Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলিভার টুইস্ট – চার্লস ডিকেন্স

    চার্লস ডিকেন্স এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অলিভার টুইস্ট – ১২

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    অনাথ-আশ্রমের বৈঠকখানার অগ্নিকুণ্ডের দিকে তাকিয়ে বসে ছিলেন মিস্টার বাম্বল। তাঁর চোখ দুটো উদাস ছলছল, মুখে বিষাদের কালো ছায়া। তিনি তাঁর পুরোনো জীবনের কথা ভাবছিলেন।

    তাঁর পোশাকের অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। অনাথ-আশ্রমের তত্ত্বাবধায়কের চকচকে মেরজাই আর তাঁর গায়ে নেই। তিনি আজকাল আর তত্ত্বাবধায়ক নন— মিসেস্ কর্নিকে বিয়ে করে আশ্রমের কর্তা হয়েছেন। অন্য লোক এখন তত্ত্বাবধায়কের কাজ করছেন।

    একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে মিঃ বাম্বল বললেন : “কাল দু’মাস পুরো হবে। মনে হচ্ছে একটা যুগ কেটে গেছে যেন! উঃ, নিজেকে বিকিয়ে দিয়েছি আমি মাত্র ছ- খানা চামচ, একজোড়া রুপোর বাটি, একটা দুধের গামলা, কিছু পুরোনো আসবাব আর কুড়িটা পাউন্ডের জন্যে। বড়ো সস্তায় বিকিয়ে গেছি….ধুলোর মতো সস্তা!”

    —“সস্তা!” পেছন থেকে একটা চড়া গলা ভেসে এলো : “যে-দামেই তোমাকে কেনা হয়ে থাক না কেন, সেটা-ই বেশি দেওয়া হয়েছে!”

    ফিরে তাকিয়ে মিঃ বাম্বল দেখলেন, তাঁর নতুন বিয়ে করা বউ দাঁড়িয়ে। মিঃ বাম্বল তাঁর বরাবরের অভ্যাসমতো রুক্ষ মেজাজে বললেন : “কী ব্যাপার?”

    মিঃ বাম্বলের যেরকম চাহনি দেখে অনাথ-আশ্রমের বাসিন্দারা ভয়ে কুঁকড়ে যেতো ঠিক সেই ধরনের হিংস্র চাহনি নিয়ে কটমটিয়ে তাকালেন নিজের স্ত্রীর দিকে। কিন্তু মিসেস্ বাম্বল ওরফে কর্নি তাতে একটুও ভয় পেলেন না, বরং তুড়ি মেরে হেসে উঠলেন।

    মিস্টার বাম্বল মুখ গোমড়া করে বসে রইলেন।

    মিসেস্ বাম্বল জিজ্ঞাসা করলেন, “আজ কি সারাদিনটাই ওখানে বসে নাক ডাকাবে নাকি?”

    মিস্টার বাম্বল জবাব দিলেন : “আমার যা খুশি তাই করবো। নাক ডাকাবো….হাঁ করে থাকবো….হাঁচবো কাঁদবো…আমার যা ইচ্ছে, আমি তাই করবো…সে অধিকার নিশ্চয়ই আমার আছে।”

    আর এ পরদা গলা চড়িয়ে রুক্ষ মেজাজে মিসেস্ বাম্বল বললেন : “ তোমার অধিকার?”

    —“হ্যাঁ, অধিকার। সব-কিছু করার একচেটিয়া অধিকার পুরুষদের আছে। মেয়েদের অধিকার শুধু পুরুষদের হুকুম তামিল করা।”

    রাগে মিসেস্ বাম্বল গর্জে উঠলেন : “তোমাদের মতো জানোয়ার ছাড়া এ ধরনের কথা কেউ বলে না। তুমি তো মানুষও নও, একটা আস্ত গাধা!” তারপর মিসেস্ বাম্বল রাগে কেঁদে ফেললেন।

    মিস্টার বাম্বল তাতে কিন্তু একটু ঘাবড়ে গেলেন না। ব্যঙ্গের সুরে তিনি বললেন : “হ্যাঁ, খুব করে কাঁদো। চোখের জলে ধুলে মুখের ময়লা কেটে যায়, চোখের ব্যায়াম হয়.. মেজাজ ঠাণ্ডা হয়….বুঝলে? আচ্ছা করে কেঁদে নাও।” একথা বলে বেশ চালের সঙ্গে দাঁড়িয়ে উঠে ‘তিনি ট্রাউজারের দু’পকেটে হাত ঢুকিয়ে ঘরের বাইরে পা বাড়ালেন।

    মিঃ বাম্বল মাত্র ঘরের দরজা অবধি গেছেন, এমন সময় তাঁর মাথা থেকে বোঁ করে টুপিটা উড়ে গেল। তাঁর স্ত্রী তাঁকে জাপটে ধরে বেশ গোটাকয়েক কিল বসিয়ে দিলেন। তারপর স্বামীকে ঘরের মধ্যে টেনে এনে চেয়ারে জোর করে বসিয়ে ক্ষেপা কুকুরের মতো হাতের নখ দিয়ে চোখ-মুখ আঁচড়াতে লাগলেন। শেষে মুঠো করে মাথার চুল টেনে ধরে বললেন : “ওঠো শীগগির। এখনি বেরিয়ে যাও এখান থেকে। নইলে তোমার কপালে এর চেয়েও ঢের বেশি দুর্ভোগ আছে।”

    মিঃ বাম্বল ভয়ে-ভয়ে তাঁর টুপিটা মেঝে থেকে কুড়িয়ে নিয়ে সরে পড়লেন।

    বেরুবার সময় মিঃ বাম্বলের নজরে পড়লো, বাইরে একটা ঘরের ভেতর কতকগুলো অনাথা মেয়ে গোলমাল করছে। কর্তৃত্বের অভিমানে ঘরে ঢুকে ধমক দিয়ে উঠলেন : “কি হচ্ছে? এত হল্লা করছিস্ কেন?”

    এমন সময় মিসেস্ বাম্বল সেখানে ছুটে এসে স্বামীকে দেখে গর্জে উঠলেন : “এখনো দূর হওনি এখান থেকে?”

    ভিজে বেড়ালের মতো মিঃ বাম্বল বললেন “এরা যে গোলমাল করছিলো।”

    —“গোলমাল করছিলো তো তোমার কি?” ভেংচে উঠলেন মিসেস্ বাম্বল : “এরা চেঁচাক, হৈ-হট্টগোল করুক, তাতে তোমার কি? খবরদার এদের ব্যাপারে কখনো নাক গলাতে এসো না। যাও এখান থেকে দূর হও শীগির!”

    মুখ কাঁচু-মাচু করে মিঃ বাম্বল বেরিয়ে গেলেন অনাথ-আশ্রম থেকে

    সদর দরজা দিয়ে বেরুবার সময়, রাগ দেখাবার জন্যে দ্বাররক্ষী অনাথ- বালকটার কানে একটা ঘুষি বসিয়ে দিলেন। তারপর পথে-পথে কিছুক্ষণ ঘুরে বেড়িয়ে মনের জ্বালাটা কিছুটা উপশম করলেন। এমন সময়ে ঝমঝম করে বৃষ্টি নামলো। তখন একটা মদের দোকানে ঢুকে এক গেলাস মদ দেবার হুকুম দিয়ে বসলেন তিনি।

    দোকানে তখন আর একজন মাত্র লোক ছিলো। লোকটা লম্বা, গায়ের রং ময়লা, মস্ত একটা কোট তার পরনে। মিঃ বাম্বুলের সঙ্গে তার চোরা-চাহনির বিনিময় হলো কয়েকবার, কিন্তু দুজনেই চুপচাপ

    কিছুক্ষণ পরে লোকটা বললো : “মনে হচ্ছে যেন আগে কোথাও দেখেছি আপনাকে, তখন কিন্তু আপনার বেশভূষা ছিলো অন্যরকম।”

    মিঃ বাম্বল বললেন : “হ্যাঁ। আমি তখন অনাথ-আশ্রমের তত্ত্বাবধায়ক ছিলাম। এখন আমি আশ্রমের কর্তা

    লোকটা বললো : “তা; উঁচু পদে উঠলেও আপনার টাকার খাঁকতি কমেনি নিশ্চয়ই?”

    মিঃ বাম্বল বললেন : “তা, অনাথ-আশ্রমের কর্মীদের মাইনে তো এমন কিছু বেশি নয়। ভদ্রভাবে উপরি-আয় কিছু হলে তারা কি তা ছাড়তে পারে?”

    লোকটা তখন দোকানদারদের ডেকে আরও দু-গেলাস মদ দেবার হুকুম দিয়ে মিঃ বাম্বলকে বললো : “শুনুন তবে। আপনার খোঁজেই আমি আজ এসেছি এ- শহরে। তা, ভাগ্যক্রমে সহজেই দেখা হয়ে গেল আপনার সঙ্গে। আপনার কাছে কিছু খবর জানতে চাই, অবশ্য বিনি পয়সায় নয়। এর প্রমাণ হিসেবে এই নিন সামান্য কিছু আগাম—রাখুন এটা।” এই বলে সে দুটো গিনি গুঁজে দিলো মিঃ বাম্বলের হাতে।

    মিঃ বাম্বল গিনি দুটো ভালো করে দেখে নিয়ে পকেটে পুরলেন। লোকটা বলতে লাগলো : “এবারে কাজের কথায় আসা যাক্। আপনাকে একটু কষ্ট করে ভাবতে হবে বছর-বারো আগের কথা। শীতকাল স্থান অনাথশালা….. সময় রাত। একটা ছেলে জন্ম দিয়ে মারা গেলো এক অনাথা তরুণী।”

    বাধা দিয়ে মিঃ বাম্বল বললেন : “একটা কেন, এরকম ঘটনা তো আগে অনেক ঘটতে দেখেছি।”

    লোকটা চেঁচিয়ে উঠলো : “গোল্লায় যাক্ আপনার অনেক ঘটনা। আমি একটা ঘটনার কথাই বলছি। যে-ছোঁড়াটা কিছুদিন কফিনওয়ালার কাছে কাজ করেছিলো, আমি সেই ছোঁড়াটার কথাই বলছি। ছোঁড়াটা যে কেন নিজের কফিনও ওই সাথে তৈরি করে তার মধ্যে চিরদিনের মতো শুয়ে পড়লো না, সেকথাই বার বার ভাবি।”

    —“ও, আপনি কি তাহলে অলিভারের কথা বলছেন? অলিভার টুইস্ট? সেই লক্ষ্মীছাড়া ছোঁড়াটার কথা বোধহয় জানতে চান?”

    —“না, অলিভারের বিষয়ে কোনো কথা শুনতে চাই না—অনেক শুনেছি তার বিষয়ে। আমি জানতে চাই সেই বুড়ির কথা, যে অলিভারের মায়ের দাইয়ের কাজ করেছিলো।”

    —“সে বুড়ি গত বছর শীতকালে মারা গেছে।” মিঃ বাম্বল বললেন। এ- কথা শুনে লোকটা কি যেন খানিকক্ষণ ভাবতে লাগলো, তারপর “যাক্-গে” বলে উঠে পড়লো। মিঃ বাম্বলের মনে হলো, তাঁর স্ত্রীর কাছে এমন কিছু গোপন খবর থাকতে পারে, যা হয়তো এ লোকটাকে দিতে পারলে কিছু টাকা রোজগার করা যাবে। কেননা, স্যালী বুড়ি মারা যাবার আগে তাঁর স্ত্রীকে ডেকে গোপনে কি সব বলে গিয়েছিলো। সেসব মনে করে তিনি লোকটাকে বললেন : “সেই বুড়ি মরার কিছু আগে অপর এক মেয়েছেলেকে গোপনে কিসব যেন বলেছিলো—খুব সম্ভব তা থেকে আপনার কিছুটা কাজ হতে পারে।”

    এ কথায় লোকটার মুখে চিন্তার রেখে ফুটে উঠলো। সে জিজ্ঞাসা করলো : ‘কেমন করে আমি সেই মেয়েছেলের দেখা পেতে পারি।”

    মিঃ বাম্বল বললেন : “সে ব্যবস্থা আমি করে দিতে পারি, মশাই। অবশ্য আপনি যদি আগামীকাল পর্যন্ত সময় দেন আমাকে।”

    — “তাহলে কাল ঠিক রাত নটার সময় এই ঠিকানায় সেই মেয়েছেলেকে নিয়ে আসবেন গোপনে।” এই বলে সে এক টুকরো কাগজে একটা ঠিকানা লিখে বাম্বলকে দিলো। তারপর মদের দাম মিটিয়ে দিয়ে দোকান থেকে বেরিয়ে গেল লোকটা।

    মিঃ বাম্বল কাগজের টুকরোটা পড়ে দেখলেন যে তাতে কোনো নাম লেখা নেই। তিনি তাড়াতাড়ি লোকটার পিছু ধাওয়া করে কাছে এগিয়ে গিয়ে ডাকতেই লোকটা চেঁচিয়ে উঠলো : “কি হলো আবার? পেছু ধাওয়া করলেন কেন?”

    কাগজখানা দেখিয়ে মিঃ বাম্বল বললেন : “কার নাম ধরে ডাকবো আমি?”

    —“মঙ্কস্।”

    ***

    গরমের গুমোট-ভরা রাত। ঘন মেঘে-ঢাকা আকাশ। এর মাঝে এক পশলা জোর বৃষ্টি হয়ে গেছে—ঝড়ের সঙ্কেতও মাঝে মাঝে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এমন সময় মিস্টার ও মিসেস্ বা এক বস্তিতে একটা পুরোনো ভাঙা বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালেন। বাড়িটার পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে যাচ্ছে।

    —“কে ওখানে? দাঁড়াও এক মিনিট!”

    দোতলা থেকে ঝুঁকে পড়ে একটা লোক বাল-দম্পতিকে দেখে ওই কথা বললো। একটু পরেই লোকটা নেমে এসে দরজা খুলে দিয়ে বললো : “ভেতরে এসো।”

    মিসেস বাম্বল প্রথমে একটু ইতস্তত করে তারপর সাহসের সঙ্গে ঢুকে পড়লেন। লজ্জায় হোক বা ভয়ে হোক মিস্টার বাম্বলও স্ত্রীর পেছন পেছন চললেন।

    মঙ্কস্ বললো : “ভূতের মতো ওখানে দাঁড়িয়ে ছিলে কেন তোমরা?”

    “আমরা?…..আমরা এই একটু ঠাণ্ডা হচ্ছিলাম।”—ধরা গলায় জবাব দিলেন মিঃ বাম্বল।

    “ঠাণ্ডা হচ্ছিলে?”—ঝাঁজিয়ে উঠলো মঙ্কস্‌ : “মানুষের মনে যে নরকের আগুন জ্বলছে, তা ঠাণ্ডা করার মতো বৃষ্টি কোনোদিন পড়েনি, পড়বেও না! যাক, এ সেই মেয়েছেলে নাকি?”

    “হ্যাঁ।”—জবাব দিলেন মিঃ বাম্বল।

    তারপর তিনজনে মই বেয়ে দোতলার ঘরে উঠলেন। ঘরে ঢুকে সমস্ত জানালা বন্ধ করে দিয়ে লণ্ঠনের শিখাটা কমিয়ে দিলো মঙ্কস্। তারপর একটা পুরোনো টেবিলের চারপাশে তিনখানা চেয়ারে বসলো তারা।

    কথায়-কথায় মঙ্কস জেনে ফেললো যে, আগন্তুক মেয়েছেলে মিস্টার বাম্বলেরই স্ত্রী। সে আর সময় নষ্ট না করে মিসেস্ বাম্বলকে জিজ্ঞাসা করলো : “সেই বুড়ির মরণের সময় তুমি নাকি তার কাছে ছিলে। সে তোমাকে কি বলেছিলো?”

    মিসেস্ বাম্বল বললেন : “হ্যাঁ তুমি এঁর কাছে যে ছেলেটার নাম করেছো, তার মায়ের সম্বন্ধে সে আমাকে কিছু বলেছিলো।”

    মঙ্কস বললো : “তাহলে প্রথম প্রশ্ন হলো, কি বিষয়ে সে তোমাকে বলেছিলো?”

    মিসেস্ বাম্বল বললেন : “ওটা হচ্ছে দ্বিতীয় প্রশ্ন। প্রথম প্রশ্ন হলো, এ খবরটা তোমাকে দিলে তার দক্ষিণা কতো পাবো?”

    “সে শুধু শয়তানই জানে!” বললো মঙ্কস্।

    মিসেস্ বাম্বল বললেন : “তাহলে তো তোমারই তা জানা উচিত!”

    মিসেস্ বাম্বলের এই নির্ভীক জবাবে মঙ্কস্ অবাক্ হয়ে গেল।

    মঙ্কস বুঝলো যে, ভারী শক্ত মেয়েমানুষের পাল্লায় পড়েছে সে; বেশ কিছু লোভ না দেখালে আসল খবরটা বের করা যাবে না। তাই খবরটার বিনিময়ে সে কুড়ি পাউন্ড দিতে কবুল করলো। মিসেস্ বাম্বল অতো অল্প দামে খবরটা বেচতে রাজী হলেন না। শেষে দর কষাকষি করে দামটাকে পঁচিশ পাউন্ডে তুললেন। অগত্যা টাকাটা গুনে টেবিলের ওপর রেখে মঙ্কস্ বললো : “নাও, টাকাটা তুলে রাখো। এবার খবরটা বলো।”

    মিসেস্ বাম্বল বলতে শুরু করলেন : “সেই বুড়ি দাই যখন মারা যায়, তখন ঘরে আমিই শুধু ছিলাম তার কাছে, আর কেউ না। মরার সময় সে একটা তরুণীর কথা বলেছিলো, যে নাকি কয়েক বছর আগে ঠিক ওই ঘরেই এবং ওই বিছানাতেই শুয়ে একটা সন্তান প্রসব করে মারা যায়। মরার সময়ে সেই তরুণী ওই বুড়িকে একটা জিনিস দিয়ে যায় এবং তার সন্তানের মুখ চেয়ে সেটাকে রক্ষা করতে বলে। বুড়ি অবশ্য পরে জিনিসটা বেচে দেয়।”

    “বেচে দিয়েছে?”—চেঁচিয়ে উঠলো মঙ্কস : “কোথায়? কবে? কার কাছে?” মিসেস্ বাম্বল বললেন : “এটুকু আমাকে বলেই সেই বুড়ি মারা যায়।” “মিছে কথা?”—গরজে উঠলো মঙ্কস : “আমার সঙ্গে চালাকি খাটাবে না। নিশ্চয়ই সে আরও কিছু বলেছে। সব কথা আমাকে খুলে বলো নইলে জেনে রেখো, যেভাবে ঢুকেছো, সেভাবে এখানে থেকে বেরুতে পারবে না!”

    মসের কথা শুনে মিঃ বাম্বল ভয়ে কাঠ হয়ে গেলেন, কিন্তু মিসেস্ বাম্বল কিছুমাত্র ভয় না পেয়ে বেশ ঠাণ্ডা মাথায় বললেন : “যা বললাম তার চেয়ে বেশি একটা কথাও সেই বুড়ি আর বলেনি। তবে সে হাত দিয়ে আমার পোশাক চেপে ধরেছিলো। সে মারা গেলে, আমি জোর করে তার হাত ছাড়বার সময়ে একখানা কাগজ পাই—সেখানা বন্ধকীর রসিদ। বুড়ি অনেক দিন ধরে রেখেছিলো জিনিসটাকে, আসল মালিকের কাছে পৌঁছে দিয়ে একটা মোটা দাঁও মরার মতলবে। কিন্তু অনেক অপেক্ষা করার পরেও কেউই যখন এলো না, আর বুড়িরও যখন অর্থের অভাব ঘটলো, তখন সে জিনিসটা বাঁধা দেয় এবং বছরের পর বছর নিয়মিত ভাবে সুদ দিতে থাকে। আমি রসিদখানা পেয়ে জিনিসটাকে ছাড়িয়ে এনে নিজের কাছে রেখে দিয়েছি, কি জানি কখন কি কাজে লাগে।”

    “কোথায় সে জিনিসটা!”—ব্যগ্র কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলো মঙ্কস্।

    “এই যে!”—বলে মিসেস্ বাম্বল একটা ছোট ব্যাগ বের করে দিয়ে যেন নিশ্চিন্ত হলেন। মঙ্কস সেটা ছোঁ মেরে নিয়ে খুলে ফেলে দেখলো ব্যাগের মধ্যে একটা ছোট্ট সোনার লকেট…লকেটের মধ্যে দু’গোছা চুল আর একটা সাধারণ বিয়ের আংটি। আংটিতে য়্যাগনেস্’ নাম লেখা—কোনো পদবী নেই, আর আছে অলিভারের জন্মের কয়েক বছর আগেকার একটা তারিখ।

    মিসেস্ বাম্বল মকে জিজ্ঞাসা করলেন : “এটা নিয়ে তুমি কি করবে? এ দিয়ে আমার ক্ষতি করবে না তো?”

    “কখনোই না। এই দেখ না, কি করি। সাবধান। এক পাও এগিয়ো না, তাহলে তোমাদের জীবনের দাম একটা কানাকড়িও থাকবে না”–এই বলে মঙ্কস হঠাৎ টেবিলটা সরিয়ে ফেলে মেঝের একটা আড্ডা ধরে টান দিতেই মিঃ বাম্বলের পায়ের কাছ থেকে একটা চোরা-দরজা বেরিয়ে পড়লো।

    মিস্টার বাম্বল আঁৎকে উঠে কয়েক পা পেছিয়ে গেলেন।

    তারপর মসের কথামতো তাঁরা সেই চোরা-দরজার নিচে তাকিয়ে দেখলেন সেখান দিয়ে একটা নদী বয়ে যাচ্ছে। মঙ্কস বললো : “আমি ইচ্ছে করলে তোমাদের ওই নদীতে ডুবিয়ে মারতে পারতাম।”

    মিস্টার বাম্বল বললেন : ‘উঃ কি স্রোত! ওখানে আজ কেউ পড়লে কাল সকালে তার লাশ বারো মাইল দূরে গিয়ে ভেসে উঠবে।”

    মঙ্কস তখন মিসেস্ বাম্বলের কাছ থেকে পাওয়া ব্যাগটার সাথে একটা লোহার ভারী জিনিস বেঁধে সেটাকে নদীর মধ্যে ছুঁড়ে ফেলে চোরা-দরজাটা বন্ধ করে দিলো। তারপর সে মিস্টার বাম্বলকে বললো : “তোমার স্ত্রীকে ভয় নেই, কিন্তু তুমি এরপর মুখ বুজে থেকো বুঝলে? এখন তোমরা বিদায় হও!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅরিজিন অফ স্পিসিস ১ – চার্লস ডারউইন
    Next Article নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    Related Articles

    চার্লস ডিকেন্স

    ডেভিড কপারফিল্ড – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    এ টেল ট্যু সিটীজ – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    দ্য পিকউইক পেপার্স – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }