Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প197 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. আইনস্টাইনের মহাকর্ষীয় বিধির প্রমাণ

    ৯. আইনস্টাইনের মহাকর্ষীয় বিধির প্রমাণ

    নিউটনের মহাকর্ষীয় বিধির স্থলে আইনস্টাইনের মহাকর্ষীয় বিধি গ্রহণ করার কারণ অংশত প্রয়োগজ (empirical) এবং অংশত যৌক্তিক (logical)। আমরা শুরু করব প্রথমটা দিয়ে।

    গ্রহ এবং তাদের উপগ্রহগুলির কক্ষ গণনায় প্রয়োগ করলে নতুন মহাকর্ষীয় বিধি এবং পুরানো মহাকর্ষীয় বিধির ফল প্রায় একই। তা না হলে নতুন বিধি সত্য হতে পারত না, তার কারণ, দেখা গিয়েছে প্রাচীন বিধি থেকে আহরিত ফলাফল পর্যবেক্ষণের সাহায্যে প্রায় নির্ভুলভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আইনস্টাইনের নতুন বিধি প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। প্রাচীন বিধির তুলনায় তার নতুন বিধি যে ভাল সেটা দেখানোর জন্য তখন তিনি পরীক্ষালব্ধ একটি তথ্যই উপস্থিত করতে পারতেন। সেটা হল : বুধ (Mercury) গ্রহের অনুসুরের (perihelion) গতি।

    অন্যান্য গ্রহের মতো বুধগ্রহও উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। সূর্য থাকে উপবৃত্তের একটি নাভিতে (focus-ফোকাস)। এই কক্ষের কোনো কোনো বিন্দুতে সূর্য কক্ষের অন্য বিন্দুর তুলনায় নিকটতর। যে বিন্দুতে গ্রহটি সূর্যের নিকটতম সেই বিন্দুর নাম অনুসুর (perihelion)। পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছিল সূর্যের নিকটতম হওয়ার একটি ঘটনা থেকে ঐরকম পরের ঘটনায় যেতে বুধগ্রহ ঠিক নির্ভুলভাবে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে না, করে তার চাইতে একটু বেশি। এই গরমিল অতি সামান্য। এক শতাব্দীতে এর পরিমাণ বিয়াল্লিশ সেকেন্ডের একটি কোণ । এক শতাব্দীতে বুধগ্রহ সূর্য প্রদক্ষিণ করে চারশ বারের চাইতে একটু বেশি। সুতরাং তাকে একটি অনুসুর থেকে অন্য অনুসুরে যেতে একটি আবর্তনের চাইতে ১/১০ সেকেণ্ড কোণ বেশি পরিভ্রমণ করতে হবে। নিউটনীয় তত্ত্বের সঙ্গে অতি সামান্য এই গরমিল জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধাঁধায় ফেলত। অন্য গ্রহগুলির প্রভাবের অভিক্রিয়ার একটি হিসাব ছিল কিন্তু এই প্রভাবকে হিসাবের ভিতরে নিয়েও সেই সামান্য গরমিল অবশিষ্ট থেকে যায়। নতুন তত্ত্ব নির্ভুলভাবে সেই সামান্য গরমিলের হিসাব মিলিয়ে দিয়েছে। অন্য গ্রহগুলির ক্ষেত্রেও এই ধরনের অভিক্রিয়া রয়েছে কিন্তু সেটা আরো অল্প। তাছাড়া এখনো সেগুলি নিশ্চিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। প্রথমে বুধগ্রহের গতির অনুসুর অভিক্রিয়াই ছিল পুরানো তত্ত্বের তুলনায় নতুন তত্ত্বের একমাত্র পরীক্ষালব্ধ সাফল্য।

    দ্বিতীয় সাফল্য ছিল আরো বেশি চাঞ্চল্যকর। প্রাচীন মত অনুসারে, শূন্যস্থানে আলোকের সব সময়ই ঋজুরেখায় ভ্রমণ করা উচিত। পদার্থকণা দিয়ে গঠিত না হওয়ায় দরুন আলোকের মহাকর্ষ দিয়ে প্রভাবিত না হওয়াই উচিক। প্রাচীন চিন্তাধারার সঙ্গে কোনো বিশেষ বিরোধিতা না করেও কিন্তু একথা মেনে নেওয়া যেত যে সূর্যের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আলোক পদার্থকণা দিয়ে গঠিত বস্তুর মতো ঋজুপথ থেকে বিচ্যুত হতে পারে। নতুন তত্ত্ব অনুসারে কিন্তু আলোকের বিচ্যুতি এর দ্বিগুণ হতে হবে, অর্থাৎ একটি তারকার আলো যদি সূর্যের খুব কাছ দিয়ে যায় তাহলে তারকা থেকে বহির্গত আলোকরশ্মি পৌনে দুই সেকেন্ডের একটু কম পরিমাণ কোণের বাক সৃষ্টি করবে। প্রাচীনপন্থীরা এর অর্ধেক পরিমাণ মানতে রাজী ছিলেন। অসুবিধা হল, সূর্যের সঙ্গে সমরেখায় অবস্থিত তারকাগুলি শুধুমাত্র পূর্ণগ্রহণের সময়ই দেখা যায়। এমনকি তখনো সূর্যের কাছাকাছি যথেষ্ট উজ্জ্বল তারকা না থাকতে পারে। এডিংটন (Eddington) দেখালেন এদিক থেকে বছরের সবচাইতে ভাল দিন ২৯শে মে। কারণ ঐ তারিখে সূর্যের কাছাকাছি অনেকগুলি উজ্জ্বল তারকা থাকে। এক অবিশ্বাস্য সৌভাগ্যের ফলে ১৯১৯ সালের ২৯শে মে সূর্যের পূর্ণগ্রহণ ছিল। দুটি ব্রিটিশ অভিযান এই গ্রহণের সময় সূর্যের নিকটবর্তী তারকাগুলির ফটো তোলে। ফটো নতুন তত্ত্বের সত্যতা প্রমাণ করে। এর ফলে সে সময় বিরাট উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তবে পর্যবেক্ষণে অনেক ভুলের উৎস থাকতে পারত এবং পরীক্ষাফল দ্বন্দ্বের সম্পূর্ণ মীমাংসা করেছে একথা বলা যায়, না। পরবর্তী গ্রহণ পর্যবেক্ষণে তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণীর অর্ধেক থেকে দ্বিগুণ পর্যন্ত ফল পাওয়া গিয়েছে।

     

     

    তবে ইদানীং আবিষ্কৃত হয়েছে কোয়াসার নামক এক তারকা জাতীয় শক্তিশালী বেতার তরঙ্গের উৎসগুলির কতকগুলি থেকে নিগর্ত তরঙ্গ সূর্যের বেশ কাছ দিয়ে যায়। বছরের কোনো কোনো সময় ব্যাপারটা পৃথিবীর থেকে দেখা যায়। নতুন তত্ত্বে আলোকের বিচ্যুতি সম্পৰ্কীয় ভবিষ্যদ্বাণী বেতার তরঙ্গে বিচ্যুতি সম্পর্কেও সমভাবে প্রযোজ্য। কুড়ি মাইল কিংবা তার কাছাকাছি দূরত্বে দুটি কিংবা বেশি সংখ্যক বেতার দূরবীক্ষণ (রেডিও টেলিস্কোপ) যন্ত্র ব্যবহার করে অতি নির্ভুলভাবে বিচ্যুতি মাপা সম্ভব। পরীক্ষাফলের সঙ্গে নতুন তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণীর ঘনিষ্ঠ ঐক্য রয়েছে।

    নতুন তত্ত্বের তৃতীয় পরীক্ষামূলক ভবিষ্যদ্বানীর সত্যতাও খুব নির্ভুলভাবে প্রমাণিত হয়েছে। অবশ্য আইনস্টাইন পরীক্ষাটা প্রথমে যেভাবে করার প্রস্তাব করেছিলেন এখন আর সেভাবে পরীক্ষা করা হয় না। আলোচ্য অভিক্রিয়া (effect) ব্যাখ্যা করার আগে কয়েকটি প্রাথমিক ব্যাখ্যা প্রয়োজন। একটি মৌলিক পদার্থ তাপদীপ্ত হলে তার বর্ণালীতে নানারকম রেখা থাকে-তাপদীপ্ত মৌলিক পদার্থ থেকে নির্গত আলোকের বর্ণালী নানা রঙের রেখা দিয়ে গঠিন। সেগুলিকে ত্রিপার্শ্ব (prism) কাঁচ দিয়ে পৃথক করা যায়। মৌলিক পদার্থটি পৃথিবী, সূর্য কিংবা তারকা যেখানেই থাকুক না কেন বর্ণালী তার একই থাকে (ঘনিষ্ঠ আসন্নতা পর্যন্ত to a close approximation)। প্রতিটি রেখাই একটি নির্দিষ্ট রঙের এবং তার তরঙ্গদৈর্ঘ্যও নির্দিষ্ট। দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্যগুলি থাকে বর্ণালীর লাল প্রান্তের দিকে, হ্রস্বতরগুলি থাকে বেগুনি প্রান্তের দিকে। আপনি যখন বাতাসের বিপক্ষে চলেছেন তখন সমুদ্রের ঢেউগুলি দ্রুততর আসে। ঠিক তেমনি আপনার এবং আলোকের উৎসের ভিতরে দূরত্ব যখন কমতে থাকে আপাতদৃষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য তখন বাড়তে থাকে। এর সাহায্য আমরা বুঝতে পারি তারকাগুলি আমাদের নিকটতর হচ্ছে না, আমাদের কাছ থেকে দূরতর হচ্ছে। দূরত্ব যদি কমতে থাকে তাহলে একটি মৌলিক পদার্থের বর্ণালীর সমস্ত রেখাগুলিই বেগুনির দিকে একটু সরে যাবে। দূরত্ব যদি বাড়তে থাকে তাহলে সরবে লালের দিকে। শব্দের ক্ষেত্রে একই রকম অভিক্রিয়া আপনি যে কোনো দিন লক্ষ্য করতে পারেন। আপনি যদি একটি স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং হুইসল দিতে দিতে একটা এক্সপ্রেস ট্রেন আসে তাহলে ট্রেনটি আপনার কাছ থেকে চলে যাওয়ার সময়ের স্বরের তুলনায় ট্রেনটি যখন আপনার দিকে আসছে তখনকার স্বর অনেক বেশি তীক্ষ্ণ (shrill) মনে হবে। অনেকে হয়তো ভাবেন স্বরের সত্যিই কোনো পরিবর্তন হয়েছে। আসলে কিন্তু শ্রুতির পরিবর্তনের কারণ ট্রেনটা প্রথমে আপনার দিকে আসছিল তারপরে আপনার কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছিল। গাড়ির ভিতরের লোকের ক্ষেত্রে কিন্তু স্বরের কোনো পরিবর্তন হয়নি। যে সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল এটা সে অভিক্রিয়া নয়। নতুন তত্ত্ব অনুসারে একটি পরমাণু যেখানেই থাকুক না কেন তার অভ্যন্তরে সংঘটিত যে কোনো পর্যাবৃত্ত ক্রিয়া (periodic process) একই কাল ‘অন্তর’ (interval) স্থায়ী। কিন্তু এক জায়গায় কাল অন্তর অন্য জায়গায় একই কাল অন্তরের নির্ভুল অনুরূপ হয় না। তার কারণ : যে স্থান-কাল মহাকর্ষ গঠন করে তার ‘পাহাড়ি’ (hilly) চরিত্র।

     

     

    তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণী : ভূমিতলে অবস্থিত একটি পরমাণুর ভিতরে সংঘটিত একটি পর্যাবৃত্ত ক্রিয়ার (periodic process) হার (rate) খুব উঁচু একটা বাড়িতে ছাতে অবস্থিত একই পরমাণুর ভিতরে সংঘটিত একই পর্যাবৃত্ত ক্রিয়ার হারের চাইতে একটু মন্থরতর (silghtil slower rate)। আলোকরশ্মি উৎসর্জন (emis sion) আসলে একটি পর্যাবৃত্ত ক্রিয়া। এ ক্রিয়া যদি মন্থরতর হয় তাহলে দুটি তরঙ্গ শীর্ষের (wave crest) মধ্যবর্তী স্থান অধিকতর হওয়া অনুমোদিত হবে সুতরাং দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সম্পন্ন আলোক উৎপাদিত হবে। অতএব আলোক যখন ভূমিতল থেকে বাড়ির ছাদে প্রেরিত হয় তখন বাড়ির ছাদে অবস্থিত পর্যবেক্ষকদের মনে হবে সেই আলোকের বর্ণালীর একটি বিশেষ রেখা, আলোকটি যদি তাদের নিজেদের তল থেকে প্রেরিত হয় তাহলে তার বর্ণালীর ঐ রেখার তুলনায়, বর্ণালীর লাল প্রান্তের নিকটতর।

    আইনস্টাইনের ভবিষ্যদ্বাণী সূর্যে অবস্থিত পরমাণুগুলি থেকে উৎসারিত আলোক তরঙ্গের সঙ্গে পৃথিবীতে অবস্থিত পরমাণুগুলি থেকে উৎসারিত আলোকতরঙ্গের তুলনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। ভূ-পৃষ্ঠের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের তুলনায় সূর্যপৃষ্ঠের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র অত্যন্ত শক্তিশালী। সুতরাং ভূমিতল এবং ছাদের ক্ষেত্রে তরঙ্গদৈর্ঘ্য পার্থক্যের তুলনায় এ ক্ষেত্রে তরঙ্গদৈর্ঘ্যর পার্থক্য বৃহত্তর কিন্তু। সূর্যালোকে মাপনের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা একই। সে ক্ষেত্রেও একই অভিক্রিয়া হওয়া উচিত। প্রথম ভবিষ্যদ্বাণীর সময় পার্থিব (terrestrial) মাপন অসম্ভব ছিল। কিন্তু গত পঁচিশ বছরে আবিষ্কৃত নতুন পদ্ধতিগুলির সাহায্যে অতীব নির্ভুলভাবে জানা তরঙ্গদৈর্ঘ্য আলোকসঙ্কেত প্রেরণ সম্ভব হয়েছে এবং যে অভিক্রিয়া সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল সে অভিক্রিয়া বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার সাহায্যে নির্ভুলভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

     

     

    নতুন মহাকর্ষীয় বিধি এবং প্রাচীন বিধির ভিতরে আরো অনেক পার্থক্য রয়েছে। তার অনেক গুলির সত্যতা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার সাহায্যে নির্ভুলভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এর ভিতরে সবচাইতে নির্ভুল হল কাল বিলম্বী’ (time delay) অভিক্রিয়া। এ সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী ১৯৬৪ সালের আগের করা হয়নি। অর্থাৎ নতুন তত্ত্ব উপস্থাপনের প্রায় পঞ্চাশ বছর পর এই তত্ত্ব উপস্থাপিত হয়েছে।

    এর কারণ বোধ হয় : আলোচ্য কাল বিলম্ব এক সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের কয়েক শত অংশ মাত্র (few hundred millionth of sccond)। তার বেশি নয় এবং এত ক্ষুদ্র কাল মাপন সম্ভব হয়েছে সম্প্রতি। ভবিষ্যদ্বাণীটি হল : নিকটে যখন মহাকর্ষীয় পাহাড় এই তখনকার তুলনায় মহাকর্ষীয় পাহাড় যখন রয়েছে তখন একটি নির্বাচিত স্থান থেকে অন্য নির্বাচিত স্থানে যেতে একটি আলোকসঙ্কেতের সময় বেশি লাগবে। রাডার (radar) সঙ্কেত সম্পর্কেও এ ভবিষ্যদ্বাণী সমভাবে প্রযোজ্য। এই পরীক্ষাগুলিতে পৃথিবী থেকে একটি রাডার সঙ্কেত অন্য একটি গ্রহ কিংবা একটি কৃত্রিম উপগ্রহে পাঠানো হয় এবং সঙ্কেতগুলি প্রতিফলিত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসে। প্রতিফলকটি (reflecting agent) যখন সূর্যের দূরতর পার্শ্বে অবস্থিত মাপন তখনই করা হয়। এক্ষেত্রে সূর্য মহাকর্ষীয় পাহাড়ের ভূমিকা পালন করে। পরীক্ষাফল অতি নির্ভুলভাবে ভবিষ্যদ্বাণীর সত্যতা পালন করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভুলের পরিমাণ এক সহস্রাংশের চাইতেও কম।

     

     

    মহকাশে বস্তুপিণ্ডগুলির গতি সম্পর্কে যে সমস্ত ক্ষেত্রে নতুন তত্ত্ব এবং পুরাতন তত্ত্বে মতভেদ হয় সেই সমস্তক্ষেত্রে নতুন তত্ত্বই নির্ভুল ফল প্রদান করে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এ তথ্য বিশ্বাস করাতে প্রাগুক্ত বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাগুলিই যথেষ্ট। নতুন তত্ত্বের সপক্ষে পরীক্ষামূলক ভিত্তি যদি নিঃসঙ্গও হতো, তাহলেও সে ভিত্তি হতো প্রামাণ্য। নতুন বিধি নির্ভুল সত্যের প্রতিরূপ হোক কিংবা না হোক, প্রাচীন বিধির তুলনায় যে নতুন বিধি সত্যের নিকটতর সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। অথচ প্রাচীন বিধিতে ভুল ছিল অতীব সামান্য।

    প্রথমে যে কারণগুলি ছিল নতুন বিধি আবিষ্কারের পথিকৃৎ সেগুলি কিন্তু এত বিস্তৃতি ছিল না। এমন কি বুধগ্রহের অনুসুর সম্পর্কীয় যে ফল সেটাও আহরণ করা সম্ভব ছিল শুধুমাত্র তত্ত্বটি সম্পূর্ণ হওয়ার পর এবং পূর্বেকার পর্যবেক্ষণের সাহায্যেই বুধগ্রহ সম্পৰ্কীয় তথ্য প্রমাণ করা যেত। তবুও এ তথ্য কোনোক্রমেই এরকম একটি তত্ত্ব আবিষ্কারের প্রাথমিত কারণের কোনো অংশ হতে পারে না। এ কারণগুলির চরিত্র ছিল আরো বিমূর্ত এবং যৌক্তিক। এ কথা আমি বলছি না যে এগুলি ছিল পূর্বত : সিদ্ধ (a priori) কল্পনা অর্থাৎ প্রাচীনকালে দার্শনিকরা যা করতেন সেইরকম। আমি বলতে চাইছি : এগুলি আহরণ করা হয়েছিল ভৌত অভিজ্ঞতার কয়েকটি সাধারণ চরিত্র থেকে। সেগুলি থেকেই বোঝা গিয়েছিল যে প্রাচীন বিধি নিশ্চয়ই ভুল এবং নতুন বিধির মতো কিছু একটা প্রতিস্থাপন করতেই হবে। . আগের অধ্যায়গুলিতে আমরা দেখেছি গতির আপেক্ষিকতা সম্পর্কীয় যুক্তিগুলি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারী (quite conclusive)। দৈনন্দিন জীবনে যখন আমরা বলি একটা কিছু চলছে তখন আমরা বোঝাতে চাই সেটা চলছে পৃথিবী সাপেক্ষ। গ্রহগুলির গতি বিচারের সময় আমরা ভাবি সেগুলি চলছে সূর্য সাপেক্ষ কিংবা সৌরতন্ত্রের ভরের কেন্দ্র সাপেক্ষ। যখন আমরা বলি সৌরতন্ত্র নিজেই চলমান। তখন আমরা বোঝাতে চাই-এটা চলছে তারকাপুঞ্জ সাপেক্ষ। এমন কোনো ভৌত ঘটনা নেই যার নাম দেওয়া যেতে পারে পরম গতি (absolute motion)। সুতরাং ভৌতবিধির বিচার্য হতে হবে আপেক্ষিক গতি। কারণ একমাত্র সেইরকম গতিই বাস্তবে ঘটে।

     

     

    এখন আমরা গতির আপেক্ষিকতাকে এই পরীক্ষামূলক তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে গ্রহণ করতে চাইছি; দুটি বস্তুপিণ্ড যেভাবেই চলমান হোক না কেন আলোকের বেগ একটি সাপেক্ষ যা অন্যটি সাপেক্ষও তাই। ঐ তথ্যই দূরত্ব এবং কালের আপেক্ষিকতার পথিকৃৎ। এ তথ্যই আবার দেখিয়ে দেয় : এমন কোনো বস্তুনিষ্ঠ ভৌত ঘটনা নেই যাকে বলা যায় একটি নির্দিষ্ট সময়ে দুটি বস্তুপিণ্ডের অন্তবর্তী দূরত্ব। কারণ কাল এবং দূরত্ব দুটোই নির্ভর করে পর্যবেক্ষকের উপর। সুতরাং প্রাচীন মহাকর্ষীয় বিধি যৌক্তিক বিচারে গ্রাহ্য নয়। কারণ এ বিধি ‘একটি নির্দিষ্ট কালে দূরত্ব’ ব্যবহার করে।

    এ থেকে বোঝা যায়-আমরা প্রাচীন বিধি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারি না। কিন্তু তার জায়গায় কি প্রতিস্থাপন করতে হবে সেটা বোঝা যায় না। এখানে কয়েকটি বিষয় এসে পড়ে। প্রথমত আমাদের রয়েছে ‘মহাকর্ষীয় ভর এবং জড়ত্বীয় ভরের সমতা’। এর অর্থ হল : একটি বস্তুপিণ্ডের প্রতি একটি নির্দিষ্ট বল* প্রয়োগ করলে সেটা যদি হাল্কা হয় তাহলে তাকে যতটা ত্বরণ দান করা সম্ভব, ভারী হলে সেটাকে ততটা ত্বরণ আপনি দান করতে পারেন না। একটি বিশেষ ত্বরণ দান করতে যে পরিমাণ বল প্রয়োজন হয় সেটাই একটি বস্তুপিণ্ডের জড়ত্বীয় ভরের মাপ (measure)।

     

     

    ভূ-পৃষ্ঠের একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে ‘ভর’ (mass) এবং ওজন (weight) আনুপাতিক। দাঁড়িপাল্লা দিয়ে যেটা মাপা হয় সেটা ঠিক ওজন নয় সেটা আসলে ভর। ওজনের সংজ্ঞা : একটি বস্তুপিণ্ডকে পৃথিবী যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে সেটাই ওজন। এ বল বিষুবরেখাতে যতটা, মেরু প্রদেশে তার চাইতে বেশি। তার কারণ বিষুবরেখাতে পৃথিবীর আবর্তন একটি অপকেন্দ্র (centrifugal)’ বল সৃষ্টি করে। সেই বল আংশিকভাবে মহাকর্ষের বিরোধী। অতি উচ্চে কিংবা অতি গভীর খনির তলদেশের তুলনায় ভূ-পৃষ্ঠে পৃথিবীর আকর্ষণী বল বৃহত্তর। দাঁড়িপাল্লায় কিন্তু এই পরিবর্তনগুলি বোঝা যায় না কারণ ওজন করার বাটখারা এবং যে বস্তুপিণ্ড ওজন করা হবে দুইয়ের উপরই এই পরিবর্তনগুলি সমান ক্রিয়া করে। তবে স্প্রিং-এর ওজন কল ব্যবহার করলে পরিবর্তনগুলি বোঝা যায়। ওজনের এই সমস্ত পরিবর্তনের সময় ভরের কোনো পরিবর্তন হয় না।

    মহাকর্ষীয় ভরের সংজ্ঞা ভিন্ন। এর অর্থ দু’রকম হতে পারে। আমরা অর্থ করতে পারি–

    (১) মহাকর্ষের তীব্রতা যেখানে জানা আছে সেখানে একটি বস্তুপিণ্ডের প্রতিক্রিয়ার ধরন–উদাহরণ : ভূ-পৃষ্ঠে কিংবা সূর্য-পৃষ্ঠে ।

     

     

    (২) বস্তুপিণ্ডটি যে মহাকর্ষীয় বল সৃষ্টি করে তার তীব্রতা উদাহরণ : পৃথিবীর তুলনায় সূর্য বেশি শক্তিশালী মহাকর্ষীয় বল সৃষ্টি করে। পুরানো তত্ত্ব বলে: দুটি বস্তুপিণ্ডের অন্তর্বর্তী মহাকর্ষীয় বল তাদের ভরের গুণফলের আনুপাতিক। এইবার বিচার করা যাক– একই বস্তুপিণ্ডের (ধরুন-সূর্য) প্রতি বিভিন্ন বস্তুপিণ্ডের আকর্ষণ। এক্ষেত্রে বিভিন্ন বস্তুপিণ্ড যে বল দ্বারা আকর্ষিত হয় সে বল তাদের ভরের আনুপাতিক। সুতরাং সেই বলগুলি সবার ভিতরে নির্ভুলভাবে একই ত্বরণ সৃষ্টি করে। অতএব আমরা যদি মহাকর্ষীয় ভর’ বাক্যে বোঝাতে চাই প্রথম অর্থ (১) অর্থাৎ মহাকর্ষ সাপেক্ষ একটি বস্তুপিণ্ডের প্রতিক্রিয়া, তাহলে আমরা দেখতে পাই ‘জড়ত্বীয় এবং মহাকর্ষীয় ভরের সমতা’। কথাটা শুনতে ভয়াবহ হলেও এর অর্থটা হল : একটি নির্দিষ্ট মহাকর্ষীয় পরিস্থিতিতে সমস্ত বস্তুপিণ্ডের আচরণ নির্ভুলভাবে এক। ভূ-পৃষ্ঠ সাপেক্ষ গ্যালিলিও-র প্রধান আবিষ্কারগুলির ভিতরে এই আবিষ্কারটিও ছিল। অ্যারিস্টটল ভাবতেন হাল্ক বস্তুপিণ্ডের তুলনায় ভারী বস্তুপিণ্ডের পতন হয় দ্রুততর। গ্যালিলিও দেখিয়েছিলেন বাতাসের বাধা না থাকলে এ তথ্য সত্য নয়। শূন্যস্থানে একটি পালক এক ডেলা সীসার মতোই তাড়াতাড়ি পড়ে। গ্রহ পুঞ্জ সম্পর্কে অনুরূপ তথ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নিউটন। সূর্য থেকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থিত একটি ধূমকেতু এবং একটি গ্রহের দূরত্ব এক হলেও সূর্যের অভিমুখে তারা একই রকম ত্বরণ অনুভব করবে। অথচ ধুমকেতুর ভর অত্যন্ত কম। সুতরাং একটি বস্তুপিণ্ডকে মহাকর্ষ কিভাবে প্রভাবান্বিত করে সেটা নির্ভর করে তার অবস্থানের উপর, কোনোরকমেই বস্তুপিণ্ডের ধর্মের (nature) উপর নির্ভর করে না। এ থেকে মনে হয় মহাকর্ষীয় অভিক্রিয়া অঞ্চলের চরিত্রের (characteristic of the locality)। আইনস্টাইন এই মতই প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছেন।

     

     

    দ্বিতীয় অর্থে (২) মহাকর্ষীয় ভর বিষয়ে অর্থাৎ একটি বস্তুপিণ্ড যে বল উৎপন্ন করে তার তীব্রতা সম্পর্কে নতুন তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণী : প্রথম অর্থে মহাকর্ষীয় ভর এবং দ্বিতীয় অর্থে মহাকর্ষীয় ভর অভিন্ন। এ ভবিষ্যদ্বাণীর সত্যতা প্রমাণ করে এরকম একটি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা অন্তত করা হয়েছে।

    যদি একটি সান্নিধ্যের বৈশিষ্ট্য (characteristic of neighbourhood) হতে হয় তাহলে মহাকর্ষীয় বিধির কি রকম হওয়া আবশ্যিক (must be) সে সম্পর্কে আমাদের আর একটি ইঙ্গিত রয়েছে। কারণ, সান্নিধ্যের বৈশিষ্ট্য হতে পারে এ রকম অনুমান করার যুক্তি আমরা দেখেছি। এটা এমন একটা বিধিতে প্রকাশ করা উচিত যে বিধি আমরা অন্য রকম স্থানাঙ্ক গ্রহণ করলেও অপরিবর্তিত থাকে। আমরা আগেই দেখেছি–শুরু থেকে আমরা কখনোই আমাদের স্থানাঙ্কগুলির কোনো ভৌত গুরুত্ব আছে একথা মনে করব না, স্থানাঙ্কগুলি স্থান-কালের বিভিন্ন অংশের সুসম্বন্ধ নামকরণের পদ্ধতিমাত্র। এগুলি শুধুমাত্র রীতিরক্ষা করে (con ventional)। সেইজন্য এগুলি কোনো ভৌতবিধির অংশ হতে পারে না। একথা বলার অর্থ যদি এক গুচ্ছ (set) স্থানাঙ্ক সাপেক্ষও একই সঙ্কেতের (formula) সাহায্যে সে বিধিকে অবশ্যই প্রকাশিত হতে হবে। কিংবা আরো নির্ভুলভাবে বলা যায় : বিধিটিকে প্রকাশ করে এমন একটি সঙ্কেত অবশ্যই আবিষ্কার করা সম্ভব হতে হবে যে, স্থানাঙ্কের পরিবর্তন আমরা যে ভাবেই করি না কেন, সে সঙ্কেত অপরিবর্তিত থাকবে। সে রকম সঙ্কেত নিয়ে কাজকর্ম করার দায়িত্ব টেন্সর সম্পৰ্কীয় তত্ত্বের (theory of tensors)। টেন্সর তত্ত্ব দেখিয়েছে : সম্ভাব্য মহাকর্ষীয় বিধিরূপে এমন একটি সঙ্কেত রয়েছে যে সঙ্কেতকে অন্য সঙ্কেতগুলির চাইতে বেশি উপযুক্ত মনে হয়। পরীক্ষা করলে দেখা যায় এই সম্ভাব্যতাই সঠিক ফল দান করে। পরীক্ষামূলক সত্যতা নির্ধারণের প্রশ্ন আসে এখানেই। যদি দেখা যেত যে নতুন বিধির অভিজ্ঞতার সঙ্গে ঐক্য নেই তাহলেও কিন্তু আমরা পুরানো বিধিতে ফিরে যেতে পারতাম না। যুক্তি আমাদের এমন একটি বিধি খুঁজে বার করতে বাধ্য করত– যে বিধিতে গতি, দূরত্ব এবং কালের আপেক্ষিকতা প্রথিত। এ বিধি প্রকাশিত হতো টেন্সরের বাগ্বিধিতে। গণিত ছাড়া টেন্সর তত্ত্ব ব্যাখ্যা করা অসম্ভব। গণিত যিনি জানেন না তাঁকে এই জ্ঞান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে যে এটা প্রযুক্তির এমন একটি পদ্ধতি যার সাহায্যে আমরা আমাদের মাপন এবং বিধি থেকে রীতিগত উপাদান বাদ দিতে পারি এবং এইভাবে এমন সমস্ত ভৌতবিধিকে পেতে পারি যে বিধি পর্যবেক্ষকের দৃষ্টিভঙ্গির অধীন নয়। এই পদ্ধতির সবচাইতে চমৎকার উদাহরণ আইনস্টাইনের মহাকর্ষীয় বিধি।

     

     

    —–
    * আগেই দেখানো হয়েছে নতুন তত্ত্বে মহাকর্ষীয় বল–কে আর গতিবিদ্যার (dynamics) মৌল কল্পনরূপে বিচার করা হয় না–একে ব্যবহার করা হয় বলার সুবিধার জন্য। ঠিক যেমন আমরা সূর্যোদয় ‘সূর্যাস্ত’ শব্দ ব্যবহার করি মহাকর্ষীয় বল’-ও তেমনি ব্যবহার করা যেতে পারে। অবশ্য আমাদের বুঝতে হবে আমরা কি বলতে চাইছি। অনেক সময় বল শব্দটি এড়ানোর জন্য অত্যন্ত ঘোরানো অনেক কথা ব্যবহার করতে হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }