Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প203 Mins Read0
    ⤶

    অমানুষ – ৯

    ৯

    আবার সেই ঘরছাড়া মানুষগুলো যে-যার ঘরে ফিরে গেছে। ভেড়িগুলোর হানামুখ ওরা বন্ধ করেছে। মাঠে মাঠে এসেছে সবুজ ধান-শিশুর দল; কোথায় ভেড়ির ওপর ঘুমন্ত কাশবন জেগে উঠেছে যৌবনের স্বপ্নে, সাদা ফুলে ভরে গেছে ওর সর্বাঙ্গ। বাতাসে কাঁপছে ওরা। মেঘমুক্ত নীল আকাশে উড়ে যায় সাদা মেঘের দল। সুন্দরবনের দিক থেকে শরতের খুশির হাওয়ায় ভেসে আসে মানুষের এই দুঃখ-জয়ের সংবাদ।

    কতদিন তার হিসেব রাখেনি মধু, কী দুর্বার পরিশ্রমের মধ্যে কেটে গেছে। লেখাকে দেখেছে, একটি সেবাপরায়ণা নারী নিজের সব ভুলে ওদের সেবায় ডুবেছিল। অপরিচিত হাজার মানুষের মনে ওর ছবি আঁকা হয়ে গেছে।

    ওরা সব গঞ্জ খালি করে যে-যার বসতে ফিরে গেছে।

    মধু বলে—যা শালারা! এ যেন পাখির বাসা। সাঁঝবেলায় জুটল, চ্যাঁচামেচি করল, তারপরই দিনের আলোয় ফুরুৎ? ধা! সব দিক-দিগন্তরে উড়ে গেল। অ্যাই পদা, মালপত্তর গোছগাছ করে, ধনেখালিতে ফিরতে হবে আজই রাতে।

    পদা বলে—তাই চল গুরু! কিন্তু আজ এট্টু, মানে—

    লেখা দাঁড়িয়ে ছিল। মধু পদাকে নিয়ে সরে গেল। লেখার সামনে ওএসব কথা তুলতে যেন সমীহ করে সে। লেখা হাসল মনে মনে।

    কোথায় এই কঠিন মানুষটার অতল মনের সেই সম্ভ্রম আর সম্মানবোধটুকুকে সে জাগিয়ে তুলেছে। মধু আজ এ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান, কিন্তু এ সম্মান সে চায় না, সেই কঠিন একটা আবরণে নিজেকে ঢেকে রেখেছে। ওরা তাকে বড়ো বড়ো ভেড়ির ঠিকে গছাবার জন্য ব্যস্ত। মধু বলে,

    —যেটুকু পারব করব। তার বেশি নিলেই চুরি করতে হবে। চোর সাজাতে চান মধু চৌধুরীকে?

    লেখা ওকে দেখেছে নতুন রূপে।

    রাতের অন্ধকারে লঞ্চটা ফিরছে। ঘরে ফিরছে ওরা।

    শান্ত-স্তব্ধ নদীর বিস্তারে পড়েছে চাঁদের আলো, ওপাশে আদিম অরণ্যভূমিতে স্বপ্ন নেমেছে। ঘুমঢাকা চারদিক। লঞ্চের ইঞ্জিনের গুরু গুরু শব্দ ওঠে। পেছনে জল কেটে চলেছে প্রপেলারটা। সমুদ্রের স্বাদ পাওয়া জলে ওই চাঁদের আলোয় ঝকঝকে ফসফরাসের ঝিলিক জ্বলছে রুপোলি আভায়।

    দাঁড়িয়ে আছে মধু। ওর মনের অতলে একটা শূন্যতা জাগে।

    এতদিন কাজে ডুবেছিল, আজ সব কিছু ফুরিয়ে গেছে। মনে হয় ধনেখালির সেই অলস দিনগুলো আর সেই পরিবেশ তাকে কেমন মাতাল করে তুলবে। একা সে। কোথাও তার কোনো সঞ্চয় নেই, যা দিয়ে মনের সেই অসীম শূন্যতাকে পূর্ণ করে নেবে।

    হঠাৎ পাশে কাকে দেখে চমকে ওঠে—লেখা!

    লেখা জবাব দিল না, ওর দিকে তাকাল। ওর মুখে পড়েছে একফালি চাঁদের আলো। গহন স্তব্ধ বনভূমি। ওদিকে ঘুমন্ত মানুষের আবাদ, বিরাট অন্তহীন এই বিস্তারে ওরা দুজনে কোথায় হারিয়ে গেছে।

    অতীতের একটি রাতের কথা মনে পড়ে লেখার।

    এমনি করে লঞ্চ সেদিন ফিরছিল, রাতের অন্ধকারে লঞ্চ বন্ধ হয়ে পড়েছিল তার এইখানে। সেই অবিশ্বাস, আতঙ্ক আর ঘৃণার রাতে নতুন করে চিনেছিল লেখা ওই জানোয়ার বলে পরিচিত মানুষটাকে।

    আজ ভেঙে-চুরে তা থেকে অন্য একটি সম্পূর্ণ মানুষ বের হয়ে এসেছে। লেখার মনে কী পূর্ণতার সাড়া। ওর দিকে তাকাল সে।

    মধু অবাক হয়ে যায়। এ যেন জীবনের একটি সফল মুহূর্ত। এই মুহূর্তটুকু তার শূন্য -ব্যর্থ জীবনে পরম সার্থকতার আশ্বাস এনেছে।

    —লেখা!

    লেখা ওর দিকে তাকাল। ওর হাতখানা মধুর হাতে। সারা দেহ মনে কী সুর জাগে। হঠাৎ মধু চমকে ওঠে লেখার দিকে তাকিয়ে। কী যেন একটা অন্যায় করে ফেলেছে সে। মধু লেখার সঙ্গে এতদিন মিশেছে। কিন্তু নিজের মনের কী একটা নগ্ন লোভী সত্তাকে দেখে শিউরে উঠেছে। এটাকে সে প্রকাশ করতে চায় না। নিজেই নিজের এই স্বরূপ দেখে আজ শিউরে উঠেছে। সরে গেল সে। যেন চাবুক-খাওয়া জানোয়ারের মতো শিউরে উঠে পালাচ্ছে ভয়ে, একটা অন্য জীব।

    লেখা অবাক হয়—কী হল তোমার?

    মধুর জবাব দেবার সাধ্য নেই। সে এড়িয়ে যায়। সরে গেল ওখান থেকে লঞ্চের নিচের খোলে।

    ঢেউয়ের আঘাতে আর গতিবেগে লঞ্চটা দুলছে। পদা দাঁড়িয়ে আছে নীচে, ঘুম আসেনি ওর। একটা হ্যারিকেন দড়িতে বেঁধে নিচের ডেকে ঝুলিয়ে ইঞ্জিনটা চালু রেখে ইয়াকুব বসে বসে ঢুলছে।

    পদা জানে গুরু কোথায় আছে। কিছুদিন ধরে সে দেখে আসছে ব্যাপারটা। যতে ওপাশে চাদর মুড়ি দিয়ে নাক ডাকাচ্ছে। হঠাৎ তাড়া-খাওয়া জানোয়ারের মতো মধুকে নেমে আসতে দেখে তাকাল পদা।

    মধু হাঁপাচ্ছে। শুধোয় সে—কিছু আছে রে পদা?

    আজ মধু আবার মাতাল হতে চায়। নিজের এই স্বরূপটাকে যেন টুটি টিপে মারতে চায় সে। একে কোনো স্বীকৃতিই দিতে সে নারাজ।

    পদা অবাক হয়েছে। মধুর দিকে তাকাল সে।

    মধু ওর চোখাচোখি হতে চায় না। ফ্যাসফ্যাসে গলায় শুধোয় আবার –আছে?

    পদা জবাব দেয়—থাকবে কোত্থেকে? খেতে দিয়েছ সুস্থির হয়ে? নাই।

    মধু হাঁ-না কিছু বলল না। গাঙের দিকে তাকিয়ে থাকে। ঢেউ ফাটছে, চাঁদের আলোয় ফসফরাসের আভা ওই জলের বুকে। চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। পদা এগিয়ে এসে বলে—গুরু!

    মধু জবাব দিল না। পদা দেখছে মধুর মনের সেই ঝড়টাকে। ও যেন সমর্থন করতে, অভয় দিতে চায় তাকে।

    —একটা কথা বলব মাইরি?

    মধুর তাতেও কোন উত্তর নেই। স্তব্ধ-গম্ভীর একটি মানুষ কী ভাবনার গভীরে তলিয়ে গেছে। হঠাৎ যেন কঠিন একটা প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছে, যার সমাধানের কোন পথ তার জানা নেই।

    পদা কাছে এসে বলে—গুরু মেয়েটা—ডাক্তারের বোন, ওই সুনীতি সুধা মাইরি তোমার ‘লভে’ পড়ে গেছে। একেবারে হাবুডুবু—

    কথাটা শেষ করতে পারে না, মধুর কানে ও কথাগুলোই গরম একটা অসহ্য-জ্বালা এনেছে। সে পেছনে ফিরেই পদার গালে সপাটে একটা চড় কষেছে। অতর্কিত ওই চড়ে পদা বস্তার ওপর টাউরি খেয়ে গিয়ে পড়ল।

    ব্যাপারটা কিছুই বুঝতে পারে না সে। মধু গর্জাচ্ছে,–ফের যদি ওইসব কথা বলেছিস, জিভ টেনে ছিঁড়ে ফেলব তোর!

    পদা উঠে বসে গালে হাত বোলাতে থাকে। কী অন্যায় করল সেটা বুঝতে পারে না সে।

    মধু গুম হয়ে আবার রেলিংয়ে ভর দিয়ে ওই অন্ধকার পরিবেশের দিকে তাকিয়ে থাকে। ওই অজানার অন্ধকারে হারিয়ে যেতে চায় সে।

    .

    সকাল হয়ে গেছে।

    ওদের ডাকাডাকিতে ধড়মড়িয়ে উঠে বসল মধু, রাতে কখন ওই পুরনো বস্তার ওপরই শুয়ে পড়েছিল। ঠাণ্ডা জোলো হাওয়া লাগতে একটা বস্তাই ঢাকা দিয়েছে, আটার বস্তার সাদা গুঁড়োগুলোয় মুখ-মাথা ভর্তি হয়ে গেছে। হাসছে লেখা—কী হল? এত ঘুম! আমরা এসে গেছি, সামনেই ধনেখালির গঞ্জ। চা খাবে না? এখানে মানুষ শোয়?

    মধু মাথা-গা ঝাড়তে ঝাড়তে বলে—আমি শ্লা আবার মানুষ, হ্যাঁ! ঠিক আছে! চা হবে নাকি একটু? পদা, যা নিয়ে আয়।

    লেখাকে ও যেন এড়িয়ে যাচ্ছে। লেখাও একটু অবাক হয়। সেই সহজ প্রাণখোলা মানুষটাও কেমন বদলে গেছে আবার।

    নামবার আগে লেখা দূর থেকে তাকিয়ে আছে গঞ্জের দিকে। ঘাটে অন্য একটা লঞ্চ বাঁধা রয়েছে, লোকজনের ভিড়ও জমেছে। বোধহয় ওদের অভ্যর্থনা জানাতে এসেছে।

    লঞ্চটা এসে ঘাটে লাগল। চারিদিকে থমথমে স্তব্ধতা।

    ভুবনবাবু, মহিম ঘোষাল, হারু সা, ব্লক অফিসার অন্যান্য লোকজন জমেছে, সকলেরই মুখই থমথমে ভাব।

    মধুসূদন অবাক হয়। লঞ্চ থেকে নেমে এগিয়ে এসে ওদের দিকে চেয়ে বলে,— যাঃ বাবা! বলি সব কী বোবা মেরে গেলে নাকি! অ পিসিডেন, ভুবনবাবু!

    লেখা নেমে আসছে।

    ভুবনবাবু এগিয়ে আসেন মধুর দিকে। চুপি চুপি কী বলেন তিনি। শুনে মধু চমকে ওঠে,

    —অ্যা! সে কি কথা ভুবনবাবু? কবে হয়েছে?

    —কাল রাত্রে।

    মধুসূদন গুম মেরে যায়। লেখাও শুনেছে কথাটা।

    কাল রাতে অশ্বিনীবাবুর স্ট্রোক মতো হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন।

    ভুবনবাবু বলেন—রেডিওগ্রাম করে এস ডি ও’র লঞ্চে সিভিল সার্জনকে এনেছি, তিনি দুজন ডাক্তারও এনেছেন সঙ্গে। চেষ্টার ত্রুটি করিনি মধু।

    লেখা অস্ফুট আর্তনাদ করে ওঠে। ওর মুখে কি বিবর্ণতার ছায়া নামে। সে এগিয়ে গেল ওদের বাড়ির দিকে। মধু তাকিয়ে দেখছে ওই লেখাকে।

    মহিম ঘোষাল মনে মনে খুশি হয়েছে। আর অশ্বিনীবাবু বেঁচে উঠুক এটাও বোধহয় সে চায় না। তাই বলে,

    —চেষ্টা অবশ্য করতেই হবে। তবে মনে হয় ব্যর্থই হবে সবকিছু। আরও সব রোগের ওপর পঙ্গু হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে চলে যাওয়াই ভালো।

    মধু ওর দিকে তাকাল। ওর চুলগুলো উশকোখুশকো, আটার চোকল লেগে আছে সর্বাঙ্গে, জামায়। মধু কথা বলে না, চুপ করে দাঁড়িয়ে সিগ্রেট টানছে।

    ভুবনবাবু বলেন—সিভিল সার্জন কোনো আশা দিতে পারছেন না।

    মধু বলে ওঠে—আশা! তবু মনে হয় কী জানেন ভুবনবাবু! লেখার কেউ নেই ওই দাদা ছাড়া!

    হঠাৎ কার-আর্তকণ্ঠ স্বর শোনা যায়!…

    .

    লেখা কাঁদছে। অশ্বিনীবাবুর আর জ্ঞান ফেরেনি।

    — দাদা!

    লেখা ওঁকে ডাকছে। কিন্তু কোনো শব্দ নেই, অসাড় দেহটা পড়ে আছে। সি এম ও তাকিয়ে আছেন লেখার দিকে। সহকারী ডাক্তার ওই অচেতন দেহটার মুখের ওপর থেকে অক্সিজেন ফানেলটা সরিয়ে নিলেন, একে দাদা চাদরটা ঢেকে দিল, যেন সব কিছুর ওপর অমনি অস্বচ্ছ যবনিকা নেমেছে। লেখা জানে তার অর্থ, অজানা কী ভয় আর দুঃখ অস্ফুট আর্তনাদ করে ওঠে সে,

    — দাদা! দাদা!

    জানে সাড়া আর কোনোদিনই মিলবে না। দুই ভাই-বোনের মধ্যে আজ একজন হারিয়ে গেল। এই বিরাট পৃথিবীতে আজ লেখা একা, চারিদিকে শুধু যন্ত্রণাদায়ক নিঃস্বতা আর শূন্যতার হাহাকার!

    সেই আর্ত চিৎকার যেন মধুসূদনের মুখে তীব্র চাবুকের আঘাত করেছে। লেখার কান্নার শব্দ আকাশ-বাতাস ছড়িয়ে পড়ে। আর্তনাদ করে ওঠে মধু,

    —ভুবনবাবু!

    ভুবনবাবুও চমকে ওঠেন। মহিমবাবু বলে,–ও আমি জানতাম ভুবনবাবু!

    মধু গর্জন করে ওঠে,

    —থামবে পেসিডেন! তুমি ঢের কিছু জানো দেখছি!

    মধুর ওই গর্জনে মহিমবাবু থেমে গেল। মধু সিগ্রেটটা ফেলে দিয়ে ওই গাঙের দিকে তাকিয়ে থাকে। সব কেমন তছনছ হয়ে গেল।

    মহিমবাবু তবু এগিয়ে গেল ডাক্তারের বাড়ির দিকে। ওরই যেন দায়।

    —যাই দেখি! শেষ কাজের ব্যবস্থা করতে হবে তো!

    মধু দাঁড়িয়ে আছে ওই অকূল গাঙের ধারে। সব যেন শূন্যতার বেদনায় বিকৃত হয়ে গেছে।

    —গুরু!

    পদা ডাকছে ওকে। পদার দিকে তাকাল মধু।

    —ঘরে যাবে নাই? কী হল তোমার বল দিকি?

    —যাব। তুই যা।

    ওরাও গুরুর এই পরিবর্তনে কেমন ঘাবড়ে যায়। পদা কী শুধোতে যাবে, যতিলালের ইশারায় সরে গেল।

    দিনগুলো চলে যায় হালকা হাওয়ায় ভেসে-যাওয়া ঝরাপাতার মতো। সব কেমন শূন্য লাগে মধুর। তবু কাজকর্ম শুরু করতে হবে ধান উঠলেই। মাঠে সোনাধানের রং লেগেছে, গাঙের বুকে এসেছে স্তব্ধতা।

    লেখার সঙ্গে দেখা হয়েছে দু-একবার। গেছেও মধুসূদন ওর ওখানে।

    ডাক্তারখানাটা শূন্যপ্রায়। স্কুলটা নিয়ে কোনোরকমে সব ভুলে আছে লেখা। মধুকেই এখন ওর অনেক কাজ-কর্ম দেখে দিতে হয়।

    —ধানের কি হবে? জমি-জমার ব্যাপার ওসব তো জানি না!

    লেখা অসহায় সুরে মধুকে কথাগুলো জানায়। লেখা বলে,—এদিকে বছরের খোরাক-খরচা তো আছে।

    মধু ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। বলে সে,—ওর জন্য তোমায় ভাবতে হবে না লেখা লেখা হাসল। মলিন-বিবর্ণ একটু হাসি। জবাব দেয় সে—ভাবব আর কত! সব কেমন অন্ধকারে হারিয়ে গেছে। একা।

    মধু ওর দিকে তাকাল। লেখা বলে—এক-একসময় মনে হয়, ওই গাঙের জলেই ডুবে সব জ্বালা জুড়োই। এ ছাড়া আর পথ কি?

    মধু শুনছে ওর কথাগুলো। কোথায় ওরও বেদনাবোধ হয়। সরে এল সে।

    হঠাৎ সেদিন শহরে লেখার কী কাগজগুলো দাখিল করে ফিরছে মধু। সন্ধ্যা হয়ে গেছে। শীতের শুরু, কুয়াশার ঘন আবরণে সবকিছু যেন চাদর-জড়ানো, কোন্ বাহাত্তুরে কালের বুড়োর মতো চেহারা নিয়ে গঞ্জটা দাঁড়িয়ে আছে।

    মধু এগিয়ে যায়, লেখার হাতে রসিদ দিয়ে বাড়ি ফিরবে।

    হঠাৎ ওর ঘরের বারান্দায় উঠে থমকে দাঁড়াল। ভেতর থেকে লেখার কঠিন কন্ঠের চিৎকার শোনা যায়।

    —যান, বের হয়ে যান বলছি!

    কাকে ধমকাচ্ছে লেখা। মধু চুপ করে দাঁড়িয়েছে। ওদিক থেকে মহিম ঘোষালের কন্ঠস্বর শোনা যায়। হাসছে সে—চটছে কেন? যাচ্ছি, যাচ্ছি। তবে বললাম, কথাটা ভেবে দেখ! নিশ্চিন্তে থাকবে। একা-একা থাকো!

    লেখা চিৎকার করে-আপনাদের জন্য কি গাঙের জলে ডুবে মরব? দোহাই আপনাদের, দয়া করুন, এখানে আসবেন না। চলে যান আপনি!

    —যাচ্ছি! তবে তোমার ভালোর জন্যেই বললাম।

    লেখার কান্নার শব্দ শোনা যায়। মহিমবাবু বের হয়ে আসছে। হঠাৎ আবছা আলোয় দরজার সামনেই মধুকে দেখে থমকে দাঁড়াল। শহর থেকে ফিরছিল মধু, হাতে তরকারি-ফুলকপির সেই ব্যাগটা ফেলে দিয়ে ওর পথ আটকে দাঁড়িয়েছে। আবছা আলো-আঁধারির মাঝে ওর দু’চোখ জ্বলছে।

    মহিম ঘোষালের মুখটা বিবর্ণ হয়ে উঠেছে ভয়ে

    —মানে….মানে….

    মধু গর্জে ওঠে,—মানে বুঝিয়ো না পেসিডেন! তোমাকে শেষবারের মতো বলে দিচ্ছি, এমুখো হবে না। ফের যদি দেখি শুনি এখানে জ্বালাতন করতে এসেছ, মধু চৌধুরী সেদিন তোমাকে গলা টিপে শেষ করে মাঝগাঙে রেখে আসবে। কুমির-কামটের ভোজে লেগে যাবে।

    মহিম ঘোষাল শিউরে ওঠে—সত্যি বলছি মধু, মানে…..

    —মধু চৌধুরী বাপের ব্যাটা। তোমার মতো নেড়ি কুত্তাকে মারতে তার এতটুকু সময় লাগবে না। বুঝলে?

    মহিম ঘোষাল ছাড়া পেয়ে চোঁ-চা দৌড় মারল।

    লেখার সেই কান্নায় ভেঙে পড়া চেহারার দিকে তাকিয়ে থাকে মধু। কী ভাবছে সে। পায়ে পায়ে সরে এল। অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আছে সে। চারিদিকে কুয়াশার আবরণ, বাতাসে নদীর গর্জন ওঠে, সব শূন্যতার যন্ত্রণায়-ভরা। লেখা তাই কাঁদে।

    কী ভেবে মধু হনহন করে চলেছে। নিশুতি জনপদ। অন্ধকার পথ দিয়ে চলেছে মধু। বাড়িটার কাছে এসে থামল।

    বারান্দার ওপাশের ঘরটায় আলো জ্বেলে ভুবনবাবু কাজ করছেন। হঠাৎ অন্ধকারে মধুকে হন্তদন্ত হয়ে ঢুকতে দেখে ওর দিকে তাকালেন। উশকো-খুশকো চেহারা, চোখ-দুটো যেন জ্বলজ্বল করছে।

    —ভুবনবাবু! মধু ওঁর দিকে এগিয়ে আসে।

    ভুবনবাবু অবাক হন—কী ব্যাপার মধু? এত রাত্রে?

    আপনার কাছে এসেছিলাম মাইরি!

    মধুর কোন দরকার থাকতে পারে, এখানে তা জানতেন না ভুবনবাবু। তাই ওর কথায় অবাক হন—কী ব্যাপার?

    —কোনোদিন কারও কাছে মধুসূদন চৌধুরী কিছুই চায়নি ভুবনবাবু। আজ এসেছি খুব বিপদে পড়ে। একদিন বলেছিলেন আপনি, সত্যি আমাকে ভালোবাসেন!

    ভুবনবাবু ওর দিকে তাকালেন,—হ্যাঁ!

    —তাহলে একটা কথা রাখতেই হবে। মধু ওঁর হাতটা ধরে ব্যাকুলভাবে।

    —কী ব্যাপার!

    —আপনি লেখাকে উদ্ধার করুন! ভালো মেয়ে, আপনার যোগ্য সে। আর জানেন তো, কেউ নেই যে ওকে আশ্রয় দেয়!

    ভুবনবাবু অবাক হন,—সেকি! তা কী করে সম্ভব!

    —কেন নয়?

    মধু ওঁর দিকে তাকিয়ে থাকে। ভুবনবাবু মাথা নাড়ছেন,—না-না!

    —অ! তাহলে অ্যাদ্দিন মিছে কথাই বলেছেন আমাকে! মিছে কথা সব শ্লাই বলে। কিন্তু ভুবনবাবু, আপনিও মিছে গুল দিলেন সেদিন? ভালোবাসি, ভালো লাগে তোমাকে? ধ্যাত্তেরি— ভুবনবাবুও জানেন লেখার ব্যাপারটা। ওর জন্য তাঁরও বেদনাবোধ কম নেই। মধুকে বলেন তিনি, –তোমার সঙ্গে ওর চেনা-জানা, এতদিনের পরিচয়—

    মধু চেয়ার ছেড়ে খাড়া হয়ে ওঠে। ভুবনবাবুর কথাটা থামিয়ে দিয়ে বলে,

    —থাক থাক! দেখছি দারোগা না হয়ে, তিন বছর কোনো দারোগার ঘোড়ার ঘাস কাটাই উচিত ছিল তোমার!

    ভুবনবাবু হাসছেন।

    মধু বলে চলেছে—আমি শ্লা জানোয়ার, মদো-মাতাল ইতর কেলাসের লোক। আজ বিপদের সময় ওকে বিয়ে করলে, লেখা পরে ভাববে মধু চৌধুরী তাকেও জুল-জাল দিয়ে বিয়ে করেছে, ঠকিয়েছে। তাছাড়া এ যে বাঁদরের গলায় মুক্তোর মালা ভুবনবাবু। লেখার মতো মেয়ে কোনোদিন আমাকে নিয়ে সুখী হতে পারে না—পারবে না!

    ভুবনবাবু ওর দিকে চেয়ে থাকেন। মধুর চোখ-দুটো ছলছল হয়ে ওঠে কী বেদনায়। চুপ করে ভাবছেন ভুবনবাবু। মধুসূদনকে লেখা ভালোবাসে তা জানেন তিনি। কিন্তু মধু আজ লেখার কথা ভেবেই সেই পরম পাওয়া থেকে বঞ্চিত করতে চায় নিজেকে।

    —মধু!

    ভুবনবাবুর কথায় মধু বলে ওঠে—সেদিন মধু চৌধুরীর মতো জানোয়ারকে মানুষ করার জন্য আদা-জল খেয়ে লেগেছিল, আর আজ মানুষকে—মানুষের স্বীকৃতি দিতে ধানাই-পানাই করছ! লেখা কেমন মেয়ে তা জানো তুমি! বলো, তুমিও বই-পড়া, জামা-প্যান্টুল পরা একটা ভণ্ড, শুধু বুকনি মারতে পারো? কাওয়ার্ড, ভীরু-

    ভুবনবাবু ওর দিকে তাকিয়ে থাকেন। মধুর ওই কথাগুলো নির্মম হলেও বোধহয় সত্যি। মধুই আজ তার মনের অতলের সেই কর্তব্যকে জাগিয়ে তুলেছে, হয়তো বেদনাভরা ভালোবাসাকেও

    ভুবনবাবু ওর হাত ধরে ওকে শান্ত করতে চান। স্থির চাহনিতে তাকিয়ে থাকেন ওর দিকে। মধু ওঁকে দেখছে। হঠাৎ মনে হয়, ভুবনবাবুর চোখে কী স্বীকৃতি আর মাধুর্য। মধু নতুন মানুষটাকে যেন চিনেছে। ওকে জড়িয়ে ধরে মধু বলে—ভুবনবাবু! তাহলে তুমিই সেদিন ব্যাটা মধুসূদনকে একলা চেনোনি, মধুসূদন চৌধুরীও তোমাকে চিনেছিল হে! না’লে, সেদিন ফস করে পিঠ পেতে দিইছিলাম অমনি চাবুক খেতে? আর কেউ হলে মধু চৌধুরীর অন্য মূর্তি দেখত সে। বুঝেছ—তোমাকেও চিনেছিলাম। তুমি খাঁটি মানুষ।

    মধুকে বুকে জড়িয়ে ধরে তরুণ ভুবন বোস। দুটি কঠিন মানুষ, অন্তরের নিভৃত মাধুর্যের আবেশে বাঁধা পড়েছে।

    লেখাও প্রতিবাদ করতে পারেনি। মধুর ওই কথাগুলো সে-ও শুনেছিল।

    লেখা কথা বলতে অবকাশ পায়নি। মনে হয়েছিল মধু তাদেরই দলে, যারা জীবনে চায় না কিছুই, শুধু দিয়েই যায়। লেখার জীবনে এসেছে পূর্ণতার সাড়া। আজ তার ঘর, আশ্রয় সব হয়েছে। সুখী হয়েছে সে।

    ভুবনবাবুও জীবনের একটি প্রকৃত সঙ্গিনীকে পেয়েছেন লেখার মধ্যে। মধুর মনে হয় তার জীবনে এইটাই সবচেয়ে বড়ো কাজ, আর সেটাকে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছে সে।

    শীতের গাঙ। মধু আবার চলেছে ভেড়িবাঁধার কাজে। ধনেখালির ঘাটে দাঁড়িয়ে আছে লঞ্চটা। ভুবনবাবুর প্রমোশন হয়ে গেছে। তিনিও দু-চার দিনের মধ্যে আলিপুরে চলে যাচ্ছেন এই বাদা অঞ্চল থেকে। ধনেখালির বুক থেকে লেখাও চলে যাবে শহরে স্বামীর সঙ্গে তার নতুন সংসারে। লঞ্চে মালপত্তর তোলা হচ্ছে। ভুবনবাবু বলেন—আর ফিরে এসে দেখা হবে না মধু। শহরেই দেখা করতে যাবে। না গেলে লেখা কিন্তু খুব রাগ করবে।

    —যাব। নিশ্চয়ই যাব। মধু তাড়া দেয়—অরে অ যতে! ম্যাপ, তেরপল, মালপত্তর তুলেছিস?

    -–হ্যাঁ গ!

    পদাও তৈরি। মধু তাকিয়ে দেখছে ধনেখালির গঞ্জকে। কেমন সব শূন্য হয়ে যাবে। লেখা-ভুবনবাবু দাঁড়িয়ে আছে। লেখাও থাকবে না এখানে। একটি স্মৃতিও মুছে যাবে জোয়ারের জলে।

    —চলি ভুবনবাবু!

    হঠাৎ লেখা এগিয়ে এসে ওকে প্রণাম করে, কী ভেবে ভুবনবাবুও মাথা নোয়াল। আঁতকে ওঠে মধুসুদন। জীবনে তাকে কেউ প্রণাম করেনি। তাই চিৎকার করে,

    —আরে, অ্যাই অ্যাই! জানোয়ারকে পেন্নাম করে নাকি! অ্যাই পদা, দ্যাখ, দ্যাখ, শ্লা; ভুবনবাবু, লেখা কিনা মধু চৌধুরীকে পেন্নাম করছে! অ্যা! বলি মাথা খারাপ হল নাকি হে তোমাদের? চলি—

    লাফ দিয়ে লঞ্চে উঠল সে। বলে ওঠে—নসো! চালা বাবা!

    লঞ্চটা জল কেটে কেটে চলেছে। ঘাটে দাঁড়িয়ে আছে লেখা-ভুবনবাবু। ওদের কাছ থেকে, ধনেখালির ছায়াবন গঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে একটি মানুষ। হঠাৎ বুকের ভেতরটা কী-যন্ত্রণায় মুচড়ে ওঠে। মধু দেখছে ওদের, ঝাপসা হয়ে আসে চোখের দৃষ্টি।

    —গুরু! একটোক চলবে না?

    পদা ওর হাতে একটা বোতলই দিয়েছে। তাজা গন্ধ উঠছে। মধু মুখে ঢালতে গিয়ে কী ভেবে থামল, বোতলটাকে জলে ছুড়ে ফেলে দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে সে।

    হঠাৎ আবিষ্কার করে মধু। তার দু’চোখ জলে ভরে গেছে—ধ্যাত্তেরি!

    মধুর কোথায় যেন সব হারিয়ে গেছে। তবু মনে হয় অনেক পেয়েছে সে। এ পাওয়ার পরিমাণ সে জানে না, নিজেকে ফিরে পেয়েছে সে।

    (সমাপ্ত)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }