Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলিভার টুইস্ট – চার্লস ডিকেন্স

    চার্লস ডিকেন্স এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অলিভার টুইস্ট – ১০

    দশম পরিচ্ছেদ

    ভোরের কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস লেগে খানার মধ্যে অচেতন অলিভারের জ্ঞান ফিরে এলো। কোথায় আছে, কেনই বা সেখানে এসেছে, প্রথমে কিছুই মনে করতে পারলো না সে। আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করতেই দারণ যন্ত্রণায় ‘মা-গো’ বলে আবার সে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেল।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার জ্ঞান ফিরে এলো তার। সে বুঝতে পারলো, এই খানার মধ্যে এভাবে পড়ে থাকলে তাকে এখানেই মরে পড়ে থাকতে হবে। তাই বহু চেষ্টা করে কোনোমতে খানা থেকে উঠে হাঁটতে শুরু করে দিল সে! তার মাথা ঘুরছে, পা কাঁপছে, তবু সে হেঁটে চললো।

    কিছুক্ষণ চলার পরে সামনেই দেখলো সে একটা বড়ো বাড়ি। সেখানে গিয়ে সাহায্য চাইবে ঠিক করলো, কিন্তু বাড়ির গেট পেরিয়ে বাগানের মধ্যে পা দিতেই চমকে উঠলো সে—এই বাড়িতেই তো কাল রাতে তারা ডাকাতি করতে এসেছিলো। প্রথমে সে ভাবলো, পালিয়ে যাবে, কিন্তু পালিয়ে যাবেই-বা কোথায়? শেষ পর্যন্ত সে এগিয়ে গিয়ে দরজার কড়া নাড়লো, কিন্তু শরীরের দারুণ দুর্বলতার জন্যে আবার বেহুঁশ হয়ে পড়ে গেল।

    ***

    সাইক্‌স্ যে-বাড়িতে অভিযান করেছিলো, গাইলস্‌ সে-বাড়ির খানসামা এবং ব্রিটলস্‌  হলো ‘বয়’ বা বালক-ভৃত্য। বালক-বয়সেই ওই বাড়িতে কাজে লেগেছিলো ব্রিটলস্‌, কিন্তু এখন তার বয়স তিরিশ পেরিয়ে গেলেও তার ‘বয়’ নাম ঘোচেনি। এরা দুজন পুরুষ ছাড়া বাড়ির বাসিন্দারা সকলেই স্ত্রীলোক, তবে আর একজন বাইরের লোক দুটো কুকুর নিয়ে রাত কাটাতো ওই বাড়ির রোয়াকে শুয়ে। সে হলো একজন ঝালাইওলা।

    সাইক্‌স্ ও তার সঙ্গীদের পেছন রাতে ধাওয়া করেছিলো ওই তিনজন লোক, সঙ্গে দুটো কুকুর নিয়ে! অনেকটা দূর ধাওয়া করে এসে কি ভেবে তারা পরামর্শ করার জন্য থামলো।

    দলের সবচেয়ে মোটা লোকটা বললো : “আমার মতে এখন বাড়ি ফিরে যাওয়া ভালো। চলো, আমরা বাড়ি ফিরে যাই।”

    একথা শুনে দ্বিতীয় লোকটার মুখে আতঙ্কের ছায়া ফুটে ওঠে। সে কাঁপা গলায় বললো : “মিস্টার গাইসের মতই আমার মত।”

    তৃতীয় লোকটা বললো : “মিস্টার গাইসের কথার প্রতিবাদ করার কোনো অধিকার নেই আমার।” কথা বলার সময়ে তার দাঁতগুলো ঠকঠক করে কাঁপছিলো।

    —“তুমি ভয় পেয়েছো, ব্রি” গাইলস্‌ বললো।

    ব্রিটলস্‌ বললো : “ভয় পেয়েছি! কৈ, না তো।”

    —“তুমি মিথ্যুক।”

    ব্রিটলস্‌ বললো : “আপনি মিথ্যাবাদী, মিস্টার গাইলস্‌!”

    তর্কাতর্কির অবসান করে দিল ঝালাইওলা। সে বললো : “সত্যি কথা বলতে কি, আমরা সবাই ভয় পেয়েছি।”

    তারপর তিনজনে পরস্পরের গা-ঘেঁষাঘেঁষি করে ভয়ে ভয়ে ফিরে চললো বাড়ির দিকে। তখন ভোর হয়ে গেছে। ফিরে এসে তারা রান্নাঘরে বসে চা খেতে খেতে গত রাতের ঘটনা আলোচনা করছিলো। গাইলস্‌ বাড়ির প্রধান পরিচারক, তাই সে নিজের মর্যাদা বজায় রাখার জন্যে সবসময় গম্ভীর হয়ে থাকে, আর অন্য সব চাকর-বাকরদের এড়িয়ে চলে। কিন্তু রাতের রোমাঞ্চকর ডাকাত ধরার অভিযানের নেতৃত্ব করেছে বলে সে আজ তার গাম্ভীর্যের মুখোশ খসিয়ে সবার সাথে একসঙ্গে বসেছে। বাড়ির ঝি আর রাঁধুনী হাঁ করে গিলছিলো তার কথাগুলো।

    গাইলস্‌ বলছিলো : “রাত তখন বোধহয় দুটো হবে। হঠাৎ একটা শব্দ শুনে জেগে উঠলুম। প্রথমে ভাবলুম, স্বপ্ন দেখেছি। এমন সময় আবার শব্দ হলো। তখন বিছানার ওপরে উঠে বসলুম।”

    “কী সব্বোনাশ!” রাঁধুনী আর ঝি একসঙ্গে একথা বলে আর একটু কাছ- ঘেঁষে বসলো গাইল্সের।

    ভারিক্কী চালে গাইস্ আবার বলতে লাগলো : “ঠিক করলুম, ব্রিটলস্‌ বেচারাকে ডেকে তুলতে হবে, নইলে ওকে ডাকাতরা হয়তো ঘুমন্ত অবস্থায় খুন করে রেখে যাবে—ও হয়তো টেরও পাবে না। তাই চুপিচুপি উঠে গিয়ে ওকে ডেকে তুলে বলুম, ভয় পানে।”

    রাঁধুনী জিজ্ঞাসা করল : “তা, ও কি ভয় পেলো?”

    গাইলস্‌ বললো : “মোটেই না। ও প্রায় আমারই মতো সাহসী কিনা!”

    ঝি বললো : “আমি হলে কিন্তু তখনি ভয়ে মরে যেতুম।”

    ব্রিটলস্‌ বললো : “তুমি যে মেয়েছেলে।”

    গাইলস্‌ সায় দিয়ে বললো : “ঠিকই বলেছ ব্রিটলস্‌! মেয়েমানুষের কাছে ভয় ছাড়া আর কিই-বা আশা করা যায়!”

    ঠিক এ সময় বাড়ির সদর দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হতেই গাইলস্‌ এবং অন্য সবাই উঠলো। ঝি আর রাঁধুনী ভয়ে আঁতকে উঠলো।

    গাইলস্‌ বললো : “দরজাটা খুলে দাও কেউ!”

    কিন্তু ভয়ে কেউ নড়লো না। গাইলস্‌ সবার ভয়ার্ত মুখের ওপরে চোখ বুলিয়ে আবার বললো : “এত ভোরে কড়া নাড়ছে কে? ভারী সন্দেহের কথা। যাক্, দরজাটা খুলে দাও কেউ।”

    এই বলে গাইলস্‌ ব্রিক্সের দিকে তাকালো, কিন্তু ব্রিটলস্‌

    তার মুখচোখে এমন ভাব দেখালো যে গাইলস্‌ যেন কখনও তাকে এত বড়ো কাজের ভার দিতে পারে না। ঝালাইওলাকে দেখা গেল, সে যেন হঠাৎ ঘুমিয়ে পড়েছে। আর মেয়েরা তো ভয়ে জড়সড়।

    কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে গাইলস্‌ বললো : “ব্রিটলস্‌  যখন ভয় পাচ্ছে তখন আমি বলি কি, তার সঙ্গে আমরাও সকলে একসাথে যাই…কি বল হে তোমরা?”

    হঠাৎ ঘুমিয়ে-পড়া ঝালাইওলা জেগে উঠে বললো : “আমি এতে রাজী আছি।”

    শেষপর্যন্ত সবাই একসাথে জড়াজড়ি করে এগিয়ে গিয়ে দরজা খুললো।

    অলিভারকে দেখে গাইলস্‌ সবিস্ময়ে বলে উঠলো : “আরে, এ যে সেই বিচ্ছু ডাকাতটা; একে চিনতে পারছো না, ব্রিটলস্‌?”

    “তাইতো! তাইতো!” বলে সকলে ভয়ে পিছিয়ে গেল, কিন্তু গাইলস্‌ অলিভারকে চ্যাংদোলা করে বাড়ির ভেতর এনে মেঝের ওপরে শুইয়ে দিয়ে চেঁচিয়ে উঠলো : “মা-ঠাকরুন! দিদিমণি! ডাকাত ধরেছি। কাল এটাকেই গুলি করেছিলুম।”

    একজন তরুণী এসে সিঁড়ির মাথায় দাঁড়ালো এবং অলিভারকে না দেখেই ব্রিকে পাঠিয়ে দিলো ডাক্তার আর পুলিশ ডেকে নিয়ে আসার জন্যে।

    সকালের জলখাবার খেতে বসলেন দু’জন মহিলা—একজন বৃদ্ধা, অপরজনের বয়স সতেরো বছরেরও কম। তরুণীটি ভারী সুন্দরী। তাদের পরিবেশন করতে লাগলো গাইলস্।

    বৃদ্ধা জিজ্ঞাসা করলেন : “ব্রিটলস্‌  কতক্ষণ হলো গেছে?”

    গাইলস্‌ ঘড়ি দেখে বললো : “এক ঘণ্টা বারো মিনিট হলো, মা।”

    বৃদ্ধা বললো : “ভারী কুঁড়ে ও।”

    গাইলস্‌ বললো : “ব্রিটলস্‌ ছেলেটা চিরকালই ওরকম।”

    মৃদু হেসে তরুণীটি বললো : “ছেলেটা রাস্তায় আবার অন্য ছেলেদের সঙ্গে খেলতে শুরু করে দেয়।”

    তরুণীটির তামাশা বুঝতে পেরে গাইও হেসে ফেললো। এমন সময়ে একজন মোটা ভদ্রলোক বড় বড় পা ফেলে সোজা ঘরের মধ্যে ঢুকে বলে উঠলেন : “আঃ! মিসেস্ মেইলী! শুনলুম কাল রাত্তিরে আপনার বাড়িতে নাকি ডাকাত পড়েছিলো? আমাকে খবর দিলেন না কেন? কী সাংঘাতিক রাত্তিরবেলা বাড়ি চড়াও! আঃ মিস্ রোজ!”

    যিনি একথা বললেন, তিনি হলেন ডাক্তার লসবার্ন।

    তরুণী মিস্ রোজ তখনি ডাক্তারকে অলিভারের কাছে পাঠিয়ে দিলো। রোগী দেখতে অনেকক্ষণ সময় লাগলো ডাক্তারের। তারপর তিনি নিচে নেমে এসে মিসেস্ মেইলী ও মিস্ রোজকে নিয়ে গেলেন ওপরে অলিভারকে দেখাবার জন্যে।

    মৃদু পায়ে তাঁরা ঢুকলেন অলিভারের ঘরে। রোজ অলিভারের কাছে গিয়ে তার চুলগুলো গুছিয়ে দিতেই সে ছলছল চোখে তাকিয়ে রইলো।

    মিসেস্ মেইলী বললেন : “বেচারা এমন ছেলে কখনোই ডাকাত দলের লোক হতে পারে না।”

    ডাক্তার বললেন : “যে যতই বেচারা হোক, বাইরের চেহারা দেখে বলা যায় না, কার মনে কি আছে!”

    রোজ বললো : “তা বলে এত কম বয়সে?”

    ডাক্তার বললেন : “কম বয়সেই তো ছেলেমেয়েরা সবচেয়ে সহজে পাপের খপ্পরে পড়ে।”

    রোজ বললো : “হয়তো মায়ের ভালোবাসা বা বাড়ির সুন্দর পরিবেশ এর কপালে কোনোদিন জোটেনি। হয়তো অনাদর, অত্যাচার আর পেটের জ্বালাতেই ও খারাপ লোকেদের সঙ্গে মিশেছে। যাই হোক্, ওকে জেলে পাঠিয়ো না পিসিমা দয়া করো ওকে।”

    কিশোর অলিভারকে দেখেই রোজের মতো মিসেস্ মেইলীর অন্তরও গলে গিয়েছিল। তাই রোজ অনুরোধ করার সঙ্গে-সঙ্গেই অলিভারকে জেলের দায় থেকে কি উপায়ে বাঁচানো যায়, সে বিষয়ে ডাক্তার লসবার্নের কাছে পরামর্শ চাইলেন।

    বেশ খানিকক্ষণ ভেবে-চিন্তে ডাক্তার লসবার্ন জানালেন যে, তিনি ছেলেটাকে বাঁচাতে পারবেন, তবে গাইস্কে আর ব্রিকে ধমকাবার অধিকার দিতে হবে তাঁকে। অবশ্য, সেই অযথা ধমকানির মূল্য হিসেবে মিসেস্ মেইলী তাদের না হয় কিছু বকশিস দেবেন। ডাক্তার আরও জানালেন যে, তিনি আগে থেকে কিছুটা কাজ এগিয়ে রেখেছেন—অলিভারের অবস্থা সংকটজনক বলে কনস্টেবলকে ঠেকিয়ে রেখেছেন—অলিভারের সঙ্গে তাকে দেখা করতে দেননি।

    মিসেস্ মেইলী ও রোজ ডাক্তারের শর্ত মেনে নিলেন।

    গাইলস্‌ নিচে রান্নাঘরে মজলিস জাঁকিয়ে বসেছিলো। ব্রিটলস্‌, ঝালাইওলা, রাঁধুনী আর ঝিয়ের কাছে তার অসীম সাহসের কাহিনী বলছিলো সে। কনস্টেবলও ছিলো সেখানে। এমন সময়ে ডাক্তার লসবার্ন গিয়ে সেখানে হাজির হলেন।

    দু’একটা মামুলী কথার পরে ডাক্তার বললেন : “আমার ভয় হচ্ছে, গাইলস্‌ তুমি ভুল করছো। আচ্ছা, তুমি শাস্ত্র মানো তো?”

    —“মানি বৈকি!” গাইলস্‌ বললো।

    —“আর তুমি ব্রিটলস্‌?”

    —“নিশ্চয়ই। মিস্টার গাইলস্‌ যা মানেন, আমিও তাই মানি”, জানালো ব্রিটলস্‌

    ডাক্তার তখন বেশ ঝাঁজের সুরেই বললেন, “ভালো! আচ্ছা, তোমরা কি হলফ করে বলতে পারো যে, ওপরের ঘরে যে-ছেলেটা আছে, সেই-ই কাল রাতে এ বাড়িতে ঢুকছিলো? মনে রেখো, তোমাদের অনুমান যদি ভুল হয়, তাহলে ভগবান যমদূত পাঠিয়ে তোমাদের শায়েস্তা করবেন। কনস্টেবল, এদের জবাবটা শুনে রাখো।”

    গাইলস্‌ আর ব্রিটলস্‌ দু’জনে দু’জনের মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে লাগলো। এমন সময়ে সদর দরজায় কড়া নড়ে উঠলো…দারোগাবাবু এসেছেন

    দারোগা ব্ল্যাদার্স আর তাঁর সহকারী ডাফের কাছে বেশ ধীরে-সুস্থে ডাক্তার লসবার্ন গতরাতের সব কাহিনী বললেন।

    দারোগা বললেন : “এ নিশ্চয়ই লাঙলের কাজ নয়, কি বলো, ডাক্‌?”

    —“নিশ্চয়ই না।” সহকারী ডাফ্ দারোগার মত মেনে নিলেন।

    ডাক্তার বললেন, “লাঙল” বলতে আপনারা যদি গেঁয়ো লোক বোঝাতে চান তো বলবো ঠিকই অনুমান করেছেন আপনারা—এটা গেঁয়ো লোকের কাজ নয় মোটেই।”

    তারপর ব্ল্যাদার্স জিজ্ঞাসা করলেন : “আচ্ছা, যে ছোঁড়াটাকে চাকরেরা ধরেছে বলেছিলো—”

    লবার্ন বললেন : “বাজে কথা। ভয় পেয়ে তারা যা-তা বলেছে। সে- ছেলেটার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এ-ডাকাতির।”

    লসবার্নের কথা মেনে নিলেও দারোগা কিন্তু অলিভারকে জেরা করে তার পরিচয় জানার জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। তিনি বললেন : “ছোঁড়াটা কে? এলো কোত্থেকে? সে তো আর আকাশ থেকে খসে পড়েনি!”

    ডাক্তার লসবার্ন দারোগাকে বললেন : “ছেলেটা এমন মারাত্মকভাবে অসুস্থ যে, ডাক্তার হিসেবে আমি এখন কিছুতেই তাকে উত্ত্যক্ত করার অনুমতি দিতে পারি না। তার সঙ্গে দেখা করতে হলে আপনাকে দু’চারদিন অপেক্ষা করতে হবে।”

    একথা শুনে দারোগা ঠিক করলেন যে, আগে তিনি বাড়ির চাকরবাকরদের জেরা করবেন এবং ডাকাতরা কোন্ পথে এসেছিলো তা পরীক্ষা করে দেখবেন। ডাক্তার লস্বার্নের কাছে ধমক খেয়ে গাইলস্‌ আর ব্রিটলস্‌ এমন ঘাবড়ে গিয়েছিলো যে, তারা দারোগার জেরার উত্তরে উলটোপালটা এজাহার দিলো। ফলে অলিভারের ওপর পুলিশ-কর্মচারীদের সন্দেহ একেবারে পাতলা হয়ে গেল।

    চাকর-বাকরদের জেরা শেষ হয়ে গেলে, দারোগা ব্ল্যাদা আর তাঁর সহকারীকে পেট ভরে মদ খাইয়ে দিলেন ডাক্তার। তাঁদের মন থেকে অলিভারের ওপর সন্দেহ তখন মুছে গেছে। তাঁরা তখন এ-ডাকাতি কোন্ দলের কাজ তাই নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে লাগলেন।

    দারোগা বললেন : “এটা সেই শাঁখারী-ব্যাটার কাজ।”

    সহকারী ডাফ্ বললেন : “না, এ-কাজ সেই ঘরামী ব্যাটার।”

    চলে যাবার আগে পুলিশ-কর্মচারীরা অলিভারকে দেখলেন বটে, কিন্তু ডাক্তারের কথামতো তাকে কোনো জেরা করলেন না। তাঁরা শুধু এই শর্ত করলেন যে, একান্ত এড়ানো না গেলে অলিভারকে আদালতে হাজির হতে বে এবং সে যাতে হাজির হয়, তার জন্যে মিসেস্ মেইলী ও ডাক্তার লম্ববান জমিন থাকবেন। ডাক্তার আর মিসেস্ মেইলী এ-শর্ত মেনে নিলেন। তারপর পুলিশ- কর্মচারী দু’জনে চলে যাওয়ার সময়ে তাঁদের হাতে একটা করে গিনি গুজে দিলেন ডাক্তার লসবার্ন।

    ***

    অলিভারের অসুখটা সহজ ছিলো না, তাই সারতেও বেশ সময় লাগলো। কয়েক সপ্তাহ পরে সে একটু সুস্থ হবার পর যাঁরা তাকে আশ্রয় দিয়েছেন তাঁদের দয়ার জন্যে ধন্যবাদ জানিয়ে নিজের দুঃখময় জীবনের করুণ কাহিনী তাঁদের কাছে জানালো। তারপর দুটো ছোটো হাত জোড় করে সে তাঁদের কাছে কাতর আবেদন জানালো, যেন তাঁরা আর তাকে ফেলে না দেন। সে বারবার বলতে লাগলো যে তাঁরা তাকে যে কাজ করতে দেবেন, হাসিমুখে সেই কাজ করতে সে রাজী আছে।

    অলিভারের কাহিনী শুনে রোজের চোখ দুটো ছলছল করে উঠলো। আর তার মন সহানুভূতিতে ভরে গেল। অলিভারকে আশ্বাস দিয়ে সে বললো : “আমাদের খুশি করার জন্যে তোমার ব্যস্ত হবার দরকার নেই। যে-শোচনীয় অবস্থায় তোমার জীবন কেটেছে বলে আমাদের জানিয়েছো, তা থেকে পিসিমা যে তোমাকে উদ্ধার করতে পেরেছেন, তাতেই আমি খুশি হয়েছি। যদি দেখতে পাই যে, তিনি অপাত্রে করুণা করেননি, তাহলে আমার যে কী আনন্দ হবে তা তুমি ধারণাও করতে পারো না।”

    কথায় কথায় অলিভার জানালো যে, মিস্টার ব্রাউন্‌লোর সঙ্গে দেখা করার জন্যে সে অত্যন্ত ব্যাকুল হয়ে পড়েছে। সেই বৃদ্ধ ভদ্রলোক হয়তো তাকে বেইমান জোচ্চোর ভাবছেন।

    রোজ তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললো যে, আর একটু ভালো হয়ে উঠলেই সে নিজে গিয়ে মিস্টার ব্রাউনলোর সঙ্গে দেখা করতে পারবে।

    কিছুদিনের মধ্যেই অলিভার বেশ সেরে উঠলো। তখন একদিন মিসেস্ মেইলীর ঘোড়ার গাড়িতে চেপে সে ডাক্তার লসবার্নকে নিয়ে মিস্টার ব্রাউন্‌লোর সঙ্গে দেখা করার জন্য বেরিয়ে পড়লো।

    সেখানে পৌঁছে প্রথমেই সে বাড়ি ভুল করে বসলো। তারপর বহুকষ্টে যদিই- বা খুঁজে পেল মিঃ ব্রাউন্‌লোর বাড়ি, কিন্তু হায়! সে বাড়ির বারান্দায় সাইনবোর্ড ঝুলছে : “বাড়িটা ভাড়া দেওয়া হবে।”

    তখন ডাক্তার লসবার্নের পরামর্শে পাশের বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা গেল যে, মিঃ ব্রাউন্‌লো তাঁর সব জিনিসপত্র বেচে দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজে চলে গেছেন। তাঁর পরিচারিকা এবং তাঁর নিত্যসঙ্গী এক বন্ধুও তাঁর সহযাত্রী হয়েছেন।

    হতাশায় ভেঙে পড়লো অলিভার। রোগশয্যায় শুয়ে শুয়ে সে কল্পনার জাল বুনেছিলো। তাকে দেখতে পেলে মিঃ ব্রাউন্‌লো এবং মিসেস্ বেডুইনের কী আনন্দই-না হবে। শেষ পর্যন্ত সে বইওলার কাছে গিয়ে খবর নেওয়ার কথা বলতেই, ডাক্তার লম্ববার্ন বললেন : “এত আশা করে যখন বিফল হওয়া গেল, তখন আর চেষ্টা করে কোনো লাভ নেই। বইওলার খোঁজে গিয়ে দেখবে হয়তো সে মারা গেছে, নয়তো সে নিজের ঘরে আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। নাঃ আর নয়! এবার সিধে বাড়ি ফিরে চলো।”

    নিরুপায় অলিভার অগত্যা বাড়ি ফিরলো। তার তখন যা মনের অবস্থা, তা একমাত্র তার অন্তর্যামীই জানতেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅরিজিন অফ স্পিসিস ১ – চার্লস ডারউইন
    Next Article নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    Related Articles

    চার্লস ডিকেন্স

    ডেভিড কপারফিল্ড – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    এ টেল ট্যু সিটীজ – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    দ্য পিকউইক পেপার্স – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }