Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অমৃতা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প305 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমৃতা – ১৭

    ১৭

    প্রোফেসর জয়িতা বাগচির কাছে অল্প কিছু ছাত্র-ছাত্রী পড়তে যায়। তিনি সেভাবে কোচিং করেন না। কেউ জানেও না তিনি কোচিং করেন। দু-চারজন ছাত্র-ছাত্রী থাকে নাছোড়বান্দা। ক্লাস থেকে বেরোচ্ছেন— জয়িতাদি! স্টাফরুম থেকে বেরোচ্ছেন—জয়িতাদি! লাইব্রেরিতে ঢুকছেন— জয়িতাদি! এই নাছোড়বান্দাগুলোর মধ্যে কাউকে কাউকে তিনি পাত্তা দেন। পড়ানোর জন্য বেশ উচ্চ ফি নিয়ে থাকেন। এরা অন্যদের লুকিয়ে টুকটুক করে জয়িতাদির বাড়ি যায়। পড়ে। নোট্‌স্ নেয়। তিলক এদের মধ্যে একজন। সে বেচারি মরিয়া হয়ে গেছে আসলে। পড়ছে বাংলা, এদিকে ছেলে, কোথাও কেউ পাত্তা দিচ্ছে না। চাকরির দরখাস্ত সে এখন থেকেই পাঠাতে শুরু করেছে, কম্পিউটার শিখছে। কিন্তু একটা কথা—বিষয়টা পড়তে তার সত্যি-সত্যি ভাল লাগে। এই ভাল লাগাটা অদ্ভূত। তার বয়সী বেশির ভাগ ছেলের সঙ্গেই মেলে না। কিন্তু তার এই ভাল লাগাটা জীবনে কোনও কাজে আসবে না— ভাবতে তার খুব খারাপ লাগে। এই সব সাত-পাঁচ ভেবেও সে পাঁচশো টাকা দিয়ে জয়িতাদির কাছে পড়তে যায়। সপ্তাহে একদিন। একজন অধ্যাপক হতে গেলে কী এবং কতটা আয়ত্ত করতে হয় সেটাই সে জয়িতাদির কাছ থেকে জেনে নিতে চায়।

    জয়িতাদির ক্লাসের পড়ানোটা অন্য রকম। সেটা যেন একটা পারফর্ম্যান্স, যেমন গায়ক গান করেন, নট অভিনয় করেন একটা পরিশীলিত, মার্জিত, বহুদিনের অভ্যাসে রপ্ত ব্যাপার। সেটা একটা শোনবার জিনিস। এত তাড়াতাড়ি একটা ভেতরের ভাললাগার তোড়ে বলে যান তিনি ছাত্র-ছাত্রীরা বেশির ভাগ সময়েই স্তব্ধ হয়ে শোনে। বিশদ নোট নিতে পারে না, কেননা তাতে করে রস উপভোগের বাধা হবে। টেক্সট হলে তার মার্জিনে, না হলে দু-চারটে কথায় তারা ধরে রাখতে চায় এই ম্যাজিক। কিন্তু বাড়িতে পড়ানোর সময়ে জয়িতাদি একটু একটু করে ইট গাঁথেন, সযত্নে লাগান সিমেন্ট, পলেস্তারা। সেটা থেকে শেখার সুবিধে হয়।

    জয়িতাদির বাড়িতে যেতে কোনও অসুবিধেও নেই। আমহার্স্ট স্ট্রিট থেকে সল্টলেক সেক্টর থ্রি খুবই কাছে। কিন্তু অসুবিধেটা অন্য জায়গায়। জয়িতাদি হয় তো পড়াচ্ছেন, খুব মনোযোগ দিয়ে তারা লিখে রাখছে সব। জয়িতাদির স্বামী প্রোঃ সুপ্রতীক বাগচি, ভেতর থেকে হাঁক পাড়বেন— জয়িতা! জয়িতা!

    হন্তদন্ত হয়ে জয়িতাদি চলে যান। কোনও দিন পাঁচ মিনিট, কোনও দিন দশ মিনিট, কোনও দিন তারও বেশি সময় চলে যায়। অনেক সময়ে ভেতরে একটা চাপা কথা কাটাকাটির আওয়াজ পাওয়া যায়। একটু পরে হয়তো অধ্যাপক সুপ্রতীক বাগচি বেরিয়ে যান। জয়িতাদি আবার এসে বসেন।

    সেদিন তিলক গেছে প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে। ভিজে ভিজে সে যখন পৌঁছল জয়িতাদির বাড়ির জানলাগুলো বন্ধ। সে বেল দেবার প্রায় পাঁচ মিনিট পরে দরজাটা খুলে দিলেন জয়িতা বাগচি নিজেই।

     

     

    —ও তুমি এসেছ? এ কি? ভিজে গেছ যে একেবারে।

    —হ্যাঁ এলোমেলো ছাঁট ছিল তো!

    —এত ভেজা অবস্থায় আজকে নাইবা পড়লে তিলক। আর কেউ আসেওনি। উনি বসবার ঘরের আলো জ্বেলে দিতে দিতে বললেন।

    —ঠিক আছে। তিলকের একটু একটু শীত অবশ্য করছিল। কিন্তু ভেজা জায়গাগুলো পাখার তলায় কিছুক্ষণ বসলেই শুকিয়ে যেত! মাসে পাঁচ শ’ টাকা! দিদি তো অন্য কোনও দিন আর দিতে পারবেন বলে মনে হয় না। জয়িতাদি বললেন—অনেকদিন ধরে তোমায় একটা কাজ দেব ভাবছি। করবে?

    —কেন করব না? বলুন।

    —আমি তোমাকে একটা প্যাকেট দেব, তুমি সেটা অমৃতাকে দিয়ে আসবে?

     

     

    —অমৃতা? তিলক হাঁ হয়ে গেছে।

    —শোনো ও বেঁচে আছে, ভালই আছে, সমস্ত ব্যাপারটা সম্ভবত একটা পারিবারিক ষড়যন্ত্র, যার থেকে ও কপালজোরে বেঁচে গেছে। ও যেখানে আছে সেখান থেকে ও আমার সঙ্গে মাঝে মাঝে ফোনে যোগাযোগ করে। কিন্তু ও বেরতে পারে না। নিরাপত্তার জন্য, বুঝতেই পারছ। এই প্যাকেটটা ওর কাছে পৌঁছে দিলে ওর খুব উপকার হবে। আমারও মনে হবে আমি একটি অসহায় বিপন্ন মেয়ের জন্য কিছু করতে পারলাম।

    অমৃতা বেঁচে আছে এ খবর সে অরিন্দমদার কাছে শুনেছে। কিন্তু জয়িতাদির সঙ্গে তার যোগাযোগ, জয়িতাদির হঠাৎ অমৃতার উল্লেখ সে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। প্যাকেটটা তার হাতে দিয়ে জয়িতাদি সবে পেছন ফিরে দরজা বন্ধ করছেন সুপ্রতীকবাবুর গলা শুনতে পেল তিলক।

    —মানে কী এর? মানে কী? দিলে কী ওটা? নোট্‌স? ওটা তো তোমার-আমার করা বেস্ট নোট্‌স—ওইগুলো দিয়ে দিলে?

     

     

    জানলার মধ্যে থেকে আসছে কথাগুলো।

    —তোমার আর কী করা? আমারই। আমি বুঝেছি দিয়েছি। কোনও কোনও সময়ে একটু অতিরিক্ত করতে হয়, যেমন তোমার জন্যে করেছিলাম।

    —তোমার এই কথা আমি নিজের থুতু গেলানোর মতো করে গেলাব তোমাকে একদিন।

    —গেলাও না। আমার চেয়ে বেশি শান্তি তাতে আর কেউ পাবে না সুপ্রতীক। অস্বীকার করতে পার এই চোদ্দো বছর এক জায়গায় অনড় হয়ে বসে আছ? কলেজ পলিটিক্স ছাড়া আর কিচ্ছু করছ না! অস্বীকার করতে পার দুজনের মিলিত দায়িত্বের ওয়ান থার্ডও তুমি নাও না—তুমি আমাকে তোমার স্যালারির যে অংশটা দাও তাতে কী হয়? হয় কিছু? আমার ভরণপোষণ তো দূরের কথা, তুতুর আর তোমারও কী হয়? হয় না!

    —আমি যেমন উপার্জন করি, তুমি সেই স্ট্যান্ডার্ডে চললেই হয়। দ্যাট য়ু ওন্ট ডু, য়ু অ্যামবিশাস বিচ।

     

     

    পাথরের মতো বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল তিলক। অন্যের কথা এভাবে শোনা ঠিক নয়, সে জানে, কিন্তু পারছে না। জয়িতাদি, মাথার ওপর ঝুড়ি চুল, ঈষৎ চৌকো মুখের অত ব্যক্তিত্বসম্পন্ন জয়িতাদি যিনি নিজের মারুতি এইট হানড্রেড চালিয়ে য়ুনিভার্সিটিতে আসেন, যাঁর ডক্টরেটের থিসিস বাজারে বই হয়ে বেরিয়ে গেছে, তিরিশ থেকে শুরু করে নব্বুই দশক পর্যন্ত যাঁর উপন্যাসের আলোচনাগ্রন্থ প্রবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেই তাঁকে তাঁর স্বামী—বিচ বলছেন? অ্যামবিশাস বিচ? আর সে শুনবে না!

    —মাইন্ড ইয়োর ল্যাংগুয়েজ সুপ্রতীক। হোয়াট ডু য়ু মিন বাই ইওর স্ট্যান্ডার্ড? মদ সিগারেট আর আড্ডা মারার খরচ সামলে কত টাকা তুমি আমাকে দাও? নিম্নবিত্তের সংসারও আজকালকার দিনে আর ওতে চলে না। আর অ্যামবিশন নিয়ে প্রায়ই তোমায় বক্রোক্তি করতে শুনছি। ব্যাপারটা কী বলো তো? আমি তো তোমার মতো পলিটিক্স করি না, লবি-টবিও জানি না। নিজের ক্ষমতায় পড়াশোনা করে কিছু অর্জন করলে, মানুষের সম্মান শ্রদ্ধা পেলে সেটাকে ঘৃণা করতে হবে? অ্যামবিশন? আমি কি তোমার মতো প্রেমিকার নোট্‌স পড়া ফার্স্ট ক্লাস?

    একটা চাপা গর্জন, একটা অদ্ভূত আওয়াজ, আর ‘উঃ’ বলে একটা ক্রুদ্ধ কাতর চিৎকার শুনতে পেল তিলক। সুপ্রতীকবাবু কি জয়িতাদিকে মারছেন? মারছেন একজন ফার্স্ট ক্লাস কলেজের প্রোফেসর তাঁর স্ত্রীকে যিনি য়ুনিভার্সিটির বিভাগীয় প্রধান? সম্ভব? এটা সম্ভব? সে এখন কী করবে? পালিয়ে যাবে এখান থেকে? সেটা কাপুরুষতা হবে না? আর যদি থাকে? যদি ঢোকে? সেটাও তো হবে পরের ব্যাপারে নাক গলানো। খুব তাড়াতাড়ি চিন্তাটা করছিল সে। এখন মন স্থির করে জোর বেল দিল। রিং রিং রিং রিং রিং। এতক্ষণ কোনও সভ্য মানুষ আরেক সভ্য মানুষের বাড়িতে বেল টেপে না।

     

     

    দরজাটা খুলল বেশ একটু পরে। সামনে সুপ্রতীকবাবু। মুখটা লাল, চোখ দুটো দপদপ করছে। কিন্তু শান্ত গলায় জিজ্ঞেস করলেন—কী ব্যাপার? আবার ফিরে এলে যে?

    —ম্যাডামকে একটা কথা জিজ্ঞেস করতে ভুলে গেছি।

    —পরে জিজ্ঞেস করলে হয় না? শী ইজ বিজি নাও।

    —অনেক দূরে থাকি সার, প্লিজ একবার ডেকে দিন।

    সুপ্রতীকবাবু ভেতরে চলে গেলেন। কিছুক্ষণ পর জয়িতাদি এলেন, দেখলেই বোঝা যাচ্ছে, মুখে চোখে জল দিয়েছেন। শাড়ির সামনেটা ভিজে। চুলে বোধহয় একবার চিরুনিও চালিয়ে এসেছেন। মারটা কি চুল ধরেই হয়েছিল?

    —কী ব্যাপার? তিলক? একই প্রশ্ন দুজনে করলেন দুভাবে। সুপ্রতীকবাবু করেছিলেন রীতিমতো ক্রুদ্ধ গলায়। অভদ্রের মতো। জয়িতাদির প্রশ্নটায় সামান্য বিরক্তি। খুব সামান্য। কিন্তু গলার একটা থির থির কাঁপুনি তিলক টের পেল।

     

     

    সে বলল—ম্যাডাম, আপনি অমৃতার ঠিকানাটা কিন্তু আমায় দিতে ভুলে গেছেন।

    —ঠিকানাটা প্যাকেটের ওপরই লেখা আছে। দেখো!

    —ও, একটু ভেতরে আসতে পারি ম্যাডাম?

    —এসো, আমি আসলে এক্ষুনি বেরিয়ে যাচ্ছিলাম।

    —একটু ডিরেকশনটা জেনে নিতাম।

    —ও, তুমি ওদিকটায় যাও না, না? গড়িয়াহাটের মোড় আসবার দু-তিন স্টপ আগে রাস্তাটা, ওখানটায় একটু জিজ্ঞেস করে নিও। ফিরতে গিয়ে আবার মুখোমুখি হলেন উনি তিলকের। বললেন—অনেকটা চলে গিয়েছিলে, না?

    তিলক বুঝল উনি নিশ্চিন্ত হতে চাইছেন। সে বলল—অনেকদূর, প্রায় ওই আইল্যান্ড পর্যন্ত, ছুটতে ছুটতে আসছি। সেই জন্যেই…

     

     

    কথা শেষ না করে হঠাৎ তিলক তার স্বভাববিরুদ্ধভাবে জয়িতাদিকে একটা প্রণাম করল। উনিও অবাক হলেন। তিলকও। সে আর দাঁড়াল না। পেছন ফিরে প্রায় ছুট লাগাল।

    এই সব দাম্পত্য-কলহে কথায় কথা বেড়ে যায়, সে জানে। পরস্পর পরস্পরের প্রতি তীক্ষ্ণ বাণ নিক্ষেপ করে। করতে করতে এক সময়ে ব্রহ্মাস্ত্রের আগুন বেরিয়ে আসে। একেবারে বধ। এটা সে দেখেছে। এতটা দেখেনি। কখনওই না। কল্পনাও করতে পারে না। কিন্তু এর ছোট সংস্করণ বাড়িতে দেখেছে। কোনও বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হল। মা বাবাকে ঠেস, বাবা মাকে ঠেস। তারপরই বাবা অবধারিতভাবে মায়ের বাপের বাড়ির নিন্দা আরম্ভ করবে। ব্যাস ক্রোধ আর কষ্ট চোখের গরম জল হয়ে বেরিয়ে আসবে। মা খাবে না। বাবা বলবে একদিন না খেলে কিছু হয় না। তারা মাকে সাধবে। মা কিছুতেই উঠবে না। তিলক বিরক্ত মুখে বলবে—‘তোমরা যা ইচ্ছে করো, আমার ভীষণ খিদে পেয়েছে, আমি খেয়ে নিচ্ছি।’ পরের দিন ঈষৎ গম্ভীর-বিষণ্ণ মুখে মায়ের অবতরণ, বাবার নির্দেশ—জলখাবার না খেয়ে মা যেন কোনও কাজ না করে…ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু উচ্চশিক্ষিত বাড়িতে এত ভদ্র মার্জিত, উচ্চকোটির ব্যাপার এঁদের, সল্টলেকে ছবির মতো বাংলো বাড়ি, বাইরের লনে একটি ফুটফুটে কিশোরী মেয়েকে দেখা যায় অনেক সময়েই। এইখানে ‘য়ু অ্যামবিশাস বিচ?’ এইখানে একজন প্রোফেসর স্বামী আরেকজন প্রোফেসর পত্নীকে মারেন?

     

     

    বাসে বাড়ি ফিরতে ফিরতে তিলকের মাথায় শুধু এই চিন্তাই ঘুরছিল। তার বাবা পদে ফোরম্যান, বিদ্যায় ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ার, মা বি.এ পাসকোর্স। তাঁরা পর্যন্ত ঝগড়াকে মারামারি পর্যন্ত গড়াতে দেননি। আর এঁরা? জয়িতাদিই বা কী? ওই ভদ্রলোককে অমনি বিঁধিয়ে বিঁধিয়ে না বললেই কি চলছিল না? তবে সত্যিই যদি ভদ্রলোক পলিটিক্স করেন, মদে সিগারেটে আড্ডায় নিজের উপার্জন বেশিটাই খরচ করে ফেলেন, স্ত্রীকে গোটা সংসার চালাতে হয়, তবে এসব কথা উঠতেই পারে। উপরন্তু, ওই নোট্‌স নিয়ে আদেশজারি? জয়িতাদির নোট্‌স তিনি কাকে দেবেন, তিনি বুঝবেন? সার কেন খবরদারি করতে আসেন? ওঁদের কথায় বোঝা যায় কোনও এক সময়ে ওঁদের প্রেম-পর্ব চলাকালীন জয়িতাদি তাঁর নোট্‌স দিয়ে সারকে সাহায্য করেছিলেন। তার ফলেই সার ফার্স্টক্লাস পান। কিন্তু তারপর থেকে আর কিছুই করেননি। অথচ ওঁর স্ত্রী করে চলেছেন—এই নিয়েই অশান্তি।

    হঠাৎ একটা কথা তিলকের মাথায় খেলে গেল। ওঁদের কথাবার্তা থেকে এটা খুব পরিষ্কার, যে এই প্যাকেটে যা আছে তা হল নোট্‌স। অত্যন্ত মূল্যবান। এগুলো জয়িতাদির করা। এগুলো দেখবার লোভ সে সামলাতে পারছে না, পারবে না। হঠাৎ জয়িতাদিদের বাড়ির গোলমাল-অশান্তি, সুপ্রতীকবাবুর অভব্য আচরণ সব হুড়হুড় করে পেছনে সরে যেতে লাগল। সে জায়গায় সামনে যেন সমুদ্র মন্থন করে ঊর্বশীর মতো উঠে এল অপরূপ রূপবতী এক নগ্নিকা—নোট্‌স। জয়িতা ভাদুড়ি ভূতপূর্ব জয়িতা রায়ের রেকর্ড মার্কস পাওয়া নোট্‌স।

     

     

    বাড়ি ফিরতে তিলকের আর তর সইছিল না। পথে আর একবার বৃষ্টি নামল। নোট্‌স-এর প্যাকেট পলিথিন-কাগজে মোড়াই ছিল, তবু সে দাঁড়িয়ে গেল একটা দোকানে। অনেক লোক জড়ো হয়েছে দোকানটায়। ছাতা গুটিয়ে সব দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছে। বৃষ্টিটা দেখাচ্ছে ঘন কুয়াশার মতো। কুয়াশা স্থির থাকে, বৃষ্টিজনিত কুয়াশাটা খালি অস্থির। বাঁদিক থেকে ডানদিকে সরে যাচ্ছে। তার পেছনে আর একটা কুয়াশার পরদা। সেটাও সরে যাচ্ছে একইভাবে। তার পেছনে আর একটা।

    একজন বললেন—সব কেলো হয়ে গেল, বুঝলি নিতাই। সন্ধেবেলা তেরপল তছনছ হয়ে যাবে। তার তলায় তোর ম্যারাপে জল ঢুকে গিয়ে রং ধেবড়ে জঘন্য একটা ব্যাপার হবে। সাতশো লোক নেমন্তন্ন হয়েছে। তিনশোও হলে হয়।

    নিতাই নামধারী বললেন—এ-ও হতে পারে দ্বিজুদা, এই দিনের বেলা বিষ্টিটা হয়ে আকাশটা ক্লিয়ার হয়ে গেল। সন্ধেবেলাটা ঠাণ্ডা, সাতশো না হোক ছশো নব্বুই জন লোক আরামে এসে গেল।

    দ্বিজুদা বললেন—সবই নির্ভর করছে তোর এই বোনটা বাদুলে কি না তার ওপর।

     

     

    —বা বা বা বা! বিয়ে ঠিক করবে শ্রাবণ মাসে, বিষ্টি হলেই কনের দোষ…

    —ও দাদা একটু চেপে দাঁড়ান না…আর এক ব্যক্তি উঠে এলেন।

    —দাঁড়ানোর আর জায়গা নেই, দেখতেই তো পাচ্ছেন।

    —একটু মাথাটা বাঁচাতে দিন। অবস্থা দেখুন না…চশমা পুরো ঝাপসা-এক বিন্দুও দেখতে পাচ্ছি না।

    —কই জামাইকে তো তোমরা বাদুলে-টাদুলে বলো না!

    —পিতৃতান্ত্রিক, দ্বিজুদা বললেন, বুঝলি না পিতৃতান্ত্রিক সমাজ, সবটাতেই মেয়েদের দোষ ধরে।

    —ধরে আবার কী! ধরি বলো।

    একজন জনান্তিকে আর একজনকে বললে—একে বৃষ্টিতে ছয়লাপ৷ এদিকে আবার নারীবাদের আলোচনা ধরেছে। হাড়ে দুব্‌বো গজিয়ে দেবে আজ।

     

     

    —আঃ ঠেলছেন কেন? পড়ে যাব যে!

    —দেখুন, এখানে ঠেলাঠেলি একটু হবেই। দশজনের জায়গায় কুড়িজন দাঁড়িয়েছে, আমি আপনাকে ঠেলছি না।

    —তবে আমি ঠেলিত হচ্ছি কী করে?

    —আজ্ঞে, ভিড়ের স্বাভাবিক চাপের জন্যে।

    আর একজন বললেন গোটা দেশটারই তো অবস্থা তাই দাঁড়িয়েছে। ধরো পঁচিশ কোটি লোক খেয়ে-পরে শুয়ে-বসে আরাম করে থাকতে পারে, সে জায়গায় যদি নিরানব্বুই কোটি লোক হয়ে পড়ে, তো সবেতে টান ধরবেই, সবেতেই ঠেলাঠেলি…

    এই ঠেলাঠেলির মধ্যে দাঁড়িয়ে তিলক ভাবছিল—হাঃ হাঃ হাঃ তোমরা জানো না, এই উতলধারা বাদল ঝরে’র মধ্যে সাত কোটি নিরানব্বুই কোটির ঠেলাঠেলির মধ্যে একজন জাস্ট একজন দ্যাট চোজ্‌ন ওয়ান দাঁড়িয়ে আছে, যার হাতে-নাতে উর্বশী। জয়িতা রায়ের নোট্‌স৷

    এই সময়ে বৃষ্টিটা একটু ধরল। অনেকেই নেমে গেল। তিলকের ছাতা নেই। ছাতা আবার তার বয়সের ছেলে কবে ব্যবহার করে? কিন্তু আজ সে কোনও ঝুঁকি নিল না। একটা বুড়ো পাকশিটে মতো রিকশাঅলার রিকশায় নির্লজ্জের মতো উঠে বসল। বসেই বলল, এই হ্যাট্‌ হ্যাট্‌।

    রিকশাওলা তার ঠোঙার মতো পলিথিনের কভার-এর ঘোমটা সরিয়ে খিঁচিয়ে উঠল—হ্যাট্‌ হ্যাট্‌ বলছেন কেন? রিকশা চালাই বলে কি আমাদের জান-মান নেই?

    তিলক মনে মনে একটা জিভ কেটে বলল—না রিকশাদাদা, কিচ্ছু মনে করবেন না, এই জলে আপনাকে পেয়ে আমার মনে হয়েছিল যেন পক্ষীরাজ ঘোড়া পেয়েছি একটা।

    এ কথায় কিছুমাত্র সান্ত্বনা পেল না লোকটা। থুক করে একদলা থুতু ফেলল জলের মধ্যে। কোথায় যাবেন?

    —আমহার্স্ট স্ট্রিট। এই আর একটু ভাই।

    —আমহাস ইস্টিট অনেকটা।

    —আরে না না, বেশিদূর না। বৈঠকখানার একটু আগে।

    —তিরিশটা টাকা দিতে হবে কিন্তু।

    —তিরিশ? আচ্ছা পঁচিশ দেব।

    রিকশাঅলা ঠুং-ঠুং করতে করতে জল ভাঙতে লাগল।

    বাদলের শেষ দুপুরে মাথা মুছে, জামাকাপড় পাল্টে এক কাপ চায়ের জন্যে রান্নাঘরের দিকে গেল তিলক। মা অঘোরে ঘুমোচ্ছে। কাজের মাসি মিনু তাকে দরজা খুলে দিয়েছিল, সে মিনতির সুরে বলল—মিনুমাসানি একটু চা করে দেবে? বড্ড ভিজেছি ডিয়ার।

    মিনু মাসানিটা শুনলে মিনু মাসি কেন যেন বড্ড খুশি হয়। সে হাসিমুখে ভ্রূকুটি করে বলল—সে তো বুঝতেই পারছি, কিন্তু ডিয়ার ফিয়ার বললে দোব না।

    আচ্ছা—ডিয়ার নয়, সুদ্ধু মাসানি। প্লিজ এক কাপ নয়, এক গ্লাস। মানে গেলাস।

    কোণের ঘরে সে পড়ে। ছোট্ট ঘরটায় টেবিলে বইয়ের গাদা অগোছালো হয়ে আছে। দেওয়ালে একটা শ্রীরামকৃষ্ণের ছবি। সে কপালে হাত ঠেকিয়ে বললে—জয় বাবা দক্ষিণেশ্বরের পাগল ঠাকুর।

    ঊর্বশীর ঢাকনা খুললে সে।

    প্রিয় অমৃতা,

    এতদিনে নিশ্চয় বুঝেছ, তোমাদের জয়িতাদিকে যা ভাবতে তিনি তা নয়। কঠিনকঠোর নয়, তিরস্কারপ্রবণ নয়, ছাত্রদের কাছ থেকে প্রাইভেট কোচিং-এ টাকা কামিয়ে বাড়ি-গাড়ি করার মতলবে ক্লাসটাকে অবহেলা করার ইচ্ছাও তাঁর নেই। তুমি এমন একটা পরিস্থিতিতে পড়েছ, যখন তোমায় আর ছাত্রী, শুধু ছাত্রী বলে মনে করতে পারছি না। তোমার এই ঘটনা আমার ভিতসুদ্ধ নাড়িয়ে দিয়েছে। তুমি অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় স্বামীর দ্বারা ক্লোরোফর্মড হয়ে নার্সিংহোমে প্রেরিত হয়েছিলে, একটা সম্পূর্ণ সুস্থ মায়ের সুস্থ ভ্রূণকে বিনা কারণে অকালে নষ্ট করার জন্য, সম্পূর্ণ তোমার সম্মতি ছাড়া? এটা জানবার পর থেকে আমার রাতের ঘুম চলে গেছে। অমৃতা, আমার দ্বিতীয় সন্তানকে আমি এমনিভাবেই হত্যা করেছিলাম। তখন আমাদের জীবনের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সময়। সল্টলেকের জমিতে বাড়ি শুরু হয়েছে। ঋণ নিয়ে গাড়ি কিনেছি। মেয়েকে অত্যন্ত দামি স্কুলে ভর্তি করেছি। আমার স্বামী যখন বললেন এ সম্ভাবনা বিনষ্ট করতে, ভয়ে চমকে উঠেছিলাম। তারপর ভেবে দেখলাম—আমার আর কোনও সহায়সম্বল নেই, নিজের মেধা এবং পরিশ্রম করবার শক্তি ছাড়া। স্বামী অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন, বুঝতেই পারছ কেন বিবাহিত দম্পতির পরিকল্পিত জীবনে অনাকাঙ্ক্ষিত সন্তান আসে। দায় সম্পূর্ণ তার। সেই সে, অনায়াসে অবলীলায় নিজের সন্তানকে গর্ভে হত্যা করতে চাইছে, অর্থাৎ এর আর্থিক দায়িত্বও সম্পূর্ণ, সম্পূর্ণ একা আমার। তখন ভয়ে দুশ্চিন্তায় দিশাহারা হয়ে এম.টি.পি করাই, তখন অ্যাক্ট পাস হয়ে গেছে। অমৃতা, তখন সে সবে অঙ্কুরিত হয়েছে। জানি না তার লিঙ্গ। কিন্তু যা-ই হোক সে, আমার কাছে সে স্বাগত ছিল। জানি সে শুধু সম্ভাবনার তৃণাঙ্কুর। তবু তারপর থেকে সে আমার দিনে-রাতে আমার চেতনা-অচেতনায় পেছু নেয়। অকাল-মৃত পিটার প্যানের মতো সে জানলার কার্নিশে বসে আমার দিকে তার শিশু চোখ মেলে থাকে, বলে, মা তুমি আমায় নিলে না? মা, তুমি আমার জন্যে কাঁদবে না মা? আমি তাকে নিইনি, কিন্তু তার জন্য বোধহয় আমরণ কাঁদব। তোমাদের ক্লাসে লেকচারের সময়েও সে হঠাৎ-হঠাৎ পেছনের বেঞ্চে এসে বসে থাকত। তখন আমি কথা খুঁজে পেতাম না। চোখে সব অন্ধকার দেখতাম। পড়তে গিয়ে আজকাল অনেক সময়ে বুঝতে পারি যে কিছু বুঝতে পারছি না। যেন গ্রীক ভাষা, লাতিন ভাষার গ্রন্থ খুলে বসে আছি। আমার সেই একান্ত নিভৃত জায়গা থেকে অমৃতা আমি তোমায় নমস্কার করছি। তোমার অবস্থানও আমার থেকে খুব ভিন্ন ছিল না। কিন্তু তুমি তাকে স্বাগত করছ, করতে গিয়ে মৃত্যুর মুখোমুখি গিয়ে দাঁড়িয়েছিলে। অমৃতা তোমার ভাল হোক। আজ থেকে, এখন থেকে আমি তোমার দিদি, দিদিও নয়, হয়তো বন্ধু। আমার কাছে তোমার দুয়ার খোলা। আমারই জন্য।

    জয়িতাদি।

    তিলক পাতা উল্টোল। ফিফথ্‌ পেপার রবীন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রনাথ উল্টে যাচ্ছে, উল্টে যাচ্ছে, সিক্সথ্‌ পেপার থিয়োরি, থিয়োরি উল্টে যাচ্ছে, উল্টে যাচ্ছে, সেভেনথ্‌ পেপার মধ্যযুগ, আধুনিক যুগ, এইটথ্‌ পেপার। প্রত্যেকটি টেক্সট ধরে খুঁটিনাটি আলোচনা, প্রশ্নোত্তর, দীর্ঘ রচনা, পড়তে পড়তে তিলকের আর দিনরাত জ্ঞান রইল না। গভীর কোনও উপন্যাস, কিংবা পাতায় পাতায় ছড়ানো কোনও মগ্ন কবিতা, কিংবা সরস আলোকিত নিবন্ধের মতো রসময় সে সব। বুদ্ধির দীপ্তিতে উজ্জ্বল। মননে, হার্দ্য গুণে গভীর, ভাষার ওজস্বিতায়, সংক্ষিপ্ততায় আদ্যন্ত চমক সৃষ্টি করা।

    সে বুঝতে পারল কেন জয়িতা বাগচি গত পঁচিশ বছরের শ্রেষ্ঠ ছাত্রী হিসেবে বিবেচিত, পুরস্কৃত। কেন তিনি সমস্ত য়ুনিভার্সিটি পলিটিক্স, পার্টি পলিটিক্সকে মাথা হেঁট করিয়ে তাঁর আসনে বসেছেন। এ-ও সে বুঝতে পারল—কেন জয়িতাদির আরও আরও কোনও উজ্জ্বল উত্তরণ ঘটছে না।

    তারপরে তার চৈতন্যের মধ্যে যেন একটা বোমা ফাটল। মাসিক পাঁচশো টাকা দিয়ে সে জয়িতাদির কাছে পড়তে যায়, কিন্তু এর সিকি ভাগও তিনি কোনওদিন তাকে বা আর কাউকে দেননি। প্রচণ্ড ক্ষোভ, আক্রোশ হল তার একটা। তখন রাত নটা। সে ছুটল নোট্‌স ফটোকপি করাতে। বহু রাত অবধি খোলা থাকে নিখিলদার জেরক্স কাম এস.টি.ডি. বুথ। নিখিলদা বললেন—রেখে যা। কাল বিকেলে দেখি শেষ করতে পারি কি না।

    সে বলল—তা হবে না নিখিলদা, যতটা আজ পারেন করে আমায় দিন, রেখে আমি যাব না।

    পর দিন বিকেলের মধ্যে যখন সব হয়ে গেল, মার কাছ থেকে চেয়েচিন্তে নেওয়া কড়কড়ে তিনশো টাকার তিনটে নোট সে তুলে দিল নিখিলদার হাতে। তার পরে আবার বিশদ পড়া। আসলগুলো আগের মতোই পর্বে পর্বে স্টেপ্‌ল করা, যাতে কিছু বোঝা না যায়। অমৃতার প্রতি জয়িতাদির চিঠিটা আলাদা কোনও খামের মধ্যে ছিল না, ছিল নোটসগুলোর সবচেয়ে প্রথম পাতায়, যেন সেটা কোনও মুখবন্ধ। নান্দীমুখ। তারপর আবার শুরু করল বিশদে পড়া। নকলগুলো। দেখবার জন্যে যে সব ঠিকঠাক বোঝা যাচ্ছে কি না।

    পরিষ্কার গাঢ় কালো কালি দিয়ে পরিচ্ছন্ন হস্তাক্ষরে লেখা। কেনই বা তার ফটোকপি খারাপ হবে? কিন্তু এইবার তিলক আবছাভাবে বুঝতে পারল কেন এ নোট্‌স জয়িতাদি তাদের দেননি। তারা কেউ এর সদ্ব্যবহার করতে পারবে না। এগুলোর সঙ্গে যেই নিজেদের কথা, নিজেদের রচনা, একটা বাক্যও ঢোকাতে যাবে, তেলে জলে মিশ খাবে না। এসব তাদের জন্য নয়। অনেক পড়াশোনা থাকলেই এগুলো ব্যবহার করা যায়। অমৃতাকেই বা কেন দিয়েছেন? অমৃতা-ও সে দরের ছাত্রী নয়। সে-ও এগুলো ব্যবহার করতে পারবে না বলেই তার ধারণা, জয়িতাদি এগুলো ওকে দিয়েছেন অভিনন্দন, অভিবাদন, শ্রদ্ধা, শ্রদ্ধামিশ্রিত ভালবাসা জানাবার জন্য। সে সময়ে তাঁর অধ্যাপকী বিচারবৃত্তি কাজ করেনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউজান-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article একুশে পা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Our Picks

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }