Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    ইশতিয়াক হাসান এক পাতা গল্প200 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মায়া হায়েনা

    মায়ানেকড়ের সঙ্গে পাঠকদের পরিচয় আছে। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন বাস্তবেও এদের অস্তিত্ব আছে। নাইজেরিয়ায় নেকড়ে নেই। তাই সেখানে মায়ানেকড়ে বা ওয়্যারউলফের কাহিনীও ডালপালা মেলতে পারেনি। তবে হায়েনা আছে বিস্তর। তেমনি আছে মায়া হায়েনা নিয়ে নানা কাহিনী। নাইজেরিয়ার উত্তর অংশ জুড়ে পর্বতের সারি। এ এলাকায় নানান গোত্রের লোকের বাস। এখানকার অধিবাসীরা বিশ্বাস করে, কিছু লোক জাদুমন্ত্রবলে রাত হলেই হায়েনার রূপ ধারণ করে। আর ঘটায় নানান অনিষ্ট। আজ থেকে শ’খানেক বছর আগে সেখানে অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা হয় এক ইংরেজ সরকারি কর্মকর্তার। স্টুয়ার্ট স্মিথ নামের ওই ভদ্রলোক সেখানে চাকরিসূত্রে নিয়োগ পান। ছোট্ট একটা পুলিস বাহিনীর সহায়তায় জায়গাটিতে শান্তি বজায় রাখা ছিল তাঁর দায়িত্ব। আসলে নাইজেরিয়ায় তখন একের পর এক টিনের খনির খোঁজ মিলছে। নানান জায়গা থেকে ভিড় জমাচ্ছে ইঞ্জিনিয়ার, কুলি ও শ্রমিকরা। বানানো হচ্ছে রাস্তাঘাট। কুলি- মজুরদের জন্য গড়ে উঠছে একটার পর একটা বস্তি, ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য কোয়ার্টার।

    এই এলাকাটির অবস্থান বাউচি মালভূমিতে। নিচ থেকে হঠাৎ তাকালে মনে হবে এটা বুঝি বা গ্রানেট পাথরের পাহাড়। কোন লোকবসতি নেই। তবে ওপরে উঠলেই বুঝবেন কতটা ভুল করেছিলেন। সবুজ ঘাসে ছাওয়া মাঠ, মাঝে মাঝে ছোট ছোট গ্রাম। দিনে প্রচণ্ড গরম, রাতে আবার কনকনে ঠাণ্ডা। বাউচি মালভূমি এলাকায় চিল, বাজ, শকুনসহ ছোট-বড় নানা ধরনের পাখির কোন লেখাজোখা নেই। সে তুলনায় বন্য জানোয়ারের সংখ্যা বেশ কম। খরগোশ, বিশাল সব ধাড়ি ইঁদুর আছে বেশ। বড় প্রাণীর মধ্যে পাহাড় ও পাহাড় পাদদেশের এলাকাগুলোয় চিতা বাঘ। তবে হায়েনা আছে অনেক। সন্ধ্যা হলেই বেরিয়ে পড়ে শিকারে। বাগে পেলে নিঃসঙ্গ পথচারীদেরও ছাড়ে না। এদের রক্ত জল করা চিৎকার অতি দুঃসাহসীদেরও বুক কাঁপিয়ে দেয়। এখানে প্রসঙ্গক্রমে এই এলাকার আদিবাসীদের একটু বর্ণনা দেয়া উপযুক্ত মনে করছি। এদের শরীরে পোশাকের খুব একটা বালাই নেই। একটা সময় শ্বেতাঙ্গদের এই এলাকায় প্রবেশ ছিল নিষেধ। বিষাক্ত তীর-ধনুক নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ত অনুপ্রবেশকারীদের উপর। তবে শ্বেতাঙ্গদের আগ্নেয়াস্ত্রের কাছে বশ মেনেছে ইদানীং।

    যা হোক, স্টুয়ার্ট স্মিথের অধীনে আছে বারোজন কনস্টেবল এবং একজন কর্পোরাল। স্টুয়ার্টের সঙ্গে বেশ ভাব হয়ে গিয়েছে এখানে কাজ করতে আসা মাইনিং কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার অস্টারস্টকের। এক নদীর তীরে টিনের সন্ধানে খনন কাজ চালাচ্ছেন অস্টারস্টক। বিকাল হলেই দেখা যায় অস্টারস্টক হাজির হয়েছেন স্মিথের বাংলোয়। তারপর দু’জনে মেতে উঠতেন গল্প-গুজবে। এরকমই একদিন আলাপের সময় স্মিথ বললেন, ‘এখানে আসার পর একটা অদ্ভুত গুজব শুনলাম স্থানীয় অধিবাসীদের কাছ থেকে। সন্ধ্যা নামলে অন্ধকারে বেরোতে সতর্ক করে দিল তারা। বলল বেরোলেই সমূহ বিপদ। সাধারণ হায়েনার পাশাপাশি শিকারে বের হয় হায়েনা-মানবেরা। গ্রামেরই কয়েকজন লোক জাদুমন্ত্রবলে হায়েনায় রূপান্তরিত হয়। তারপরই একটা ঘটনা ঘটল। একটা কাজে বের হয়েছি। বেলা শেষ হয়ে আসায় গাঁয়ের কাছেই তাঁবু ফেলার নির্দেশ দিলাম ভৃত্যদের। রাত্রে খাওয়া শেষে শুতে যাওয়ার পরেই দুটো হায়েনা হাজির হলো তাঁবুর কাছে। ওদের চিৎকারে কান ঝালাপালা হবার জোগাড়। আমরা ঘুমালেই হামলা করার ফন্দি-ফিকির করছে মনে হয়। তাই বের হয়ে এসে দুই গুলিতে দুটোকেই মেরে ফেললাম।

    ‘ভোরে ঘুম ভাঙল এলাকাবাসীর চেঁচামেচিতে। রাতের ঘটনা তারা জানতে পেরেছে। লোকগুলোর ধারণা এই হায়েনাদুটো আসলে হায়েনা-মানব। তারা তাদের গাঁয়েরই লোক। আমি হেসে উড়িয়ে দিলাম লোকগুলোর কথা। কিন্তু

    মানল না। এবার বোঝানোর চেষ্টা করলাম। তাতেও কাজা হলো না। সকালবেলা যখন সবার ঘুম ভাঙল গাঁয়ের লোকেরা মাথা গুনে আবিষ্কার করল সবাই আছে। এবার কিছুটা নিশ্চিন্ত হলো। তবে গোঁ ধরল হায়েনাদুটো কাছের অপর কোন গ্রামের লোক।’

    স্মিথ ভেবেছিলেন তাঁর কথা শুনে অস্টারস্টকের পিলে চমকে উঠবে। তাঁকে অবাক করে দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার বন্ধু বিষয়টা খুব স্বাভাবিকভাবে নিলেন। ‘আরে, এতে আশ্চর্য হবার কী আছে? এসব এলাকায় এমন অনেক ঘটনা ঘটে যার কোন ব্যাখ্যা নেই। তুমি কি নেকড়েমানবের কথা শোনোনি? চোখ-কান খোলা রাখো, আরও অনেক কিছুই জানতে পারবে।’ এই বলে বন্ধুর কাছ থেকে বিদায় নিলেন অস্টারস্টক। তিনি এই এলাকায় আছেন বেশ ক’বছর ধরে। অনেক কিছুই তাঁর নজরে পড়েছে। স্থানীয় আদিবাসীদের কথাও তাই হেসে উড়িয়ে দিতে পারেননি।

    এরপর মাস দুয়েক তেমন কোন ঘটনা ঘটল না। তারপরই একদিন স্মিথ তাঁবু ফেললেন কুরগ্রাম নামের একটি গাঁয়ের ধারে। স্মিথের বাংলো থেকে চার মাইলটাক দূরের এই গ্রামটি পাহাড়ের লাগোয়া। আকারেও বেশ বড়। গ্রামের চারধারে ক্যাকটাসসহ নানা জাতের কাঁটাঝোপের বেড়া। এখানকার অনেক গ্রামেই এটা চোখে পড়ে। বাইরের লোককে দূরে সরিয়ে রাখাই লক্ষ্য। মোটামুটি হাজারখানেক লোক বাস করে গ্রামটিতে। অসভ্য অধিবাসীদের শরীরে কাপড়-চোপড়ের বড্ড অভাব।

    স্মিথ এখানে এসেছেন ট্যাক্স আদায়ের জন্য। ট্যাক্স ধার্য করা হয়েছে মাথা প্রতি এক শিলিং। এই টাকাটা ব্যয় করা হবে রাস্তা তৈরিতে। শুরুতে চলল লোক গোনার কাজ। এর মধ্যেই একদিন একদল ফুলানি হাজির হলো। এই জাতের লোকেরা শ্বেতাঙ্গদের রীতিমত দেবতাজ্ঞান করে। শ্বেতাঙ্গদের প্রভাব বেশি যেসব এলাকায় সেসব এলাকায় থাকা তাদের পছন্দ। কাঁদতে কাঁদতে স্মিথের পায়ের কাছে ময়লা কম্বলের একটা পুঁটলি রেখে বলল, ‘হুজুর, আমাদের বড় বিপদ। রক্ষা করেন।’

    এদিকটায় গরু চুরির ঘটনা ঘটে হরহামেশাই। আর ফুলানিরা দক্ষ পশু-পালক। বলা চলে গরু-মোষ পেলেই এরা জীবনধারণ করে। শুরুতে স্মিথের তাই মনে হলো গরু চুরির বিচার চাইতে এসেছে এরা। কিন্তু একটু পরেই পরিষ্কার হলো ব্যাপারটা আরও অনেক ভয়ানক। পুঁটলিটা খুলতেই চোখ আটকে গেল স্মিথের। আরে, এখানে তো পনেরো-ষোলো বছরের এক কিশোরের মৃতদেহ। গলায় গভীর একটা ক্ষত। দেখে মনে হয় কিছু একটা কামড়ে নিয়ে গেছে খানিকটা মাংস। এটা আর যা-ই হোক বর্শা বা অন্য কোন অস্ত্রের আঘাতে হয়নি। স্মিথের মনে হচ্ছে কোন বন্যপ্রাণীর আক্রমণে এই হাল হয়েছে হতভাগ্য ছেলেটার। তাঁর কাছে কাঁদতে কাঁদতে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইল সবাই। গোটা ঘটনাটা খুলে বলতে বললেন তাদের।

    তারা যে কাহিনী বলল তা বেশ অদ্ভুত। দুই দিন আগের এক সন্ধ্যা। অন্য গরুগুলো ফিরে এলেও দুটি গরুর কোন হদিস নেই দেখে ওই ছেলেটাকে পাঠানো হলো ওগুলোর খোঁজে। এমনিতে সে বেশ সাহসী। কিন্তু একটু পরই ফিরে এল ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে। বলল একটা হায়েনা তাকে অনুসরণ করেছিল। শুধু তাই না কোনভাবেই তাড়াতে পারছিল না। ওটার মধ্যে অশুভ একটা কিছু আছে। গ্রামের লোকেরা ছেলেটার কথায় কান না দিয়ে ইচ্ছামত গালমন্দ করল তাকে। বলল, হায়েনা একা একা মানুষের ধারে-কাছে ভিড়তে ভয় পায়। এই ভীতু প্রাণীটার ভয়ে তার মত এক যুবক কিনা পালিয়ে এসেছে। অতএব ছেলেটা কী আর করবে, আবার গেল ওই গরুদুটির সন্ধানে। তবে চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছিল ভয়ে কাঠ হয়ে আছে।

    ওই দিন ছিল অমাবস্যা। বাইরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। এর মধ্যে একটু পর পর হায়েনার ডাক শুনতে পেল ফুলানিরা। এদিকে ছেলেটার কোন খবর নেই। রাতে আর ফিরলই না সে। যেমন খোঁয়াড়ে এল না গরুগুলো।

    ভোর হতেই কয়েকজন বেরিয়ে পড়ল ছেলেটা এবং গরুদুটির খোঁজে। একটু পরই ছেলেটার পায়ের ছাপ চোখে পড়ল দলটির। একপর্যায়ে পেল গরুর ছাপও। এখান থেকে জন্তুগুলোকে পেয়ে তাঁবুর দিকে তাড়িয়ে নিয়ে গেছে তরুণ। একটা জায়গায় বেশ বিশৃঙ্খলা হয়েছে মাটির চিহ্ন দেখে তা বোঝা গেল। এর একটু দূরে ঝোপের মধ্যে পাওয়া গেল ছেলেটার মৃতদেহ। গলার একটু মাংস খেয়ে নিয়েছে কিছু একটা। আশ্চর্য ঘটনা, সেখানে গরু বাদে আর কোন জন্তু- জানোয়ারের পদচিহ্ন নেই। তবে কয়েকটা জায়গায় গরুর পেছনে হায়েনার ছাপ দেখে বোঝা গেল গরুগুলোকে সে অনুসরণ করেছিল। স্মিথ বেশ চমকে উঠলেন। একাকী কোন হায়েনা একজন মানুষকে আক্রমণ করার কথা নয়। এদিকে গরুগুলোর পায়ের ছাপ দেখেও এমনটা মনে হচ্ছে না এরা ভয় পেয়ে দৌড়াদৌড়ি করেছে। ফুলানিরা তার কাছে কী চায় বুঝতে পারলেন না। কী কারণে এসেছে জানতে চাইলেন।.

    ফুলানিদের দেখে মনে হলো সাদা মানুষের এই আচরণে খুব মর্মাহত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত এক বুড়ো বলল, ‘হুজুর, তুমি যা ভাবছ তা নয়। ওটা মোটেই হায়েনা নয়। তাহলে গরুদুটোকে তাড়িয়ে বেড়ার ওপাশে রেখে আসত না। কুরগ্রামের ক্যাকটাসের বেড়া ঘেরা খোঁয়াড়টায় সেখানে এখন ঘাস খাচ্ছে আমাদের গরুদুটো। ওটা মোটেই হায়েনা ছিল না, ছিল মায়াবী এক মানুষ।

    ‘যদি কুরগ্রামের লোকেরা গরুদুটি চুরি করে থাকে তবে অবশ্যই ওদের শাস্তি হবে। কিন্তু ছেলেটার মৃত্যুর সঙ্গে ওদের কোন সম্পর্ক নেই। এটা হায়েনার কাজ। আমি গ্রামে পুলিস পাঠাব গরুর খোঁজে।’

    ফুলানিদের মোটেই খুশি মনে হলো না স্মিথের বিচারে। তবে মুখে বেশি একটা প্রতিবাদ করল না। একজন বলে ফেলল, ‘হুজুর, তুমি কি আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দেবে? হায়েনাই যদি নাটের গুরু হবে তবে গরু ফেলে মানুষ শিকারে নামল কেন?’

    স্মিথ কোন জবাব দিলেন না। সত্যি বলতে বিষয়টা তাঁর মনেও খচখচ করছিল। একসময় হতাশ ফুলানিরা চলে গেল।

    তবে কথামত পরদিন কুরগ্রামে একজন কর্পোরালের নেতৃত্বে চার পুলিস পাঠালেন। হঠাৎ তাদের আগমনে হকচকিয়ে গেল কুরগ্রামের বাসিন্দারা। তারা গরুগুলো সরানোরও সময় পেল না। ধরা পড়ার পর বলল ওগুলো এমনি এমনি ক্যাকটাসের বেড়া ডিঙিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েছে রাতের অন্ধকারে। কিন্তু গরুদুটোকে ওই বেড়া থেকে বের করে আনতে লাগল পাক্কা আধ ঘণ্টা। এতেই পরিষ্কার হয়ে গেল ওগুলো মোটেই একাকী ওখানে যায়নি। এদিকে স্মিথের কড়া নির্দেশ ছিল কর্পোরালের প্রতি চোরকে ধরে আনতে হবে। না পারলে হাতকড়া পড়বে গ্রামের সর্দারের হাতে। পুলিসরা গোটা গ্রাম তল্লাশি চালাল, কিন্তু কে চুরি করেছে বুঝতে পারল না। একপর্যায়ে হন্তদন্ত হয়ে সর্দার হাজির হলো। শুকনো শরীর, পাঁজরের হাড় গোনা যাবে। বয়স অন্তত তিন কুড়ি। সঙ্গে বেশ শক্তপোক্ত, কঠিন কয়েকজন যুবক। সব ঘটনা শুনে সর্দার যেন আকাশ থেকে পড়ল। বলল সে এসব বিষয়ে কিছু জানে না। কর্পোরালের মনে হলো আসলেই সে কিছু জানে না। তলে তলে কলকাঠি নাড়ছে অন্য কেউ। এই বুড়োকে শুধু শো হিসাবে সর্দার করে রাখা হয়েছে। কিন্তু কী আর করা! কর্পোরাল মুসা গোমবি সর্দারকে হাতকড়া পরিয়ে রওয়ানা হলো। যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে গেল চোরকে হাজির করা না হলে সর্দারকে থাকতে হবে কয়েদখানায়।

    স্মিথের আস্তানায় আচ্ছাসে জেরা করা হলো সর্দারকে। একটা শব্দও বের করা গেল না তার মুখ থেকে। স্মিথের মনে হলো গোটা গ্রামে এই ঘটনা সম্পর্কে এই বুড়োই বুঝি বা সবচেয়ে কম জানে। সবচেয়ে অবাক ঘটনা, সর্দারকে ছাড়িয়ে নিতে কুরগ্রামের একজন লোকও এল না।

    তবে এতেই দমে গেলেন না স্মিথ। নতুন বুদ্ধি বের করলেন। পুলিসের মারফত গ্রামবাসীদের জানালেন গরু যেহেতু তাদের গ্রামে পাওয়া গেছে তাই দণ্ড তাদের হবেই। শাস্তি হিসাবে দশটা ঘোড়া, একশো ছাগল এবং এবারের শস্যের একটা অংশ দিয়ে দিতে হবে। এবার সত্যি টনক নড়ল কুরগ্রামের লোকদের। সর্দারের জন্য তাদের মন একটুও না পুড়লেও জরিমানার কথা শুনে মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। কয়েকজনকে পাঠাল স্মিথের ক্যাম্পে। তারা এসে বেশ নরমভাবেই বলল এই চুরির পেছনে তাদের কোন ভূমিকা নেই। সাহেব কেন তাদের ওপর জুলুম করছেন! স্মিথ বললেন তাহলে তারা আসল চোরকে ধরিয়ে দিক। এবার তারা একজন আরেজনের মুখ চাওয়াচাওয়ি করতে লাগল। স্মিথ বুঝলেন একটা ঘাপলা আছে। চেপে ধরলেন। এবার স্বীকার করল সব কিছুই তারা জানে। কিন্তু বলার সাহস পাচ্ছিল না এতদিন। গ্রামের এক পাশে থাকে ‘জু জু’ নামের এক লোক। তাকে সবাই ভয় পায়। সে-ই সব কিছু করছে। দিনে মানুষ থাকলেও রাতে অসম্ভব ক্ষমতাধর এক হায়েনায় নিজেকে পরিণত করতে পারে এই মায়াবী। তার বিরুদ্ধে কিছু বললেই প্রাণ যাবে তাই এতদিন সাহস করেনি তারা। স্মিথ দেখলেন কুরগ্রামের লোক এবং ফুলানিদের কথা মিলে যাচ্ছে। মায়াবীকে ধরে আনার জন্য পুলিস পাঠালেন। তিন দিনের মধ্যে ধরে স্মিথের ক্যাম্পে নিয়ে আসা হলো তাকে।

    লোকটাকে দেখে রীতিমত থ হয়ে গেলেন স্মিথ। এ কাকে দেখছেন! মনে হচ্ছে প্রাচীন যুগের কোন গুহামানব বুঝি বা এ যুগে হাজির হয়েছে। গায়ের রং কালো। তবে চোখগুলো নীলাভ। দ্যুতিহীন। আলো সহ্য করতে পারছিল না, পিট পিট করছিল। পেশীবহুল শরীর। গা লোমে ভর্তি বারবার চেষ্টা করছিল ছুটে পালাতে। মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছে। স্মিথের দেখেই মনে হলো এ হয়তো এসব কিছু করেনি। গ্রামের লোকেরা আধা মানুষ-আধা জন্তুটাকে বলির পাঁঠা বানাচ্ছে। তারপরও কয়েকদিন এখানে আটকে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন। এসময় স্মিথের বন্ধু অস্টারস্টকও উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পে। তিনিও অদ্ভুতদর্শন মানব-জন্তুটাকে দেখে চমকে উঠলেন। স্মিথ নানা ধরনের প্রশ্ন করলেন। একটারও উত্তর দিল না লোকটা। মুখ দিয়ে কেবল লালা গড়াচ্ছিল তার। অতএব কিছু খাবার দিয়ে আটকে রাখা হলো তাকে গোলাকার একটা মাটির ঘরে। খড়ের ছাদ, মাঝে শক্ত তালগাছের খুঁটি। দরজাটা তালাবদ্ধ। বাইরে অস্ত্র হাতে এক প্রহরী রাখা হলো। রাতে কয়েদখানায় উঁকি মেরে স্মিথ আর অস্টারস্টক দেখেন কুণ্ডলী পাকিয়ে ঘুমাচ্ছে মানব-জন্তুটা। পানি খেলেও খাবার ছুঁয়েও দেখেনি। তার গা থেকে বের হওয়া বিকট গন্ধে ওখানে দাঁড়িয়ে থাকাও কষ্টকর হয়ে পড়ল দু’জনের পক্ষে। তাড়াতাড়ি আবার তালা আটকে বের হয়ে এলেন দুই বন্ধু।

    রাত তখন দশটা। খাওয়া শেষে বাইরে বসে আছেন দুই বন্ধু। ঘুটঘুটে অন্ধকার। হঠাৎ একটু দূরে একটা হায়েনার ডাক শোনা গেল। টানা, প্রলম্বিত একটা কণ্ঠ। এমন অদ্ভুত কণ্ঠে কোন হায়েনাকে এর আগে ডাকতে শোনেননি তাঁরা। একবার থামছে, তারপর আবার হচ্ছে। হঠাৎ কী একটা সন্দেহ করে দু’জনেই লণ্ঠন হাতে ছুটলেন কয়েদখানার দিকে। যা দেখলেন স্তম্ভিত হয়ে গেলেন। এক প্রহরী এবং একজন পুলিস সদস্য মিলেও আটকাতে পারছে না আটক পশু কিংবা মানুষটাকে। খড়ের ছাদের নিচের বাঁশের বেড়াগুলোর ওপরে একটা গর্তমত করেছে সে। ওই ফাঁক দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করছিল। এসময় শব্দ শুনে এগিয়ে আসে পুলিস আর প্রহরী। উপায়ান্তর না দেখে পুলিসটি বন্দুকের কুঁদো দিয়ে এত জোরে মারে লোকটার মাথায় সে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যায় মাটিতে। কর্পোরাল এবার এগিয়ে এসে তালগাছের খুঁটির সঙ্গে হাতকড়া আটকে দিল বন্দির। সবাই ভাবল এবার আর বাছাধন পালাতে পারছে না।

    পরের দিন রাত। প্রহরীর হঠাৎ একটু চোখ লেগে এল। তখনই তার মনে হলো পাশ দিয়ে কী একটা ছুটে গেল। লণ্ঠনের আলোয় দেখল দেয়ালে বিশাল এক গর্ত, ছাদটা নিচের দিকে নেমে এসেছে অনেকটা। সবাইকে সতর্ক করে দিতে শূন্যে গুলি ছুঁড়ল সে। তারপরই ক্যাম্পের প্রান্তে, প্রায় চারশো গজ দূরে পাহারায় থাকা প্রহরীটির গুলির শব্দও শুনতে পেল।

    স্মিথ এবং অস্টারস্টক দৌড়ে গিয়ে দেখলেন বন্দি পালিয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হলো তালগাছের খুঁটি দাঁত দিয়ে দুই টুকরো করে গিয়েছে সে। না হলে পালাতে পারত না। সেখানে পড়ে আছে অনেকটা লালা ও রক্ত। হাতকড়াটা গড়াগড়ি খাচ্ছে মাটিতে। গোটা কামরায় অসহ্য একটা গন্ধ। সাত দিন ধোয়া-মোছার পরে যায় ওই গন্ধ।

    সবাই রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়ল ঘটনার আকস্মিকতায়। কয়েকজন পুলিস বেরিয়ে পড়ল। তারপরই তারা এসে একটা অদ্ভুত খবর দিল। ওপাশের প্রহরীর গুলিতে একটা হায়েনা মারা পড়েছে। কী আশ্চর্য! এত রাতে মানুষ ভর্তি ক্যাম্পে হায়েনা ঢোকা তো রীতিমত অস্বাভাবিক।

    তবে কি ওই হায়েনা আর লোকটা একই ব্যক্তি? স্মিথ, বিশেষ করে তাঁর বন্ধু অস্টারস্টকেরও তা-ই মনে হলো। তাঁরা এগিয়ে গেলেন মৃত হায়েনাটার দিকে। হাঁ করা মুখটা পৈশাচিক। চোয়াল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে রক্ত। প্রহরী বর্ণনা করল ঘটনা।

    কয়েদখানা থেকে গুলির শব্দ শুনেই সতর্ক হয়ে যায় সে। বন্দুক বাগিয়ে অপেক্ষা করতে থাকে। হঠাৎ দেখে বিশাল একটা হায়েনা তাকে পাশ কাটিয়ে দৌড়চ্ছে আগুনের দিকে। আগুনে ঢুকেই পড়েছিল প্রায়। শরীরে আঁচ লাগতেই পিছু হটে। তখনই গুলি করে প্রহরী।

    বিষয়টা নিয়ে অনেক ভেবেও কূলকিনারা করতে পারলেন না স্মিথ ও অস্টারস্টক। তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন হয়তো হায়েনা আর ওই কয়েদী একই। কে না জানে আফ্রিকায় অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে আজও। ফুলানি, কুরগ্রামের লোকেরা, এমনকী তাঁদের অভিজ্ঞতাও তো এই সাক্ষ্যই দিচ্ছে। তাছাড়া লোকটার চোখে একটু সমস্যা ছিল। তাই কি হায়েনাটা আগুনের ভেতরে ঢুকতে যায়?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article সব ভুতুড়ে – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক হাসান

    সব ভুতুড়ে – ইশতিয়াক হাসান

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }