Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অলিভার টুইস্ট – চার্লস ডিকেন্স

    চার্লস ডিকেন্স এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অলিভার টুইস্ট – ৩

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    বালক অলিভারকে হাঁটিয়ে নিয়ে গেলেন মিঃ বাম্বল। এর আগে অলিভার একনাগাড়ে এতটা পথ হাঁটার সুযোগ পায়নি কখনো। তাই একদিকে যেমন পথ চলতে অসুবিধে হওয়ায় সে মাঝে মাঝে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ছিলো, তেমনি আশেপাশে নানা অপরিচিত দৃশ্য দেখে কখনো কখনো হতবাক্ হচ্ছিলো। পথ চলায় অলিভারের এই ধরনের গাফিলতি মিঃ বাম্বল সইতে পারলেন না। তিনি ধমক দিলেন কয়েকবার তাকে, শেষে কানমলা ও কোঁৎকা দিয়ে তার পথ চলার গতি বাড়িয়ে দেবার চেষ্টা করলেন, কিন্তু কিছুতেই বালক অলিভার তাঁর মতো একটা ধুম্‌সো লোকের সাথে পাল্লা দিয়ে হাঁটতে পারলো না। একে তার খিদেয় পেট জ্বলছে, তার ওপর পথ চলার অভ্যাস নেই তার। তাই মিঃ বাম্বলের হুমকি কোনো কাজেই লাগলো না। অবশ্য মিঃ বাম্বলকে খুশি করার জন্যে অলিভারের চেষ্টার কসুর ছিলো না একটুও। সত্যি কথা বলতে কি, রোগা লিক্‌লিকে ফ্যাকাসে ছোটোখাটো চেহারা নিয়ে অলিভারকে দৌড়োতে হয়েছিলো মিঃ বালের পেছনে পেছনে।

    এভাবে অলিভারকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে মিঃ বাম্বল যখন অনাথ- আশ্রমের প্রধান কর্মকেন্দ্রে হাজির হলেন, তখন সন্ধ্যা হয়ে গেছে। এসেই শুনলেন যে আশ্রমের কর্মকর্তাদের সভা শুরু হয়ে গেছে, আর অলিভারকে নিয়ে সভায় হাজির হবার জন্যে তাঁর ঘন ঘন ডাক এসেছে সভাপতি মিঃ লিকিনের কাছ থেকে। একথা শোনামাত্র মিঃ বাম্বল অলিভারকে দু’চার মিনিট বিশ্রাম করার সুযোগ না দিয়েই তাকে বগলদাবা করে টানতে টানতে হন্তদন্ত হয়ে সভায় হাজির হলেন।

    কর্মকর্তাদের সভায় হাজির হয়ে অলিভার দেখলো, আট-দশজন ভদ্রলোক একটা মস্ত বড়ো টেবিলকে ঘিরে চেয়ারে বসে কথাবার্তা কইছেন আর মাঝে মাঝে কতকগুলো লেখা কাগজ পড়ছেন। তাঁদের মধ্যে একজন একটু উঁচু চেয়ারে বসে আছেন।

    অলিভারকে টেবিলের দিকে এগিয়ে দিয়ে মিঃ বাম্বল বললেন : “অলিভার, ওঁদের নমস্কার জানাও—ওঁরাই তোমাকে এতদিন খাইয়ে পরিয়ে মানুষ করেছেন।”

    খিদের জ্বালায় আর পথশ্রমে অলিভারের চোখে বিন্দু বিন্দু জল জমেছিলো। চোখের জল মুছে সে টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে নমস্কার জানালো কর্মকর্তাদের। যিনি উঁচু চেয়ারে বসে ছিলেন, তিনি হলেন সভাপতি মিঃ লিম্বকিন। একটিপ নস্যি নিয়ে তিনি প্রশ্ন করলেন : “খোকা, তোমার নাম কি?”

    প্রশ্নের সাথে সাথে এতগুলো লোককে তার মুখের দিকে এক নজরে তাকাতে দেখেই অলিভার ঘাবড়ে গেলো। ভয়ে ঠক্‌ঠক্‌ করে তার পা কাঁপছিলো, গলা তার শুকিয়ে গিয়েছিলো। তাই বিড়বিড় করে সে যা জবাব দিলো তা সকলে শুনতে পেলেন না।

    কর্মকর্তাদের কেউ কেউ মন্তব্য করলেন : “ছেলেটা একটা আস্ত গাধা।” কেউ কেউ বললেন : “পেট ভরে খাওয়ানোর ফলে ছেলেটার মাথার ঘিলু মোটা হয়ে গেছে।”

    মিঃ বাম্বল এবার অলিভারের পেছনে দাঁড়িয়ে দু’একটা কোঁৎকা দিলেন। ফলে অলিভার তার নুয়ে পড়া পা দুটো খাড়া করে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো পরবর্তী প্রশ্নের জন্যে।

    মিঃ লিম্বকিন আবার প্রশ্ন করলেন : “খোকা, তুমি বোধ হয় জানো যে তুমি একজন অনাথ?”

    “তাতে হয়েছে কি?” অলিভার জবাব দিয়ে বসলো।

    এবার হাসির রোল উঠলো সভার মাঝে। অলিভার যে নিরেট গাধা সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের আর কোনো সন্দেহ রইলো না।

    মিঃ লিকিন অলিভারের দিকে তাকিয়ে আবার বললেন : “তুমি নিশ্চয়ই জানো যে তোমার বাপ-মা নেই বলে আমরা তোমাকে খাইয়ে পরিয়ে মানুষ করেছি, তাই না?”

    কাঁদ-কাঁদ গলায় অলিভারের ছোট্ট জবাব শোনা গেল : “হ্যাঁ।”

    মিঃ লিকিন বললেন : “তোমাকে এবার শিখিয়ে পড়িয়ে কোনো কাজের লায়েক করে তোলার জন্যে এখানে আনা হয়েছে। কাল ভোর ছটা থেকে দড়ি পাকানোর কাজে লেগে যাবে, বুঝেচো?”

    অলিভারের মুখ দিয়ে আর কোনো জবাব বেরুলো না। মিঃ বাম্বল অবশ্য আর দেরি না করে অলিভারকে টানতে টানতে একটা বড়ো হলঘরে নিয়ে এসে তারই এককোণে একটা ময়লা বিছানায় শুইয়ে দিলেন। অলিভার ফুঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লো কেউ আর খোঁজ রাখলো না। খাবার জন্যে কেউ তাকে ডাকতেও এলো না।

    ওদিকে কর্মকর্তারা সভা শেষ করার আগে অনাথ-আশ্রম পরিচালনার ব্যাপারে কতকগুলো নিয়মকানুনের গুরুতর রদবদল করলেন। তার মধ্যে একটা হলো অনাথ ছেলেদের খাওয়ার পরিমাণ বিষয়ে। কর্মকর্তারা সবাই জ্ঞানী-গুণী দার্শনিক লোক। তাঁরা অনেক ভেবেচিন্তে ঠিক করলেন যে অনাথ ছেলেদের বেশি পরিমাণে খাবার দেওয়া হচ্ছে বলে তারা দিন দিন গাধা হয়ে যাচ্ছে, আর অকর্মার ঢেঁকি হয়ে নিশ্চিন্ত আরামে দিন কাটাচ্ছে, তাই এবার থেকে খাওয়ার পরিমাণ এমনভাবে কমাতে হবে যাতে অনাথ ছেলেরা আশ্রমকে তাদের আড্ডাখানা করে তুলতে না পারে, আর খিদের জ্বালায় কাজকর্মের দিকে মন দিতে পারে। এই উদ্দেশ্যে তাঁরা আশ্রমের খাবার জলের সরবরাহ বাড়িয়ে দিলেন, আর ছেলেদের মাথাপিছু রোজ তিনবারে তিন হাতা যবের ছাতুর তৈরি পাতলা লসি, সপ্তাহে দুবার একটি করে পিঁয়াজ এবং প্রতি রবিবারে আধখানা রুটি বরাদ্দ করলেন।

    নতুন ব্যবস্থামতো খাবার দেবার ফলে অনাথ-আশ্রমের প্রথম প্রথম খরচ বেড়ে গেল, কেননা অনাথ ছেলেরা না খেতে পেয়ে ধীরে ধীরে আরও লিকলিকে হওয়ার ফলে তাদের জামাগুলো বড্ড বেশি ঢিলে হয়ে গেল আর তাদের জামা পালটাতে বাড়তি খরচের ধাক্কা সইতে হলো। তাছাড়া অনাথ ছেলেরা বেশি সংখ্যায় মরতে লাগলো বলে অনেক খরচ হলো, কেননা একজনের কয়েক বছরের খাবার খরচের চেয়ে তাকে কবর দেওয়ার খরচ ছিলো বেশি। কর্মকর্তারা ছিলেন সবাই খাঁটি খ্রিশ্চান, তাই কবর দেওয়ার বদলে লাশগুলো তাঁরা জলে ফেলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারলেন না ধর্মনষ্ট হবার ভয়ে।

    ***

    প্রথম তিনমাস অলিভার ও তার সঙ্গীরা মুখ বুজে সয়েছিলো অনাহারের জ্বালা। সকলেই খাবার সময়ে এক হাতা লসি খেয়ে আঙুল চুষতো অনেকক্ষণ ধরে, আর ক্যাংলার মতো তাকিয়ে থাকতো লসির হাতার দিকে, কিন্তু কারও সাহস হতো না আর-এক হাতা লসি চাইতে। তারা ভালো করেই জানতো বাড়তি এক হাতা লপ্‌সি চাইলে তারা তো তা পাবেই না, উলটে পাবে কঠোর সাজা। তাই খিদের জ্বালায় তারা খাবারের থালা চেটে চেটে চকচকে করে তুলতো। এর ফলে থালা ধোয়া-মোছার পাট ছিলো না তাদের।

    ক্রমাগত না খেয়ে খেয়ে অনাথ ছেলেরা শেষে মাথা ঠিক রাখতে পারলো না। একদিন একটা ছেলে বললো—রোজ বাড়তি আর এক হাতা লপ্‌সি না পেলে সে হয়তো কোনোদিন মাঝ রাতে তার পাশে শোওয়া ঘুমন্ত ছেলেটাকে আস্ত চিবিয়ে খাবে। একথায় অন্য ছেলেরা সবাই ভয় পেয়ে গেলো। তারা তখন পরামর্শ করলো নিজেদের মধ্যে। শেষে ঠিক হলো তারা এবার এক হাতা বাড়তি লসির জন্যে দাবি পেশ করবে। এ ব্যাপারে অলিভারকেই তারা বেছে নিলো তাদের নেতা হিসেবে। অলিভারই সর্বপ্রথম এক হাতা বাড়তি লসি চাইবে তারপর ধীরে ধীরে বাকি সবাই এই দাবি নিয়ে এগিয়ে যাবে।

    সেদিন সন্ধ্যাবেলা এক হাতা লসি খেয়ে ছেলেরা নিয়মমতো আঙুল চোষার পরে থালা চাটতে লাগলো। অলিভার কিন্তু তা করলো না। সে এগিয়ে গিয়ে বাড়তি আর এক হাতা লসি চেয়ে বসলো।

    অনাথ-আশ্রমের দীর্ঘ জীবনে কখনো কোনো ছেলে এরকম বেআইনী দাবি করেনি। পরিবেশক চমকে উঠলো। তখনি সে হাতার বাঁট দিয়ে অলিভারের মাথায় দু-চার ঘা বসিয়ে দিলো এবং তাকে পিছমোড়া করে বেঁধে নিয়ে গিয়ে মিঃ বাম্বলকে জানালো : “সর্বনাশ হয়েছে! অলিভার এক হাতা লসি বেশি চেয়েছে!”

    মিঃ বাম্বল চেয়ার ছেড়ে লাফিয়ে উঠে বললেন : “য়্যা! ছোঁড়াটা এক হাতা লসি বেশি চেয়েছে! এতবড়ো আস্পর্ধা খুদে শয়তানটার! অকৃতজ্ঞ বেইমান কোথাকার।”

    রাগে কাঁপতে থাকেন মিঃ বাম্বল। বেতটা কাছে খুঁজে না পেয়ে অলিভারের দিকে তেড়ে গেলেন তিনি।

    অলিভার কিন্তু ভয়ে পিছু হটলো না। বাড়তি এক হাতা লসির দাবিতে সে অবিচল রইলো! তা দেখে মিঃ বাম্বলের মাথা আরও গরম হয়ে উঠলো। চোখ পাকিয়ে তিনি চেঁচিয়ে উঠলেন : “বড়ো বাড় বেড়েছিস দেখছি! ফের যদি এ ধরনের কথা বলিস তো চাবকে সোজা করে দেবো।”

    অলিভার তবুও ভয়ে কুঁকড়ে গেলো না বা মাথা নোয়ালো না দেখে মিঃ বাম্বল এবার তার কান ধরে হিড়হিড় করে টানতে টানতে নিয়ে গেলেন আশ্রমের সভাপতি মিঃ লিকিনের কাছে।

    নিজের ঘরে ইজিচেয়ারে বসে লিম্বকিন তখন আধা-ঘুমের আমেজে ছিলেন।

    “স্যার! এই ছোঁড়াটা এক হাতা লপ্‌সি বেশি চেয়েছে।” সখেদে বলে ওঠেন মিঃ বাম্বল।

    কথাটা কানে আসামাত্রই মিঃ লিকিনের ঘুমের নেশা ছুটে গেলো। চোখ কপালে তুলে তিনি ফ্যালফ্যাল্ করে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন অলিভারের মুখের দিকে। প্রচলিত নিয়মের বিরুদ্ধে অলিভারের বিদ্রোহের মাত্রাটা কতখানি তা বোধ হয় প্রথমে যাচাই করে দেখলেন তিনি। তারপর কিছুই যেন শোনেননি বা বুঝতে পারেননি এরকম একটা ভাব দেখিয়ে এক টিপ্ নস্যি নিয়ে লিম্‌কিন জিজ্ঞাসা করলেন : “কি বলছেন আপনি, মিঃ বাম্বল?”

    মিঃ বাম্বল জবাব দেন : “স্যার! এই পুঁচকে ছোঁড়াটা আশ্রমের নিয়মকানুন মানবে না বলছে—রোজ এক হাতা লসি বেশি চাইছে।”

    এ ধরনের জঘন্য অভিযোগ আজ পর্যন্ত পাননি মিঃ লিম্বকিন তাঁর সুদীর্ঘ আশ্রম-জীবনের কাজে, তাই নিজের কানকে যেন প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেন না তিনি। কথাটা সত্যি কিনা তা ভালো করে যাচাই করার জন্যে তিনি আবার মিঃ বাম্বলকে জিজ্ঞাসা করেন, “আপনি কি বলতে চাইছেন যে ওই ছেলেটা সত্যি সত্যি পুরো এক হাতা বাড়তি লসি চেয়েছে?”

    —“তাইতো চেয়েছে ছোঁড়াটা।” জবাব দেন মিঃ বাম্বল।

    —“পুরো এক হাতা—” কথাটা শেষ করতে পারেন না মিঃ লিকিন। বিস্ময়ের রেশ ফুটে ওঠে তাঁর সুরে।

    —“হ্যাঁ স্যার! সিকি বা আধ হাতা নয়, পুরো এক হাতা লসিই বেশি চেয়েছে।” কথাটা জোর দিয়ে বলেন মিঃ বাম্বল।

    —“ঠিক বলছেন তো?” আবার জিজ্ঞেস করেন মিঃ লিকিন।

    —“হ্যাঁ স্যার।”—এবার ছোট্ট জবাব আসে মিঃ বাম্বলের কণ্ঠে।

    একথা শুনে মিঃ লিম্বকিন সোজা হয়ে চেয়ারে বসলেন। মনে মনে বোধ হয় এতক্ষণ হিসেব করছিলেন রোজ পুরো এক হাতা বাড়তি লসি দিলে আশ্রমের খরচের খাতে কত টাকা বাড়বে। হিসেব গুলিয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ মেজাজে তিনি মিঃ বাম্বলকে আবার জিজ্ঞাসা করেন : “কেন? ওদের কি আমরা কম খেতে দিচ্ছি?”

    এ প্রশ্নের জবাব দিতে যাচ্ছিলো অলিভার, কিন্তু তার কোঁকে কোৎকা মেরে মিঃ বাম্বল থামিয়ে দিলেন তার ভাষা! সাফাইয়ের সুরে নিজেই বলে ওঠেন : “মোটেই তা নয়, স্যার। আপনারা সকলে এতো মাথা ঘামিয়ে অনাথ ছেলেদের জন্যে যা বরাদ্দ ঠিক করেছেন তা কখনো কম হতে পারে না। কোনোমতেই তাকে কম বলা যায় না—অন্তত আমি তা স্বীকার করি না। বরং আমি জোর দিয়ে বলতে পারি যে ওদের খাবার বেশি দেওয়া হচ্ছে।”

    —“খাবার বেশি দেওয়া হচ্ছে!’ আর একটা অভিযোগ পেলেন বলে মনে হলো মিঃ লিকিনের।

    মিঃ বাম্বলের মুখের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকেন মিঃ লিকিন বাহবার ভঙ্গিমা নিয়ে। মুখে তাঁর মৃদু হাসি ফুটে ওঠে এবার। সমস্যার সমাধান হয়তো খুঁজে পেয়েছেন তিনি এতক্ষণে।

    এদিকে শীর্ণ ক্ষুধার্ত অলিভার ভয়ে কাঁপতে থাকে সভাপতির জাঁদরেল চেহারা ও তাঁর ভারিক্কি চাল দেখে। তার মুখে কোনো ভাষা বেরুলো না মিঃ বাম্বলের মারের ভয়ে, তবে তার অন্তর বলতে থাকলো :”আপনাদের দয়ায় যেটুকু খেয়ে বেঁচে এখনও আছি তার জন্যে কৃতজ্ঞ, শুধু বাড়তি এক হাতা লসি পেলে আরও কিছুদিন বাঁচবো।”

    মিঃ বাম্বুলের জবাবের জের তুলে মিঃ লিম্বুকিন আবার জিজ্ঞাসা করেন : “তাহলে, মিঃ বাম্বল, আপনি কি বলতে চান যে ছেলেটা আশ্রমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে চাইছে?”

    মিঃ বাম্বল সঙ্গে সঙ্গে জবাব দেন : “হ্যাঁ স্যার, এটা একটা ঘোরতর বিদ্রোহ। এর একটা হেস্তনেস্ত করা এখনি দরকার, নইলে শেষে আমরা কিছুতেই সামাল দিতে পারবো না।”

    মিঃ লিম্বকিন বললেন : “তাহলে তো বিদ্রোহীকে কড়া সাজা দিতে হয়?”

    মিঃ বাম্বল জবাব দেন “হ্যাঁ স্যার, এ ছোঁড়াটা হলো নাটের গুরু। একে সাজা না দিলে এর দেখাদেখি বাকি সকলে বিগড়ে যাবে, আর পরিণামে অনাথ ছেলেদের জন্যে আশ্রমের এতদিনের সৎ প্রচেষ্টা একেবারে বানচাল হয়ে যাবে।”

    মিঃ বাম্বলের শেষ কথাটা শুনে মিঃ লিম্বকিন ঘাবড়ে যান। অনাথ দরিদ্রদের সেবক তিনি। আজীবন সেবার আদর্শ ঘাড়ে নিয়ে আশ্রমের কঠোর কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। একটা ছেলের জন্যে অনাথ-আশ্রমের এতবড়ো ক্ষতি হবে তিনি জেনেশুনে সইবেন কি করে? তা ছাড়া ছেলেদের বেশি খাবার দেওয়ার অভিযোগ পেয়েছেন মিঃ বাম্বলের কাছ থেকে

    অগত্যা কর্মকর্তাদের সভা ডেকে বসলেন মিঃ লিকিন সে-রাতেই। সভার বিচার্য বিষয় হলো : “বাড়তি এক হাতা লসি চেয়ে অলিভার টুইস্ট নামে এক বালকের বিদ্রোহ ঘোষণা আশ্রমের বিরুদ্ধে।”

    মিঃ লিকিনের হুকুমে সেদিন থেকে অলিভারকে অন্ধকার সেল্-এ আটক রাখা হলো। অনেক ভেবেচিন্তে অনাথ-আশ্রমের কর্মকর্তারা শেষ পর্যন্ত ঠিক করলেন, অলিভারকে আশ্রম থেকে বিদায় করতেই হবে।

    পরের দিন আশ্রমের সদর দরজায় একটা বিজ্ঞাপন ঝুলিয়ে দেওয়া হলো। বিজ্ঞাপনে লেখা ছিলো : “কেউ যদি অলিভারকে নিজের কাজে লাগাবার জন্যে নিয়ে যায়, তবে তাকে পাঁচ পাউন্ড দেওয়া হবে।”

    এক সপ্তাহের মধ্যে কেউ এলো না এই জঘন্য অপরাধী-বালকের প্রার্থী হয়ে। নির্জন অন্ধকারে বন্দী-দশায় কেঁদে-কেঁদে আকুল হলো অলিভার।

    সেদিন সকালবেলা চিনি-পরিষ্কারক গ্যামফিল্ড যাচ্ছিলো আশ্রমের সামনে দিয়ে। তাকে তার বাড়িওলা ক’দিন ধরে বাকি ভাড়ার জন্যে ভারি তাগাদা দিচ্ছিলো। গাম্‌ফিল্ড ভাড়ার টাকা যোগাড় করতে না পেরে খুব ভাবনায় পড়েছিলো। হঠাৎ আশ্রমের ওই বিজ্ঞাপনটা চোখে পড়ায় সে আনন্দে লাফিয়ে উঠলো। তখনি অনাথ-আশ্রমের কর্মকর্তাদের কাছে অলিভারকে নিজের সহকারী হিসেবে পাবার জন্যে আবেদন জানালো। অনেক দর-কষাকষির পরে কর্মকর্তারা তাকে পাঁচ পাউন্ডের জায়গায় সাড়ে তিন পাউন্ড দিয়ে তার হাতে অলিভারকে সঁপে দিতে রাজী হলেন।

    তারপর অলিভার আর গ্যাম্‌ফিল্ডকে নিয়ে মিঃ বাম্বল্ গেলেন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে—তাঁর অনুমতি ছাড়া অলিভারকে লাগানো যাবে না চিমনি পরিষ্কার করার কাজে। কেননা, এর আগে এ-কাজ করতে গিয়ে কয়েকজন বালক দম বন্ধ হয়ে মারা গেছে।

    ম্যাজিস্ট্রেট প্রথমে আপত্তি করলেও শেষ পর্যন্ত রাজী হয়ে এসেছিলেন, কিন্তু সব-কিছু বিগড়ে দিলো অলিভার। সে গ্যাম্‌ফিল্ডের চ্যাপটা-মুখে কি যেন দেখে এমন ভয় পেলো যে, কিছুতেই তার সঙ্গে সে যেতে চাইলো না। ম্যাজিস্ট্রেটও তাই মত দিলেন না।

    অলিভারকে ফিরিয়ে নিয়ে এসে আবার অন্ধকার সেল্-এ আটকে রেখে দেওয়া হলো এবং পরদিন অনাথ-আশ্রমের সদর দরজায় আবার একটা বিজ্ঞাপন টাঙানো হলো : “অলিভারকে ভাড়া দেওয়া হবে এবং যে ভাড়া নেবে, তাকে পাঁচ পাউন্ড দেওয়া হবে।”

    অলিভারকে ভাড়া নেবার জন্যে কেউ এগিয়ে এলো না দেখে কর্মকর্তারা তাকে বিদেশে কোথাও ছোকরা চাকর হিসেবে পাঠিয়ে দেবার চেষ্টা করতে বললেন মিঃ বাম্বলকে। মিঃ বাম্বল চলে গেলেন লন্ডনে জাহাজী-ব্যাপারীদের কাছে, কিন্তু তাতে সফল হলেন না তিনি। আশ্রমে ফিরে আসার পথে তাঁর দেখা হলো মিস্টার সোয়ারবেরীর সাথে। মিঃ সোয়ারবেরীর পেশা হলো—কফিন তৈরি করা ও লাশ কবর দেওয়ার ব্যবস্থা করা।

    কথায় কথায় মিঃ বাম্বল অলিভারের ব্যাপারে নিজের হয়রানির কথা মিঃ সোয়ারবেরীকে বললেন। নানা কারণে মিঃ বাম্বুলের সাথে মিঃ সোয়ারবেরীর স্বার্থ জড়িত ছিল, কেননা মিঃ বাম্বল ছিলেন একজন পাদরী। পাদরীর সাহায্য পেলে কফিনের ব্যবসায় ভালোরকম পশার বাড়িয়ে তোলা যায়, তাই মিঃ বাম্বলকে খুশি করার জন্যে অলিভারকে নিতে মিঃ সোয়ারবেরী রাজী হয়ে গেলেন তখনি।

    মিঃ বাম্বল ছুটে গেলেন মিঃ লিকিনের কাছে খবরটা দিতে। ঠিক হলো সেদিন সন্ধ্যার পর অলিভারকে পাচার করে দেওয়া হবে মিঃ সোয়ারবেরীর বাড়িতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅরিজিন অফ স্পিসিস ১ – চার্লস ডারউইন
    Next Article নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    Related Articles

    চার্লস ডিকেন্স

    ডেভিড কপারফিল্ড – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    এ টেল ট্যু সিটীজ – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    দ্য পিকউইক পেপার্স – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    চার্লস ডিকেন্স

    নিকোলাস নিকলবি – চার্লস ডিকেন্স

    August 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }