Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প144 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অশুভ সংকেতের পর – ৪

    চার

    উইকসিন্ এলাকার চেয়ে সুন্দর জায়গা আমেরিকায় খুব কমই আছে। অনেকের মতে ওখানকার লেকগুলোর মধ্যে লেক জেনেভাই হচ্ছে সবচেয়ে সুন্দর। শিকাগোর বেশ কাছেই ওটা–বিত্তশালী শহরবাসীদের শীতকালীন খেলাধুলার আনন্দ দেয়ার জন্যে চমৎকার জায়গা।

    লেক জেনেভার ধারে ‘লেকসাইড’ থর্ন পরিবারের নিজস্ব বাড়ি। শীতকালে ওরা প্রত্যেক বছরই কয়েকটা দিন এই প্রকাণ্ড বাংলো-ধরনের বাড়িতে কাটাতে আসে। এখানে ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশন থেকে শুরু করে হেলিকপ্টার ল্যাণ্ডিং প্যাড পর্যন্ত সবরকম আধুনিক সুবিধার বন্দোবস্ত আছে।

    থর্ন ছেলেদের তেরোতম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে লেকসাইডে হাজির হয়েছে পরিচিত ব্যবসায়ী আর ঘনিষ্ঠ লোকজন—সবাই নিমন্ত্রিত 1

    আসলে ডেমিয়েনের জন্মদিন হচ্ছে জুন মাসের ছয় তারিখে। কিন্তু আমেরিকায় চাচার সাথে থাকতে আসার পর থেকে তার জন্মদিনও মার্কের জন্মদিনের সাথে একসাথেই পালন করা হয়। সুবিধার জন্যেই এমন করা হয় বলে সবাই ধরে নিয়েছে। রিচার্ড ভুলতে পারেনি যে তার ভাই রবার্টের ডেমিয়েনকে খুন করতে যাওয়ার পিছনে জন্মদিনের তারিখটার একটা রহস্যপূর্ণ যোগাযোগ রয়েছে—তাই জেনেশুনেই ওই দিনটাকে এড়িয়ে যাবার জন্যে এই ব্যবস্থা নিয়েছে সে।

    সন্ধ্যায় বসার ঘরে দুই ভাই ছক্কা আর গুটি দিয়ে ব্যাকগ্যামন খেলছে। স্বভাবত ডেমিয়েনই জিতছে—তবে এই গেমটায় মার্কের অবস্থাই ভাল।

    যে কারণেই হোক ডেমিয়েনের কাছে হারতে মার্কের খারাপ না লাগলেও সমবয়সী অন্য কোন ছেলের কাছে হারা সে সহ্য করতে পারে না। ডেমিয়েন কারও কাছে হারলে সেটাও ওর কাছে অসহ্য ঠেকে। ডেমিয়েন খুব ছেলেবেলায় তার বাবা-মাকে হারিয়েছে বলেই হয়ত ওর জন্যে মার্কের এই দুর্বলতা। নিজের স্বার্থহানি করে হলেও ডেমিয়েনকে সুখী দেখতে চায় সে।

    ছেলেরা খেলায় মত্ত। কখন যে অ্যান ঘরে ঢুকেছে দু’জনের কেউ তা খেয়াল করেনি। নীরবে দাঁড়িয়ে ওদের দু’জনকে সস্নেহ দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ লক্ষ্য করল সে। সত্যি দু’জনে একেবারে গলায়-গলায় ভাব। শেষ পর্যন্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও ওদের খেলায় বাধ সাধল অ্যান। আর কত খেলবে তোমরা? রাত হয়েছে, এবার শুতে যাও। কালকেই তো বিরাট উৎসবের দিন।

    আজ সন্ধ্যায় এই প্রথমবার খেলায় জিতেছিল মার্ক। সে মুখ তুলে বলল, ‘খেলা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে মা, আর একটু খেলি, কেমন?’ সমর্থনের জন্যে ডেমিয়েনের দিকে চাইল মার্ক।

    দুষ্টু হেসে ডেমিয়েন বলল, ‘তর্ক করো না মার্ক, মা বলছে খেলা শেষ—ব্যস, এবার গু’তে চল।’

    পুরো ব্যাপারটা বুঝতে পেরে খিকখিক করে হেসে উঠল অ্যান।

    অগত্যা মার্ককেও হাসতে হল। কিন্তু তার মাথায়ও দুষ্টু বুদ্ধি খেলছে। আপাতত হার মেনে চকচকে চোখে সে প্রস্তাব দিল, ‘ঠিক আছে, গুটিগুলো তবে এইভাবেই থাক–কালকে গেমটা শেষ করা যাবে।

    ওর কথায় সবাই হেসে উঠল। চুমু বিনিময়ের পরে ওরা মা’র কাছে বিদায় নিয়ে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে নিজ নিজ ঘরে রাতের জন্যে বিশ্রাম নিতে চলল।

    উপরে উঠতে উঠতে হঠাৎ মার্ক বলল, ‘ডেমিয়েন, তোমাকে একটা কথা কয়েকদিন থেকেই জিজ্ঞেস করব ভাবছি।

    পাকা ব্যাবসায়ীর মত সাবধানতার সাথে ডেমিয়েন প্রশ্ন করল। ‘জরুরি কোন কথা?’

    ‘না, তেমন কিছু না।’ জবাব দিল মার্ক

    ‘তাহলে বল,’ অনুমতি দিল ডেমিয়েন।

    ‘নেফের সাথে তোমার সম্পর্ক কেমন?’

    এ ধরনের প্রশ্ন মোটেও আশা করেনি ডেমিয়েন। জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে মার্কের দিকে চেয়ে সে বলল, ‘তার মানে?’

    ‘জানি না, মনে হয় যেন লোকটা তোমাকে একটু বিশেষ নজরে দেখে। ব্যাপারটা কি?’

    ‘হ্যাঁ ব্যাপারটা একটু উদ্ভট,’ বলে অন্ধকার বারান্দা দিয়ে হেঁটে নিজের ঘরের দরজা খুলে ঘুরে দাঁড়াল ডেমিয়েন। মার্ক তখনও ওর মুখের দিকে চেয়েই আছে। ‘কিন্তু নেফ তো একজন সার্জেন্ট, আর সার্জেন্টরা একটু উদ্ভট কিসিমেরই হয় তাই না?’ বলে নাটকীয় ভঙ্গিতে কুর্নিশ করে হেসে বুঝিয়ে দিল সে ঠাট্টা করছে। তারপর ফিসফিস করে ‘শুভরাত্রি’ জানিয়ে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল ডেমিয়েন।

    .

    পরদিন বিকেলের মধ্যেই নিমন্ত্রিত অতিথিরা সব এসে গেল। বুহের, অ্যাদারটন, ডক্টর ওয়ারেন—অ্যাকাডেমি থেকে কিছু ছেলেও এসে হাজির হয়েছে।

    থর্ন কেনেডি বা রকফেলারের মত পরিবার আমেরিকায় খুব কমই আছে। জন্মদিন, বিশেষ করে পুরুষ ছেলের তেরোতম জন্মদিন এসব পরিবারে ফলাও করে পালন করা হয়। কারণ এই বয়সেই সাবালকত্ব প্রাপ্ত হয় ছেলেরা, আর ক্ষমতাশালী পরিবারের ছেলেরাই শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা হাতে নিয়ে দেশ আর দশের ভবিষ্যৎ পরিচালনা করে।

    মার্ক আর ডেমিয়েন দু’হাতে নিজের চোখ ঢেকে বিশাল খাবার ঘরের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়েছে। আত্মীয়-স্বজন বন্ধুবান্ধব সবাই ওদের ঘিরে রয়েছে। লম্বা টেবিলের ওপর সাজানো সুস্বাদু খাবারের গন্ধ বাতাসে ভাসছে।

    কেক আনা হবে এখন। সবাই অপেক্ষা করছে।

    ‘চোখ খুলব?’ হাতের আড়াল থেকে প্রশ্ন করল মার্ক।

    ‘আর একটু পরে,’ সস্নেহে জবাব দিল অ্যান।

    পাশের ঘর থেকে পুরুষ কণ্ঠে গান শোনা গেল, ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ, হ্যাপি বার্থডে…‘

    ‘এবার খুলব?’ মার্ক জিজ্ঞেস করল।

    ‘হ্যাঁ, এবার!’ উত্তেজিত স্বরে বলে উঠল অ্যান। দু’জনে একই সাথে হাত নামাল।

    ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ!’ গান শেষ হল।

    ওরা দেখল চওড়া দরজা দিয়ে কয়েকজন কর্মচারী ধরাধরি করে নিয়ে আসছে অতিকায় একটা কেক। রিচার্ড থর্ন আর অ্যাদারটন তদারকি করছে। কেকটা এতই বিশাল যে অ্যাকাডেমির সব ছেলে মিলে পেট পুরে খেলেও শেষ হবে না। তিনতলা কেকের উপরটা দেখতে মোটেও কেকের মত নয়। খাবার ঘরের জানালা দিয়ে বাইরে চাইলে যে দৃশ্য দেখা যায়, লেক জেনেভার ঠিক সেই দৃশ্যটাই ফুটে উঠেছে কেকের ওপর। সাদা চিনির তৈরি লেকের ওপর স্কেটিং করছে কয়েকটা চিনির পুতুল। বিখ্যাত কয়েকজন শিল্পীর নকশা দেখে সবচেয়ে সুন্দর বলে এটাকেই বেছে নেয়া হয়েছে। এমন মনোরম বার্থডে কেক আজ পর্যন্ত কোনদিন কোথাও তৈরি হয়নি। চার্লস ডিকেন্সকে বললে তিনি এর বর্ণনা দিতে গিয়ে একটা পুরো অধ্যায় লিখে ফেলতেন।

    খুশিতে হাততালি দিয়ে উঠল মার্ক। আনন্দে ডেমিয়েনের সব ক’টা দাঁত বেরিয়ে পড়ল। উপস্থিত সবাই হাতে তালি দিয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করল।

    ‘অবিশ্বাস্য!’ বিস্ময় প্রকাশ করল মার্ক।

    দু’হাতে জড়িয়ে ধরে আদর করে চুমো খেয়ে ওদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাল অ্যান।

    কৌতূহল আর উত্তেজনা চাপতে না পেরে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে কামরার একপাশে রাখা কেকটার দিকে রওনা হল মার্ক। ডেমিয়েনও আর দেরি না করে ওকে অনুসরণ করল।

    পল বুহের এইসময়ে ঘরে ঢুকল। কুঁচাকানো পোশাকে ওকে একটু বিধ্বস্ত দেখাচ্ছে। প্রচণ্ড মাথা ব্যথায় বেচারা সারা দুপুর শুয়ে কাটিয়েছে। অ্যানই প্রথম ওকে দেখতে পেয়ে প্রশ্ন করল, ‘এখন কেমন বোধ করছ, পল?’

    ‘অনেকটা ভাল,’ জবাব দিল সে। কিন্তু ওর মুখের চেহারা দেখে অ্যানের তা মনে হল না। সেটা বুঝতে পেরেই পল আবার বলল, ‘গত কিছুদিন খুব পরিশ্রম আর মানসিক চাপ গেছে।’ মুখ তুলে অ্যাদারটনের দিকে চাইল পল। মার্ক আর ডেমিয়েনের পাশে উদ্ভাসিত হাসিমুখে গর্বিত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে ওদের ‘আঙ্কেল বিল’। ওই জায়গা থেকে ওকে সরিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে খুশি হত সে।

    আনন্দ আর ধরে রাখতে পারছে না মার্ক। সুন্দর কেকটা দেখিয়ে সবাইকে খুশির ভাগ দিতে চাইছে ও। মুখ তুলে ওদের দেখেই ডাকল সে, ‘মা, মিষ্টার বুহের! শিগগির দেখে যাও!’

    হেসে ওর দিকে এগিয়ে গেল অ্যান। একটু ইতস্তত করে ডেমিয়েনের দিকে এগোল পল।

    বুহেরকে ওর দিকেই আসতে দেখে বিনীতভাবে একটু হেসে মাথা ঝাঁকিয়ে অভিবাদন জানিয়ে পাশ কাটিয়ে যেতে চাইল ডেমিয়েন। এখন কেক কাটার সময়ে বড়দের সাথে কথা বলে আনন্দ মাটি করার পক্ষপাতি নয় সে।

    কিন্তু তাকে পালাবার সময় দিল না পল। ‘অ্যাকাডেমিতে তোমার সময় কেমন কাটছে, ডেমিয়েন?’ প্রশ্ন করল সে।

    ‘ভালই, মিস্টার বুহের,’ নিরুৎসাহিত গলায় জবাব দিল সে। সার্জেন্ট নেফকে কেমন লাগে তোমার?’

    নেফের কথা উঠতেই চকিত হল ডেমিয়েন। আপনি তাকে চেনেন?’ আগ্রহ প্রকাশ পেল ওর স্বরে।

    ছেলেটাকে চমকে উঠতে দেখে হেসে ওর কাঁধে হাত রাখল পল। ‘তোমার ওপর ওকে একটু বিশেষ নজর দিতে বলেছিলাম।’

    এ কথার কি জবাব দেবে বুঝে পেল না ডেমিয়েন। একটু অপ্রস্তুত হয়ে কেকের দিকে মনোযোগ দিল সে।

    কিন্তু এত সহজে পলের হাত থেকে ছাড়া পাওয়া গেল না। ‘আচ্ছা, ডেমিয়েন, থর্ন ইণ্ডাস্ট্রি সম্পর্কে কতটুক জান তুমি?’

    আবার তার দিকে তাকাল ডেমিয়েন। ‘জ্বী, বিশেষ কিছুই না।’

    ‘সব খবরই তোমার রাখা উচিত,’ বলল পল। ‘কারণ এসব সবই তোমার হবে একদিন।’

    ‘মার্ক আর আমার,’ সাথে সাথেই ওকে সংশোধন করল ডেমিয়েন।

    ‘ওই একই কথা,’ এড়িয়ে গেল পল। ছেলেটা সত্যিই বুদ্ধিমানঃ এই বয়সেই কূটনীতিতে দক্ষ হয়ে উঠেছে! এবার অন্য পথ ধরল সে। ‘একদিন এলেই তো পার-প্রধান কলকারখানাগুলো ঘুরে দেখবে।’

    প্রস্তাবটা ডেমিয়েনের মনে ধরল। ‘বন্ধু-বান্ধব নিয়ে আসা যাবে?’ জিজ্ঞেস করল সে। ছেলেদের একদিনের ট্রিপে নিয়ে গেলে ক্লাসে তার জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে।

    ‘নিশ্চয়ই,’ বলে উঠল পল। ‘সবাইকে রাজকীয় সম্মানের সাথে সব ঘুরিয়ে দেখানো হবে।’

    একটা রূপার চামচ হাতে তুলে নিয়ে শ্যাম্পেন গ্লাসে বাড়ি দিয়েছে রিচার্ড। ‘ঠুন’ করে একটা মিষ্টি আওয়াজেই কামান দাগার মত কাজ হল। মুহূর্তে সবাই চুপ হয়ে গেল।

    সবার জন্যেই শ্যাম্পেন হাজির করা হয়েছে। টেবিলের ধারে এগিয়ে গেল—সবাই। রিচার্ড তার গ্লাসটা তুলে ধরে বলল, ‘এই ধরনের অনুষ্ঠানেই বক্তৃতা দিতে ইচ্ছা করে আমার। নিজেদের সৌভাগ্যের জন্যে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাতে ইচ্ছা করে। আসলেই অনেক পেয়েছি আমরা— ধন, মান আর ক্ষমতা। থর্ন পরিবারের এই প্রচণ্ড ক্ষমতা বিচক্ষণতার সাথে ব্যবহার করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে সব সময়ে এমন ছিল না। কঠিন পরিশ্রম করেই আমাদের পৌঁছতে হয়েছে এখানে। এর বেশি কিছু আর আমার বলার নেই। তুমি শুনে খুশি হবে, মার্ক, আমি আজ বক্তৃতা দেব না।

    ‘বক্তৃতাই তো দিলে, বাবা!’ মন্তব্য করল মার্ক। ওর কথায় সবাই হো হো করে হেসে উঠল।

    হাত তুলে সবার হাসি থামিয়ে রিচার্ড বলল, ‘আর মাত্র একটা কথা বলেই আমি আমার কথা শেষ করব।’ কপট আর্তচিৎকার করে উঠল সবাই।

    হেসে রিচার্ড বলল, ‘তোমরা যতই বাধা দাও আমার শেষ কথা আমি বলবই—সবাই জানালার ধারে যাও!’

    মজার আর একটা কিছু ঘটতে যাচ্ছে মনে করে মার্কই সবচেয়ে প্রথম ওখানে পৌছল। ‘লাইট নিভিয়ে দাও,’ রিচার্ডের গলা শোনা গেল। কথা শেষ হবার আগেই অন্ধকার হয়ে গেল ঘর।

    বাইরে অন্ধকার আকাশে যেন জাদুমন্ত্রেই আতশবাজির খেলা শুরু হল। টাকায় কী না হয়— এমন সুন্দর আতশবাজির খেলা ওরা কেউ এর আগে দেখেনি। উজ্জ্বল লাল, নীল, হলুদ আর সবুজের সমারোহ যেন রামধনু রঙে বারবার রাঙিয়ে দিচ্ছে আকাশ। চারদিকে আলো করে একঝাঁক হাউই বাজি আকাশে উঠে গেল। দেড়শো গজ উপরে উঠে সবগুলো ফেটে একাকার হয়ে গেল। মিলেমিশে বিভিন্ন রঙের অক্ষর বেরিয়ে এল। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে লেখা রয়েছেঃ

    শুভ জন্মদিন, মার্ক ও ডেমিয়েন।

    বিশ্বয়ে অভিভূত হয়ে হাততালি দিতেও ভুলে গেল ওরা। হাঁ করে অবাক চোখে চেয়ে রইল সবাই। তারপরই শুরু হল তালি, পরস্পরে আলিঙ্গন আর চুমো।

    ‘অপূর্ব! সত্যি চমৎকার!’ বলে ছুটে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে আদর জানাল মার্ক।

    ডেমিয়েন হাসল। সে-ও মার্কের মতই উপভোগ করছে, কিন্তু আবেগকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে সে।

    এই চিত্তাকর্ষক প্রদর্শনীতে কেবলমাত্র একজন নির্বিকার রইল—সে হচ্ছে বুহের। একা পেয়ে আবারও সে ডেমিয়েনের দিকে এগিয়ে গিয়ে ঠিক ওর পিছনে এসে দাঁড়াল। নিচু স্বরে ফিসফিস করে কথা বলল সে। অন্য কেউ শুনতে পেল না।

    ‘ছেলেদের তেরোতম জন্মদিন অনেকের মতেই বিশেষ একটা দিন। জু মতে এই সময়েই মানুষ পৌরুষত্ব পায়। একে ওরা বলে ‘মিজভা’ হিব্রু ভাষায় এর মানে হচ্ছে ‘নেতার পুত্র’ বা ‘যোগ্য পুরুষ’।

    পল যে কি বলছে কিছুই বুঝল না ডেমিয়েন। কিন্তু ভদ্রতা বজায় রেখে সে বলল, ‘তাই নাকি?’ আবার আতশবাজির দিকে মনোযোগ দিল ও।

    ‘তুমিও চিহ্নিত হবে,’ বলল বুহের।

    ওর দিকে ফিরে চাইল ডেমিয়েন। চোখে চোখে চেয়ে রয়েছে ওরা।

    আরও মৃদু কণ্ঠে সম্মোহিতের মত বুহের বলে চলল, ‘বাইবেলের কথা বলছি বলে দোষ নিও না, কিন্তু করিংথিয়ানসের প্রথম বই-এ লেখা আছে, ‘আমি যখন শিশু ছিলাম শিশুর মতই ভাবতাম, কথা বলতাম—কিন্তু যখন প্রাপ্তবয়স্ক হলাম সব ছেলেমানুষী দূর হয়ে গেল।’ … তোমারও সেই বয়স হয়েছে ..এখন তোমার জানতে হবে তুমি কে।

    ‘জানতে হবে আমি কে? তার মানে?’

    ‘তোমার জীবনের এটা একটা চরম মুহূর্ত। হয়ত এরই মধ্যে তুমি তা কিছুটা অনুভব করতে পেরেছ।’

    ওর কথাগুলো ডেমিয়েনকে ভীষণভাবে নাড়া দিচ্ছে। অবাক হয়ে শুনছে সে। প্রথমে ভেবেছিল বাবার সুনজরে পড়ার জন্যেই পল তার সাথে ভাব জমাচ্ছে। কিন্তু কেবল মাত্র এই পল বুহেরই গত কয়েক মাস তার মনে যে আলোড়ন চলছে তা সঠিক বুঝতে পেরেছে। মনে হচ্ছে লোকটা যেন তার ভিতরটা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে।

    ‘কেমন যেন মনে হয়,’ বলল ডেমিয়েন। ঠিক বুঝতে পারি না আমি…টের পাই আমার ভিতরে কিছু একটা ঘটছে…ঘটতে যাচ্ছে।’ কথাটা পল বুঝল কিনা দেখার জন্যে ওর চোখের দিকে চাইল ডেমিয়েন।

    হাসল পল। ‘অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, তাই না? আমাদের সবারই এমন হয়। তোমার বাবার, বিল অ্যাদারটনের… এমন কি আমারও।’ একটু থেমে নাটকীয়ভাবে সে আবার বলল, ‘জানো? আমিও বাপ-মা হারা একজন এতিম।

    মাথা নাড়ল ডেমিয়েন।

    ‘তাই তোমার মনের কথা আমি বুঝতে পারি। আমি জানি গত জুনমাস থেকেই তোমার ভিতরের পরিবর্তনটা তুমি উপলব্ধি করতে আরম্ভ করেছ,’ বলে চলল পল। ‘তোমার প্রকৃত জন্মদিন ছিল…’

    বিশ্বয়ে অভিভূত হল ডেমিয়েন। কিন্তু সে কিছু বলার আগেই ওদিক থেকে অ্যাদারটন ওদের চেঁচিয়ে ডাকল। ‘তোমরা দু’জন ওখানে কি করছ? এদিকে এসে অনুষ্ঠানে যোগ দাও!’

    ওরা চেয়ে দেখল ওদিকে কেক কাটার প্রস্তুতি চলছে।

    ‘ডেমিয়েন, জলদি এসো!’ মার্কের আর তর সইছে না—জ্বলন্ত মোমবাতিগুলো নেভাবার জন্যে তৈরি সে।

    একছুটে মার্কের পাশে গিয়ে দাঁড়াল ডেমিয়েন। হাঁপ ছেড়ে বাঁচল, গুরুগম্ভীর আলোচনা আর ভাল লাগছিল না তার। কেকের ধার ঘেঁষে জ্বলছে তেরোটা মোমবাতি। সমবেত হর্ষধ্বনির মাঝে দু’জনে মিলে একসাথে ফুঁ দিয়ে বাতিগুলো নেভাল।

    ‘এবার কেক কাটা হোক,’ বলল অ্যান। আমরা সবাই অধীর ভাবে কেকের অপেক্ষায় আছি।’

    ‘কিন্তু তার আগে মার্ককে একটা সামান্য কিছু উপহার দিতে চাই আমি, ‘ বলেই পকেটে হাত ঢোকাল ডেমিয়েন।

    মুচকি হেসে মার্ক দুঃখিত ভঙ্গিতে বলল, ‘হায়, তোমার জন্যে কিছু আনিনি আমি একেবারে ভুলে গেছি!’ গম্ভীর থাকার বৃথা চেষ্টা করে সে-ও শেষে নিজের পকেটে হাত দিল।

    দু’জনের প্যাকেটই আকারে একেবারে সমান। এমন কি মোড়কের রঙও এক। মোড়ক খুলতে খুলতে হাসছে মার্ক। ‘তুমি যদি আমার জন্যে…’ আরম্ভ করল সে।

    …..একই জিনিস…’ ওকে বাধা দিয়ে বলল ডেমিয়েন।

    দু’জনেই একসাথে মায়ের দিকে ফিরে চাইল। ‘মা!’

    বোঝা গেল উপহার দুটো অ্যানের কেনা। দু’জনেই আগ্রহভরে উপরের কাগজ ছিঁড়ছে। চমৎকার দুটো চকচকে কারুকাজ করা সুইস আর্মি ছুরি বেরিয়ে এল। উৎফুল্ল প্রশংসা উঠল অতিথিদের ভিতর।

    ‘আমার অনেক দিনের শখ ছিল!’ বলে উঠল মার্ক।

    ‘আমারও!’ বলে মার্ককে আদরের ছোট্ট একটা ঠেলা দিল সে।

    কেকের ওপরই ছুরির ধার পরীক্ষা করবে বলে ঠিক করল ওরা। ছুরির সাহায্যেই কেকের ওপর থেকে স্কেটিংরত একটা মূর্তি সরিয়ে ফেলল ডেমিয়েন। তারপর দু’জনে একসাথে ছুরি চালাল কেকে। আনন্দমুখর হয়ে উঠল ঘরটা।

    *

    পরদিন সকালে লেক জেনেভার বরফের ওপর সূর্যের আলো ঠিকরে পড়ে রামধনুর রঙ ধরেছে। প্রকৃতি যেন আজ সকালে তার নিজস্ব ধারায় আলোর খেলা দেখাচ্ছে। গত সন্ধ্যায় আতশবাজির শোভা থেকে এটা কোন অংশে কম নয়।

    লেক থেকে যে নদীটা বেরিয়েছে সেটা মুখের কাছে বেশ চওড়া হলেও এঁকেবেঁকে বনের ভিতর ঢুকে ধীরে ধীরে সরু হয়ে এসেছে। নদীর উপরটায় বরফে জমাট বেঁধেছে। এখানেই সচরাচর আইস হকি খেলা হয়। নদীর দুই পাড় সীমানার কাজ করে।

    বিকেলের দিকে নদীর ওপর সবাই জড়ো হয়েছে। একটু পরেই শুরু হবে খেলা। থর্ন ইণ্ডাস্ট্রির বড় বড় কর্মকর্তাদের নিয়ে দুটো দল তৈরি হবে। কমবয়সীদের মধ্যে মাত্র দু’জন খেলবে। মার্ক আর ডেমিয়েন। দু’জনে দুই দলের ক্যাপ্টেন। অ্যাকাডেমির বাকি ছেলেরা সবাই দর্শক।

    টসে জিতেছে ডেমিয়েন। প্রথম বাছাই করার সুযোগ পেয়ে সে রিচার্ডকে বেছে নিল। ক্যাপ্টেনের প্রথম বাছাই হবার সম্মান পেয়ে অকৃত্রিম আনন্দে ছেলেমানুষের মত জোড়া পায়ে একটা লাফ দিয়ে স্কেট করে ডেমিয়েনের পাশে এসে দাঁড়াল রিচার্ড।

    অ্যাদারটনকে বেছে নিল মার্ক। ভাল খেলোয়াড় সে মোটেও নয়, তার আকৃতিও ঠিক খেলার উপযোগী নয়। তবে খেলাধুলায় নিজের উৎসাহ দিয়ে সে আর সব ঘাটতি পূরণ করে নেয়। খুশি মনে মার্কের পাশে এসে দাঁড়াল বিল অ্যাদারটন।

    দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে পলকে পছন্দ করল ডেমিয়েন। ওকে যে কি কারণে দলে নিল তা সে নিজেও বলতে পারবে না। হয়ত গতরাতে ওদের মধ্যেকার অদ্ভুত ধরনের কথাবার্তার ফলেই ডেমিয়েন একটু সৌজন্য দেখাল। যা হোক, ডেমিয়েনের দলে নির্বাচিত হয়ে পল খুব খুশি হয়েছে বোঝা গেল। উৎসাহিত হয়ে ছুটে গিয়ে বরফ ছিটিয়ে ‘ঘ্যাচ’ করে থেমে দাঁড়াল সে ডেমিয়েনের অন্য পাশে।

    দল বাছাই-এর শেষে খেলা শুরু হল।

    পল বুহেরকে দলে নিয়ে ভুল করেনি ডেমিয়েন। দক্ষ খেলোয়াড় সে। কিন্তু ডেমিয়েন হয়ে দাঁড়াল খেলার প্রধান আকর্ষণ। বল যেখানেই থাক, বলের সাথে ডেমিয়েন আছে। এই বয়সেই পেশাদার স্কেটারদের মত স্কেট করা শিখেছে ও।

    অ্যান আর ওয়ারেন পাড়ে বসে খেলা দেখছে। হঠাৎ জোনের কথা তুলল অ্যান। ‘কাগজে তোমার রিপোর্টার বান্ধবীর কথা পড়লাম–জানি এখন আর দুঃখ জানিয়ে লাভ নেই, কিন্তু আমি সত্যিই দুঃখিত।‘

    মাথা ঝাঁকাল ওয়ারেন। ‘কি করে যে এমন ঘটল…’ বলতে শুরু করল সে। কিন্তু খেলা অ্যানের পুরো মনোযোগ কেড়ে নিয়েছে লক্ষ্য করে থেমে গেল। বল নিয়ে ডেমিয়েন প্রতিপক্ষ দলের সীমানার কাছে চলে গেছে। ওয়ারেনও খেলা দেখায় মন দিল। ওরা কেউ খেয়াল করল না একটা দাঁড়কাক ঠিক ওদের মাথার উপর গাছের ডালে এসে বসল।

    বরফের ওপর দ্রুত গতিতে গোল পোস্টের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ডেমিয়েন। রক্ষণভাগে রয়েছে অ্যাদারটন। ডেমিয়েন সরাসরি এগিয়ে যাচ্ছে ওর দিকে দু’জনের মধ্যে প্রচণ্ড ধাক্কা লাগবে এখনি। তাড়াতাড়ি সরতে গিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে জায়গাতেই আছাড় খেয়ে পড়ল বিল। ভয়ঙ্কর পরিণতির আশঙ্কায় ভয়ে চোখ বুজল সে।

    অদ্ভুত দক্ষতার সাথে শেষ মুহূর্তে গতি পরিবর্তন করে বিলকে পাশ কাটিয়ে শাঁ করে বেরিয়ে গেল ডেমিয়েন। যাবার সময়ে ওর দেহের চাপে বরফে একটা সূক্ষ্ম চিড় ধরল।

    চোখ খুলে অবস্থাটা বোঝার চেষ্টা করল বিল। ডেমিয়েনকে আশেপাশে দেখল না সে। ঘুরে চেয়ে দেখল ততক্ষণে সবেগে উল্টো দিকে রওনা হয়েছে ছেলেটা। চপপট উঠে অপটু ভাবে ওর পিছু নেবার চেষ্টা করল বিল। চিড়টা আরও গভীর আর লম্বা হয়ে অ্যাদারটনের আগে আগে চলল।

    বুহেরই ব্যাপারটা প্রথম খেয়াল করে তাড়াতাড়ি ওদের দিকে এগোল।

    বরফে ফাটল ধরার জোরালো দুটো আওয়াজ উঠল। অ্যাদারটনের চারপাশে বরফ ফেটে ফাঁক হয়ে গেল। খেলোয়াড়রা সবাই জায়গাতেই স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছে। পাড়ের থেকে দর্শকদের চিৎকার শোনা যাচ্ছে।

    শেষ পর্যন্ত ডেমিয়েনের কাছে পৌঁছে কোমর জড়িয়ে ধরে শূন্যে তুলে ওকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে এল পল। মাত্র ইঞ্চি দু’য়েকের জন্যে ফাটলের হাত থেকে রক্ষা পেল ওরা।

    ভয়ে কাঠ হয়ে গেছে বিল। সে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে কি ঘটছে—কিন্তু কিছুই করার নেই ওর। ফাটল পেরিয়ে এপারে আসার আর সুযোগ পায়নি বেচারা।

    ‘বিল! আমি আসছি!’ চিৎকার করে বন্ধুর দিকে এগোল রিচার্ড।

    আবারও হাড় ভাঙার মত শব্দ তুলে বরফে কয়েকটা ফাটল ধরল। অ্যাদারটনের তলায় বরফের চাকটা এখন পানিতে ভাসছে।

    স্কেটাররা সবাই গর্তটার চারপাশে জড়ো হয়েছে। গর্তটা ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। বরফের ভেলার ওপর ভাসছে বিল। সবাই তাদের বাড়ানো হকি-স্টিক ওর ‘কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।

    কিন্তু বৃথা চেষ্টা। বিলের ভারে বরফের ভেলাটা একদিকে কাত হয়ে গেছে—বরফের ওপর ওর দেহটা আপনা-আপনি একটু একটু করে বরফের কিনারে পানির দিকে পিছলে নেমে যাচ্ছে।

    পাড়ে দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে নিজের মুখ চেপে ধরে নিজেকে চিৎকার করা থেকে বিরত রেখেছে অ্যান। কি ঘটতে যাচ্ছে সবই চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে সে, কিন্তু এটা রোধ করার কোন উপায় নেই তার।

    বুহেরের হাত থেকে ছোটার প্রাণপণ চেষ্টা করছে ডেমিয়েন। অ্যাদারটনকে সাহায্য করতে চাইছে সে—কিন্তু পলের শক্ত মুঠো থেকে নিজেকে কিছুতেই ছাড়িয়ে নিতে পারছে না।

    ‘লাফ দাও!’ চিৎকার করল রিচার্ড।

    কিন্তু তখন দেরি হয়ে গেছে। বিলের ভারে বরফের চাকটা আরও কাত হল— পিছলে ঝপ করে বরফের মত ঠাণ্ডা পানিতে পড়ল সে।

    তলিয়ে গেল বিল। কয়েক সেকেণ্ড তাকে আর দেখা গেল না। তারপর হঠাৎ ভেসে উঠে খাবি খেয়ে একটু শ্বাস নিয়ে গ্লাভস পরা একটা হাত তুলে ভেঙে যাওয়া বরফের ধার ধরার চেষ্টা করল।

    বরফের ওপর শুয়ে ঝুঁকে পড়ে রিচার্ড হাত বাড়াল। বিলকে সাহায্য করতে গিয়ে যেন রিচার্ডও পানিতে না পড়ে এ জন্যে একজন চট করে তার পিছনে শুয়ে তার পা চেপে ধরল। দেখাদেখি একই উপায়ে আরও কয়েকজন ওদের পিছনে শুয়ে পড়ে একটা শিকল তৈরি করে ফেলল। চিৎকার করে নিজের হাত বাড়িয়ে বিলের হাত ধরার চেষ্টা করল রিচার্ড।

    কোনমতে বিলের মাথাটা কেবল পানির সামান্য উপরে ভেসে রয়েছে। ভয়ে ওর চোখ দুটো বিস্ফারিত। দু’হাতে বরফ খামচে উপরে ওঠার চেষ্টা করছে বিল। কিন্তু ধারালো বরফে ওর গ্লাভস, হাত আর কব্জি চিরে ফালিফালি হয়ে রক্ত বেরিয়ে এল।

    বরফের ওপর নিজের রক্ত দেখে একটা বুক কাঁপানো আর্তচিৎকার করে উঠল বিল। পরক্ষণেই স্রোতের টানে আবার তলিয়ে গেল সে। মনে হল কেউ যেন তার পা ধরে টেনে পানির তলায় নিয়ে গেল ওকে।

    অনেক খোঁজাখুঁজি করেও আর তার দেখা পাওয়া গেল না। সবাই লাইন করে আর এক দফা খোঁজা শুরু করল ওরা। কালো দাঁড়কাকটা একটা বিকট চিৎকার দিয়ে আকাশে উড়ে চক্কর দিতে দিতে মিলিয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন
    Next Article অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }