Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    কাজী মাহবুব হোসেন এক পাতা গল্প211 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অশুভ সংকেত – ৯

    নয়

    পাদরীর ছবি কাগজে দেখে গাড়ি নিয়ে রবার্ট সোজা ছুটল লওনের দিকে। মাথার মধ্যে চিন্তার ঝড় বইছে। ক্যাথি সত্যিই গর্ভবতী ধর্মযাজক তাহলে ঠিকই বলেছিল। এখন আর ট্যাসোনের কথাগুলো উড়িয়ে দিতে পারছে না সে। পার্কে পাদরী তাকে কি কি বলেছিল মনে করার চেষ্টা করল রবার্ট। কোথায় যেন তাকে যেতে বলেছিল সে কিন্তু নাম ঠিকানা কিছুই মনে করতে পারছে না। নিজেকে শান্ত আর সংযত করার চেষ্টা করল রবার্ট। কে ফোন করে তাকে আজকের কাগজটা পড়তে বলল? গলাটা চেনাচেনা মনে হলেও ঠিক ধরতে পারছে না সে। প্রীস্টের সাথে তার সম্পর্ক আছে একথা সে জানল কেমন করে? কে হতে পারে? ফটোগ্রাফার? ঠিক ওরই গলা ছিল ওটা—হেবার জেনিংস।

    অফিসে পৌঁছে নিজেকে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখল রবার্ট। ইন্টারকমে হেবার জেনিংসকে ফোনে ধরার নির্দেশ দিল সে। চেষ্টা করল সেক্রেটারি, কিন্তু হেবারকে পাওয়া গেল না, কেবল টেপরেকর্ড করা জবাব পাওয়া গেল তার নিজস্ব গলায়, ‘হেবার জেনিংস বাড়িতে নেই।’ থর্নকে একথা জানাতেই সে সেক্রেটারির কাছ থেকে ওর নাম্বারটা চেয়ে নিয়ে নিজেই ডায়াল করল। না, আর কোন সন্দেহ নেই আজ সকালে হেবারই ফোনে কাগজ পড়ে দেখতে বলেছিল তাকে। কিন্তু নিজের পরিচয় সে দিল না কেন? এ কেমন ধারা খেলা খেলছে হেবার তার সাথে?

    ক্যাথি ফোন করতে বলেছে জেনেও ফোন করল না রবার্ট। কারণ ফোন করলেই অ্যাবর্শনের কথা জিজ্ঞেস করবে কি উত্তর দেবে এখনও স্থির করে উঠতে পারেনি সে। একমাত্র সে-ই জানে যে ডেমিয়েন তার নিজের ছেলে নয়।

    ‘সে হত্যা করবে বাচ্চাটাকে,’ বলেছিল ট্যাসোন। ‘ভূণ অবস্থাতেই সে হত্যা করবে তাকে।’

    তাড়াতাড়ি ডাক্তার গ্রীয়ারের ফোন নাম্বার বের করে তাকে জানাল একটা বিশেষ জরুরি ব্যাপারে আলাপ করার উদ্দেশ্যে তার সাথে দেখা করতে আসছে।

    .

    থর্ন যে শিগগিরই তার সাথে আলাপ করতে আসবে একথা জানত ডাক্তার গ্রীয়ার। তাই সে অবাক হয়নি মোটেও। ইদানীং ক্যাথির মানসিক অবস্থার অবনতি সে বেশ লক্ষ্য করেছে। উৎকণ্ঠা আর বেপরোয়া ভাবের মধ্যে খুব সূক্ষ্ম একটা ভেদ রয়েছে। এই দুইয়ের টানাপোড়েনে দুলছে ক্যাথি। ভীতি যদি মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তবে ডাক্তার জানে ক্যাথি আত্মহত্যার চেষ্টা করতে পারে।

    ‘কেউ বলতে পারে না এই ধরনের ভয় আসলে কত গভীর…’ নিজের অফিসে বসে থর্নকে বলছিল গ্রীয়ার। ‘সত্যি কথা বলতে কি, স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে,

    উনি খুব মারাত্মক মানসিক বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

    শক্ত চেয়ারে পিঠ ঠেকিয়ে থর্ন আড়ষ্ট ভাবে শুনেছে ডাক্তারের কথা। উঠে পায়চারি করতে করতে ঘনঘন পাইপ টেনে ওটার নিভে যাওয়া ঠেকাতে চেষ্টা করছে কমবয়সী ডাক্তার।

    ‘আমি আগেও অনেক দেখেছি এসব,’ বলে চলল সে। ‘মালগাড়ির মত চোখের সামনে দেখা যায় কিভাবে ধীরে ধীরে এর গতি বেড়ে ওঠে।

    ‘তাহলে অবনতি ঘটেছে ক্যাথির?’ কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করল রবার্ট।

    ‘বলা যায় দানা বাঁধতে আরম্ভ করেছে।‘

    ‘আপনার করার কিছু নেই?’

    ‘আমি সপ্তাহে দুবার দেখি তাঁকে, কিন্তু তাঁর আরও অনেক বেশি যত্নের প্রয়োজন।

    ‘আপনি কি বলছেন তার মাথা খারাপ হয়ে গেছে?’

    ‘বলা যায় তিনি কল্পনার রাজ্যে বিরাজ করছেন। সেই রাজ্যে অনেক ভয়। এই ভীতিটাই কাজ করছে তাঁর ওপর।‘

    ‘কি ধরনের ভয়?’ জানতে চাইল থর্ন।

    একটু দম নিয়ে গ্রীয়ার ভেবে নিচ্ছে ব্যাখ্যা দেবে কিনা। আবার নিজের চেয়ারে বসে সে রবার্টের শঙ্কিত চোখের দিকে চেয়ে দেখল।

    ‘তাঁর কল্পরাজ্যের একটা কথা হচ্ছে তিনি বিশ্বাস করেন না ছেলেটা সত্যি তাঁর নিজের।

    কথাটা বজ্রাঘাতের মতই আঘাত করল রবার্টকে। অসাড় হয়ে বসে রইল সে—মুখ দিয়ে কথা সরছে না।

    আমার বিশ্লেষণে এটা আসলে তাঁর ভয় নয়—এটা তাঁর অবচেতন মনের একটা ইচ্ছা। মনে মনে তিনি সন্তানহীন থাকতে চান।’

    মাথা ঘুরছে রবার্টের—কোন জবাবই জোগাল না তার মুখে।

    ‘আমি এমন ইঙ্গিত দিচ্ছি না যে ছেলেটার গুরুত্ব তাঁর কাছে কম,’ বলে চলল গ্রীয়ার। ‘বরং ঠিক উল্টো, একক ভাবে এটাই তাঁর জীবনে সবচেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। কিন্তু কোন অজ্ঞাত কারণে এটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় হুমকি। আমি ঠিক জানি না ভয়টা তাঁর মাতৃত্বকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, নাকি নিছক নিজে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না। নিজেকে অযোগ্য বলে মনে করেই হয়ত তাঁর এই মানসিক বিকার।

    ‘…কিন্তু সে তো নিজেই সন্তান চেয়েছিল?’ চেষ্টা করে কথা কয়টা বলল রবার্ট।

    ‘আপনার জন্যে।’

    ‘না…’

    অবচেতনভাবে। তিনি মনে করেছিলেন নিজেকে আপনার যোগ্য প্রমাণ করতে হলে আপনার সন্তান পেটে ধারণ করাই সবচেয়ে ভাল উপায়।’

    সামনের দিকে চেয়ে রইল রবার্ট, তার চোখে হতাশা।

    ‘এখন তিনি আর সইতে পারছেন না, তাই নিজের স্বপক্ষে কারণ খুঁজে নিয়েছেন যেন নিজেকে আর অযোগ্য বলে মনে না হয়। তাই তিনি কল্পনা করে নিয়েছেন যে বাচ্চাটা তাঁর নয়, সে অনিষ্টকর ও অমঙ্গলজনক। ‘

    ‘কি…?’

    ‘প্রাণ থেকে ভালবাসতে না পেরে একটা ছুতো বের করে নিয়েছেন আর কি।’ ….সে কি সত্যিই মনে করে যে ছেলেটা অশুভ?’ ভীষণ ভাবে নাড়া খেয়েছে রবার্ট। মুখটা শক্ত হয়ে গেছে তার ভয়ে।

    ‘এই মুহূর্তে তাঁর অনুভূতি নিয়েই থাকতে দিতে হবে তাঁকে,’ বুঝিয়ে বলল গ্রীয়ার। ‘কিন্তু আসল কথা হচ্ছে এই সময়ে আর একটা বাচ্চা বিপর্যয় ডেকে আনবে।’

    ‘কিন্তু…’ নিজেকে অসুস্থ দুর্বল মনে হচ্ছে রবার্টের।

    ‘চিন্তার কোন কারণ নেই, সময়ে সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    ‘ডক্টর…’

    ‘বলুন?’

    কিন্তু থর্ন কিছুই বলতে পারল না দুজনে নীরবে মুখোমুখি একে অন্যের দিকে চেয়ে বসে রইল।

    ডাক্তারের মুখে চিন্তার রেখা ফুটে উঠেছে। সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে তার সামনে বসা লোকটার কিছু বলার আছে—কিন্তু ভয়ে বলতে পারছে না।

    ‘মিস্টার থর্ন, খারাপ বোধ করছেন নাকি আপনি?’

    ‘না, খুব ভয় পেয়েছি।’

    ‘অবশ্যই সেটাই তো স্বাভাবিক।’

    ‘একটা…দুর্যোগ ঘনিয়ে আসছে।’

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু আপনারা দুজনেই দুর্যোগ কাটিয়ে বেরিয়ে আসবেন।’

    ‘আপনি বুঝতে পারছেন না।’

    ‘পারছি।’

    ‘না।‘

    ‘বিশ্বাস করুন, আমি বুঝি।’

    চোখ ফেটে কান্না আসছে রবার্টের। মাথা নিচু করে দু’হাতে মুখ ঢাকল সে।

    ‘দুশ্চিন্তার চাপের মধ্যে রয়েছেন আপনি, মিস্টার থর্ন। আপনি নিজেও জানেন না কতখানি মানসিক চাপ সহ্য করছেন আপনি।’

    ‘আমি বুঝতে পারছি না আমার কি করা উচিত,’ কাতরোক্তি করল রবার্ট।

    ‘আপনার প্রথম কাজ হবে অ্যাবর্শনে রাজি হওয়া।’

    চোখ তুলে সরাসরি রবার্ট চাইল গ্রীয়ারের দিকে।

    ‘না,’ জবাব দিল সে। জবাব শুনে ভীষণ অবাক হল ডাক্তার।

    ‘ধর্মীয় কারণে যদি আপনার আপত্তি…’

    ‘না।’

    ‘আপনি নিশ্চয়ই এর প্রয়োজন উপলব্ধি করতে পারছেন?’

    ‘না, এতে মত দেব না আমি,’ দৃঢ় কণ্ঠে বলল রবার্ট।

    ‘কিন্তু আপনার স্ত্রীর ভালর জন্যেই আপনার করতে হবে এটা।’

    ‘না।’

    চেয়ারে হেলান দিয়ে অ্যামবাসেডরকে অবিশ্বাস ভরা চোখে দেখতে লাগল ডাক্তার।

    ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে বাচ্চাটা মারা পড়বে,’ বলল রবার্ট। ‘আমি চেষ্টা করে দেখতে চাই ওকে রক্ষা করা যায় কিনা।’

    বিস্মিত ডাক্তার হাঁ করে চেয়ে রইল রবার্টের দিকে। উৎকণ্ঠিত হয়ে উঠছে সে।

    ‘আমি জানি কথাটা কেমন শোনাচ্ছে,’ বলল থর্ন। ‘হতে পারে…আমার মাথাও হয়ত খারাপ হয়েছে?’

    ‘ওকথা বলছেন কেন?’

    থর্ন কঠিন দৃষ্টিতে চাইল ডাক্তারের দিকে।

    ‘কারণ এই গর্ভের বাচ্চাটার ওপরই নির্ভর করছে আমি কি বিশ্বাস করব।’

    ‘অর্থাৎ?’

    ‘আমিও আমার স্ত্রীর মত বর্তমান বাচ্চাটাকে…’

    গলায় কথা ঠেকে গেল রবার্টের, কথা শেষ না করেই ব্যস্ত ভাবে উঠে দাঁড়াল থর্ন। একটা অশুভ আশঙ্কা ছেয়ে ফেলেছে ওর মন। তার কেবলই ভয় হচ্ছে কি যেন একটা বিপদ ঘনিয়ে আসছে।

    ‘মিস্টার থর্ন!’

    ‘মাফ করবেন…’

    ‘দয়া করে একটু বসুন।’

    মাথা নেড়ে জবাব দিয়ে প্রায় ছুটতে ছুটতে নেমে এল সে সিঁড়ি দিয়ে। কাঁপা হাতে চাবি বের করে গাড়ি স্টার্ট দিল রবার্ট। কিছু একটা ঘটেছে, তার এখনই বাড়ি ফেরা দরকার। চাকায় শব্দ তুলে ইউ টার্ন নিয়ে অ্যাকসেলারেটর ফ্লোরের সাথে চেপে ধরল সে। গাড়িতে পেরিফোর্ড পৌঁছুতে তার মাত্র আধঘন্টা লাগবে—কিন্তু তবু কেন যেন তার বারবারই মনে হচ্ছে সময় মত পৌঁছতে পারবে না, দেরি হয়ে গেছে তার। লণ্ডনের দুপুর বেলার যানবাহনের ভিড়ে হর্ন বাজিয়ে পাগলের মত গাড়ি চালাচ্ছে রবার্ট। ট্রাফিক লাইটও মানছে না সে উৎকণ্ঠায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ও। তার মাথায় একটাই চিন্তা, যত শিগগির সম্ভব তাকে বাড়ি পৌছুতে হবে।

    পেরিফোর্ড হাউসে ক্যাথিও উৎকণ্ঠিত। যে ভয় তার ভিতরটাকে কুরে কুরে খাচ্ছে, সেটা ভুলে থাকার জন্যে নানান ঘরোয়া কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চেষ্টা করছে সে। তিনতলার বারান্দায় পানির পাত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে ক্যাথি ভাবছিল ব্যালকনি থেকে ঝুলানো গাছের টবগুলোতে কি করে পানি দেয়া যায়। ওগুলোতে পানি দেয়া দরকার, কিন্তু ঠিকমত ঢালতে না পারলে নিচে টালি করা মেঝেতে পানি পড়ার ভয় রয়েছে। ডেমিয়েন তার খেলার ঘরে চাকাওয়ালা খেলনা দিয়ে ট্রেন-ট্রেন খেলছে আর মুখ দিয়ে মালগাড়ির শব্দ করছে। ট্রেনের গতির সাথে মুখ দিয়ে শব্দ করার জোর বাড়ছে। ক্যাথির দৃষ্টির আড়ালে বাচ্চার খেলার ঘরে মিসেস বেল্‌ক দাঁড়িয়ে আছে ঘরের পিছন দিককার দেয়াল ঘেঁষে। তার চোখ দুটো বন্ধ—যেন প্রার্থনা করছে।

    হাইওয়েতে রবার্টের গাড়ি চাকার ক্যাঁচ ক্যাঁচ আওয়াজ তুলে এম-৪০ রাস্তায় উঠে এল। গাড়ির ভিতর অস্থিরচিত্তে বসে আছে রবার্ট। স্টিয়ারিং শক্ত করে খামচে ধরেছে সে, গাড়ির নিচে রাস্তা ঝাপসা হয়ে ছুটে চলে যাচ্ছে পিছন দিকে। উল্কার বেগে ছুটে রাস্তার অন্যান্য গাড়িগুলোকে পাশ কাটিয়ে চলেছে। মনে হচ্ছে অন্য গাড়িগুলো যেন স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ঘামছে থর্ন, সামনের প্রত্যেকটা গাড়িকেই তার ওভারটেক করা চাই-ই। হর্ন বাজিয়ে জায়গা করে নিয়ে বুলেটের মত বেরিয়ে যাচ্ছে সে গাড়িগুলোর পাশ দিয়ে। হঠাৎ পুলিশের কথা মনে হতেই রীয়ার-ভিউ মিররের দিকে চাইল রবার্ট। একটা অমঙ্গলসূচক আকৃতি দেখল সে আয়নায়, পিছন থেকে এগিয়ে আসছে তার দিকে। আর একটা গাড়ি। কালো আর বিশাল মৃতদেহ বয়ে নিয়ে যাবার গাড়ি ওটা। ওদের মাঝে দূরত্ব কমে আসছে, মনে হচ্ছে রবার্টকে ধরে ফেলবে গাড়িটা। ভয়ে ওর মুখটা একেবারে সাদা হয়ে গেছে।

    পেরিফোর্ডে ডেমিয়েনের খেলনা নিয়ে ছুটোছুটি আরও বেড়েছে। এখন সে খেলনার ওপর লাফিয়ে লাফিয়ে ঘোড়া চালাচ্ছে। বারান্দায় একটা টুলের উপর দাঁড়িয়ে গাছের টবে পানি দেয়ার চেষ্টা করছে ক্যাথি। ডেমিয়েনের ঘরে মিসেস বেল্‌ক একদৃষ্টে ওর দিকে চেয়ে রয়েছে—নীরব নির্দেশ দিচ্ছে যেন ওকে আরও জোরে ছোটার। ডেমিয়েনের গতি বাড়ল, চোখে একটা বন্যভাব, মুখটা সাময়িক উত্তেজনায় কঠিন হয়ে উঠেছে।

    গাড়ির ভিতরে রবার্ট তার অ্যাকসেলারেটর আবার পুরো টিপে ধরল। তবু পিছনের গাড়িটা এগিয়েই আসছে। ড্রাইভারের মুখটা এখন রবার্ট বেশ পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে। ঠাণ্ডা প্রাণহীন চোখে তার দিকেই চেয়ে আছে লোকটা। থর্নের গাড়ির গতির কাঁটা নব্বই-এ ছিল, বেড়ে সেটা একশো দশ মাইলে গিয়ে স্থির হল। কিন্তু পিছনের গাড়িটা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে এখনও। জোরে জোরে শ্বাস পড়ছে থর্নের, যুক্তি-বুদ্ধি সব হারিয়ে ফেলেছে সে। তার মাথায় একটাই চিন্তা-কিছুতেই পিছনের গাড়িটাকে ওভারটেক করতে দেয়া যাবে না। গর্জন করছে থর্নের গাড়ির ইঞ্জিন। কিন্তু এগিয়েই আসছে ওই গাড়ি প্রায় পাশাপাশি চলে এসেছে গাড়ি দুটো।

    ‘না,’ প্রতিবাদ বেরিয়ে এল রবার্টের গলা থেকে, ‘না—!’

    দুটো গাড়ি পাশাপাশি প্রায় উড়ে চলেছে, ধীরে আরও এগিয়ে যাচ্ছে কালো গাড়িটা। স্টিয়ারিং হুইলের ওপর কিল মারছে থর্ন, গাড়িটা কেন আরও জোরে চলছে না! খেপে উঠেছে সে। ওভারটেক করে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে গাড়িটা—পিছনে রাখা কফিনটা রবার্টের পাশ দিয়েই সামনে এগিয়ে গেল।

    ওদিকে থর্নের বাসায় ডেমিয়েন উন্মত্ত আনন্দে চিৎকার করে খেলছে ঘরের মধ্যে। ক্যাথি সামনের টবে পানি দেয়া শেষ করে ভয়ে ভয়ে আরও ঝুঁকে পড়ে পিছনের টবে পানি ঢালছে।

    হাইওয়েতে শবযানটা রবার্টকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেল। থর্নের গলা থেকে একটা রক্ত হিম করা চিৎকার বেরিয়ে এল। ঠিক এই সময়েই নিজের খেলার ঘর থেকে ছুটে বেরিয়ে এসে তার খেলনা দিয়ে প্রচণ্ড ধাক্কা দিল ডেমিয়েন ক্যাথির টুলে। ছিটকে শূন্যে উঠে গেল ক্যাথি, দু’হাতে বাতাসে কিছু একটা ধরার চেষ্টা করল সে। ডিগবাজি খেয়ে নিচের দিকে রওনা হবার সময়ে চিৎকার করে ব্যালকনি ধরার ব্যর্থ চেষ্টা করল। তার হাত লেগে একটা গোল সোনালী মাছ রাখার পাত্র উল্টে গেল। নিচে পড়ার শব্দের সাথে সাথেই তার চিৎকার থেমে গেল। পরক্ষণেই মাছের পাত্রটাও সশব্দে তার পাশে পড়ে টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে গেল। নীরবে স্থির হয়ে পড়ে আছে ক্যাথি। একটা সোনালী মাছ পানির অভাবে ক্যাথির পাশেই ঠাণ্ডা টাইলের ওপর লাফাচ্ছে।

    .

    থর্ন যখন হাসপাতালে পৌঁছল তার আগেই কাগজের রিপোর্টাররা সবাই পৌঁছে গেছে সেখানে। ক্যামেরার ফ্ল্যাশ বালব চোখ ধাঁধিয়ে দিচ্ছে তার। চিৎকার করে বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছে রিপোর্টাররা। মরিয়া হয়ে ‘ইনটেনসিভ কেয়ার’ লেখা দরজাটার দিকে এগুবার চেষ্টা করছে রবার্ট। বাড়ি ফিরে মিসেস বেলুকের কাছে সে জেনেছে ক্যাথি তিনতলা থেকে নিচে পড়েছে, অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ‘মিস্টার থর্ন, আপনার স্ত্রীর বর্তমান অবস্থা কি?’ চিৎকার করে জিজ্ঞেস করল একজন রিপোর্টার।

    ‘পথ ছাড়।’

    ‘শুনলাম পড়ে গেছেন তিনি?’

    ‘যেতে দাও।’

    ‘উনি বাঁচবেন তো?’

    দরজা দিয়ে ঢুকেই লম্বা হল ধরে ছুটল সে, রিপোর্টারদের গলার শব্দ পিছনে মিলিয়ে গেল।

    ‘অ্যামবাসেডর থর্ন?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ডাক্তার দ্রুত এগিয়ে এল রবার্টের দিকে।

    আমার নাম বেকার,’ বলল ডাক্তার।

    ‘আমার স্ত্রী কেমন আছে?’ ব্যস্ত কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল রবার্ট।

    ‘জীবনের আশঙ্কা নেই। বেশ আঘাত পেয়েছেন তিনি—মাথায় লেগেছে, একটা কলার বোন ভেঙেছে আর দেহের ভিতরে কিছু রক্তপাতও হয়েছে।’

    ‘গর্ভবতী ছিল সে।’

    ‘দুঃখিত, এখন আর তিনি গর্ভবতী নন।’

    ‘গর্ভপাত হয়েছে তাহলে?’ মুখ দিয়ে শ্বাস নিল রবার্ট।

    ‘যেখানে পড়েছিলেন সেখানেই। আমি পরীক্ষার জন্যে ওটা নিয়ে আসতে চেয়েছিলাম কিন্তু জানলাম আমরা পৌঁছবার আগেই আপনার কাজের মেয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করে ফেলেছে।‘

    শিউরে উঠল থর্নের সারা দেহ। দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়াল সে।

    ‘আমরা অবশ্যই ঘটনার খুঁটিনাটি গোপন রাখব,’ বলে চলল ডাক্তার। ‘লোকে যত কম জানে ততই মঙ্গল।’

    থর্নের তাকানোর ভঙ্গি দেখেই ডাক্তার বুঝল কথাটার পুরো তাৎপর্য সে বোঝেনি।

    ‘আপনি জানেন তো আপনার স্ত্রী তিনতলা থেকে লাফিয়ে পড়েছেন?

    ‘… লাফিয়ে?’

    ‘হ্যাঁ, আপনার ন্যানির কথামত আপনার ছেলে আর তার চোখের সামনেই ঘটনাটা ঘটে।’

    শূন্য দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ ডাক্তারের মুখের দিকে চেয়ে থেকে দেয়ালের দিকে মুখ ঘুরিয়ে নিল রবার্ট। কাঁধ আড়ষ্ট হয়ে যাওয়া দেখে ডাক্তার আন্দাজ করে নিল কাঁদছে সে।

    ‘এই ধরনের পতনে সাধারণত মাথাটাই আগে নিচে পড়ে। সুতরাং সেদিক থেকে বলা যায় আপনার কপাল ভাল।’

    চোখের জল ঠেকাবার চেষ্টা করতে করতে মাথা ঝাঁকাল রবার্ট।

    ‘এত শোকের কোন কারণই ঘটেনি আপনার। কৃতজ্ঞ থাকুন যে আপনার স্ত্রী বাঁচবেন। তেমন যত্ন নেয়া হলে ভবিষ্যতে হয়ত এমন আত্মহত্যার চেষ্টাও আর করবেন না,’ বলে চলল ডাক্তার। ‘আমার এক শালীরও এমন আত্মহত্যার প্রবণতা ছিল। স্নান করতে গিয়ে বাথটাবে ইলেকট্রিক টোস্টার নিয়ে গেছিল। টোস্টারের হ্যাণ্ডেল টিপে নামিয়ে দিতেই প্রচণ্ড শক্ খায় সে।’

    ডাক্তারের দিকে ফিরে তাকাল থর্ন।

    ‘কথা হচ্ছে, মারা যায়নি সে, বেঁচেছিল। এরপরে আর সে এমন চেষ্টা করেনি।’

    ‘কোথায় আছে সে?’ জিজ্ঞেস করল রবার্ট 1

    ‘এখন সুইজারল্যাণ্ডের…।’

    ‘আমার স্ত্রী।’

    ‘রূম ৪-এ। শিগগিরই তাঁর জ্ঞান ফেরার কথা।’

    ক্যাথির ঘরটা চুপচাপ আর ঈষৎ অন্ধকার। একটা নার্স কেবিনে বসে ম্যাগাজিনের পাতা ওল্টাচ্ছে। ঘরে ঢুকেই থমকে দাঁড়াল রবার্ট। একি চেহারা হয়েছে ক্যাথির? মুখটা ভীষণ ফুলে গেছে, একেবারে রক্তশূন্য দেখাচ্ছে ওকে। হাতে একটা টিউব লাগানো রয়েছে, প্লাজমা দেয়া হচ্ছে। হাতে একটা প্লাস্টার লাগানো। এখনও অজ্ঞান অবস্থায় আছে সে-মুখটা প্রায় প্রাণহীন।

    ‘ঘুমাচ্ছেন উনি,’ নার্স বলে উঠল। আড়ষ্ট পায়ে ধীরে ধীরে বিছানার দিকে এগিয়ে গেল থর্ন। বিছানার পাশে দাঁড়াতেই তার উপস্থিতি টের পেয়েই যেন অস্ফুট একটা কাতরোক্তি করে মাথাটা এপাশে ফেরাল ক্যাথি।

    ‘ওর কি খুব যন্ত্রণা হচ্ছে?’ দুর্বল কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করল রবার্ট।

    ‘সোডিয়াম পেন্টাথল দেয়া হচ্ছে ওনাকে,’ জবাব দিল নার্স। ‘ক্লাউড নাইন।’ বিছানার পাশে বসল রবার্ট। নার্স বেরিয়ে যেতেই বিছানার ধারে মাথা রাখল সে। তার চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় জল নামতে শুরু করেছে। কিছুক্ষণ পরে মাথায় হাতের স্পর্শ পেয়ে মাথা তুলে তাকাল সে।

    ‘রবার্ট.…’ ফিসফিস করে ডাকল ক্যাথি। ফোলা চোখ দুটো খোলার আপ্রাণ চেষ্টা করছে সে।

    ‘ক্যাথি…’ অশ্রুরুদ্ধ কণ্ঠে জবাব দিল রবার্ট।

    ‘আমাকে খুন করতে দিয়ো না ওকে।’ চোখ বুজে আবার ঘুমিয়ে পড়ল ক্যাথি।

    রাত বারোটার পরে বাড়ি ফিরল রবার্ট। নিচের বারান্দায় অনেকক্ষণ চুপচাপ অন্ধকারে দাঁড়িয়ে ক্যাথি যেখানে পড়েছিল সেখানের ধুয়ে ফেলা আবছা রক্তের দাগের দিকে চেয়ে রইল। অবশ হয়ে গেছে তার দেহ, ক্লান্তিতে একেবারে বিধ্বস্ত ঘুম দরকার তার, আজ সারাদিন যা ঘটেছে তা কোনমতে ভুলে থাকা দরকার। যেন কোন এক অভিশাপে জীবনটাই এখন বদলে গেছে তার, আগের জীবন আর কোনদিন ফিরে পাবে না সে।

    নিচের বাতি নিভিয়ে দিয়ে উপরে উঠে এল রবার্ট। বারান্দায় দাঁড়িয়ে ক্যাথি যেখানে থেকে লাফিয়ে পড়েছে সেদিকে চেয়ে দৃশ্যটা কল্পনা করার চেষ্টা করল সে। যদি সে আত্মহত্যাই করতে চেয়েছিল তবে ছাতে না গিয়ে তিনতলা থেকে লাফ দিল কেন? বাসায় ওষুধের বড়ি ছিল, ক্ষুর ছিল, আরও অনেক উপায় ছিল যাতে নিজের নিশ্চিত মৃত্যু ঘটাতে পারত সে। তবে এই পন্থা কেন বেছে নিল? আর তাই যদি নিল তবে ডেমিয়েন আর মিসেস বেলুকের সামনে কেন? বুঝতে পারছে না রবার্ট।

    পাদরীর সতর্ক বাণী মনে পড়ল তার, ‘সে বাচ্চাটাকে ভ্রূণ অবস্থাতেই হত্যা করবে-এরপর হত্যা করবে আপনার স্ত্রীকে-তারপর সে যখন নিশ্চিন্ত হবে আপনার সব সম্পত্তি…’ চোখ বুঝল সে। মাথা থেকে ওই চিন্তাটা দূর করার চেষ্টা করল। এখন তার ধীরস্থির হয়ে ভাবনা চিন্তা করে কাজ করার সময় এসেছে।

    নিজের ঘরের দরজা খুলতে গিয়েও আবার ঘুরে দাঁড়াল থর্ন। ডেমিয়েনের ঘরের দিকে চাইল সে। দরজার তলা দিয়ে ভিতরে জ্বালানো রাতের কোমল আলো কিছুটা বাইরে এসে পড়েছে। ছেলের ঘুমন্ত মুখটা কল্পনা করে তাকে একবার দূর থেকে দেখার লোভ সম্বরণ করতে পারল না রবার্ট। পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল সে ডেমিয়েনের ঘরের দিকে। দরজাটা একটু ফাঁক করে ভিতরে উঁকি দিয়েই একেবারে বিস্ময়ে পাথর হয়ে গেল। ছেলেটা ঘুমাচ্ছে-কিন্তু একা নেই সে। তার বিছানার একপাশে একটা চেয়ারে হাত মুড়ে বসে একদৃষ্টে উপরের দিকে চেয়ে আছে মিসেস বেল্‌ল্ক। অন্যপাশে বসে আছে কয়েকদিন আগে দেখা সেই বিশাল কালো কুকুরটা। তার ছেলেকেই যেন পাহারা দিচ্ছে। নীরবে দরজাটা বন্ধ করে সরে এল থর্ন। ঘনঘন শ্বাস পড়ছে তার। এক-পা এক-পা করে পিছিয়ে নিজের ঘর পর্যন্ত পৌঁছল সে। ওখানে দাঁড়িয়েই নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করল থর্ন—স্পষ্ট বুঝতে পারছে উত্তেজনায় সারা শরীর কাঁপছে তার। হঠাৎ ঝনঝন শব্দে তার ঘরে টেলিফোনটা বেজে উঠল। ছুটে এসে বিছানার পাশ থেকে টেলিফোন রিসিভারটা তুলে নিল সে।

    ‘হ্যালো?’

    ‘জেনিংস বলছি,’ ওধার থেকে জবাব এল। ‘আপনি যার ক্যামেরা ভেঙেছিলেন আমি সেই লোক।’

    ‘হ্যাঁ, বল?’

    ‘আমি চেলসি থেকে বলছি—আপনি এখনি একবার আমার সাথে দেখা করলে ভাল হয়।’

    ‘কি চাও তুমি?’

    ‘একটা কিছু ঘটছে মিস্টার থর্ন। আমার মনে হয় ব্যাপারটা আপনার জানা দরকার।’

    .

    হেবার জেনিংসের ফ্ল্যাটটা ঘিঞ্জির মধ্যে বেশ খানিক খোঁজাখুঁজির পর রবার্ট ঠিকানা খুঁজে পেল। ছয়তলায় সিঁড়ি বেয়ে উঠতে দম ফুরিয়ে এল তার। সিঁড়িতে পায়ের আওয়াজ পেয়ে থর্ন দরজায় নক করার আগেই তাকে দরজা খুলে অভ্যর্থনা জানাল হেবার।

    ‘আমার কাছে ব্র্যাণ্ডি আছে, দেব?’

    ‘ধন্যবাদ।’

    ‘আপনার রুচিমত হয়ত হবে না।’ দরজা বন্ধ করে ছোট্ট ডার্করূমটায় ঢুকল হেবার। অন্ধকার ঘরটার চারদিকে চেয়ে দেখল রবার্ট। কোন বাতি জ্বলছে না এ ঘরে। পাশের ডার্করুম থেকে একটা লালচে আলো এসে কিছুটা আলোকিত করেছে ঘরটা। দেয়ালের সবখানেই এনলার্জ করা ছবি।

    ‘এই যে,’ একটা বোতল আর দুটো গ্লাস নিয়ে ফিরে এল হেবার। ‘এটার কিছুটা খেলে পরে বাঘ-ভাল্লুকের সামনে দাঁড়াতেও আপনার ভয় লাগবে না!’

    বাড়ানো গ্লাসটা হাতে নিল থর্ন। ব্র্যাণ্ডি ঢালল হেবার। তারপর রবার্টে একটা নড়বড়ে চেয়ার দেখিয়ে দিয়ে নিজে বিছানার ওপরই বসল।

    চীয়ার্স, সিগারেট চলবে?’ জিজ্ঞেস করল হেবার।

    মাথা নেড়ে চেয়ারটায় বসল থর্ন। এমন অপ্রত্যাশিত হালকা ব্যবহারে একটু বিরক্তিই বোধ করছে সে।

    ‘তুমি বলেছিলে কিছু একটা ঘটছে।’

    ‘ঠিক।’

    ‘তার মানে? কি ঘটছে?’

    রবার্টের মুখটা কিছুক্ষণ পরখ করে দেখল হেবার।

    ‘কেন, আপনি জানেন না?’

    ‘না, কিছুই জানি না।’

    ‘তবে এখানে কেন এসেছেন?’

    ‘তুমি ফোনে কোন ব্যাখ্যা দাওনি তাই।’

    মাথা ঝাঁকিয়ে গ্লাস নামিয়ে রাখল হেবার।

    ‘আমি ফোনে ব্যাখ্যা দিতে পারিনি কারণ এটা এমন একটা জিনিস যা না দেখলে বোঝা যাবে না।‘

    ‘কি সেটা?’

    ‘ছবি,’ উঠে দাঁড়িয়ে থর্নকে অনুসরণ করতে বলে ডার্করূমে ঢুকল হেবার।

    ‘খুব ক্লান্ত আমি আজ।’

    ‘ছবিগুলো দেখার পর আপনার সব ক্লান্তি ঘুচে যাবে।’

    একটা ছোট বাতি জ্বেলে দিল হেবার। কয়েকটা ছবির ওপর স্পটলাইটের মত আলো পড়ল। ভিতরে ঢুকে হেবারের পাশের টুলে বসল রবার্ট।

    ‘এই ছবিগুলো চিনতে পারেন?’

    ‘হ্যাঁ,’ জবাব দিল থর্ন। তারই বাসায় পার্টিতে তোলা ছবি ওগুলো।

    ‘এই ছবিটা একটু দেখুন।‘

    উপরের দিক থেকে কয়েকটা ছবি তুলে নিল হেবার। যেটা সে রবার্টের হাতে দিল সেটা হচ্ছে ডেমিয়েনের প্রথম ন্যানির ছবি। বাড়ির সামনে তার সঙ সাজা জামা পরে একা দাঁড়িয়ে।

    ‘অস্বাভাবিক কিছু নজরে পড়ছে?’ জিজ্ঞেস করল হেবার।

    ‘নাহ্।’

    হেবার ছবির ওপর আঙুল দিয়ে গলা আর মাথার চারপাশের অস্পষ্ট আলোর চাকতিটা দেখাল।

    ‘প্রথমে আমি ভেবেছিলাম ওটা বুঝি ছবির দোষ,’ বলল হেবার। ‘কিন্তু দেখুন পরেরটাতেও কিভাবে একই জিনিস উঠেছে।

    চেসার ছাদ থেকে ঝোলার ছবিটা বের করে রবার্টের হাতে দিল সে।

    ‘কিছুতেই বুঝতে পারছি না আমি,’ বলল থর্ন।

    ‘ধৈর্য ধরুন—সবই বুঝবেন।‘

    ছবিগুলো রেখে আরও কতগুলো ছবি বের করল সে। উপরের ছবিটাই ট্যাসোনের— পায়ে হেঁটে চলে যাচ্ছে এমব্যাসি থেকে।

    ‘এইটা দেখুন।’

    ছবিটা হাতে নিয়ে বোকার মত চেয়ে রইল রবার্ট।

    ‘এইটা কোথায় পেলে তুমি?’

    ‘তুলেছি,’ ছোট্ট জবাব দিল হেবার।

    ‘আমি তো জানতাম সে তোমার আত্মীয়, তুমি খুঁজছ ওকে।’

    ‘মিথ্যে কথা বলেছিলাম আমি। ছবিটা দেখুন!’

    আঙুল দিয়ে এটারও মাথার কাছে রিঙটা দেখাল সে।

    ‘….ওই ছায়াটার কথা বলছ?’ জিজ্ঞেস করল থর্ন।

    ‘হ্যাঁ। এরপরে এইটা দেখুন, ওটার প্রায় দশদিন পরে তোলা এটা।’

    একটা বড় করে এনলার্জ করা ছবি দেখাল হেবার। একটা হলের পিছন দিকের কয়েকজন দর্শককে দেখা যাচ্ছে ছবিতে। ট্যাসোনের মুখ দেখা যাচ্ছে না

    একটা আলখাল্লা আর মাথার ওপর ওই রিঙটা দেখা যাচ্ছে।

    ‘আমার ধারণা এটাও আগের ছবির লোকটাই। মুখ দেখা যাচ্ছে না বটে কিন্তু মাথার ওপর রিঙটা নিশ্চয়ই চিনতে পারছেন?’

    ছবিটা খুঁটিয়ে দেখল থর্ন—চোখে মুখে বিভ্রান্তি ফুটে উঠেছে তার।

    ‘আপনি যদি ওর মুখের আকারটা মনে মনে কল্পনা করেন তবে দেখবেন রিঙটা এই ছবিটাতে ট্যাসোনের মাথা ছুঁয়েছে। অর্থাৎ দশ দিনে রিঙটা কিছুটা নিচে নেমে এসেছে। ওটা যা-ই হোক—আরও কাছে এসেছে।

    হতভম্বের মত ছবিটার দিকে চেয়ে রইল রবার্ট। ওর হাত থেকে ছবিটা নিয়ে তার বদলে আজকের কাগজে যে ছবিটা বেরিয়েছে সেটার একটা কপি ধরিয়ে দিল থর্নের হাতে।

    ‘যোগাযোগটা বুঝতে পারছেন?’ প্রশ্ন করল জেনিংস

    রবার্ট স্থাণুর মত বসে রইল। অটোমেটিক টাইমারটা বেজে উঠতেই আর একটা বাতি জ্বেলে দিয়ে হেবার ঘুরে রবার্টের বিস্মিত চোখে চোখ রাখল।

    ‘ব্যাপারটা আমিও ঠিক বুঝতে পারিনি, এই কারণেই এর পিছনে লাগি আমি।’

    চিমটা দিয়ে ট্রে থেকে এনলার্জ করা একটা ছবি তুলে নিল সে। একটু ঝাঁকিয়ে বাড়তি পানি ঝরিয়ে লাইটের সামনে ধরল ছবিটা।

    ‘আমার কিছু বন্ধুবান্ধব আছে পুলিশ বিভাগে। তারা আমাকে কিছু নিগেটিভ দিয়েছিল, সেগুলো থেকে এনলার্জমেন্ট তৈরি করেছি আমি। করোনারের রিপোর্টে দেখা গেছে অনেকদিন থেকেই ক্যানসারে ভুগছিল ট্যাসোন। দেহে অনেক মরফিন পাওয়া গেছে, দিনে দু’তিনবার সে মরফিন ইনজেকশন নিত।

    ছবিগুলোর দিকে চেয়ে মুখ বিকৃত হয়ে গেল রবার্টের। তিন ভাগে পাদরীর দিগম্বর দেহের ছবি তোলা হয়েছে।

    ‘বাইরে থেকে তার দেহ ছিল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক,’ বলতে লাগল হেরার। ‘কেবল তার বাম উরুতে একটা দাগ একটু অস্বাভাবিক।’

    একটা ম্যাগনিফাইং গ্লাস এগিয়ে দিল হেবার। থর্ন খুঁটিয়ে দেখল ওই দাগটা। তার কাছে ওটা একটা ট্যাটুর মতই মনে হল।

    ‘ওটা কি?’ প্রশ্ন করল রবার্ট।

    ‘তিনটা ছয়। ছয়শো ছেষট্টি।’

    ‘….কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের নাম্বার?’

    ‘প্রথমে আমিও তাই ভেবেছিলাম। কিছু মেডিক্যাল পরীক্ষায় জানা গেছে যে কেটে দাগটা তার দেহে বসানো হয়েছে। কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে ওরা এই পদ্ধতি ব্যবহার করত না। আমার ধারণা দাগটা নিজেই কেটে সৃষ্টি করেছিল সে।’

    দৃষ্টি বিনিময় হল ওদের। কিছুই বুঝতে পারছে না রবার্ট।

    ‘আর একটু ধৈর্য ধরুন,’ বলে হেবার আর একটা ছবি তুলে আনল ট্রে থেকে। এই ফ্ল্যাটটাতেই ট্যাসোন থাকত। কলে কেবল ঠাণ্ডা পানি আসে সোহোতে এমন একটা ফ্ল্যাট। আমরা যখন ঢুকি ইঁদুরে বোঝাই ছিল ঘরটা। একটা আধখাওয়া লোনা গরুর মাংসের টুকরো টেবিলে ফেলে গেছিল সে।’

    ছবিটা দেখল রবার্ট। একটা ছোট্ট কামরা, আসবাব বলতে একটা বিছানা একটা ছোট টেবিল আর একটা টুল। দেয়ালে ওয়ালপেপারের বদলে সাঁটানো হয়েছে এক ধরনের কাগজ। এছাড়া ঘরটা ঝুলন্ত ক্রসে ভর্তি।

    ‘পুরো ঘরটাই এমনি। ঘরের সব দেয়াল, ছাদ, এমন কি দরজা জানালাও ওই রকম বাইবেলের পাতায় মোড়া। মনে হয় যেন একটা কিছুর ভয়ে সে নিজের চারদিকে দুর্গ তৈরি করে আত্মরক্ষার চেষ্টা করছিল।’

    অদ্ভুত ছবিটার দিকে চেয়ে রইল থর্ন।

    ‘কেবল দরজার ওপরই চল্লিশটা ক্রস পেরেক দিয়ে লাগানো ছিল।’

    ‘সম্ভবত…ওর মাথায় দোষ ছিল…?’ প্রবোধ খুঁজছে রবার্ট।

    সরাসরি তার চোখেচোখে চাইল হেবার।

    ‘আপনিই ভাল বলতে পারবেন সে সত্যিই অপ্রকৃতিস্থ ছিল কিনা!’

    ড্রয়ার থেকে একটা দুমড়ানো ফোল্ডার বের করল হেবার।

    ‘পুলিশ ঘটনাটার বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি। ঘরে বাকি যা ছিল তা থেকে আমার যা দরকার দিয়ে দিতে আপত্তি করেনি তারা। এইভাবেই এটা আমার হাতে এসেছে।’ উঠে বড় ঘরটায় চলে এল হেবার, পিছন পিছন রবার্টও। ফোল্ডার খুলে উত্তরের জিনিস সব টেবিলের ওপর ঢালল হেবার।

    একটা ডায়েরী ওর ভিতর থেকে তুলে নিয়ে বলল, ‘এটা ওর ডায়েরী। কিন্তু এতে ওর নিজের কোন কথাই লেখা নেই। এতে আছে কেবল আপনার কথা। আপনি কয়টায় অফিসে যান, কখন বাড়ি ফেরেন, আর আপনার কোথায় কবে কোন্ মীটিং আছে সবই লেখা আছে এতে।’

    ‘কই দেখি?’

    ডায়েরীটা বাড়িয়ে দিল হেবার। পাতাগুলো উল্টেপাল্টে দেখল রবার্ট।

    ‘এর শেষ পাতায় লেখা আছে আপনি ওর সাথে কিউ গার্ডেনে দেখা করবেন। কথাটা পুলিশ জানলে হয়ত আরও একটু বেশি মাথা ঘামাত এই ব্যাপারে।’

    মুখ তুলে হেবারের চোখে চোখ রাখল রবার্ট।

    ‘ওর মাথা খারাপ ছিল,’ মন্তব্য করল রবার্ট।

    ‘তাই কি? সত্যিই আপনি তাই বিশ্বাস করেন?’ অনুসন্ধানী দৃষ্টিতে চাইল সে রবার্টের দিকে। তীক্ষ্ণ দৃষ্টির সামনে কুঁকড়ে গেল সে।

    ‘কি চাও তুমি?’ প্রশ্ন করল রবার্ট।

    ‘আপনি দেখা করেছিলেন ওর সাথে?’

    ‘না।’

    ‘মিস্টার অ্যামব্যাসেডর, অনেক কথাই আমার বলার আছে-কিন্তু কোন কথাই আমি বলব না আপনি যদি সত্যি কথা না বলেন।’

    ‘এতে তোমার স্বার্থ কি?

    ‘বলতে পারেন বন্ধু। সাহায্য করতে চাই।’

    চোখে চোখে চেয়ে রইল রবার্ট। বোঝার চেষ্টা করছে সে।

    ‘আপনি কি মন খুলে কথা বলবেন আমার সাথে, নাকি এখানেই কথার ইতি টানতে চাইছেন?’

    দাঁতে দাঁত ঘষল রবার্ট।

    ‘কি জানতে চাও তুমি?’

    ‘পার্কে দেখা করেছিলেন আপনি ওর সাথে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কি বলল সে?’

    ‘আমাকে সাবধান করে দিয়েছিল।’

    ‘কি বিষয়ে?’

    ‘বলেছিল আমার জীবন বিপন্ন।’

    ‘কি রকম?’

    ‘…. পরিষ্কার কিছু বলেনি সে।’

    ‘গুল মারবেন না।’

    ‘মিথ্যা বলছি না আমি। ওর কথার মাথা মুণ্ডু কিছুই বুঝিনি আমি।’

    একটু পিছিয়ে গিয়ে সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে রবার্টের দিকে চেয়ে রইল হেবার।

    ‘বাইবেলের কথা…একটা কবিতা বলেছিল সে…ঠিক মনে নেই আমার। সত্যি বলছি কিছু বুঝিনি আমি।’

    অবিশ্বাস ভরা চোখে চেয়ে আছে জেনিংস। ওই দৃষ্টির সামনে বিব্রত বোধ করছে রবার্ট।

    আমাকে বিশ্বাস করে সব কথা বলতে পারেন।’

    ‘তুমি বলেছিলে আরও কথা আছে তোমার।

    ‘আপনি সব খুলে না বললে আমিও কিছু বলব না।‘

    ‘সবই বলেছি আমি—আমার আর কিছু বলার নেই।’

    মাথা ঝাঁকিয়ে রবার্টের কথা মেনে নিয়ে মাথার উপরের বাল্বটা জ্বেলে দিল হেবার। টেবিলের ওপর থেকে একটা কাগজ বের করে রবার্টের হাতে দিল সে।

    ‘একটা মাসিক অ্যাস্ট্রোলজার পত্রিকা থেকে কাটা। একজন অ্যাস্ট্রোলজার ঘটনাটাকে ‘অস্বাভাবিক ঘটনা’ বলে অভিহিত করেছেন। একটা ধূমকেতু উজ্জ্বল তারার আকার ধারণ করেছিল। দু’হাজার বছর আগেকার বেথলেহ্যামের তারার মত।’

    প্রবন্ধটা পড়ে দেখল রবার্ট। উপরের ঠোঁটে জমে ওঠা ঘাম মুছে সে হেবারের দিকে চাইল।

    ‘কিন্তু এই ঘটনাটা ঘটে পৃথিবীর অন্য একটা জায়গায়। ইউরোপে-ঠিক সাড়ে চার বছর আগে, ৬ জুন। তারিখটা পরিচিত মনে হচ্ছে?’

    ‘হ্যাঁ,’ গম্ভীর গলায় জবাব দিল থর্ন।

    তাহলে দ্বিতীয় কাগজটাও পরিচিত লাগবে আপনার কাছে।’ কাগজগুলোর মধ্য থেকে একটা বের করে রবার্ট-এর হাতে দিল হেবার। ‘এটা রোমের একটা কাগজের পিছনের পাতা থেকে নেয়া হয়েছে।’

    হাতে নিয়েই চিনতে পারল রবার্ট। বাসায় ক্যাথির কাছেও আছে ওই কাটিং।

    ‘আপনার ছেলের জন্মের খবর। সেদিনটাও ছিল ৬ জুন সাড়ে চার বৎসর আগে। অদ্ভুত যোগাযোগ—তাই না?’

    থরথর করে হাত কাঁপছে রবার্টের। হাতে ধরা কাগজটাও কাঁপছে সেই সাথে-পড়তে পারছে না সে একটা অক্ষরও।

    ‘আপনার ছেলে কি সকাল ছটায় জন্মেছিল?’

    থর্ন বেদনার্ত চোখে চাইল হেবারের দিকে।

    ‘আমি পাদরীর ঊরুর দাগটা বোঝার চেষ্টা করছি। আমার মনে হয় আপনার ছেলের সাথে সম্পর্ক আছে ওই সংখ্যাটার। ছয় নম্বর মাসে ছয় দিনের দিন…’

    ‘আমার ছেলে মারা গেছে,’ বলে উঠল রবার্ট। ‘আমার ছেলে মৃত, আমি জানি না কার ছেলেকে মানুষ করছি আমি।‘

    দুহাতে মাথা ধরে অন্ধকারের দিকে ফিরল রবার্ট।

    ‘আপনি যদি কিছু মনে না করেন তবে আপনাকে সাহায্য করতে চাই আমি।’

    ‘না,’ তাড়াতাড়ি বলে উঠল সে। আমার নিজস্ব সমস্যা এটা।’

    ‘আপনি ভুল করছেন।’ …নিচু গলায় বলল জেনিংস। ‘এখন সমস্যাটা আমারও।’

    ডার্করূমে ঢুকে একটা ভিজে ছবি হাতে বেরিয়ে এল হেবার। রবার্টের দিকে সে এগিয়ে দিল ছবিটা।

    ‘পাদরীর ঘরের এক দিকে ছোট্ট একটা আয়না ছিল। ছবি তুলতে তুলতে আয়নায় প্রতিফলিত আমার নিজের একটা ছবিও উঠেছে।’

    ছবিটার দিকে চেয়ে হতভম্ব হয়ে গেল রবার্ট।

    ‘অদ্ভুত ব্যাপার, তাই না?’ প্রশ্ন করল হেবার

    ছবিতে আয়নায় দেখা যাচ্ছে মুখের সামনে ক্যামেরা ধরে ছবি তুলছে হেবার। তার মাথার ওপর আলোর ঝাপসা একটা রিঙ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন
    Next Article ক্যাপ্টেন ব্লাড – রাফায়েল সাবাতিনি

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হোসেন

    অশুভ সংকেতের পর – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    শেষ অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    খুনে মার্শাল – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    নিঃসঙ্গ অশ্বারোহী – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    কাজী মাহবুব হোসেন

    ক্ষ্যাপা তিনজন – কাজী মাহবুব হোসেন

    July 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }