Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বচরিত – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প469 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অশ্বচরিত – ২০

    কুড়ি

    ভানুর ফিরতে ফিরতে সন্ধে। যত ফিরেছে দীঘার কাছাকাছি, ততই বিষণ্নতা, বিষাদ, অবসাদ তাকে গিলে খেয়েছে। কাঁথিতে নেমে অনেক সময় পায়চারি করছিল। ভাবছিল চলে যায় মীরগোদা, খোঁজ নিয়ে আসে কোকিলা বধূ আর গৌরমোহনের। কতটা হলো সেই মদরঞ্জি? দেখলে যেন প্রাণ ঠাণ্ডা হবে। কী সুন্দর আঁকে তারা! জীবন্ত ঘোড়াটিকে যেন এঁকে ফেলবে মদরঞ্জির ওপরে, শুনহে কোকিলা বধূ, আর একটা ব্যাপার বলতে পারি, যদি আঁকো মদরঞ্জির ওপরে, তোমরা আঁকলে তো জেনে যাবে কত মানুষ।

    কাঁথিতে কতক্ষণ এলোমেলো কাটাল সে। একবার ভাবল ঘুরে আসে সেই বুড়ির বাড়ি। সাতমহলা পুরীতে বুড়ি একা থাকে। ঘোড়াটাকে পাচার করে দিয়েছে কলকাতা শহরে। বুড়ি না শুনেছিল সমস্ত রাত ধরে ঘোড়াটা ঘরের ভিতর দাপাদাপি করছে। শেষ পর্যন্ত সে এলো দীঘায়। তখন সন্ধে হয়ে গেছে। দীঘায় নেমে মনে হলো কতকাল বাদে ফিরল সে। তিন দিন ছিল ভীমাপুর-বালিমুণ্ডায়, মনে হচ্ছে তিন বছর কাটিয়ে এসেছে। কতকালের চেনা জায়গা সব! কত জন্মের পরিচিত! কী ছিল ওই সব জায়গা তা ভানু কল্পনা করতে পারে। কী হয়েছে তা স্বচক্ষে দেখে এসেছে সে। চাঁদবালি, দে-পাল, কুসমাড়, মহাপাত্রপুর, ভীমাপুর!

    বাস থেকে নেমে ভানু সমুদ্রতীরে চলে এসেছে। এখন অন্ধকার। বৃষ্টি নেই, কিন্তু আকাশ ভর্তি মেঘ। এই সময়ে দীঘায় ট্যুরিস্ট কম। হোটেল ব্যবসায়ে মন্দা। আবার এই সময়টাই ভানুর সবচেয়ে ভালো লাগে। সমুদ্রের ধারে হাত-পা ছড়িয়ে বসা যায়। বিচে একা একা হাঁটা যায়। দিনমান এই সময়ে গভীর বিস্ময় ছড়ায়। দিগন্ত থেকে মেঘ ওঠে। সেই মেঘ ব্যাপ্ত হয়ে যায় সমুদ্রের ওপরে, আকাশে। জল আর মেঘ একাকার হয়ে যায়। জলকে মেঘ মনে হয়। মেঘ দেখে মনে হয় সমুদ্রই উঠে এসেছে আকাশে।

    সৈকত নিঝুম। এখন ভাটা চলছে। সমুদ্র সরে গেছে অনেকটা দূরে। কিন্তু শ্রাবণের ভরা সমুদ্রের গর্জন কি তাতে কমেছে? ঢেউ ভাঙছে অনেকটা দূরে। ঢেউয়ের মাথায় ফসফরাস জ্বলছে। ভানু প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নেয় ভিজে সমুদ্রসৈকতে দাঁড়িয়ে। নত হয়ে প্রণাম করে সমুদ্রকে। তখন তার কাঁধে হাত, ভানু, ভানু টুমি?

    অন্ধকারে সায়েব ঠিক তাকে খুঁজে বের করেছে। সায়েবও একা হাঁটছে সমুদ্রতীরে। জিজ্ঞেস করল, ভানু, টুমি কুনথে গিয়াছিলাম?

    ভানু হাসে, বলে চান্দবালি, দে-পাল, কুসমাড়, বালিমুণ্ডা।

    হোয়াট?

    ভানু আবার জায়গায়গুলোর নাম বলে যায় গড়গড়িয়ে, তারপর অন্ধকারে পশ্চিমে তর্জনী তোলে, দ্যাট সাইড সায়েব, অ্যানাদার সি সাইড।

    দিজ বে-অব-বেঙ্গল?

    ইয়াস সায়েব, মাইতিবাবু’জ জমিনদারি, সী সাইড, চান্দবালি।

    সায়েব কী বুঝল কে জানে, জিজ্ঞেস করে, বিউটিফুল?

    নো সায়েব, নট বিউটিফুল, বিউটিফুল ছিল, নট নাউ!

    দেন? বেটিং চলিবে? সায়েব জুয়োর কথা বলল।

    ভানু বলে, ভেরি ব্যাড সায়েব, এসব নিয়ে জুয়ো হয় না।

    উসকা মতলব, হোয়াই ব্যাড?

    ভানু বিড়বিড় করে, ও সায়েব, তোমাকে আমি কী করে বুঝাই।

    গানজা হায় ভানু?

    নেহি সায়েব।

    আই ওয়ান্ট গানজা। সায়েব বিড়বিড় করে।

    ভানু জবাব দেয় না। সমুদ্রসৈকত ধরে পুবদিকে হেঁটে যায়। সায়েব তার কাঁধে হাত দেয়, টুমি কি ফিশারম্যান এরিয়া যাইছিলাম?

    নো সায়েব, আমি এমনি হাঁটছি।

    টুমি কি বেঙ্গা ফিশারম্যান কাটেজ যাইছিলাম?

    নো সায়েব, আমার হাঁটতে ভালো লাগছে।

    সায়েব বলে, বেঙ্গাজ ওয়াইফ, মাই রাটিকা, উসকি সাথ বেঙ্গা কোয়ার্ল করতা, ঝগড়া চলিয়াছে।

    বাহ্, বেশ! ঝগড়া চলিয়াছে।

    বেঙ্গা ইজ আ ব্যাডম্যান।

    কেন সায়েব, ওর বউয়ের সাথে ফষ্টিনষ্টি করতে দিচ্ছে না?

    সায়েব বলে, বেঙ্গা কত রুপয়া নিবে হামার নিকট?

    ওফ সায়েব, তুমি যাও দেখি। ভানু বিরক্ত হয়ে বলে।

    সায়েব তার কথাটা শোনেই না। অথবা শুনেছে, বোঝেনি। আবার এও হতে পারে বুঝেছে বলেই কথাটা কানে নিল না। ভানু ডাকে, এই ফ্রেদেরিক।

    ফ্রেদরিক বলে, বেঙ্গাজ ওয়াইফ হামার, সহিত বেনারস যাবে।

    তার মানে?

    হামি কৃষ্ণা? উ রাঢিকা, হামারা লীলা করবে।

    ওই জন্যে বেঙা ঝগড়া করছে?

    নো, বেঙ্গা এভরিডে ঝগড়া চলিয়াছে।

    কেন?

    কেন সাসপেক্ট করে, লেকিন হামি তো রুপয়া দিবে বেঙ্গাকে, রুপয়া নিবে, ফির ওয়াইফের সহিত ঝগড়া চলিয়াছে, দিস ইজ নট ফেয়ার।

    ভানু ঘরে দাঁড়িয়ে সায়েবকে ধরল, তোমরা তো লীলা করছ?

    সায়েব হা হা করে হাসে, তার কাঁধ থেকে ভানুর হাত সরিয়ে দেয়, হোয়াট আর ইউ টেলিং…?

    লীলা তো চলিয়াছে।

    গুড! শি ইজ ভেরি সেক্সি, আ নাইস ওম্যান।

    ওরে সায়েব, তুই বেঙার বউটারে ধরলি কেন?

    সায়েব বলে, হেই ভান্‌নু, টুমি কি বেঙ্গাজ ওয়াইফ, রাঢাকে দেখিয়াছ, দ্যাট বিউটিফুল ওম্যান, শি ইজ ভোলাপচুয়াস।

    কথাটার ভাব বুঝেছে ভানু, সে সায়েবকে ঠেলে দেয়, এই সায়েব যা দেখি আমার কাছ থেকে, শালা কী করতে এয়েছিস?

    সায়েব হা হা করে হাসে, এ ভানু, ডু য়্যু ওয়ান্ট ওম্যান?

    ভানু বলে, সায়েব আমারে একা থাকতে দে।

    সায়েব বলে, বেঙ্গা বহুত পাজি আছে, বেঙ্গা হামাকে পেয়িং গেস্ট রাখিয়াছে, রাটিকে লাভস মি, ভানু সমঝতা?

    ভানু বলল, সায়েব তুই যা দেখি, আমার খুব খারাপ লাগছে।

    খারাপ, ব্যাড?

    হ্যাঁ রে সায়েব। ভানু হনহন করে হাঁটতে থাকে। ভানু এবার পশ্চিমমুখো। অন্ধকারে তার পা ঠিক চিনে নিচ্ছে গন্তব্য। আসলে গন্তব্য তো অনির্দেশ্য। গন্তব্য এই সমুদ্রসৈকত। জলের ধার দিয়ে হাঁটছে ভানু। তাকে এসে আবার ধরেছে ফ্রেদরিক, এ ভান্‌নু, হু ইজ ব্যাড, হামি ব্যাড?

    নো সায়েব, আমাকে একা থাকতে দে।

    সায়েব বলল, বেঙ্গা ব্যাড, হিজ ওয়াইফ গুড, ভানু কাম, হুটেল মে চল ভান্‌নু, গানজা মিলিবে।

    যা না তুই। ভানু ক্ষেপে ওঠে, হোটেলে তো বাবু আছে, মাইতিবাবু।

    নো ভান্‌নু, বাবু সিপটি নেহি, কুহাককিনে গিয়াছিলাম সিপটি।

    কী বলে সায়েব? কুহকিনী মানে কোকিলা বধূ? কোকিলা বধূর কাছে গেছে বাবু শ্রীপতি মাইতি? কী সব্বোনাশ! তাহলে বাবুর নার্স দিদিমণি! কী সব্বোনাশ, গৌরমোহন মদরঞ্জিওয়ালা! ভানু হাসল, বাবু গেলেই হবে? কোকিলা বধূ বাবুকে উঠোন থেকেই বিদায় করবে। কিন্তু পারবে কি সত্যি? মেঘ ছায়া ফেলে ভানুর মনে। বাবু তো হোটেলওয়ালা, পয়সাওয়ালা, আর কোকিলা তো মেয়েমানুষ। শুধু আঁকতে পারে ভালো, মনের মাধুরী ফুটিয়ে তুলতে পারে রঙে, সম্মোহন করতে পারে পক্ষিরাজকে। তা বাদে? তা বাদে তো সে মেয়েমানুষই। গৌরমোহনের বউ। মেয়েমানুষকে যদি কোনো বলবান পুরুষ চায়, ভীষণভাবে টানে, মেয়েমানুষের সাধ্য কি আটকায়? গৌরমোহনের জন্য প্রাণ কাঁদলেও পারবে না কোকিলা। পারেনি যেমন দে-পালের সুভদ্রাবউ। পুরুষমানুষ, তার স্বামীও ছিল। সে বেটা ঠেলে দিল তাকে বাঘের জঙ্গলে।

    ভানু জিজ্ঞাসা করে, বাবু কবে গেল?

    হামি জানে না।

    তবে যে বললে বাবু গেছে মীরগোদা।

    হোয়াট মীড়গোড়া, হাম বোলা কুহাককিনে

    কুহাককিনে! তো সেখেনে গেল কবে? আই ডোন্ট নো।

    তুমি হোটেলে কবে গেলে খোঁজ করতে? আই ডোন্ট নো।

    ভাগ তো সাহেব, কীসব বলছিস।

    ফ্রেদরিক বলে, টুমার বাবুর কুহাককিনে হায়, হামার কুহাককিনে হায়, বেঙ্গাজ ওয়াইফ, মাই রাঢিকে কুহাককিনে।

    ভানু হাঁটতে থাকে। সায়েব একেবারে খালি মাথায় নেই। কিছুটা টেনেছে শুকনো নেশা। আরও চাইছে। ভানুকে ছাড়ছে না সায়েব। অথচ ভানু তো একা হবে। তার মন যে মেঘের ভারে ভারী হয়ে আছে। সুভদ্রাবউকে দেখলই না। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে সে চলে এসেছে নোটিশগুলো নিয়ে। বাবুকে দেখাতে হবে। রামচন্দ্র আসবে কদিন বাদে। সুভদ্রার খোঁজ না করে তো আসতে পারে না। ভানুর মন খুব খারাপ। চোখের সামনে গত রাতটি ছমছম করছে। দে-পাল মহাপাত্রপুর, চাঁদবালির আকাশ, সমুদ্র, ঝাউবন—হা হা করছে বুক। সে হাতজোড় করল, ও সায়েব, মুঝে আকেলা হোনা চাহিয়ে।

    সায়েব বুঝল না হয়তো, আবার হাসল, বলল, চলো সিপটি, বেঙ্গাজ কাটেজ চলো, টুমি দেখিলে উহারা ঝগড়া চলিবে না, বেটিং চলিবে, হিলসাহ উঠিবে কি উঠিবে না।

    ভানু হাঁটতে লাগল, সায়েব ছুটে এসে তার কাঁধ ধরল, হেই সিপটি।

    ভানু বলল, আমি ভানু, সিপটি নই, জুয়োয় নেই আমি।

    হেই ভান্‌নু, হোয়াট আ ডারকনেস! কী আন্ধার! ভানু সমুদ্দরে যাইবে?

    ভানু বলল, সায়েব তুমি তো ভালোই নেশা করেছ।

    নো সিপটি, আই ওয়ান্ট মোর গানজা, বেঙ্গা আজ নাইটট্রিপ নেহি করেগা,

    কাটেজ মে রহেগা।

    তো কী হলো?

    হাম কেয়া করেগা? সায়েব অন্ধকারে দুহাতে ভানুকে জাপটে ধরতে চায়, হেই সিপটি, তুমহার কুহাককিনে?

    আমি ভানু, শ্রীপতি নই।

    ইয়াস ভান্‌নু, ভানু বেটিং কোরো, বেঙ্গা আজ ফিশিং যাবে কি না।

    যা তো সায়েব, আমি জুয়োয় নেই। ভানু সায়েবকে ধাক্কা দেয়। অন্ধকারে সায়েব হা হা করে ওঠে, হেই ভান্‌নু, কী আন্ধার! লুক, লুক অ্যাট দ্য সি। সমুদ্দর দেখেছিলাম ভান্‌নু উসকা ভিতর কেয়া হায়?

    ভানু ধীর পায়ে সরে দাঁড়ায়। অন্ধকার সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে আছে। দূর দিগন্তে, আঁধারের উৎসে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ ঝলসে উঠছে। এমনই কি দেখা যাচ্ছিল দে-পাল, মহাপাত্রপুর, কুসমাড়ের আকাশ? ভানু স্তব্ধ হয়ে ঘন গভীর গহন অন্ধকারে চেয়ে থাকে। নিশ্চল হয়ে যায়। ওই দূরে সায়েব তাকে খুঁজছে। সায়েব ডাকছে, হেই ভান্‌নু, হেই সিপটি, কাঁহা হায় তুম দোনো?

    ভানু অন্ধকারে উবু হয়ে বসে পড়েছে সমুদ্রসৈকতে। এই সমুদ্র, ঝাউবন, চাষ জমি, গ্রাম, বাতাস সব উধাও। চাঁদবালির সমুদ্রতীর, দে-পাল কুসমাড়ের সমুদ্রতীর কেমন ছিল তা শুনেছে সুভদ্রাবউয়ের কাছে। তারপর? ভানু ধীরে ধীরে বসেই পড়েছে ভিজে বালিতে। সায়েব তাকে অন্ধকারে খুঁজছে, হেই সিপটি, হামার কুহাককিনে বহুত সেক্সি হায়, লেকিন উ বেঙ্গার সহিত ঝগড়া চালায়, উসি টায়েম হামি ডর লেগে যায়, হেই সিপটি, কাঁহা তু, আয়াম ফ্রেদরিক কলিং য়্যু, বেঙ্গা ফিশিং যাবে?

    ভানু আসন পিড়ি হয়ে অন্ধকার পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে আছে। অন্ধকারেরও রূপ কম নয়। যা দিয়ে ভগবান পৃথিবী গড়েছেন, তারই রূপ কত! গাছগাছালি বলো, আবার মরুভূমি বলো, আলো বলো, আঁধারই বলো, সবারই তো নিজস্ব রূপ আছে। মোহিনী রূপ! দুটি চোখ মেলে দিয়েছে ভানু। সমুদ্রগর্জন কানে আসছে। সমুদ্র আরও সরে যাচ্ছে। ভানু সৈকতভূমিতে হাত দিল। অন্ধকারে নিজের নামটি লিখল। সে লেখা দেখতেও পেল না নিজে। তবু ও তো নিজের লেখা। যেমন লেখে ভগবান। কখন সে লেখা মোছে, ভগবান নিজেও কি জানে?

    ফ্রেদরিক অন্ধকার ধরে হাঁটছে, হেই সিপটি, টুমি তো ফ্রেন্ড আছে, টুম কাঁহা চলা গিয়া, টুমহারা কুহাককিনে কাঁহা, আই ওয়ান্ট টু সি হার, য়্যু ক্যান সি মাই রাটিকা, বেঙ্গাজ ওয়াইফ, সি ওয়ান্টস মি, সি নিডেড মি, আই লাভ হার, হেই সিপটি, গানজা হায়? টুমহারা ভানু কাঁহা, হেই ভান্‌নু, তুম কাঁহা গিয়া, আন্ধার মে হারা গিয়া?

    ধীরে ধীরে ফেদরিক সায়েব দূরে সরে যায়। অন্ধকারে ভানু আর শ্রীপতিকে খুঁজতে খুঁজতে সায়েব অদৃশ্য হয়ে গেলে পড়ে থাকে এক প্রাচীন স্তব্ধতা। পড়ে থাকে ভানু। যে স্তব্ধতাকে ভেঙে চূর্ণ করেছিল ফ্রেদরিক সায়েব, এক ইউরোপীয় পুরুষ, থেঁতলে দিয়েছিল জেলেবউয়ের কথা বলতে বলতে, সেই স্তব্ধতা আবার ফিরে এলো ভানুর কাছে। স্নিগ্ধ হয়ে অন্ধকারে ছড়িয়ে পড়তে লাগল।

    ভানু তার পাদুটি ছড়িয়ে দিল ভিজে সৈকত ভূমির গায়ে। কাত হলো অন্ধকারের ওপর। এই যে কৃষ্ণপক্ষীয় রাত্রি, মেঘে ঘন অন্ধকার, এ যেন এক অবয়ব নিয়ে ঘিরে আছে ভানুর ভিতর ও বাহির। ভানু একে আঁকড়ে ধরে সমুদ্রসৈকতে শরীর এলিয়ে দেয়। চোখদুটি মেলে ধরল দক্ষিণ-পুবে, গহিন সামুদ্রিক অন্ধকারে। ধীরে ধীরে তার চোখও নিশ্চল হয়ে যায়। মুদে যায় চোখের পাতা। সে টেরও পায় না। চক্ষু মুদলে যে অন্ধকার, চক্ষু মেলে ধরলেও তাই, কোনো তফাত নেই। তার কানদুটিও নিথর হয়ে যায় ক্রমশ। সব শব্দ মুছে যায় শ্রবণ ইন্দ্রিয় থেকে। সমুদ্রের ঢেউ ভাঙার শব্দ ম্রিয়মাণ হয়ে এসেছে অনেক। যেটুকু রয়েছে তা যেন সমুদ্রের ঢেউ ভাঙা—এসব তো জন্মলগ্ন থেকেই পৃথিবীর সঙ্গী। এই সব শব্দ যেন শব্দহীনতাকেই গভীর করে আরও।

    ভানু শুয়ে পড়েছে ভিজে সৈকতভূমিতে। ভানুর গা হাত পা নিশ্চল হয়ে সমুদ্রসৈকতের সঙ্গে একাকার হয়ে যায়। বহু রাত্রে পূর্ব দিগন্তে চাঁদ ওঠে। সমুদ্র থেকে যেন আগুনের নৌকো ভেসে ওঠে ধীরে ধীরে। এত যে মেঘের ব্যাপ্তি, পূর্ব দিগন্তখানি মেঘহীন হয়েছিল। চাঁদের আলো আসে। সে আলো আচমকা যেন ভানুর চোখের ওপর ছড়িয়ে গেল। গাঢ়, আগুন বর্ণের হলুদ আলো ডেকে তুলল ভানুকে।

    কী আশ্চর্য সমুদ্রতট! ভানুর সর্বাঙ্গ ভিজে গেছে। বালিতে মাখামাখি। ভানু দেখছিল সমুদ্রতটে কী বিস্ময়। ভাটা শেষ হয়ে জোয়ার শুরু হয়েছে আবার। সমুদ্র এগিয়ে আসছে। যতক্ষণ সমুদ্র ছেড়ে গিয়েছিল এই বেলাভূমি, ততক্ষণে জল শুকোয়নি। ভিজে, জলের প্রলেপ মাখা সমুদ্রতটে হলুদ চাঁদের আলো গড়িয়ে যাচ্ছিল। ভানু উঠে দাঁড়ায়। ভিজে পুঁটুলিটা কাঁধে নিয়ে সে জলের দিকে এগোয়। জলের গর্জন বাড়ছে আবার। যে নীরবতার ভিতর সে ডুবে গিয়েছিল এতটা সময় সেই নীরবতা ভাঙছে যেন দূরের ডাকে। ভানু জলের ভিতর চাঁদের আলো দেখছিল। চাঁদ ধীরে ধীরে হলুদ বরণ হারাচ্ছে। উঠে আসছে ওপরে। এবারই মেঘে ঢাকবে। ভানু চাপা গলায় নিজেকে শোনায়, কী সুন্দর!

    ভানু! ডাক শুনল সে। হোটেলের ঠাকুরের গলা। কে খবর দিল? সায়েব? শুধু ঠাকুর নয়, মাইতিবাবুও আছে যেন। ভানু ছুটে গেল টর্চের আলো লক্ষ করে, বাবু, মাইতিবাবু গো!

    তাহলে তো সাহেব ঠিক বলেছে। ঠাকুর বলে ওঠে।

    ভানু হা হা করে ওঠে, বাবু গো, মাইতিবাবু, এমন আর নাই, আমার চাঁদবালি আপনার বালিমুণ্ডা শেষ, শুধু ছাই, ছাইয়ে সব ঢাকা পড়ে গেছে বাবু, এখেনের মতন শোয়ার উপায় নাই, আকাশ মাটি সব শেষ, সব কাঁটাতারে আটকা পড়ে গেছে মাইতিবাবু, সে খোঁজ কি রাখেন আপনি? কী সব্বোনাশ না হয়েছে বাবু!

    শ্রীপতি মাইতি বলল, কী বলছে কিছুই ধরা যাচ্ছে না, বেটা পাগল হয়ে গেল নাকি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি লিলি – লিলি চক্রবর্তী
    Next Article বাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }