Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বচরিত – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প469 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অশ্বচরিত – ৪৮

    রামচন্দ্র বলল, বাবু কহিলা ধান কাটার পর উসব কথা শুনিবে, হুটেলে ঠাকুরানির বদলে সুভদরা কাম করিবে, বাবুর মায়া হইছে।

    তুমি কী বললে? ভানু জিজ্ঞেস করে।

    আঁজ্ঞা মু কী কহিব, বাবুর উপরে মু কহিতে পারি, মু কাল বাদ পরশু সকালা ভীমাপুর চলি যাবু, সুভদরা ইখেনে রহি যাবে।

    সুভদ্রা কী বলছে?

    চুপ করি রহিছে, কুনো কথাই কহিছে না।

    বিয়ে কবে হবে?

    আঁজ্ঞা ধান কাটার পর, ইটা তো কাত্তিক মাস, মৌসির মাস ছাড়া তো বিয়া হিবে না, কাত্তিক মাসে বিয়া হয়নি।

    তাহলে সুভদ্রা এখেনে থেকে যাবে?

    আঁজ্ঞা বাবু ইটাই কহিলা, বিয়া হয় নাই, উয়াকে কাছারিবাড়ি রাখা তো ‘রিকস’ হঁই যাবু, উটা ঠিকওনি, তবে কিনা উ তো একজনার বউ ছিলা, মাথায় সিঁদুরও পরে, মু বাবুর কথাই শুনিব, সুভদরা রহি যাক।

    রামচন্দ্রর কথার সময় সুভদ্রা মুখ নামিয়ে—স্থির, নিস্পন্দ। ভানু এতক্ষণে বুঝল ঠাকুরানিকে কেন বিদায় দিচ্ছে মাইতিমশাই। রামচন্দ্র তাকে টানল, শুনো ভানুবাবু, বাবু কহিছে ধান কাটার পর সত্যিই যদি গরমিন জমিন ঘিরি দেয়, দখল করি নেয়, তখন মুকে হুটেলের ঠাকুর করি দিবে, ঠাকুর বটে মানিজারও বটে, সুভদরা ঠাকুরানি, ই ঠাকুরকে বিদায় দিবে সি সময়!

    যদি জমিন থেকে যায়?

    সিটা তো জানিনি, সি কথা তো কহেনি বাবু, কিন্তু জমিন রহিবেনি, বাতাসে কথা উড়ছ্যা, ধান কাটার পর তারকাঁটা দিয়া ঘিরি লিবে, জমিনের টঙ্কা বালেশ্বর থিকে দিয়া দিবে।

    ভানু চুপ করে যায়। শ্রীপতি মাইতি তার কর্মচারীকে নিয়ে কী করবে তা তার ব্যাপার। সে নিজে শ্রীপতির কর্মচারী কি না তা জানে না। শ্রীপতি খেয়ালি মানুষ, পয়সাওয়ালা মানুষ, সে শ্রীপতির ঘোড়ার দেখভাল করত। দীঘায় নেমে শ্রীপতির সঙ্গেই আলাপ হয়েছিল প্রথমে। শ্রীপতি তাকে চিনেছিল। ভবঘুরেকে হোটেলের কাজে বন্দি করেছিল। ঘোড়ার পরিচর্যা ঠাকুর করত না। ঠাকুরের অত সময় কোথায়? পয়সা মারার ধান্দা করবে, না ঘোড়াটাকে দেখবে? শ্রীপতি সব জানে। কিন্তু এও জানে ঠাকুর আর কত মারতে পারবে পয়সা, বরং ঘোড়টাকে না দেখলে ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই ভানু এলো ঘোড়ার পরিচারক হয়ে। ভানু জীবনে কখনো ঘোড়ার গায়ে হাত দেয়নি তার আগে, কিন্তু আশ্চর্য, পক্ষিরাজ তাকে চিনে গেল ঠিক! ভানু এসেছিল বোশেখ মাসে, আশ্বিনে আবিষ্কার করল ঘোড়াটাও ভবঘুরে। পালায়, ফিরে আসে, আবার পালায়, তো এখন ঘোড়াটা নেই, ঘোড়া নেই যখন ভানু কী করতে আছে শ্রীপতি মাইতির কাছে? কিন্তু ঘোড়া যখন পালিয়েছে, আগের মতো ফিরেও আসতে পারে। তখন তো আবার কাজে বহাল হয়ে যাবে ভানু। এখনও অবশ্য বহালই আছে। তার কাজ যায়নি, ঘোড়াটাকে খুঁজে বের করাও তো কাজ। যতদিন না পাবে তা ততদিন খোঁজ। সবে তো কটা মাস হয়েছে, সময় তো ফুরিয়ে যায়নি! চাঁদ উঠছে, সূর্য উঠছে, মেঘ, বৃষ্টি, আলো-অন্ধকার, সব রয়েছে। সমুদ্র রয়েছে, আকাশ রয়েছে, জ্যোৎস্না রাত্রি রয়েছে, হিম পড়তে শুরু করেছে, আকাশের যত তারা সব আছে, কোনো তারা সন্ধ্যায় অস্ত যাচ্ছে, কোনোটি মধ্যরাতে জেগে উঠছে। ওই যে মাথার ওপরে ছায়াপথটি, আকাশগঙ্গা, যেমন ছিল তেমনই রয়েছে। ওই আলোর নদীর পশ্চিম ঘেঁষে অভিজিৎ নামের একটি নক্ষত্র আছে। ভানু তাকে চিনেছিল, এখন ধরতে পারে না, চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। আরও কত চিনত সে, একেবারে পূর্বদিগন্ত ছুঁয়ে প্রায, আকাশগঙ্গার শেষে ব্রহ্মহৃদয় ভেসে থাকে এই সময়। ভানু চিনতে পারে না। চেনে শুধু উত্তরাকাশের ওই ধ্রুব নক্ষত্রটিকে! যে বৈশাখে কন্থক পালিয়েছিল, তখন ব্রহ্মহৃদয়টি পশ্চিম দিগন্তের কাছে ছিল। সরতে সরতে অস্ত গিয়েছিল জ্যৈষ্ঠের শেষে। তারপর আবার ফিরে এসেছে আকাশমণ্ডলে। আকাশের গ্রহ-নক্ষত্রের শৃঙ্খলা একটুও ভাঙেনি। বৈশাখে ছিলেন সপ্তঋষি, উত্তর আকাশে, প্রায় মাথায় মাথায়, এখন সপ্তঋষিরা বিশ্রামে গেছেন। এই কদিন আগে তাঁরা অস্ত গেছেন পশ্চিম দিগন্তে, মাঘে আবার ফিরে আসতে আরম্ভ করবেন। ফাল্গুনে আকাশে জ্বলজ্বল করবে সাতটি ভাই। ঘোড়াটা কি জানে না এসব? যেখানেই থাকুক সে মাথার পরে আকাশ আছে। সেই আকাশে তার চেনা তারারা রয়েছে। সবই যখন আছে, সে ফিরবে না কেন? গাছগাছালি, বনবনান্তর, পাহাড়, নদী সব যদি থাকে সে যাবে কোথায়? কেন ফিরবে না? ফিরতে তাকে হবেই, আর ভানুকে খুঁজে যেতে হবে ঘোড়াটিকে। না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কখনো পথের ধারে, কখনো নদীর কূলে, কখনো বনের পাশে, হাটে, মাঠে, অশ্বত্থতলায়—যেখানে যেখানে কেউ কারও জন্য অপেক্ষা করতে পারে, সেখানেই অপেক্ষা করবে ভানু।

    পরদিন ঠাকুরানি খুব চোখের জল ফেলল। ঠাকুর ভোরবেলা ছুটে তার জন্য একটা কাজ ঠিক করে ফেলেছে নতুন দীঘার দিকে, কিন্তু থাকার জায়গা তো পাবে না সেখানে। আচমকা যে তার চাকরি চলে যাবে তা ভাবতেই পারেনি ঠাকুরানি। ঠাকুরানির বোনের বাড়ি আছে বালিসাই। সেখানে যাবে, না মাইতিবাবুর জন্য বসে থাকবে, সিদ্ধান্তে আসতে পারছে না। মাইতিবাবু আদেশ দিয়ে কাল রাতেই ফিরে গিয়েছিল সাঁতরাপুর। সকালে আসেনি, উদ্বিগ্ন দেখেছিল ভানু। ঠাকুরানি চোখের জল ফেলতে ফেলতে কাজ করছে। সমুদ্রপাখি হোটেলে থাকার জায়গা পেয়েছিল সে, জায়গা সমেত কাজ পাবেই বা কোথায় স্বামী-স্ত্রী? স্বামী-স্ত্রী কি? ধরা যায় না ঠিক। ভানুর কখনো সন্দেহ হয়, কখনো ভাবে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই।

    ভানু জিজ্ঞেস করল, তোমার কাজে গোলমাল হয়েছিল?

    ঠাকুরানি মাথা নাড়ে, জানিনি।

    তাহরে ঠাকুরের জন্য কাজ গেল?

    জানিনি।

    রামচন্দ্র আর সুভদ্রা শিবমন্দিরে গেল। সমুদ্রের কাছে গিয়ে সকালটা বসে থাকল। ভানুর কাজ দেখা। ভানু দেখছে দুটিতে মিল হয়েছে খুব। পক্ষী আর পক্ষিণীর মতো দুজনে মুখোমুখি সমুদ্রের ধারে ঝাউয়ের ছায়ায় বসে আলাপ করছে। ভানুর আজ কোথাও যাওয়ার নেই। তার মনের ভিতরে কোথাও কোনো অন্ধকারে কাঁকর ঢুকে গেছে যেন। অস্বস্তি একটা রয়ে গেছে। ঠাকুরানির চাকরি আচমকা খেয়ে নিল মাইতিবাবু, ঠাকুরকে রেখে দিল! অপরাধ তো ঠাকুরের, ঠাকুরানি কী করল? ভানু টের পাচ্ছে, কিন্তু ভাবতে ভয় পাচ্ছে। সুভদ্রাকে রেখেই দিল শ্রীপতি মাইতি? রেখেই দিল ঠাকুরানির জায়গায়। রামচন্দ্রকে পাঠিয়ে দিল বালিমুণ্ডা—ভীমাপুর। পাঠিয়েই দিল।

    বিকেল বিকেল এলো শ্রীপতি। ঠাকুরানি উসখুস করতে লাগল। দুদ্দাড় করে নেমে এলো নিচে, কিচেনে গিয়ে ঢুকল! ঠাকুর বেঞ্চে চুপ করে বসে ছিল। ঠাকুরানি চাপা গলায় তাকে শ্রীপতির আসার খবর দিতে ঠাকুর বলল, কুছু হবেনি, তুই যা।

    কাই যাবু?

    তার আমি কি জানি?

    তুমি ইটা কী বলো ঠাকুরমশায়?

    মোর ভিটায় তো তুরে লিয়ে যাবনি। ঠাকুরমশায়, মু তুমার আশরয়ে ছিলাম।

    ঠাকুর মুখ গোমড়া করে বসে আছে। ঠাকুরানির কালো চকচকে দুটি চোখের কোণ চিকচিক করে উঠেছে। ঠাকুর ইঙ্গিত করল মাইতিমশায়ের কাছে যেতে। ঠাকুরানি কিচেন থেকে বেরিয়ে এলো আঁচলের খুঁটে চোখের জল মুছতে মুছতে। বেরিয়ে ভানুকে পায়, ভানুদাদা!

    ভানু বলল, যাও বাবুর কাছে।

    তুমি যাও ভানুদাদা, মু কী করিছি কুছুই জানিনি।

    ভানু ঢুকে গেল শ্রীপতির ঘরে। শ্রীপতি চিত হয়ে বিছানায় শুয়ে ছিল। ভানুকে দেখেও শুয়ে থাকল। ভানু টেবিলের লাগোয়া চেয়ারটিতে বসল। বসেই থাকল। শ্রীপতি উঠে বসল আচমকা, মেয়েছেলেটা যায়নি?

    ঠাকুরানি সমস্ত দিন চোখের জল ফেলছে।

    আমি কী করব? আমি তো ওর ঠিকা নিয়ে বসে নেই।

    ভানু বলল, রাখা যায় না?

    না, ওকে তো আমি রাখিনি, রেখেছিল ঠাকুর, ঠাকুরের জন্য ওকে ছাড়লাম, ও ঠাকুরের রাখনি, বিয়ে করা বউ তো না।

    আগে তো শুনিনি।

    দরকার হয়নি তাই শোনোনি, আর শুনবে কেন, কথাটা কি বলার মতো, ঠাকুরের এত আস্পদ্দা, আমার হোটেলে খায়, কাজ করে, আড়কাঠিগিরি করবে, আর আমি তা জানব না, তুমিও বলোনি ভানুবাবু, কিছুই বলোনি

    আঁজ্ঞে আমি বলার কে, আমি জানতাম আপনি জেনে যাবেন।

    তুমি তো ভীমাপুরের কথাও…। শেষ করে না শ্ৰীপতি।

    ভানু চুপ করে থাকল। কথটা কাল রাতেই শেষ হয়ে গেছে ধারণা ছিল, কিন্তু তা নয়। শ্রীপতি ভোলেনি, শ্রীপতি ফুসছে। বলছে, ও বেটা আমার নায়েব ও একটা মেয়েমানুষ তুলেছে কাছারিতে, কাছারি ওর বাপের?

    ভানু চুপ করে থাকে। মাইতিবাবুর কর্মচারী, বাবুর যেমন শাসন করার অধিকার আছে, তেমনি আছে যে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার অধিকার। শ্রীপতি বলছে, সুভদ্রাকে রেখে দিতে সুবিধা হলো ঠাকুরানিকে ছাড়া। ঠাকুরানি হলো ঠাকুরের পোষা মেয়েমানুষ। ঠাকুরের বউ ছেলেমেয়ে সব আছে গাঁয়ে, দীঘার ঠাকুরানি তার সেবা করে। ঠাকুরানিকে ঠাকুরই এনেছিল। ঠাকুর খুব চালাক। মেয়েমানুষটাকে বউ পরিচয়ে কাজে ঢুকিয়ে নিল অথচ ওর বউ যে ঠাকুরানি নয় তা টের পেতে প্রায় মাস ছয়েক লেগেছিল শ্রীপতির, যখন গাঁ থেকে ঠাকুরমশায়ের সমন্ধি এলো চন্দনেশ্বর মন্দিরে মানত পালন করার জন্য। ঠাকুরকে জব্দ করা এটা একটা উপায় হলো। ঠাকুরানির জন্যই ঠাকুর তার কাজ ছাড়বে ঠিক।

    ভানু বলল, ঠাকুরকে ছাড়লেই তো হতো।

    উঁহু, তাহলে ঠাকুরের কাজ করবে কে? ভানুর দ্বারা ও কাজ হবে না, রামচন্দ্রও পারবে না। আর রামচন্দ্রকেও তো বুঝিয়ে দেয়া দরকার সে যে কাজটা করেছে তা ঠিক নয়। সুভদ্রাকে রেখে দিয়ে রামচন্দ্রকে একা ভীমাপুর পাঠানোর জন্যও ঠাকুরানিকে ছাড়ানো হয়েছে। রামচন্দ্রর সঙ্গে সুভদ্রাকে ভীমাপুর ফেরত পাঠানো যায় না। কাছারির একটা মেয়েমানুষ নিয়ে থাকবে নায়েব, তা তো হতে পারে না। তাতে মাইতিবাবুর কাছারির বদনাম হবে। কাছারিটা হিসেব রাখার, মেয়েমানুষ নিয়ে থাকার জন্য নয়। নায়েব এসব করলে জমিজমা রক্ষাই দায় হবে। পুলিশের নজর পড়বে কাছারির ওপর। তার কাছারিতে ওভাবে পুলিশের আনাগোনা হলে কাছারির মান থাকবে না। কাছারির পবিত্রতা নষ্ট হবে। সুভদ্রা মেয়েমানুষটি স্বামী ত্যাগ দেয়া। শ্রীপতি দেখেই বুঝতে পারছে ওর স্বভাবও ভালো নয়। হতে পারে না। জেনেশুনে ওকে যেতে দেয়া মানে রামচন্দ্রর ফুর্তির ব্যবস্থা করা।

    ভানু বলল, ঠাকুরানি কাঁদছে।

    কাঁদুক। শ্রীপতি নির্মম। ঠাকুর ওকে বাঁচাক। আর ঠাকুরও বুঝুক কাজটা সে ভালো করেনি। ঠাকুরানিকে নিয়ে খুব সুখে ছিল ঠাকুর। সেই সুখ ভাঙা দরকার। শ্রীপতি বলছে, রামচন্দ্র তো কাল ভীমাপুর যাবে, আজই সন্ধের পর ওকে সাঁতরাপুর পাঠিয়ে দেবে, এক জায়গায় থেকেও আলাদা হয়ে যাবে সে সুভদ্রার কাছ থেকে। সেই কাজটাই করা দরকার। ভানুকে গাঁজা সাজতে বলে শ্ৰীপতি।

    ঠিক সন্ধের সময় দুটিতে ফিরল। রামচন্দ্র আর সুভদ্রা। ঠাকুর গেছে ঠাকুরানিকে বালিসাইয়ের বাসে তুলে দিতে। শ্রীপতি রামচন্দ্রকে ডেকে সাঁতরাপুর যেতে বলে। ওদিক থেকে ভ্যান রিকশা ধরে রামনগর গিয়ে বাস ধরে যেন রামচন্দ্র। একটু খরচ বেশি হবে।

    রামচন্দ্র হাত কচলায়, এতক্ষণে সে টের পেল সুভদ্রা বউকে রেখে তাকে চলে যেতে হবে এখনই। বাবু বলছে, বাবু যাবে, রামচন্দ্র না বলে যেন ভীমাপুর ছেড়ে এদিকে না আসে, আসতে হবে না।

    আঁজ্ঞা আঘুন মাসে?

    চোপ, যা বলছি তাই করবি।

    আঁজ্ঞা তাই হিবে, কিন্তু সুভদরা?

    আমার কাছে থাকল।

    আঁজ্ঞা! রামচন্দ্রর চোখমুখ বিপন্ন হয়ে উঠল। বিমর্ষতার ছায়া পড়ল। এতক্ষণে সে ধরতে পারছে সুভদ্রা দীঘায় থাকবে, সে থাকবে ভীমাপুরের কাছারিতে। কাছারি ত্যাগ করতে মানা করছে বাবু। ধান কাটার পরে ওরা আসবে। এখন সরকার জমি যদি নিয়ে নেয়, কত জমি নিচ্ছে সরকার তার হিসেব নেয়া দরকার। নায়েব কাছারিতে থাকবে না, অথচ সমস্ত স্থাবর সম্পত্তি সরকার ঘিরে নেবে তা তো হয় না। শ্রীপতি বোঝাতে লাগল, এই সমস্ত অধিগ্রহণের কোনো হিসেব থাকে না, সরকারি সার্ভেয়ার যেমন বলবে তেমন হবে। এমন যদি হয় একশ বিঘে নিয়ে সার্ভেয়ার বলল, সত্তর বিঘে নিয়েছে, সেইভাবে যদি হিসেব দাখিল করে কালেক্টরের কাছে, তবে কালেক্টর সায়েব তাই মেনে নেবে। আবার সার্ভেয়ার যদি বিশ বিঘে নিয়ে, কুড়িটা-তিরিশটা দাগ দখল করে বলে পঞ্চাশ বিঘে নিয়েছে, পঁয়ষট্টিটা দাগ নিয়েছে, কালেক্টর তাও মেনে নেবে। সুতরাং সার্ভেয়ারকে বশ করতে হবে। সার্ভেয়ারকে দিয়ে কাছারিবাড়ির এরিয়া বেশি লেখাতে হবে, লেখাতে হবে হাজারটা নারকেল গাছ আছে, সেই সবের দাম সার্ভেয়ারের হিসেবমতো কালেক্টর দেবে। রামচন্দ্রের এখন ওই কাজ করা উচিত কাছারিতে পড়ে থেকে। ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গে খুঁজে বের করা উচিত অধিগ্রহণ দপ্তরের সার্ভেয়ারকে, ছোটবড় অফিসারদের। কত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নায়েবের।

    রামচন্দ্র বাধ্য ছেলের মতো সব শুনল, তারপর জিজ্ঞেস করল, বাবু কবে যাবে? বাবু গেলে তো খবর সব পাবে রামচন্দ্র। কোন খবর? তা কি আর খোলসা করে বলে সে? শ্রীপতি ভানু দুজনেই বুঝে নিল। শ্রীপতি হাসতে লাগল। নেশাটা ধরেছে তার, বলে, যাবে শিগগির, এ মাসেই ধান কাটা হয়ে গেলে যাবে খবর নিতে, তবে নিজে না গিয়ে ভানুকেও পাঠাতে পারে।

    রামচন্দ্র বলে, ভানুবাবুর অশ্ব উদিকে নাই।

    নাই! কী করে বুঝল রামচন্দ্র? থাকতেও তো পারে। ঘোড়াটা যে সমুদ্র উপকূল ধরে ছুটে যায়নি তা জানবে কী করে রামচন্দ্র? আকাট রামচন্দ্র! নির্বোধ রামচন্দ্র! শ্রীপতি বলল, এখনই যেন রামচন্দ্র সাঁতরাপুরে চলে যায়, তার মা দেখতে চেয়েছে তাকে। ভানুর আর ভালো লাগছিল না। আচমকা সে উঠে পড়ল। বেরিয়ে এসে দেখল সুভদ্রা বসে আছে কিচেনের ভিতরে, চেয়ারে আধময়লা আলোর ভিতরে। ভানুকে দেখে অন্ধকার মুখ নামায়।

    রামচন্দ্র বেরিয়ে এসে ভানুকে ধরল, ভানুবাবু, তুমি কুছু কহিবে না?

    কী! ভানু ঘাড় ঘোরায়। দেখল মস্ত চেহারার লোকটা নুয়ে গেছে, কোনো রকমে উদ্‌গত অশ্রু চেপে রয়েছে। ধুস! ভানু ঠেলে দিল রামচন্দ্রকে, বলল, আমি কী বলব, আমি কি তোর বাবু, যা না বাবুর পা ধর গিয়ে।

    রামচন্দ্র দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই রামচন্দ্র আর কাছারিবাড়ির রামচন্দ্র এক নয়। কাছারিবাড়ির রামচন্দ্র অন্য লোক। তার অন্য রূপ, অন্য চেহারা। ভানু বলল, কে তোকে নিয়ে আসতে বলেছিল সুভদ্রাকে?

    সুভদ্রা কহিছে রহিবেনি।

    তা কি আর হয়। ভানু মাথা ঝাঁকায়।

    রামচন্দ্র বলে, মোর ডর লাগিছে ভানুবাবু, তুমি কুছু কহ।

    ভানু হাসতে থাকে, কী কহিব রে, কী কহিব, যা কাছারিতে গিয়ে সার্ভেয়ারকে খুঁজে বের কর, সুভদ্রা বাবুর কাছে থাকুক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমি লিলি – লিলি চক্রবর্তী
    Next Article বাতাসবাড়ি জ্যোৎস্নাবাড়ি – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }