Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প144 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অশুভ সংকেতের পর – ৮

    আট

    থর্ন ইণ্ডাস্ট্রির সবচেয়ে বড় নিজস্ব জেট থেকে ব্রিফকেস হাতে নামল ডেভিড প্যাসারিন। পথে কোথাও না থেমে ইণ্ডিয়া থেকে সোজা এসেছে প্লেনটা। সময়ের হেরফেরে অত্যন্ত ক্লান্ত বোধ করছে।

    প্লেন থেকে নেমেই সোজা একটা ফোন বুথে গিয়ে ঢুকল প্যাসারিন। সময়টা রবিবার বিকেল হলেও ফোন করাটা আপরিহার্য হয়ে উঠেছে। কি ঘটেছে তা রিচার্ড থর্নকে এখনই জানানো দরকার।

    ভাগ্য ভাল প্যাসারিনের সাথে কোম্পানির ক্রেডিট কার্ড রয়েছে—কারণ ওর পকেটে মাত্র কয়েকটা ভারতীয় পয়সা ছাড়া আর কিছুই নেই। থর্নের লেকের ধারে বাড়িতে ফোন বুক করে অস্থির ভাবে ফোনে বুথের কাঁচের ওপর আঙুল দিয়ে ড্রাম বাজাচ্ছে সে।

    ফোন ধরল বাটলার। সে জানাল থর্নের বাসায় ফিরতে রাত হবে তবে কোন খবর থাকলে সে তা অবশ্যই আগামী কাল ভোরে তার কাছে পৌঁছে দেবে।

    ব্যর্থ হয়ে মনে মনে কিছুক্ষণ ভাবল সে। কাল সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে—অথচ থর্নকেই সবার আগে কথাটা জানানো দরকার। শেষ পর্যন্ত নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই বুহেরকে ফোনে বুক করল।

    .

    বুহেরের অ্যাপার্টমেন্টটা খুব ছিমছাম। বাড়তি ঝামেলার কোনরকম বালাই নেই ওখানে। ওটার একমাত্র বিশেষত্ব হচ্ছে ওখান থেকে শিকাগো শহরের একটা অপূর্ব মনোরম দৃশ্য দেখা যায়। বাসাটা তৈরিই করা হয়েছে যেন কেবলমাত্র কাজের জন্য বাড়ির মত মনে হয় এমন সবকিছুই বিসর্জন দেয়া হয়েছে।

    যখন ফোন বেজে উঠল তখন পড়ছিল বুহের। এখানে সব ঘরেই এমন ভাবে ফোন বসানো হয়েছে সে যেখানেই থাক ফোন ধরার জন্যে তাকে উঠতে হয় না। হাত বাড়িয়ে রিসিভারটা তুলে নিল সে।

    ‘বুহের বলছি।‘

    জবাব আসতে দেরি হল। একটু দ্বিধাগ্রস্ত নীরবতার পরে ওদিক থেকে প্যাসারিনের গলা শোনা গেল, ‘পল? আমি ডেভিড। তোমার সাথে আমার কথা বলা দরকার।’

    ‘কোথায় আছ তুমি?’ উৎকণ্ঠায় পলের গলাটা একটু পাতলা শোনাল।

    ‘শিকাগো এয়ারপোর্ট থেকে বলছি আমি। গোলমাল বেধেছে, তাই আমাকে জলদি ফিরতে হয়েছে।

    ওকে থামিয়ে দিয়ে পল বলে উঠল, ‘সোজা তুমি এখানে চলে এসো।’

    ।

    রিচার্ড আর অ্যান দু’জনে সন্ধ্যাটা উপভোগ করতে বেরিয়েছে। রবিবার ছেলেরা স্কুলে। অতিথিও কেউ নেই! মীটিং-এ ছুটতে হবে না, কোন জরুরি টেলিফোন আলাপ নেই–অখণ্ড অবসর। ভাবপ্রবণ মন নিয়ে রাতে বরফের ওপর দিয়ে ঘোড়া—টানা স্লেজ গাড়িতে চড়ে অবসরটাকে উপভোগ করতে বেরিয়েছে থর্ন দম্পতি।

    পুরানো আমলের বিশাল স্লেজ গাড়ি। এমন ভারি গাড়ি সহজে বেগে টেনে নেয়ার ক্ষমতা একমাত্র ক্লাইডস্‌ডেল ঘোড়ারই আছে। গত বড়দিনের সময়ে এক বন্ধুর কাছ থেকে দুটো ক্লাইডস্‌ডেল ঘোড়া কিনেছে রিচার্ড। স্লেজ গাড়িটা নতুন করে রঙ করা, ঘন্টা লাগানো এসবের দেখাশোনা করেছে অ্যান নিজে। স্লেজের ঘন্টা আর ঘোড়ার খুরের শব্দ ওরা বাড়ি পৌছবার অনেক আগে শোনা যাচ্ছে। গাড়ির ভিতরে একই কম্বলের তলায় দু’জনে ঘন হয়ে পাশাপাশি বসে আছে। নিজেদের অত্যন্ত সুখী মনে হচ্ছে…

    রাতে বাড়ি ফিরেই রিচার্ড শুনল প্যাসারিন ফোন করেছিল। বাসায় ফোন করে ওকে পাওয়া গেল না। রিসিভার নামিয়ে রাখতেই অ্যান বলল, ‘আজ আর ও নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে। ঘরে চল,’ বলে ওর হাত ধরে ওকে শোবার ঘরে নিয়ে গেল অ্যান।

    .

    বুহেরের বসার ঘরে দামি ক্রোম আর চামড়ার সোফায় বসে ক্লান্ত অবসন্ন প্যাসারিন ধীরে ধীরে কফির পেয়ালায় চুমুক দিচ্ছে। ওকে মদ সেধেছিল পল, কিন্তু মদ খেলে নির্ঘাত ঘুমিয়ে পড়বে মনে করে সে নিজেই তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

    মদের গ্লাস হাতে জানালার সামনে দাঁড়িয়ে বাইরের দিকে চেয়ে আছে পল! প্যাসারিনের কাছে এইমাত্র যা শুনেছে সেটা হজম করার চেষ্টা করছে সে।

    তাহলে তোমার ধারণা, যে লোকটা আমাদের কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি সে আমাদেরই একজন লোকের হাতে খুন হয়েছে?’ গ্লাসের বাকি মদটুকু একবারে গলায় ঢেলে দিল বুহের।

    ক্লান্ত ভঙ্গিতে মাথা ঝাঁকাল প্যাসারিন। ‘এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত,’ বলল সে।

    অসম্ভব!’ বার থেকে আর এক গ্লাস মদ ঢেলে নিল বুহের।

    ‘জমির ব্যাপারে আটটা বিভিন্ন প্রদেশে যেতে হয়েছে আমার,’ বলল প্যাসারিন। ‘তার তিনটেতেই…’

    ‘তিনটে?’

    ‘তিনটে খুন।’ কফিতে আরেকটা চুমুক দিল সে। তারপর কাপটা নামিয়ে রেখে বলল, ‘একটাই আমার জন্যে যথেষ্ট।

    ‘কে করেছে কাজটা?’ আবার জানালার ধারে সরে গেল বুহের।

    ‘কি যেন, ‘বুঝতে পারছি না আমি।’

    ‘হুঁ,’ একটা বড় শ্বাস ছাড়ল বুহের। ‘আমাকেই ব্যাপারটা তলিয়ে দেখতে হবে।

    যাবার জন্যে উঠে দাঁড়াল প্যাসারিন। আমরা কি কথাটা রিচার্ডকে জানাব?’ আলনা থেকে ওভারকোটটা নেয়ার জন্যে হাত বাড়াল সে।

    ‘অবশ্যই!’ জোরের সাথে বলল বুহের। ‘কাল সকালে তাকেই প্ৰথম ফোন করব আমি। হ্যাঁ, ভাল কথা, রিচার্ড তোমার খোঁজ করছিল।’

    ‘আমাকে? কেন?’

    ওর সাথে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে গেল বুহের। ‘তোমার পি-৮৪তে যেন কি গোলমাল দেখা দিয়েছে। রিপোর্টটা তোমার টেবিলেই আছে। ওটা নিয়ে একটু চিন্তায় আছে রিচার্ড। কাল সকালে ওটা তুমি একটু চেক করে দেখ।’ বিদায় নিতে ওর সাথে হাত মেলাল প্যাসারিন। ‘ওটা বন্ধ হয়ে যাক, এটা কিন্তু আমি চাই না, ডেভিড।’

    মাথা ঝাঁকাল প্যাসারিন। ‘আমি দেখব,’ বলে দরজা খুলল সে।

    বিদায় দেয়ার আগে ঘুরে জানালা দিয়ে বাইরে আকাশের দিকে উদাস দৃষ্টিতে চেয়ে বুহেৱ বলল, ‘আমাদের ভিতর অতি উৎসাহী কেউ না থাকলেই বাঁচি। তাড়াতাড়ি প্যাসারিনের দিকে ফিরে চেয়ে সে আবার বলল, ‘আজ সোজা আমার কাছে চলে আসার জন্যে ধন্যবাদ। আমার প্রতি তোমার সত্যিকার আস্থা আছে জেনে সুখী হলাম।’

    হাত তুলে বাই বাই’ জানিয়ে বিদায় নিল প্যাসারিন। কিন্তু তার মনে একটা খুঁতখুঁতি থেকেই গেল। কাজটা ঠিক হল তো? ভাবছে সে।

    .

    প্যাসারিনের হঠাৎ অপ্রত্যাশিতভাবে ফিরে আসা, ঝামেলার খবর বয়ে আনা, এখনও কিছুই থর্নকে জানানো হয়নি—তার ওপর পি-৮৪-র গোলমাল; এতসবের ভিতর বুহের ভুলেই গিয়েছিল যে, অ্যাকাডেমির ছেলেদের আজই নতুন কেনা কৃষি কলখারখানাগুলো দেখতে আসার কথা আছে।

    তাই জানালা দিয়ে অ্যাকাডেমির বাস ঢুকতে দেখে বেশ অবাকই হল বুহের। বাসটা দালানের সামনে এসে থামার পর তার মনে পড়ল ওটা কেন আজ এখানে এসেছে। ইন্টারকমে সেক্রেটারিকে ডেকে তার হয়ে ছেলেদের স্বাগত জানাতে আদেশ করল বুহের!

    ওরা আসার আর দিন খুঁজে পেল না; ভাবল বুহের। কিন্তু চলার পথে এই ধরনের ঝামেলা সামলাতে পারে বলেই আজ এত উপরে উঠতে পেরেছে সে।

    বাইরে ছেলেরা চারপাশের চেহারা দেখে বেশ অভিভূত হয়েছে। আগে তারা কেবল এর ওর কাছে শুনেই এসেছে থর্নরা বড়লোক। কিন্তু তারা যে কি ধরনের বড়লোক সে বিষয়ে আজ ওদের স্পষ্ট ধারণা হল। এখানকার এক একটা বিশাল পাকা দালানই ওদের অনেকে যে সব শহরে বড় হয়েছে তার সমান। একটা ছেলে নিচু সুরে শিস দিয়ে উঠল।

    সবার এই থমকে যাওয়া ভাবটা হালকা করার চেষ্টা করল টেডি। ‘এই ট্যুরে পরিচালকদের ডাইনিং রূমে আমাদের বিশেষ লাঞ্চ খাওয়ানো হবে না?’ কার্টুনের পেটুক চরিত্রের মত পেটে হাত বুলিয়ে ঠোঁট চাটতে চাটতে প্রশ্ন করল সে।

    ‘নিশ্চয়ই,’ ভদ্র নরম সুরে জবাব দিল ডেমিয়েন।

    কিন্তু মার্ক ছাড়ল না। বলল, ‘আজ তোমাদের একটা নতুন পোকা মারার ওষুধ খাইয়ে ওষুধের গুণাগুণ পরীক্ষা করা হবে।’ সবাই একসাথে হেসে উঠল।

    ওদের সবাইকে সবচেয়ে বড় দালানটায় নিয়ে যাওয়া হল। বুহের ওখানে ছেলেদের জন্যে অপেক্ষা করছিল। নিজের সম্পর্কে কিছুটা জানার পর আজ বুহেরের সামনে একটু আড়ষ্ট বোধ করছে ডেমিয়েন। তবে এখন নিজেকে আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী আর সাহসী মনে হচ্ছে তার। আড়চোখে বুহেরের দিকে একবার চেয়ে কাঁচের দেয়ালে আঁটা লেখাটার সামনে গিয়ে দাঁড়াল ডেমিয়েন। বড় বড় অক্ষরে লেখাঃ

    ওষুধ ঘর। অনুমোদিত ব্যক্তি ব্যতীত প্রবেশ নিষেধ।

    কাঁচের ভিতর দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখল বাস্কেটবল কোটের সমান হবে ঘরটা। ভিতরের লোকটাকে চিনতে পারল ডেমিয়েন। প্যাসারিনকে তার চাচার সাথে অনেকবার দেখেছে সে। প্যাসারিন ছাড়া ওই ঘরে রয়েছে মাইলের পর মাইল বিভিন্ন রঙের ঘুরানো পেঁচানো নানান আকারের পাইপ। একটা প্রকাণ্ড রোবটের পেটের নাড়িভুঁড়ির মত দেখাচ্ছে।

    প্রত্যেকটা রঙেরই একটা করে অর্থ আছে। সাধারণের কাছে দুর্বোধ্য হলেও দক্ষ কারিগরের কাছে ওগুলো খবরের কাগজ পড়ার মতই সহজবোধ্য। প্যাসারিনের নিজস্ব ল্যাবরেটরি এটা। সব কিছুই ওর নির্দেশে তৈরি। সে তার পি—৮৪কে নিখুঁত করার চেষ্টায় এখন ব্যস্ত।

    একটা বড় কমপিউটার প্যানেলের সামনে দাঁড়িয়ে আছে প্যাসারিন। ডায়াল থেকে বিভিন্ন আলোর সংকেত ওকে জরুরি খবরগুলো জানিয়ে চলেছে। পাশে রাখা টিপ বোতাম বসানো টেলিফোন রিসিভার তুলে কয়েকটা বোতাম টিপে মুখ তুলে অদৃশ্য কোন সহকর্মীর উদ্দেশে চিৎকার করে বলল, ‘চাপ বাড়াও, টম! আরও একশো পাউণ্ড।’ তারপর রিসিভার কানে লাগিয়ে বলল, ‘প্যাসারিন বলছি, মিস্টার থর্ন কি অফিসে এসে পৌঁছেছেন?’

    ওদিক থেকে মেয়েলি কণ্ঠে জবাব এল, ‘না, স্যার।’

    প্যাসারিন একটু উত্তেজিত হয়ে উঠল। উনি কি ফোনেও যোগাযোগ করেননি?’

    ‘না, স্যার।’

    ‘ঠিক আছে, উনি অফিসে এলেই যেন আমাকে খবর দেয়া হয়। ব্যাপারটা অত্যন্ত জরুরি,’ বলে রিসিভার নামিয়ে রাখার সময়ে বিড়বিড় করে কাকে যেন গাল দিল সে। তারপর ডায়ালগুলোর ওপর আর একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে চিৎকার করল, ‘আরও পঞ্চাশ, টম!’

    .

    ছেলেদের সাথে ওদের গাইডের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাড়াতাড়ি নিজের অফিসে ফিরে এল বুহের। আজ তার থর্ন ইণ্ডাস্ট্রির উঠতি এক্সিকিউটিভদের সাথে একটা মীটিং আছে। বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই এর দিন ঠিক করা ছিল। তরুণদের সাথে আলাপ আলোচনায় খুবই আনন্দ পায় বুহের। নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ওদের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়ার এই সুযোগটা সে সবসময়েই পুরোপুরি নেয়। উদ্বুদ্ধ হয়ে কেউ যদি তার সাহায্যে এগিয়ে আসে তাতে তারই সুবিধা। আর তাছাড়া ওদের হাতে রাখা ভাল, কারণ ওদের মধ্যেই কেউ একদিন তার চেয়ারটা দখল করবে।

    ওদের তারুণ্য প্রতিবারই বুহেরকে বিস্মিত করে। একই রকম চুলের ছাঁট, থ্রি পিস সুট-তার মনে হয় যেন হারভার্ড-এর বিজনেস ম্যানেজমেন্টের ডিগ্রী ক্লাস নিচ্ছে সে।

    ‘কিন্তু ইণ্ডিয়ায় জায়গা কেনার যে পরিকল্পনাটা আমরা বর্তমানে হাতে নিয়েছি,’ বলে চলেছে বুহের। ‘তাতে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে যেন সেখানকার স্থানীয় লোক এটা না ভাবে যে আমরা শোষণের ব্যবসা খুলতে ওখানে যাচ্ছি। অবশ্যই না! তোমরা যেখানেই যাও জোর দিয়ে এই কথাই সবাইকে বোঝাবে। আমরা ওখানে যাচ্ছি ওদের সাহায্য করার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে। এখানে আমেরিকায় আমরা সাংস্কৃতিক আর শিক্ষাগত যে সব সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকি, ওখানকার হতভাগ্য লোকেরা তার কানাকড়ি অংশও পায় না। আমরা যদি আমাদের প্রাচুর্য কম ভাগ্যবান লোকজনের সাথে মিলেমিশে ভোগ না করি তবে থর্ন ইণ্ডাস্ট্রির সদস্য এবং আমেরিকাবাসী হিসেবে আমাদের কর্তব্যে অবহেলা করা হবে। আর মনে রেখঃ ইণ্ডিয়া আর মধ্যপ্রাচ্যে খাদ্য সরবরাহ করার মাধ্যমে আমরা রাশিয়াকে এগিয়ে এসে ওদের খাবার দেয়া ঠেকাচ্ছি। এতে আমরা শুধু কৃতজ্ঞতাই পাব না, তাদের ধনসম্পদও আমাদের হস্তগত হবে।

    কথার মাঝেই বুহেরের কমবয়স্কা সুন্দরী সেক্রেটারি এসে ঘরে ঢুকেছিল। বক্তৃতা বন্ধ করে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে ওর দিকে চাইল বুহের।

    ‘মিস্টার প্যাসারিন পি-৮৪-র কাজ আরম্ভ করেছেন,’ এতগুলো পুরুষ এক্সিকিউটিভের সামনে কথা বলতে গিয়ে একটু লাল হয়ে উঠল ওর মুখটা।। ‘আপনি কাজ শুরু হলেই জানাতে বলেছিলেন।

    ‘ধন্যবাদ,’ বলে তাকে বিদায় দিল বুহের। তারপর সবার দিকে চেয়ে সে আন্তরিক একটা হাসি দিয়ে বলল, ‘আধঘন্টার জন্যে তোমরা একটু বিশ্রাম নাও।’

    বেরিয়ে গেল বুহের। ওরা অপেক্ষা করুক, ক্ষতি নেই। কিন্তু প্যাসারিনের সাথে তার কাজটা ফেলে রাখা যাবে না।

    .

    যে লোকটা গাইড হিসেবে ছেলেদের কারখানা ঘুরিয়ে দেখাচ্ছে, সে থর্ন ইণ্ডাস্ট্রিরই জন-সংযোগ বিভাগে একটা ছোটখাট পদে চাকরি করে। রিচার্ড থর্নের দুই ছেলের মনে ছাপ রাখতে পারলে তারা বাবার কাছে তার সম্পর্কে ভাল রিপোর্ট দেবেঃ এই আশায় সে যথাসম্ভব চেষ্টা করছে আজ।

    ‘শস্য যাতে দ্রুত আর অধিক ফলনশীল হয়, এই কারণে আমাদের উন্নতমানের শক্তিশালী সার ব্যবহার করতে হয়,’ বলে চলেছে লোকটা। কিন্তু সেই সাথে পোকা দমন করার জন্যে দরকার হয় নতুন নতুন কার্যকরী পোকা মারার ওষুধ।’ এইমাত্র ছেলেদের পোকা দমন ইউনিটের সামনে নিয়ে এসেছে গাইড।

    প্যাসারিন যেখানে পি-৮৪ নিয়ে গবেষণা করছে তারই বন্ধ দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে ওরা। গার্ডকে নিজের পরিচয়পত্র দেখিয়ে ওর হাতে একটা বিশ ডলারের নোট ধরিয়ে দিল গাইড। নিয়ম মাফিক এই ঘরটা প্রদর্শনী ট্যুরের আওতায় পড়ে না-কিন্তু মালিকের ছেলে আর তাদের বন্ধুদের জন্যে বিশেষ কিছু করতে চাচ্ছে গাইড। প্রকাণ্ড দরজা ওদের জন্যে খুলে গেল। সবাই ভিতরে ঢুকতেই দরজাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবার তালাবন্ধ হয়ে গেল।

    ভিতরে ঢোকার পর বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আর কমপিউটারের গুঞ্জন ছাপিয়ে ছেলেদের সাথে কথা বলতে গাইডকে তার গলার স্বর বেশ খানিকটা চড়াতে হল।

    ‘এখানকার এই জটিল কাজকর্ম সবই ওই কমপিউটারের সাহায্যে মাত্র তিনজন লোক চালায়,’ রীতিমত চেঁচিয়ে কথা বলছে ওদের গাইড। ‘এই কারণেই ওখানে,’ কাঁচের দেয়াল ঘেরা জায়গাটা দেখিয়ে সে বলল, ‘কাউকে দেখা যাচ্ছে না।’

    সবাই অভিভূত। কিন্তু একমাত্র টেডির চিন্তাধারাই কেবল একটা বিশেষ ধারায় প্রবাহিত হচ্ছে। ‘আচ্ছা, পোকার যৌনক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে কি একটা ওষুধ আছে না?’

    ক্যাডেটদের একজন বলে উঠল, ‘টেডি! তোমার কি আর কোন চিন্তা নেই?’ কিন্তু গাইড ওর পক্ষ নিয়ে বলল, ‘না, ঠিকই বলেছে ও। আসলেই ফিরোমোন, অর্থাৎ এক ধরনের যৌন উত্তেজক রস শুধু পুরুষ বা স্ত্রী পতঙ্গ থেকে বের করে নিয়ে ফাঁদ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই উপায়ে যে-কোন লিঙ্গের যথেষ্ট পোকা মারতে পারলে বেশ সফল ভাবেই ওই পোকা দমন করা যায়। তখন আর নতুন পোকা জন্ম দেয়ার কেউ থাকে না।’

    চোখের সামনে যে প্রকাণ্ড ব্যাপার-স্যাপার ওরা দেখতে পাচ্ছে তার তুলনায় ওই আশ্চর্য তথ্যও ওদের কাছে খেলো শোনালো। রঙিন পাইপের গোলক ধাঁধার ভিতর দিয়ে একটা সরু স্টীলের সিঁড়ি পাইপ ছাড়িয়ে ছেলেদের অনেক উপরে নিয়ে গেল।

    ‘এখানকার সব কাজই কমপিউটারে চলছে,’ চলতে চলতে চিৎকার করে বলল গাইড। ‘কমপিউটারের সাহায্যেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে নির্ধারিত পরিমাণে জলীয় আর বায়বীয় পদার্থ একসাথে মিশিয়ে প্রধান কারখানায় সরবরাহ করা হয়।’

    নিচে প্যাসারিন হলুদ পাইপ লাগানো একটা জটিল চেহারার চাপ মাপার যন্ত্র নিয়ে কাজ করছে দেখতে পাচ্ছে ওরা। উপর দিকে চেয়ে দুটো পরিচিত চেহারা দেখতে পেয়ে সে চিৎকার করে ডাকল, ‘মার্ক! ডেমিয়েন! তোমরা এখানে কি করছ?’ ওর স্বরে উৎকণ্ঠা প্রকাশ পেল। কিছুই ঠিকমত চলছে না আজ। এমন একটা দিনে ওদের ওই ঘরে দেখে ভীষণ অবাক হয়েছে প্যাসারিন

    নিচে তাকিয়ে হাসল ওরা দু’জন। ‘আমরা কারখানাটা একটু ঘুরে দেখছি, ‘ চেঁচিয়ে জানাল ডেমিয়েন। তারপর প্যাসারিনকে দুশ্চিন্তায় ফেলে হাত নেড়ে বিদায় জানিয়ে সবার সাথে এগিয়ে গেল ওরা।

    ঠিক এই সময়ে ঘরের অন্য ধারে উঁচুতে একটা পাইপ সশব্দে ছুটে গেল। হিসহিস করে ঘন সবুজ বাষ্প বেরিয়ে আসছে।

    ‘পাইপ ফুটো হয়ে গেছে!’ কেউ একজন চেঁচিয়ে বলল।

    প্যাসারিন মুখ তুলে উপরে চেয়েই দেখতে পেল বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাবে ফোস্কা পড়ে গেছে তার সহকারীর মুখে। জ্ঞান হারিয়ে লোকটা রেলিং-এর ওপর দিয়ে ডিগবাজি খেয়ে নিচে পড়ল। ওর মাথাটা সজোরে মেঝের সাথে ঠুকে গেল।

    নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারছে না প্যাসারিন। কন্ট্রোল প্যানেলের কাছে ছুটে যেতে যেতে সে চিৎকার করল, ‘বেরোও সবাই! জলদি ছেলেদের এখান থেকে বের করে নিয়ে যাও!’

    প্যাসারিনের চিৎকারে ছেলেদের গাইড চমকে ফিরে তাকাল। গ্যাসটা ধীরে ওদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    নিচে কন্ট্রোল প্যানেলের ডায়াল লক্ষ্য করছে প্যাসারিন। গ্যাস বেরুনোর গতির সাথে তাল রেখে সমানে ডায়ালের কাঁটা নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে।

    কন্ট্রোল প্যানেলের ওপর লাল বোতাম রয়েছে একটা ( জরুরি অবস্থা ঘোষণার বোতাম ওটা। বিপদ দেখে দেহের সব শক্তি দিয়ে বোতামটা টিপে ধরল প্যাসারিন।

    কাঁচের জানালা দিয়ে পাশের কমপিউটার রুমটা দেখা যাচ্ছে। ওখানে সাদাকোট পরা দু’জন কারিগর নিশ্চিন্ত মনে গল্প করছে। যে কারণেই হোক বিপদ সংকেত ওরা শুনতে পাচ্ছে না। বেচারা জানে না যে আজই সকালে বুহের নিজে বোতামটাকে অকেজো করে রেখে গেছে।

    আবার বোতাম টিপল প্যাসারিন। কিন্তু লোক দুটো এখনও কথা বলেই চলেছে। বোঝা যাচ্ছে কোন সংকেতই ওরা শুনতে পাচ্ছে না।

    ক্যাডেট ছেলেদের দম আটকে আসছে বিষাক্ত গ্যাসে। ওদের কাশি, চিৎকার আর কান্না প্যাসারিনের কানে আসছে। আতঙ্কে হুড়োহুড়ি লেগে গেছে ওদের ভিতর। ওই ঘর থেকে কোনক্রমে বেরিয়ে পড়ার চেষ্টা করছে সবাই। শ্বাস কষ্টে মরিয়া হয়ে উঠেছে ওরা। গ্যাস লেগে চোখ দিয়ে দরদর করে পানি পড়ছে। কয়েক জনের মুখ আর হাতে ছোট ছোট ফোস্কা দেখা দিয়েছে।

    গাইড ছুটে গিয়ে পাগলের মতো মাল ওঠানোর লিফটের বোতাম টিপতে লাগল।

    কিছুই হল না-ওটাও কাজ করছে না।

    বারবার বোতাম টিপে চলেছে গাইড। আর কি করা যায় কিছুই ওর মাথায় আসছে না। নিজের জীবন হারাতে বসেছে বলে সে ততটা ভীত নয়-কিন্তু থর্ন ছেলেদের কেউ যদি মারা যায় আর সে বেঁচে থাকে, তখন কি ঘটবে ভেবেই ভয়ে অস্থির হয়ে উঠেছে লোকটা।

    কেবল একজন মানুষ আতঙ্কিত হয়নি—সে হচ্ছে ডেমিয়েন। গ্যাসে ওর কোন ক্ষতিই হয়নি। চারপাশে চেয়ে সে দেখল তার বন্ধুবান্ধব একে একে জ্ঞান হারিয়ে ঢলে পড়তে আরম্ভ করেছে। এই প্রথমবারের মত ডেমিয়েন তার নিজের ক্ষমতা পুরোপুরি উপলব্ধি করল।

    স্পষ্ট বুঝতে পারছে যে তার ইচ্ছার ওপরই এখন সব নির্ভর করছে। ইচ্ছা করলে সে এখান থেকে বেরিয়ে যেতে পারে-সেক্ষেত্রে একমাত্র সে-ই বাঁচবে। অথবা সবাইকে বের হতে সাহায্য করে সে ‘হিরো’ হতে পারে।

    সব কিছুই এখন পরিষ্কার বুঝতে পারছে ডেমিয়েন।

    হিরো হবার ইচ্ছাটা ওর ভিতর হঠাৎ মাথা চাড়া দিয়ে উঠল। সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নিল সে। ছাদের দিকে এক নজর চেয়েই দেয়ালের সাথে বল্টু দিয়ে আঁটা একটা স্টীলের সিঁড়ি ওর চোখে পড়ল। সিঁড়িটা ছাদ পর্যন্ত উঠে গেছে। সিঁড়ির মাথায় ছাদে একটা ঢাকনা চাপা দেয়া রয়েছে। ওদিক দিয়ে ছাদে ওঠা সম্ভব।

    ‘এদিকে,’ চিৎকার করে সিঁড়ির দিকে ছুটল ডেমিয়েন। ওর ব্যায়ামপুষ্ট দেহটা তরতর করে অবলীলাক্রমে উঠে যাচ্ছে ছাদের দিকে। সিঁড়ির মাথায় পৌঁছে ধাক্কা দিয়ে ঢাকনাটা খুলে ফেলল ডেমিয়েন। খোলা দরজা দিয়ে এক ঝলক রোদ আর তাজা বাতাস ঘরে ঢুকল।

    অন্যান্য ক্যাডেট আর গাইড টলমলে পায়ে সিঁড়ির দিকে এগোল। একে অন্যের ওপর ভর দিয়ে পরস্পরকে সাহায্য করছে। কোনমতে সিঁড়ি বেয়ে ছাদে পৌঁছে টানটান হয়ে শুয়ে পড়ল ওরা। হাঁ করে শ্বাস নিচ্ছে সবাই।

    এতক্ষণে ডেমিয়েনের হঠাৎ প্যাসারিনের কথা মনে পড়ল। চেয়ে দেখল প্যাসারিন ছাড়া আর সবাই বেরিয়ে আসতে পেরেছে।

    আবার ভিতরে ঢুকল ডেমিয়েন। সতর্কতার সাথে চটপট সিঁড়ি দিয়ে নেমে নিচে পৌঁছে গেল।

    নেই। কেউ নেই ওখানে। সবুজ ধোঁয়ায় ঘরটা ভরে উঠছে।একটা অ্যালার্ম বাজছে। চারদিকে বিভিন্ন জায়গায় থেকে থেকে লাল আলো জ্বলে উঠে বিপদ সংকেত জানাচ্ছে।

    ঘুরে অন্য পাশ দিয়ে ছুটে এগিয়ে গেল ডেমিয়েন। এবার প্যাসারিনকে দেখতে পেল। কিন্তু প্যাসারিন দেখতে পেল না তাকে।

    একটা ভাঙা ভ্যালভের সামনে কুঁকড়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে আছে প্যাসারিন। ওর একটা হাত এখনও সামনে বাড়ানো রয়েছে। মরার আগের মুহূর্তেও সে ভ্যালভটা বন্ধ করার একটা শেষ চেষ্টা চালিয়েছিল। মুখটা ফোস্কা পড়ে একেবারে বিকৃত হয়ে গেছে—চেনাই যায় না।

    মরে ঠাণ্ডা হয়ে গেছে দেহটা।

    বিতৃষ্ণায় মুখ ঘুরিয়ে ছুটে তাড়াতাড়ি সিঁড়ির দিকে ফিরে চলল ডেমিয়েন।

    ছাদে পৌঁছে সে দেখল ওখানে তখনও আতঙ্ক আর বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। কয়েকজন মাটিতে শুয়ে কাতরাচ্ছে। চোখ থেকে সবারই পানি ঝরছে।

    এবার মার্ক কেমন আছে দেখার জন্যে এগোল সে। যেতে যেতে টের পেল সে কে তা জানার পরেও খারাপ লাগছে না তার-ব্যাপারটা বেশ উপভোগ করছে ও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন
    Next Article অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }