাদা। এ-ছবিতে চরিত্র মাত্র পাঁচটি। জমিদারের ছেলের ছোট্ট একটি ভূমিকা আছে এই ছবিতে। তাতে ‘অপরাজিত’র সেই পিনাকীকে নামিয়ে দেওয়া হয়।

    ‘জলসাঘর’-এ যাঁরা অভিনয় করেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই পেশাদার অভিনেতা। এ আমার এক নতুন অভিজ্ঞতা। জমিদারের পতনটা বিষয় হিসাবে এতই মহিমাব্যঞ্জক যে, শেষ দৃশ্যের ঠিক আগের দৃশ্যটায় আমাকে খুব ভাবনাচিন্তা করতে হয়েছিল। ওর মধ্যে এমন একটি প্রতীকী ব্যঞ্জনা রয়েছে, যা আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়। দৃশ্যটি জমিদারের জলসাঘরের সর্বশেষ মজলিশে নাচগানের অনুষ্ঠানের পরে দেখা যায়। শূন্য ঘরে জমিদারবাবু মদ্যপান করে চলেছেন। রাত শেষ হয়ে এল। একটা-একটা করে নিভে যাচ্ছে ঝাড়লণ্ঠন আর দেওয়ালগিরির বাতি। মত্ত জমিদারবাবু এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত। বাতিগুলি দপদপ করে শেষবারের মতন আলো ছড়িয়ে নিভে যাচ্ছে, আর তাঁর মনে হচ্ছে, নিঃশেষ হয়ে এসেছে তাঁরও আয়ু।

    ছবি বিশ্বাস এ-ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয় করেছিলেন। তাঁর অভিনয় সকলেরই ভাল লেগেছিল। সমালোচকরাও প্রশংসা করেন ‘জলসাঘর’ ছবির। প্রথম পাঁচ সপ্তাহ এ-ছবি চলেওছিল দারুণ ভাল। রোজই ‘হাউস ফুল’। তারপর, যা খুবই স্বাভাবিক, উৎসাহটা ধীরে ধীরে ঝিমিয়ে পড়ে, ছবিটারও আয়ুষ্কাল, একদিন ফুরিয়ে যায়।

    ‘জলসাঘর’ তুলেছিলাম খুবই কম টাকায়। মোটা খরচ বলতে ছবি বিশ্বাসের ফি। আর হ্যাঁ, বংশী তার স্বাভাবিক দক্ষতায় স্টুডিয়োর মধ্যে যে জাঁকজমকে-ভরা জলসাঘরটি বানিয়ে তোলে, তার জন্যও বেশ দরাজ হাতে খরচা করতে হয়েছিল। অন্য সব খরচ ছিল নামমাত্র। ফলে লোকসান বিশেষ হয়নি। তাও যেটুকু যা হয়েছিল, পরে সেটা বেশ ভালরকমেই পূরণ হয়ে যায়।

    যা-ই হোক, বক্স-অফিসে তিন-তিন বার মার খেয়ে যাওয়ায় তখন এমন একটা ছবি তোলা দরকার হয়ে পড়ে, যা সমালোচকদেরও খুশি করবে, আবার একইসঙ্গে বেশ জনপ্রিয়ও হবে। ভেনিসের সাংবাদিক সম্মেলনে ওই যে বলেছিলাম অপুকে নিয়ে তৃতীয় ছবি করব, সে-কথা মনে পড়ে যায়। ফলে ‘অপরাজিত’ বইখানা ফের পড়তে বসি।

    মাত্র একবার পড়েই আমার বিষয়বস্তু আমি পেয়ে যাই। আগে এটা ভাবিনি কেন? ভাবা উচিত ছিল। যে অপু বড় হয়ে উঠেছে, শহরে থাকে, এবারে সে-ই হবে ছবির কেন্দ্র-চরিত্র। যেভাবে তার বিয়ে হয়, তার মধ্যেও তো সিনেমার মালমশলা রয়েছে। এটা যে-সময়ের কাহিনী, ভালবেসে বিয়ে করাটা তখন স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল না। হিন্দু পরিবারে বিয়ের ব্যাপারটা সাধারণত অভিভাবকরাই ঠিক করে দিতেন। তার জন্য অবশ্য অনেক ক্ষেত্রেই একজন পেশাদার ঘটকের সাহায্য নেওয়া হত। তবে এ-সব বিয়ে প্রায়ক্ষেত্রেই সুখের হত না। বধূটি বলি হত স্বামীর বিকৃত যৌনকামনার। তবে ব্যতিক্রমও দেখা যেত বই কী। যে-বিয়ে অভিভাবকদের ইচ্ছায় হচ্ছে, তাতেও লাগত ভালবাসার ছোঁয়া। স্ত্রী সে-ক্ষেত্রে স্বামীর দাসী না হয়ে প্রকৃত অর্থে সহধর্মিণী হত, তার সুখ-দুঃখের সে হত সমান অংশীদার।

    অপুর ক্ষেত্রে দেখছি, সে তার এক বন্ধুর মামাতো বোনের বিয়ে উপলক্ষে বন্ধুর মামাবাড়ির গ্রামে গিয়েছিল। বরপক্ষ এসে পৌঁছবার পরে দেখা যায়, পাত্রটি উন্মাদ। মেয়ের মা এই পাত্রের হাতে তাঁর মেয়েকে সমর্পণ করতে রাজি হন না। এদিকে লগ্ন পার হয়ে যাচ্ছে। বিয়ে ভণ্ডুল হবার উপক্রম হয়, কেননা হিন্দু সংস্কার অনুযায়ী লগ্নভ্রষ্টা কন্যাকে আর পাত্রস্থ করা চলে না। লগ্ন থাকতে-থাকতেই তাই দ্বিতীয় কোনও পাত্র খুঁজে বার করা চাই। নইলে এ-মেয়ে সারা জীবন কুমারীই থেকে যাবে।

    অপু তখনও পাত্রীকে দেখেনি। তবু মেয়েটির কথা ভেবে সহানুভূতি জাগে তার মনে। আর সেইজন্য তাকে বিয়ে করতে সে রাজিও হয়ে যায়। বিয়ের পর কয়েকটা মাস আনন্দে কাটে। তারপর পিত্রালয়ে গিয়ে, প্রথম সন্তানের জন্ম দেবার সময়, মেয়েটির মৃত্যু হয়।

    গভীর শোকে ভেঙে পড়ে অপু। যে সন্তানের জন্ম হয়েছে, তাকে সে গ্রহণ করতে চায় না। স্ত্রীর মৃত্যুর জন্য এই সন্তানটিকেই সে দায়ী করে। সে কলকাতা ছেড়ে দূরে চলে যায়। উদ্দেশ্যহীনভাবে দেশের নানা জায়গায় ঘুরতে থাকে। শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রদেশের এক কয়লাখনিতে চাকরি নিতে বাধ্য হয়। পাঁচটা বছর কেটে যায়। অপুর সেই বন্ধু তাকে খুঁজে বার করে। ছেলের দায়িত্ব নেবার জন্য অনুরোধ করে তাকে। অনিচ্ছাসত্ত্বেও অপুকে তার শ্বশুরালয়ে যেতে হয়। সেখানে সে দেখতে পায় তার ছেলেকে। দেখামাত্র বাৎসল্যে ভরে ওঠে তার মন। ছেলে তাকে, বাবা হিসেবে নয়, বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে। মামাবাডির আশ্রয় ছেড়ে অপুর সঙ্গেই সে চলে যায়।

    ফিল্মের জন্য এর চেয়ে ভাল গল্প আর হয় না। খুব দ্রুত আমি এর চিত্রনাট্য লিখে ফেলি। এবারে ব্যবস্থা হয় নতুন পরিবেশক ছায়াবাণী প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে। ঠিক হয় যে, সত্যজিৎ রায় প্রোডাকসন্স—এই ব্যানারে ছবিটি তোলা হবে। টাকাটা তাঁরাই দেবেন। লাভের শতকরা ৫০ ভাগ আমি পাব। এ হল ১৯৫৮ সালের মাঝামাঝি সময়কার কথা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজয় বাবা ফেলুনাথ – সত্যজিৎ রায়
    Next Article ফটিকচাঁদ – সত্যজিৎ রায়

    Related Articles

    সত্যজিৎ রায়

    মানপত্র সত্যজিৎ রায় | Maanpotro Satyajit Ray

    October 12, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    নগ্ন নির্জন – বুদ্ধদেব গুহ

    May 28, 2025
    উপন্যাস বুদ্ধদেব গুহ

    কোয়েলের কাছে – বুদ্ধদেব গুহ

    May 23, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রবার্টসনের রুবি – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    বোম্বাইয়ের বোম্বেটে – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    উপন্যাস সত্যজিৎ রায়

    রয়েল বেঙ্গল রহস্য – সত্যজিৎ রায়

    April 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }