Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অবাঞ্ছিত উইল – কাসেম বিন আবুবাকার

    কাসেম বিন আবুবাকার এক পাতা গল্প136 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অবাঞ্ছিত উইল – ৫

    ৫

    কাঞ্চঙ্গপুরের কাজ শেষ করে ফিরে এসে শাকিল চৌধুরী সাহেবকে সবকিছু জানাল।

    চৌধুরী সাহেব বললেন, গোমস্তা ও নায়েবের ব্যাপারে কিছু চিন্তা ভাবনা করেছ?

    গোমস্তার ব্যাপারে চিন্তা করার বিশেষ কিছু নেই, ওনাকে কয়েকদিনের জন্য বাড়ি যেতে বলুন। আশা করি ছেলের কাছ থেকে সবকিছু জেনে নিজের ভুল বুঝতে পেরে শুধরে যাবেন। তা যদি না হয় তখন তার ব্যবস্থা আমি করব। আর নায়েবকে আরো কিছুদিন সৎপথে আনার চেষ্টা করব। এখন বয়স হয়েছে। মরণের ভয় সব মানুষেরই আছে। যদি একান্ত ওনার পরিবর্তন না হয়, তখন আপনাকে জানাব।

    এরকম কূটীল ও অসৎ লোকেরা কোনদিন শুদরায় না। অনেক আগেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতাম, বাবার আমলের বয়স্ক লোক বলে এতদিন কিছু বলি নাই।

    আল্লাহপাকের ইচ্চায় সব কিছু হয়। আমরা যে ওনার সব জাল জোচ্চুরি ধরে ফেলেছি তা উনি বুঝতে পেরেছেন। এখন আমরা যদি ওনাকে কিছু না বলি, তা হলে আমার মনে হয়, উনি যে রকম বুদ্ধিমান লোক, নিজেই শুধরে যাবেন। ওনাকে এখন বরখাস্থ করাও ঠিক হবে না। কারণ ওনার কাছ থেকে এখনও আমার অনেক কিছু শেখার আছে।

    ঠিক আছে, তুমি যা ভাল বুঝ কর।

    মাস তিনেক পরে আম্মার চিঠিতে দাদীর অসুখের কথা শুনে শাকিল বাড়ি গেল। ফৌজিয়া খাতুন বার্ধক্য জনিত রোগে ভুগছিলেন। শাকিল বাড়িতে এসে ডাক্তার এনে দাদির চিকিৎসা করিয়ে কিছুটা সুস্থ হলে প্রায় পনের দিন পরে মেহেরপুরে ফিরে এল।

    বাড়ি থেকে এসে শাকিল শুনল, চৌধুরী সাহেব অসুস্থ। সেদিন রাতে খাওয়ার সময় কাজের মেয়েকে বলল, তুমি গিয়ে চৌধুরী সাহেবকে বল, আমি দেখা করতে চাই।

    কাজের মেয়েটা বলল, উনি আপনাকে খাওয়ার পর যেতে বলেছেন।

    এতক্ষণ সে কথা বলনি কেন?

    খাওয়া শেষ হলে বলতাম।

    খাওয়ার পর শাকিল উপরে ড্রইংরুমে গিয়ে দেখল, চৌধুরী সাহেব একটা কৌচে হেলান দিয়ে বসে গভীর চিন্তায় মগ্ন।

    শাকিল সালাম জানিয়ে কুশল জিজ্ঞেস করল।

    চৌধুরী সাহেব সালামের জওয়াব দিয়ে সোজা হয়ে বসে বললেন, শরীর তেমন ভালো নয়। বস, তোমাকে ষ্টেটের ব্যাপারে কয়েকটা কথা বলব। তার আগে অন্য দু একটা কথা বলে নিই। তুমি শুধু চৌধুরী বাড়ির নয়, সমস্ত মেহেরপুরের মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়ে তাদের চরিত্রের আমূল পরিবর্তন সাধন করেছ তা প্রশংসার যোগ্য। সেই সব দেখেশুনে আমিও মনের মধ্যে জ্ঞানের আলো পাবার জন্য প্রেরণা অনুভব করে তোমার রুম থেকে বিশ্ব নবী, তাজ কেরাতুল আউলিয়া, সাহাবা চরিত এবং কুরআন হাদিসের ব্যাখ্যার বই নিয়ে এসে পড়তে থাকি। তার ফলে আল্লাহপাকের করুণায় আমার মনেও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ে। গত জীবনের কৃতকর্ম স্মরণ করে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর দরবারে মাফ চেয়ে তার ও তার রসুলের (দঃ) প্রদর্শিত পথে চলার চেষ্টা করছি। আমার মনে হয়েছে ইসলামের জ্ঞানই হল আসল জ্ঞান। স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করে সে জ্ঞান পাওয়া যায় না। যদিও সেগুলোতে কিছু কিছু ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে, তবুও ছেলেমেয়েরা সঠিক শিক্ষালাভ করতে পারছে না। কারণ তারা যা শিক্ষালাভ করছে, তা অনুশীলন করে শুধু ডিগ্রী নেয়ার জন্য। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার এলাকার মধ্যে আমি এমন একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরী করতে চাই, যার প্রত্যেকটা শিক্ষক, কর্মচারী ও পরিচালকরা আল্লাহ ও তাঁর রসুলের (দঃ) শিক্ষায় শিক্ষিত এবং নিজেদেরকে ন্যায় নিষ্ঠার সঙ্গে পুরোপুরি সেই মতো পরিচালিত করে। আর সেই শিক্ষা প্রতিষ্টানের ছাত্র ছাত্রীদিগকে শিক্ষা দেওয়ার। সঙ্গে সঙ্গে সেই পথে পরিচালিত করে প্রকৃত মানুষের মত মানুষ অর্থাৎ আল্লাহর খাঁটি বান্দা তৈরি করবে। যদি আমি তা করতে পারি, তা হলে হয়তো এর অসিলায় আল্লাহ আমার ও আমার পূর্ব পুরুষদের গোনাহ মাফ করতে পারেন। আমি আরো সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই কাজের ভার তোমাকেই দেব। এখন তোমার যদি কিছু বলার থাকে বলতে পার।

    চৌধুরী সাহেবের কথা শুনে শাকিল আনন্দে আপ্লুত হয়ে আলহামদু লিল্লাহ বলে বলল, সেই আল্লাহপাকের দরবারে শতকোটি শুকরিয়া জানাই, যিনি আমার মনের বাসনা পূরণ করার জন্য এবং তা বাস্তবায়নের জন্য আপনাকে অনুপ্রানিত করেছেন। আমি আপনার সিদ্ধান্ত সর্বান্তকরণে সমর্থন করছি। কিন্তু এই গুরু দায়িত্ব কি আমি বহন করতে পারব।

    চৌধুরী সাহেব বললেন, ইনশাআল্লাহ পারবে। তোমার মতো ছেলে যদি না পারে, তবে আর কে পারবে? “কেউ ভাল কাজে অগ্রসর হলে, আল্লাহ তার সাহায্যার্থে এগিয়ে আসেন” এটা যে হাদিসের কথা তা তুমি নিশ্চয় জান? আরো একটা সিদ্ধান্তের কথা বলে এই প্রসঙ্গ শেষ করব। এখন যেভাবে তুমি এই ষ্টেটের সব কিছু দেখাশোনা করছ, আমার মৃত্যুর পরও ঠিক সেই ভাবে দেখাশুনা করবে। তোমার ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে যা কিছু করার আমি করব।

    শাকিল বলল, আপনি এত বেশি দায়িত্ব দিতে চাচ্ছেন তা পালন করতে পারব কি

    জানি না, তবু কথা দিচ্ছি, আল্লাহপাক আমাকে যতটা তওফিক দেবেন ততটা করার আপ্রাণ চেষ্টা করবো। আপনিও দোয়া করুন, আল্লাহপাক যেন আমাকে আপনার মনের বাসনা পূরণ করার তওফিক দান করেন।

    চৌধুরী সাহেব শোকর আলহামদুলিল্লাহ বলে বললেন, তাতো করবই। তোমার কথা শুনে মনে খুব শান্তি পেলাম। তারপর বললেন, কয়েকদিন আগে নায়েব আমার কাছে অন্যায় স্বীকার করে মাফ চেয়েছেন। আমি তাকে বলেছি, অতীতের অন্যায়ের জন্যে আল্লাহ পাকের কাছে মাফ চাইবেন। আর ভবিষ্যতে যে কোন কাজ থেকে বাঁচার জন্য তার কাছেই সাহায্য চাইবেন।

    শাকিল ভিজে গলায় বলল, আল্লাহ কখন কাকে হেদায়েত করেন, তা কেউ বলতে পারে না, তার পাক দরবারে আবার শুকরিয়া জানাচ্ছি। আমার দৃঢ় ধারণা ছিল, ইনশাআল্লাহ উনি নিজের ভুল বুঝতে পেরে একদিন না একদিন শুধরে যাবেন। এমন সময় বেগম সাহেবকে আসতে দেখে দাঁড়িয়ে সালাম জানিয়ে কুশল জিজ্ঞেস করল।

    নাগিনা বেগম সালামের প্রতিউত্তর দিয়ে বসে তাকেও বসতে বলে বললেন, আল্লাহ পাকের রহমতে আমি একরকম আছি। তারপর স্বামীর দিকে একবার তাকিয়ে নিয়ে বললেন, কিছু দিন থেকে ওনার শরীর খারাপ যাচ্ছে। এখানকার ডাক্তাররা রোগ ধরতে পারছেন না। ওনারা বলছেন, ঢাকায় কোন ভাল প্রাইভেট ক্লিনিকে একবার চেক আপ করাতে। উনি যেতে চাচ্ছেন না। তুমি যদি একবার সঙ্গে করে নিয়ে গিয়ে…..।

    চৌধুরী সাহেব স্ত্রীকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, ওসবের দরকার নেই।

    শাকিল চৌধুরী সাহেবের দিকে ভালো করে লক্ষ্য করে বুঝতে পারল, চাকরি করতে এসে ওনাকে প্রথমে যা দেখেছিল, তার চেয়ে অনেক শুকিয়ে গেছেন। বলল, চাচিআম্মা ঠিক কথা বলেছেন। আমি আপনাকে দু’একদিনের মধ্যে ঢাকা নিয়ে যাব।

    নাগিনা বেগম বললেন, হ্যাঁ তাই কর, ওনার কথা শোন না।

    দু’দিন পর শাকিল চৌধুরী সাহেবকে নিয়ে ঢাকায় এসে একটা হোটেলে উঠতে চাইলে শাকিল সেই ব্যবস্থা করল। চাচাতো ভাই ইয়াসিন সাহেবের বাসাতে না উঠে কেন হোটেলে উঠলেন সে কথা শাকিল জানে। তাই একটা ভালো হোটেলে থেকে ইবনে সীনা ক্লিনিকে ওনার সব কিছু চেকআপ করাল। বিশেষ তেমন গুরুতর কিছু দোষ ধরা পড়ল না। ডাক্তারের প্রেসক্রিপসান মতো ঔষধপত্র কিনে শাকিল খাওয়াতে লাগল।

    একদিন চৌধুরী সাহেব হোটেল থেকে ব্যারিস্টার মুস্তাককে ফোন করে আসতে বললেন। সেদিন শাকিল চৌধুরী সাহেবকে বলে আনিসাদের বাসায় গেছে।

    ব্যারিস্টার মুস্তাক অনেক দিন থেকে চৌধুরী বংশের সঙ্গে জড়িত। স্টেটের কাগজ পত্রের কজ উনি দেখাশুনা করে আসছেন। হোটেলে এসে চৌধুরী সাহেবের সঙ্গে সালাম ও কুশলাদি বিনিময় করে বললেন, কি খবর বলুন।

    চৌধুরী সাহেব বললেন, শরীরটা বেশ কিছুদিন থেকে ভাল যাচ্ছে না। আপনি তো জানেন, আমার এই বিশাল ষ্টেটের কোন ভোগ দখলকারী নেই। ইয়াসিন থেকেও নেই। তাকে ফিরিয়ে নেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু রাজি করাতে পারিনি। শরীরের অবস্থা যে রকম, কবে কি হয়ে যায় বলা যায় না। তাই আমি একটা উইল করতে চাই।

    ব্যারিস্টার সাহেব বললেন, উইলটা কিভাবে করবেন কিছু ঠিক করেছেন?

    হ্যাঁ করেছি বলে চৌধুরী সাহেব ব্রীফকেস থেকে একটা খসড়া বের করে তার হাতে দিলেন।

    ব্যারিস্টার সাহেব সেটা পড়ে খুশী হয়ে বললেন, শাকিল ছেলেটাকে দেখতে আমার খুব ইচ্ছা করছে।

    চৌধুরী সাহেব বললেন, ও আমার সঙ্গে এসেছে। তার এক আত্মীয়কে দেখতে গেছে। কাল একবার আসুন পরিচয় করিয়ে দেব। আমি উইলের ব্যাপারটা এখন কোন পক্ষকেই জানাতে চাই না। আশা করি, আপনি উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন।

    ব্যারিস্টার সাহেব মৃদু হেসে বললেন, হ্যাঁ, পেরেছি।

    চৌধুরী সাহেব তার সঙ্গে আরো কিছু গোপন আলোচনা করে আপ্যায়ণ করিয়ে বিদায় দিলেন।

    ঢাকায় দু’সপ্তাহ থেকে শাকিল চৌধুরী সাহেবকে নিয়ে মেহেরপুর ফিরে এল। এরপর থেকে সে প্রতিদিন দুবেলা চৌধুরী সাহেবকে দেখাশোনা করতে লাগল।

    একদিন চৌধুরী সাহেব শাকিলকে জিজ্ঞেস করলেন, আমার পরিকল্পনার কাজ কতদূর কি করলে?

    শাকিল বলল, আপনাকে নিয়ে ঢাকায় থাকার সময় আমি কয়েকজন বিশিষ্ট আলেমের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলাপ করেছি। ওনারা অত্যন্ত খুশী হয়ে সহযোগীতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। এই কয়েকদিনে এখানকার আমার জানাশুনো বেশ কয়েকজন আদর্শবান শিক্ষকের সঙ্গেও আলাপ আলোচনা করেছি। ওনারাও সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। একমাস পরে বারই রবিউল আউয়াল। ঐদিন আমি মিলাদুন্নবী উপলক্ষে এক মাহফিলের আয়োজন করে ঐ সমস্ত গুণী ও সুধীজনদের নিয়ে এসে আমাদের পরিকল্পনার সবকিছু চূড়ান্ত করার কথা ভেবেছি।

    চৌধুরী সাহেব বললেন, শুনে খুশী হলাম। নায়েবকে বল, উনি যেন দু একদিনের মধ্যে গ্রামের গণ্যমান্য লোকদের খবর দিয়ে কাঁচারি বাড়িতে একটা মিটিং এর ব্যবস্থা। করেন।

    মিটিং এর দিন শাকিল চৌধুরী সাহেবের পরিকল্পনার কথা যখন বলল তখন বেশীরভাগ লোকজন আনন্দে হাততালি দিতে লাগল। শাকিল তাদেরকে থামিয়ে দিয়ে। বলল, আমরা মুসলমান। আনন্দ প্রকাশ করার রীতি আমাদের রসুল হযরত মুহাম্মদ (দঃ) শিক্ষা দিয়ে গেছেন। হাত তালি দেয়া ইসলামের নিষেধ, এটা করলে বিধর্মীদের অনুকরণ করা হয়ে যায়। আমরা মারহাবা মারহাবা বলে আনন্দ প্রকাশ করব। কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে পড়ছে এমন কয়েকজন ছেলে এখানে এসেছে। তাদের মধ্যে দু’একজন ছাড়া সবাই শাকিলকে মৌলবাদী বলতে ছাড়ল না। কিন্তু বেশিরভাগ লোকজন ও ছেলেরা তাকে আদর্শবান ও ধার্মিক মনে করল।

    মাহফিলের দিনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে শাকিলের আমন্ত্রণে অনেক আলেম, ওলামা, শিক্ষক, অধ্যাপক ও জ্ঞানী গুণীজন এসেছেন। শাকিল চেষ্টা চরিত্র করে শিক্ষা মন্ত্রিকে আনিয়েছেন। ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, কমিশনার ও মেম্বারগণও এসেছেন। বিভিন্ন গ্রামের লোকজনের তো কথাই নেই। তারা চৌধুরী বাড়িতে আগে কোনোদিন এরকম মাহফিল হতে দেখেন নি।

    মাহফিলের শুরুতে সকলের অনুমতি নিয়ে শাকিল হামদ ও নাত পাঠ করার পর স্বরচিত একটা কবিতা আবৃত্তি করল।

    কবিতার নাম-”জাগরে বিশ্বের মুসলিম সন্তান”

    জাগরে বিশ্বের মুসলিম সন্তান,
    এখনো সময় আছে
    হয়ে যাও সাবধান।
    জেনে নিয়ে নিজের পরিচয়
    রুখে দাঁড়াও সমাজের অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে
    উড়িয়ে মহা সত্যের বিজয় নিশান।

    বিপথগামীর স্রোতে ভেসে চলেছে
    সারা দুনিয়ার মানব সন্তান,
    তারা জানে না কোথায় তাদের ঠিকানা।
    যদি তোমরা ঘুমিয়ে থাক,
    তবে তাদেরকে কে রুখবে
    একবারও ভেবে দেখা কি উচিত না?

    আল্লাহ ও তাঁর রসুলের (দঃ) বাণী
    নিজেরা জেনে ও বাস্তবে মেনে চলে
    তাদেরকে ফিরিয়ে আন সত্যের পথে।
    তা না হলে, কাল হাশরের মাঠে
    কোন মুখ নিয়ে দাঁড়াবে
    সেই পরওয়ার দেগারের কাছে?

    ওহে বিশ্বের মুসলিম সন্তান,
    জাগো, ঘুমিয়ে থাকবে আর কতদিন?
    তোমরা না শ্রেষ্ঠ জাতি আল্লাহ’র খলিফা?
    তোমাদের উদাসীনতায় ও গাফলতিতে
    ভরে গেছে দুনিয়া মোনাফেকি আর বেদাতিতে,
    ঘুম থেকে জেগে হুশিয়ার হয়ে যাও তোমরা।

    পাপের কালিমায় তাদের দিলের
    ঈমানের নূর হয়ে গেছে
    অমানশির মতো তমসাছন্ন।
    ইনশাআল্লাহ তোমরাই পারবে তাদের
    দিলে ইমানের সেই নূর আবার জালাতে,
    কেননা তোমরা তাদের ভাই, নও তো তোমরা অভিন্ন।

    ওগো পীর, অলি, আওলিয়া, ফকির, দরবেশ
    আর বিশ্বের আলেম ওলামাগণ,
    আপনাদের মোবারক কদমে আরজী জানাই–
    ইবাদৎ জিকিরের সাথে সাথে
    বিপথগামীদের ফেরার জন্য কিছু করুন,
    নচেৎ শেষ বিচারের দিনে থাকবে না নাজাতের উপায়।

    আর শুনুন কবি, লেখক ও নাট্যকারগণ,
    আপনারাও লেখনীয় চালিয়ে যান–
    শরীয়তকে সামনে রেখে।
    অশ্লীলতার কুফল আর
    শ্লীলতার সুফল বর্ণনা করুন
    কবিতায় নভেলে ও নাটকে।

    যা পাঠ করে উৎপিড়ীত, নিষ্পেসিত ও
    বিপথগামী বিশ্বের মুসলিম,
    পারে আবার শীর উঁচু করে দাঁড়াতে।
    তা না করে সংস্কৃতির নামে
    অপসংস্কৃতি সাহিত্যে ঢুকিয়ে দিলে
    মুসলিম জাতি আরো যাবে রসাতলে।

    ওগো প্রভু তুমি যে করুনা সিন্ধু।
    তোমার করুনা সদাই বর্ষিত হচ্ছে
    স্কুল মোখলুকাতের উপর।
    বিশ্বের মুসলিম আজ পেতে চায়
    সেই সিন্ধু থেকে একবিন্দু করুনা,
    তুমি ছাড়া যে তাদের নেই অন্য কোনো দোসর।

    কবিতাটা আবৃত্তি করে শাকিল সালাম জানিয়ে বসে পড়ল। আর সমস্ত লোকজন মারহাবা মারহাবা শব্দে আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে তুলল। তারপর ওয়াজ নসীহত ও রসুলুল্লাহ’র (দঃ) জন্ম দিনের উপর বিভিন্ন বক্তাগণ বক্তব্য রাখার পর শাকিল শিক্ষা। প্রতিষ্ঠানের কথা ব্যক্ত করল। সকলে আনন্দের সঙ্গে সহযোগীতা করার কথা বলল। শেষে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটা কমিটি গঠন করা হল। সেই কমিটির মধ্যে চৌধুরী সাহেব, শাকিল, নায়েব থাকলেন। চৌধুরী সাহেব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য জমি ও বিরাট অংকের টাকা ডোনেশান দিলেন। কথা হল, চৌধুরী সাহেবের টাকাতেই প্রথমে যত শিঘ্রী সম্ভব কাজ শুরু হবে। পরে গ্রামের লোকজনদের কাছে টাকা পয়সা সংগ্রহ করা হবে। সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রতিষ্ঠানের নাম “চৌধুরী মেমোরিয়াল বিদ্যাপীঠ” রাখা হল।

    শাকিল ষ্টেটের অফিসের সব কিছু দেখার সাথে সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরির কাজও দেখাশোনা করতে লাগল। গ্রামের অনেকে শাকিলকে তার অমায়িক ব্যবহারের জন্য এবং গ্রামের উন্নতির দিকে লক্ষ্য রাখতে দেখে আগে থেকেই ভক্তি শ্রদ্ধা করত। এখন তাকে এই রকম একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পিছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে দেখে সেই ভক্তি শ্রদ্ধা আরো শতগুণ বেড়ে গেল। তারা বলাবলি করতে লাগল, এই ম্যানেজারের জন্যে চৌধুরী সাহেবের এবং তার আমলাদের চরিত্র পাল্টে গেছে। ক্রমশঃ তার সুনাম আশপাশের গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ল। তিন চার মাসের মধ্যে বিল্ডিং তৈরী হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হয়ে গেল। চালু হবার ছমাস পর হঠাৎ একদিন হার্টফেল করে চৌধুরী সাহেব মারা গেলেন।

    চৌধুরী সাহেবের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সারা গ্রামে বিষাদের ছায়া নেমে এল। ওনার জানাজায় আশে পাশের ও অনেক দূর গ্রামের লোকজন এসে সামিল হল। দাফন কাফনের পর সমস্ত মানুষ চোখের পানি ফেলতে ফেলতে ফিরে গেল।

    সমস্ত কাজকর্ম সেরে শাকিল বেগম সাহেবার কাছে এল।

    নাগিনা বেগম এতক্ষণ কেঁদে কেঁদে কিছুটা হালকা হয়েছিলেন। শাকিলকে দেখে আবার কান্নায় ভেঙে পড়লেন। বললেন, এই দুনিয়ায় আমার যে আর কেউ রইল না বাবা?

    শাকিল ওনাকে প্রবোধ দিয়ে বলল, অত ভেঙে পড়বেন না চাচিআম্মা। এই পৃথিবীতে কেউ চিরকাল বেঁচে থাকে না। আল্লাহ যার যতদিন হায়াৎ রেখেছেন তার এক সেকেণ্ড বেশি কেউ বাঁচতে পারে না। সময় হলে আমাকে আপনাকে, সবাইকেই এ দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে যেতে হবে। আল্লাহপাকের কাছে সাহায্য চেয়ে সবর করুন। আপনার কেউ নেই বলছেন কেন? আপনার কোন আত্মিয় স্বজন না থাকতে পারে, আমি তো আছি। সর্বোপরী আল্লাহ পাক আছেন। তিনি যেমন সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা তেমনি পালন কর্তা। আমাকে ছেলে মনে করে দিলে তাসাল্লী দিন। ইনশাআল্লাহ আমার শরীরে একবিন্দু রক্ত থাকতে আপনার কোন রকম কষ্ট হতে দেব না। তারপর ওনার পায়ে হাত দিয়ে বলল, বলুন, আমাকে ছেলে বলে গ্রহণ করলেন?

    নাগিনা বেগম শাকিলের মাথায় চুমো খেয়ে বললেন, হ্যাঁ বাবা, তুমি ঠিক কথা বলেছ।

    এতদিন তোমাকে ছেলের মতো মনে করতাম, আজ থেকে তুমি আমার পেটের ছেলে।

    শাকিল আম্মা বলে ওনার দুপা জড়িয়ে ধরল।

    নাগিনা বেগম চির আকাংখিত আম্মা ডাক শুনে শাকিলের মাথা বুকে চেপে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে বললেন, আর একবার আম্মা বলে ডাক বাবা।

    শাকিল আম্মা বলে ডেকে বলল, আপনি এবার চুপ করুন আম্মা, আজ থেকে আমিও আপনাকে গর্ভধারিনী মা মনে করব।

    চৌধুরী সাহেবের কুলখানি করার পর শাকিল নাগিনা বেগমের অনুমতি নিয়ে। নায়েবকে বলে এবারে প্রায় চার মাস পরে বাড়ি এল। সে আগেই পত্র দিয়ে বাড়িতে চৌধুরী সাহেবের মৃত্যু সংবাদ দিয়েছে। রাত্রে খাওয়ার পর শাকিল দাদির হাতে পায়ে তেল মালিশ করে দিচ্ছিল।

    ফৌজিয়া খাতুন বললেন, তেল মালিশ করতে হবে না, শুতে যা।

    কেন দাদি আমি কি দোষ করলাম?

    ন’মাসে ছ’মাসে বাড়িতে এসে দু’একদিন তেল মালিশ করিস। বাকি দিনগুলোতে কে করে খোঁজ করেছিস?

    আম্মা নিশ্চয়ই করে। আমি ঘরে থাকলে প্রতিদিন করে দিতাম।

    তুই না থাকলেও আর একজনকে এনে দিতে পারিস না? আম্মা সারাদিন সংসারের হাল ঠেলবে না আমাকে দেখবে। আমি তাকে তেল মালিস করতে নিষেধ করে দিয়েছি। তোকেও করছি।

    শাকিল দাদির মনোভাব বুঝতে পেরে বলল, আপনি আনার ব্যবস্থা করুন।

    আমি বুড়ী হয়ে গেছি, কি করে করবো? তোর আব্বাও বেশি চলাফেরা করতে পারে না। তুই নিজে দেখেশুনে করতে পারিস না?

    আমি দেখেশুনে করলে সে তো আপনার হাতে পায়ে তেল মালিশ করে দেবে না। আজকালকার শিক্ষিত আপটুডেট মেয়েরা এসব কাজ করবে না।

    করবে করবে। তুই সে রকম মেয়ে আনবি কেন?

    আপনার মনের মতো মেয়ে কি খুঁজে পাব? না এ যুগে পাওয়া যাবে? তাই বলছিলাম, আপনি কাউকে দিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে দেখুন। যদি সেরকম মেয়ে পাওয়া যায়, তা হলে তাকে নাতবৌ করার ব্যবস্থা করুন।

    এতক্ষণ সুরাইয়া খাতুন সবাইকে খাইয়ে তারপর নিজে খেয়ে সবকিছু গোছগাছ করে সেখানে এসে বললেন, দাদি নাতিতে কি এত কথা হচ্ছে?

    শাকিল জানে দাদি তার বিয়ের কথা বলবে, তাই সে ঘুমোতে যাই বলে নিজের রুমে চলে এল।

    ফৌজিয়া খাতুন বৌকে বললেন, বৌমা তোমরা এবার শাকিলের বিয়ের ব্যবস্থা কর। ওর বিয়ের বয়স হয়েছে। তুমি আর কতদিন সংসার টানবে।

    সুরাইয়া খাতুন বললেন, আপনার ছেলে মেয়ের খোঁজ করছে। কয়েকজনকে বলেও রেখেছে। আল্লাহ রাজি থাকলে এ বছর ওর বিয়ের ব্যবস্থা করব।

    শাকিল নিজের রুমে এসে শুয়ে শুয়ে বিয়ের কথা ভাবতে গিয়ে শাকিলার কথা মনে পড়ল। মেয়েটাকে তার খুব পছন্দ। তার দেয়া ঠিকানা পড়ে যখন সে জানতে পারল, শাকিলা আব্বার বন্ধুর মেয়ে এবং আব্বার বন্ধুও মেয়েকে আমার সঙ্গে বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। মধ্যখানে ভুল বোঝাবুঝির পর থেকে শাকিলাকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করছে। কারণ আব্বা আম্মার কথায় সে বুঝতে পেরেছিল, ঐ মেয়েকে তারা বৌ করবে না। কিন্তু মাঝে মাঝে শাকিলার ছবি তার মনের পাতায় ভেসে উঠে। তাই আজও দাদি বিয়ের কথা তুলতে তার কথা মনে পড়ল। যতবার শাকিল ঢাকায় গেছে। ততবার শাকিলাদের বাসায় যেতে তার মন চেয়েছে। আব্বা আম্মার অনিহা জেনেও সে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু শিশু একাডেমীর গেটের ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর আর যায়নি। ভাবল, এতদিনে হয়তো তার বিয়ে হয়ে গেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকামিনী কাঞ্চন – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article বিয়ের খোঁপা (গল্পগ্রন্থ) – কাসেম বিন আবুবাকার

    Related Articles

    কাসেম বিন আবুবাকার

    ক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    জানি তুমি আসবে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কি পেলাম – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কালোমেয়ে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    একদিন অপরাহ্নে – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    কাসেম বিন আবুবাকার

    কে ডাকে তোমায় – কাসেম বিন আবুবাকার

    July 31, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }