Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প144 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অশুভ সংকেতের পর – ২

    দুই

    পরদিন সকাল। ডেভিডসন মিলিটারি অ্যাকাডেমির সব ছাত্র মাঠে সমবেত হচ্ছে। ব্যাণ্ডের সাথে কুচকাওয়াজ হবে। বেশিরভাগ ছাত্রের চোখেই এখনও ঘুমের রেশ লেগে আছে।

    ছুটির শেষে ছাত্রদের আমন্ত্রণ জানাতে প্রধান স্কুল ভবনের চওড়া সিঁড়ির মাথায় দাঁড়িয়েছে কর্নেল। তার পাশেই শক্ত সুশ্রী চেহারার একজন যুবক। পরিপাটি করে ইস্তিরি করা মোটা ইউনিফর্মের নিচেও যুবকের সুগঠিত পেশী ঢেউ খেলে উঠতে দেখা যাচ্ছে। মোটা থলথলে দেহের কর্নেলকে ওর পাশে বেমানান ঠেকছে।

    ছাত্রদের উদ্দেশ্যে চিরাচরিত ছক বাঁধা বক্তৃতা আরম্ভ করল কর্নেল। মাঠে দাঁড়িয়ে মার্ক ঠোঁটের পাশ দিয়ে চুপিচুপি বলল, ‘কর্নেলের পাশের লোকটাই মনে হয় আমাদের নতুন প্ল্যাটুন লীডার।

    ‘দেখে তো ভালই মনে হচ্ছে,’ নিচু স্বরে জবাব দিল ডেমিয়েন।

    ‘হ্যাঁ, ঠিক গরিলার মত!

    বক্তৃতা শেষে কর্নেল ব্র্যাডালি প্ল্যাটুন ছাড়া বাকি সবাইকে মার্চ করে ক্যানটিনে যাবার নির্দেশ দিল। মার্ক আর ডেমিয়েনের সাথে চব্বিশজন ক্যাডেট বাদে আর সবাই মাঠ ছেড়ে চলে গেল।

    ‘আরামে দাঁড়াও,’ আদেশ দিল কর্নেল। ছেলেরা সবাই একসাথে পা ফাঁক করে একটু বাঁয়ে হেলে দাঁড়াল। ‘তোমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই,’ আবার আরম্ভ করল সে। ‘সার্জেন্ট গুডরিচের জায়গায় সার্জেন্ট ড্যানিয়েল নেফ তোমাদের প্ল্যাটুন লীডার হিসাবে দায়িত্ব নিচ্ছে।’

    সার্জেন্ট গুডরিচের নাম এতক্ষণ কেউ উচ্চারণ করেনি। তার মৃত্যু সম্পর্কে স্কুলের ছেলেদের সামনে আলোচনা ইচ্ছে করেই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে আত্মহত্যা অত্যন্ত অগৌরবের আর কাপুরুষোচিত বলে গণ্য হয়। তার কথা ভবিষ্যতে আর ভুলেও উল্লেখ করা হবে না।

    ‘সার্জেন্ট নেফ একজন অভিজ্ঞ অফিসার,’ বলে চলল কর্নেল। আমার বিশ্বাস তার যোগ্য শিক্ষকতায় তোমরাই এই অ্যাকাডেমির শ্রেষ্ঠ প্ল্যাটুন বলে চিহ্নিত হবে। ছাত্রদের দিকে চেয়ে একটা বন্ধুসুলভ আন্তরিক হাসি দেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করে নেফের দিকে ফিরল কর্নেল। ‘তোমার হাতেই ওদের ভার ছেড়ে দিলাম, সার্জেন্ট।’

    কেতাদুরস্ত একটা স্যালিউট ঠুকল নেফ। কর্নেলের ঢিলে-ঢালা দেহ নিয়ে মিলিটারি কায়দায় চলার করুণ প্রয়াস দেখে হাসি চাপল সে।

    পিছনের সারিতে দাঁড়িয়েছে টেডি। একটু বেয়াড়া রকমের বাড় ওর। অন্যান্য ছেলেদের চেয়ে প্রায় আধ হাত উঁচুতে ওর মাথা। টাইট শার্টের ভিতর থেকে ওর লম্বা গলা আর কব্জি দুটো বিচ্ছিরি রকম বেরিয়ে রয়েছে। নিজের কুশ্রী চেহারার ঘাটতি সে পূরণ করে সহপাঠীদের ওপর দৈহিক জোর খাটিয়ে। কাঁধের ওপর ওর ঠাট্টার ছলে মারা ঘুসি অনেকেই খেয়েছে-প্রায় বিশ মিনিট পর্যন্ত হাত একেবারে অবশ হয়ে থাকে।

    ‘নতুন প্ল্যাটুন লীডারকে শুরুতেই একটু বাজিয়ে দেখলে মন্দ হয় না,’ ভাবল টেডি। নেফের বুকের ওপর ঝোলানো পদকগুলোর দিকে চেয়ে সে হাসি মুখে বলে উঠল, ‘সার্জেন্ট, তোমার মেডেলগুলো কিসের

    ‘চুপ কর!’ ধমকে উঠল নেফ। ‘এখানে কথা যা বলার আমি বলব। তোমাদের কিছু জিজ্ঞেস করা হলে তার জবাব দেবে।’ একে একে সবার দিকে চাইল সার্জেন্ট। ‘কি, পরিষ্কার হয়েছে আমার কথা?’ ছেলেদের নীরব থাকতে দেখে মনে মনে সন্তুষ্ট হয়ে সে আবার বলল, ‘পেশাগত জীবনে এটাই আমার প্রথম কাজ। দায়িত্ব যখন নিয়েছি তোমাদের ঘষেমেজে এমন ভাবে গড়ে তুলব যেন প্যারেড মাঠে তোমাদের কৃতিত্ব দেখে সবার তাক লেগে যায়।

    প্রথম দিনেই প্ল্যাটুন লীডারের ধমক আর দাপটে মিইয়ে গেছে ছেলেরা। শুকনো একটা ঢোক গিলল টেডি। যেভাবেই হোক তাকে সবার সামনে এভাবে অপদস্থ করার শোধ সে তুলবে।

    ‘আপাতত তোমাদের নামগুলো জেনে নিই, নাস্তার পরে প্রত্যেকের সাথে আলাদা ভাবে আলাপ হবে আমার অফিসে। তোমার নাম?’

    ‘মার্ক থর্ন,’ দুর্বল স্বরে জবাব দিল মার্ক।

    ‘মার্ক থর্ন কি?’ ধমকে উঠল নেফ।

    ‘মার্ক থর্ন, সার্জেন্ট,’ তাড়াতাড়ি জবাব দিল সে।

    ‘থর্ন না? ভাল,’ হাসিমুখে বলল নেফ। ‘তোমাদের পরিবারের যথেষ্ট প্রভাব আছে এই অ্যাকাডেমিতে তাই না?’

    ক্ষমতা আর প্রাচুর্যের মধ্যে বড় হলেও ছেলেবেলা থেকেই সে শিক্ষা পেয়েছে নিজেকে জাহির করাটা রূঢ়। তাই চুপ করে রইল সে। কিন্তু নেফ তাকে চুপ করে থাকতে দেখে আবার খোঁচাল, ‘কি, তাই না?’

    ‘আমার বাবা আর চাচা দু’জনেই এখানকার ক্যাডেট ছিলেন,’ দুইকূল রক্ষা করে জবাব দিল মার্ক।

    ‘ভাল কথা,’ বলল নেফ। ছেলেটির উপস্থিত বুদ্ধি দেখে অবাক হয়েছে সে। ‘কিন্তু মনে রেখ, বাড়তি কোন সুবিধা সেজন্যে তোমাকে দেয়া হবে না। সব ক্যাডেটই এখানে সমান।

    জলদি ছাড়া পাবার আশায় তাড়াতাড়ি মাথা ঝাঁকাল মার্ক।

    সুযোগের অপেক্ষায় ছিল টেডি। টিটকারী দিয়ে সে নিচু স্বরে বলে উঠল, ‘এসব লেকচার আমরা আগেও অনেক শুনেছি।’ ওর আশেপাশের ছেলেরা ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে গেল।

    ঝট করে গোড়ালির ওপর ঘুরে সরাসরি টেডির দিকে চাইল নেফ। কিন্তু আমার কাছ থেকে আগে শোননি!’ আঙুল উঁচিয়ে শাসানোর ভঙ্গিতে বলল সে।

    নতুন প্ল্যাটুন লীডারের কাছ থেকে সহজে পার পাওয়া যাবে না। আবার অপ্রস্তুত হয়ে চোখ নামিয়ে নিল টেডি।

    নাম জিজ্ঞেস করার পালা শুরু হল নতুন করে। মার্কের পাশেরজনকে প্রশ্ন করল নেফ, ‘নাম?’

    ‘ডেমিয়েন থর্ন…সার্জেন্ট।’

    চট করে আবার মার্কের দিকে একবার আড়চোখে দেখে নিয়ে সে বলল, ‘কই, তোমাদের চেহারা তো একরকম নয়?’

    সাহস করে মুক্তা ঝরানো একটা সুন্দর হাসি দিয়ে ডেমিয়েন জবাব দিল, আমরা পরস্পরের চাচাত ভাই, সার্জেন্ট।’

    নেফের চোখে কিসের যেন একটা আভাস দেখা দিয়েই আবার মুহূর্তে মিলিয়ে গেল। ‘ঠিক আছে,’ বলল সে। ‘কিন্তু তোমাকেও বলে রাখছি, বিশেষ কোন খাতির তুমিও পাবে না!’

    মাথা ঝাঁকাল ডেমিয়েন। অন্য ছেলেদের নাম জেনে নিতে এগিয়ে গেল নেফ। লোকটার ভিতর অদ্ভুত কি যেন একটা শক্তি রয়েছে বলে ডেমিয়েনের মনে হচ্ছে। ভিতরে ভিতরে কেমন একটা অকারণ পুলক বোধ করছে সে।

    .

    মিলিটারি অ্যাকাডেমি থেকে মাত্র ষাট মাইল দূরে শিকাগো শহরের মাঝখানে থর্ন ইণ্ডাস্ট্রির হেড অফিসের করিডোর ধরে পাশাপাশি হাঁটছে রিচার্ড থর্ন আর বিল অ্যাদারটন। আশেপাশে আর কাউকে দেখা যাচ্ছে না। স্বাভাবিক—নেহাৎ কাজ পাগলা লোক না হলে এত সকালে কারও অফিসে আসার কথা নয়।

    বিল অ্যাদারটন থর্ন ইণ্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট। চৌষট্টি বছর বয়স-সাদাসিধে চেহারা। কলেজ থেকে ডিগ্রি পাওয়ার সাথে সাথেই থর্ন ইণ্ডাস্ট্রিতে ঢুকেছে সে। ধীর গতিতে উন্নতি করতে করতে একেবারে মাথায় পৌঁছেছে। কিছুদিন থেকেই একটা ব্যাপারে সে উদ্বিগ্ন। এই কোম্পানিরই স্পেশাল প্রোজেক্টস্ ডাইরেক্টর পল বুহেরকে নিয়েই ওর চিন্তা।

    পলের বয়স তিরিশের কাছাকাছি। অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী। বিলের চেয়ার দখল করার অক্লান্ত চেষ্টা সে শুরু থেকে প্রকাশ্যেই করে আসছে। কিন্তু এতে বিল মোটেও শঙ্কিত নয়, রিচার্ডের সাথে অনেক দিনের সম্পর্ক তার—অনেকটা বন্ধুর মতই। তাই ওর ব্যক্তিগত ক্ষতির সম্ভাবনা কম। তবে পলের নীতিজ্ঞানশূন্য নিষ্ঠুর কাজের পদ্ধতি সে মোটেই অনুমোদন করে না। আরও ক্ষমতা হাতে পেলে পল তার নিজস্ব পদ্ধতিতে কাজ করে থর্ন ইণ্ডাস্ট্রির সুনাম নষ্ট করে ফেলবে বলেই বিশ্বাস করে বিল। তাই আজকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার আগেই সে রিচার্ডের সাথে একটু আলাপ করে নেয়ার জন্যে সকাল-সকাল অফিসে এসেছে। পল কৃষি—সংক্রান্ত প্রচুর জায়গা আর যন্ত্রপাতি কেনার পরামর্শ দিয়েছে—প্ল্যান পাস হলে ওর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে—বিল সেটা ঠেকাতে চায়।

    রিভলভিং দরজা দিয়ে বেরুবার মুখে রিচার্ড বিচক্ষণ রাজনীতিবিদের চালে জবাব দিল, ‘স্বীকার করছি, পলের সাথে একমত হয়ে চলা খুব কঠিন, কিন্তু ওই যোগ্যতার মানুষ খুঁজে পেতে আমাদের তিন বছর সময় লেগেছে।’

    ‘আমি ওর শিক্ষাগত যোগ্যতার…’

    ‘জানি, ওর চাল-চলন তোমার পছন্দ নয়, এই তো?’

    দরজা দিয়ে বেরিয়ে মাথা নাড়ল বিল। ‘না, ওর চাল-চলন তবু সহ্য করা যায়—কিন্তু ওর নীতি সব সময়ে সামাজিক নিয়ম মেনে চলে না।’

    ‘তুমি ভয় পাচ্ছ আইনের চোখে আমরা অপরাধী হয়ে দাঁড়াতে পারি?’ প্রশ্ন করল রিচার্ড।

    ‘অসম্ভব কি? ইদানীং সে বেশ কিছু সমাজ বিরোধী কাজ হাতে নিয়েছে। লিমোসিনের ধারে পৌঁছে গেল ওরা। মারে সসম্মানে দরজা খুলে দাঁড়াল।

    ‘দেখা যাক, মীটিঙে জানা যাবে এ ব্যাপারে পল বুহেরের কি বক্তব্য। তবে তুমি ওখানে পলকে সরাসরি আক্রমণ না করে তোমার আপত্তি একটু কৌশলে মার্জিত ভাবে প্রকাশ কোরো।’

    রিচার্ডের পাশেই পিছনের সিটে উঠে বসল বিল অ্যাদারটন। গাড়ি ছেড়ে দিল মারে।

    .

    অ্যাকাডেমির বারান্দায় তাদের নতুন প্ল্যাটুন লীডারের সাথে দেখা করার জন্যে জড়ো হয়েছে সবাই। একে একে ওদের ডাক পড়ছে।

    দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে টেড়ি দাঁড়িয়ে। চোখে মুখে একটা ড্যাম কেয়ার ভাব। যে লোকটার কাছে অপদস্থ হয়েছে, তাকে সে মোটেও ভয় করে না, এটাই সবাইকে বোঝাতে চাইছে ছেলেটা।

    ভিতরে ভিতরে খুব ঘাবড়েছে ও। তার বেয়াড়া ব্যবহারে যে নেফ প্রীত হয়নি এটা ভাল করেই বুঝেছে সে। এভাবে চলবে না-নতুন কোন পথ ধরতে হবে তাকে।

    ভক্তরা টেডির চারপাশে ওকে ঘিরে রয়েছে। ওরাও টেডির অনুকরণে নিজেদের চেহারা নির্ভীক রাখার চেষ্টা করছে। কিছু একটা করা দরকার মনে করে দেয়ালে সার বেঁধে ঝুলানো ছবিগুলোর দিকে এগিয়ে গেল টেডি। প্রায় চল্লিশটা ছবি পাশাপাশি ঝুলছে-অ্যাকাডেমির প্রত্যেক বছরের ফুটবল টীমের’ ছবি

    শেষ পর্যন্ত যা খুঁজছিল পেয়ে গেল টেডি। একটা ছবি দেখিয়ে সে বলে উঠল, ‘এই টীমেই খেলত আমার বাপ। এই যে তার ছবি।’ জনাছয়েক ছেলে দেখার জন্যে ঝুঁকে পড়ল। ‘বাবা ছিল রাইট আউট,’ বলে আড়চোখে ডেমিয়েনকে একবার দেখে নিয়ে সে আবার বলল, ‘রবার্ট থর্ন ছিল কোয়ার্টার ব্যাক।’ স্পষ্ট অবজ্ঞা প্রকাশ পেল ওর স্বরে। ‘টাকায় কী না হয়!’

    দেয়াল ছেড়ে সিধে হয়ে দাঁড়াল ডেমিয়েন। ‘টেডি!’ ডাকল সে। ওর গলায় হুমকি।

    টেডি ওর চারপাশের ভক্তদের দিকে একবার দেখে নিয়ে আক্রমণ চালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিল। ‘তোমার বাপের অনেক টাকা খসেছিল, তাই না?’

    খিক খিক করে চাপা হাসির শব্দ উঠল। একটা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে ঘটনা মোড় নিচ্ছে বুঝতে পেরেই প্রাণ খুলে হাসতে পারছে না কেউ। ঠিক এই সময়ে দরজা খুলে নেফের ঘর থেকে বেরিয়ে এল মার্ক। মুহূর্তে ঘটনা আঁচ করে নিয়ে সে গলা পরিষ্কার করে বলল, ‘ডেমিয়েন, এবার তোমার পালা।’

    প্রথমে মার্ক, পরে টেডির দিকে চেয়ে অস্বাভাবিক তীক্ষ্ণ স্বরে ডেমিয়েন বলল, ‘ভাল চাইলে জীবনে আর কখনও তুমি আমার বাপ তুলে কথা বলবে না—কোনদিন না।’ কথাটা শেষ করেই ঘুরে নেফের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল ডেমিয়েন।

    মার্কের দিকে চেয়ে নাক দিয়ে একটা অবজ্ঞাসূচক শব্দ করল টেডি। ‘তোমার ভাই নিজেকে কি মনে করে?’ নিজের সমর্থকদের দিকে চেয়ে সে আবার বলল, ‘আমার বাবা তো বলে থর্নরা নাকি অর্ডার দিয়ে হ্যাট বানায়। মাথা মোটা তো? তাই দোকানের কোন টুপিই ওদের মাথায় লাগে না!’ নিজের রসিকতায় নিজেই হো হো করে বিকট শব্দে হেসে উঠল টেডি। ওর সাথীরাও হাসিতে যোগ দিল।

    সোজা টেডির দিকে এগিয়ে গেল মার্ক। ওর মুখোমুখি এসে থেমে শান্ত গলায় জিজ্ঞেস করল, ‘কুহা দেখেছ?

    শব্দটার অর্থ টেডির জানা নেই। ওর সন্দেহ হল শব্দটা সম্ভবত অপমানজনক। মার্ক ওকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে বিশ্বাসই হচ্ছে না। ওদের মধ্যে ডেমিয়েনই শক্তিশালী আর ডানপিটে তার পক্ষে লাগতে আসা সম্ভব—কিন্তু মার্ক?

    সিধে হয়ে দাঁড়াল টেডি। ‘কি বললে?’ ওর সামনে মার্ককে অত্যন্ত ছোট আর ক্ষীণ দেখাচ্ছে।

    ‘বোঝনি? ঠিক আছে, তোমার জন্যে না হয় সোজা করে বুঝিয়েই বলছি, ‘ আশ্চর্য রকম শাস্ত শোনাচ্ছে ওর গলা। ‘কুজটিকা-কুয়াশার মত ঝাপসা জিনিস। জাপানের উপকূলে দেখা যায়।’

    কথার প্যাচে টেডি মার্কের তুলনায় নস্যি। কিন্তু আজকের আক্রমণটা যে কোন্‌দিক থেকে আসছে তা মোটেও বুঝে উঠতে পারছে না। ‘না,’ সন্দিগ্ধ ভাবে জবাব দিল সে।

    ‘দেখনি তো? দেখ!’ বলেই তার জুতোর চামড়ার শক্ত গোড়ালি সজোরে ঠুকে দিল টেডির বাম পায়ের আঙুলগুলোর ওপর।

    একেবারে হতবুদ্ধি হয়ে গেছে টেডি। অসহ্য ব্যথায় এক পায়ে লাফাচ্ছে সে। ওই পুঁচকে ছোঁড়াটা তাকে এত জোরে মারায় আশ্চর্য হয়নি সে, অবাক হয়েছে ওর ঔদ্ধত্যে। অ্যাকাডেমির কোন ছেলে তাকে এভাবে তাচ্ছিল্য করতে সাহস পায়নি সে যে কি করবে, কিছুই মাথায় আসছে না ওর

    টেডির মাথা স্বাভাবিক অবস্থাতেই একটু ধীরে কাজ করে। ভেবাচেকা অবস্থা কাটিয়ে ওঠার আগেই মার্ক মুখ দিয়ে ‘চুকচুক’ শব্দে দুঃখ জানিয়ে এবার ওর অন্য পায়ের ওপর গোড়ালি দিয়ে মারল। টেডির বিস্ময়ের মাত্রা শেষ সীমা ছাড়িয়ে গেছে। বেচারা ঠিকমত দাঁড়াতেই পারছে না।

    এমন অসহায় ভাবে পা বদল করে করে টেডিকে একপায়ে নাচতে দেখে হাসি পাচ্ছে ছেলেদের। কিন্তু এখন হাসলে পরে তার পরিণতি কি হবে বুঝেই ওরা হাসি চাপল। কি ঘটতে যাচ্ছে বুঝেই ওরা সরে দাঁড়িয়ে টেডি আর মার্ককে জায়গা করে দিল।

    .

    প্ল্যাটুন লীডার নেফের বিশাল ডেস্কটার সামনে ‘স্ট্যাণ্ড অ্যাট ইজ’ অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে ডেমিয়েন। ডেস্কের পিছনে বসে ডেমিয়েনের ফাইল ওল্টাচ্ছে নেফ। খুঁজে পেয়ে পরীক্ষার ফলাফলগুলোর ওপর চোখ বুলাল সে।

    ‘অঙ্ক ভাল,’ আরম্ভ করল সার্জেন্ট। ‘বিজ্ঞান…খুব ভাল, সামরিক ইতিহাস…মোটামুটি, আরও উন্নতি করার অবকাশ রয়েছে।

    ‘জ্বী, সার্জেন্ট,’ ডেমিয়েনের মনোযোগ ওখানে নেই। নেফের পিছনে খোলা জানালা দিয়ে সে মাঠে নতুন ক্যাডেটদের খেলা দেখছে।

    ‘শরীর চর্চা,’ বলে চলল নেফ, ‘চমৎকার।’ ফাইলটা ঠেলে সরিয়ে রাখল সে। ‘শুনলাম তুমি ফুটবল খুব ভাল খেলতে পার?

    কাঁধ ঝাঁকাল ডেমিয়েন। মুখে বড়াই না করে কাজে প্রমাণ করায় বিশ্বাসী সে। ‘গর্বিত হতে শেখ!’ ধমকে উঠল নেফ। ‘নিজের কৃতিত্বকে নিজেও মর্যাদার চোখে দেখতে হবে।’

    ‘জ্বী, সার্জেন্ট।’ আর কোন জবাব ওর মাথায় এল না।

    ‘আজ বিকালে খেলার মাঠে আমি উপস্থিত থাকব,’ বলল নেফ।

    কথাটা ডেমিয়েনের কাছে চ্যালেঞ্জের মতই শোনাল। মাথা ঝাঁকাল, কিন্তু কেমন যেন বিব্রত বোধ করছে।

    কয়েক মুহূর্ত অস্বস্তিকর নীরবতার মাঝে মনে মনে কথাগুলো গুছিয়ে নিয়ে গভীর আবেগ দিয়ে নেফ বলল, ‘আমি তোমাকে শিক্ষা দিতে এসেছি বটে, কিন্তু সেইসাথে তোমাকে সাহায্য করতেও এসেছি।’ একটু থেমে আবার বলল, ‘তোমার কোন সমস্যা হলেই আমার কাছে চলে এসো, ভয় কোরো না…’

    ‘ভয়?’ ভাবল ডেমিয়েন। পুরো মনোযোগের সাথে এখন কথা শুনছে সে।

    ‘–দিনে-রাতে যে-কোন পরামর্শ বা সাহায্যের দরকার হলেই সোজা আমার কাছে চলে এসো। বুঝেছ?’

    এসব কথার মানে ঠিক বুঝতে পারছে না ডেমিয়েন। তবু মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিল সে, ‘জ্বী, সার্জেন্ট।‘

    ভবিষ্যতে আমাদের পরস্পরকে ভাল করে জানার অনেক সুযোগ আসবে।’ দূরে সরিয়ে রাখা ফাইলটার ওপর টোকা দিল নেফ, ‘দেখলাম বাপ-মা মরা ছেলে তুমি।

    অস্বস্তিভরে মাথা ঝাঁকাল ডেমিয়েন।

    হাসল নেফ। ‘আমিও তাই,’ আন্তরিক সহানুভূতির সাথে বলল সে। ‘অন্তত এ-ব্যাপারে আমাদের মিল রয়েছে।’

    অবাক চোখে নেফের দিকে চাইল ডেমিয়েন। ওদের মধ্যে অদ্ভুত একটা কিছু ঘটছে, কিন্তু সেটা যে কি তা বুঝে উঠতে পারছে না ও।

    নেফের চেহারা থেকে বন্ধুসুলভ হাসিটা মিলিয়ে গেল। ডেমিয়েনের সাথে সাক্ষাৎকারের ইতি টেনে গভীর স্বরে বলল, ‘ফস্টারকে আসতে বল।’

    এক সেকেণ্ড দাঁড়িয়ে থেকে বেরিয়ে এল ডেমিয়েন।

    .

    বারান্দায় বেরিয়েই ডেমিয়েন দেখতে পেল মার্ককে নির্দয় ভাবে পেটাচ্ছে টেডি। দু’হাত তুলে এঁকেবেঁকে অসহায় মার্ক মার ঠেকানোর চেষ্টা করছে।

    আর দেরি করল না ডেমিয়েন। ‘টেডি!’ হুঙ্কার ছাড়ল সে। ডেমিয়েনের গলার এমন ভয়ানক স্বর ওর সহপাঠীরা আগে কখনও শোনেনি। ওদের অন্তরাত্মা কেঁপে উঠল।

    ঘুরে দাঁড়াল টেডি। ওর চোখে-মুখে বিজয় উল্লাস। কিন্তু ডেমিয়েনের চোখের দিকে চেয়ে ওর হাসি ম্লান হয়ে গেল।

    দম বন্ধ করে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে সবাই।

    কটকটকটকট একটানা একটা শব্দ উঠল। দুটো ক্ল্যাপস্টিক একসাথে বাড়ি খাওয়ার মত আওয়াজ। মুখ তুলে শব্দের উৎস খুঁজল টেডি। কিন্তু আর কেউ কেন শুনতে পাচ্ছে না? সবাই ওর দিকেই চেয়ে রয়েছে। শব্দটা ধীরে ধীরে স্পষ্ট আর জোরাল হয়ে উঠল। শক্তিশালী একজোড়া ডানা পরস্পর বাড়ি খাচ্ছে-ঠিক টেডির মাথার ওপর। আতঙ্কিত চিকন গলায় চিৎকার করে উঠল টেডি, ‘বাঁচাও!’ দু’হাত মাথার ওপর তুলে অদৃশ্য আক্রমণকারীদের ঠেকাবার আপ্রাণ চেষ্টা করছে সে!

    ক্যাডেটরা সবাই অবাক হয়ে হাঁ করে চেয়ে রয়েছে। কোনমতে উঠে কি ঘটছে বোঝার চেষ্টা করছে মার্ক। ডেমিয়েন সম্মোহিতের মত দাঁড়িয়ে।

    হঠাৎ যেন ঘূর্ণি বাতাসেই টেড়ির দেহটা মাটি ছেড়ে শূন্যে উঠে গেল। পরক্ষণেই উড়ে গিয়ে আছড়ে পড়ল দেয়ালের গায়ে।

    এই সময়ে অফিস ঘরের দরজা খুলে বারান্দায় বেরিয়ে এল নেফ। বাধা পেয়ে ডেমিয়েনের ঘোর কেটে গেল। মাথা ঝাঁকি দিয়ে পর পর কয়েকবার চোখের পাতা ফেলে মুখ তুলে চাইল সে। কোনায় মাটিতে লুটাচ্ছে টেডি। শব্দটা থেমে গেছে। ক্যাডেটরা সবাই বিস্ময়ে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    মাটিতে শুয়ে কি করছ?’ টেডিকে প্রশ্ন করল নেফ।

    কথার উত্তর না দিয়ে ফোঁপাতে ফোঁপাতে উঠে বসে নিজের চোয়ালে হাত বোলাল টেডি।

    ‘কে মেরেছে তোমাকে?’ আবার জিজ্ঞেস করল নেফ।

    টলমলে পায়ে উঠে দাঁড়াল টেডি। ‘কেউ না, স্যার,’ বলল সে। কথাটা মিথ্যা নয়।

    কথাটা মেনে নিয়ে নেফ বলল, ‘ঠিক আছে, এবার ফস্টার এসো আমার ঘরে।’ আবার নিজের কামরায় ঢুকল সে। ফস্টার তার পিছু নিল।

    সবাইকে বিহ্বল অবস্থায় ফেলে ক্যাডেটদের পাশ কাটিয়ে বাইরে চলে এল ডেমিয়েন। অন্যেরা টেডিকে ঘিরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। ডেমিয়েনের পিছু নিল মার্ক। অল্প কিছুটা ছুটেই ভাইকে ধরে ফেলল সে।

    ‘ওকে কি করেছিলে তুমি?’ প্রশ্ন করল মার্ক। ব্যাপারটা কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি সে।

    ‘জানি না,’ প্রসঙ্গটা এড়িয়ে গেল ডেমিয়েন। তবে সত্যি জবাবই দিয়েছে ও। ঘটনার জন্যে আসলে কে দায়ী তা সে নিজেও বুঝে উঠতে পারেনি। তার বাবার মত সে-ও পাগল হয়ে যাচ্ছে না তো?

    ওর কাঁধে হাত রেখে মার্ক বলল, ‘জানো, ওরা আমাকে অ্যাকাডেমির ব্যাণ্ডে নিতে চায়।’

    ‘তাই নাকি?’ হাসল ডেমিয়েন। ‘চমৎকার কথা!’ আবার সেই আগের হাসিখুশি ডেমিয়েনে রূপান্তারিত হল সে। কনুই দিয়ে মার্ককে ঠেলা দিয়ে বলল, ‘দেখি ক্যান্টিনে কে আগে পৌঁছতে পারে, তোমাকে বিশগজ হ্যাণ্ডিক্যাপ দিচ্ছি।’

    কিছুদূর এগিয়ে গেল মার্ক। তারপর দু’জনেই হাসতে হাসতে ছুটল ক্যান্টিনের দিকে।

    আর পাঁচটা ছেলের মতই উচ্ছল ভাবে ছুটছে ওরা।

    .

    আটলান্টিক মহাসাগরের তিরিশ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে পশ্চিম দিকে উড়ে চলেছে এল অ্যাল কোম্পানির জেট। জানালার ধারে বসে বাইরের দৃশ্য দেখছে এক সুন্দরী ইংরেজ মহিলা—জোন হার্ট। ওয়ারেনের কথাই ঠিক, রিচার্ড থর্নের সাক্ষাৎকার নিতেই আমেরিকায় যাচ্ছে সে। তবে তার উদ্দেশ্যটা ঠিক আঁচ করতে পারেনি ওয়ারেন।

    তার প্রেমিক মিশেল মরগ্যান নয় বছর আগে হঠাৎ নিখোঁজ হবার পর অতীত আর বাইবেল নিয়ে অনেক পড়াশোনা করেছে জোন। কিন্তু ছোট্ট ছেলে ডেমিয়েনকে ঘিরে এতগুলো রহস্যময় মৃত্যুর কোন কিনারা করতে পারেনি। ধীরে ধীরে সে এর ভিতরকার গূঢ় সত্যটাকে উপলব্ধি করেছে।

    আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী বুগেনহাগেন তার শিষ্য মিশেলের ওপরই এর প্রতিকার করার দায়িত্ব দিয়েছিল। কথাবার্তা সব ওর সামনে হয়েছিল বলে মিশেলের অবর্তমানে তার ওপরই দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে বলে মনে করে জোন। এটাকেই জীবনের ব্রত বলে গ্রহণ করেছে সে। যে করেই হোক তেরোতম জন্ম—বার্ষিকীর আগেই শয়তানের সন্তানকে শেষ করতেই হবে। নইলে এর পরে ওর ক্ষমতা আরও অনেক বৃদ্ধি পেয়ে যাবে—সাবালকত্ব প্রাপ্ত হবে সে—তখন তাকে ধ্বংস করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।

    কাজটা হাতে নিয়ে দিশেহারা বোধ করছে জোন। কে তাকে বিশ্বাস করবে? যারা তাকে চেনে তারা মনে করবে এটা তার মনের নতুন একটা খেয়াল। আর যারা চেনে না তারা ভাববে ওর মাথা খারাপ।

    এক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত জ়োন নিজেও কিছুটা সন্দিহান ছিল। গত সপ্তাহে বেলভোয়ের দুর্গের ওপর একটা বিশেষ রিপোর্ট লিখতে ওখানে গিয়ে চূড়ান্ত প্রমাণ সে পেয়েছে। খুঁড়তে গিয়ে বিংশ শতাব্দীর দুটো কঙ্কাল পাওয়া গেছে ওখানে। জোনের ধারণা লোক দু’জনকে চিনতে পেরেছে সে। তাছাড়া য়িগেইলের দেয়ালটাও খুঁটিয়ে লক্ষ্য করেছে জোন।

    নিজে নিঃসন্দেহ হওয়ার পরে আর চুপ করে বসে থাকতে পারেনি সে। প্ৰমাণ পাওয়ার সাথে সাথেই সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকায় গিয়ে সামনাসামনি রিচার্ড থর্নকে সত্য কথাটা জানাতে হবে। বলতে হবে তাদের মাঝেই বড় হচ্ছে ইবলিস—সন্তান।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন
    Next Article অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }