Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বচরিত – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প469 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অশ্বচরিত – ৪৭

    সাতচল্লিশ

    তোমার নাম?

    রামচন্দ্র বলল, আঁজ্ঞা বাবু, ওর নাম সুভদরা, জমি নিলা গরমেন, উয়াতে ভিখিরি হঁই গিছে, অনাথিনী, মোর নিকট আশরয় নিইছে, কাছারিতে কাম করে, ভানুবাবু সবু জানে, ভানুবাবু কহেনি, ও ভানুবাবু, কহনি তুমি?

    ভানু ঘাড় কাত করল, সে বলেছিল, কিন্তু বাবু শ্রীপতি মাইতি নানা কাজের মানুষ, তার কি সব মনে থাকে? নাকি তিনি সব কানে নেন? বাবু কতদিক থেকে বিব্রত। বাবুর মেয়েমানুষটিতে আর মন নাই, আবার যাকে মনে ধরেছে সেই কোকিলা বধূর কাছে পৌঁছতে পারছে না বাবু, এর সঙ্গে বাবুর ঘোড়াটি তো রয়েছেই। এখনও ফিরল না। হিম পড়ে গেল, কাশফুল ঝরে গেল, রাতের দিকে ঠাণ্ডা পড়ছে, এমন সময়ে কি সে বাইরে থাকতে পারে? কিন্তু রয়েছে তো! আরও কত ব্যাপার : সতীশ গিরির কথাটি তো বাবু এখনও জানে না। জানলে কি বাবুর মতি স্থির থাকবে? শোক পাবে তো! পক্ষিরাজের ভালোবাসার ঘুড়ীটা, যার টানে সে ছুটে যেত চোদ্দবেড়িয়ার চরে, তাকে কিনা বিষ দিয়ে মেরে ফেলল গিরিমশায়ের ছেলে সতীশ।

    শ্রীপতি জিজ্ঞেস করে, স্বামী কোথায়?

    আঁজ্ঞা বাবু, কেহ জানেনি, সোয়ামি তো উকে বিচে দিইছিলা অই ঠিকাদার পুলুশের নিকট, বড় দুঃখী, অভাগী।

    তুই থাম তো, জিজ্ঞেস করছি তো ওকে। শ্রীপতি ধমকে ওঠে রামচন্দ্রকে।

    সুভদ্রা মাথার কাপড় টানল। বড় বড় চোখদুটি বিস্তার করে তাকিয়ে দেখল রামচন্দ্রর মালিক শ্রীপতি মাইতিকে। এই মানুষটার কাছারিবাড়ি, এরই জমিজমা, হোটেল, এই মানুষটাই ছিল হারানো ঘোড়াটির মালিক, এই মানুষই নায়েব রামচন্দ্রর মালিক। সুভদ্রা মাথা নিচু করে গড় করল শ্রীপতি মাইতিকে। আগেও একবার মেঝেতে মাথা ঠেকিয়েছিল। এই দ্বিতীয়বারে গড় করে তাকে কথা বলতে হবে। কী বলবে সে? মাথা নামিয়ে নিম্নস্বরে বলল, কী কহিব বাবু, নায়েব সবু জানে।

    শ্রীপতি জিজ্ঞেস করে, কী জানে?

    আঁজ্ঞা গরমিন জমিন সবু লিয়ে লিবে ভীমাপুরের, কাছারিবাড়ি ধান কাটার পর উঠি যাবে।

    ভানু মাথা গলায় কথার ভিতরে, কে বলেছে?

    শুনা যাইছে। রামচন্দ্র জবাব দেয়।

    ফের তুই কথা বলছিস! শ্রীপতি ধমকে ওঠে রামচন্দ্রকে।

    নায়েব কুথায় যাবে? সুভদ্রা বিনবিনিয়ে বলে।

    রামচন্দ্র অন্যদিকে ফিরে মাথা নামিয়ে নিল। শ্রীপতি বিড়বিড় করে, নিতে দেরি আছে, টাকা দিয়ে তো নেবে, নতুন আইনে টাকা না দিয়ে নিতে পারবে না, কিন্তু তোমার কী হে? আমার যাবে।

    নায়েব কোথায় যাবে তা জেনে তোমার কী হবে? শ্রীপতি জিজ্ঞেস করে।

    আঁজ্ঞা বাবু! রামচন্দ্র ঘুরে তাকায়, আঁজ্ঞা মু আপনার চাকর, আপুনি যা করিবা তাই হিবে, কথা উটা লয় বাবু, অন্য কথা রহিছে, উ কহিতে পারিবেনি।

    শ্রীপতি ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে থাকে। কথাটা কী? রামচন্দ্র এমন একটি মেয়েমানুষ নিয়ে এলো কেন আচমকা? এখন তো ধানকাটার সিজন। এ সময়ে রামচন্দ্রের আসার কথা নয়। কাছারি ছেড়ে চলে এলো? এ সময়ে যদি জমির ধান কেটে নিয়ে যায় দুষ্ট লোকে? শ্রীপতি ধমকে ওঠে, ফের তুই কথা বলছিস, এখন কাছারি ছেড়ে এলি কেন?

    আঁজ্ঞা বাবু। ঘাড় ঝুলে পড়ে রামচন্দ্রর।

    শ্রীপতি বলল, কালই ভোর ভোর ভীমাপুর রওনা হবি।

    আঁজ্ঞা! রামচন্দ্র চোখ পিটপিট করতে থাকে।

    পঞ্চম ঠাকুর বলে, কাল বরং থাকুক।

    কেন? শ্রীপতি রাঙা চোখে ঠাকুরকে দেখে।

    আঁজ্ঞা বাবু, কষ্ট করে এলো, একটা দিন থাকবেনি!

    শ্রীপতি বলল, তুমি কাজে যাও দেখি।

    ভানু অবাক হয়ে যাচ্ছিল। শ্রীপতি আচমকা রুক্ষ হয়ে উঠেছে কেন? তুলকালাম হয়ে গেছে নার্সদিদির ঘরে, সেই জন্য? মেজাজ তো খারাপই রয়েছে বাবুর। মা বউ কিছুক্ষণ আগে বাড়ি গেছে ঝগড়াঝাটি করে। রামচন্দ্রর কপালই খারাপ, এলো এমন দিনে যে বাবুর মেজাজই খারাপ। চাকরিটা না যায় ওর। তারপর বাবু যদি বলে, যা ভানু যা, ভীমাপুরের কাছারিবাড়িতে নায়েব হয়ে থাক গিয়ে, ভানু কি থাকবে? ইস! ভাবতেই লজ্জা হচ্ছে ভানুর। নায়েব রামচন্দ্র কেন এসেছে তা ঠিক ভানু জানে না। এসে তাকেই তো ধরে পড়েছে রামচন্দ্র, বাবুর অনুমতিটা চাই, সে আর সুভদ্রা বিয়ে করে কাছারিবাড়িতে থাকবে। তারপর কাছারিবাড়ি যদি উঠে যায়, বাবুর কাছে এসে পড়বে, বাবু যা হয় ব্যবস্থা করবে। বিয়ে না করে সুভদ্রাকে রাখতে পারছে না সে। আশপাশের লোক উঁকি মারছে, বেওয়ারিশ মেয়েমানুষ হয়ে গেছে কি না সুভদ্রা। সুভদ্রাকে বাঁচাতেই তাকে বিয়ে করতে হবে রামচন্দ্রকে। আর!

    ভানু দেখেছে কী শক্ত সমর্থ পুরুষমানুষ এই রামচন্দ্র! কী স্বাস্থ্য! কী রোষ লোকটার! একা ওই কাছারিতে বসে অত জমি রক্ষা করছে। বাবু শ্রীপতি মাইতির কাছে তার ব্যক্তিত্ব মুছে গেলেও, ভীমাপুরের কাছারিবাড়িতে এই রামচন্দ্রই তো বাঘ। আশপাশের চাষাভুষোরা কেমন হীন, দীন হয়ে বসে থাকে কাছারির উঠোনে। এমন একটা জলজ্যান্ত পুরুষমানুষের একটা মেয়েমানুষ তো চাই নিশ্চয়। তার পক্ষিরাজ যেমন চৌদ্দবেড়িয়ার চরে গিয়ে গিরিমশায়ের ঘুড়ীটাকে খুঁজে পেয়েছিল! আচমকা বুকের রক্ত যেন চলকে ওঠে ভানুর। কেমনভাবে বসে আছে রামচন্দ্র? ঠিক যেন বাবুর পোষা ঘোড়া। সেই পক্ষিরাজ। সে তো তবু আশ্বিনে দড়ি ছিঁড়ত, পালাত ঘুড়ীটার জন্য, পালাত চৌদ্দবেড়িয়ার চরের জন্য, পালাত আর সব ঘোড়াদের সঙ্গে খেলার জন্য, রামচন্দ্র করে কী? পোষা মানুষই হয়ে থাকল।

    বাবু শ্রীপতি বলল, তোরা বাইরে গিয়ে বস, ঠিক আছে কাল থেকে যা।

    রামচন্দ্র যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। সুভদ্রা আর সে উঠে ঘরের বাইরে যেতে ভানুকে পাশে বসতে বলল শ্রীপতি, জিজ্ঞেস করল, ঠাকুর কী করেছে?

    কী করেছে মানে?

    অনন্তর মেয়েটা কই?

    আঁজ্ঞে, অনন্তকে জিজ্ঞেস করবেন বাবু।

    অনন্ত আমাকে বলেছে। শ্রীপতি পকেট থেকে সিগারেট বের করে। ধরিয়ে ধোঁয়া উড়িয়ে দেয় ঘরের সিলিংয়ের দিকে। ধীরে ধীরে পাখাটা ঘুরছে। ক্লান্ত পাখির মতো ডানা কাঁপাচ্ছে যেন। শ্রীপতি বলল, তুমি তো বলোনি কিছু আমাকে।

    কী বলব, আমি তখন তো ছিলাম না।

    এসে তো জেনেছিলি ভানু বাবু, জানাসনি কেন?

    ভানু চুপ করে থাকে। বাবুকে কেন জানাবে তা ভেবে পাচ্ছে না। আর বাবু তো দেরি হলেও জেনেছে এখন, বাবু কী করবে করুক। করার কী আছে, অনন্ত টাকা নিয়ে বসে আছে, কত টাকা নিয়েছে তা ভানু ভালোভাবে জানে না। ও বিষয়ে কোনো কৌতূহল প্রকাশ করেনি এ পর্যন্ত। টাকা নিয়ে এখন মেয়েটাকে ফেরত আনবে কীভাবে, বা ঠাকুরকে অভিযুক্ত করবে কোন পথে?

    শ্রীপতি বলে, সে তো জানতই না এত কিছু। ভানু যে ওদের সঙ্গে কলকাতা পর্যন্ত গেছে তাও জানত না। অনেক দিন অনন্তর মেয়েটাকে দেখেনি। মেয়েটা বেশ ছিমছাম, ভদ্রলোকের মেয়ের মতোই চালচলন, কথাবার্তা। কী সুন্দর বলেছিল ঘোড়া দেখেছে রং দেখেনি, বর্ণহীন ঘোড়া। তো আচমকা মেয়েটার কথা জিজ্ঞেস করে ওর বাবার কাছ থেকে জানতে পারল সব। বলতে বলতে অনন্ত প্ৰায় কেঁদে ফেলে আরকি। পঞ্চম ঠাকুরকে দোষ দিল। পঞ্চম ঠাকুর আসলে আড়কাঠি। এ কাজ তো ভয়ানক কাজ। ধনে প্রাণে মারা পড়বে শ্রীপতি অমন লোককে আশ্রয় দেয়ার জন্য। ভানু চুপচাপ শুনে যায়। শ্রীপতি তার কাছে মতামত চাইছে বটে, কিন্তু তা না দিলেই বা কী, সিদ্ধান্ত তো বাবুর নিজের। বাবু কি তার কথায় সিদ্ধান্ত নেবে, না বদলাবে?

    শ্রীপতি বলল, ওদের তাড়াতে হবে।

    ভানু বলল, আমাকে বলে কী হবে বাবু, হোটেল আপনার, বিজনেস আপনার, আপনার কর্মচারী সব।

    শ্রীপতি বলে, রামচন্দ্র এ কাকে এনেছে সঙ্গে করে?

    শুনলেন তো জমি ভিটে সব চলে গেছে গরমেন্টের হাতে, মিলিটারি নিয়ে নিল সব, নিয়ে নিল স্বামী সংসার সব।

    সে তো শুনলাম, মেয়েটা রামচন্দ্রর সঙ্গে কেন?

    তা কি বুঝায়ে বলতে হবে বাবু? ভানু হাসতে চেষ্টা করে।

    আচমকা শ্রীপতি ক্ষেপে ওঠে, ওর এত বড় সাহস, ও জায়গা থেকে একটা মেয়েমানুষ নিয়ে এলো এখেনে, কেন এলো?

    ওকে জিজ্ঞেস করুন।

    তুমি জানো না ভানুবাবু? আঁজ্ঞে, কী বলব?

    ওরা কি একসঙ্গে থাকে, রামচন্দ্র আর সুভদ্রা?

    ভানু চুপ করে থাকে। তার মৌনতায় যা বোঝায় বুঝে নিক শ্ৰীপতি মাইতি। ভানু মনে মনে বিরক্ত হয়। মাইতিবাবু তার কাছে জানতে চাইছে কেন? মাইতিবাবু নিজে বুঝে নিক সব। কিন্তু মাইতিবাবু তো তাকেই দোষ দিতে আরম্ভ করল। ভানু এসে এই মেয়ে মানুষের খবরটা বলেনি, তার পোষ্য হলো রামচন্দ্র, পোষা ঘোড়া পালাতে পারে, রামচন্দ্রর সেই সাহস নেই। ওর শুধু শরীরখানা রয়েছে, মাথা তো নিরেট। নিজের কোনো মতামতই নেই। বাবু যা বলে দিয়েছে অক্ষরে অক্ষরে তা পালন করে ভীমাপুরের কাছারিবাড়িতে বসে। সেই লোক কিনা আস্ত একটা মেয়েমানুষ সঙ্গে করে এতদূর এলো! তার চেয়ে বড় কথা মেয়েমানুষটা তার কাছারিবাড়িতে থাকে রামচন্দ্রর আশ্রয়ে। রামচন্দ্রর এই আচরণ তো শ্রীপতির কাছে ভয়ের। রামচন্দ্রর এত সাহস হলো কী করে? ভানু তার পয়সায় ভীমাপুর গেল, ঘুরে এলো, কিন্তু কোনো খবরই আনতে পারল না! ভানু কি দেখেনি এই মেয়েমানুষটাকে তখন?

    ভানু বলল, দেখেছিলাম, কিন্তু কথাটা কি বলার মতন?

    শ্রীপতি রেগে গেল, বলার মতন নয় কেন? ভানুর মাথাটিও কি ওই রামচন্দ্রর মতো নিরেট! কী আশ্চর্য! তার পোষা নায়েব কাছারিবাড়িতে একটা মেয়েমানুষ এনে তুলেছে সেটা কোনো খবর নয়? সেই খবরটা দেবে না ভানু? ভানুও কি ভীমাপুর, বালিমুণ্ডায় গিয়ে ফুর্তি মেরে এসেছিল? ভানু কেন খবরই দেয়নি তা সন্দেহজনক মনে হচ্ছে শ্রীপতির কাছে। ভানু তো কোনো খবরই দেয়নি, অনন্ত সারের মেয়েটা যে বিক্রি হয়ে গেছে সে খবরটা জেনেও চেপে ছিল ভানু। শ্রীপতি কি বিশ-পঁচিশ হাজার খরচ করতে পারত না। মেয়েটা বাইরে চলে গেল?

    ভানু বিড়বিড় করে, আমি তো ওই দালালি করি না বাবু।

    শ্রীপতি এবার গলার স্বর নিম্নখাদে নামিয়ে আনে, আহা, সে কথা বলছ কেন ভানুবাবু। খবরটা তো দেবে। তার হোটেলের পঞ্চম ঠাকুর এমন একটা কাজ করল। তার কর্মচারী গোপনে আড়কাঠি হয়ে গেছে, তা শ্রীপতি নিজে জানবে না? না জানলে কোন দিন ব্যবসা লাটে উঠবে তা কি জানে না ভানুবাবু?

    ভানু চুপ করে থাকে। শেষের কথাগুলোয় যুক্তি আছে। তার বলা উচিত ছিল মাইতিবাবুকে। ভানু মাথা নামিয়ে থাকে। আর রামচন্দ্রর কথাটাও তার রিপোর্ট করা উচিত ছিল বোধহয়। কিন্তু কেন করবে? সে কি চুকলিবাজ? সে কি শ্রীপতি মাইতির খোঁচড়। তার কাজ কি খবর বয়ে আনা? কিন্তু তা যদি না হয়, তাহলে তার কাজ কী? ভানু ভাবলেশহীন চোখে তাকিয়ে থাকে মাইতিবাবুর দিকে। কী বলবে? কিছুই বলার নেই। সে তো শ্রীপতির কথামতো গৌরমোহন মদরঞ্জিওয়ালার বউটাকে পটাতে পারল না। শ্রীপতি মাইতির কোন কাজটা করেছে ভানু? ঘোড়াটি কি সে রাত্তিরে ছেড়ে দিয়েছিল? এখন শ্রীপতির যদি সেই সন্দেহ হয়, ভানু কি না বলতে পারবে? ভানুর মুখখানি অন্ধকার হয়ে গেছে। বুঝতে পারছে শ্রীপতি তার ওপর ভরসা রাখতে পারছে না। আজ সমস্ত দিন, তারপর সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া ঘটনা শ্রীপতির মানসিক শৃঙ্খলা ভেঙে দিয়েছে। ভানু টের পাচ্ছে সে তোপের মুখে পড়েছে। সে বুঝতে পারছে শ্রীপতি তাকে সন্দেহ করতে শুরু করেছে। কিন্তু কেন? ভানুর তো হাসি পাচ্ছে। পক্ষিরাজকে সে ছেড়ে দেবে, কেন দেবে? কী লাভ? আর অতদিনের পোষা প্রাণী, ছেড়ে দিলেই চলে যাবে, ফেরত আসবে না? পোষা প্রাণী কি পালায়, না পালিয়ে থাকে? মাইতিবাবু কি ধরতে পারছে না কেন পালিয়েছে? সে তো টের পেয়েছিল ধরিত্রী-গর্ভে বিস্ফোরণের কথা। মাইতিবাবু যদি নগেন গিরির সঙ্গে কথা বলতে বসত, তাহলে জানতে পারত সব।

    শ্রীপতি ডাকে, চুপ করে আছিস যে ভানুবাবু?

    ভানু বলে, যদি সন্দেহ করেন আর থাকা যায় না, আর ঘোড়াটা যখন নেই, আমি কী করে থাকি, শূন্যপৃষ্ঠ নিয়ে ফিরল সে, বিবিক্ত পৃষ্ঠং চ নিশাম্য বাজিন পুনর্গবাক্ষাণি পিধায় চুক্র শুঃ, তার শূন্যপৃষ্ঠ দেখে অন্তঃপুরবাসিনীরা গবাক্ষ রুদ্ধ করে কাঁদতে লাগল!

    এসব কথা কেন বলো, এসবের মানে কী, ঘোড়াটার নাম ছিল পক্ষিরাজ, তুমি কন্থক করে দিলে।

    আমি যতবার গেছি, ঘোড়াটাকে আনতে পারিনি, শূন্য হাতে ফেরা কি কম কষ্টের, কুমারকে না নিয়ে কন্থক ফিরেছিল, আমি কন্থককে না নিয়ে …।

    ভানুবাবু, আপনি কে বলুন দেখি, আমি তো এসব বুঝিনে কিছুই।

    বিষণ্ণ ভানু বেরিয়ে আসতে আসতে শুনল শ্রীপতি ডাকছে ঠাকুর-ঠাকুরানিকে।

    ভানু বাইরে এসে দুজনকে ডাকতেই দেখল ঠাকুরের মুখখানি ফ্যাকাসে। তার চেয়ে বেশি ফ্যাকাসে ঠাকুরানি। সুভদ্রা বসে আছে কিচেনের বেঞ্চিতে। তার মুখখানি নত, হাতে এককাপ চা। ঠাকুরানি জেরা করছিল বোধহয়। ভানু জিজ্ঞেস করে, কী বললে ওদের?

    কুছু না, কী হিবে ভানুদাদা?

    ভানু কিচেন থেকে বেরিয়ে দেখল বালিয়াড়িতে উবু হয়ে বসে রামচন্দ্র বিড়ি টানছে অন্ধকারে। ঠিক অন্ধকার নেই, হোটেলের জানালা থেকে এক স্তবক আলো গিয়ে পড়েছে বালিয়াড়ির ওপর, আর সেই আলোর বিভায় অন্ধকার অনেকটা হালকা হয়ে গেছে। ঘোড়াটি ওই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকত, বালিয়াড়িকে পিছনে রেখে সমস্ত রাত। ভানু উঠে এলো আবার বারান্দায়। কিন্তু ঠাকুর-ঠাকুরানির সঙ্গে কী কথা হচ্ছে মাইতিবাবুর তা কি গোপনে শোনা উচিত? আড়াল করতেই তো মাইতিবাবু ঘর থেকে সরিয়ে দিয়েছে তাকে।

    ভানু নেমে এলো আবার। কিচেনে ঠিক সেইভাবে বসে আছে সুভদ্রা। ভানু গিয়ে তার মুখোমুখি বসে, বিয়ে করেছ তোমরা?

    মোর তো আগের বিয়ার সিঁদুর রহিছে ভানুদাদা।

    ঠাকুরানি কী বলছিল?

    ভয় দিখাইছিলা কহিছিল চলি যাই যেনে।

    ভানু এবার গলা শুনতে পায় ঠাকুরের, দুজনে বেরিয়ে এসেছে বারান্দায়। ঠাকুর তাকে ডাকল, ও ভানুবাবু, বাবুর কী হইছে?

    কী হয়েছে তুমি জানো না?

    যদি দোষ হুঁই থাকে মোর হইছে, শালো অনন্ত তার মেয়্যাটিকে জাহাজওয়ালার ঘরে কাজ করতি পাঠাল, মু হঁই গিলা আড়কাঠি, আর তার জন্য ঠাকুরানির কাম যাবে, ই কেমন হিলা?

    ভানু অবাক, সেকি, ঠাকুরানি কী দোষ করল?

    কী বলি কহ দেখি। বিড়বিড় করে ঠাকুর।

    ভানু দেখে ঠাকুরানি চোখ মুছছে আঁচলে। ভানু বুঝতে পারছে না কেমন হলো ব্যাপারটা। ঠাকুরানির তো কোনো ভূমিকাই নেই, তার কাজ গেল আর ঠাকুর বহাল থাকল? মাইতিবাবুর কি মাথা খারাপ?

    তখন শ্রীপতি মাইতি বারান্দায় এসে দাঁড়ায়, গম্ভীর গলায় ডাক দেয় রামচন্দ্রকে, অ্যাই রামা, শুনি যা হারামজাদা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি লিলি – লিলি চক্রবর্তী
    Next Article বাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }