Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলিভার টুইস্ট – চার্লস ডিকেন্স

    চার্লস ডিকেন্স এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অলিভার টুইস্ট – ১৩

    ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ

    সাইকস্‌ আগে যে বাসায় থাকতো, এখন আর সেখানে থাকে না। এখন একটা নোংরা গলির ভেতর অপরিষ্কার একটা ঘরে আস্তানা নিয়েছে। সেখানে আসবাবপত্র তেমন নেই। ঘরের চেহারা দেখলেই বোঝা যায়, লোকটার আর্থিক অবস্থা রীতিমতো খারাপ হয়ে পড়েছে আজকাল।

    তালি দেওয়া পোশাকে সাইক্‌স্ অসুস্থ হয়ে বিছানায় শুয়ে ছিলো। মুখে একরাশ দাড়ি—হপ্তাখানেক কামানো হয়নি। কুকুরটা বিছানার কাছে শুয়ে প্রভুর দিকে পিট্‌পিট্ করে তাকাচ্ছিলো, কখনও বা চাপা গলায় গজরাচ্ছিলো। জানালার ধারে বসে একমনে সাইকসের একটা ছেঁড়া জামায় তালি দিচ্ছিলো ন্যানসি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনরাত একনাগাড়ে সাইকে সেবা করার ফলে তাকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিলো। এখন আর আগের মতো চেহারার জৌলুস নেই—বেশ রোগা হয়ে গেছে সে।

    হঠাৎ সাইক্‌স্ জিজ্ঞাসা করলো : “কটা বাজে?”

    ন্যানসি জবাব দিলো : “সাতটা বেজে গেছে। কেমন আছো আজ বিল্‌?”

    -–“বিলকুল কাদার মতো বনে গেছি ন্যানসি! হাতটা ধরো তো দেখি, এ হতচ্ছাড়া বিছানাটাকে ছেড়ে একবার উঠি!”

    রোগে পড়েও সাইকসের মেজাজ কিন্তু ঠাণ্ডা হয়নি। উঠতে উঠতে সে এমন সব বিচ্ছিরি গালাগালি দিতে লাগলো ন্যানসিকে, যা শুনে বেচারা ন্যানসি বেহুঁশ হয়ে পড়লো।

    এমন সময়ে ঘরে ঢুকে ফ্যাগিন্ বলল : “এ কি ব্যাপার ভায়া?”

    সাইক্‌স্ রেগে উঠলো : “ওখানে দাঁড়িয়ে অমন করে চোখ পাকিয়ে দেখছো কি? পারো তো ওকে একটু সাহায্য কর…দেখছো না, ন্যানসি মুচ্ছো গেছে।”

    ফ্যাগিনের পেছনে-পেছনে ধুরন্ধর ও চার্লি এসেছিল। ধুরন্ধরের বগলে ছিল একটা মোড়ক। সে সেটাকে মাটির ওপর ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে চার্লির হাত থেকে একটা বোতল ছিনিয়ে নিলো। তারপর বোতলের মদটা নিজে একটু চেখে দেখে ন্যানসির মুখে ঢেলে দিতে দিতে বললো : “চার্লি, পাখা দিয়ে খুব জোরে জোরে বাতাস করো। ফ্যাগিন্, তুমি ওর হাতে আস্তে আস্তে থাবড়াতে থাকো। আর সাইক্‌স্, তুমি ততক্ষণ জামা-কাপড়গুলো একটু আলগা করে দাও।”

    ধুরন্ধরের কথামতো সবাই চট্‌পট্ সেবা শুরু করায় ন্যানসি শীগগির চাঙ্গা হয়ে উঠলো। ফ্যাগিন্ বললো : “বিল্, তোমার জন্যে কিছু কাপড়-চোপড় নিয়ে এসেছি।”

    সাইক্‌স্ বললো : “বেশ করেছো, কিন্তু আজ রাতে যে কিছু চাঁদি চাই।” ফ্যাগিন্ বললো : “আমার কাছে এখন একটাও পয়সা নেই।”

    –“তোমার বাড়িতে ঢের আছে।”

    –“ঢের?”

    “হ্যাঁ ঢের। কত আছে তা জানি নে, তুমিও বেশ ভালো করে না গুনে ঠিক তা বলতে পারবে না মোদ্দা, আজ রাত্তিরে কিছু টাকা আমার চাই-ই।”

    —“বেশ, আমি ধুরন্ধরকে দিয়ে এখনি পাঠিয়ে দিচ্ছি।” বলে একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেললো ফ্যাগিন্।

    সাইক্‌স্ বললো : “উহু! ধুরন্ধর হচ্ছে বহুৎ ধুরন্ধর! ও হয় এখানে আসতে ভুলে যাবে, নয়তো পথ হারিয়ে ফেলবে, নয়তো বা লাল পাগড়ীর ফাঁদে পড়বে। আসলে এখানে না আসার একটা কিছু সাফাই কৈফিয়ৎ ও বানিয়ে নিতে পারবে। সে হবে না—ন্যানসি যাক্ তোমার গরুর গোয়ালে টাকা নিয়ে আসতে।”

    অগত্যা ফ্যাগিন্ তার দলবল আর ন্যানসিকে নিয়ে চলে যেতে বাধ্য হলো। তারপর ফ্যাগিনের ঘরে ওরা যখন পৌঁছলো, তখন সেখানে টোবি ক্র্যাকিট আর টম চিলিং বসে তাসের জুয়া খেলছিলো। ওরা পৌঁছতেই সবাই ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়লো—রইলো কেবল ফ্যাগিন্ আর ন্যানসি। ফ্যাগিন টাকার বাক্স খুলতে যাবে, এমন সময় নিচে পায়ের শব্দ শুনে চমকে উঠলো—কে একজন ঘরের দিকে আসছে! তার গলার স্বর শুনে ফ্যাগিন্ চিনতে পারে আগন্তুককে, আর ন্যানসি চমকে ওঠে।

    ফ্যাগিন্ তাড়াতাড়ি বলে ওঠে : “বাঃ! এ লোকটারই তো এখানে আসার কথা ছিল না। যাক্ এসে গেছে ভালোই হলো। ন্যানসি! ওর সামনে টাকার কথা তুলো না। দশ মিনিটের মধ্যেই ও চলে যাবে।

    ঘরে ঢুকলো মঙ্কস্।

    ন্যানসিকে দেখে থমকে দাঁড়িয়ে ফিরে যাবার তোড়জোড় করতেই ফ্যাগিন বলে উঠলো : “আরে না-না, একে দেখে তোমার ঘাবড়াবার কিছু নেই হে। এ আমারই চেলাদের একজন।”

    ন্যানসি কিন্তু তখন মসের দিকে একনজরে তাকিয়ে আছে।

    ফ্যাগিন্ জিজ্ঞাসা করে : “কোনো খবর আছে কি?”

    মঙ্কস জবাব দেয় : “খুব দামী খবর আছে হে!”

    ফ্যাগিন্ জিজ্ঞাসা করে : “ভালো কি খারাপ?”

    মঙ্কস বলে : ‘অন্তত মন্দ নয়। তোমার সঙ্গে কিছু গোপন কথা আছে।” এই বলে মঙ্কস ন্যানসির দিকে তাকালো। ন্যানসি কিন্তু ঘর ছেড়ে চলে যাবার কোনো আগ্রহ দেখালো না।

    ন্যানসিকে চলে যেতে বললে পাশে সে চেঁচিয়ে টাকা চেয়ে বসে, এই ভয়ে ফ্যাগিন্ মকে নিয়ে ওপর তলায় গেল গোপন আলোচনার জন্যে। ওরা দু’জনে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গেই ন্যানসি নিজের জুতো খুলে ফেললো ও কালো গাউনটায় তার সারা দেহ মুড়ি দিয়ে নিলো। তারপর খালি পায়ে চুপিচুপি পা টিপে-টিপে সিঁড়ি বেয়ে সে ওপরে উঠে গেল মঙ্কস্ ও ফ্যাগিনের গোপন কথাবার্তা শোনার জন্যে।

    মিনিট পনেরো পরে ন্যানসি ফিরে এলো। ফ্যাগিন্ ফিরে এসে দেখে ন্যানসি বিবর্ণ মুখে ঘরে বসে আছে। সে বলে ওঠে : “ন্যানসি! মুখটা তোর ভয়ে আমসি হয়ে গেছে কেন?”

    ন্যানসি বলে : “আমি তার কি জানি। এই ঘুপসি ঘরে কতক্ষণ অপেক্ষা করব! টাকা দাও, চলে যাই।” আর দেরি না করে ফ্যাগি ন্যানসির হাতে গুনে গুনে টাকা দিলো আর প্রতিটি টাকা দেওয়ার সাথে-সাথে সে একটা করে দীর্ঘনিশ্বাস ফেললো।

    উত্তেজিত অবস্থায় ন্যানসি টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরলো। তার ভাগ্য ভালো যে, সাইকস্‌ তার পরদিন সেই টাকা নিয়ে মনের সুখে মদ খেতে লাগলো –ন্যানসির আচরণে কোনো পরিবর্তন নজর করার মতো মনের অবস্থা আর তার রইলো না।

    বেলা পড়ে আসার সঙ্গে-সঙ্গেই ন্যানসির মানসিক উত্তেজনা খুব বেড়ে গেল। সে অপেক্ষা করতে লাগলো, সাইক্‌স্ কখন মদ খেতে-খেতে ঘুমিয়ে পড়বে। ন্যানসির মুখে এমন একটা বিবর্ণ ভাব আর তার চোখে এমন একটা জ্বালা ফুটে উঠলো যে, সাইকসেরও তা নজরে পড়লো, কিন্তু ন্যানসিকে জিজ্ঞাসা করে এর কোনো সদুত্তর পেলো না সে।

    তারপর সাইক্‌স্ নিঝুম হয়ে খানিকক্ষণ শুয়ে থাকার পর ন্যানসিকে হাত-পা টিপে দেবার জন্যে হুকুম করলো। এরপর এক নজরে ন্যানসির মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে সাইক্‌স্ যেন মনে মনে বললো : ‘নাঃ এমন বিশ্বাসী মেয়ে আর একটাও নেই, নইলে তিন মাস আগেই ওর গলা কেটে ফেলতাম!”

    সাইক্‌স্ ঘুমোচ্ছে না দেখে ন্যানসি এবার মদের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে কয়েক পাত্র মদ খেতে দিতেই সাইক্‌স্ শীগগির ঘুমিয়ে পড়লো। ন্যানসিস তখন তাড়াতাড়ি উঠে গিয়ে পোশাক বদলে চুপিচুপি ঘরের দরজা ভেজিয়ে দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লো।

    রাত তখন সাড়ে ন’টা। রাস্তায় নেমে এত হন্ হন্ করে সে হাঁটতে লাগলো যে, পথিকেরা পর্যন্ত অবাক হয়ে গেল। হাঁটতে-হাঁটতে ন্যান্‌স দেখলো রাস্তার দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সে যতটা পারে তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে এগোতে লাগলো হাইড পার্কের দিকে। ঘড়িতে এগারোটা বাজার সঙ্গে সঙ্গে সে একটা হোটেলের সামনে এসে এদিক-ওদিক চেয়ে কয়েকবার পায়চারি করে হোটেলের মধ্যে ঢুকে পড়লো। কিন্তু একটু ঢুকেই দারোয়ানের আসন খালি দেখে সে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গেল।

    ঠিক সেই সময়ে এক তরুণী পরিচারিকা তাকে জিজ্ঞাসা করলো : “কি চাই?” তার চোখ-মুখে ফুটে উঠেছে অবজ্ঞার ভাব।

    ন্যানসি বললো : “মিস্ মেইলীকে চাই।”

    পরিচারিকার ডাকে একটা চাকর বেরিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করলো : “কি নাম তোমার? কি দরকার তাঁকে?”

    ন্যানসি তা জানাতে অস্বীকার করলো। চাকরটা তখন তাকে সদর দরজার দিকে ঠেলে আঙুল দেখিয়ে বললো : “তবে—ভাগো হিঁয়াসে।”

    ন্যানসি বললো : “তা যদি বলো তো, তোমরা দু’জনে মিলেও আমাকে এখান থেকে বের করে দিতে পারবে না।”

    এমন সময়ে এক ঠাণ্ডা মেজাজের পাচক এসে বললো : “আঃ! কি ঝামেলাই না তোমরা বাধিয়ে তুললে এতো রাতে! ওহে জো। খবরটা দাও না ছাই তেনার কাছে পৌঁছে। তাহলে তো হাঙ্গামা চুকে যায়।”

    অগত্যা মিস্ মেইলীকে খবর দিতে গেল জো, আর বিবর্ণ মুখে রুদ্ধশ্বাসে তার আসার অপেক্ষা করতে লাগলো ন্যানসি। সেই সময় ন্যানসি পরিষ্কার শুনতে পেলো, হোটেলের পরিচারিকারা তাকে লক্ষ্য করে কুৎসিত ভাবে গালাগালি দিচ্ছে। ন্যানসি নীরবে সহ্য করে রইলো।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই জো ফিরে এসে ন্যানসিকে নিয়ে দোতলার একটা ছোট কুঠরিতে বসালো।

    .

    রোজ ঘরে ঢুকতে ন্যানসি প্রথমে একটা চড়া মেজাজে বলে উঠলো : “আপনার সঙ্গে দেখা করা ভারী শক্ত ব্যাপার। আমি যদি আর দশজনের মতো রাগ করে চলে যেতাম, তাহলে হয়তো আপনাকে অনুতাপ করতে হতো সেজন্যে।

    রোজ বললো : “কেউ যদি তোমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে থাকে ভাই, তার জন্যে আমি অত্যন্ত দুঃখিত। আমার অনুরোধ, তুমি সেসব কথা মন থেকে মুছে ফেলো। এখন বলো, কেন আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছো।”

    রোজের ঠাণ্ডা মেজাজ ও তার মিষ্টি কথাবার্তা শুনে অবাক হয়ে ন্যানসি প্রায়

    ন্যানসি কিন্তু তখন মসের দিকে একনজরে তাকিয়ে আছে।

    ফ্যাগিন্ জিজ্ঞাসা করে : “কোনো খবর আছে কি?”

    মঙ্কস্ জবাব দেয় : “খুব দামী খবর আছে হে!”

    ফ্যাগিন্ জিজ্ঞাসা করে : “ভালো কি খারাপ?”

    মঙ্কস বলে : ‘অন্তত মন্দ নয়। তোমার সঙ্গে কিছু গোপন কথা আছে।” এই বলে মঙ্কস ন্যানসির দিকে তাকালো। ন্যানসি কিন্তু ঘর ছেড়ে চলে যাবার কোনো আগ্রহ দেখালো না।

    ন্যানসিকে চলে যেতে বললে পাশে সে চেঁচিয়ে টাকা চেয়ে বসে, এই ভয়ে ফ্যাগিন্ মকে নিয়ে ওপর তলায় গেল গোপন আলোচনার জন্যে। ওরা দু’জনে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাবার সঙ্গে সঙ্গেই ন্যানসি নিজের জুতো খুলে ফেললো ও কালো গাউনটায় তার সারা দেহ মুড়ি দিয়ে নিলো। তারপর খালি পায়ে চুপিচুপি পা টিপে-টিপে সিঁড়ি বেয়ে সে ওপরে উঠে গেল মঙ্কস্ ও ফ্যাগিনের গোপন কথাবার্তা শোনার জন্যে।

    মিনিট পনেরো পরে ন্যান্‌স ফিরে এলো। ফ্যাগিন্ ফিরে এসে দেখে ন্যানসি বিবর্ণ মুখে ঘরে বসে আছে। সে বলে ওঠে : “ন্যানসি! মুখটা তোর ভয়ে আমসি হয়ে গেছে কেন?”

    ন্যানসি বলে : “আমি তার কি জানি। এই ঘুপসি ঘরে কতক্ষণ অপেক্ষা করব! টাকা দাও, চলে যাই।” আর দেরি না করে ফ্যাগিন ন্যানসির হাতে গুনে গুনে টাকা দিলো আর প্রতিটি টাকা দেওয়ার সাথে-সাথে সে একটা করে দীর্ঘনিশ্বাস ফেললো।

    উত্তেজিত অবস্থায় ন্যানসি টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরলো। তার ভাগ্য ভালো যে, সাইকস্‌ তার পরদিন সেই টাকা নিয়ে মনের সুখে মদ খেতে লাগলো ন্যানসির আচরণে কোনো পরিবর্তন নজর করার মতো মনের অবস্থা আর তার রইলো না।

    বেলা পড়ে আসার সঙ্গে-সঙ্গেই ন্যানসির মানসিক উত্তেজনা খুব বেড়ে গেল। সে অপেক্ষা করতে লাগলো, সাইক্‌স্ কখন মদ খেতে-খেতে ঘুমিয়ে পড়বে। ন্যানসির মুখে এমন একটা বিবর্ণ ভাব আর তার চোখে এমন একটা জ্বালা ফুটে উঠলো যে, সাইকসেরও তা নজরে পড়লো, কিন্তু ন্যানসিকে জিজ্ঞাসা করে এর কোনো সদুত্তর পেলো না সে।

    তারপর সাইক্‌স্ নিঝুম হয়ে খানিকক্ষণ শুয়ে থাকার পর ন্যানসিকে হাত-পা টিপে দেবার জন্যে হুকুম করলো। এরপর এক নজরে ন্যানসির মুখের দিকে তাকিয়ে থেকে সাইক্‌ যেন মনে মনে বললো : ‘নাঃ এমন বিশ্বাসী মেয়ে আর একটাও নেই, নইলে তিন মাস আগেই ওর গলা কেটে ফেলতাম!”

    সাইক্‌স্ ঘুমোচ্ছে না দেখে ন্যানসি এবার মদের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে কয়েক পাত্র মদ খেতে দিতেই সাইক্‌স্ শীগগির ঘুমিয়ে পড়লো। ন্যানসি তখন তাড়াতাড়ি উঠে গিয়ে পোশাক বদলে চুপিচুপি ঘরের দরজা ভেজিয়ে দিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লো।

    রাত তখন সাড়ে ন’টা। রাস্তায় নেমে এত হন্ হন্ করে সে হাঁটতে লাগলো যে, পথিকেরা পর্যন্ত অবাক হয়ে গেল। হাঁটতে-হাঁটতে ন্যান্‌স দেখলো রাস্তার দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সে যতটা পারে তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে এগোতে লাগলো হাইড পার্কের দিকে। ঘড়িতে এগারোটা বাজার সঙ্গে সঙ্গে সে একটা হোটেলের সামনে এসে এদিক-ওদিক চেয়ে কয়েকবার পায়চারি করে হোটেলের মধ্যে ঢুকে পড়লো। কিন্তু একটু ঢুকেই দারোয়ানের আসন খালি দেখে সে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গেল।

    ঠিক সেই সময়ে এক তরুণী পরিচারিকা তাকে জিজ্ঞাসা করলো : “কি চাই?” তার চোখ-মুখে ফুটে উঠেছে অবজ্ঞার ভাব।

    ন্যানসি বললো : “মিস্ মেইলীকে চাই।”

    পরিচারিকার ডাকে একটা চাকর বেরিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করলো : “কি নাম তোমার? কি দরকার তাঁকে?”

    ন্যানসি তা জানাতে অস্বীকার করলো। চাকরটা তখন তাকে সদর দরজার দিকে ঠেলে আঙুল দেখিয়ে বললো : “তবে—ভাগো হিঁয়াসে।”

    ন্যানসি বললো : “তা যদি বলো তো, তোমরা দু’জনে মিলেও আমাকে এখান থেকে বের করে দিতে পারবে না।”

    এমন সময়ে এক ঠাণ্ডা মেজাজের পাচক এসে বললো : “আঃ! কি ঝামেলাই না তোমরা বাধিয়ে তুললে এতো রাতে! ওহে জো। খবরটা দাও না ছাই তেনার কাছে পৌঁছে। তাহলে তো হাঙ্গামা চুকে যায়।”

    অগত্যা মিস্ মেইলীকে খবর দিতে গেল জো, আর বিবর্ণ মুখে রুদ্ধশ্বাসে তার আসার অপেক্ষা করতে লাগলো ন্যানসি। সেই সময় ন্যানসি পরিষ্কার শুনতে পেলো, হোটেলের পরিচারিকারা তাকে লক্ষ্য করে কুৎসিত ভাবে গালাগালি দিচ্ছে। ন্যানসি নীরবে সহ্য করে রইলো।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই জো ফিরে এসে ন্যানসিকে নিয়ে দোতলার একটা ছোট কুঠরিতে বসালো।

    .

    রোজ ঘরে ঢুকতে ন্যানসি প্রথমে একটা চড়া মেজাজে বলে উঠলো : “আপনার সঙ্গে দেখা করা ভারী শক্ত ব্যাপার। আমি যদি আর দশজনের মতো রাগ করে চলে যেতাম, তাহলে হয়তো আপনাকে অনুতাপ করতে হতো সেজন্যে।”

    রোজ বললো : “কেউ যদি তোমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে থাকে ভাই, তার জন্যে আমি অত্যন্ত দুঃখিত। আমার অনুরোধ, তুমি সেসব কথা মন থেকে মুছে ফেলো। এখন বলো, কেন আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছো।”

    রোজের ঠাণ্ডা মেজাজ ও তার মিষ্টি কথাবার্তা শুনে অবাক হয়ে ন্যানসি প্রায় কাঁদো কাঁদো সুরে বললো : “আমার আসল পরিচয় না জেনে এমন সদয়ভাবে কথা বলবেন না আমার সঙ্গে। যাক, রাত বেড়ে যাচ্ছে, কাজের কথাটাই বলে ফেলি আগে—ওই দরজাটা বন্ধ আছে তো?”

    ভয়ে কয়েক পা পিছিয়ে গিয়ে রোজ জানালো : “হ্যাঁ আছে। কিন্তু কেন বলো তো?”

    ন্যানসি বললো : “কেননা আমি কয়েকজনের জীবন আপনার হাতে সঁপে দিচ্ছি।” বলার সাথে সাথে ন্যানসি ভীষণ মুষড়ে পড়লো।

    কিভাবে নিজের মনের উদ্বেগের কথাটা পাড়বে, তা ঠিক করতে না পেরে রোজের মুখের দিকে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থেকে ন্যানসি মাথা নিচু করে বললো : “আমিই পেন্টন্‌ভিলের বাড়ি থেকে অলিভারকে ধরে নিয়ে গিয়েছিলাম ফ্যাগিনের আড্ডায়।”

    —“তুমি!”

    —“হ্যাঁ, আমিই। আমি সেই মহাপাপিনী, যে চোরেদের দলে বাস করে এবং যে জ্ঞান হবার পর থেকে ভালো পরিবেশে বাস করার কোনো সুযোগই পায়নি।”

    বিস্ময়-ভরা চোখে রোজ সেই বিচিত্র নারীমূর্তির দিকে তাকিয়ে রইলো। বেদনায় ভরে এলো তার মন। শান্ত গলায় সে বললো : “ভারী দুঃখ হয় তোমার জন্যে!” —“আপনি করুণাময়ী! ভগবান আপনাকে সুখে রাখুন। আমি পালিয়ে এসেছি আপনাকে খবরটা দিতে…ওরা জানতে পারলে নিশ্চয়ই আমাকে খুন করবে। আচ্ছা, আপনি মঙ্কস্ নামে কোনো লোককে চেনেন কি?”

    —“না তো!”

    সে কিন্তু আপনাকে চেনে, আর আপনি যে এখানে আছেন তাও তো সে জানে। আমি তার কথাবার্তা লুকিয়ে শুনেছি বলেই আপনার ঠিকানা পেয়ে এখানে আসতে পেরেছি।”

    রোজ বললো : “আমি ও-নাম কখনো শুনিনি।”

    —“তাহলে সে ছদ্মনামে আমাদের দলে মেশে। আমিও তাই ভেবেছিলাম। অলিভারকে আপনাদের বাড়িতে ডাকাতির কাজে লাগিয়ে দেবার ক’দিন পরেই ওই লোকটা হঠাৎ ফ্যাগিনের সঙ্গে দেখা করে। ফ্যাগিন্ ওকে নিয়ে দোতলায় চলে যায় গোপনে কথা কইতে দরজা বন্ধ করে। আমার কেমন যেন লোকটাকে সন্দেহ হলো। তাই আমিও দোতলায় উঠে দ্রজার পাশে অন্ধকারে লুকিয়ে থেকে ফ্যাগিনের সঙ্গে ওই লোকটার গোপন পরামর্শ শুনি…তাতে জানতে পারি—অলিভার যেদিন পুলিশে ধরা পড়ে, মঙ্কস সেদিন হঠাৎ তাকে দেখতে পেয়েই বুঝতে পারে যে, এতদিন যে ছেলেটার সে খোঁজ করছিলো অলিভারই হচ্ছে আসলে সেই ছেলেটাই। তখন সে ফ্যাগিনের সঙ্গে ফন্দি আঁটে যে, ফ্যাগিন্ যদি অলিভারকে আটকে রেখে চোর বানাতে পারে, তবে সে মসের কাছ থেকে মোটা টাকা পাবে।”

    —“কিন্তু কি উদ্দেশ্য ওর?”

    –“সেটা তখন জানতে পারিনি। কেননা, মঙ্কস জানালা দিয়ে আমার ছায়া দেখতে পেয়ে চমকে ওঠে এবং ধরা পড়ার ভয়ে আমি তাদের আর কোনো কথা না শুনেই তাড়াহুড়ো করে পালিয়ে নিচে নেমে আসি।”

    —“তারপর?”

    —“তারপর ওর দেখা পেলাম আবার কাল রাত্তিরে ফ্যাগিনের আস্তানায়। এসেই সে আগের মতো গোপন পরামর্শ করবার জন্যে ফ্যাগিকে নিয়ে দোতলার ঘরে চলে গেল। আমিও এবার সারা দেহ এমনভাবে মুড়ে নিয়েছিলাম, যাতে সে আমার ছায়া দেখতে না পায়। দরজার পাশে লুকিয়ে ওদের কথাবার্তা শুনলাম। মঙ্কস্ বললো ফ্যাগিকে, “ছোঁড়াটার পরিচয়ের একমাত্র চিহ্ন এখন নদীর তলায়, আর যে-বুড়িটা ওর মায়ের কাছ থেকে সেটা নিয়েছিলো, সে বুড়িও আজ কবরে শুয়ে।” মঙ্কস আরও বললো যে, যদিও সে ওই শয়তান ছেলেটার টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিরাপদে ভোগ করছে, তবুও সে অন্যভাবে নিশ্চিন্ত হতে চায়, কেননা ওই ছেলেটাকে জেলে-জেলে ঘানি টানিয়ে এবং পরিণামে ফ্যাগিনের সাহায্যে ফাঁসির দড়ি তার গলায় ঝুলিয়ে বাপের উইলের শর্ত ভেঙে চুরমার করতে পারলে কী সুবিধে না হবে! অবশ্য বিপদের সম্ভাবনা না থাকলে সে নিজেই ছেলেটার ঘাড় মট্‌কাতো কিন্তু তা যখন সে পারছে না, তখন ছেলেটার জীবনের প্রত্যকটা পদক্ষেপ বিষময় করে তোলার দিকে সে নজর দেবে, আর ছেলেটার জন্ম ও তার মায়ের কলঙ্কজনক ইতিহাসের সুযোগ নিয়েও সে তার ক্ষতি করবে। সবশেষে সে বললো, ““ফ্যাগিন্, আমার ভায়ের জন্যে এমন ফাঁদ পাতবো যে, তোমারও তাক্‌ লেগে যাবে।”

    রোজ সবিস্ময়ে বললো : “ভাই!”

    ন্যানসি বললো : “হ্যাঁ, তাই তো সে বলেছে। আরও সে বলেছে যে, তার বিরুদ্ধে ভগবানের বা শয়তানের চক্রান্তের ফলে অলিভার যখন আপনাদের আশ্রয়ে এসে পড়েছে, তখন তার আসল পরিচয় জানার জন্যে আপনারা নাকি হাজার হাজার পাউন্ড খরচ করতেও পেছ-পা হবেন না। যাক, রাত হয়ে গেছে—আমি এখন চলি, নইলে ওরা আমাকে সন্দেহ করবে।”

    রোজ বললো : “তা, এ-খবর নিয়ে আমি কি করবো? আর, তুমিই বা সেখানে ফিরে যাবে কেন? তুমি তো বলছো যে, তোমার সঙ্গীরা সব সাংঘাতিক লোক। আমি বরং পাশের ঘর থেকে একজন ভদ্রলোককে ডেকে আনি, যিনি আধঘণ্টার মধ্যে তোমাকে একটা নিরাপদ স্থানে নিয়ে গিয়ে রাখার ব্যবস্থা করবেন।”

    ন্যানসি বললো : “না, না, তা করবেন না। আমাকে সেখানে ফিরে যেতেই হবে। ওই চোরেদের মধ্যে সবচেয়ে সাংঘাতিক যে লোকটা, তাকে ছেড়ে থাকতে পারবো না আমি। এমনকি যে গ্লানিময় জীবন আমি এখন কাটাচ্ছি, তা থেকে রক্ষা পাবার জন্যেও আমি তার সঙ্গ ছাড়তে পারবো না।”

    রোজ বললো : “কিন্তু নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যখন একজন বালককে বাঁচাবার জন্য এত রাতে ছুটে এসেছো, তখন আমার বিশ্বাস—তোমার ভুল শোধরাবার এখনও উপায় আছে।” কথা বলতে বলতে রোজের চোখে জল এলো।

    হাত জোড় করে রোজ আবার বললো : “আমার অনুরোধ রাখো—একজন মেয়েমানুষ হয়ে আমি তোমার কাছে আবেদন করছি—ভালো পরিবেশে রেখে তোমাকে রক্ষা করার সুযোগ দাও আমাকে।”

    ন্যানসি হাঁটু গেড়ে বসে কাঁদতে কাঁদতে বললো : “আপনি সর্বপ্রথম আমাকে নানা সৎ কথা বললেন। উঃ, কয়েক বছর আগেও যদি ওসব শুনতাম, তাহলে হয়তো নিজেকে বাঁচাতে পারতুম। কিন্তু এখন বড্ডো দেরি হয়ে গেছে—ফেরার পথ আর নেই।”

    রোজ বললো : “দেরি মোটেই হয়নি।”

    আর্তকণ্ঠে ন্যানসি চেঁচিয়ে উঠলো : “দেরি হয়েছে—দেরি হয়েছে! আমি তাকে কিছুতেই ছাড়তে পারবো না, আমি তার মৃত্যুর কারণ হতে পারবো না।”

    রোজ বললো : “তার মৃত্যুই বা হবে কেন?”

    ন্যানসি বললো : “কেউ-ই তাকে বাঁচাতে পারবে না। আপনাকে যা বললাম তা যদি তাদের কাউকে বলি, তাহলে তার মৃত্যু নিশ্চিত।”

    রোজ বললো : “যে লোক আজ বাদে কাল ফাঁসির দড়ি গলায় দেবে, তার জন্যে কেন তুমি নিজের ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলি দিচ্ছো তা বুঝতে আমার বুদ্ধিতে কুলোয় না। যা হোক, তুমি যে খবর আমাকে দিলে, তা নিয়ে তদন্ত করতে হবে। এর পরে হয়তো তোমার আরও সাহায্য দরকার লাগতে পারে। তখন তোমাকে কোথায় পাবো?”

    ন্যানসি বললো : “আপনি যদি আমাকে কথা দেন যে আমার ব্যাপারটা গোপন রাখবেন, তাহলে বলতে পারি প্রতি রবিবারে রাত এগারোটা থেকে বারোটা পর্যন্ত আমি লন্ডন-ব্রিজের ওপর ঘুরে বেড়াবো, অবশ্য যদি বেঁচে থাকি। আপনি কিন্তু প্রতিশ্রুতি দিন যে, হয় আপনি একাকিনী আমার সঙ্গে দেখা করবেন, নয় তো এমন একজনকে নিয়ে আসবেন যে অন্য কারও কাছে এ-বিষয়ে কিছু বলবে না।”

    রোজ এরকম প্রতিশ্রুতি দিলে ন্যানসি চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅরিজিন অফ স্পিসিস ১ – চার্লস ডারউইন
    Next Article নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    Related Articles

    চার্লস ডিকেন্স

    ডেভিড কপারফিল্ড – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    এ টেল ট্যু সিটীজ – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    দ্য পিকউইক পেপার্স – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }