Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অমৃতা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প305 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমৃতা – ১৮

    ১৮

    পরের দিন যখন সে এসপ্লানেডে এসে পাতাল রেল ধরল, তার মনে হচ্ছিল সে যাচ্ছে এক দুঃসাহসিক অভিযানে। কতদিন পরে দেখবে অমৃতাকে। অমৃতার প্রতি যে তার বিশেষ কোনও টান আছে তা নয়। আজকাল সমপাঠিনীরা সমপাঠীদের বিশেষ পাত্তা দেয় না। খুব চালাক-চতুর হিসেবি হয়ে গেছে মেয়েগুলো। আগে কত শোনা যেত ক্লাস-বন্ধুদের রোমান্টিক প্রেম, রোমাঞ্চকর বিয়ে। ধুস্‌স্‌। মেয়েরা দেবে বাংলার অর্ডিনারি ছেলেকে পাত্তা? ওদের সঙ্গে সম্পর্ক বিশুদ্ধ বন্ধুত্বের, বন্ধুত্বও নয়, ক্লাস-বন্ধুত্বের। ওই একটু ক্যান্টিন কি কফিহাউজে হইচই। নোট্‌স আর বই দেওয়া নেওয়া, লাইব্রেরিতে চেইন-সিস্টেম তৈরি করে রাখা। শর্মিষ্ঠা ফেরত দিলে দোলা নেবে, দোলা ফেরত দিলে তিলক নেবে, তিলক ফেরত দিলে চঞ্চল। এইরকম। এক বেঞ্চে পাশাপাশি বসে সেন্টের গন্ধ পায় ছেলেরা, কিন্তু কোনও রকম সেন্টু দেওয়ার ধারকাছ দিয়ে যায় না। অমৃতা আবার তার ওপর বিবাহিত মেয়ে। কিন্তু তিলকের এটা বরাবরই মনে হয়েছে অমৃতা একটু আলাদা। বড্ড যেন ঋজু, মেয়েলিপনা কম, বড্ড বেশি ওর আত্মবিশ্বাস, পরীক্ষার ফলাফলে ওর হেলদোল সবার থেকে কম। অথচ ওরা সবাই জানে, অমৃতাও ওদেরই মতো একটা কেরিয়ার চায়। প্রয়োজন অনুভব করে। এম.এ. পার্ট ওয়ানে শর্মিষ্ঠার ফার্স্ট ক্লাস এসেছিল, তিলক এগারো নম্বর কম পায়, অমৃতা মিস্ করে মোটে তিন নম্বরের জন্যে। হেলায় বলে দিল পার্ট টু-তে মেক-আপ দেবার চেষ্টা করব। দেব নয়, চেষ্টা করব।

    —তোর আফসোস হচ্ছে না? দোলা জিজ্ঞেস করে।

    —দূর! আফসোস করে হবেটা কী? ফিরবে আর রেজাল্টটা?

    দোলা পঞ্চান্ন পার্সেন্টও রাখতে পারেনি। কেঁদে কেটে একসা করছিল। অমৃতা ওকে প্রায় ধমক দিয়ে থামিয়ে দেয়।

    —করছিস কী দোলা, তুই কি এখনও স্কুলের ছাত্রী? খালি ক্যাসেট বাজিয়ে আর লেট-নাইট মুভি দেখে সময় কাটাবি, আর রেজাল্ট বেরলেই কাঁদবি?

    —বেশ, আমি নষ্ট করি আমার সময়, তোরটা তো আর করি না! তোর কেন এক্সপেক্টেড রেজাল্ট এল না? তুই কী করছিলি?

    —আমি? আমি এই রেজাল্টই আশা করিনি। আর আমার সময় কী করে কাটে একদিন তোকে তার হিসেব দিয়েছিলাম, হারিয়ে ফেলেছিস হিসেবের খাতাটা?

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই
    অনলাইনে বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের তালিকা
    বই
    বই পড়ুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা সাহিত্য

     

    এরপর দোলা চুপ করে গিয়েছিল। তিলক বলেছিল—ঠিক আছে তুই আশাতীত রেজাল্ট করেছিস। সময় পাস না পড়বার। তো তোর পেপারে পেপারে এত তফাত কেন?

    —যেটা ভাল লাগে না সেটা আসলে আমি পড়তে পারি না। যা হোক করে সেরে দিই। বোধহয় এই জন্যেই…

    —জানিস যদি তো চেষ্টাটা ঠিকভাবে করলেই পারিস!

    —দূর। যেটা ভাল লাগে সেটাই পড়ে শেষ করতে পারি না!

    সেই অদ্ভূত মেয়ে অমৃতার আস্তানায় সে যাচ্ছে আজ। যথাসম্ভব গোপনতা অবলম্বন করে। কাউকে বলতে বারণ করে দিয়েছেন জয়িতাদি।

    তখন বিকেল বেশ গাঢ় হয়ে উঠছে। বর্ষার গুমোট ভেঙে একটা মেঘলা হাওয়া দিচ্ছে। কালীঘাট স্টেশনে নেমে সে গড়িয়াহাটের অটো নিল একটা। মোড়ের আগে নেমে পড়ল। এইবার খুঁজতে হবে রাস্তাটা। এমন সময়ে সে দোলাকে দেখল। দোলা একটা ট্যাক্সি থেকে নামল। ট্যাক্সিটা তার পাশ দিয়েই বেরিয়ে গেল। ভেতর থেকে একটি যুবক মুখ বার করে হাত নাড়ছে তখনও দোলার দিকে তাকিয়ে। দোলাও দাঁড়িয়ে পড়েছে। আজ ও ক্লাসে আসেনি। এইরকম কামাই করে প্রায়ই। তিলক প্রায় চেঁচিয়ে ডাকতে যাচ্ছিল—দোলা! এই দোলা! হঠাৎ তার মনে পড়ে গেল তার অভিযানের গোপনতার কথা। সে সুট করে বাসন্তীদেবী কলেজের দেওয়ালে সেঁটে গেল, দোলা কেমন দুলতে দুলতেই রাস্তা পার হল। ওদিকে গিয়ে বোধহয় বাস ধরবে কসবার। অটো-ফটোও ধরতে পারে। কে জানে কোথা থেকে কোথায় অটো চলে এদিকে। ছেলেটা কে? বেশ মডেল মডেল দেখতে। স্টাইলিশ। ট্যাক্সিতে এখানে দোলাকে নামিয়ে দিয়ে মডেল কেন হুশ্‌ হয়ে যায়? দোলার বয়ফ্রেন্ড না কি? ক্লাস কেটে এর সঙ্গে ঘুরছে দোল দোল দুলুনি! ঘোর বাবা ঘোর। তোরাই ঘোর। বড়লোকের মেয়ে, ব্যাগ-ভর্তি পয়সা-টাকা ঝনঝনিয়ে আসিস। প্রায়ই খাওয়াস ক্লাস-বন্ধুদের। কেরিয়ারের ভাবনা নেই। মডেল বয়ফ্রেন্ডও নিশ্চয় চাকরি-বাকরি ভালই জুটিয়েছে। জীবনের যা কিছু মজা তোরাই লুঠে নে রে দোলা। তিলকদের জন্যে আছে খালি বাবার প্রাণপণ উপার্জনের পাঁচশো টাকা মাস-মাস খরচ। আবার তিনশো টাকা দিয়ে অন্যের নোট্‌স চুরি।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা সাহিত্য
    ডিকশনারি
    লেখকের বই

     

    বাড়িটা খুঁজে পেতে বেশ সময় লাগল। একটা রাস্তা আরেকটা রাস্তার সঙ্গে কাটাকুটি খেলছে এখানে বারবার। এদিকে যাবে? না ওদিকে? এদিকটাও ডোভার লেন। ওদিকটাও ডোভার লেন। লোককে এদিক ওদিক জিজ্ঞেস করতে করতে সঠিক ঠিকানায় এসে যাবার পর বন্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে তিলক কুলকুল করে ঘামতে লাগল। এই সবুজ দরজা তো শুধু একটা দরজা নয়, একটা রহস্যের ঢাকনা। মিসেস শিবানী দত্ত। কে ইনি? অমৃতার বাড়ি সল্টলেক করুণাময়ীতে। সেখানে থাকছে না অমৃতা। ওই শিবানী দত্ত কি ওর মাসি-পিসি জাতীয় কেউ হবেন? ওরা গোস্বামী মানে ব্রাহ্মণ। তবে কি আর ব্রাহ্মণদের কায়স্থ মাসি-পিসি হয় না? হতেই পারে। সে বেল টিপল। হাতটা বেশ কেঁপে গেল। একটু পরে দরজা খুলে গেল।

    —কাকে চাই?

    —মিসেস শিবানী দত্তর সঙ্গে একটু দেখা করব।

    এই সময়ে ভেতরের কোনও ঘরে শাঁখ বেজে উঠল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    PDF
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাইশে শ্রাবণ
    গল্প, কবিতা
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ

     

    —ভেতরে আসুন।

    যে ঘরটাতে বসতে দিল মেয়েটি সেটা একটা বৈঠকখানা ঘর। কিন্তু সোফাগুলোর ওপর ডাস্ট-কভার পরানো। বোঝাই যায় খুব বেশি বাইরের লোকের আনাগোনা নেই এখানে। কেমন একটা ধুলো-ধুলো গন্ধ। বদ্ধ ঘরের আবহাওয়াটা। মেয়েটি সুইচ টিপে দিতেই টিউববাতি উলঙ্গভাবে আছড়ে পড়ল আধময়লা ঘরটার ওপর। পাখা চলতে ক্লিক-চিক করে একটা শব্দ হতে লাগল, ক্যানোপিটাতে লাগছে বোধহয়। একটু পরে এক দোহারা চেহারার ভদ্রমহিলা ঢুকলেন। কালো নকশা-পাড় শাড়ি পরা। কালো ব্লাউজ, বেশ ফিটফাট।

    —তুমি…তোমাকে তো…

    —আমার নাম তিলক মজুমদার। আমি অমৃতার য়ুনিভার্সিটির বন্ধু।

    —অমৃতা? কে অমৃতা?

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বুক শেল্ফ
    পিডিএফ
    ডিকশনারি
    বইয়ের তালিকা
    রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি

     

    একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলেও তিলক বলল—জয়িতাদি মানে প্রোফেসর জয়িতা বাগচি আমার হাতে কিছু নোট্‌স পাঠিয়েছেন অমৃতার জন্য। আমি জানি এ ব্যাপারটা গোপন রাখতে হবে। জয়িতাদি বিশ্বাস করে আমাকে দিয়েছেন।

    —বসো একটু। উনি চলে গেলেন।

    একটু পরে কাজের মেয়েটি এসে তাকে ওপরে যেতে বলল। উঠোনের ওপাশে ঢাকা দালানের মাঝ দিয়ে সিঁড়ি উঠে গেছে। মেয়েটি সিঁড়িটা দেখিয়ে দিয়েই চলে গেল।

    সিঁড়ির ঠিক মাথায় অমৃতা দাঁড়িয়েছিল। তিলক বিস্ময়ে, ধাক্কায় আর একটু হলেই পড়ে যাচ্ছিল। অমৃতার বুকের তলা থেকে উঁচু হয়ে উঠেছে পেট। তাকে এত অন্যরকম দেখাচ্ছে যে তিলকের প্রথম ধাক্কায় চিনতে অসুবিধে হয়েছিল। খুব তাড়াতাড়ি তার মনে পড়ল জয়িতাদির চিঠিতে অন্তঃসত্ত্বা কথাটা। কেমন লাল হয়ে যাচ্ছিল সে।

    —তিলক! তি-লক! তুই এসেছিস? ওঃ আমার কী যে ভাল লাগছে। একেবারে অন্যরকম।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন বুকস্টোর
    রেসিপি বই
    অনলাইনে বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    নতুন বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ই-বই পড়ুন
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল

     

    তিলককে প্রায় হাত ধরে একটা ঘরে নিয়ে গেল অমৃতা। একদিকে তার পড়ার টেবিল। স্তূপীকৃত বই আর খাতা। সব গোছানো৷ চেয়ারের পিঠে একটা তোয়ালে ঝুলছে। একদিকে একটা ডিভান। বড় বড় জানলা দিয়ে হাওয়া আসছে। পর্দা উড়িয়ে।

    তিলক বলল—এই নে, জয়িতাদি এই প্যাকেটটা তোকে দিয়েছেন।

    —কী আছে রে এতে?

    —নোট্‌স। আমার ধারণা।

    —তোরা সব কে কেমন আছিস?

    —ভাল। তুই?

    —আমি? আমি আছি সেই রূপকথার রাজকন্যার মতো রাক্ষসপুরীতে ঘুমিয়ে। সোনার কাঠি রুপোর কাঠি বদল করে আমায় জাগান যিনি, ‘তিনি অবশ্য কোনও রাজপুত্তুর নন। তিনি আমার শিবানী মাসি। আমার ছোটবেলার বন্ধু সম্পদের মা। যাঁকে তুই নীচে দেখলি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    PDF বই
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের
    বাংলা কৌতুক বই

     

    —তোর বিপদ কেটেছে?

    —যতক্ষণ না কেসটা উঠছে, কিছু তো বলা যায় না। ও সব কথা থাক। তোকে দেখে আমার য়ুনিভার্সিটির কথা, কলেজের কথা, ছাত্রজীবনের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে, সেই অ্যাটমসফিয়ারটা তুই বয়ে নিয়ে এসেছিস।

    —তোর ছাত্রজীবন তো চলছে এখনও?

    —না রে, আমি যেন কোনও বয়স্ক বিধবা প্রাইভেট পরীক্ষা দিচ্ছি। আমার কোনও বন্ধু ছিল না। সহপাঠী ছিল না। কোনও টিচার আমায় কোনও দিন…

    —তুই অজ্ঞাতবাসে আছিস তাই। আমরা প্রত্যেকে তোর জন্যে ভাবি। গেলে দেখবি সেই আগের মতো।

    —তোরা তেমনি কফিহাউজে গিয়ে গুলতানি করিস?

    —যাই। গুলতানিটা খুব জমে না। তুই নেই তো।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    PDF বই
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

     

    —বাজে কথা বলিস না তিলক। মন-ভোলানো কথা বলছিস এবার।

    —সত্যি বলছি। মাঝখান থেকে একজন উবে গেলে একটা ভ্যাকুয়াম তৈরি হয়, হাওয়া সেখানে ঢুকতে পারে না।

    —দূর, আমি জানি দোলা খুব খুশি আছে, লাবণি খুব ভাল আছে, শম্পা খুব:..অবশ্য শম্পাকে তো তুই চিনিস না।

    —হয়তো। ওদের কথা বলতে পারি না। আমি খুব, আমার খুব বাজে লাগত। অরিন্দমদা আমাদের আশ্বস্ত করলেন তাই…

    —কে অরিন্দমদা?

    —উনি লাবণির…মানে লাবণির সঙ্গে বিয়ের জন্যে সিঙ্গাপুর থেকে এসেছিলেন।

    —আচ্ছা? লালটু ঘোষ? উনি তো প্রায়ই আসেন এখানে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই ডাউনলোড
    অনলাইনে বই
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    PDF

     

    —সত্যি? আসলে তুই হয়তো জানিস না লাবণি তোর ব্যাপারটার পর খুব ভয় পাচ্ছিল বিয়ে করতে। ওকে আশ্বস্ত করতেই উনি আমাদের নিয়ে ‘উজ্জীবন’-এ ডঃ কার্লেকরের সঙ্গে দেখা করেন। পরে ডঃ কার্লেকর ওঁকে কী বলেছেন জানি না। উনি আমাদের নিশ্চিন্ত থাকতে বলেছেন। তা হলে তোর সঙ্গে ওঁর রেগুলার যোগাযোগ আছে!

    —আরে উনিই তো মা-বাবার খবর আমায় এনে দেন। আমার খবর মা-বাবাকে দেন। তোদের খবরও মোটামুটি…

    —এ সব কিছু কিন্তু উনি আমাদের বলেননি। শুধু বলেছেন ডঃ কার্লেকর তোর ব্যাপারে সব জানেন। ভয়ের কিছু নেই।

    শিবানী মাসি প্রচুর খাওয়ালেন তিলককে।

    পরদিন সকাল আন্দাজ সাতটা। তিলকদের ফোন বেজে উঠল। তিলকই ধরেছিল।

    —হ্যাললো—

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    পিডিএফ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    —তিলককে একটু ডেকে দেবেন।

    —তিলক বলছি।

    —ও, তিলক! আমি অমৃতা। শোন ভাল করে, তুই যা আমায় দিয়ে গেছিস সেগুলো অমূল্য রত্ন। ওগুলো আমি তোর সঙ্গে শেয়ার করতে চাই।

    —সে কী? জয়িতাদি ওগুলো দিয়েছেন তোকে। আমি তো জয়িতাদির কাছে বাড়িতে কোচিং নিই। আমাদেরও নিশ্চয় দেবেন।

    —দিলে ভাল। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে এগুলো স্পেশ্যাল নোট্‌স। উনি আমাকে বিশেষ ভালবেসে, করুণা করে…

    —তবেই দেখ। তোরই জন্যে ওগুলো।

    —ঠিক। কিন্তু তুই আমাকে এগুলো অখণ্ড, অমলিন পৌঁছে দিয়েছিস, তোর আর আমার স্পেশ্যাল পেপার এক। শোন, আমি এগুলো জিরক্স করিয়ে নিচ্ছি, দুটো করে কপি। একটা তোর, একটা আমার…

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    PDF
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    স্বাস্থ্য টিপস
    অনলাইনে বই
    লেখকের বই
    বাংলা বই

     

    এবার তিলক আর থাকতে পারল না। সে অস্ফুট গলায় বলল—অমৃতা, আমি ওগুলো অল রেডি জিরক্স করে নিয়েছি। জয়িতাদির চিঠিটাও পড়েছি। প্লিজ, আমাকে ক্ষমা করিস।

    ও প্রান্তে নীরবতা। কিন্তু তিলক ফোন ছাড়তে পারছে না। একটু পরে সে আবার বলল—বুঝতে পারছি, আমার অপরাধ ক্ষমার যোগ্য নয়। আমি নোট্‌স বুঝে ওগুলো দেখবার লোভ সামলাতে পারিনি রে। চিঠিটা তো কোনও খামের মধ্যে ছিল না। খুলতেই সামনে জ্বলজ্বল করে উঠল। সত্যি কথা বলতে কি যতই ভাবছি ততই মনে হচ্ছে, নোট্‌সগুলো ইউজ করবার ক্ষমতাই আমার নেই। কিন্তু চিঠিটার মর্ম থেকে বোধহয় কিছু শিখতে পারব…

    ও পাশ থেকে ঈষৎ রুদ্ধ কণ্ঠ ভেসে এল—আমি তোর মনটা বুঝতে পারছি। কিন্তু…কিন্তু জে.বি. ওটা দেবার মতো বিশ্বাস একমাত্র তোকেই করতে পেরেছিলেন।—অমৃতা ফোনটা রেখে দিল।

    সারাদিন ছটফট করতে লাগল তিলক। মা, বাবা, দাদা, সবাই লক্ষ করেছেন।

    মা বলল—কী হয়েছে বল তো তোর? কাল বোধহয় সারারাত পড়েছিস। অমন করিস না। অত পড়লে পরীক্ষার সময়ে মাথায় সব গোল পাকিয়ে যাবে।

     

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    বই পড়ুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    লেখকের বই

     

    বাবা বলল—তোর কাছ থেকে অসাধারণ কিছু আশা করে আমরা বসে নেই রে তিলু, তুই নিজেকে বেশি কষ্ট না দিয়ে যতটুকু পারবি, তাতেই হবে।

    দাদা বলল—তা ছাড়া কম্পিউটারও তো শিখছিস। কিছু না কিছু একটা হয়ে যাবে। ঘাবড়াচ্ছিস কেন?

    সবাইকার কথার মধ্যে বাবার কথাগুলোই সবচেয়ে বিঁধল তিলককে। তার কাছ থেকে অসাধারণ কিছু আশা করেন না? কেনই বা আশা করবেন? একটা অর্ডিনারি ছেলের থেকে বেশি কী-ই বা সে? দাদা বেটার। কিন্তু, সব বাবা-মাই নিজের ছেলের কাছ থেকে বড় কিছু আশা করে থাকেন। তার বেলায় সে আশাটুকুও নেই বাবার?

    দাদাই বা কী? কিছু না কিছু একটা হয়ে যাবে? দাদা স্ট্যাটিসটিক্স নিয়ে পড়াশোনা করে ভাল রেজাল্ট করে আই এস আই-তে যোগ দিয়েছে। মাইনে-কড়ি ভাল। তার চেয়েও ভাল তার খাতির। দাদার বিয়ের সময়ে ঘটা করে পাত্রী দেখা হবে। প্রকৃত গৌরবর্ণা, উচ্চশিক্ষিতা ইত্যাদি ইত্যাদি। তার বেলায় জুটবে একটা খেঁদি-পেঁচি। কেউ তার জন্যে তার চেয়ে বেশি আশা করে না তো!

    য়ুনিভার্সিটি যাবার ইচ্ছে ছিল না তার। যাই হোক। কম ক্লাস, এবং জে.বি.-র ক্লাস নেই। সে আড়াইটের সময়ে বাড়ি ফিরে এল। তারপর তিনটে সওয়া তিনটেয় একটা ঝোলা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল। ক্লাসে দোলা এসেছিল আজ। প্রথমটা সে লক্ষই করেনি। পরে হঠাৎ দোলা সামনে দিয়ে যেতে সে দেখল দোলার মুখ চোখ কেমন বসে গেছে। রোগা হয়ে গেছে খানিকটা। কালোও।

    সে কয়েকটা কথা ছুড়ে মারল দোলার দিকে—কী রে? খুব প্যার মারছিস?

    দোলা চমকে ফিরে তাকাল, ওর মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

    —ফ্যাকাশে মেরে গেলি কেন? ভাল তো? প্রেম-ট্রেম তো খুব স্বাস্থ্যকর জিনিস, যে বয়সের যা!

    —এ ভাবে বলার মানে?—দোলার গলায় রাগ।

    —কী আশ্চর্য! দেখলাম মডেল-বাহার এক ছোকরার সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছিস! বলব না?

    —আমার গার্জেন না কি তুই?

    —কখনওই না। তোর বন্ধু, সখা। প্রাণসখা নই অবিশ্যি। তা জোটালি কোত্থেকে?

    দোলা এবার খেপে গেল—ইয়ার্কি মারিসনি তিলক, ভাল হবে না।

    —ভাল তো আমার এমনিতেও হবে না। অমনিতেও হবে না। ইয়ার্কিই তো সম্বল। তো বাড়িতে নুকিয়ে নুকিয়ে, ক্লাস কেটে প্রেম পরীক্ষার মুখোমুখি! খারাপ হলে আবার কাঁদিসনি—ভেউ ভেউ ভেউ।

    তিলক সেখান থেকে তাড়াতাড়ি সরে গেল। লাবণি আর শর্মিষ্ঠা আসছে। পেছনে চঞ্চল। এক্ষুনি বলবে—কী হয়েছে রে দোলা? তখন তিলকের চেয়ে দোলাই বেশি অপ্রস্তুতে পড়বে।

    এখন ডোভার লেনের ঠিকানাটা পরিষ্কার চেনা হয়ে গেছে তার। সে নেমে, একটা দোকানে একটা চিকেন রোল খেল। আর একটা মুড়ে নিল পলিথিন ব্যাগে।

    চারটে বেজে গেছে। আশা করা যায় অমৃতার বিশ্রাম হয়ে গেছে। সে বেল বাজাল। শিবানী দত্ত দরজা খুললেন। সে প্যাকেটটা ওঁর দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল—এটা অমৃতাকে দিয়ে দেবেন।—তারপর পলিথিন প্যাকেটে রোলটাও এগিয়ে দিল—এটাও। মানে আমি খেলাম তো…তাই…।

    —চলে যাচ্ছ কেন? বা রে ছেলে। এতটা পথ এসে মাসির বাড়ির দোরগোড়ায় ঢুকবার আগেই খেয়ে এসেছ, আবার চলে যাওয়া হচ্ছে!

    —একটু তাড়া আছে আজকে মাসিমা।

    —ও সব আমি শুনছি না। ওপরে যাও। তোমার প্যাকেট, রোল সব যার জিনিস তাকে দিয়ে দাও। আমি পারব না।

    খুব চালাক মহিলা। একটা জিনিসও হাত দিয়ে ছোঁননি। —এসো। এসো বলছি!

    অগত্যা, ভেতরে ঢুকতে হয়। ওপরে উঠতেও হয়, অমৃতা ডিভানে শুয়ে ছিল। তাকে দেখে উঠে বসে বলল—ওমা তুই! আয়! আয়!

    —বসব না রে, কাজ আছে, তুই এই প্যাকেটটা রাখ, আর এই রোলটা খা।

    রোলটা হাত বাড়িয়ে নিল অমৃতা। প্যাকেটটা নিল না। বলল—তোর?

    —আমি খেয়ে ঢুকেছি।

    —শিবানী মাসির বাড়ি কক্ষনো খেয়ে ঢুকবি না, উনি রেগে যাবেন।

    —কে কীসে রেগে যায় আমি কেমন করে জানব বল।

    রোলে একটা কামড় দিল অমৃতা।

    —আ-হ৷ কদ্দিন পরে খেলাম। অমৃত, একেবারে অমৃত।

    —ভাল লাগছে?

    —বলছি তো—অমৃত। আমার এখন নিমপাতাও ভাল লাগে। সে জায়গায় এ তো চিকেন রোল।— তা ওটা কী?

    —একটা প্যাকেট!

    —আবারও প্যাকেট? এবার কে দিলেন। এ. আর.? সব্বাইকে আমার খোঁজখবর দিয়ে দিয়েছিস, না কী?

    তিলক বলল—আমার একটু তাড়া আছে। চলি। পরে খুলে দেখিস।

    হাত বাড়িয়ে তাকে খপ করে ধরল অমৃতা।—যাবি কোথায়?

    —প্যাকেট খুলে আগে দেখব কী আছে এতে, তবে। যদি আর ডি এক্স থাকে? তিলক হাসল না। বসলও না। দাঁড়িয়েই রইল।

    অমৃতা খুলে দেখল ফটোকপিগুলো।

    তার দিকে তাকিয়ে বলল—খুব রাগ করেছিস?

    —না, না। রাগ করব কেন?

    —তবে? অভিমান? লজ্জা? অপমান? অনাদর? ক্ষোভ? অনুতাপ?

    তিলক কিছুই বলল না।

    —সবগুলোই, না রে? জয়িতাদি তোদের এই সব নোট্‌স দেন না কেন রে? কত টাকা ফিজ নেন?

    —পাঁচশো।

    —পাঁ-চ-শো?

    —হ্যাঁ আমি পাঁচশো দিই, অন্য কেউ ছশোও দিতে পারে। সাতশো, আটশোও আছে।

    —তবু তোদের নোট্‌স না দেওয়ার কী মানে?

    —আমাদের ক্ষমতা কী যে এ সব নোট ব্যবহার করি। বাড়ি গেলে যত্ন করে পড়ান। দরকার মতো নোট্‌সও দেন বই কি।

    —বোস তিলক, প্লিজ। আমি তোর কাছে মাফ চাইছি।

    —আমার কাছে? কেন?

    —আগে বোস।

    তিলক বসলে সে বলল—আগে বল যা বলব তাতে কিছু মনে করবি না?

    তিলক কিছু বলল না।

    অমৃতা বলল—কাজটা তুই অনৈতিক করেছিস। আমার বিচারে জয়িতাদিও ন্যায় করেননি। এই যদি ওঁর মনে ছিল, উনি নিজে এসে দিতে পারতেন এগুলো। অবশ্য, দ্যাট ইজ এক্সপেক্টিং টূ মাচ। সেটা উনি পারেননি। একজন ছাত্র যে পাঁচশো টাকা নিয়ে ওঁর কাছে পড়ে, তার হাত দিয়ে তিনি অমূল্য সব নোট্‌স পাঠালেন এমন একজনের কাছে, যে ওঁকে একটা বাড়তি পয়সাও দেয় না।

    —অমৃতা, তোর কেস আলাদা। এটা আমরা বুঝি। তুই দিনের পর দিন ক্লাস করতে পারছিস না, লাইব্রেরি ইউজ করতে পারছিস না…। তা ছাড়া তোর এখন ভাল রেজাল্ট করা দরকার।

    —কথাটা তা নয় রে, ছাত্রদের বিশেষত কোচিঙের ছাত্রদের প্রতি টিচারদের দায়বদ্ধতা থাকার কথা। ঠিক আছে, উনি তোদের যা দেন, তা-ই দিতে পারতেন আমাকে। দুরকম করলেন কেন? এটা উনি করেছেন ঝোঁকের মাথায়।

    —না, না, উনি তোকে বিশেষ ভালবাসেন। ভালবাসার দানের কোনও বিচার নেই।

    —ভালবাসা নয়, করুণা, নিজের ভেতরের পাপবোধ।

    —আচ্ছা তাই। কিন্তু উনি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। অমৃতা তোকে উনি নমস্কার পর্যন্ত জানিয়েছেন।

    —সেই ইমপালসিভ, নিজের বিবেক দংশনের শাস্তির জন্য নমস্কার আমি গলবস্ত্র হয়ে নিতে পারি না তিলক। কী এমন করেছি আমি? যখন অ্যাবরশন করাতে অরাজি হই, তখন কি জানতাম এ নিয়ে আমার প্রাণসংশয় হবে? ওরা আমার ওপর জবরদস্তি করবে? মেরে ফেলবার চেষ্টা করবে? যদি জানতাম তা হলে অবশ্য পালাতাম। কিন্তু সেটা নিজের প্রাণ বাঁচানোর জন্যে। আমার মধ্যে যে বেড়ে উঠছে তার জন্যে কোনও বাৎসল্যবোধ থেকে নয়।

    —এত বিশ্লেষণ করিস না অমৃতা, জয়িতাদির জন্যে তোর কষ্ট হয় না?

    —হয়, হয়। কিন্তু সেটা আলাদা কথা। উনি যেটা করেছিলেন তার মধ্যে ওঁর স্বামীর চাপ ছিল ঠিকই, কিন্তু উনিও ওই বাড়ি, ওই গাড়ি, ওই জীবনযাত্রা, ওঁর প্রথম মেয়ের শিক্ষা ইত্যাদিকে বড় করে দেখেছিলেন। এখন কথা হচ্ছে, এখনকার আইনের চোখে এটা ক্রাইম নয়, কিন্তু নৈতিকতা-মানবিকতার দৃষ্টিতে চিরকালই এটা পাপ থাকবে। সেই মানবিকতা বোধ বিকল করে দিয়েছে জয়িতাদিকে। নিশ্চয় তাঁর জন্য আমি ফীল করছি। কিন্তু আমার সিচুয়েশনের সঙ্গে ওঁরটার কোনও ইকোয়েশন আসে না। কে বলতে পারে সে রকম সিচুয়েশনে আমি কী করব। অরিসূদন বলে লোকটা বা তার বাবা বা মা কেউ সামনে এলে এখন আমি অকাতরে এদের খুন করে ফেলতে পারি। একটা রিভলভার আর কিছু কার্তুজ চাই অবশ্য। ছুরি টুরি মারতে পারব না। তা এটাই কি মানবিক?

    —না। ওঁরা তোর চরম ক্ষতি করতে চেয়েছিলেন, কাজেই… এটা স্বাভাবিক।

    —না স্বাভাবিক নয়। প্রাণ নেওয়ার অধিকার কারও নেই। আর সত্যিই আমি এটা কথার কথা বলছি না। আই ফীল লাইক কিলিং দা হোল লট অফ দেম। ইন কোল্ড ব্লাড, দেম অ্যান্ড দেয়ার লাইকস। ফার্স্ট আই ওয়ান্ট টু ক্যাসট্রেট দ্যাট ফেলো, অ্যান্ড দেন কিল। যদি না করি, সেটাও কিন্তু অন্যায় হবে। আর সেই অন্যায়টা আমি করব আইন আর সমাজের ভয় থেকে। জয়িতাদির পাপবোধ থেকে একটা মনস্তাত্ত্বিক বিকার এসেছে। সেই বিকার থেকেই এই নমস্কার। আমরা কেউ কারও শ্রদ্ধার যোগ্য নই রে, সবাই পরিস্থিতির শিকার। এক জায়গায় দাঁড়িয়ে সবাই।

    —তোর হাজব্যান্ডও?

    —না, ও পাপিষ্ঠগুলোকে বাদ দিচ্ছি। তবে আমি আজও জানি না ওদের মোটিভটা ঠিক কী? তুই ভাব না—নিজেদের প্রথম সন্তান, নিজেদের প্রথম নাতি আসছে, সংসার সচ্ছল। সুদ্ধু বউ কিছুদিনের জন্যে ওঁদের চাকরানিগিরি করতে পারবে না বলে…নাঃ ভাবা যায় না।

    —তাই? এই রকম ব্যাপারটা?

    —তাই তো বুঝেছি। আরও কিছু আছে। থাকলে থাকবে, না থাকলে না থাকুক। ইন দ্য মিন টাইম, তিলক আমরা এই নোট্‌সগুলো একটু ডিসকাস করে পড়তে পারি। এগুলো মুখস্থ করে উগরে দিলে কিছু শেখা যাবে না।

    —বলছিস? তুই তাই চাস?

    —ভী-ষণ উপকার হয় আমার তা হলে। যদি চাস আমি জয়িতাদিকে জানিয়ে দেব, আমি এগুলো তোর সঙ্গে শেয়ার করছি। বড্ড কঠিন বলে।

    —তুই যা ভাল বুঝিস করিস। শনিবার-রবিবার আসছি তা হলে?

    —হ্যাঁ। ঠিক দুপুর আড়াইটে। রাইট?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউজান-যাত্রা – বাণী বসু
    Next Article একুশে পা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }