Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প203 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমানুষ – ৮

    ৮

    একটানা ঝিমঝিম বৃষ্টি পড়ছে। ছাই-ছাই মেঘগুলো আকাশে ঢেকে রেখেছে, দমকা হাওয়ায় তুফান ওঠে নদীর বুকে। নৌকোগুলো ভয়ে সরে গেছে। চারিদিকে অন্তহীন শূন্যতা কী আতঙ্ককে প্রকট করে তুলছে।

    রিলিফ পার্টির লোকজন ঘাবড়ে গেছেন রীতিমতো, সুন্দরবনের এত কাছে তাঁরা আসেননি। দু-একজন সরকারি লোকও চুপ করে বসে আছেন। স্বেচ্ছাসেবকদের অধিনায়ক বলেন –এই ‘রাফ ওয়েদারে’ দূর গাঙে পাড়ি দোব কি করে?

    ভুবনবাবু ভাবছেন। তবু আশ্বাস দেন—দেখি, মধুসূদন আসুক! তাকে পেলে আপনাদের কিছুই ভাবতে হবে না। খুব কাজের লোক।

    হঠাৎ দেখা যায় ওই বৃষ্টির মধ্যে আসছে। ছাতা-টাতার বালাই নেই। দমকা হাওয়া বইছে বিস্তীর্ণ গাঙ থেকে, ছিটকে ফেলে দেবে এই ভয়ে কেউ ওদিকে হাঁটে না।

    মধু আসছে। বলিষ্ঠ কঠিন একটি তরুণ। সর্বাঙ্গ ভিজে গেছে। গায়ের গেঞ্জিটা ভিজে ওর পুরুষ্ট দেহের ওপর চেপে বসেছে।

    চঞ্চলবাবু ওকে দেখছেন। ভুবনবাবু বলেন—ওই যে মধুসূদন আসছে!

    দৃঢ় পদক্ষেপে সে এগিয়ে আসে ওই কাদা-জলের মধ্য দিয়ে।

    দাওয়ায় উঠে এসে বলে –এগেন দ্যাট ঝুট-ঝামেলা দারোগাবাবু? কিছুই তো করিনি বাবা, নো হাঙ্গামা। বাদলার লগন, ঘরে বসে অবিশ্যি গিলেছি, আর মাইরি তার জন্য দারোগাবাবুর তলব? ওইটুকু যদি অপরাধ হয় তা’লে বাদাবনের সব মহাপ্রভুদের ধরে আনতে হয়।

    হঠাৎ মধুসূদন ভদ্রলোকদের দিকে তাকিয়ে একটু অবাক হয়। ওকে তাঁরা সবাই দেখছেন।

    ভুবনবাবু বলেন—বসো।

    —আর বসে কাজ নেই। পা-টা ছাড়িয়ে নিই। যা কাদা, শ্লা এক পা হাঁটি তো দু-পা পিছুই। মা কালী হয়ে যেতে হয়। তা বলে ফ্যালেন কেন ডেকেছেন? বুঝছেন তো স্যার, মাত্তর দুটো বোতল পেয়েছি। যতে, পদাও ঘরে রয়েছে। দেরি করে ফিরলে গিয়ে দেখব, নচ্ছারগুলো সব কিলিয়ার করে দিয়েছে। কুইক!

    চঞ্চলবাবুই বলেন —আপনাদের এখানে এসেছি রিলিফের কাজে। অচেনা পথ, ওই গাঙ, বাদাবন। সে-সব জায়গায় আমাদের সঙ্গে যদি যেতেন, আমরাও কাজ করতে পারতাম। শুনেছেন তো কত বসত ভেসে গেছে, মহামারি শুরু হয়েছে আবাদে!

    ভুবনবাবু বলেন – সেবা ধর্ম, মানুষের সেবা—এটাও মহৎ কাজ।

    হঠাৎ ওই স্তব্ধতাকে যেন থাপ্পড় মারার ভঙ্গিতে বলে ওঠে মধু, –এগেন দ্যাট সুনীতি-সুধা। আমি ভাবলাম, আমারই ঠিকের কাজের কোনো ভেড়ি ভেঙেছে, ছয়লাপ হয়ে গেছে লোনাজলে, তাই ডেকে এনে কড়কাবেন। আমার কাজে ভেজাল নেই স্যার আমতলির ভেড়ি অলরাইট। যে শ্লা আমার কাছে মাটির কাজে জোচ্চুরি করবে পোঁদে লাথি মেরে গাঙের জলে ফেলে দোব না?

    ভুবনবাবু বলেন –তার জন্যই তো এবার তোমার কাজ সব থেকে বেশি। আমি বলছিলাম এঁরা এসেছেন রিলিফের ব্যাপারে। তুমি যদি এঁদের নিয়ে যাও।

    মধু চোখ মেলে ওঁদের দেখছে। কলকাতার তরুণের দল। চোখে হাইপাওয়ার চশমা অনেকের প্যান্ট আর তোয়ালে-জামা, তাতে জীবনরক্ষা সমিতির ব্যাচ। কারও বা টেরিলিনের জামা-প্যান্ট, সাবধানে কানা-জল বাঁচিয়ে চলেছেন। পায়ে পালিশ করা জুতো।

    মধু ওঁদের বেশ কিছুক্ষণ নিরীক্ষণ করে গম্ভীর গলায় বলে—ওঁদের ফিরে যেতে বলেন স্যার। ওই বরযাত্রীর দল নিয়ে বাদাবনে, এই গাঙে কাজ হয় না। ইয়ার্কি মারা এ নয়।

    চঞ্চলবাবু চমকে ওঠেন –কেন, আমরা সকলেই ভালো সাঁতারু! ট্রেনড—

    মধু খ্যাক খ্যাক করে হেসে ওঠে—সাঁতারু! অ্যা—ওই নোনা গাঙে সাঁতারে কি হবে স্যার? এ তো কলকাতার লেকে আলো জ্বেলে সাঁতার খেলা করা নয়। এ গাঙে যমরাজ পড়লে কামট-কুমিরের দল তারই পরকালের ব্যবস্থা করে দেবে। আর ট্রেইনিং! অ্যা!

    —হ্যাঁ! আমরা ওসব কিছু কিছু শিখেছি।

    মধু জিভটা ঠোঁটে বুলিয়ে নিয়ে ওদের দেখছে। বলে ওঠে—বাদাবনের বাঘগুলো এই বাদলায় বন ছেড়ে বসতে হানা দেবে। তাদের হাঁকাড়ি শুনলে ওই বাবুদের পোঁদের গু মাথায় উঠে যাবে স্যার। জলে-কাদায় কোথায় পড়ে থাকতে হবে—বাপের নাম ‘খগেন’ হয়ে যাবে।

    ওঁরা মধুর ওই সব আদি এবং অকৃত্রিম ভাষা প্রয়োগে একটু চমকে উঠেছেন। লোকটা ওসব খবর রাখে। কিন্তু বনের পাশে থেকে একেবারে বুনো হয়ে গেছে।

    ভুবনবাবুও বলেন—কি বলছ মধু?

    —ঠিকই বলছি স্যার। আমার কাছে সোজা কথা। ওসব ভড়ং-এর দরকার কি? সেবা খবরের কাগজে ছবি ছাপা হবে, নাম বেরোবে, এইসব তো আসলে চান মশাই? তার জন্যে অন্য জায়গায় যান। ওই বাদাবনের মানুষ বছর বছর এ যন্ত্রণা ভোগে, তবু মরে-হেজে শেষ হয়ে যায় না। ওদের জন্যে না-ই বা ভাবলেন! সমুদ্রে ছাতুমুঠো না-ই বা দিলেন!

    ভুবনবাবু বলেন,—এবার অনেক বেশি সাহায্য আসছে। সরকার থেকে, বিভিন্ন দল থেকে মধু ফোঁস করে ওঠে,

    —ওসব ঝুট-ঝামেলায় আমি নেই স্যার। সবাই সাধু-দয়াবান, চোর ব্যাটা আমরাই। অর্ধেক মাল যাবে, অর্ধেক পথেই পাচার হবে। ওষুধপত্তরও যাবে না। ইয়ার্কি মারতে আমি নেই। আমি শ্লা মাল-ঝাল খেয়ে একটু ফারাকেই থাকতে চাই। নমস্কার! নেশাটাই গেল আর কী, এতক্ষণে দিলে বোধহয় পদা পুরো বোতলটাই ফাঁক করে। ধ্যাত্তেরি!

    ওঁদের মুখের ওপর কথাগুলো ছুড়ে দিয়ে মধু চৌধুরী টলমল করতে করতে বের হয়ে গেল। ওঁদের সব প্রচেষ্টাকে সে যেন নস্যি করে দিয়েছে।

    লেখা চুপ করে ব্যাপারটা দেখে। ও দেখেছে তার দৃষ্টি এড়িয়েছে মধুসূদন বারবার। যখনই লেখা ওর দিকে তাকিয়েছে, মধু এড়িয়ে গেছে তাকে।

    মহিমবাবু যেন খুশি হয়েছে। বলে সে—ব্যাটার ডাঁট দেখলেন তো! কোনো কথাই কানে তুলল না, এঁরা এসেছেন কত কষ্ট করে—তাঁদের সঙ্গে একটু ভদ্র ব্যবহার কর, ভালো করে কথা বল—সেদিকে ওর খেয়াল নেই। কেবল নেশার কথা, আর অনর্গল খিস্তি শুনিয়ে চলে গেল। ওকে দিয়ে এসব সেবা, রিলিফের কাজ হয় না মশাই। ওটা একটা জানোয়ার।

    ভুবনবাবু কী ভাবছেন।

    চঞ্চলবাবু বলেন –কিন্তু দেখে মনে হয়, আসল কাজের লোক স্যার। দি ফিট ম্যান ফর দিস এরিয়া; একটা অভিযোগ ওঁর রয়েছে। আর সেটা একেবারে মিথ্যা নয়। কি-ই বা রিলিফ দিতে পারি, আর সরকারি সাহায্য যা আসে–যা আদায় হয় তারসব কি ঠিক জায়গায় পৌঁছায়? তাছাড়া ওই মওকায় নৌকো, লঞ্চ, লোকজন এসবের ভাড়া-মজুরিও তো দেখছি অনেকে চাপ দিয়ে বেশি আদায়ের চেষ্টা করছে।

    মহিমবাবু চমকে ওঠে। কথাটা হয়তো তারই উদ্দেশ্য বলা। সে-ই লঞ্চের জন্য চেয়েছে দৈনিক পাঁচশো টাকা, নৌকোর জন্য একশো টাকা, ডিঙি পিছু পঁচিশ টাকা। সরকারি লঞ্চ এর চেয়ে কম খরচায় চলবে।

    তাই মহিমবাবু বলে—ওটা বেশি পড়ে এ সময়। তবে ওই মধুর কথা বলছেন, ও যাবে না মশাই।

    ভুবনবাবু হাল ছাড়েননি। তিনি বলেন,–এস ডি ও সাহেবও আসবেন কাল সকালে। তিনি কী বলেন দেখি!

    চঞ্চলবাবুও ভাবছেন। তিনি বলেন—কাছাকাছি কাজ তো শুরু করি। তবে ওঁকে পেলে সত্যিকার বন্যা-অঞ্চলে গিয়ে কাজ করা যাবে।

    মহিমবাবু বলে—ওর কথা ছেড়ে দিন মশাই। আমাদেরও চেষ্টা করতে হবে। ও যাবে না। দেখছেন না নেশাখোর! তাছাড়া অনেক বদ দোষ আছে ওর।

    ভুবনবাবু চুপ করে থাকেন।

    মহিমবাবুর কথাগুলোকে ওঁরা ঠিক যেন স্বীকৃতি দিতে পারেননি। চঞ্চলবাবু বলেন,–হয়তো নীতিগত অসুবিধে থাকতে পারে। এস ডি ও সাহেবকেও জানান ওঁর কথাগুলো। তবে মনে হয় আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করলে উনি চুপ করে বসে থাকতে পারবেন না। আমরা কাল-পরশুর মধ্যে কাজ শুরু করি।

    ভুবনবাবু বলেন—অগত্যা!

    অশ্বিনীবাবু বলেন—এ অবস্থায় যাবার কথা ভেবে দেখ লেখা!

    লেখা কিছু বলল না। কী ভাবছে সে।

    মনে হয় সব আয়োজনের মধ্যে কোথায় একটা ফাঁক থেকে যায়। লেখার কাছেও এটা যেন কঠিন শপথের মতোই ধ্বনিত হয়।

    ওই লোকটাকে সে কাজে নামাবেই।

    সন্ধ্যা নামছে। সন্ধ্যার আঁধার আর মেঘের আঁধার মিশে রাতের আসাটাকে ত্বরান্বিত করেছে। নদীর দিক থেকে ভেসে আসে কলোচ্ছ্বাসের শব্দ। ধারালো জিভের সাপটে ওই ঢেউগুলো এ-ওর ঘাড়ে লাফিয়ে পড়ছে ক্রুদ্ধ আক্রোশে। নৌকো নেই, লঞ্চটা কাঁপতে কাঁপতে এসে কোনরকমে বুড়ি ছুঁয়ে ভয়ে ফিরে গেছে। মানুষগুলো মুখ-বুজে যেন কী সর্বনাশের প্রতীক্ষা করছে। হাটতলা জনশূন্য প্রায়, দু-একটা দোকানে হ্যারিকেন জ্বেলে কারা সুর করে রামায়ণ পড়ছে। পানের দোকানের ঝাঁপ বন্ধ। খেয়া বন্ধ পারঘাটে। সব কেমন স্তব্ধ প্রাণহীন হয়ে গেছে। জেগে আছে শুধু প্রকৃতির সর্বনাশা মাতনের সাড়া—গাছগুলো নুইয়ে সেই ঝোড়ো হাওয়ায় কোঁকাচ্ছে কী-যন্ত্রণায়।

    ভেড়ির দিক থেকে নেমে এগিয়ে আসছে লেখা। বাতাসের সাপটে ছাতা মেলা যাচ্ছে না। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে কাপড়-জামা সর্বাঙ্গ ভিজে গেছে। সামনেই বড়ো পাঁচিল ধসা বাড়িটার সামনে সে দাঁড়াল। লোকজন কেউ নেই। এককালে এখানে ছিল পাকা প্রাচীর। ঘরখানাও দালান ছিল, অযত্নে মেরামতের অভাবে বেশির ভাগই ধসে পড়েছে। এদিককার কোণের ঘরখানা তবু একটু বাস করার মতো রয়েছে। উঠোনের কাদা-জল পার হয়ে দাওয়ায় গিয়ে উঠল লেখা।

    কারো দেখা নেই। আবছা অন্ধকার থমথম করছে চারিদিকে। দরজাটা খোলা, হ্যারিকেনের একফালি আলো বের হয়ে এসে পড়েছে দাওয়ার ওপর। লেখা এগিয়ে গেল ওইদিকে, কেমন বুক কাঁপছে তার। ভাবল ফিরে যাবে। নেহাত খেয়ালবশেই এসে পড়েছে সে। থমকে দাড়াল। মনের সেই কাঠিন্য জেগে ওঠে। এগিয়ে গেল লেখা।

    —কে! কে এল আবার ঝামেলা করতে? অ্যাঁ!

    কঠিন কণ্ঠস্বর ওই ভাঙা ঘরের মধ্যে ধ্বনিত হয়। মধুসূদন থানা থেকে ভিজে ফিরেছে। মেজাজটা ভালো নেই। তাই গলাটা ভিজিয়ে নেবার জোগাড় করছে, এমন সময় কাকে আসতে দেখে বিরক্ত হয়। দরজার কাছেই লেখাকে দেখে অস্ফুটকণ্ঠে বলে মধু –তুমি এখানে?

    লেখার বৃষ্টি-ভেজা মুখে হ্যারিকেনের একটু আলো পড়েছে। ঝড়ো হাওয়ায় ওর চুলগুলো এলোমেলো। বৃষ্টিটাও জোরে এসেছে। ভিজছে তার ছাটে। লেখা বলে—একটু কাজে আসতে হল।

    মধু বিরক্ত হয়, কিন্তু বৃষ্টিতে ভিজছে মেয়েটা, তাকে একটু আশ্রয় তো দিতে হবে। খাটিয়া থেকে বোতলটা নামিয়ে বলে—কেতাখ্ করেছ এসে! বৃষ্টিতে ভিজে আর কী হবে, এসো, ভেতরে এসো। ওটা মদের বোতল, হাঁ-করে দেখছ কি? তোমার যেমন গীতা-টিতা, আমার কাছে ওই হচ্ছে সুনীতি-সুধা। ওটা তো তোমার চলবে না, তা মাছ-ভাজাটা গরম আছে, খেয়ে দ্যাখ না! অ্যাই পদা! ব্যাটা বুনো শুয়োরের বাচ্ছা!

    অন্ধকার থেকে সাড়া ওঠে, –হি—ই-ই!

    মধু গর্জন করে—এককাপ চা নিয়ে আয় এখুনিই! চা খাবে তো?

    লেখা ওর মুখের ওপর প্রতিবাদ করতে পারে না। একটু টুল টেনে নিয়ে এসে বসল। মধুসূদন কী ভেবে মদের বোতলটা খাটিয়ার নীচে রেখে দিতে দিতে বলে—ভদ্রলোকদের সামনে ওটা খেতে নেই, কি বল? লোকে নিন্দে করে।

    লেখা লোকটাকে দেখছে। ওর বলিষ্ঠ দেহের পেশীগুলো যেন ফুলে উঠেছে। চোখে-মুখে ওই রুক্ষতার আড়ালে কোথায় একটু কমনীয়তা রয়ে গেছে, ও অবশ্য সেটাকে ভুলেও প্রকাশ করতে চায় না। ওটাকে লুকিয়েই রাখতে চায়।

    লেখা বলে—না। ইচ্ছে হলে খাবে বইকি। এতদিনের অভ্যেস!

    –অ্যাঁ।

    অবাক হয় মধুসূদন। সব কেমন যেন গুলিয়ে যায় তার। এতদিন ধরে পদে পদে সে শুনে এসেছে— সে মাতাল, হতচ্ছাড়া, নচ্ছার একটি জানোয়ার। ওই অখাদ্য খেয়ে অমানুষ হয়ে উঠেছে আর ঘৃণা কুড়িয়েছে সবার। লেখার কথাটা আজ ঠিক বুঝতে পারে না সে।

    হঠাৎ দরজার কাছে কাকে উঁকি-ঝুঁকি মারতে দেখে মধু গর্জে ওঠে—অ্যাই, ভেতরে আয় দেখবি?

    পদা লজ্জায় আর ভয়ে ভেতরে ঢুকতে চাইছিল না বোধাহয়। মধু চা-টা নিজের হাতে নিয়ে ওকে অন্য হাতে চুলের মুঠি ধরে টেনে ভেতরে এনে গজরায়

    —ব্যাটা এক নম্বরের শয়তান! কি রে, লজ্জা করছিল তোর?

    পদা বলে, –কে না কে আসতিছে কী বেত্তান্ত—হিঃ হিঃ!

    —অ! ব্যাটা তুইও আমাকে জানোয়ার ভাবিস! মারব এক লাথ।

    লেখা ব্যস্ত হয়ে ওঠে—কী করছ? মরে যাবে যে—

    পদা উঠে হাসিমুখে জানায়, –ই তো নিত্যিকার ব্যাপার গো দিদিমণি। বাবু দাও দিনি দুটো টাকা। মা-টা বলছিল চাল নাই, খাব কি বল দিকিন?

    টাকাটা দিয়ে দিতেই সে বের হয়ে গেল হাসিমুখে। লেখা চায়ের কাপটা টেনে নিল।

    মধুসূদনের মুখ-চোখ গম্ভীর হয়ে ওঠে। জানলা দিয়ে দেখা যায় নদীর সেই বিস্তারটা। ওখানে ঢেউ ফাটছে, আর গর্জন করছে বাতাস। মধু বলে,

    —আমার সম্বন্ধে সকলের ধারণাটা তো জানো। কেন এসেছ বল দিকি? আমার লাজশরম নেই, কিন্তু তোমার কথাটা ভেবেছ একবার? তোমার তো ওটা যথেষ্টই আছে।

    লেখার মুখের রেখাগুলো স্পষ্ট পরিষ্কার হয়ে ওঠে। সে আজ তৈরি হয়েই এসেছে। নিজের ওপর বিশ্বাস আছে। সে বলে ভুবনবাবু তোমাকে যে কথা বলেছিলেন সেই কথাই বলতে এসেছি আমি। রিলিফে যাবার কথা।

    —তার জবাবও দিয়ে এসেছি ভুবনবাবুকে। মধু দৃঢ়কণ্ঠে শোনায়।

    —কিন্তু আমার কথার জবাব পাইনি।

    লেখা ওর দিকে তাকাল। মধু এসব ঝামেলা এড়াতে চায়। তাই বলে,

    —তোমার জবাবও ওই একই হবে। বলেছি তো ওসব পরোপকারে আমি নেই। ব্যাস! কিলিয়ার কথা।

    লেখা ওর কঠিন মুখের দিকে তাকাল। জানলা দিয়ে বৃষ্টির ঝাপটা আসছে। ওর চুলগুলো ভিজছে সেই জলে। মনের ভেতরের একটা অসহ্য-জ্বালা আর যন্ত্রণাকে জুড়োবার জন্যই যেন সে ওই ঠাণ্ডা জোলো হাওয়াটা সর্বাঙ্গে মাখবার চেষ্টা করছে।

    লেখা এগিয়ে আসে। বলে—কিন্তু আমি যে বড়োমুখ করে তোমার কাছে এসেছিলাম। তুমি ওদের ফিরিয়ে দিয়েছ, আমাকে ফেরাতে পারবে না আমি জানি।

    মধু গর্জন করে ওঠে—তুমি কি এমন তালেবর যে, মধু চৌধুরী তোমার কথায় ওঠ-বোস করবে? অ্যাঁ!

    ওর গর্জনে হেসে ফেলে লেখা ফিক করে। ওর মনে হয় এ সবই ওর সামনে ঘটবে তাও জানত। সহজভাবেই নিয়েছে ওর এই কথাগুলো।

    মধুসূদন অবাক হয়েছে ওর হাসি দেখে। বলে—হাসছ তুমি? হাসির কি কথাটা হল যে, হাসছ দাঁত বের করে?

    —হাসলাম! লোকের যদি উপকার হয়, করবে না সে কাজ? লেখা জবাব দেয়।

    মধুর সারা দেহ অসহায় রাগে জ্বলছে। তার ঘরে দাঁড়িয়ে এমনি করে লেখাকে কথা বলতে দেখে অবাক হয়েছে সে। কী ভেবে মধু খাটিয়ার তলা থেকে বোতলটা বের করে গলায় ঢালতে থাকে। লেখা কোনো কথা বলল না। মদটা শেষ করে মধু যেন মনের অতলের সেই হারানো সাহসটা ফিরে পেতে চায়। মধু জবাব দেয়—চুলোয় যাক লোকের উপকার! নিজের কথা ভেবেছ? আমার এখানে আসতে এতটুকু ভয় হল না তোমার? মধু চৌধুরীকে জানো না? সবাই তাকে জানোয়ার বলে। বাদাবনের জানোয়ার।

    —জানি!

    নিষ্কম্প স্থিরকণ্ঠে জবাব দেয় লেখা। ওর চোখে কী প্রত্যয়ের দৃঢ়তা। সে বলে— যাকে ওরা জানোয়ার বলে তার কাছেই আমি সবচেয়ে বড়ো মানুষের মতো ব্যবহার পেয়েছি। আবাদের অনেকেই তাই পেয়েছে জানি। তাই এসেছি তোমার কাছে, ওদের এই বিপদে তুমি যাবে। যতটুকু সাধ্য তাদের জন্য চেষ্টা করব আমরা। তুমি যাবে ধরে নিয়েই আমি ওদের যাব বলেছি। তুমি না গেলে আমার যাওয়া হবে না। যেতে আমি ভরসা পাই না।

    —অ্যাঁ!

    মধু অবাক হয়েছে। স্থিরদৃষ্টিতে চেয়ে দেখেছে ওই মেয়েটিকে। ওর টিকালো নাক, ওই দুটো চোখ—সব মিলিয়ে কেমন একটা বিচিত্র আবেশ আনে মধুর সারা মনে। অমন করে কেউ তার ওপর বিশ্বাস আর শ্রদ্ধা নিয়ে আসেননি। এ চোখে কেউ দেখেনি তাকে।

    কোথায় একটা সাড়া জাগে। মধু যেন হেরে যাচ্ছে। তার মনের সেই শক্ত প্রাচীরটা বৃষ্টির ধারা স্নানে যেন গলে গলে পড়ছে। লেখা ওকে দেখছে। হৃদয়ের উত্তাপের একটা প্রত্যক্ষ ফল আছে। তাকে কেউই ব্যর্থ করতে পারবে না।

    মধু বলে—যাঃ বাবাঃ। ফের ওইসব সুনীতি-সুধার পাল্লায় টেনে নিয়ে যাবে? মাইরি, ওসব পোষাবে না। কখন মাল খেয়ে কাকে কী বলব!

    —সে আমি বুঝব। তাহলে ওই ঠিক রইল তো? কথাটা আমিই বলব ভুবনবাবুকে?

    চমকে ওঠে মধু—ব্যস! তারপর আর বাকি থাকবে কিছু?

    হাসে লেখা। আজ যেন সে বদলে গেছে। মধুও অবাক হয়।

    কী ভেবে মধু শোনায়—থাক। আমিই বলব। যত্তো সব ঝুট-ঝামেলা!

    বৃষ্টি ধরেছে একটু। তখন ফিনফিন করে বৃষ্টি ঝরছে পথ অন্ধকার। এদিক-ওদিকে দু-একটা আলো জ্বলছে। লেখা বলে—একটু এগিয়ে দেবে না?

    মধু ওর দিকে তাকিয়ে থাকে, মেয়েটার সাহস দেখে অবাক হয়েছে সে। তাই বলে –এরপর ওই গাঙে ডুবে মরা ছাড়া আর পথ থাকবে না তোমার।

    —ক্ষতি কী! হাসে লেখা। বলে, গাঙের ধারে বাস করে না হয় ডুবলামই।

    লেখা নিজের সাহসে আজ নিজেই বিস্মিত হয়েছে। হালকা মনে ফিরছে সে। সারা আকাশ-বাতাসে ওই ঝোড়ো হাওয়ার মাঝে সে মুক্তির সুর শুনেছে।

    পরদিন কথাটা এসে জানায় মধু ভুবনবাবুকে, ভুবনবাবু অবাক হন। মহিমবাবুও। চঞ্চলবাবু খুশি হন—তাহলে যাচ্ছেন? ব্যস!

    মধু বলে—ভেবে দেখলাম কথাটা। বেশ, আপনারা বলছেন যখন যাচ্ছি। তবে হ্যাঁ, তঞ্চকতা দেখলে আমি কিন্তু খুন-খারাপি করে বসব। তখন দোষ দেবেন না। তারপর ওই বাদাবনে মেয়েছেলে নিয়ে যাওয়া কী ঝামেলা জানেন না।

    লেখাও হাজির হয়েছে। সে কঠিনকণ্ঠে জানায়—নিজের দায়িত্বেই যাচ্ছি।

    —অ!

    মধু অবাক হয়। এ যেন অন্য মানুষ। তাকে যেন চেনে না। ওর মুখে-চোখে সেই কাঠিন্য। মহিমবাবুকে মধু সাবধান করে, – লঞ্চের ইঞ্জিনপত্তর ঠিক আছে তো? যদি গড়বড় করে, তোমার ওই লঞ্চ মাঝগাঙে আমিই ডুবিয়ে দোব। বুঝলে পেসিডেন?

    ভুবনবাবু বলেন—আরও স্পিডবোট, লঞ্চ যাচ্ছে। মালপত্তরও যাতায়াত করবে তাতে। কোনো অব্যবস্থা হবে না।

    মধু গজরায়—সেইটা দেখবেন। মাঝ-পথে মাল গায়েব করলে তার জিভ টেনে সলতে পাকিয়ে দোব। ইয়ার্কি মারতে যাচ্ছি না সেটা হুঁশ থাকে যেন। ওদের বলে দেবেন। আর জানিয়ে দেবেন আপনার এস ডি ও সাহেবকে, সরকার-ফরকারের খাতির থাকবে না বেচাল দেখলে!

    অশ্বিনী ডাক্তার লেখার মতের ওপর কোনদিনই কথা বলেননি। বোনকে বিশ্বাস করতে পারেন তিনি। নিজের দৃঢ়তা আছে। তবু বলেন,

    —সাবধানে থাকবি লেখা। অসুবিধে হলে জানাবি।

    চঞ্চলবাবুও দলবল নিয়ে তৈরি হন। গাঁটবন্দি কাপড়-জামা, কম্বল, ওষুধের পেটি মায় ওদের খোরাকি চাল, ডাল, আলু-কুমড়ো, পেঁয়াজ উঠছে।

    মধু দেখে-শুনে মাল তুলছে—পদা, চাল-ডালের বস্তা ওপাশে রাখ, জলের ছিটে লাগলে নষ্ট হয়ে যাবে। ওষুধগুলো ভালো করে রাখ।

    পদা, যতিলাল বলে ওঠে—বিলেতি আছে গুরু?

    চঞ্চলবাবু শুধোন—কেন, দিশি ওষুধও তো ভালো!

    মধু হাসছে—ওদের কথা যেতে দিন স্যার! ও শ্লারা ওষুধ বলতে ওই দ্রব্যই বোঝে মাইরি! অ্যাই, খপরদার ওসব গিলবি না যখন-তখন, তা’লে কিন্তু পেঁদিয়ে বেন্দাবন দেখিয়ে দোব।

    দু-একজন ভলানটিয়ার পাটভাঙা প্যান্ট-শার্ট পরে ঘুরছে। মধু বলে,—ও বাবু, ওসব ছাড়ুন আজ্ঞা। ওসব দেখবার জন্যে কেউ নেই এখানে। অ্যাই হাঁদা, তোলা হল মালপত্তর? জলের জালাগুলো ভরেছিস?

    খাবার জলও নিয়ে যেতে হচ্ছে। লেখা দেখছে মধুকে। মালপত্তর তার ফদমতো তোলা হচ্ছে।

    –অ্যাই যতে, তেরপলগুলো কই রে? দাঁড়িয়ে ভিজবি যে বানচোত!

    —তুলেছি গ! যতে সাড়া দেয়।

    মধু লঞ্চের মালপত্তর তন্নতন্ন করে দেখে বলে—এইবার উঠুন আপনারা!

    লঞ্চ ঘাটে ভুবনবাবু, মহিমবাবু, অশ্বিনী ডাক্তার আরও অনেকে এসেছেন। হাটতলার মুরুব্বি দোকানদার আড়তদার মহাজনরাও মোটা টাকা চাঁদা দিয়েছে। আরও সাহায্য। একপাশে দাঁড়িয়ে ছিল লেখা। তার জিনিসপত্তরও উঠে গেছে।

    মধুর দিকে চোখ পড়তে মধু ওকে বলে—উঠে এস!

    লেখা দাদাকে প্রণাম করে এগিয়ে এল।

    মধু হাঁক পাড়ছে—নসো? অ্যাই ইয়াকুব!

    সারেঙ নসু এগিয়ে আসে—কি গো!

    —লঞ্চ ঠিক আছে তো? আবার যদি গড়বড় করে তোর লঞ্চ—লঞ্চসমেত তোকেই মাঝ গাঙে বেসজ্জন দিয়ে দোব।

    নসু বলে—না, না। সব ঠিক-ঠাক করেছি।

    মধু শাসায়—চল, দেখছি। ইঞ্জিন চালু কর।

    ওরা তৈরি। মধু গজগজ করে—ফের ঝামেলায় জড়ালেন দারোগাবাবু। যত্তোসব! কই, উঠেছে সব?

    মধু চিৎকার করে ওঠে—কালী মাইকি জয়!

    তীরে দাঁড়িয়ে একটা বোতল থেকে কয়েক ঢোক তাজা মদ গলায় ঢেলে লাফ দিয়ে লঞ্চের ওপর উঠে নিজে স্টার্ট দিল এঞ্জিনে। ধাতব শব্দ ওঠে—টা…টা…ট্রা…ট্রা…

    কাচের সেইঘর থেকে হাত নাড়াচ্ছে মধু চৌধুরী। ঘন্টা বাজে। লঞ্চটা প্রপেলারে জল কেটে পিছিয়ে গিয়ে ঘাট ছেড়ে মাঝগাঙের দিকে পাড়ি জমাল। ঢেউয়ের মাথায় মাথায় লাফাচ্ছে ওটা। রাজহাঁসের মতো চলেছে লঞ্চটা। তীরে দাঁড়িয়ে আছে ধনেখালির অনেক মানুষ। মেয়ে, ছেলে সকলেই। দুর্গত মানুষগুলোকে বাঁচাতে চলেছে নতুন মানুষের দল।

    অশ্বিনী ডাক্তার দাঁড়িয়ে আছেন। ভুবনবাবুও। মহিমবাবু বলে—মদ ও খাবেই ভুবনবাবু!

    ভুবনবাবু কথা বলেন না। মনে হয়, স্বভাবের মধ্যে এই প্রকৃতির উদ্দামতাই রয়ে গেছে। তাই সে দুর্বার।

    অশ্বিনী ডাক্তার বোনের কথা ভাবছেন। ওর মনের অতলেও অমন কাঠিন্য আর দুর্জয় সাহস রয়েছে। ওরা কোন বিচিত্র জগতের মানুষ

    একটা সাদা বিন্দুর মতো দূরে নদীর বাঁকে মিলিয়ে গেল লঞ্চটা।

    .

    লঞ্চটা চলেছে। লেখার এ জগৎ চেনা। কিন্তু সেখানে আজ এসেছে ভাঙনের সর্বনাশ। গাঙের বিস্তার বেড়ে চলেছে। নদীর বুকে তুফান ওঠে, ঢেউগুলো জোয়ারের জলে ফুলে উঠে লঞ্চটাকে নিয়ে লোফালুফি শুরু করেছে। দমকা হাওয়ার সাপটে কাঁপছে লঞ্চটা, যেন উলটে পড়বে। সেই সঙ্গে নেমেছে বৃষ্টি।

    ভলানটিয়াররা পর্দা ফেলে লঞ্চের ভেতরে বসে আছে, এদের মুখ শুকিয়ে গেছে।

    ইয়াকুব বলে—আজ্ঞে ওই চট-ফটগুলো তোলেন বাবু, হাওয়া বাধি গেলে লঞ্চটারে কাতাইয়া দেবানি।

    মধু গর্জায়,–বাবুদিকে পর্দা তুলে ফেলতে বল। জল লাগবে লাগুক, এ তো বরযাত্রী যাচ্ছি না!

    ওরা পর্দা তুলে ফেলে।

    মধুই স্টিয়ারিং ধরেছে। ফুল স্পিডে লঞ্চটা ছুটে চলেছে ওই ঢেউয়ের মাথায় মাথায় টপকে।

    হঠাৎ পেছনে ফিরে তাকাল মধু। জলের ছাট আসছে। লেখা দাঁড়িয়ে আছে পাশের রেলিং-ঘেরা জায়গাটায়। মাথার চুলগুলো উড়ছে, উড়ছে ওর শাড়ির আঁচল।

    —কেন এলে বলতে পার? মধু তাকে শুধোয়।

    লেখা তাকাল ওর দিকে। জবাবটা লেখাও জানে না। ও শুধু হাসল মাত্র। মনে হয় ওই হাসিটুকুতেই তার প্রশ্নের জবাব রয়ে গেছে।

    মধুর ওসব বোঝার সময় নেই। স্টিয়ারিং-এ মোচড় দিয়ে লঞ্চ পারমুখো করে বলে,—অ নসু, মোল্লাখালির গঞ্জ শ্লা গাঙের জলে তলিয়ে গেছে র‍্যা!

    মধুর কথায় নসুও জবাব দেয়—তাই তো দেখছি গ! হাটতলা, আড়ত, কলবাড়ি সব ভেঙে কেতিয়ে এক্কাকার, আর মাঠগুলান দ্যাখো মধুবাবু! লোনাজলে হেজে গেছে যি গ!

    মধুও অবাক হয়। লোকগুলো তীরে দাঁড়িয়ে চিৎকার করছে। শীর্ণ বন্দি, বুভুক্ষুর দল।

    মধুর চোখে জল আসে। বলে সে—সত্যি লেখা, না এলে শ্লা পাপ হত।

    .

    বুভুক্ষা বন্যার্ত লোকগুলোর ক-দিন কেটেছে প্রায় অনাহারে। সাজানো গঞ্জের টিনের চালাঘর, গরানখুঁটি পোঁতা শনঘেরা দোকান-পসার, আড়ত সব ধুয়ে-মুছে গেছে। ভেড়ির হানামুখ দিয়ে কোটালের বান ঢুকে সব মুছে নিয়ে গেছে।

    টিউবওয়েলগুলো ডুবে গেছে, বুজে গেছে পলি-কাদায়। মিঠে-জলের পুকুরও ভরে উঠেছে বিষাক্ত লোনাজলে। কাতারে কাতারে লোক এসে জুটেছে ওই মোল্লাখালিতে, দুর আবাদ অঞ্চল থেকে। সেখানে বাঁচার কোনো পথ নেই। কিন্তু এখানেও তারা নিশ্চিত মৃত্যুর পদধ্বনি শুনছে। হঠাৎ ওই তুফানে লঞ্চটাকে আসতে দেখে ওরা ছুটে আসে তীরে। চিৎকার করে দু-হাত তুলে ডাকছে তাদের।

    লঞ্চ ধারে এলে কেউ কেউ কুমির-কামটের আক্রমণের কথা ভুলে গিয়ে জলে নেমে পড়েছে। কে অস্ফুটকণ্ঠে আর্তনাদ করছে।

    চঞ্চলবাবু, ভলানটিয়ারের দল ঘাবড়ে গেছে। ওই জনতা এসে জলের মধ্যে লঞ্চে চড়াও হলে লঞ্চ এই গাঙেই ডুবে যাবে। তাই চিৎকার করছেন তিনি,

    —অ্যাই, এসো না। আমরা যাচ্ছি।

    কে শোনে কার কথা!

    মধু লাফ দিয়ে এসে পাটাতনে নেমে কোত্থেকে একটা লগি নিয়ে দুমদাম জলে পিটছে আর গর্জাচ্ছে,—লঞ্চের কাছে এলে ঘা মেরে মাথা ফালা করে দোব। অ্যাই, অ্যাই! মারলাম। যাও, ধারে যাও! না’লে খুন করে দোব, মধু চৌধুরীকে চিনিস না?

    লোকগুলো মধুকে দেখে আর তার ওই মারমূর্তি দেখে সরে গেল। মনে হয় অনেকেই খুশি হয়েছে মধুকে দেখে,—মধুবাবু, এলে শেষ পর্যন্ত! দেখি যাও আমাদের হাল!

    —বাবু জমি দিলা, সব বানেই ডুবি গেল।

    মধু চিৎকার করে,—সবাই সরে যা। সব ব্যবস্থা হবে। পদা-যতে, দুপাশে লগি হাতে দাঁড়া। যে শ্লা এগোবে, মাথা ফেঁড়ে দিবি। নসো, লঞ্চ ঘাটে ভিড়ো এইবার।

    চঞ্চলবাবু, লেখা, এই ভলানটিয়ারের দল অবাক হয়।

    মধুর তর্জন-গর্জনে ওরা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। একটি লোক যেন একাই একশো।

    .

    ক’দিনের মধ্যেই ওই লোকজনদের সাহায্যে ও পাশের উঁচু ঢিবির ওপর ভেঙে পড়া স্কুলবাড়িটাকে আবার টিন আর নতুন খুঁটি দিয়ে দাঁড় করিয়ে চক মোল্লাখালিতে রিলিফের হেডকোয়ার্টার গড়ে তুলেছে। লঙরখানা, ডাক্তারখানা, ওষুধপত্তরের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

    মধু বলে—এখানে বসে থাকলে চলবে না স্যার, আপনার ছেলেদের বলুন এদিক-ওদিকের বসতেও যেতে হবে।

    নদীর একদিকে আদিম অরণ্য, ভয়াল কালো রহস্য বুকে নিয়ে সে দাঁড়িয়ে আছে। দেখছে ক-টি মানুষের এই বাঁচার সংগ্রাম। মাঝে মাঝে রাতের অন্ধকারে সেই আদিম অরণ্যভূমি কী হিংস্র গর্জনে কেঁপে ওঠে। বাঘগুলো হাঁকছে, জলের সীমানা পার হয়ে এই আবাদে ভেসে আসে সেই গর্জনের শব্দ।

    মধু বলে—ঠিক জুত করতে পারছে না বাছারা, তাই গোঙাচ্ছে।

    চঞ্চলবাবু ওর দিকে তাকিয়ে থাকেন। অন্ধকারে এদিক-ওদিকে আগুন জ্বলছে। মধুই এই ব্যবস্থা করেছে দু-একদিন রাতের অন্ধকারে বাঘের আক্রমণের পর।

    আগুন আর কলরব শুনে ওরা এপারে এগোয় না।

    দিন-রাত পরিশ্রম করে চলেছে লোকটা। লেখাও দেখেছে মধুকে। ওই নিঃস্ব সর্বহারার দলে মিশে গেছে। তাদের সঙ্গে আবার নতুন ভেড়ি বেঁধেছে। ওদের মুখে জুগিয়েছে, শাাকান্ন, নিজেও তাই খেয়েছে।

    ইরিগেশনের ইঞ্জিনিয়ার মিঃ মিত্র, এস ডি ও সাহেব, ভুবনবাবু, অশ্বিনী ডাক্তার মায় মহিমবাবু অবধি লঞ্চে করে এসেছেন। ওঁরাও অবাক হন। কয়েকদিনের মধ্যে আবার ওই ধ্বংসপুরীতে প্রাণের সঞ্চার করেছে একটি মানুষ, ওই মধু চৌধুরী।

    ভেড়ির হানামুখ বাঁধা হচ্ছে, আবার ভাদ্রের প্রথম দিকেই ওরা নতুন ফসল পুঁতেছে। মিত্র সাহেব বলেন,

    —ইউ হ্যাভ ডান মিরাকল মধুবাবু!

    মধু হাসে,—ধ্যাত্তেরি, কী সব আজে-বাজে কথা বলছেন স্যার! শাদের নিজের দায়েই ওরা ভূতের মতো খেটেছে। আমি কোন হরিদাস পাল! আরে ডাক্তারবাবু যে, নমস্কার! ভুবনবাবু! ব্যাপার কি স্যার? বলি মধু চৌধুরীকে আবার এত্তেলা কেন স্যার? মাইরি বলছি, এখানে এসে মদ খেতেও ভুলে গেছি। শ্লা ভাত জোটে না, মদ গিলি কি করে? লেখা বলে, এটা নাকি সোশ্যাল ক্রাইম, সামাজিক অপরাধ!

    হাসছেন ভুবনবাবু

    মধুর ভালো লাগে না। ও বলে, – হাসবেন না মাইরি! শ্লা মধুসুদন চৌধুরীর বারোটা বাজিয়েছেন আপনি। ঢের ঢের দারোগা দেখেছি, এমন মাল দেখিনি। ঠিক কায়দা করে মধু চৌধুরীর মতো লাটকেও সযুত করে দিলেন? অ্যাঁ!

    হাসছেন ভুবনবাবু

    রিলিফ ক্যাম্প থেকে বেশ কিছুটা দূরে এসে গেছেন তাঁরা। সামনে দিগন্তপ্রসারী ধানখেতে সবুজের ইশারা, মুক্ত গাঙের রুপালি বিস্তার, ওদিকে আদিম অরণ্যের সবুজে কী রহস্য-ঢাকা পৃথিবী। নীল আকাশে সাদা মেঘগুলো পেঁজা তুলোর মতো ভেসে হারিয়ে যায়, বাতাসে মাথা নাড়ে সাদা কাশফুলের রাশি। গাঙচিলের তীক্ষ্ণ ডাক শোনা যায়

    —মধু! একটা কথা আমারও বলার আছে।

    ওঁর দিকে তাকাল মধুসূদন। এতদিন ধরে ভুবনবাবুকে দেখেছে। হয়তো তারই বয়সি একটি তরুণ। আজ ওঁর কণ্ঠস্বর অন্য কী সুর ফুটে ওঠে। পদমর্যাদায় রাশভারী কণ্ঠস্বরও নয়।

    ওঁর হাতটা মধুর হাতে, সেই স্পর্শে কী আন্তরিকতা ফুটে ওঠে। মধু ওঁর দিকে তাকাল। ভুবনবাবু এতদিন ধরে দেখেছেন মধুকে। ও যেন তাঁর কাছে একটা চ্যালেঞ্জ হয়েই ফুটে উঠেছিল। মনস্তত্ত্বের ছাত্র ভুবনবাবু দারোগাগিরি করতে এসে একটা মানুষকে আবিষ্কার করেছেন, সেই সঙ্গে মনের দিক থেকেও তাদের নিবিড় একটি যোগাযোগ গড়ে উঠেছে।

    দুজনে চিনেছে দুজনকে

    মধু বলে—তা বলেই ফ্যালেন দারোগাবাবু!

    ভুবনবাবু বলেন,—অনেক লোকের মধ্যে তোমাকে আমিই চিনেছিলাম মধু। চেয়েছিলাম তুমি ভুল পথে নিজেকে ফুরিয়ে দেবে না। আজ আমার সেই চাওয়া পূর্ণ হয়েছে, আজ মানুষ ভুবনবাবু তোমাকে ভালোবাসে মধু, সেই ভালোবাসায় কোনো ফাঁক নেই।

    হাসে মধু—যাচ্চলে! আমিও প্রথম ঠোক্কর দিতেই চেয়েছিলাম স্যার। তবে মনে হয় দুজনেই আমরা একধাতের জীব। তাই আমারও কেমন ভালো লেগে গেল। আপনাকে, ব্যস!

    হাসছে মধু। গাঙের বুকে পাল তুলে ভেসে চলে কোনো পসারি নৌকো, হঠাৎ ভেড়ির ওদিকে চেয়ে অবাক হয় মধু। লেখা আসছে, এলোমেলো হাওয়ায় উড়ছে ওর শাড়ি। রিলিফ সেন্টার থেকে কাজ সেরে ক্যাম্পে ফিরছে লেখা।

    মধু বলে—ওই লেখা আর আপনি দুজনে মধু চৌধুরীর দফা নিকেশ করলেন স্যার। তবে আম্মো মধুসূদন চৌধুরী, শোধ আমি নোবই ভুবনবাবু।

    হাসছেন ভুবনবাবু। লেখা এগিয়ে আসে।

    —এত হাসির কী হল?

    ভুবনবাবু বলেন—বুঝলেন মিস রায়, মধুসূদন আমাকে নাকি টাইট করে দেবে।

    লেখা বলে—তা ও পারে ভুবনবাবু, ওর গুণের ঘাট নেই।

    ভুবনবাবু বলেন—ঠিক আছে। ওই কথাই রইল!

    মধুসূদন হাসছে—শেষে দোষ দেবেন না কিন্তু!

    —দেখা যাক!

    হঠাৎ লেখা বলে—দেরি হয়ে গেছে। খাবেন না?

    —তাই তো! কথায় কথায় খেয়াল নেই। ভুবনবাবু বলেন, জোয়ারের সময় হয়ে এল। ফিরতে হবে ধনেখালিতে।

    ওদিকে লঙরখানার লোকজনের ভিড় লেগেছে। মধু বলে—ওদের খাবার ব্যবস্থা দেখে যাই ভুবনবাবু। লেখা, তুমি বরং ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে এঁকে ডাল-ভাত যা হয় দুটো খাইয়ে দাও।

    —তোমার? ভুবনবাবু শুধোন।

    —পরে হবে, এখন ও ব্যাটাদের দেখি গে। যান স্যার, আমি একফাঁকে খেয়ে নোব। মধু চলে গেল ওদিকে।

    ভুবনবাবু বলেন—বিচিত্র মানুষ! বুঝলেন মিস রায়, কোথায় ওর মনে ছিল দুর্বার একটা জ্বালা আর ব্যর্থতা। সেই আঘাতে ও জ্বলে উঠেছিল। আজ দেখছেন ওকে? এ চেঞ্জড্ ম্যান। ও বলে কি জানেন?

    লেখা ওঁর দিকে তাকাল। লেখার ডাগর কালো চোখে কী কৌতূহল। রোদে-বৃষ্টিতে কাজ করে ওর চেহারায় এসেছে রুক্ষতা আর কাঠিন্য। তবু মনের শুচিতা ওর কমনীয়তার সঙ্গে মিশে একটি অপূর্ব শ্রী এনেছে, সেটুকু ওই রুক্ষতাকে ছাপিয়ে উঠেছে।

    ভুবনবাবু বলেন—আপনিও নাকি মধুর এই কঠিন অবস্থার জন্য দায়ী।

    লেখা একটু চমকে ওঠে। কথাটা মিথ্যে নয়। এটা তার নিজের মনের অতলের সান্ত্বনা। ওই লোকটার পরিবর্তনে তার এই খুশি হবার কারণ লেখা জানে না। তবে খুশি হয়েছে এটা মিথ্যা নয়। আর তার জন্য সলজ্জভাব ফুটে ওঠে ওর চোখে-মুখে। এটা ভুবনবাবুকে জানাতে চায় না লেখা, এটা তার মনের একান্ত গোপন একটি অনুভূতি। তাই ঢাকবার চেষ্টা করে, তবু সুর ওঠে মনের অতলে। মধু তাকে কোথায় নীরব স্বীকৃতি দিয়েছে।

    তবু সহজ হবার চেষ্টা করে বলে লেখা—ওঁর কথা ছেড়ে দিন। কারও কথাই ও শোনে না। জীবনটা ওর কাছে শুধু খেয়ালে-ভরা। এটাকেও খেয়াল বলতে পারেন।

    ভুবনবাবু বিশ্বাস করতে চান না। তাই শুধোন—এর কি কোনো দাম নেই ওর কাছে?

    লেখা হাসল—কী জানি! তবে মনে হয় কোনো কিছুতেই ওর মোহ নেই। মন্দকে ঘৃণা করে, ভালোর জন্যও উচ্ছ্বাস নেই।

    লেখার কথায় অভিমানের সুর ফুটে ওঠে। সহজ কণ্ঠে বলে সে—চলুন, দেরি হয়ে যাচ্ছে আপনার।

    দুজনে ক্যাম্পের দিকে এগিয়ে যায়।

    মধু তখন কাজে ব্যস্ত। বালতি হাতে এদিকে-ওদিকে দৌড়াচ্ছে। লোকগুলোকে খাবার দিতে ব্যস্ত। ওদের দিকে একবার তাকাল। একটু অবাক হয়েছে মধুসূদন, ওদের দুজনকে ঘনিষ্ঠ হয়ে কথা বলতে দেখে। এই ব্যাপারটা তার কাছে নতুন ঠেকে, মনে হয় কী একটা অর্থবহ এই ঘটনাটুকু।

    গাঙের দিক থেকে হাওয়া বইছে। কাশবনের সাদা ফুলগুলো মাথা নাড়ছে সেই দামাল হাওয়ায়। মধুসূদনের চোখের সামনে থেকে এই বাদাবন, গাঙ, ওই বুভুক্ষু জনতার মুখগুলো মুছে যায়।

    লেখার হাসির সেই সলজ্জভাবটুকু ওর চোখে নতুন ঠেকে।

    কে চিৎকার করে—বাবু গ’! আরও চাট্টি ভাত, অ বাবু!

    মধুর মনের সব সুর কেটে যায়। মধুসূদন গর্জন করে ওঠে—কে!

    —অ্যাই! কোন শ্লা পাস না, যে চেল্লাছিস? দাঁড়া চুপ করে। ওহে, অ ভলেনটিয়ার, একটু হাত চালাও ভাই! পেটে খিদে থাকলে এমন করবেই। পদা, শ্লা দাঁড়িয়ে মজা দেখছিস? মারব এক লাথ! নে, খিচুড়ির বালতি ধর।

    পদাও দেখেছে ব্যাপারটা, লেখাকে দেখেছে ভুবনবাবুর সঙ্গে। পদা বলে,

    —দিচ্ছি তো গুরু!

    —হাত চালা।

    মধু দলবল নিয়ে পরিবেশন করতে থাকে। কালো হয়ে গেছে সুগৌর রং, রোদে-পোড়া তামাটে কঠিন একটি মানুষ, কী যন্ত্রণাময় জীবনের মাঝে নতুন জীবনের আশ্বাস এনেছে।

    পদা তবু শুধোয়—মাঝে মাঝে উদোস মেরে যাও কেন গুরু?

    মধু গর্জায়—অ্যাই, মারব এক রদ্দা! কাজ কর!

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }