Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশরীরীজগৎ – ইশতিয়াক হাসান

    ইশতিয়াক হাসান এক পাতা গল্প200 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অ্যান্ড্রু এসেছিল

    স্কুল ও কলেজগুলোতেও নানা ধরনের ভূতের খবর পাওয়া যায়। এবারের ঘটনাটি ইংল্যাণ্ডের চ্যারিং ক্রস থেকে দুই মাইল দূরের বিখ্যাত বি. স্কুলের। বর্ণনাকারী মার্টিন ফ্ল্যামারিকের মুখ থেকেই বরং এটা শুনি।

    ১৮৭০-এর আগস্টের এক সন্ধ্যা। স্লোয়েইন রোডে হঠাৎই বি. স্কুলের পুরানো বন্ধু জ্যাক অ্যাণ্ডুর সঙ্গে দেখা। বহু বছর তার সঙ্গে দেখা নেই। সঙ্গে এক মহিলা। দীর্ঘদেহী, চোখা চেহারার এই নারী নিঃসন্দেহে বিদেশী। এতটাই সুন্দরী যে চেহারা থেকে দৃষ্টি ফেরাতে পারছিলাম না।

    ‘আমি দুঃখিত, গল্প করার জন্য দাঁড়াতে পারছি না,’ বলল অ্যান্ড্রু। ‘তাড়া আছে খুব। রাতেই স্পেনের বার্সেলোনার উদ্দেশে ইংল্যাণ্ড ছাড়ছি। এখন ওখানেই থাকি। ‘অ্যাংলো- বার্সেলোনিয়ান’ নামের একটা ইংরেজি পত্রিকায় চাকরি করি। ডিসেম্বরে স্কুলের অনুষ্ঠানে আসছ তো?’

    জানালাম, ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষককে আমার উপস্থিত থাকার বিষয়টা নিশ্চিত করেছি।

    ‘তাহলে ভালই হলো। আমিও থাকব। হাউস সাপারে একটা বক্তব্যও দেয়ার কথা আমার। বড়দিনে স্পেনে থাকার ইচ্ছা নেই আমাদের। ইংল্যাণ্ডেই বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সময়টা কাটাব। তখন তোমার সঙ্গে দেখা হবার অপেক্ষায় থাকলাম। অনেক কিছু বলার আছে। এখন কেন দাঁড়াতে পারছি না আশা করি বুঝতে পারছ। গুড লাক, বন্ধু।’ এই বলে চলে গেল তারা। ঘুরে তাকিয়ে ভিক্টোরিয়ার একটা বাসে উঠতে দেখলাম। অ্যাণ্ডুর সঙ্গে দেখা হয়ে সত্যি খুব ভাল লাগছিল। কারণ আমার বি. স্কুলের ঘনিষ্ঠ দোস্তদের একজন ছিল সে। এক ক্লাসে একই সঙ্গে ভর্তি হই। স্কুল ছাড়ার পর মাঝখানের দীর্ঘ সময়ে একবার ছাড়া দু’জনের আর দেখাই হয়নি।

    সে মেয়েটার সঙ্গে কেন পরিচয় করিয়ে দিল না এটা ভেবে অবাক লাগল। তবে এটাও ঠিক তাদের খুব তাড়া ছিল। নিঃসন্দেহে নারীটি তার স্ত্রী। সৌভাগ্য আর কাকে বলে! এত সুন্দরী একটা বউ পেয়েছে। চোখা চেহারা, রসালো ঠোঁট, টানা টানা চোখ, লম্বা পা। উঁচু হিল পরে ছিল। মোজার ফুটো দিয়ে গোলাপী পা দেখতে পাচ্ছিলাম। আবার ভাবলাম, হয়তো তার বোন। তাহলে আমার একটা সুযোগ তৈরি হয়। হয়তো আমাকে বার্সেলোনায় তাদের বাড়িতে যাওয়ার দাওয়াতও দেবে। বার্সেলোনা নিয়ে রীতিমত পড়াশোনা শুরু করে দিলাম। জ্যাককে লম্বা-চওড়া একটা চিঠিও পাঠালাম। তবে বন্ধুর চিঠি পেয়ে কিছুটা দমে গেলাম। ওই মহিলা কিংবা বাড়িতে দাওয়াতের ব্যাপারে কিছু বলেনি। স্কুলের পুরানো দিনের কথা বারবার লিখেছে। অনুষ্ঠানটার ব্যাপারে তার বেজায় আগ্রহ, কোথায় আমাদের দেখা হবে এসব বিষয়ে লিখেছে। এভাবে কয়েকবার চিঠি চালাচালি হলো। শেষবার তার চিঠি পেলাম নভেম্বরের ২৫ তারিখ। তারপর আর কোন খবর পেলাম না। ডিসেম্বরের ১০ তারিখ ইংল্যাণ্ডের জাহাজে চেপে বসার কথা।

    শেষ পর্যন্ত এল ঘটনাবহুল সেই সন্ধ্যা। একটা বক্তব্য দেয়ার কথা আমারও। বক্তা হিসাবে আমি একেবারেই গড়পড়তা ধরনের। তাছাড়া বড়দের সামনে বলা এক জিনিস আর স্কুলের ছেলেদের সামনে বলা আরেক কথা। শুরুর অনুষ্ঠানে অন্তত হাজারখানেক পুরানো ছাত্র উপস্থিত ছিল নতুনদের পাশাপাশি। স্কুলের সঙ্গীতটা যখন হলো মনে হচ্ছিল যেন শব্দে কানে তালা লেগে যাবে। ছাত্ররা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে গেল হাউস সাপারের জন্য। স্কুল-দালানের প্রবেশ পথে অ্যাণ্ডুর আমার সঙ্গে দেখা করার কথা। ‘গানের সময় সম্ভবত উপস্থিত থাকতে পারব না, তবে স্কুলের পুরনো দালানটার সামনে সাড়ে নয়টার দিকে হাজির হতে ভুল হবে না।’ বলেছিল সে।

    কিন্তু জ্যাকের কোন দেখা নেই। একই সঙ্গে হতাশ ও ক্রুদ্ধ হলাম। কেন এল না? আমার সঙ্গে কি তবে মজা করল? প্রধান শিক্ষক সি. গ্রের সঙ্গে কথা বললাম। তিনি বললেন অ্যাণ্ডুর একটা বক্তব্যও দেয়ার কথা। আসবে না, এমন কিছুও জানায়নি। নিশ্চিতভাবেই ভোজের আগেই হাজির হয়ে যাবে। এই আশা নিয়ে অন্য অতিথিদের সঙ্গে হলে প্রবেশ করলাম। সেখানে বয়সে বেশ কয়েক বছরের ছোট দু’জন প্রাক্তন ছাত্রের মাঝখানে নিজেকে আবিষ্কার করলাম। খাবারটাও খুব একটা পছন্দ হলো না। খাওয়া শেষে একটার পর একটা মিনিট পেরোতে লাগল এবং আরও বেশি করে অধৈর্য হয়ে উঠতে লাগলাম। জ্যাকের জন্য রীতিমত উদগ্রীব হয়ে উঠেছি। হঠাৎই মনে হলো মাঝখানের বিশটা বছর যেন এক লহমায় নেই হয়ে গেছে। সত্যি আমি যেন এখনও স্কুলে পড়া সেই ছেলেটি, বালক মনের সেই উত্তেজনা, ভয় সব কিছুই অনুভব করতে পারছি। আমার বাম পাশে তিনটা সিট পরে জ্যাকের আসন। কিন্তু জায়গাটি ফাঁকা, জ্যাক আসেনি। সে শেষপর্যন্ত আমাদের বোকা বানিয়েছে। চেয়ারে পিঠটা এলিয়ে দিয়ে, ভাগ্যকে অভিসম্পাত দিলাম। হঠাৎ শরীরে শীতল একটা অনুভূতি ঘুরে তাকাতে বাধ্য করল আমাকে। দেখলাম, লাজুক জ্যাক কোন্ ফাঁকে তার আসনে এসে বসে আছে।

    এটাকে কল্পনা ভেবে, চোখ বন্ধ করলাম। যখন চোখ খুললাম দেখলাম, জ্যাক এখনও সেখানে আছে।

    ‘জ্যাক!’ সামনে ঝুঁকে ফিসফিস করে বললাম, ওর মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করলাম, ‘জ্যাক!’

    তবে অ্যান্ড্রু জবাব দিল না। মনে হচ্ছে শুনতে পায়নি। সিটে চুপচাপ বসে আছে। কনুইদুটো টেবিলের ওপর। চোখ নিচের দিকে। ছোটবেলাতেও এভাবেই বসে থাকত, মনে পড়ল। এসময়ই আমার পাশের একজন জানতে চাইল আমি কী চাচ্ছি? মি. অ্যাণ্ডুর কাঁধে টোকা দিতে বললাম। সে আমার দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকাল। ‘মি. ফ্ল্যামারিক, স্কুলবেলা থেকেই কি এরকম মস্করা করতে পছন্দ করো?’

    জবাব দিতে যাব এসময় হাউস-শিক্ষক বক্তব্য শুরু করার ঘোষণা দিলেন। আমার এবং জ্যাক দু’জনেরই কথা বলার কথা। এসময়ই আমাকে চমকে দিয়ে তিনি ঘোষণা করলেন, জে. এল. অ্যান্ড্রু দুর্ভাগ্যজনকভাবে উপস্থিত হতে না পারায় তার বদলে অন্য একজন প্রাক্তন ছাত্র বক্তব্য দেবেন।

    ‘জ্যাক এখানে নেই!’ নিজেকেই প্রশ্ন করলাম। ‘হয় হাউস-শিক্ষক পাগল হয়ে গিয়েছেন, নতুবা আমি। তাকে এত পরিষ্কারভাবে দেখতে পাচ্ছি কীভাবে তাহলে?’ এসব যখন ভাবছি তখনই আমার বন্ধুর চেহারাটা ঝাপসা হতে হতে মিলিয়ে গেল। হাউস-শিক্ষকই ঠিক তাহলে। জ্যাক এখানে নেই।

    ওই সময়ই শরীরের শীতল অনুভূতিটার কথা মনে হলো। নিশ্চিত হয়ে গেলাম মোটেই ভুল দেখিনি, কোন ধরনের আত্মার কারসাজি ব্যাপারটা। যা হোক, আমার সময় হলে বক্তব্য দিলাম। তবে জ্যাকের চেহারাটা তাড়া করে বেড়ানোয় মনোযোগ দেয়া কঠিন হচ্ছিল। রাতে যখন বিছানায় গেলাম তখনও ওর কথা ভুলতে পারছিলাম না।

    ‘এটা খুব অদ্ভুত! অ্যান্ড্রু আমাদের বিষয়টি জানালই না, ‘ পরদিন হাউস-শিক্ষক বললেন, ‘তার কাছ থেকে বিষয়টা ব্যাখ্যা করে একটা চিঠি আশা করেছিলাম। কিন্তু কিছুই আসেনি। হয়তো সে তোমাকে লিখবে। কী হয়েছে জানাতে ভুলো না।’ তাঁকে কথা দিয়ে আর কাউকে বিদায় জানানোর জন্য অপেক্ষা না করে রেলস্টেশনের দিকে রওয়ানা হলাম।

    ব্রুক স্ট্রিট, আমার খাস কামরা। অন্য দিনের থেকে তাড়াতাড়িই আজ বিছানায় গেলাম। একপর্যায়ে গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলাম। পাশের গির্জার ঘড়িতে দুটো বাজার ঘণ্টা বাজতেই হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। মনে হলো যেন ভারী একটা কিছু আছে বিছানায়। হাত বাড়াতেই আতঙ্কিত হয়ে আবিষ্কার করলাম একটা মাথায় পড়েছে হাতটা। চুল থেকে চুইয়ে পানি পড়ছে। এতটাই ভয় পেলাম যে কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়লাম। এভাবে কতক্ষণ কাটিয়েছি বলতে পারব না। হঠাৎ বুঝতে পারলাম ভারী ওজনটা আর বিছানায় নেই। ওটা বিদায় নিয়েছে। কেন যেন মনে হলো এই ভৌতিক ঘটনার সঙ্গে স্কুলের ওই ঘটনার সম্পর্ক আছে। অ্যাণ্ডুর কি তবে কিছু হয়েছে? বার্সেলোনায় যেতে হবে আমাকে, স্থির করে ফেললাম।

    সকালে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটা জিনিস নিয়ে ভিক্টোরিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা হলাম। কয়েকদিন পরের এক সন্ধ্যায় পৌছলাম বার্সেলোনা। হোটেলে জিনিসপত্তর রেখে জ্যাক যে পত্রিকা অফিসে কাজ করে সেখানে গেলাম। তবে আমাকে মোটেই সাদর অভ্যর্থনা জানাল না তারা। বলল অ্যান্ড্রু আর এখানকার স্টাফ নয়, তার ঠিকানাও জানা নেই তাদের। আর জানা থাকলেও তাতে আমার কোন লাভ হবে না। তাদের চেহারায় অদ্ভুত এক হাসি খেলা করতে দেখলাম।

    মনে হলো জ্যাককে ঘিরে একটা রহস্য দানা বাঁধছে। হয়তো পত্রিকার লোকেরা ওর সম্পর্কে কিছু জানে, কিন্তু বলতে চাইছে না। তারপর গেলাম আমাদের দূতাবাসে। ওটা বন্ধ, কাল এগারোটার আগে খুলবে না। হাতে এখনও কয়েক ঘণ্টা সময় আছে। কী করব বুঝতে না পেরে রাস্তায় রাস্তায় হাঁটতে লাগলাম। একপর্যায়ে একটা মার্কেটের মাঝখানের চত্বরের সামনে চলে এলাম। কয়েকটা গ্যাস ল্যাম্পের আলোয় আঁধার খুব কমই দূর হচ্ছে। চতুর্ভুজাকৃতির জায়গাটা খোয়া দিয়ে বাঁধানো। ইংল্যাণ্ডে এ ধরনের চত্বর আরও অনেক দেখেছি। বেশ অন্ধকার নেমে এসেছে ইতোমধ্যে। বিকালের দিকে শহরের ওপর ঝুলে থাকা ভারী কুয়াশা এখন ভারী বৃষ্টি হয়ে নেমে এসেছে। দ্রুতই রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে গেল। আমি হোটেলে ফিরে যাওয়ার জন্য ঘুরব, এসময় মৃদু একটা গোঙানির মত শুনলাম মনে হলো। পাকা চত্বরটির মাঝখান থেকে আসছে শব্দটা। কাউকে কি খুন করা হচ্ছে? নাকি এটা আমার জন্য একটা ফাঁদ! আবারও গোঙানির শব্দ শুনলাম। নিশ্চিতভাবেই কেউ খুব যন্ত্রণায় এমন শব্দ করছে, আমার ভেতরের সমস্ত দ্বিধা চলে গেল।

    রিভলভারটা হাতে নিয়ে পিচ্ছিল পাথরের ওপর দিয়ে নিঃশব্দে শব্দ লক্ষ্য করে এগুতে লাগলাম। বৃষ্টি ও আলোর স্বল্পতা হেতু সামনে কয়েক ফুটের বেশি দৃষ্টি যাচ্ছে না। পথে কোন ধরনের বাধা থাকতে পারে এটা ভাবিনি। হঠাৎ কাঠের একটা মঞ্চের মত জায়গায় হোঁচট খেলাম। এটার ওপরে উঠব নাকি পাশ কাটিয়ে যাব ভাবছি, এসময়ই দেখলাম আমার কাছেই একটা চৌকির ওপর একটা লোক বসে আছে। বয়স খুব বেশি নয়, পরনে কালো একটা স্যুট। মুখটা হাত দিয়ে ঢাকা থাকায় চেহারা দেখতে পাচ্ছি না। মাথায় টুপি নেই। উন্মুক্ত মাথায় অনবরত বৃষ্টি পড়ে যাচ্ছে। তারপর গড়িয়ে পড়ছে শরীর বেয়ে নিচে।

    বাহুতে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, এমন বৈরী রাতে এখানে বসে কী করছে। সে কি অসুস্থ? আমি কি তার জন্য কিছু করতে পারি? জবাবে ভয়ানকভাবে গুঙিয়ে উঠল লোকটা। ধীরে ধীরে মুখ তুলল। ওহ্, খোদা, এ তো জ্যাক। এতটাই বিস্মিত যে কথা বলার ভাষাও হারিয়ে ফেললাম। কেবল অবাক দৃষ্টিতে তার দিকে চেয়ে রইলাম।

    ‘জমে গিয়েছি প্রায়,’ বিড়বিড় করে বলল সে, ‘চার রাত ধরে এখানে বসে আছি।’

    ‘চার রাত,’ বিস্মিত কণ্ঠে প্রতিধ্বনি তুললাম, ‘হায়, ঈশ্বর! তুমি উন্মাদ হয়ে গেছ, জ্যাক!’.

    মাথা ঝাঁকাল সে। সেখান থেকে পানি টপ টপ করে পড়ল আমার কাপড়ে।

    ‘না,’ বলল সে, ‘আমি পাগল হইনি। এখানেই আছি।’ তারপর নিজের দিকে একবার তাকিয়ে যোগ করল, ‘তোমাকে বলে কোন লাভ নেই। বুঝবে না।’

    ‘আমাদের শেষবার দেখা হবার পর নিঃসন্দেহে অস্বাভাবিক কিছু ঘটেছে,’ মত প্রকাশ করলাম, ‘একটা মোটামুটি মাথা গোঁজার মত জায়গায় পৌঁছার পরে আশা করি গোটা বিষয়টা বুঝিয়ে বলবে। আমার ধারণা কোন ধরনের মানসিক যন্ত্রণা এবং বৃষ্টিতে ভেজা এই দুইয়ে মিলে তোমার মাথাটা গেছে। এখন বাড়ি গিয়ে এক বোতল হুইস্কি সাবাড় করা উচিত তোমার।’

    ‘না,’ ক্লান্ত কণ্ঠে বলল, ‘ওখানে আর কখনও যেতে চাই না। বরং তোমার আস্তানায় নিয়ে চলো।’

    কী করা যায় বুঝতে না পেরে রাজি হলাম। খুব দ্রুতই শর্টকাটে আমাকে হোটেলের কাছে নিয়ে এল সে। অদ্ভুত দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকাল হোটেলের মালকিন মহিলা। আমার বন্ধুটির মধ্যে এমন একটা কিছু ছিল যা মহিলাটিকে একই সঙ্গে ভীত করেছে এবং চমকে দিয়েছে। অবশ্য আমি খুব একটা বিস্মিত হলাম না এতে। কারণ জ্যাকের গাল অস্বাভাবিক রকম সাদা, চুল ভেজা, চোখ অস্বাভাবিক বড় এবং কেমন যেন রক্তাভ হয়ে আছে। সাপার রুমে আমরা ঢুকতেই অন্য অতিথিরা দূরে সরে গেল। ফলে বড় একটা টেবিল শুধু দু’জনের জন্য দখলে পেতে কোন অসুবিধা হলো না। চমৎকার স্বাদের খাবার পরিবেশন করা হলো। ঠাণ্ডা রোস্ট চিকেন, সালাদ, মিষ্টান্ন, কমলার জুস এবং ওপরতোর বিখ্যাত ওয়াইন। আমি রীতিমত খাদকের মত খেলাম। তবে জ্যাক একটা কিছু স্পর্শ করল না।

    হতাশার দৃষ্টিতে তার দিকে তাকালাম। ও যে পাগল হয়ে গেছে তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই আমার। ‘তোমার ব্যাপার- স্যাপার বুঝতে পারছি না মোটেই। কয়েকদিন ধরেই কিছু খাচ্ছ না নাকি?’ জানতে চাইলাম।

    ‘সোমবার থেকে,’ জবাব দিল জ্যাক, ‘আজ শুক্রবার। সোমবার সকালে পাউরুটি আর কোকো খেয়েছি।’

    তারপর স্কুলজীবনের গল্প করতে লাগলাম। তবে তার এখনকার জীবন, এখনকার বাড়ি, আর ওই সুন্দরী নারী যাকে জ্যাকের স্ত্রী ভেবেছি, এগুলো সম্পর্কে কিছুই বলল না।

    বেশ খরচ হলেও ওর জন্য একটা কামরার ব্যবস্থা করলাম। সেখানে বেশ রাত পর্যন্ত গল্প করলাম।

    ‘ঠিক আছে,’ ঘড়ির কাঁটা দুটোয় পৌঁছলে অবশেষে বলল সে, ‘বুড়ো বন্ধু, এবার যাও, আমাকে এখানে রেখে। সকালে হয়তো এখনকার আমার সঙ্গে একটু পার্থক্য চোখে পড়বে। তবে যা-ই ঘটুক, আর তোমাকে লোকেরা যা-ই বলুক, সত্য অনুসন্ধানের চেষ্টা কোরো।

    কথা শেষ করে শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিল। হতবুদ্ধি অবস্থায় কামরা থেকে বেরিয়ে এলাম। পরের দিন সকালে কী অবস্থায় তাকে পাব এ ব্যাপারে কোন ধারণাই নেই আমার। তবে যে কোন কিছুর জন্যই মানসিকভাবে প্রস্তুত আমি। তবে পরে যেটা জানতে পারি সেটা ছিল আমার জন্য বড় এক ধাক্কা।

    সকালে জ্যাকের কামরায় গিয়ে দেখলাম রাতে যে অবস্থায় রেখে গিয়েছিলাম সে অবস্থাতেই আছে বিছানায়। মাথাটা একটু দরজার দিকে ঘোরানো। হালকাভাবে স্পর্শ করলাম তাকে। কিন্তু কোন সাড়াশব্দ পেলাম না। কপাল ছুঁলাম। বরফের মত ঠাণ্ডা। মাথাটা ধরতেই এক পাশে হেলে পড়ল নিষ্প্রাণভাবে। কোটের কলার সরাতেই গলাটা উন্মুক্ত হলো। ওটা নীল, ফোলা আর…। আতঙ্কে চিৎকার করে উঠে কামরা থেকে ছুট লাগালাম।

    একজন চিকিৎসক ডাকা হলো।

    ডাকা হলো। তাকেসহ বন্ধুর শয্যাপাশে এলাম। মৃতদেহটা দেখেই ভয় আর বিস্ময়ে চেঁচিয়ে উঠল। তারপর মৃতদেহের দিকে আঙুল দিয়ে ইশারা করে বলল, ‘ঈশ্বর! সে এখানে কীভাবে এল? জ্যাক অ্যান্ড্রু, খুনিটা, সোমবার সকালে জনসমক্ষে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে! এ কী করে সম্ভব!’

    এই ঘটনার পর বেশ কয়েকদিন অসুস্থ হয়ে বিছানায় কাটালাম। মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে জনের শেষ শব্দ কয়টা, ‘সত্য অনুসন্ধানের চেষ্টা কোরো!’

    সুস্থ হয়েই খোঁজ-খবর শুরু করলাম। যাকে হত্যার অভিযোগে জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে তার নাম কারলোটা গডিভেজ, যে মহিলার সঙ্গে সে বাস করত। লণ্ডনে জ্যাকের সঙ্গে যে সুন্দরীটি ছিল এ-ই সে বুঝতে সমস্যা হলো না আমার।

    জ্যাকের সঙ্গে যখন প্রথম দেখা হয় তখন কারলোটা ছিল বিবাহিত। স্বামী হারমান গডিভেজের সঙ্গে থাকত কার্টাজেনায়। জ্যাকের প্রেমে পড়ে তার সঙ্গে পালায় নারীটি। তবে প্রতিবেশীরা নিয়মিতই প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে ঝগড়ার শব্দ শুনতে পেতেন। যখন কারলোটাকে তার সাজঘরে হার্টে ছুরিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ গিয়ে পড়ে অ্যান্ড্রুর ওপর।

    ইংরেজ রাষ্ট্রদূত তখন এখানে ছিলেন না। তাঁর বদলে দায়িত্ব পালন করছিলেন একজন স্পেনীয়। তাছাড়া তথ্য- প্রমাণ ছিল জ্যাকের বিরুদ্ধে। একে বিদেশী, তাতে আবার তেমন ক্ষমতা নেই। তাছাড়া একজনকে বলির পাঁঠা বানানোর দরকার ছিল পুলিসের। অতএব মরতে হলো জ্যাককে।

    যা হোক, আমি কার্টাজেনা গিয়ে একজন গোয়েন্দা নিয়োগ করলাম হারমান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য। তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু প্রমাণও মিলল। কিন্তু স্পেনীয় পুলিস কোন ব্যবস্থাই নিল না। স্পেনের আইন-কানুনের এই হতাশাজনক অবস্থা দেখে লণ্ডনে ফিরে এলাম। তবে জ্যাকের ব্যাপারে মুখ খুললাম না এখানে। এমনকী আমাদের স্কুলের বন্ধুরা এখনও জানে না জ্যাকের ভাগ্যে কী হয়েছে। তবে স্কুলে এখনও ওর ভূত দেখা যায়, যেমন দেখা যায় যে হোটেলে আমি ওকে নিয়ে গিয়েছিলাম সেখানে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপৃথিবীর ইতিহাস ১ – সুসান ওয়াইজ বাউয়ার
    Next Article সব ভুতুড়ে – ইশতিয়াক হাসান

    Related Articles

    ইশতিয়াক হাসান

    সব ভুতুড়ে – ইশতিয়াক হাসান

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }