Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প197 Mins Read0
    ⤶

    ১৫. দার্শনিক ফলাফল

    ১৫. দার্শনিক ফলাফল

    অনেক সময় যেরকম ভাবা হয়, অপেক্ষাবাদের দার্শনিক ফলাফল সেরকম বিরাটও নয় কিংবা সেরকম চমকপ্রদও নয়। বাস্তববাদ এবং ভাববাদে দ্বন্দ্বের মতো চিরায়ত মর্যাদা যে দ্বন্দ্বগুলির রয়েছে সেগুলির উপর অপেক্ষাবাদের সামান্যই আলোকপাত করে। কান্টের ধারণা ছিল স্থান এবং কাল ব্যক্তিনিষ্ঠ (subjective) এবং একাধিকরূপ স্বজ্ঞা (forms of intuition)। অনেকে ভাবেন। অপেক্ষবাদ এ বিষয়ে কান্টের সমর্থক। আমার ধারণা অপেক্ষবাদ সম্পর্কে লেখকরা যেভাবে পর্যবেক্ষকের কথা বলেন তার জন্যই লোকে বিপথগামী হয়েছে। পর্যবেক্ষক একজন মানুষ-অন্ততপক্ষে একটি মন-এ কথা ভাবা স্বাভাবিক কিন্তু একটি ফটোগ্রাফের প্লেট কিংবা একটি ঘড়িরও পর্যবেক্ষক হওয়ার সম্ভাবনা একই রকম, অর্থাৎ একটি দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে অন্য একটি দৃষ্টিভঙ্গির দ্বন্দ্বের জন্য যে বিষম ফল হয় সে ফল জড়িত দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে। ব্যাপারটা অনুভূতিসম্পন্ন মানুষের ক্ষেত্রে যতটা প্রযোজ্য, ততটাই প্রযোজ্য ভৌত যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে। অপেক্ষবাদের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিনিষ্ঠতা আসলে ভৌত ব্যক্তিনিষ্ঠতা। বিশ্বে যদি মন কিংবা বোধ নাও থাকত তাহলেও এ ব্যক্তিনিষ্ঠতা থাকত।

    তাছাড়া, এ ব্যক্তিনিষ্ঠতা কঠোরভাবে সীমিত। সবকিছু আপেক্ষিক এরকম ঘোষণা এ তত্ত্ব করে না। বরং উল্টো। কোনটা আপেক্ষিক এবং কোনটা নিজস্ব অধিকারে ভৌত ঘটনার অংশ সেটা নির্ণয়ের কৌশল পাওয়া যায় অপেক্ষবাদ থেকে। আমরা যদি বলতে যাই স্থান ও কাল বিষয়ে এ তত্ত্ব কান্টকে সমর্থন করে তাহলে আমরা বলতে বাধ্য যে স্থান-কাল বিষয়ে এ তত্ত্ব কান্টকে খণ্ডন করে । আমার মতে এগুলির কোনোটিই সঠিক নয়। এই সমস্ত বিষয়ে দার্শনিকরা কেন পূর্বেকার মতে স্থির থাকবেন না তার কোনো কারণ আমি খুঁজে পাই না। কোনো পক্ষেই প্রামাণ্য কোনো যুক্তি এর আগে উপস্থিত করা হয়নি। এখনো কোনো যুক্তি নেই। সুতরাং কোনো একটি মতকে আঁকড়ে থাকা বৈজ্ঞানিক মেজাজের লক্ষণ নয়, লক্ষণ মতান্ধতার।

    তবুও, অপেক্ষবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিন্তাধারা যখন সুপরিচিত হবে তখন আমাদের চিন্তার অভ্যাসের কতগুলি পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। স্কুলে যখন অপেক্ষবাদ পড়ানো হবে তখন এ তত্ত্বের পরিচিতি বাড়বে, ভবিষ্যতে এর গুরুত্ব হবে বিরাট।

    একটি তথ্য প্রকাশিত হয়েছে : আমরা যা ভাবতাম, ভৌত জগৎ সম্পর্কে পদার্থবিদ্যা আমাদের তার চাইতে অনেক কম সংবাদ দিতে পারে। চিরায়ত পদার্থবিদ্যার মহান নীতিগুলির বেশিরভাগই হয়ে দাঁড়ায় সেই মহান বিধির মতো ‘এক গজে তিন ফুট সবসময়ই হয়। তাছাড়া দেখা যায় অন্যগুলি সর্বৈব মিথ্যা। একটি বিধির যে এই দুরকম দুর্ভাগ্যেরই আশঙ্কা রয়েছে তার একটি উদাহারণ ভরের নিত্যতা বিধি (conservation of mass)। আগে ভরের সংজ্ঞা ছিল ‘পদার্থের পরিমাণ। পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছিল ওর কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি হয় না। কিন্তু আধুনিক মাপনের নির্ভুলতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অদ্ভুত সব ব্যাপার ঘটতে দেখা গেল। প্রথমত লক্ষ্য করা গেল মাপিত ভর বেগের সঙ্গে বৃদ্ধি পায় এবং আবিষ্কৃত হল এই ধরনের ভর এবং শক্তি আসলে অভিন্ন। একটি বস্তুপিণ্ড সাপেক্ষ এই ধরনের ভর নিত্য নয়। এই বিধিকে কিন্তু স্বতত একটি স্বয়ংসিদ্ধ সত্য (truism) রূপে বিচার করা উচিত, অনেকটা এক গজে তিন ফুট হয় এইরকম বিধির মতো। আসলে এটা আমাদের মাপন পদ্ধতির ফলস্বরূপ। পদার্থের সত্য ধর্ম এ থেকে প্রকাশ পায় না, বস্তুপিণ্ডের সঙ্গে চলমান পর্যবেক্ষক যে ভর দেখতে পান সে ভর অন্য ধরনের কিন্তু সেটাই সঠিক ভর (proper mass)। এটা হল সাধারণ পার্থিব ক্ষেত্র। এ ক্ষেত্রে যে বস্তুপিণ্ড আমরা ওজন করছি সেটা হাওয়ার ভিতর দিয়ে উড়ছে না। একটি বস্তুপিণ্ডের সঠিক ভর প্রায় নিত্য কিন্তু সম্পূর্ণ নিত্য নয়। লোকে ভাবে, আপনার যদি চারটি এক পাউন্ডের বাটখারা থাকে আর আপনি যদি সব কটাকে ওজন কলে চাপান তাহলে সেগুলির মোট ওজন হবে চার পাউন্ড। এটা একটা পছন্দসই ভ্রম। ওজনটা কমই হবে, কিন্তু কমের মাত্রা এমন বেশি নয় যে সবচাইতে সতর্ক মাপনে ধরা পড়বে। তবে যেখানে চারটা হাইড্রোজেন পরমাণুকে একত্র করে একটি হিলিয়াম পরমাণু বানানো হয় সেখানে দোষটা লক্ষ্য করা যায়। একটি হিলিয়াম পরমাণুর ওজন চারটি হাইড্রোজেন পরমাণুর চাইতে কম-এই হাসপ্রাপ্তি মেপে বার করা সম্ভব।

     

     

    মোটামুটি বলা যায় চিরায়ত পদার্থবিদ্যা দুটি অংশে ভেঙে পড়েছে : স্বতঃসিদ্ধ সত্য (truism) এবং ভূগোল।

    অপেক্ষবাদ যে বিশ্বকে আমাদের কল্পনে উপস্থিত করেছে সে বিশ্ববস্তু এমন গতির ততটা নয়, যতটা ঘটনার । একথা সত্য যে এখনো এমন সমস্ত বস্তুকণা রয়েছে যেগুলিকে স্থায়ী মনে হয় কিন্তু (আগের অধ্যায়ে আমরা যেরকম দেখেছি) আসলে এগুলিকে কল্পনা করা উচিত পরস্পর সংযুক্ত ঘটনামালা রূপে, অনেকটা গানের পারস্পরিক স্বরের মতো। ঘটনাই আপেক্ষিক পদার্থবিদ্যার উপাদান। ব্যাপক এবং বিশিষ্ট অপেক্ষবাদ অনুসারে দুটি ঘটনা যদি পরস্পর থেকে বেশি দূরবস্থিত না হয় তাহলে তাদের ভিতরে একটা মাপনযোগ্য সম্পকে থাকে, সে সম্পর্কের নাম ‘অন্তত’। এই অন্তরই ভৌত বাস্তববতারূপে দেখা দেয়, কালিক এবং স্থানিক দূরত্ব এই অন্তরেরই বিভ্রান্তিকর প্রতিরূপ। পরষ্পর থেকে দূরবর্তী দুটি ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট নিশ্চিত অন্তর নেই। কিন্তু একটি ঘটনা থেকে অন্য ঘটনায় যাওয়ার একটি পথ আছে। সে পথে সমস্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অন্তরের যোগফল অন্য যে কোনো পথের সমরূপ যোগফলের চাইতে বেশি। এই পথের নাম ‘ধরাকৃতি’–একটি বস্তুপিণ্ডকে যদি তার নিজস্বতার উপর ছেড়ে দেওয়া যায় তাহলে সে এই পথই গ্রহণ করবে।

     

     

    আপেক্ষিক পদার্থবিদ্যার সমস্তটা আগেকার দিনের পদার্থবিদ্যা এবং জ্যামিতির তুলনায় অনেক বেশি পারস্পরিক সোপানরোহণের বিষয় (step-by step matter)। ইউক্লিডীয় ঋজুরেখার স্থলে প্রতিস্থাপন করতে হবে আলোকরশ্মি। আলোকরশ্মি যখন সূর্য কিংবা ঐরকম ভারী বস্তুপিণ্ডের কাছ দিয়ে যায় তখন ঠিক ঋজুতার ইউক্লিডীয় মান রক্ষা করে না। শূন্যস্থানের খুব ক্ষুদ্র অঞ্চলে একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের যোগফল এখনো দুই সমকোণ ভাবা হয় কিন্তু বিস্তৃত কোনো অঞ্চলে একথা ভাবা হয় না। কোথাও এমন কোনো জায়গা পাওয়া যায় না যেখানে ইউক্লিডীয় জ্যামিতি নির্ভুলভাবে সত্য। যে সমস্ত প্রতিজ্ঞা (proposition) যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করা হতো এখন সেগুলি হয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, রীতি, নয়তো পর্যবেক্ষণের দ্বারা প্রমাণিত আসন্ন সত্য (approximate truths) মাত্র।

    যুক্তি যত উন্নত হয় তার বাস্তব ঘটনা প্রমাণ করার ক্ষমতা তত কমে-এরকম অদ্ভুত ঘটনার দৃষ্টান্ত শুধু অপেক্ষবাদই নয়। আগে মনে করা হতো যুক্তি আমাদের শিক্ষা দেয় কি করে অনুমিতি (inferenc) আহরণ করতে হয়, এখন বরং শিক্ষা দেয় কি করে অনুমিতি আহরণ করা না যায়। শিশু এবং জন্তু অত্যন্ত অনুমিতি প্রবণ। অনভ্যস্ত স্থানে মোড় ঘুরলে ঘোড়া অপরিমিতি বিস্ময় বোধ করে। মানুষ যখন যুক্তি প্রয়োগ করতে শুরু করেছে তখন সে অতীত যুগে চিন্তা না করে যে সমস্ত অনুমিতি আহরণ করেছিল সেগুলির যৌক্তিকতা দেখানোর চেষ্টা করেছে। এই প্রবণতা থেকে প্রচুর পরিমাণ মন্দ দর্শন এবং মন্দ বিজ্ঞান উৎপন্ন হয়েছে। ‘প্রকৃতির সমরূপতৃ’ কিংবা ব্রহ্মাণ্ডীয় কার্যকরণ বিধির মতো মহান নীতিগুলি আসলে অতীতে যা বার বার ঘটেছে, ভবিষ্যতেও তাই ঘটবে-আমাদের এই বিশ্বাসকে দৃঢ় করার চেষ্টা। এ বিশ্বাসের ভিত্তি-আপনি সাধারণত যে দিকে বাঁক নেন সেই দিকেই বাঁক নেবেন-ঘোড়ার এই বিশ্বাসের চাইতে কোনোক্রমেই দৃঢ়ভিত্তিক নয়। এই মেকি নীতির (pseudo principle) স্থলে বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে কি প্রতিস্থাপিত হবে সে সম্পর্কে পুর্বাভাস দেওয়া খুব সহজ নয় তবে অপেক্ষবাদ হয়তো আমরা কি আশা করতে পারি সে সম্পর্কে একটা আভাস দিতে পারে। তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় প্রাচীন অর্থে-কার্য-কারণ তত্ত্বের (causation) আর কোনো স্থান নেই। অন্য একটা কিছু অবশ্যই তার স্থান গ্রহণ করেছে। প্রাচীন নীতিগুলিকে বাতিল করেছে এই প্রতিকল্প (substitute)। কিন্তু যাকে বাতিল করা হয়েছে তার তুলনায় এ প্রতিকল্পের পরীক্ষামূলক ভিত্তি দৃঢ়তর।

     

     

    একটি সর্বব্যাপক কালের মাধ্যমে ব্রহ্মাণ্ডব্যাপী সমস্ত ঘটনার দিনাঙ্ক নির্ণয় সম্ভব, এ বিশ্বাস ভেঙে পড়েছে। ভবিষ্যতে এর প্রতিক্রিয়া, কার্যকারণ তত্ত্ব, বিবর্তন এবং অন্যান্য অনেক বিষয় আমাদের মতকে প্রভাবিত করবে। দৃষ্টান্ত :

    মোটের উপর ব্রহ্মাণ্ডে প্রগতি হচ্ছে কিনা এ প্রশ্নের অনেকটাই নির্ভর করতে পারে আমাদের কালের মাপন নির্বাচনের উপর। একই রকম উত্তম একাধিক ঘড়ির ভিতর থেকে যদি আমরা একটিকে বেছে নিই তাহলে আমরা হয়তো দেখব ব্রহ্মাণ্ড সবচাইতে বিষাদগ্রস্ত শ্লাভ (slave) যা কল্পনা করতে পারে সেইরকম দ্রুত চলেছে মন্দ থেকে মন্দতরতে। সুতরাং আশাবাদ কিংবা নৈরাশ্যবাদ সত্যও নয় মিথ্যাও নয়। তারা শুধু ঘড়ির নির্বাচন নির্ভর।

    কতকগুলি ভাবাবেগের উপর এর ক্রিয়া সম্পূর্ণ ধ্বংসাত্মক। কবি সে সম্পর্কে বলেন :

    একটি দূরতর ভাগবৎ ঘটনা
    যার অভিমুখে চলেছে মহাসৃষ্টি

    কিন্তু ঘটনাটি যদি যথেষ্ট দূরবর্তী হয় এবং সৃষ্টি যদি যথেষ্ট দ্রুতগামী হয়। তাহলে কোনো অংশ ভাববে ঘটনাটি আগেই ঘটেছে আবার কোনো কোনো অংশ ভাববে ঘটনাটি এখনো ভবিষ্যতের গর্ভে। ফলে সম্পূর্ণ কবিতাটাই নষ্ট হয়। দ্বিতীয় লাইন হওয়া উচিত :

     

     

    যার অভিমুখে সৃষ্টির কোনো কোনো অংশ চলমান আর কোনো অংশ চলমান তার বিপরীত মুখে।

    কিন্তু এতে চলবে না। যে ভাবাবেগ সামান্য গণিতের চাপে ধ্বংস হতে পারে আমার মতে সে ভাবাবেগ খাঁটিও নয়, মূল্যবানও নয়। কিন্তু এই জাতীয় যুক্তি আমাদের ভিক্টোরীয় যুগের সমালোচনার পথে নিয়ে যাবে। সেটা কিন্তু আসার বিষয়বস্তু বাইরে।

    আমি আবার বলছি : ভৌত জগৎ সম্পর্কে আমরা যা জানি সেটা আগে বা ভাবা হতো তার চাইতে অনেক বেশি বিমূর্ত। বস্তুপিণ্ডগুলির মধ্যবর্তী রয়েছে ঘটনা, যেমন আলোকতরঙ্গ। এগুলির বিধি সম্পর্কে আমরা কিছুটা জানি। গাণিতিক সঙ্কেতে যতটা জানা যায় এ বিষয়ে ততটাই আমাদের জ্ঞান কিন্তু তাদের চরিত্র সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। আগের অধ্যায়ে আমরা দেখেছি বস্তুপিণ্ডগুলি স্বতত কি সে সম্পর্কে আমরা এত কম জানি যে কিছু আছে কি না সে সম্পর্কেও আমরা নিশ্চিত হতে পারি না : হয়তো তারা অন্য জায়গায় সংঘটিত ঘটনাগোষ্ঠী মাত্র। সেই ঘটনাগুলিকে আমরা স্বভাবতই তাদের ক্রিয়া বলে ভাবব। স্বভাবতই আমরা বিশ্বকে ব্যাখ্যা করি চিত্রের মতো। আমরা কল্পনা করি আমরা যা দেখি ব্যাপারটা প্রায় সেই রকমই ঘটে। আসলে কিন্তু সাদৃশ্য শুধুমাত্র কিছু রীতিগত যৌক্তিক ধর্ম পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। তারা প্রকাশ করে অবয়ব যার ফলে আমরা এর পরিবর্তনের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য মাত্র জানতে পারি। একটা দৃষ্টান্ত বোধ হয় ব্যাপারটাকে সহজ করতে পারে। একটা ঐকতান বাদন এবং সেই একই ঐকতানের স্বরলিপির ভিতরে একটা বিশেষ সাদৃশ্য রয়েছে। তাকে বলা যেতে পারে অবয়বের সাদৃশ্য। সাদৃশ্য এমন যে নিয়মটা জানা থাকলে স্বরলিপি থেকে সুরটা বোঝা যায়-আবার সুর থেকে স্বরলিপি বোঝা যায়। কিন্তু অনুমান করুন আপনি জন্ম থেকে সম্পূর্ণ বধির কিন্তু থেকেছেন গাইয়ে বাজিয়েদের সঙ্গে। কথা বলা এবং অপরের ঠোঁট নাড়া দেখে তার কথা বোঝা (lip reading) শিখে থাকলে আপনি বুঝতে পারতেন স্বরলিপিগুলি এমন একটি জিনিসের প্রতিরূপ যা স্বতত তাদের চাইতে পৃথক অথচ তাদের অবয়ব* একই রকম। সুরের মূল্যবোধ আপনার কাছে অকল্পনীয় হতো কিন্তু তার গাণিতিক বৈশিষ্ট্য আপনি সবটাই বুঝতে পারতেন। তার কারণ স্বরলিপির সঙ্গে তার পূর্ণ ঐক্য রয়েছে। প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানও অনেকটা এই রকম। স্বরলিপি আমরা পড়তে পারি। আমাদের সম্পূর্ণ বধির লোকটি সুর যতটা অনুমান করতে পেরেছিল প্রকৃতি সম্পর্কে আমরা ততটাই অনুমান করতে পারি। কিন্তু গাইয়ে বাজিয়েদের সঙ্গে সাহচর্যের ফলে ঐ লোকটির যে সুবিধা ছিল আমাদের সে সুবিধা নেই। আমরা জানতে পারি না স্বরলিপিটা যে সুরের প্রতিরূপ সে সুর বীভৎস না সুন্দর। হয়তো শেষ পর্যন্ত বিশ্লেষণ করে আমরা নিশ্চিত হতে পারব না স্বরলিপিটা তার নিজস্ব রূপ না আর কিছু। কিন্তু একজন পদার্থবিদ্যাবিদ তার ব্যবসায়িক পদাধিকারে এ সন্দেহ পোষণ করতে পারেন না।

     

     

    পদার্থবিদ্যার সপক্ষে যদি সবচাইতে বেশি দাবীও করা যায় তাহলেও এ কথা বলা যায় না যে পদার্থবিদ্যা বলতে পারে যেটা পরিবর্তিত হচ্ছে সেটা কি, কিংবা কি এর বিভিন্ন অবস্থার। পদার্থবিদ্যা শুধুমাত্র বলতে পারে একাধিক পরিবর্তন পরষ্পরকে পর্যাবৃত্তিক্রমে (periodically) অনুসরণ করে কিংবা একটি বিশেষ দ্রুতিতে বিস্তার লাভ করে। শুদ্ধ বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের মর্মস্থলে পৌঁছাতে হলে শুদ্ধ কল্পনার আবরণ সম্পূর্ণ খুলে ফেলতে হয়। সে কাজ এখনো বোধ হয় আমরা শেষ করতে পারিনি। এ ব্যাপারে অপেক্ষবাদ অতি বিরাট কর্ম সম্পাদন করেছে। এই কাজ করতে গিয়ে অপেক্ষবাদ ক্রমশই আমাদের নগ্ন কাঠামোর (bare structure) নিকটতর করেছে। এটাই গণিতবেত্তার (mathematician) লক্ষ্য। তার কারণ এ নয় যে মানুষ হিসাবে এটাই তার একমাত্র আকর্ষণ।

    আসলে তার কারণ হল : গাণিতিক সঙ্কেতে সে এই একটি জিনিসই প্রকাশ করতে পারে। বিমূর্তনের (abstraction) দিকে আমরা অনেকটা এগিয়েছি সন্দেহ নেই কিন্তু হয়তো আমাদের অগ্রসর হতে হবে আরো ।

    আগের অধ্যায়ে আমি পদার্থের সর্বনিম্ন সংজ্ঞা যাকে বলা যেতে পারে তার একটা আভাস দিয়েছিলাম। অর্থাৎ বলতে গেলে সে সংজ্ঞায় সর্বনিম্ন বস্তু থাকবে কিন্তু সে বস্তুতে (substance) শুধুমাত্র তাই থাকবে যা পদার্থবিদ্যার সত্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই সংজ্ঞা গ্রহণ করা আসলে আমাদের নিরাপত্তার প্রচেষ্টা। যদি আরো স্থূল কিছুর অস্তিত্ব থাকে তবুও আমাদের সূক্ষ্ম পদার্থের অস্তিত্ব থাকবে। আমাদের পদার্থের সংজ্ঞাকে আমরা জেন অস্টেনের (Jane austen) ইসাবেলার জাউভাতের (Isabella’s gruel) মতো করতে চেষ্টা করেছি–’পাতলা, কিন্তু খুব পাতলা নয়।‘ আমরা যদি সজোরে সুস্পষ্ট ঘোষণা করি ‘পদার্থ’ এর চাইতে বেশি কিছু নয় তাহলে কিন্তু আমরা ভুল করব। লাইবনিজ (Leibnitz) ভাবতেন একটুকরো পদার্থ আসলে কতকগুলি আত্মার উপনিবেশ (colony of souls)। তিনি ভুল করেছিলেন একথা প্রমাণ করার মতো কিছু নেই। তবে তিনি সঠিক বলেছিলেন একথা প্রমাণ করার মতোও কিন্তু কিছু নেই। আমরা মঙ্গলগ্রহের জীবজন্তু গাছপালা সম্পর্কে যা জানি তার চাইতে বেশি কিছু আমরা এ বিষয়ের কোনো পক্ষেই জানি না।

     

     

    অগাণিতিক মন হলে আমাদের ভৌতজ্ঞানের বিমূর্ত চরিত্র সন্তোষজনক মনে হতে পারে। শিল্প কিংবা কল্পনার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ব্যাপারটা হয়তো দুঃখের কিন্তু ব্যবহারিক দিক থেকে এতে কিছু এসে যায় না। বিমূর্তন কঠিন হতে পারে কিন্তু বিমূর্তনই ব্যবহারিক ক্ষমতার উৎস। একজন মূলধন বিনিয়োগকারী ধনপতির (financier) পৃথিবীর সঙ্গে লেনদেন একজন ‘কর্মদক্ষ’ (parctical) লোকের চাইতে বেশি বিমূর্ত হতে পারে কিন্তু কর্মদক্ষ ব্যক্তিটির তুলনায় ধনপতির ক্ষমতা অনেক বেশি। ধনপতি গম কিংবা তুলোর ব্যবসা করতে পারেন কিন্তু সেজন্য তাঁর কখনোই কোনোটা দেখার প্রয়োজন হয় না। তাঁর শুধু জানার প্রয়োজন দামটা বাড়বে না কমবে। কৃষকের জ্ঞানের সঙ্গে তুলনায় একে বলা হয় বিমূর্ত গাণিতিক জ্ঞান। সেইরকম, একজন পদার্থবিদ্যাবিদের হয়তো গতির কয়েকটি বিধি ছাড়া পদার্থ সম্পর্কে কোনো জ্ঞানই না থাকতে পারে কিন্তু পদার্থকে স্বকার্যে পরিচালনা করার মতো পর্যাপ্ত জ্ঞান তার থাকে। পদার্থবিদ্যাবিদ সমীকরণের একটি পূর্ণ মালিকা নিয়ে পরিশ্রম করেন। সে সমীকরণের প্রতীকগুলি যার প্রতিরূপ তার স্বকীয় চরিত্র আমরা কখনোই জানতে পারব না। তিনি শেষ পর্যন্ত যে ফলে এসে পৌঁছান সে ফল আমাদের দৈনন্দিন অনুভূতির বাগ্বিধিতে প্রকাশ করা সম্ভব এবং তার দ্বারা সম্ভব আমাদের নিজেদের জীবনে আকাঙ্ক্ষিত ক্রিয়া আনয়ন। পদার্থ সম্পর্কে আমরা যা জানি না তা বিমূর্ত এবং ছককাটা (schematic) হতে পারে, কিন্তু আমাদের ভিতরে তারা কি নিয়ম অনুসারে অনুভূতি ও বেদনা (feeling) উৎপাদন করে সেটুকু জানার পক্ষে নীতিগতভাবে সে জ্ঞান যথেষ্ট। এই নিয়মগুলির উপরই পদার্থবিদ্যার ব্যবহারিক প্রয়োগ নির্ভরশীল।

     

     

    শেষ সিদ্ধান্ত : আমরা এত কম জানি, অথচ আশ্চর্যের ব্যাপার আমরা এত বেশি জানি, আরো আশ্চর্যের ব্যাপার এত অল্প জ্ঞান এত বেশি ক্ষমতা দান করতে পারে।
    ——

    * অবয়বের সংজ্ঞার জন্য এই লেখকের গাণিতিক দর্শনের ভূমিকা দেখুন।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }